সূর্য বা সূর্যের আলোর দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে হাঁচি আসে কেনো?
শেয়ার করুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স। এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনবিস্তারিত পড়ুন
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স।

এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন ভেবেছিলেন সূর্যের আলোয় যে চোখের পানি হয়, তা নাকে গিয়ে হাঁচির উদ্রেক করে। কিন্তু ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা অনুযায়ী তা সম্ভব নয়।
নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, হাঁচির স্টিমুলেশন বহন করে ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। ব্রেইনের ভেতর তা অপটিক বা চোখের নার্ভের কাছাকাছি থাকে। তীব্র আলোর অনুভূতি অপটিক নার্ভ দিয়ে বাহিত হবার সময় তা ট্রাইজেমিনাল নার্ভকেও স্টিমুলেট করে, ফলে হাঁচি হয়।
কিন্তু কোন অসুস্থতার সাথে সম্পর্ক না থাকায় এই বিষয়টি নিয়ে তেমন গবেষণা হয় নি। তবুও, ১৯৬০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় এই বৈশিষ্ট্য আমাদের জিন বা বংশগতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, এবং এটি অটোজোমাল প্রকট বৈশিষ্ট্য। তাই বাবা বা মা যে কোন একজনের থাকলে অর্ধেক সন্তানে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সংক্ষেপে দেখুন