সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

আড্ডাবাজ অ্যাপ ইন্সটল করুন
সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ
হোমপেজ/প্রকৃত ইতিহাস
aalan

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 5 মাস আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

তিন আসমানি ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুজালেমের প্রকৃত ইতিহাস কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

এপ্রিল ফুলের প্রকৃত ইতিহাস কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এপ্রিল ফুলের ইতিহাস: মুসলিমদের ভুল বিশ্বাস ও আসল সত্যি ঘটনা পহেলা এপ্রিল সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘এপ্রিল ফুলস ডে’। এই দিনের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে নিজের আশেপাশের মানুষদের সাথে প্রাঙ্ক করা মানে বোকা বানানো। তবে বোকা বানানোর এই পশ্চিমা সংস্কৃতি নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমবিস্তারিত পড়ুন

    You are currently viewing এপ্রিল ফুলের ইতিহাস: মুসলিমদের ভুল বিশ্বাস ও আসল সত্যি ঘটনা

    এপ্রিল ফুলের ইতিহাস: মুসলিমদের ভুল বিশ্বাস ও আসল সত্যি ঘটনা

    পহেলা এপ্রিল সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘এপ্রিল ফুলস ডে’। এই দিনের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে নিজের আশেপাশের মানুষদের সাথে প্রাঙ্ক করা মানে বোকা বানানো। তবে বোকা বানানোর এই পশ্চিমা সংস্কৃতি নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের মাঝে বেশ কিছু গল্প প্রচলিত আছে। এই গল্প গুলো মোটেই সত্যি নয়।

    সচরাচর এপ্রিল ফুল নিয়ে ঘুরেফিরে ৩ এটি গল্প শোনা যায়।

    গল্প ১

    ৭১১ সাল থেকে স্পেনে মুসলিমদের দখলে যাওয়ার পর থেকেই স্পেন জ্ঞান- বিজ্ঞান ও সভ্যতায় ইউরোপের অন্য অঞ্চলে তুলনায় বহুগুণে এগিয়ে যায়। দীর্ঘ দিন মুসলিম শাসনের পর প্রায় ৮০০ বছর পর ১৫ শতকের শেষ দিকে রাজা ফার্ডিনান্ড ও রাণী ইসাবেলার নেতৃত্বে স্পেনের বিভিন্ন শহর দখন করে নিতে থাকে সৈন্যরা। তবে প্রায় সব শহর হাতছাড়া হয়ে গেলে গ্রানাডা তখনো মুসলিমদের দখলেই ছিল।



    রাজা ফার্ডিনান্ড


    রাণী ইসাবেলা 
    দীর্ঘদিন শহরে অবরুদ্ধ থাকার পর ১৪৯২ সালে মুসলিম শাসকগণ সিদ্ধান্ত নেন তারা আত্মসমর্পণ করবেন। আত্মসমর্পণের সময় স্প্যানিশদের পক্ষ থেকে বলা হয়, যেসকল মুসলিম মসজিদে আশ্রয় নেবে। তাদের কোনো ক্ষতি করা হবে না। ফলে দলে দলে মুসলিম রা মসজিদে প্রবেশ করে। আর স্পেনিশরা মসজিদের দরজা বন্ধ করে দিয়ে মসজিদে আগুন দিয়ে লক্ষ লক্ষ মুসলিম পুড়িয়ে মারে। আর বাহিরে আনন্দে চিৎকার করতে থাকে বোকাদের দল! বোকাদের দল।

    মুসলমানদের বোকা বানিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ইউরোপ থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার দিন হিসেবে এখনো এপ্রিলের ১ তারিখকে বোকা বানাবার দিন হিসেবে পালন করে পশ্চিমারা।

    গল্প ২

    দীর্ঘদিন যুদ্ধ করেও যখন স্পেনিশরা গ্রানাডা দখল করতে পারছিলো না, তখন স্পেনিশরা ভারী চিন্তায় পড়ে যায়। তখন তারা শুরু করে এক ষড়যন্ত্রের। তারা নানান ছলচাতুরী করে শহরে ভেতর প্রচুর মদ ও সিগারেট শহরের ভেতর পাঠায়। এসব মদ সিগারেট পেয়ে মুসলিমরা নেশায় বুদ হয়ে যায়। একসময় আল্লাহর উপর ভয়ভীতি ও হারিয়ে ফেলে।

    এরপর এপ্রিলের ১ তারিখ গ্রানাডার পতন হয়। মুসলমানদের পানীয় এবং সিগারেট দিয়ে বোকা বানিয়ে গ্রানাডা দখল করার দিবস হিসেবে পশ্চিমারা এখনো এই দিনটিকে ‘এপ্রিল ফুল’স ডে’ হিসেবে পালন করে।

    গল্প ৩

    ১৪৯২ সালে রাজা ফার্ডিনান্দ ও রাণী ইসাবেলার বাহিনী গ্রানাডা প্রবেশের আগে মুসলিমদের সাথে চুক্তি করে যে তাদেরকে জাহাজে করে আরবে পাঠিয়ে দেয়া হবে। পরে শহর দখল করে যখন জাহাজে করে সবাইকে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিল ভূমধ্যসাগর দিয়ে, তখন মাঝসাগরে এসে সবগুলো জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়। লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে সাগরে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়।

    কোথাও কোথাও বলা হয় জাহাজেই স্প্যানিশরা সব মুসলিমকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয়। দিনটি ছিল ১ এপ্রিল। এখনো পশ্চিমারা মুসলমানদের বোকা বানাবার দিনকে ‘এপ্রিল ফুলস ডে’ হিসেবে পালন করে।

    যেভাবে স্পেন থেকে মুসলিমদের পতন ও গ্রানাডা দখল হয়েছিল

    ৭১১ সাল থেকে শুরু করে ১৫ শতক পর্যন্ত প্রায় ৮০০ বছর স্পেন শাসন করেছে মুসলিমরা। তবে সময়ের সাথে সাথে সেই ক্ষমতা আর জৌলুশও হারাতে থাকে। ক্ষমতা হারানোর নেপথ্যে ছিলো রাজা ফার্ডিনান্ড ও রাণী ইজাবেলার যৌথ শক্তি। ১৪৮২ সাল থেকে ফার্ডিনান্ড ও ইজাবেলা ইউরোপের অন্য দেশগুলো থেকে আর্থিক ও সৈন্য সাহায্য নিয়ে একে একে স্পেনের বিভিন্ন শহর দখল করতে থাকেন।

    প্রায় সব শহর দখল করে ফেললেও গ্রানাডা দখল করতে পারছিল না। গ্রানাডা তখনো তৎকালীন মুসলিম শাসক দ্বাদশ মুহাম্মদের অধীনে ছিল।

    ১৪৯১ সালে গ্রানাডার বিভিন্ন জায়গা দখল করতে করতে তার শহরের প্রধান গেটের সম্মুখে চলে আসে। বেশ কিছুদিন অবরুদ্ধ থাকার পর দ্বাদশ মুহাম্মদ আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নেন। ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি ইসাবেলা এবং ফার্ডিনান্দ শহরে প্রবেশ করেন এবং দ্বাদশ মুহাম্মদের কাছ থেকে নগরের চাবি নেন।



    দ্বাদশ মোহাম্মদ 
    এপ্রিল ফুল সত্য নাকি মিথ্যা?

    পেগি লিসের লেখা ‘ইসাবেল দ্য কুইন’, জন এডওয়ার্ডের লেখা ‘ফার্ডিনান্দ এন্ড ইসাবেলা’ কিংবা আই.এল.প্লাঙ্কেটের লেখা ‘আ হিস্ট্রি অফ মেডিভাল স্পেন’ এসব বই থেকে জানা যায় যে, ২ জানুয়ারিতেই গ্রানাডা নগরীর পতন হয়। ঐদিন মসজিদে মানুষদের আটকিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়ার কোন প্রমাণ কোথাও পাওয়া যায়নি। এমনকি ঐদিন কোন গণহত্যা হয়েছে সেটাও কোন সমর্থিত সূত্র থেকে কখনো পাওয়া যায়নি।

    মানব ইতিহাসের যখনি কোনো শহরে আক্রমণ হয়েছে তখনি রক্তপাত হয়েছে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে বেশ কিছু সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায় ১৬০৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলমানদের একটা অংশকে স্পেন থেকে ফেরত পাঠানো শুরু হয়। তবে অনেককে জোর করে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টাও চলেছে বেশ অনেক জায়গায়।

    এপ্রিল ফুল নিয়ে যে জাহাজ ডুবি, মসজিদে ঢুকিয়ে পুড়িয়ে হত্যা এসবের কোনো প্রমান নেই। এমনকি মদ সিগারেট দিয়ে মুসলিমদের পথভ্রষ্ট করার ঘটনাটিও মিথ্যা। মদ্যপানের সাথে বাকি পৃথিবীর মতো আরবরাও পরিচিত ছিল হাজার বছরের বেশি সময় ধরে। আর সিগারেট তো সেদিনের আবিষ্কার।

    এপ্রিল ফুল তাহলে কিভাবে এলো?

    এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার তথ্যমতে প্রাচীন রোমান উৎসব হিলারিয়া (যা উদযাপিত হত ২৫শে মার্চ) থেকেই এপ্রিল ফুল’স ডের উৎপত্তি।

    জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বছর শুরু হত ২৫ মার্চ। আর টানা ৮ দিনের উৎসবের শেষ দিন অর্থাৎ এপ্রিলের ১ তারিখ নববর্ষ উদযাপন হত। এরপর ষোল শতকে যখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার শুরু হয়, তখন নববর্ষ সরে যায় ১ জানুয়ারি। কোন কোন সূত্রমতে, ক্যালেন্ডার বদলাবার খবর অনেকেই না জানায় তারা ১ এপ্রিলেই নববর্ষ উদযাপন করতে যেয়ে বোকা বনে যায়। তখন থেকেই এই এপ্রিলের ১ তারিখে নিজেরা নিজেদের বোকা বানিয়ে মজা নেয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 46 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

জিপসি.. পথে পথে ঘুরে বেড়ানো যাদের নেশা তাদের প্রকৃত ইতিহাস কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    জিপসি শব্দের মানে হলো নাম বা ঠিকানাহীন রহস্যময় লোক বা যাযাবর। জিপসিরা মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার এক প্রকার যাযাবর জাতি। রোমানি বা রোমাদেরকে জিপসি বলা হয়। রোমানিরা মূলত ভারতীয়-আর্য বংশোদ্ভূত। জিপসিরা নিজেদেরকে বলে ‘রোম’ যার অর্থ মানুষ। কিংবা ‘রোমানিচল’ যার অর্থ মানুষের সন্তান। মূলত খ্রিস্টাব্দ ৪৩০ এ পাবিস্তারিত পড়ুন

    You are currently viewing জিপসি: পথে পথে ঘুরে বেড়ানো তাদের নেশা

    জিপসি শব্দের মানে হলো নাম বা ঠিকানাহীন রহস্যময় লোক বা যাযাবর। জিপসিরা মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার এক প্রকার যাযাবর জাতি। রোমানি বা রোমাদেরকে জিপসি বলা হয়। রোমানিরা মূলত ভারতীয়-আর্য বংশোদ্ভূত। জিপসিরা নিজেদেরকে বলে ‘রোম’ যার অর্থ মানুষ। কিংবা ‘রোমানিচল’ যার অর্থ মানুষের সন্তান।

    মূলত খ্রিস্টাব্দ ৪৩০ এ পারস্যের রাজা পঞ্চম বারহামকে “জাট” গোত্র থেকে ১২ হাজার শিল্পীকে উপহার দেওয়া হয় তৎকালীন কোন এক ভারতীয় রাজা থেকে। পরে সিরিয়াতে বাইজেন্টাইন দের হাতে তারা সবাই ধরা পড়েন এবং তাদের সেখানে হত্যা-খুন লুট করা হয়। পরে তারা পালিয়ে যান ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। সেখান থেকেই মূলত তাদের ইতিহাস শুরু হয়।

    জিপসিদের মাইগ্রেশন ম্যাপ 
    আনুমানিক ৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভারতে আরব, ইউরোপীয়, মঙ্গোলীয়, তুর্কীস আক্রমণ শুরু হলে তখন থেকে রোমানিরা ভারত ছাড়তে থাকে। ইউরোপে গিয়ে ছোটখাট কাজ করা শুরু করেন। এবং সেখানে তাদের দাস হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় করা হত। তারা সেখানে অবর্ণনীয় নির্যাতন নিপীড়ন এর শিকার হন। অনেকেই আবার চুরি ডাকাতি রাহাজানির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যান। তাদের গায়ের রং সাদা না হওয়ার কারণে তাদের নিচু শ্রেণীর লোক হিসেবে গণ্য করা হতো। তাদের যেখানে পাওয়া যেত হত্যা করা হতো কিংবা দাস হিসেবে আটক করা হতো। তাই তারা জীবন ও জীবিকার তাগিদে সর্বদায় এখান থেকে ওখানে ছুটে বেড়িয়েছেন।

    জিপসি উপকথা

    জিপসি উপকথায় প্রচলিত আছে রোমান সৈন্যরা যীশুকে ক্রুশবিদ্ধ করার জন্য এক মিস্ত্রি কে ৪ টি পেরেক তৈরির দায়িত্ব দেন। কিন্তু চতুর্থটি সম্পন্ন হওয়ার আগেই তারা তিনটি পেরেক নিয়ে চলে যায় আর বাকি একটি পেরেক সন্ধ্যায় নিয়ে যাবে এই কথা দেয়।

    মিস্ত্রি পেরেক টি তৈরি শেষে গরম পেরেকে ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলো। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার পেরেক ঠান্ডা হলো না বরং আরো টকটকে লাল হয়ে উঠলো। সাথে কি প্রচন্ড তাপ! মিস্ত্রি ভয়ে দৌড়ে পালাতে শুরু করলো, সে দৌড়ে একটি কুয়োর সামনে এসে দাড়ালো। দেখলো তার চারপাশ আলোয় আলোকিত! একি সেই পেরেক যে তার সামনে দাড়িয়ে আছে! আর সেই আলো সেই পেরেক থেকেই বের হচ্ছে।

    মিস্ত্রি পাগলের মতো কুয়ো থেকে জল তুলে পেরেকে ঢালতে লাগলো কিন্তু পেরেক আর ঠান্ডা হচ্ছে না। পানি ঢালতে ঢালতে মিস্ত্রি পুরো কুয়োর পানি খালি করে ফেললো তবুও সেই পেরেক ঠান্ডা হলো না। পরে মিস্ত্রি সেই পেরেক কে মরুভূমিতে বালু চাপা দিয়ে পালালো।

    ক্রুশবিদ্ধ যীশু I
    জিপসিরা বলে তারা সেই পালানো মিস্ত্রির বংশধর। সেই একটি পেরেকের ভয়েই তারা ছুটে চলেছে দেশ থেকে দেশান্তরে।

    যীশুকে ৩ পেরেকে ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা প্রথম দেখা যায় বাইজানন্টাইন শিল্পে সেটাি দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতাব্দীতে সেই হিসেবে এই উপকথা কে বানোয়াট ই বলা চলে।

    জিপসিদের আদিনিবাস কোথায় তা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন থাকলেও তারা যে মূলত ভারতীয় যাযাবর তা অনেকাংশেই প্রমানিত সত্য।

    ইউরোপে জিপসি

    জিপসিরা ইউরোপে আসে চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতাব্দীতে। ইউরোপীয়রা তাদের মনে করতো ইজিপশিয়ান অর্থাৎ মিশরীয় যাযাবর। যেহেতু তাদের পোশাকআশাক ও চালচলনে মিশরীয়দের সাথে মিল রয়েছে তাই এমনটা ভেবে নিয়েছে, আর জিপসিরাও তাদের সাথে সম্মতিসূচক মাথা নারিয়েছে।

    ইউরোপে জিপসি নারীরা হাত দেখা, জরিবটি দিয়ে ঔষধ পথ্য বানিয়ে বাজারে বিক্রি করা, গান করা কিংবা সার্কাস দেখিয়ে নিজেদের রোজগার করতো। আর পুরুষরা সাধারণত বিভিন্ন কাজের কারিগর হতেন।

    জিপসি নারী ও পুরুষ 
    তবে কালো চামড়া হবার কারণে ইউরোপে রোমানিদের (জিপসিদের) সবসময় হেয় করা হয়। ধারণা করা হয় তারা খুবই চতুর, চোর এবং রহস্যময় প্রকৃতির। জিপসিরা ভবিষ্যৎ বলতে পারে আর নতুন কোন জায়গায় চলে যাবার আগে তারা অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে যায় বলেও মনে করা হয়।

    জিপসিরা সবসময় ভ্রমণের উপরে থাকে। এরা কখনো এক জায়গায় থিতু হয় না। এদের কিছু ক্যারাভ্যান, ওয়াগন এবং আরভি (রিক্রিয়েশনাল ভিহিকল) রয়েছে যেগুলোতে তারা বসবাস করে এবং এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যায়। এগুলোই জিপসিদের ঘরবাড়ি এবং যানবাহন। এগুলোকেই তারা ভেতরে পরিবর্তন করে বসবাসের উপযোগী করে নিয়েছে। তাদের এরকম স্থানান্তরিত হবার কারণে এরা স্কুলে যেতে পারে না এবং একারণে এদের শিক্ষার হারও কম।

    নৃত্যরত জিপসি নারী ও তার সাথে ২ জিপসি শিশু
    মধ্যযুগের ইউরোপে জিপসিরা ইউরোপীয়দের দ্বারা প্রচুর নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। মধ্যযুগের প্লেগ মহামারীর কারন হিসেবে ইউরোপীয়রা ইহুদি ও জিপসীদের কে দায়ি করতো। এজন্য তারা হাজার হাজার জিপসি নিধন করেছে। এছাড়াও জিপসীদের অদ্ভুত জীবনযাপনের জন্য জিপসি নারীদের ডাঈনী অভিযোগে পুড়িয়ে ও হত্যা করেছে। এছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের নাৎসি বাহিনীর চক্ষুশূল ছিল ইহুদিদের পরেই জিপসিরা, আনুমানিক ৪-৫ লক্ষ জিপসি হলোকাস্টের শিকার হয়েছিল।

    জার্মানিদের হলোকাস্টে জিপসি 
    জিপসিদের একেক দেশে এক নাম। বেলুচিস্তান, ইরাকে ওদের নাম ‘লুরি’। পারস্যে ‘কাকরি’ ও ‘জাঙ্গি’, আফগানিস্তানে ‘কাউলি’, তুরস্কে ও সিরিয়ায় ‘চিনঘানিজ’ কিংবা ‘চিনগানেস’ গ্রীসে তার পরিচিত ‘কাটসিভেলই’, সিগানোস কিংবা অ্যাটসিনকানোই।
    ষোড়শ শতকে ফ্রান্সে তাদের নাম ছিল ‘রাবোঁয়া’ যার অর্থ ‘শয়তান স্বয়ং’। ফ্রান্সে জিপসি বলতে আরো অনেক নামে বোঝানো হতো যেমন বিউরদিনদি, কাম্প-ভোলান্ত, বোহেমিয়ান ইত্যাদি।

     

    ইংরেজিতে সাহিত্যে শেক্সপীয়ার ও স্পেনসার দুজনই জিপসীদেরকে নিজেদের রচনায় ব্যবহার করেছেন। ফরাসী লেখক ভিক্তর হুগোর লেখাতেও রোমানিদের কথা আছে। হুগো ওদের বলেছেন ঈজিপ্টাইন বা মিশরী।

    লোক ঠকানোতে জিপসীদের অনেক কুখ্যাতি আছে। একবার একজন লেখক লিখেছেনঃ- কয়েকটি মেয়ে দোকানে গিয়ে মাসে কিনল। বেশ পছন্দসই মাসে। অনেক দাম। দেখে আমি ভাবছি, এত পয়সা আছে ওদের? মাংস একটা পাত্রে রাখা হল। দোকানির বউ এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মেয়েদের দিকে। বোধহয় সে হাত সাফাইয়ে জিপসীদের দক্ষতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। পয়সা দিতে গিয়ে একটি মেয়ে বলল — এই যা, টাকার খলিটা তো আনতে ভুলে গেছি। আচ্ছা, এই রইল তোমার মাংস, আমি এক ছুটে পয়সা নিয়ে আসছি। অন্যরাও তার পিছু পিছু ছুটল। কিন্তু তারা আর ফেরে না। দোকানির বউ বিরক্ত হয়ে বলল – নাও, এবার মাংসটা তুলে রাখ। দোকানি পাত্রের ঢাকনা খুলে দেখে তার তলা নেই । সে একদিকে যখন মাংস ওজন করে। দিয়েছে, অন্যদিকে মাংস চালান হয়ে গেছে ঠিক অন্য কোনও গলিতে।

    হাঙ্গেরিতেও জিপসীর বিরুদ্ধে নানা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গেল। ওরা জবরদস্তি করে ভদ্রমেয়েদের ইজ্জত নাশ করছে , ওরা শিশু চুরি করছে, ওরা— নরখাদক। বোহেমিয়ার চুরি বা প্রতারণার অভিযোগ প্রথমে জিপসীর বাঁ কান কাটা যেত, দ্বিতীয়বার নালিশ উঠলে – ডান কান, তৃতীয় বারে কাটা পড়ত মাথা।

    ১৭৮২ সনে হাঙ্গেরিতে একচল্লিশজন মেয়ে এবং পুরুষকে ফাঁসি দেওয়া হয় নরমাংস খাওয়ার অপরাধে। ওরা নাকি পঁয়তাল্লিশ জন মানুষকে খেয়ে ফেলেছে। বলা নিষ্প্রয়োজন তখন এসব অভিযোগে তখন প্রমাণের প্রশ্ন উঠত না। পরবর্তীতে দেখা গেছে তারা সকলেই ছিল নির্দোষ।

    জিপসিদের সামাজ

    জিপসি সমাজে বয়স্করা সবচেয়ে সম্মানিত। জিপসিদের দলের দলপতি সেখানকার প্রধান তিনিই সকল সমস্যা মোকাবেলা করার মূল সিদ্ধান্ত নেন। জিপসিদের নিজেদের মধ্যে কোনো ঝামেলা কিংবা অপরাধ সংঘটিত হলে তার বিচার দলপতিই করেন, বাহিরের পুলিশ আইনসের সাহায্য জিপসি রা নেয় না।

    জিপসিদের মধ্যে বাল্য বিবাহের মাত্রা প্রচুর। সাধারণত ছেলেমেয়েদের ১৩ বছর এর মধ্যেই বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের ক্ষেত্রে জিপসিরা ভারতীয় সমাজের মতোই গোঁড়া। তারা নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যেই ছেলে মেয়েদের বিবাহ দেয়।

    বিবাহের পর কোনো জিপসি মেয়ে মা হতে না পারলে তাকে জিপসি সমাজের মানুষের দ্বারা প্রচুর ভোগান্তির শিকার হতে হয়। মেয়ে অলক্ষুণে তাই সন্তান হচ্ছে না, এমন কুসংস্কার রয়েছে জিপসিদের মধ্যে। আর তাই সন্তান লাভের আশায় জিপসি নারীরা বিভিন্ন ব্রত পালন করে। বিচিত্র সে সব আচার অনুষ্ঠান। আর একবার যদি মাতৃত্বের লক্ষণ প্রকাশ পায়, তখনও আবার হরেক অনুষ্ঠান। স্বামী থেকে শুরু করে দলের সবাই তার জন্য রীতিমতো ব্যস্ত সমস্ত। অনেক সময় তার চোখের সামনে দেখতে সুন্দর এমন কারও ছবি ঝুলিয়ে রাখা হয়। ওদের ধারণা, এ সময়ে মনের মধ্যে সে যেমন মূর্তি ধ্যান করবে , সেরকম সন্তানই ভূমিষ্ঠ হবে।

    জিপসীরা সুযোগ পেলেই গৃহস্থের ছেলেময়ে চুরি করে, এটা অপবাদ মাত্র। জিপসীর আস্তানায় শিশুর মেলা। সবই নিজেদেরই সন্তান। ঘরে যাদের এত ছেলেপুলে তারা অন্যের ছেলে চুরি করতে যাবে কোন দুঃখে। জিপসীদের এ দায় থেকে মুক্তি দেওয়াই ভালো।

    স্বামী – স্ত্রীর সম্পর্কে জিপসী কোনও ফাঁকি সহ্য করতে রাজি নয়। একে অন্যের প্রতি জীবনভর অনুরক্ত এবং অনুগত থাকবে, এটা ধরে নেওয়াই নিয়ম। যদি তার ব্যতিক্রম ঘটে, জিপসী পুরুষ যদি অন্য কোনও নারীর প্রতি কোনও দুর্বলতা প্রকাশ করে, কিংবা স্ত্রীকে যদৃচ্ছভাবে ব্যবহার করতে চায়, তবে ই অনায়াসে তাকে পরিত্যাগ করতে পারে।

    অন্যদিকে স্ত্রী যদি বিশ্বাসের মর্যাদা না রাখে , যদি সে ভিন্ন পুরুষের সঙ্গে গোপনে ভালোবাসা লেনদেন করে, তবে তার জন্য প্রাপ্য কঠোর সাজা। তার দাঁত ভেঙে দেওয়া হতে পারে, নাক কিংবা কান কেটে দেওয়া যেতে পারে, অথবা অন্য কোনও শাস্তি ধার্য হতে পারে। এমনকি মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার মতো শাস্তি ও রয়েছে। জিপসী মেয়ের কাছে সেটা প্রায় মৃত্যুদণ্ডের শামিল। যে মেয়ের মাথায় চুল নেই, তার জীবনই তো বৃথা।

    ফলে কোনও কোনও মেয়ে ছুটে যায় পুলিশের কাছে। গিয়ে ইনিয়ে – বিনিয়ে বলে আমি চুরি করেছি , অমাকে সাজা দাও। আমাকে জেলে দাও। পরে মেয়েটি আসলে সমাজের ব্যঙ্গ – বিদ্রূপ আর ঘৃণা থেকে পালাতে চেয়েছিল। দেওয়ালের আড়ালে আত্মগোপন করে মাথায় আবার চুল ফিরিয়ে আনাই ছিল জানা যায়, তার বাসনা!

    জিপসিদের ধর্ম

    জিপসিদের নির্দিষ্ট কোনো ধর্ম নেই, তারা যে অঞ্চলে যায় সেই অঞ্চলের ধর্মই চর্চা করে। ইউরোপে যেসব জিপসি রয়েছে তাদের প্রায় সকলেই খ্রিস্টান কিন্তু সেই সাথে তারা অনেক দেব-দেবীর আরাধনা ও করে, যা খ্রীস্টধর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট না। বলা চলে জিপসিদের কোনো ধর্ম নেই, বরং ঘুরেবেড়ানোই তাদের ধর্ম এটা বলাই অধিক শ্রেয়।

    জিপসিদের সংস্কৃতি

    জিপসিদের সংস্কৃতি বা কালচার অনেক বেশি বর্ভাঢ্য। তাদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, গান, কবিতা রয়েছে। তারা অত্যন্ত বিনোদন প্রিয় মানুষ। তারা সর্বদায় সঙ্গীতসন্ধ্যা আয়োজন করে সেখানে তাদের ঐতিহ্যবাহী ক্লাসিকাল গান ও অন্যান্য গান পরিবেশন করা হয়। তাদের স্বভাবজাত গুণ ও রয়েছে, তারা কথায় কথায় গানের পদ তৈরি করে তাতে সুর দিয়ে আপনাকে গেয়ে শুনিয়ে ও দিতে পারবে।

    বর্তমানে পুরো পৃথিবীতে প্রায় ১.৫ কোটি জিপসি বিভিন্ন দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তবে জিপসিদের বেশিরভাগই ইউরোপ ও আমেরিকায় বাস। ইউরোপে জিপসি আছে প্রায় ১০ মিলিয়ন, তাদের বেশিরভাগই আছে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডে। আর ধারনা করা হয় আমেরিকায় জিপসি আছে প্রায় ২ মিলিয়ন।

    জিপসিরা সবসময় ভ্রমণ করায় তাদের সন্তানরা লেখাপড়ার সুযোগ খুব একটা পায় না। বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের চেষ্টা করছেন কোনো স্থায়ী করে জায়গায় স্থিতিশীল করার। তবে এখন বহু জিপসী এই ভবঘুরে জীবন থেকে সরে দাড়িয়ে সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপনের চেষ্টা করছে। যেহেতু ভ্রমণ তাদের মজ্জায় তাই মাঝেমধ্যেই ভদ্রসমাজের জিপসীরা ভ্রমণ করতে বিভিন্ন দেশে চলে যান কিছুদিনের জন্য।

    জিপসিরা এখনো বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার। তবে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জিপসিরা সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে তাদের অবস্থা সবচেয়ে ভালো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 19 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Sarah
    Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন We can integrate the perfect anime sex dolls as part… ফেব্রুয়ারি 6, 2026, সময়ঃ 3:12 পূর্বাহ্ন
  • CSL Business Development
    CSL Business Development একটি উত্তর দিয়েছেন Diarrhea can be caused by various factors, including: Infections: Bacterial,… ফেব্রুয়ারি 2, 2026, সময়ঃ 10:19 অপরাহ্ন
  • CSL Business Development
    CSL Business Development একটি উত্তর দিয়েছেন To protect yourself from bacterial infections: Wash Hands Regularly: Use… ফেব্রুয়ারি 2, 2026, সময়ঃ 9:59 অপরাহ্ন
  • Eva Mandy
    Eva Mandy একটি উত্তর দিয়েছেন The largest theater in the world is often associated with… জানুয়ারি 20, 2026, সময়ঃ 9:36 পূর্বাহ্ন
  • Mithun
    Mithun একটি উত্তর দিয়েছেন "ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না"—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু… জানুয়ারি 14, 2026, সময়ঃ 7:48 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 97 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 147 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 111 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 944 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 68 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

CSL Business Development

CSL Business Development

  • 0 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
নতুন
Klingeltöne Kostenlos

Klingeltöne Kostenlos

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
Sarah

Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
surespace

surespace

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
myntpayllc

myntpayllc

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2025 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net