সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

আড্ডাবাজ অ্যাপ ইন্সটল করুন
সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ
হোমপেজ/দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায়
aalan

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

কাসেম খান
কাসেম খাননতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হাই প্রেসার এর লক্ষণ এবং হাই প্রেসার কমানোর উপায় কি?

  1. নুসরাত জাহান
    সেরা উত্তর
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি নাবিস্তারিত পড়ুন

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    উচ্চ রক্তচাপ

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব

    লিখেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু প্রমা

     মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. ইমা ইসলাম

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও তারা সেই সম্পর্কে অবগত থাকেন না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রায় অর্ধেক রোগীই জানেন না যে তারা এ রোগে ভুগছেন।

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও, একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। এ ছাড়াও সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে সহজেই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।

    • লক্ষণসমূহ
    • কারণসমূহ
    • স্বাস্থ্য ঝুঁকি
    • প্রেসার মাপার নিয়ম
    • কমানোর উপায়

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়

    নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তাররা দুটি পথ অবলম্বনের পরামর্শ দেন। প্রথমে জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনার উপদেশ দেওয়া হয়। এভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসলে সুস্থ জীবনধারা মেনে চলার পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে রোগ নির্ণয়ের সময়ে যদি প্রেসার অনেক বেশি থাকে তাহলে শুরুতেই জীবনধারা পরিবর্তনের পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

    জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে তা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এছাড়া ইতোমধ্যে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকলে সেটিও নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

    বিভিন্ন রোগীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। আপনার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা জানতে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

    উচ্চ রক্তচাপ কমাতে জীবনধারার পরিবর্তন

    জীবনধারার কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে এবং বেড়ে যাওয়া রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এমন কিছু পরিবর্তন হলো—

    • খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো
    • স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস তৈরি করা
    • মদপান কমিয়ে ফেলা
    • অতিরিক্ত ওজন কমানো
    • নিয়মিত ব্যায়াম করা
    • অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকা
    • ধূমপান ছেড়ে দেওয়া

    উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ

    উচ্চ রক্তচাপ সনাক্ত হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তার রোগীকে এক বা একাধিক ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। সঠিক ঔষধ বেছে নিতে রোগীর রক্তচাপ, বয়স, বর্ণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়।

    ঔষধগুলো সাধারণত ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায় এবং দিনে একবার সেবন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনবোধে দিনে দুইবার করে সেবনের পরামর্শও দেওয়া হতে পারে।

    রক্তচাপ অত্যধিক বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রোগীকে একাধিক ঔষধ সমন্বয় করে সেবন করতে হতে পারে।

    যে কাজটি কখনই করবেন না

    শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করলে অনেকে ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেন, বা নিজে নিজে ডোজ কমিয়ে ফেলেন। এই কাজটি একেবারেই অনুচিত। এর ফলে প্রেসার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোক, কিডনির রোগ, অন্ধত্বসহ বিভিন্ন জটিল ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত সঠিক ডোজে ঔষধ সেবন করা উচিত। ঔষধ সেবনের পাশাপাশি জীবনধারায় সুষম ও পরিমিত খাবার, ব্যায়ামের অভ্যাস, ধূমপান ত্যাগ—এসব স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে আসবে।

    উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত কিছু ঔষধ হলো—

    • এসিই ইনহিবিটর। যেমন: এনালাপ্রিল, লিসিনোপ্রিল ও র‍্যামিপ্রিল
    • অ্যানজিওটেনসিন ২ রিসেপ্টর ব্লকার। যেমন: ক্যান্ডেসারটান, ইরবেসারটান, ভ্যালসারটান ও ওলমিসারটান
    • ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার। যেমন: অ্যামলোডিপিন, নিফেডিপিন, ডিল্টিয়াজেম ও ভেরাপামিল
    • ডাইউরেটিক্স। যেমন: ইন্ডাপামাইড ও বেন্ড্রোফ্লুমেথায়াজাইড
    • বেটা ব্লকার। যেমন: এটেনোলল, মেটোপ্রোলল, ল্যাবেটালল, কার্ভেডিলল ও বিসোপ্রোলল
    • আলফা ব্লকার। যেমন: ডক্সাজোসিন
    • অন্যান্য ডাইউরেটিক্স। যেমন: স্পাইরোনোল্যাক্টোন ও অ্যামিলোরাইড

    বি.দ্রঃ যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। ঔষধের নাম এবং মাত্রা চিকিৎসক বুঝবেন। নিজে নিজেই কোন ঔষধ গ্রহণ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 58 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Sarah
    Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন We can integrate the perfect anime sex dolls as part… ফেব্রুয়ারি 6, 2026, সময়ঃ 3:12 পূর্বাহ্ন
  • CSL Business Development
    CSL Business Development একটি উত্তর দিয়েছেন Diarrhea can be caused by various factors, including: Infections: Bacterial,… ফেব্রুয়ারি 2, 2026, সময়ঃ 10:19 অপরাহ্ন
  • CSL Business Development
    CSL Business Development একটি উত্তর দিয়েছেন To protect yourself from bacterial infections: Wash Hands Regularly: Use… ফেব্রুয়ারি 2, 2026, সময়ঃ 9:59 অপরাহ্ন
  • Eva Mandy
    Eva Mandy একটি উত্তর দিয়েছেন The largest theater in the world is often associated with… জানুয়ারি 20, 2026, সময়ঃ 9:36 পূর্বাহ্ন
  • Mithun
    Mithun একটি উত্তর দিয়েছেন "ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না"—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু… জানুয়ারি 14, 2026, সময়ঃ 7:48 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 97 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 111 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 943 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 147 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 68 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

CSL Business Development

CSL Business Development

  • 0 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
নতুন
Klingeltöne Kostenlos

Klingeltöne Kostenlos

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
jaxooncaleb

jaxooncaleb

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
Sarah

Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
surespace

surespace

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2025 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net