সাইন আপ করুন

লগিন করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে admin@addabuzz.net ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন।

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

aalan

AddaBuzz.net Latest Articles

কি হবে যদি আপনার মস্তিষ্ক পাঁচ সেকেন্ডের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দেয়?

কি হবে যদি আপনার মস্তিষ্ক পাঁচ সেকেন্ডের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দেয়?

হার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও আপনার মস্তিষ্ক কয়েক মিনিটের জন্য বেঁচে থাকতে পারে কিন্তু যদি আপনার মস্তিষ্ক বিরতি নেয় এবং পাঁচ সেকেন্ডের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দেয়? সেটা কি অবিলম্বে মৃত মস্তিষ্কে পরিণত হবে? যদি তা ঘটে তবে আপনার অন্যান্য অঙ্গগুলির কী হবে? এবং যখন মস্তিষ্ক আবার কাজ শুরু করবে তখন কি আপনার স্বাভাবিক জীবন ক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে পারবে?

মস্তিষ্ক সম্পর্কে তথ্য, মস্তিষ্ক কিভাবে কাজ করে

মস্তিষ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এটি আপনার চিন্তাভাবনা, গতিবিধি এবং সমস্ত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যা আপনাকে জীবিত রাখে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এই আশ্চর্যজনক অঙ্গটি আপনার হার্ট বন্ধ হওয়ার পরও ছয় মিনিট পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে কিন্তু কখনও কখনও, মানুষের মস্তিষ্ক বিরতি নিতে পারে
যখন মস্তিষ্কের বেশিরভাগ কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যায়, তখন আপনি কোমায় চলে যেতে পারেন এই অবস্থা অস্থায়ী বা স্থায়ী হতে পারে কিন্তু এগুলি আপনার মস্তিষ্ক সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হওয়ার থেকে ভিন্ন

যদি ৫ সেকেন্ডের জন্য মস্তিষ্ক বন্ধ হয়ে যায়

যদি মস্তিষ্ক পাঁচ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আপনার সমস্ত প্রাথমিক কাজ যেমন হৃদস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাস এবং রক্তচাপ বন্ধ হয়ে যাবে কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক আবার কাজ করা শুরু করলে কি হবে? আপনি কি আপনার দৈনন্দিন জীবনে ফিরে যেতে পারবেন?

মস্তিষ্ক কাজ না করলে

খুবই দুঃক্ষের সাথে বলতে হচ্ছে, যদি আপনার মস্তিষ্ক পাঁচ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেটি মৃতমস্তিষ্কে পরিণত হবে এবং মস্তিষ্কের মৃত্যু অপরিবর্তনীয় যদিও সেই মুহুর্তে, আপনাকে হয়তো মৃত দেখবে না মনেহবে আপনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তাই আপনার মস্তিষ্ক মৃত ঘোষণা করার আগে, ডাক্তারদের বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করতে হবে
আপনার চক্ষুতারা প্রতিক্রিয়া করছে কি না তা নিশ্চিত করতে তারা আপনার চোখে আলো ফেলবে তারা এটাও পরীক্ষা করবে যে আপনার ব্যথার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কি না যখনি তারা নিশ্চিত হবেন যে আপনার কোনো রেজিস্টার্ড ব্রেন অ্যাক্টিভিটি এবং পালস নেই তখন আপনাকে ক্লিনিক্যালি মৃত ঘোষণা করা হবে দুঃখজনকভাবে, এই অবস্থায় আর কিছুই করার থাকে না

পাঁচ সেকেন্ড পর আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় জীবিত হতে পারবে না কিন্তু আপনার শরীরের কি হবে?

মস্তিষ্কের মৃত্যু একাধিক অঙ্গ বিকল, হাইপোথার্মিয়া এবং শ্বাসযন্ত্র বিকল করবে যেহেতু আপনার ফুসফুস আর কাজ করবে না, ফলে শরীর কোন নতুন অক্সিজেন পাবে না আপনার কার্ডিয়াক পেশী মারা যেতে শুরু করবে এক ঘণ্টার মধ্যেই আপনার হার্ট বন্ধ হয়ে যাবে কিন্তু আপনার মৃত্যুর প্রক্রিয়া সেখানেই শেষ হবে না

মৃত্যুর পর কি হবে

আপনার মস্তিষ্কের মৃত্যুর প্রায় এক সপ্তাহ পরে, আপনার কিডনি বিকল হতে শুরু করবে সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বিকল হবে কারণ আপনার মস্তিষ্ক শরীরের সমস্ত জৈবিক প্রক্রিয়ার জন্য আর প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করবে না
এতসব কিছুর মধ্যেও একটি ভালো খবর হলো যে, আপনাকে এই কষ্ট সহ্য করতে হবে না আপনি এসবের কিছুই অনুভব করবেন না কারণ আপনি সম্পূর্ণরূপে মৃত আপনি যদি একজন নিবন্ধিত অঙ্গ দাতা হন, তবে মস্তিষ্কের মৃত্যুর পরেও আপনার শরীরকে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করানোর জন্য ডাক্তারদের কিছু পদ্ধতি থাকে
তাদের আপনার অঙ্গগুলির জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে তাই তারা আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় ওষুধ, হরমোন এবং তরল সরবরাহ করবে এবং আপনাকে ভেন্টিলেটরে রাখবে এই শ্বাসপ্রশ্বাসের যন্ত্রটি আপনার হৃদস্পন্দন ধরে রাখতে আপনার ফুসফুসকে বাতাসে ফুলিয়ে দেবে যতক্ষণ অক্সিজেন থাকবে, ততক্ষণ আপনার হৃদপিণ্ড পাম্প করতে পারবে
এই সময়ে, তারা আপনাকে উষ্ণ রাখতে আপনার শরীরকে কম্বলে ঢেকে দেবে দেখলে মনেহবে আপনি ঘুমিয়ে আছেন একবার ডাক্তাররা আপনার শরীরের দরকারি অঙ্গ সংগ্রহ করে ফেললে, এই চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়া হবে কারণ আপনার শরীরকে বাঁচিয়ে রাখার কোন নৈতিক অর্থ থাকবে না
এই প্রকৃয়াটি অত্যন্ত মূল্যবান কারণ আপনার অঙ্গগুলি এমন রোগীদের জন্য উপলব্ধ হবে যারা অঙ্গ বা টিস্যুর জন্য মরিয়া হয়ে অপেক্ষা করছেন এবং বেশিরভাগ অঙ্গ মস্তিষ্কমৃত দাতাদের কাছ থেকে আসে কিন্তু মস্তিষ্কের মৃত্যু প্রায়ই ঘটে না এটি প্রতি ২০০ হাসপাতালের মৃত্যুর মধ্যে মাত্র একজনের ক্ষেত্রে ঘটে সুতরাং আপনি নিশ্চই বুঝতে পাচ্ছেন কেন অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা এত কঠিন
আপনার কাছে কি মনেহয়? আপনি যদি কোমায় থাকতেন এবং কখনই জেগে না উঠতেন সেটা কি সেকেন্ডের অচল মস্তিষ্কের চেয়ে ভালো হতো? কমেন্টে জানাতে পারেন
ধন্যবাদ!
তথ্যসূত্রঃ

ছবিঃ Pixabay

আর্টিকেলটি শেয়ার করুন
aalan

অনুরুপ পোস্ট

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগ ইন করতে হবে।