সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো: ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথাবিস্তারিত পড়ুন
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি
মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো:
১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথা যোগ করা বা বাদ দেওয়া):
২. অর্থ বা ব্যাখ্যা বিকৃত করা (কথার ভুল ব্যাখ্যা করা):
৩. নতুন কিতাব বা আইন তৈরি:
ধরুন, আপনার কাছে আপনার বাবার লেখা একটি চিঠি আছে। যদি সেই চিঠির কিছু কথা আপনি মুছে ফেলেন, নতুন কিছু কথা নিজের হাতে যোগ করেন, বা চিঠির আসল অর্থ গোপন করে অন্যভাবে মানুষকে বোঝান—তাহলে সেই চিঠি আর আপনার বাবার আসল চিঠি থাকবে না, বিকৃত হয়ে যাবে। ইসলাম ধর্মের মতে, ইহুদিদের দ্বারা তাওরাতের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনটাই ঘটেছে।
এই বিকৃতির ফলেই বর্তমানে তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ (তোরাহ/ওল্ড টেস্টামেন্ট) আছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া মূল তাওরাত নয় বলে মুসলিমরা বিশ্বাস করে।
সংক্ষেপে দেখুন