সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

সাধারণ প্রশ্ন

general-question

শেয়ার করুন
  • Facebook
15 ফলোয়ার
893 উত্তর
2,438 প্রশ্ন
হোমপেজ/সাধারণ প্রশ্ন/Page 3
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো
  1. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    খিচুড়ি কোন দেশের জাতীয় খাবার?

    Nurul Haque
    Nurul Haque নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    খিচুড়িকে সাধারণত ভারতের একটি জাতীয় খাবার হিসেবে ধরা হয়।

    খিচুড়িকে সাধারণত ভারতের একটি জাতীয় খাবার হিসেবে ধরা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইয়াহুদীরা তাওরাতকে কিভাবে বিকৃত করেছে?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো: ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথাবিস্তারিত পড়ুন

    🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি

    মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো:

    ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথা যোগ করা বা বাদ দেওয়া):

    • শব্দ বা বাক্যের পরিবর্তন: আল্লাহর নাযিল করা শব্দের অর্থ বা উদ্দেশ্যকে পাল্টে দেওয়ার জন্য কিছু লোক তাওরাতের ভেতরের কথাগুলোই পরিবর্তন করে দিয়েছে। ধরুন, কোনো কথা “ক” বলা ছিল, তারা সেটাকে “খ” বানিয়ে দিয়েছে।
    • নিজস্ব কথা বা আইন যোগ করা: তারা নিজেদের বানানো কিছু নিয়ম বা কথাকে আল্লাহর বাণী বলে চালিয়ে দিয়েছে। যেমন, কোনো কাজ তাদের স্বার্থের অনুকূল হলে সেটাকে কিতাবের অংশ বলে প্রচার করেছে, যা আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসেনি।
    • কিছু অংশ বাদ দেওয়া: তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়া কিছু নির্দেশ বা বাণী, বিশেষ করে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমন সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো তারা ইচ্ছে করে কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে বলে মনে করা হয়।

    ২. অর্থ বা ব্যাখ্যা বিকৃত করা (কথার ভুল ব্যাখ্যা করা):

    • কখনো কখনো তারা মূল কথাটি ঠিক রেখেও তার ব্যাখ্যা এমনভাবে করেছে যাতে সাধারণ মানুষ ভুল বোঝে এবং তাদের (ধর্মগুরুদের) স্বার্থ রক্ষা হয়।
    • কুরআনে বলা হয়েছে, তারা আল্লাহর বাণী শোনার পরও জেনে-শুনে তা বিকৃত করত এবং নিজেদের মনগড়া কথাকে আল্লাহর কিতাবের অংশ বলত।

    ৩. নতুন কিতাব বা আইন তৈরি:

    • ইহুদিরা তালমুদ নামে এমন কিছু গ্রন্থ তৈরি করেছে, যেখানে তাদের ধর্মগুরুদের (রাব্বিদের) আলোচনা, ব্যাখ্যা ও নিজস্ব আইন-কানুন রয়েছে। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, এই তালমুদকে তারা মূল আসমানী কিতাব তাওরাতের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে, যা প্রকৃত তাওরাতের শিক্ষা থেকে তাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

    ধরুন, আপনার কাছে আপনার বাবার লেখা একটি চিঠি আছে। যদি সেই চিঠির কিছু কথা আপনি মুছে ফেলেন, নতুন কিছু কথা নিজের হাতে যোগ করেন, বা চিঠির আসল অর্থ গোপন করে অন্যভাবে মানুষকে বোঝান—তাহলে সেই চিঠি আর আপনার বাবার আসল চিঠি থাকবে না, বিকৃত হয়ে যাবে। ইসলাম ধর্মের মতে, ইহুদিদের দ্বারা তাওরাতের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনটাই ঘটেছে।

    এই বিকৃতির ফলেই বর্তমানে তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ (তোরাহ/ওল্ড টেস্টামেন্ট) আছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া মূল তাওরাত নয় বলে মুসলিমরা বিশ্বাস করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বরফ থাকা স্বত্বেও বাঙলিীরা কোন খাবারটি গরম করে খায়?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।

    RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    তৈরীর কাঁচামাল একই অথচ ময়দা, আটা ও সুজি আলাদা কেন?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়? আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার। ১. আটা (Wholeবিস্তারিত পড়ুন

    💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়?

    আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার।

    ১. আটা (Whole Wheat Flour)

    আটা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বা স্বাস্থ্যকর।

    • কীভাবে তৈরি? গমকে যখন ভাঙা হয়, তখন তার পুরোটা (বাইরের লালচে খোসা বা ভুসি এবং ভেতরের নরম অংশ—সবকিছু) একসঙ্গে রেখে গুঁড়ো করা হয়।
    • কেমন দেখতে? এর রং হালকা বাদামী এবং হাতে নিলে মোটামুটি দানাদার বা খসখসে লাগে।
    • উপকারিতা: ভুসি থাকার কারণে এতে অনেক ফাইবার (আঁশ) থাকে, যা পেট পরিষ্কার রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। এই জন্যই আটার রুটি স্বাস্থ্যকর।

    ২. ময়দা (Refined Flour / Maida)

    ময়দা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে মিহি।

    • কীভাবে তৈরি? গমকে ভাঙার আগে তার বাইরের খোসা (ভুসি) এবং ভেতরের একটা অংশ (ভ্রূণ) সম্পূর্ণ ফেলে দেওয়া হয়। শুধু গমের সাদা ভেতরের অংশটুকু খুব মিহি করে গুঁড়ো করা হয়।
    • কেমন দেখতে? এটি দুধের মতো সাদা এবং এতটাই মিহি যে হাতে নিলে একদম মসৃণ লাগে।
    • সমস্যা: ভুসি ফেলে দেওয়ায় এর বেশিরভাগ ফাইবার এবং দরকারি পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এই কারণে ময়দা হজম করতে কষ্ট হয় এবং এটা আটার মতো ততটা স্বাস্থ্যকর নয়।

    ৩. সুজি (Semolina / Rava)

    সুজি দেখতে দানা দানা।

    • কীভাবে তৈরি? সুজি তৈরির প্রক্রিয়াটা আটা বা ময়দার থেকে একটু আলাদা। গমকে যখন ভাঙা হয়, তখন এটাকে না বেশি মিহি করে, না বেশি মোটা করে—মাঝারিভাবে দানাদার করে রাখা হয়। অনেকটা চিনির দানার মতো।
    • কেমন দেখতে? এটি দেখতে ছোট ছোট দানা বা ‘রাভা’-র মতো এবং রং সাধারণত ফ্যাকাশে হলুদ হয়।
    • ব্যবহার: সুজি দিয়ে সাধারণত হালুয়া, উপমা, বা সেমাই জাতীয় খাবার তৈরি হয়।

    সহজ কথা হলো:

    • আটা: গমের সব অংশ নেওয়া হয়েছে, তাই পুষ্টিকর।
    • ময়দা: গমের ভালো অংশগুলো ফেলে দিয়ে শুধু ভেতরের সাদা অংশটুকু মিহি করে নেওয়া হয়েছে।
    • সুজি: গমকে দানাদার করে রাখা হয়েছে।

    আপনি যদি এই তিনটি উপকরণের মধ্যে কোনটির খাবার বানালে কেমন স্বাদ হয় বা কোনটি কোন কাজে লাগে, সে সম্পর্কে জানতে চান, তবে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ কি? ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র 'ব্রা' (Bra) এর কথা বলছেন। এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো: 🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ 'ব্রা' হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে। অংশ বর্ণনা শব্দ: ব্রাসিয়ার (Brassiere) পূর্ণরূপ (Fবিস্তারিত পড়ুন

    আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র ‘ব্রা’ (Bra) এর কথা বলছেন।

    এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

    🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ

    ‘ব্রা’ হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে।

    অংশ বর্ণনা
    শব্দ: ব্রাসিয়ার (Brassiere)
    পূর্ণরূপ (Full Form): ‘ব্রা’ নিজেই ‘ব্রাসিয়ার’ (Brassiere) শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
    ফরাসি উৎস: ফরাসি শব্দ ‘brassière’ থেকে এটি এসেছে, যার মূল অর্থ ছিল বর্ম বা শিশুর আন্ডারশার্টের মতো এক ধরনের বন্ধনী।
    বাংলা অর্থ: ব্রা-এর কোনো সরাসরি বাংলা প্রতিশব্দ নেই, তবে একে সাধারণত বক্ষবন্ধনী বা স্তনবন্ধনী বলা হয়।

    বক্ষবন্ধনীর মূল কাজ হলো মহিলাদের বক্ষ বা স্তনকে ধরে রাখা, সমর্থন দেওয়া এবং আকার বা আকৃতি প্রদান করা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাইবেলের আদম এবং আল কোরআনের আদম (আঃ) এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    বাইবেলের 'আদম' এবং আল কোরআনের 'আদম (আঃ)' উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরবিস্তারিত পড়ুন

    বাইবেলের ‘আদম’ এবং আল কোরআনের ‘আদম (আঃ)’ উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।

    নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. মর্যাদা ও অবস্থান (Status and Role)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    প্রথম মানব এবং প্রথম নবী (পয়গম্বর)। তিনি আল্লাহর বার্তা বহনকারী। প্রথম মানব। তাঁকে কেবল একজন সৃষ্ট মানুষ হিসেবে দেখা হয়, কোনো নবী বা বার্তা বহনকারী হিসেবে নয়।
    পৃথিবীতে প্রেরিত হওয়ার আগেই আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান (বস্তুসমূহের নাম) এবং প্রতিনিধির (খলিফা) মর্যাদা দান করেন। আদমকে জ্ঞানার্জনের জন্য নয়, বরং বাগানের কৃষিকাজ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল।

    ২. পতনের কারণ ও প্রকৃতি (The ‘Fall’ and Sin)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    ভুল (Zallah) বা সামান্য ত্রুটি: নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ ছিল আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন। এটা ছিল শয়তানের (ইবলিশ) প্ররোচনায় ভুলবশত বা ‘ভুলে যাওয়া’। মহাপাপ (Original Sin): ফল ভক্ষণকে একটি ইচ্ছাকৃত পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মানবতার নৈতিক পতন ঘটায়।
    দায়িত্ব: ভুলটির জন্য আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) উভয়ই সমানভাবে দায়ী এবং উভয়েই অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দায়িত্ব: মূলত হাওয়াকে (Eve) প্ররোচনার জন্য এবং আদমকে তার কথা শুনে ভুল করার জন্য দায়ী করা হয়।
    তাওবা ও ক্ষমা (Repentance): নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার পর আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) তাৎক্ষণিক অনুতাপ করেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আল্লাহ তাঁদের ক্ষমা করে দেন। তাওবা ও ক্ষমা: আদম বাইবেলের বর্ণনায় কোনো অনুতাপ করেন না, বরং দোষ হাওয়ার উপর চাপান। এই পাপের ফলস্বরূপ ক্ষমা নেই।

    ৩. বংশের ফলাফল (Consequences for Descendants)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    আদি পাপ নেই (No Original Sin): যেহেতু আদম (আঃ) ক্ষমা পেয়েছিলেন, তাই ইসলামের বিশ্বাস অনুসারে কোনো মানুষই আদি পাপ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। প্রত্যেকেই নিষ্পাপ হয়ে জন্মায়। আদি পাপ (Original Sin): আদমের এই পাপের কারণে মানবতার পতন ঘটে এবং পরবর্তী প্রজন্মরা সকলেই জন্মগতভাবে এই পাপের বোঝা বহন করে। এই পাপ মোচনের জন্যই পরিত্রাতার (যীশু/ঈসা আঃ) প্রয়োজন।

    ৪. পৃথিবীতে আগমন (Arrival on Earth)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    পৃথিবীতে আগমন আল্লাহর আদি পরিকল্পনার অংশ ছিল (তিনি পৃথিবীতে খলিফা বা প্রতিনিধি হবেন)। ভুল করার কারণে তাঁর জান্নাত থেকে প্রস্থানের সময়টা এগিয়ে আসে, কিন্তু পৃথিবীতে আসাই তাঁর চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল। জান্নাত থেকে বহিষ্কার ছিল পাপের সরাসরি শাস্তি। পৃথিবীতে আগমনকে একপ্রকার অভিশাপ বা শাস্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    এই পার্থক্যগুলোই দুটি ধর্মের মধ্যে মানব প্রকৃতি, পাপের ধারণা, এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক ভিন্নতা তৈরি করেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশটি হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।

    ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳

    ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।

    • কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমস্ত বাধা দূরকারী বা ‘বিঘ্নহর্তা’ হিসেবে পূজা করা হয়।
    • অনেক মন্দিরে (বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে) জীবন্ত হাতি রাখা হয়, যাদেরকে খুব সম্মান করা হয় এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়।

    ২. থাইল্যান্ড (Thailand) 🇹🇭

    থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

    • কারণ: বৌদ্ধ ধর্মমতে, গৌতম বুদ্ধের জন্মের আগে তাঁর মা স্বপ্নে একটি সাদা হাতিকে পদ্ম ফুল নিয়ে আসতে দেখেছিলেন। এই কারণে সাদা হাতিকে ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক মনে করা হয়।
    • ঐতিহাসিকভাবে, থাই রাজাদের যত বেশি সাদা হাতি থাকত, তাদের তত বেশি ক্ষমতাশালী ও ধার্মিক মনে করা হতো।

    সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকট কেন হচ্ছে?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল। এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। ১. মালিকপক্ষকে 'জীবনধারণের উপযবিস্তারিত পড়ুন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল।

    এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।

    ১. মালিকপক্ষকে ‘জীবনধারণের উপযোগী মজুরি’ প্রদানের মানসিকতা রাখতে হবে।

    ২. সরকারকে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

    ৩. আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে নৈতিকভাবে ব্যবসা করতে হবে এবং পোশাকের ন্যায্য মূল্য (যা শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করে) নিশ্চিত করতে হবে।

    আর নিরপেক্ষ অডিট হওয়া দরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্লেনের পাইলট আকাশে রাস্তা চেনে কিভাবে?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন! পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে: ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্বিস্তারিত পড়ুন

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন!
    পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে।

    মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে:

    ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম

    • বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্ডে বড় বড় স্ক্রিন থাকে। সেখানে আমাদের মোবাইলের জিপিএস-এর মতোই একটা বিশেষ ম্যাপ দেখা যায়। এই ম্যাপে তাদের চলার পথ, পাশের বিমানবন্দর, পাহাড়-পর্বত—সবকিছু খুব পরিষ্কারভাবে আঁকা থাকে।
    • কম্পিউটারের প্ল্যান: ওড়ার আগেই পাইলটরা তাদের গন্তব্য আর পুরো পথের ডেটা বিমানের কম্পিউটার সিস্টেমে ঢুকিয়ে দেন। কম্পিউটার তখন নিজেই সবচেয়ে ভালো রাস্তাটা ধরে প্লেনকে চলতে সাহায্য করে। এটাকে বলে ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FMS)। অনেকটা আপনার গাড়ির নেভিগেশন সিস্টেমের মতো, তবে অনেক উন্নত।

    ২. রাডার এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল

    • এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC): এটা হলো মাটিতে থাকা একদল লোক, যারা সারা দেশের আকাশপথের ট্র্যাফিকের ওপর নজর রাখে। পাইলটরা সবসময় রেডিওতে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখে। এটিসি থেকেই পাইলটকে বলে দেওয়া হয় কখন কোন দিকে যেতে হবে, কত ওপরে উঠতে হবে, বা গতি কত রাখতে হবে। এটা অনেকটা ট্র্যাফিক পুলিশের মতো কাজ করে।
    • রাডার: এটিসি কর্মীরা রাডারের মাধ্যমে আকাশে প্রতিটি প্লেনের অবস্থান দেখতে পান। তারা দেখে যেন এক প্লেনের সাথে আরেক প্লেনের ধাক্কা না লাগে।

    ৩. প্রাচীন পদ্ধতির সাহায্য

    • রেডিও বীকন (Radio Beacons): আকাশে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় রেডিও স্টেশন বসানো থাকে। প্লেন সেই স্টেশনগুলোর দিকে সিগন্যাল অনুসরণ করে চলে। এটা অনেকটা পুরোনো দিনের জাহাজের নাবিকদের বাতিঘরের মতো। যদিও এখন জিপিএস বেশি চলে, কিন্তু ব্যাকআপ হিসেবে এটা খুব দরকারি।
    • তারকা ও সূর্য: যদিও আধুনিক যুগে এটা লাগে না, তবুও খুব জরুরি অবস্থায়, যেমন—সব ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফেইল করলে, পুরোনো দিনের মতো সূর্য, তারা, বা আকাশের দিক দেখেও অভিজ্ঞ পাইলটরা একটা আন্দাজে পথ ধরে রাখতে পারেন।

    মোটকথা, পাইলট একা একা রাস্তা খোঁজেন না। তারা কম্পিউটার, জিপিএস, এবং মাটির ট্র্যাফিক পুলিশের (ATC) নির্দেশ—এই তিনের ওপর ভরসা করে নিরাপদে প্লেন চালান। আকাশটা আসলে অনেকগুলো অদৃশ্য ‘হাইওয়ে’-তে ভাগ করা থাকে, আর পাইলটরা ওই হাইওয়ে ধরেই চলে।

    আশা করি বুঝতে পেরেছেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পেট্রোলের বাংলা কী?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    শিলাতৈল হবে।

    শিলাতৈল হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া নামে কে পরিচিত? কেন তাকে এ নামে ডাকা হয়?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    'দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া' (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী। তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো: পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকেবিস্তারিত পড়ুন

    ‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী।

    The Birdman of India

    তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো:

    পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

    নিয়মতান্ত্রিক পাখি জরিপ: তিনিই প্রথম ভারতীয়দের মধ্যে একজন, যিনি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পাখি জরিপ পরিচালনা করেন। তিনি প্রায় সাত দশক ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং পাখিদের উপর ব্যাপক পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা করেছেন।

    গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা: তিনি অসংখ্য পাখি বিষয়ক বই রচনা করেছেন, যা আজও পক্ষীবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মধ্যে তাঁর রচিত দশ খণ্ডের “হ্যান্ডবুক অফ দ্য বার্ডস অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান” (Handbook of the Birds of India and Pakistan) এবং “দ্য বুক অফ ইন্ডিয়ান বার্ডস” (The Book of Indian Birds) বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই বইগুলি ভারত ও উপমহাদেশে পাখি চেনায় উৎসাহী এবং গবেষকদের জন্য অপরিহার্য।

    সংরক্ষণ ও সচেতনতা: ড. আলী ভারতে পাখি সংরক্ষণ ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই দেশের প্রাকৃতিক আবাসস্থল এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে পাখিদের সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে।

    পাখি সম্পর্কে তাঁর অতুলনীয় জ্ঞান, গবেষণা ও সংরক্ষণে তাঁর জীবনব্যাপী অবদানের জন্য তাঁকে সসম্মানে ‘ভারতের পক্ষীমানব’ বা ‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত কে?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)। তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতবিস্তারিত পড়ুন

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)।

    Selçuk Bayraktar

    তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতে এই ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁকে তুরস্কে ড্রোন শিল্পের অগ্রপথিক বা ‘দাদা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    জুলাই ঘোষণাপত্রে কি ঘোষনা করা হয়েছে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    জুলাই ঘোষণাপত্র অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি। এতে যুক্ত করা হয়েছে ২৮টি দফা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘোষণাপত্রে স্থান পেয়েছে। ঘোষণা পত্র ববিস্তারিত পড়ুন

    জুলাই ঘোষণাপত্র

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি।

    এতে যুক্ত করা হয়েছে ২৮টি দফা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘোষণাপত্রে স্থান পেয়েছে।

    ঘোষণা পত্র বলা হয়—

    ১। যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল।

    ২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে।

    ৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন করেছিল।

    ৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়।

    ৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

    ৬। যেহেতু দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়।

    ৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

    ৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে।

    ৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।

    ১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে।

    ১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ১৬ বছর ধরে নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়।

    ১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে।

    ১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এদেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে।

    ১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকরি প্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়।

    ১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সব বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়।

    ১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালায়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

    ১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সব স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে।

    ১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫  আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনরত সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সব শ্রেণি, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

    ১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসংগত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

     

    ২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।

    ২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়।

    ২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

    ২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৬ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামকালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধগুলো দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

    ২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সব শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

    ২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

    ২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে, একটি পরিবেশ জলবায়ু সহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।

    ২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

    ২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে টার্নিং ডায়ামিটার কি?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়। ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকবিস্তারিত পড়ুন

    টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়।

    ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকার পথ তৈরি করে, সেই বৃত্তের এক পাশ থেকে অন্য পাশ পর্যন্ত যে দূরত্ব, সেটাই হলো গাড়ির টার্নিং ডায়ামিটার। 🚗

    সামুদ্রিক জাহাজের ক্ষেত্রেও একই ধারণা প্রযোজ্য। একটি টার্নিং ডায়ামিটার যত বড় হবে, জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য তত বেশি জায়গার প্রয়োজন হবে। যেসব বন্দরের চ্যানেল বা জলপথ সরু, সেখানে ছোট টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজ চলাচল করা সুবিধাজনক। বড় টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজগুলো খোলা সমুদ্রের মতো প্রশস্ত এলাকায় মোড় নিতে পারে।

    সংক্ষেপে:
    * টার্নিং ডায়ামিটার ছোট হলে জাহাজটি সহজে ও কম জায়গায় মোড় নিতে পারে।
    * টার্নিং ডায়ামিটার বড় হলে জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়।

    এই পরিমাপটি জাহাজের নিরাপত্তা এবং নেভিগেশuনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজের নকশা, গতি, এবং জলের স্রোতের উপর এর মান নির্ভর করে। 🧭

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা কোন প্রাণীর এবং কতটি ?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। "কেন্নো" শব্দটি ল্যাটিন শব্দ "millipes" থেকে এসেছে, যার অর্থ "হাজার পা"। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিবিস্তারিত পড়ুন

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। “কেন্নো” শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “millipes” থেকে এসেছে, যার অর্থ “হাজার পা”। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিকারী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।

    আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিশ্বে এমন একটি দ্বীপ রয়েছে যেখানে কোন নারী বাস করে না, সেখানে সবাই সন্ন্যাসী। দ্বীপটির নাম কি এবং কোথায় অবস্থিত?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কবিস্তারিত পড়ুন

    জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত।

    স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কিত এবং এখানে প্রাচীন মন্দির রয়েছে। দ্বীপের এই কঠোর নিয়মটি সম্ভবত ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে চলে আসছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম কি?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দুই মহাসাগরের দেশ কোনটি?

    mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।

    দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশের অধিবাসীগণ শিস দিয়ে কথাবার্তার কাজ চালায়?

    mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা "কুস ডিলি" নামে পরিচিত, যার অর্থ "পাখির ভাষা"। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।

    তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা “কুস ডিলি” নামে পরিচিত, যার অর্থ “পাখির ভাষা”। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
Load More Answers

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 163 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,246 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 89 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SimretSheshy

SimretSheshy

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
jackwilliamson1221

jackwilliamson1221

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
Taharim Hasan Tanim

Taharim Hasan Tanim

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
AntoninaZotova

AntoninaZotova

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
biplob

biplob

  • 27 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন