সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বারোমাসি সবজি তালিকা – ছয় ঋতুর দেশ হিসাবে পরিচিত আমাদের এই দেশ। ঋতু বৈচিত্রের কারনে এ দেশের মাটিতে ফলে নানা রকম ফল ও সবজি। আর আমাদের দেশের কৃষির মৌসুম তিনটি- খরিফ-১, খরিফ-২ ও রবি। উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে যদিও কৃষি মৌসুমকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া, জলবায়ু এবং আমাদেরবিস্তারিত পড়ুন
বারোমাসি সবজি তালিকা – ছয় ঋতুর দেশ হিসাবে পরিচিত আমাদের এই দেশ। ঋতু বৈচিত্রের কারনে এ দেশের মাটিতে ফলে নানা রকম ফল ও সবজি। আর আমাদের দেশের কৃষির মৌসুম তিনটি- খরিফ-১, খরিফ-২ ও রবি। উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে যদিও কৃষি মৌসুমকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া, জলবায়ু এবং আমাদের প্রয়োজনের তাগিদে প্রতি মাসের প্রতিটি দিনই কিছু না কিছু কৃষি কাজ করতে হয়।
বৈশাখ মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
বৈশাখ (মধ্য এপ্রিল-মধ্য মে):
জ্যৈষ্ঠ মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
জ্যৈষ্ঠ (মধ্য মে-মধ্য জুন):
আষাঢ় মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
আষাঢ় (মধ্য জুন-মধ্য জুলাই):
শ্রাবন মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
শ্রাবণ (মধ্য জুলাই-মধ্য আগস্ট):
ভাদ্র মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
ভাদ্র (মধ্য আগস্ট-মধ্য সেপ্টেম্বর):
আশ্বিন মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
আশ্বিন (মধ্য সেপ্টেম্বর-মধ্য অক্টোবর):
কার্তিক মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
কার্তিক (মধ্য অক্টোবর-মধ্য নভেম্বর):
অগ্রাহায়ণ মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
অগ্রহায়ণ (মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর):
পৌষ মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
পৌষ (মধ্য ডিসেম্বর-মধ্য জানুয়ারি):
মাঘ মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
মাঘ (মধ্য জানুয়ারি-মধ্য ফেব্রম্নয়ারি):
ফাগুন মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
ফাগুন (মধ্য ফেব্রম্নয়ারি-মধ্য মার্চ):
চৈত্র মাসে কি কি সবজি চাষ করা যায় ?
চৈত্র (মধ্য মাৰ্চ মধ্য-এপ্রিল):
- গ্রীষ্মকালীন বেগুন, টমেটো, মরিচের বীজবপন বা চারা রোপণ করা দরকার।
- নাবী জাতের বীজতলা তৈরি ও বীজবপন করতে হবে।
- যে সব সবজির চারা তৈরি হয়েছে সেগুলো মূল জমিতে রোপণ করতে হবে।
- সবজি ক্ষেতের আগাছা দমন, সেচ ও সার প্রয়োগ, কুমড়া জাতীয় সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনের ব্যবস্থা নিতে হবে।
- নাবী রবি সবজি উঠানো, বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে।
- মাটিতে রসের ঘাটতি হলে ফলের গুটি বা কড়া ঝরে যায়। তাই এ সময় প্রয়োজনীয় সেচ প্রদান, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করা জরুরি।
সংক্ষেপে দেখুন