বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই। ২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবংবিস্তারিত পড়ুন
বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই।
২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবং এরা ১১ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করতো। এটা এখন কানাডার আলবার্টার রয়্যাল টাইরেল মিউজিয়াম অফ প্যালিওন্টজিতে সংরক্ষিত আছে। এর ত্বক এবং বর্মগুলো এতোটাই অক্ষত যে, জীবাশ্মবিদরা একে ফসিল না বলে মমি বলার পক্ষে। জীবাশ্মবিদরা বলছেন যে, এটাই পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ডাইনোসরের সবচেয়ে ভালো সংরক্ষিত নমুনা।
আশাকরি আর প্রমাণ করার প্রয়োজন হবে না।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন

ডাইনোসরদের সময়ে প্রচুর লতাপাতা, গাছপালা জন্মেছিল। তাই তৃণভোজী ডাইনোসরদের খাবারের কোনো অভাব ছিল না। প্রচুর খাদ্যগ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে বড় হতো এসব প্রাণীর দেহ। এ ছাড়া আকারে বড় হওয়ায় গায়ে শক্তিও থাকত বেশি। ফলে শিকারী প্রাণীর কবলে পড়ে ঘায়েল হতো না সহজে। বেশি সময় বাঁচত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশি খাবার খেয়ে ববিস্তারিত পড়ুন
ডাইনোসরদের সময়ে প্রচুর লতাপাতা, গাছপালা জন্মেছিল। তাই তৃণভোজী ডাইনোসরদের খাবারের কোনো অভাব ছিল না। প্রচুর খাদ্যগ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে বড় হতো এসব প্রাণীর দেহ। এ ছাড়া আকারে বড় হওয়ায় গায়ে শক্তিও থাকত বেশি। ফলে শিকারী প্রাণীর কবলে পড়ে ঘায়েল হতো না সহজে। বেশি সময় বাঁচত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশি খাবার খেয়ে বড় হতো আরও।
সংক্ষেপে দেখুন