পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়। এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো। ম্যাজিক সবিস্তারিত পড়ুন
পদার্থবিদ্যায়, ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়।
এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো।
ম্যাজিক সংখ্যাগুলো কী কী?
প্রোটন বা নিউট্রনের জন্য ম্যাজিক সংখ্যাগুলো হলো:
যেমন:
- অক্সিজেন-১৬: এর প্রোটন সংখ্যা ৮ এবং নিউট্রন সংখ্যা ৮। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা। তাই এটি একটি দ্বিগুণ ম্যাজিক (doubly magic) নিউক্লিয়াস এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল।
- ক্যালসিয়াম-৪০: এর প্রোটন সংখ্যা ২০ এবং নিউট্রন সংখ্যা ২০। এটিও দ্বিগুণ ম্যাজিক।
- সীসা-২০৮: এটি সবচেয়ে ভারী স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস। এর প্রোটন সংখ্যা ৮২ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২৬। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা।
এই ম্যাজিক সংখ্যাগুলো বিজ্ঞানীদের নিউক্লিয়াসের গঠন, তেজস্ক্রিয়তা এবং পারমাণবিক বিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে। কোনো নিউক্লিয়াস কতটা স্থিতিশীল হবে বা তা ভেঙে যাবে কি না, তা বুঝতে এই সংখ্যাগুলো খুব জরুরি।
সংক্ষেপে দেখুন

WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিবিস্তারিত পড়ুন
WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুন