না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে। হাদিসের দলিল হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি ভুলবিস্তারিত পড়ুন
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে।
হাদিসের দলিল
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে এসেছে — “যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার ওপর কোনো কাজা নেই, কোনো কাফফারাও নেই।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)
পরিস্থিতি অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান
| পরিস্থিতি | রোজা ভাঙে? | করণীয় |
|---|---|---|
| রোজার কথা ভুলে পানি/খাবার খেলে | ❌ ভাঙে না | মনে হলেই বন্ধ করুন, রোজা চালিয়ে যান |
| কুলি করতে গিয়ে পানি গলায় চলে গেলে | ❌ ভাঙে না | রোজা চালিয়ে যান, চিন্তা নেই |
| ভুলে খেয়ে মনে হওয়ার পরও খাওয়া চালিয়ে গেলে | ✅ ভাঙে | কাজা আদায় করতে হবে |
| ভুলে খেয়ে “রোজা গেছে” ভেবে আবার খেলে | ✅ ভাঙে | কাজা আদায় করতে হবে |
| ইচ্ছাকৃতভাবে খেলে | ✅ ভাঙে | কাজা + কাফফারা উভয়ই দিতে হবে |
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ভুলটি অনেকে করেন
ভুলে পানাহার করার পর যদি কেউ মনে করে তার রোজা ভেঙে গেছে এবং এরপর আবার কিছু খায় বা পান করে — তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীকালে এই রোজাটি কাজা করতে হবে। তাই এই ভুলটি থেকে সাবধান থাকুন।
অন্যকে রোজাদারকে ভুলে খেতে দেখলে কী করবেন?
রোজা পালনকারীকে কিছু খেতে দেখলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এটি একজন মুসলিমের দায়িত্ব।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
ভুলে খেয়ে ফেললে → মনে হওয়ামাত্র থামুন → রোজা চালিয়ে যান → কোনো চিন্তা নেই।
মনে হওয়ার পরও খেলে → কাজা দিতে হবে।
ইচ্ছে করে খেলে → কাজা + কাফফারা দুটোই দিতে হবে।

ঈদের নামাজ ২ রাকাত, এটি ওয়াজিব। প্রতিটি রাকাতে অতিরিক্ত ৬টি করে মোট ১২টি তাকবির দিতে হয়। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা — উভয় ঈদের নামাজই ২ রাকাত। তবে এই নামাজ সাধারণ নামাজের চেয়ে আলাদা, কারণ এতে অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। তাকবিরের নিয়ম প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার আগে অতিরিক্ত ৩টি তাকবির এবং দ্বিতীয়বিস্তারিত পড়ুন
ঈদের নামাজ ২ রাকাত, এটি ওয়াজিব। প্রতিটি রাকাতে অতিরিক্ত ৬টি করে মোট ১২টি তাকবির দিতে হয়।
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা — উভয় ঈদের নামাজই ২ রাকাত। তবে এই নামাজ সাধারণ নামাজের চেয়ে আলাদা, কারণ এতে অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়।
তাকবিরের নিয়ম
প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার আগে অতিরিক্ত ৩টি তাকবির এবং দ্বিতীয় রাকাতে রুকুর আগে অতিরিক্ত ৩টি তাকবির — মোট ৬টি অতিরিক্ত তাকবির (হানাফি মাযহাব অনুযায়ী)।
নামাজের সময়
সূর্যোদয়ের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত।
সংক্ষেপে দেখুনঈদের নামাজের জন্য আযান ও ইকামত নেই।