সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
"বারেবারে বিধ্বস্ত হয়"—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল। সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনবিস্তারিত পড়ুন
“বারেবারে বিধ্বস্ত হয়”—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল।
সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনিত বিভিন্ন ঘটনা (যেমন: মাঝ আকাশে দরজা খুলে পড়া) এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
মূল কারণগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. মারাত্মক ডিজাইনগত ত্রুটি (৭৩৭ ম্যাক্স ৮ দুর্ঘটনা)
২০১৮ সালে লায়ন এয়ার (Lion Air) এবং ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স (Ethiopian Airlines)—দুটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়। তদন্তে দেখা যায়, দুটি দুর্ঘটনার কারণই এক এবং তা হলো বোয়িংয়ের নিজস্ব সফ্টওয়্যারের ত্রুটি।
এই দুটি দুর্ঘটনায় ৩৪৬ জন মানুষের মৃত্যুর পর বিশ্বের সব ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান প্রায় দুই বছরের জন্য গ্রাউন্ডেড (উড্ডয়ন নিষিদ্ধ) ছিল।
২. সাম্প্রতিক উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের (QC) সমস্যা
৭৩৭ ম্যাক্সের ওই ঘটনার পর বোয়িং তাদের সিস্টেম ঠিক করে উড্ডয়নের অনুমতি পেলেও, তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের সন্দেহ তৈরি হয়।
মূল কারণ (Underlying Cause)
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বোয়িং একসময় প্রকৌশল ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা আর্থিক লাভ ও দ্রুত উৎপাদনের দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছিল। এর ফলে তাদের সাপ্লাই চেইন এবং কারখানার মান নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলাফলই হলো এই দুর্ঘটনা ও ত্রুটিগুলো।
সংক্ষেপে দেখুন