Download direct from here Download
Download direct from here Download
সংক্ষেপে দেখুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আড্ডার শুরুটা হয় প্রশ্ন দিয়ে
আমাদের উদ্দেশ্য হলো, যিনি জানেন এবং যিনি জানতে চান এই দুজনকে সংযুক্ত করা।
আপনার একটি প্রশ্ন বদলে দিতে পারে একজন ব্যক্তিকে, একটি জাতিকে, একটি দেশকে এবং বিশ্বকে! প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, একে অপরের সাথে জ্ঞান ভাগ করে নিন।
আমরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে চাই, জানতে চাই। আপনি যা জানেন তা অন্যের কাজে লাগতে পারে। তাই শুধু জেনেই চুপ থাকবেন না, বিশ্বকে জানিয়ে দিন।
আমাদের ব্লগ পড়ে জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করুন
পাশাপাশি উন্নত ব্লগ লিখে সমাদৃত হোন বিশ্বজুড়ে
অনন্য লেখক হিসেবে গড়ে তুলুন নিজেকে
বাহ, আপনার রক্তের গ্রুপ চার্টটি সত্যি অসাধারণ। খুব সহজেই বুঝে নেয়া যায় গ্রুপ অনুযায়ী রক্ত দাতা ও গ্রহীতা কারা হতে পারেন। ইস আমার রক্তের গ্রুপ যদি AB+ হতো, তাহলে যেকোন গ্রুপের রক্তই নিতে পারতাম। যাইহোক খুব কাজের একটা জিনিস। ধন্যবাদ আপনাকে!
বাহ, আপনার রক্তের গ্রুপ চার্টটি সত্যি অসাধারণ। খুব সহজেই বুঝে নেয়া যায় গ্রুপ অনুযায়ী রক্ত দাতা ও গ্রহীতা কারা হতে পারেন। ইস আমার রক্তের গ্রুপ যদি AB+ হতো, তাহলে যেকোন গ্রুপের রক্তই নিতে পারতাম।
যাইহোক খুব কাজের একটা জিনিস। ধন্যবাদ আপনাকে!
সংক্ষেপে দেখুনযা কিছু আমরা প্রথম দেখি সবগুলোই অদ্ভুত লাগে। সাগর অনেক গভীর। এর যত গভীরে যাবেন তাপমাত্রা ততই কমবে আর চাপ বাড়বে। তাই সেখানে টিকে থাকতে হলে প্রাণিদের বৈশিষ্ট্য আলাদা হতে হয়। আর আমরা গভীর সাগরের প্রাণিদের তেমন দেখতে পাইনা বিধায় আমাদের কাছে সেগুলোকে অদ্ভুত লাগে।
যা কিছু আমরা প্রথম দেখি সবগুলোই অদ্ভুত লাগে। সাগর অনেক গভীর। এর যত গভীরে যাবেন তাপমাত্রা ততই কমবে আর চাপ বাড়বে। তাই সেখানে টিকে থাকতে হলে প্রাণিদের বৈশিষ্ট্য আলাদা হতে হয়। আর আমরা গভীর সাগরের প্রাণিদের তেমন দেখতে পাইনা বিধায় আমাদের কাছে সেগুলোকে অদ্ভুত লাগে।
সংক্ষেপে দেখুনভাই, আপনি কি এটা মজা নেয়ার জন্য লিখছেন নাকি? মেয়েদের সম্পর্কে আপনি কি বেশি জানেন? নাকি মেয়েদের নিয়ে আপনি পিএইচডি করছেন? যদি জানার জন্য করে থাকেন তাহলে সমস্যা নাই। আমার মনেহয় একেকজনের সেক্স একেক রকম। কারও সাথে কারওটা মেলার কথা না।
ভাই, আপনি কি এটা মজা নেয়ার জন্য লিখছেন নাকি? মেয়েদের সম্পর্কে আপনি কি বেশি জানেন? নাকি মেয়েদের নিয়ে আপনি পিএইচডি করছেন? যদি জানার জন্য করে থাকেন তাহলে সমস্যা নাই। আমার মনেহয় একেকজনের সেক্স একেক রকম। কারও সাথে কারওটা মেলার কথা না।
সংক্ষেপে দেখুনMustafizur Rahman-কে ঘিরে Kolkata Knight Riders (KKR) বিতর্ক এবং পরবর্তীতে Indian Premier League (IPL)-এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া ইস্যু নয়—এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা যেতে পারে। প্রথমত, ক্রীড়া বিশেষ করে ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরেই Bangladesh ওবিস্তারিত পড়ুন
Mustafizur Rahman-কে ঘিরে Kolkata Knight Riders (KKR) বিতর্ক এবং পরবর্তীতে Indian Premier League (IPL)-এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া ইস্যু নয়—এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা যেতে পারে।
প্রথমত, ক্রীড়া বিশেষ করে ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরেই Bangladesh ও India-র মধ্যে “soft diplomacy” বা নরম কূটনীতির একটি কার্যকর মাধ্যম। যখন কোনো বাংলাদেশি খেলোয়াড় IPL-এর মতো বড় মঞ্চে সুযোগ পায়, তখন তা দুই দেশের সম্পর্কের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
দ্বিতীয়ত, যদি সত্যিই কোনো বিতর্ক বা নিষেধাজ্ঞার পর তা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে সেটিকে এক ধরনের “de-escalation” বা উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে ধরা যায়। এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে উভয় পক্ষই সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী এবং ক্রীড়াকে রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন থেকে আলাদা রাখতে চায়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এ ধরনের সিদ্ধান্ত সবসময় সরাসরি রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন নয়। অনেক ক্ষেত্রে বোর্ড, ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী সংস্থার নিজস্ব সিদ্ধান্তও বড় ভূমিকা রাখে। তাই এটিকে সরাসরি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক “পুনরুদ্ধার” হয়েছে বলে বলা একটু অতিরঞ্জিত হতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, IPL নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রমাণ হিসেবে না দেখে, বরং ক্রীড়া-ভিত্তিক সৌহার্দ্যের একটি অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করাই বেশি…
শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।
শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।
সংক্ষেপে দেখুনযারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।

প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা
প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।

প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।

প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।
AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।

গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।
গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুনবিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?
৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?
৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?
আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।
সংক্ষেপে দেখুন
ChatGPT দিয়ে শুধু প্রশ্নের উত্তর নেওয়া যায়—বিষয়টা এমন নয়। আপনি চাইলে এটিকে একজন শিক্ষক, চিন্তার সঙ্গী, পরিকল্পনাকারী কিংবা নিজের কাজ গুছিয়ে নেওয়ার সহকারী হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। তবে এর জন্য শুধু “আমাকে এটা বুঝিয়ে দাও” ধরনের প্রশ্ন করলেই সবসময় কাঙ্ক্ষিত ...
আপনি কি একটি পেশাদার, দ্রুতগতির এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যের ব্লগার থিম খুঁজছেন? যেখানে কোনো ক্রেডিট লিংক রাখতে হবে না, আবার থিমটি দেখতে হবে প্রিমিয়াম এর মতো? তাহলে আপনার জন্য আমাদের আজকের পোস্টটি স্পেশাল! আজ আমরা আলোচনা করব EveriFy Blogger Theme 2026 ...
স্মার্টফোনের ক্যামেরার উন্নতি হওয়ার পর থেকে আমাদের সবার গ্যালারি এখন অসংখ্য ভিডিওতে ঠাসা। কিন্তু সেই ভিডিওগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজন পড়ে এডিটিংয়ের। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য প্রফেশনাল সফটওয়্যার দিয়ে ভিডিও এডিট করা বেশ জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। ...
অনেক ভালো হয়েছে, এটা মার্কেটিং এর জন্য খূবই গুরুত্বপূর্ণ । ধন্যবাদ ।
অনেক ভালো হয়েছে, এটা মার্কেটিং এর জন্য খূবই গুরুত্বপূর্ণ । ধন্যবাদ ।
সংক্ষেপে দেখুন