সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ: সৃষ্টির উপাদান: কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সতবিস্তারিত পড়ুন
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:
কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সত্তা।
যখন আল্লাহ আদম সৃষ্টি করেন এবং সমস্ত ফেরেশতাদের আদমকে সজদা করতে আদেশ দেন, তখন ইবলিস (যিনি জ্বীনের মধ্যে একজন ছিলেন) তাঁর অহংকার ও ঈর্ষার কারণে আদমকে সজদা করতে অস্বীকার করেন। এই অযথার্থ আচরণের ফলে, তিনি আল্লাহর নিকট থেকে নিন্দিত হন এবং শয়তানের মর্যাদা লাভ করেন।
ইসলামিক বিশ্বাসে, ইবলিসের সৃষ্টির ঘটনা ও তাঁর পতনের প্রক্রিয়া মানবজাতির পরীক্ষার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর অস্বীকার ও ঈর্ষা মানবজাতির জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে চিহ্নিত, যাতে ঈমান ও বিনয় বজায় রাখা যায়।
ইবলিসকে অগ্নির নিখুঁত শিখা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাঁর অহংকারের কারণে আদমের সম্মুখে সজদা অস্বীকার করার ফলে তিনি শয়তানের মর্যাদা পান।
সংক্ষেপে দেখুন