সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • প্রোফাইল
  • প্রোফাইল এডিট করুন
  • মেসেজ
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • গ্রুপ
  • রেফারেল
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পয়েন্ট
  • একটিভিটি
  • ব্লক লিস্ট
  • আর্থিক বিবরণী
  • টাকা উত্তোলন
  • লগ আউট
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক/Page 5
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লিপস্টিক এর একটি মজাদার থিউরি আছে ? আমরা কজন জানি সেটা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

নারীদের আসল বয়স জানার সহজ উপায় কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ১. গল্পের ছলে জেনে নিতে হবে ওই নারী কোন সালে এসএসসি পাস কিছু করেছেন। সঙ্গে জেনে নিন স্কুলে এই সময়কালে কখনও ফেল করছেন কিনা। তারপরেই হিসাব করলে আসল বয়স বের হয়ে আসবে। ২. মেয়ের মা-বাবার কততম বিবাহবার্ষিকী আসছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। তারপরে অনুমান করে নিন লুকিয়ে রাখা বয়স। ৩. এমন কোনো কাজ নিয়ে কথা বলুন, যাতবিস্তারিত পড়ুন

    ১. গল্পের ছলে জেনে নিতে হবে ওই নারী কোন সালে এসএসসি পাস কিছু করেছেন। সঙ্গে জেনে নিন স্কুলে এই সময়কালে কখনও ফেল করছেন কিনা। তারপরেই হিসাব করলে আসল বয়স বের হয়ে আসবে।

    ২. মেয়ের মা-বাবার কততম বিবাহবার্ষিকী আসছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। তারপরে অনুমান করে নিন লুকিয়ে রাখা বয়স।

    ৩. এমন কোনো কাজ নিয়ে কথা বলুন, যাতে তাঁর ভোটার কার্ড নিয়ে আপনি কথা বলতে পারেন। আর তখনই উঁকি মেরে দেখে নিতে পারেন ছাপানো জন্ম তারিখ।

    ৪. মেয়েরা যখন ডাক্তার দেখাতে যাবে, তাঁর সঙ্গে যান। চিকিৎসকের কাছে সাধারণত কেউ বয়স লুকায় না। ফলে আসল বয়স জানতে পারবেন।

    ৫. ভালো চাকরির আছে বেল তাঁর বায়ো-ডেটা চান। সহজেই বয়স জেনে যাবেন।

    ৬. কোনো নারীর বয়স দেখতে ৩০-এর আশপাশে হলেন তাঁকে আপনি বলুন, ‘‘আপনাকে দেখে মনেই হয় না আপনার ৩৫ হয়ে গেছে। ’’ এই শুনে উনি নিজেই সঠিক বয়স বলে দেবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 31 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিশাল সামুদ্রিক পাখি অ্যালবাট্রোজ : সৌভাগ্য নাকি দুর্ভাগ্যের প্রতীক?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    অ্যালবাট্রোজ Diomedeidae গোত্রের অন্তর্গত একপ্রকার সামুদ্রিক পাখি, যা মূলত অ্যান্টার্কটিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগরের আশেপাশে পাওয়া যায়। প্রাচীনকাল থেকে নাবিকদের মধ্যে এই পাখি নিয়ে রয়েছে নানা রকম বিশ্বাস। কারো মতে- এই পাখি সৌভাগ্যের বাহক, কেউ বা ভাবত ঘোর বিপদের চিহ্ন হিসেবে। কেন এমন ভাবনা তবিস্তারিত পড়ুন

    অ্যালবাট্রোজ Diomedeidae গোত্রের অন্তর্গত একপ্রকার সামুদ্রিক পাখি, যা মূলত অ্যান্টার্কটিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগরের আশেপাশে পাওয়া যায়। প্রাচীনকাল থেকে নাবিকদের মধ্যে এই পাখি নিয়ে রয়েছে নানা রকম বিশ্বাস। কারো মতে- এই পাখি সৌভাগ্যের বাহক, কেউ বা ভাবত ঘোর বিপদের চিহ্ন হিসেবে। কেন এমন ভাবনা তৈরি হলো? আসলেই কি ভাগ্যের সাথে এর কোনো সম্পর্ক আছে? এ ব্যাপারে জানার আগে অ্যালবাট্রোজ নিয়ে সাধারণ কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক।

    দৈত্যাকার এই পাখিকে মনে করা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে দক্ষ ভ্রমণকারী। এরা শত শত মাইল একটানা উড়ে পাড়ি দিতে পারে। জীবনের বেশিরভাগ সময় এরা আকাশেই ব্যয় করে, প্রজননের সময় ভূমিতে নেমে আসে। এর বৈশিষ্ট্যের কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হবে এর বিশালাকার ডানার কথা। একেকটি ডানা প্রায় ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা। এরা স্কুইড, মাছ, কাঁকড়া এবং আরো কিছু জলজ প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে। এখন পর্যন্ত এর মোট ২২টি প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি প্রজাতি বিলুপ্তির পথে এবং আরো কয়েকটি সংকটাপন্ন। অ্যালবাট্রোজ বছরে কেবল একটি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা বেরোয়, এবং আরো তিন সপ্তাহ বাবা-মা ছানার দেখভাল করে। প্রায় ৩-১০ মাসের মধ্যে বাচ্চাগুলো উড়তে শিখে যায়, এবং একসময় বাসা ছেড়ে উড়ে চলে যায়।

    বাচ্চাসহ অ্যালবাট্রোজ
    এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা সবচেয়ে বয়স্ক পাখিটিও একটি অ্যালবাট্রোজ। ৭০ বছর বয়স্ক পাখিটির নাম উইসডম। ১৯৫৬ সালে প্রাণীবিদ Chandler Robbins এর পায়ে রিং পরান। পাখিটি তার জীবদ্দশায় প্রায় সাত লক্ষ মাইলের মতো সামুদ্রিক পথ পাড়ি দিয়েছে, এবং বর্তমানে তীরে ফিরে এসেছে ডিম পাড়ার জন্য। রিং পরানোর পর প্রায় ৪০ বার ডিম পেড়েছে পৃথিবীর বয়স্কতম এই পাখি, যার সর্বশেষ ডিমটি পেড়েছে ২০২১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি ।

    উইসডম
    অ্যালবাট্রোজ সম্পর্কে প্রচলিত একটি প্রবাদ হচ্ছে- ‘An albatross around your neck’ , যা মূলত ভয়ানক দুর্ভাগ্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। অ্যালবাট্রোজ মূলত একটি সামুদ্রিক পাখি, যাকে প্রাচীনকালে নাবিকরা সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করত। তখন বেশিরভাগ নাবিক ছিল কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তারা বিশ্বাস করত- অ্যালবাট্রোজ মৃত নাবিকদের আত্মা ধারণ করে এবং জাহাজগুলোকে যেকোনো দুর্ভাগ্য থেকে রক্ষা করে। কিছু নাবিক আবার একে দুর্ভাগ্যের প্রতীকও মনে করত। তারা ভাবত- অ্যালবাট্রোজ জাহাজের পিছু নেয়া মানে কোনো না কোনো নাবিকের মৃত্যু হওয়া। সৌভাগ্য হোক বা দুর্ভাগ্য, অ্যালবাট্রোজ হত্যা করা ছিল নিষিদ্ধ। সবাই বিশ্বাস করত- অ্যালবাট্রোজকে হত্যা করলে জাহাজের ওপর অভিশাপ নেমে আসবে। ব্রিটিশ লেখক স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের কবিতা ‘The Rime of the Ancient Mariner’ অ্যালবাট্রোজের সৌভাগ্য এবং দুর্ভাগ্যের দিক একইসাথে তুলে ধরে।

    স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ
    কবিতার শুরুতে এক বৃদ্ধ নাবিক একজন যুবককে ডাকে তার গল্প শোনানোর জন্য। যুবকটি একটি বিয়ের দাওয়াতে যাচ্ছিল। মাঝপথে বৃদ্ধ নাবিক তার পথ আটকে ফেলে। শুরুতে শুনতে না চাইলেও নাবিকের উজ্জ্বল চোখ দেখে যুবকটি আর না করতে পারেনা। লেখকের ভাষায়,

    The Wedding-Guest sat on a stone:
    He cannot choose but hear;
    And thus spake on that ancient man,
    The bright-eyed Mariner.

    বৃদ্ধ নাবিক তার কোনো এক সমুদ্রযাত্রার গল্প শুরু করে। সেই যাত্রায় শুরুতে সমুদ্র ছিল শান্ত। আকাশ একদম পরিষ্কার ছিল এবং আবহাওয়া একদম অনুকূলে ছিল। হঠাৎ করে প্রকৃতি উত্তাল হয়ে ওঠে। সমুদ্রে দৈত্যাকার একটি ঝড় ওঠে, আর জাহাজটি তার পথ থেকে দক্ষিণ দিকে সরে যায়। ঝড়ের কবলে পড়ে তারা কুয়াশা আর বরফে ঢাকা সমুদ্রের মধ্যে গিয়ে আটকা পড়ে।

    শিল্পীর তুলিতে ঝড়ের কবলে পড়া জাহাজ
    তখনই একটি অ্যালবাট্রোজ জাহাজের চারপাশে উড়তে শুরু করে। নাবিকরা একে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করে খুশি হয়ে ওঠে। পাখিটিকে নাবিকরা খাবার দেয়া শুরু করে, একইসাথে বরফ কেটে এগিয়ে চলে জাহাজ। কিন্তু কুয়াশা তখনো কেটে যায়নি। এর মধ্যে একদিন বৃদ্ধ নাবিকটি তার ক্রস বো দিয়ে পাখিটিকে মেরে ফেলে। প্রথমে নাবিকরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে এমন কান্ডের জন্য। কিন্তু পাখিটিকে মেরে ফেলার পরপরই দেখা যায় আবহাওয়া ভাল হতে শুরু করে এবং কুয়াশা কেটে যায়। এতে নাবিকরা আবার তাকে বাহবা দিতে থাকে।

    Twas right, said they, such birds to slay,
    That bring the fog and mist.

    এরপর একদিন বাতাস থেমে যায়। জাহাজের পালে বাতাস না থাকায় সমুদ্রে আটকা পড়ে নাবিকেরা। দিনের পর দিন তারা সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়ায়। তাদের পানীয় জল শেষ হয়ে যায়। চারপাশে পানি থাকা সত্ত্বেও পান করার মতো এক ফোঁটা পানি থাকে না। লেখকের বর্ণনার এই অংশটুকু অনেকেরই চেনা।

    Water, water every where,
    Nor any drop to drink.

    নাবিকেরা তাদের দুর্দশার জন্য অ্যালবাট্রোজের হত্যাকারীকে দায়ী করে। তাকে বার বার অভিশাপ দেয় এবং তার গলায় মৃত অ্যালবাট্রোজটি ঝুলিয়ে দেয়। এখান থেকেই ‘An albatross around your neck’ প্রবাদের উৎপত্তি।

    বৃদ্ধ নাবিকের গলায় মৃত পাখিটি ঝোলানো হয়
    তখন পশ্চিম দিক থেকে একটি জাহাজকে তাদের দিকে আসতে দেখা যায়। জাহাজ নিকটবর্তী হবার পর দেখা গেল তা ছিল জীবন-মৃত্যুর জাহাজ। জাহাজের মধ্যে নাবিকদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলা হচ্ছিল। খেলায় সিদ্ধান্ত হয় সকল নাবিককে মৃত্যু দেয়া হবে এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করা হবে। কিন্তু পাখি হত্যাকারী বৃদ্ধ নাবিককে বাঁচিয়ে রাখা হবে। বেঁচে থাকাই হবে তার জন্য শাস্তি। একে একে জাহাজের সকলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। বেঁচে থাকে শুধু সেই বৃদ্ধ নাবিক, গলায় ঝোলানো মৃত অ্যালবাট্রোজ নিয়ে। চারপাশের মৃত চোখগুলো যেন তাকে অভিশাপ দিচ্ছিল, আশেপাশে অদ্ভুত সব জীব ভেসে বেড়াচ্ছিল, দুর্বিষহ এক জীবন নিয়ে নাবিক ভেসে বেড়ায় সমুদ্রে।

    এরপর একদিন জাহাজের পাশে কিছু সাপ ভেসে বেড়াতে দেখে নাবিক। কোনো অজানা কারণে সাপগুলোর প্রতি তার মনে ভালবাসা জন্মায়, এবং পাপের চিহ্ন মৃত অ্যালবাট্রোজ তার গলা থেকে খুলে পড়ে। শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে নাবিক তার জন্মভূমিতে ফিরে আসে। পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে তার এই ঘটনা মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। স্রষ্টার সৃষ্টিকে ভালবাসার মাধ্যমে স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করা সম্ভব- এই বাণী সকলের কাছে পৌঁছে দেয়।

    প্রকৃতপক্ষে, ভাগ্যের সাথে পাখির সম্পৃক্ততা কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রাচীনকাল থেকে নাবিকদের মুখে মুখে চলে আসা মিথগুলো থেকে ‘অ্যালবাট্রোজ সৌভাগ্যের প্রতীক’ এই চিন্তার উৎপত্তি। লেখক স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের কবিতায় পাখির সাথে সৌভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্যের সম্পর্ক ছাপিয়ে স্রষ্টার সৃষ্টিকে ভালবাসার বার্তাই ফুটে উঠেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 30 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তাজমহলের তালাবন্ধ ঘরগুলোতে সত্যিই কি কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 30 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কে, কী, কেন, কোথায়, কখন, কীভাবে" ছাড়াও আরও কতভাবে প্রশ্ন করা যায়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 29 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন বাচ্চা বাবা মা ছাড়াই জন্ম নেয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 29 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কেনো?

  1. Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 9 মাস আগে

    "ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না"—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে। "আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন—যেখানে মানুষ সামান্য বিপদে পড়লে পিছিয়ে আসে, সেখানে ভালোবাসার টানে মানুষ কেন দুনিয়ার সব নিয়ম ভাঙতে রাজি হয়ে যায়? কেন রক্তচক্ষু আর সামাজিক বাধাগুলো ভালোবাসার কাছে হার মেনে যায়? চলুন আজ মানুবিস্তারিত পড়ুন

    “ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না”—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে।

    “আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন—যেখানে মানুষ সামান্য বিপদে পড়লে পিছিয়ে আসে, সেখানে ভালোবাসার টানে মানুষ কেন দুনিয়ার সব নিয়ম ভাঙতে রাজি হয়ে যায়? কেন রক্তচক্ষু আর সামাজিক বাধাগুলো ভালোবাসার কাছে হার মেনে যায়? চলুন আজ মানুষের মনের এই অদ্ভুত রহস্যটি সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি…”

    ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কেন?

    ১. আবেগ যখন যুক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়:

    আমাদের মস্তিষ্ক সাধারণত যুক্তি দিয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা যখন কারো প্রেমে পড়ি বা কাউকে ভালোবাসছি, তখন মস্তিষ্কের ‘ইমোশনাল সেন্টার’ বা আবেগীয় অংশটি অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন মানুষ “লাভ-ক্ষতি” বা “সমাজ কী বলবে” এসব যুক্তির চেয়ে নিজের অনুভূতিকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

    ২. হরমোনের খেলা:

    ভালোবাসলে মানুষের শরীরে ‘ডোপামিন’ এবং ‘অক্সিটোসিন’ নামের কিছু হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মানুষকে এক ধরণের সুখ বা নেশার মতো অনুভূতি দেয়। এই অনুভূতির কারণে মানুষ এতটাই সাহসী হয়ে ওঠে যে, যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সামাজিক বাধাকে সে তুচ্ছ মনে করতে শুরু করে।

    ৩. বিদ্রোহী সত্তা (Psychological Reactance):

    মানুষের মনস্তত্ত্ব হলো—তাকে যা করতে নিষেধ করা হয়, সে সেটি করার জন্য আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে। যখন সমাজ বা পরিবার ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই ভালোবাসা অর্জনের জেদ আরও বেড়ে যায়। বাধা তখন দেয়াল না হয়ে বরং জেদ হিসেবে কাজ করে।

    ৪. গভীর বিশ্বাস ও নির্ভরতা:

    ভালোবাসার মানুষের ওপর যখন অগাধ বিশ্বাস তৈরি হয়, তখন মানুষ মনে করে—”দুনিয়া একদিকে আর আমরা দুজন একদিকে থাকলে সব জয় করা সম্ভব।” এই মানসিক শক্তিই তাকে সব ধরণের বাধা ডিঙানোর সাহস দেয়।

    ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কারণ এটি মানুষের মনের এমন এক আদিম এবং শক্তিশালী অনুভূতি, যা ভয় বা সামাজিক নিয়মের চেয়েও অনেক বড়। যখন মনের টান যুক্তির চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখনই মানুষ সব বাধা উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যায়।

    আরেকটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছি।

    ভালোবাসার শক্তির একটি উদাহরণ

    কল্পনা করুন গ্রামের সাধারণ এক ছেলে আর মধ্যবিত্ত পরিবারের এক মেয়ের কথা। তাদের পরিবার, সমাজ আর আর্থিক অবস্থার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। চারপাশ থেকে সবাই বলছে, “এই সম্পর্ক টিকবে না,” “তোমরা সুখে হবে না।”

    কিন্তু তারা যখন একে অপরের হাত ধরে, তখন তারা কোনো বাধা দেখে না। কেন জানেন? কারণ, তাদের কাছে সেই মুহূর্তের ‘মানসিক শান্তি’ বাকি দুনিয়ার সব যুক্তির চেয়ে বড়। সমাজ দেখে তাদের ‘অযোগ্যতা’, কিন্তু তারা একে অপরের মধ্যে খুঁজে পায় ‘পূর্ণতা’।

    বিজ্ঞান বলে, যখন আমরা কাউকে গভীরভাবে ভালোবাসি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক অন্য সব ভয়কে ছোট করে দেখায়। ঠিক যেমন একজন মা তার সন্তানকে বাঁচাতে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে আগুনের ভেতর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। সেখানে কোনো যুক্তি কাজ করে না, কাজ করে কেবল টান। ভালোবাসা যখন জেদ আর ত্যাগে রূপ নেয়, তখন পাহাড়সম বাধাও বালির বাঁধের মতো ভেঙে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 29 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বাড়ছে একাকীত্ব নাকি মানসিক অবসাদ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা শুধু তার শরীরের সুস্থতায় নয়। মনের সুস্থতাও জরুরি। কারো জীবনে আনন্দের বহিঃপ্রকাশের সঙ্গে তার মনের সম্পর্ক রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক জানান, বাংলাদেশের মানসিক চিকিৎসকরা বলছেন, যদিও আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু এখনো দেশবিস্তারিত পড়ুন

    মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা শুধু তার শরীরের সুস্থতায় নয়। মনের সুস্থতাও জরুরি। কারো জীবনে আনন্দের বহিঃপ্রকাশের সঙ্গে তার মনের সম্পর্ক রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক জানান, বাংলাদেশের মানসিক চিকিৎসকরা বলছেন, যদিও আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু এখনো দেশের মানুষজনের মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা রয়েছে। যদিও শারীরিক অন্যান্য সমস্যার মতো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে সঠিক কাউন্সেলিং ও চিকিৎসায় পুরোপুরি আরোগ্য লাভ করা যায়।’ তার বক্তব্য এখানেই শেষ নয়। তার মতামত রইলো:
    আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আস্তে আস্তে মানুষ সচেতন হতে শুরু করেছে। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাউন্সেলিং তাদের কাছে উপাদেয় মনে হলেও মানসিক হাসপাতাল তাদের কাছে পাগলাগারদ বৈ কিছু নয়। ধরুন কেউ হাসপাতালে ভর্তি হলো। তখন স্বভাবতই পরিচিতরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে জিজ্ঞেস করবে, কি হয়েছে? যখন কেউ বলবে মানসিক হাসপাতাল তখন অনেকেই ভাববেন ঐ ব্যক্তি পাগল হয়ে গেছেন। এই যে ধারণা, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল।
    স্পেনের গ্রানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ ও হৃদ্‌রোগের ‘রিস্ক ফ্যাক্টর’-এর মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। এই কথা বলার মানে অবহেলা করলে মানসিক অবসাদ ডেকে আনতে পারে বেশ কিছু বিপজ্জনক রোগ। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে মানসিক অবসাদ সংবহনতন্ত্রের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে, বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও।
    বাড়ছে একাকীত্ব নাকি মানসিক অবসাদ
    বাড়ছে একাকীত্ব নাকি মানসিক অবসাদ

    সারাবিশ্বেই হৃদরোগের ঝুঁকি মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়ছে। হৃদরোগের মধ্যে কিশোররাও বাদ নেই। কিশোরদের এই হৃদরোগের ঝুঁকির পেছনে অবশ্যই মানসিক অবসাদের প্রভাব রয়েছে। প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এই নির্ভরশীলতা থেকে তারা বের হতে পারছে না। যেহেতু বের হতে পারছে না তাই তারা একসময় একঘেয়েমিতে ভুগে। এই একঘেয়েমিই মূলত তাদের যন্ত্রণার কারণ।

    মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে। মানসিক রোগ বা সমস্যা সম্বন্ধে একেবারে কেউ কিছু জানেন না সেটা বলা যাবে না। তবে এর সংখ্যা অতি নগণ্য। একে সচেতনতার অভাব হিসাবে ধরে নেওয়া যায়। যদি রোগটি সম্বন্ধে জানা থাকে তবে সুবিধা হলো, রোগী কখন কি ধরনের আচরণ করছে, কেন করছে, কি বলছে, কেন বলছে এসবের স্পষ্ট একটা ব্যাখ্যা নিজের কাছে থাকে। অন্যথায় রোগীকে ভুল বোঝার সম্ভাবনাও থাকে প্রচুর। চিকিৎসাও ব্যাহত হয়। তাই যার মানসিক রোগ আছে তার স্বজনদের উচিত রোগটি সম্পর্কে ডাক্তারের কাছ থেকে ভালো করে জেনে নেওয়া। জেনে নেওয়া ভাল রোগটির  নাম কী? রোগাটির ধরণ কেমন? অর্থাৎ কখন বাড়তে পারে বা কমতে পারে। রোগটির বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য থাকলে সে সম্পর্কেও জানতে হবে। বর্তমানে ইন্টারনেট সুবিধা গ্রহণ করে আরো ভালো করে বিষয়টি সম্পর্কে জানার  সুযোগও প্রসারিত হয়েছে। যদি রোগের নাম জানা থাকে তবে ইন্টারনেট সুবিধা গ্রহণ করে এ বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে নীতিনির্ধারকদেরও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি। এ বিষয়ে উপযুক্ত শিক্ষাও পৌঁছে দেওয়া দরকার।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

স্মৃতিভ্রম কিংবা ডিমনেশিয়া রোগে ভালো কাজ করে বেশ কিছু সুগন্ধ। কি ধরনের সুগন্ধ সেগুলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মাছের কলিজা খেলে সাহস বাড়ে, আমের পোঁকা খেলে গাছে চড়া শেখা যায় এবং পিঁপড়া খেলে সাঁতার শেখা যায় আসলেই কি সত্যি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আপনাকে এখন গাজায় সাংবাদিকতা করতে পাঠানো হলে কি করবেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মেজিশিয়ানরা যা দেখান সে সব ভেল্কিবাজি জেনেও আমরা দেখি কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

এ পর্যন্ত পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী দোষ করেছে কে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

১ থেকে ৯ এর মধ্যে সবচেয়ে ভাগ্যবান সংখ্যা কোনটি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

দশটা ডিম থেকে দুটো ডিম ভাংগা হলো, দুটো সিদ্ধ করা হলো দুটো খাওয়া হলো। কয়টি ডিম বাকি থাকলো?

  1. Nurul Haque
    Nurul Haque নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    আপনার কাছে এখনো ১০টি ডিমই অবশিষ্ট আছে। কেবল সেগুলোর অবস্থা ভিন্ন। কিন্তু যদি এই ধাঁধাটি 'মোট কতগুলো ডিম ফুরিয়ে গেল' অর্থে ধরা হয়, এবং যে দুটো সিদ্ধ করে খাওয়া হয়েছে সেগুলো মূল দশটি ডিমের সেট থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে অবশিষ্ট থাকবে: ১০ - ২ (খাওয়া হয়েছে) = ৮টি ডিম। তবে এই ধরনের মজার প্রশ্নে প্রথম উত্তরটিইবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার কাছে এখনো ১০টি ডিমই অবশিষ্ট আছে। কেবল সেগুলোর অবস্থা ভিন্ন।

    কিন্তু যদি এই ধাঁধাটি ‘মোট কতগুলো ডিম ফুরিয়ে গেল’ অর্থে ধরা হয়, এবং যে দুটো সিদ্ধ করে খাওয়া হয়েছে সেগুলো মূল দশটি ডিমের সেট থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে অবশিষ্ট থাকবে:

    • ১০ – ২ (খাওয়া হয়েছে) = ৮টি ডিম।

    তবে এই ধরনের মজার প্রশ্নে প্রথম উত্তরটিই (১০টি ডিম) সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়, যা বোঝায় যে ডিমের অবস্থা পরিবর্তন হলেও সংখ্যা একই থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ব্যাথা পেয়ে চিৎকার করলে ব্যাথা তুলনামূলক কম অনুভূত হয় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
james971
james971নতুন
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

Buy Albendazole Wholesale Online – Medzsupplier

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান কেন?

  1. Nurul Haque
    Nurul Haque নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান, তার মূল কারণ হলো যাত্রীর নিরাপত্তা (Safety) নিশ্চিত করা। এটিকে বিমান কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রোটোকল হিসেবে ধরা হয়। উঁচু হিল (High Heels), ভারী বুট, বা খুব নরম/পিছল স্যান্ডেল পরা থাকলে জরুরি স্লাইড (Inflatবিস্তারিত পড়ুন

    বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান, তার মূল কারণ হলো যাত্রীর নিরাপত্তা (Safety) নিশ্চিত করা। এটিকে বিমান কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রোটোকল হিসেবে ধরা হয়।

    উঁচু হিল (High Heels), ভারী বুট, বা খুব নরম/পিছল স্যান্ডেল পরা থাকলে জরুরি স্লাইড (Inflatable Slide) দিয়ে দ্রুত নামার সময় পা মচকে যেতে পারে, যাত্রী পড়ে যেতে পারে এবং অন্য যাত্রীদের চলাচলের গতিও কমে যেতে পারে।

    পায়ে খুব টাইট বা আঁটসাঁট জুতা পরা থাকলে রক্ত ​​সঞ্চালনের সমস্যা (যেমন থ্রম্বোসিস বা রক্ত জমাট বাঁধা) বাড়তে পারে এবং পা ফুলে যেতে পারে। এয়ার হোস্টেসরা তাই খেয়াল করেন, কেউ খুব অস্বস্তিকর জুতা পরেছেন কি না।

    অনেক যাত্রী, বিশেষ করে যারা ফ্লিপ-ফ্লপ বা স্যান্ডেল পরেন, তারা মাঝপথে জুতা খুলে খালি পায়ে ঘোরেন। বিমানের মেঝে বা টয়লেট এলাকা সাধারণত জীবাণুযুক্ত থাকে। খালি পায়ে হাঁটলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

    তাদের এই পর্যবেক্ষণ যাত্রীকে বিচার করার জন্য নয়, বরং প্রত্যেক যাত্রী যাতে জরুরি মুহূর্তে নিজেদের এবং অন্যদের জীবন রক্ষা করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্যই এই প্রোটোকল ফলো করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কি আমাদের ভেতরের সত্য বা আত্মার কাছাকাছি যেতে সাহায্য করে? নাকি এই বেশি ভাবনার প্রবণতা কখনো কখনো কেবলই মানসিক জটিলতা তৈরি করে?

  1. সীমা চৌধুরী
    সেরা উত্তর
    সীমা চৌধুরী নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ। প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে 'আত্মার কাছাকাছি' যেতে সাহায্য করে? আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিবিস্তারিত পড়ুন

    Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ।

    প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।

    ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে ‘আত্মার কাছাকাছি’ যেতে সাহায্য করে?

    আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাবার অনেক সময় পান। এই গভীর ভাবনাই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে আপনি আসলে কী চান, আপনার কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। একেই ‘ভেতরের সত্য’ বা ‘আত্মার খোঁজ’ বলা যেতে পারে। এটাকে এক ধরণের Self-Reflection বলা যায়।

    অন্তর্মুখীরা সাধারণত কথা কম বলেন এবং শোনেন বেশি। এর ফলে তারা অন্যদের এবং চারপাশের পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন।

    অনেক লেখক, শিল্পী বা বিজ্ঞানী অন্তর্মুখী হন। কারণ তাদের এই একাকীত্ব এবং গভীর চিন্তা নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করে।

    ইন্ট্রোভার্ট স্বভাব কীভাবে ‘মানসিক জটিলতা’ তৈরি করে?

    যে গভীর চিন্তা ভালো, সেই চিন্তাই যখন বেশি হয়ে যায়, তখন তা ‘ওভারথিংকিং’-এ পরিণত হয়। একটা ছোট ঘটনা নিয়ে আপনি হয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাবতে থাকলেন, যা বাস্তবে অতটা বড় ছিলই না।

    অতিরিক্ত ভাবনার ফলে সহজেই দুশ্চিন্তা (Anxiety) আসতে পারে। “ও কী ভাবলো?”, “ভবিষ্যতে কী হবে?”, “অতীতে কেন এমন হলো?” এই ধরনের চিন্তাগুলো মানসিক চাপ তৈরি করে এবং অনেক সময় তা বিষণ্ণতার (Depression) দিকে ঠেলে দেয়।

    যদিও আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামাজিক মেলামেশা একেবারে বন্ধ করে দিলে আপনি নিজেকে খুব একা এবং বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারেন। মানুষ সামাজিক জীব, আমাদের সবারই কিছু ভালো সম্পর্ক দরকার হয়।

    সমাধান কী?

    যখনই বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত ভাবছেন (ওভারথিংকিং করছেন), নিজেকে থামান। দরকার হলে ডায়েরি লিখুন বা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথাটা বলে ফেলুন।

    নিজের জন্য সময় রাখুন (যেমন বই পড়া, গান শোনা)। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত কিছু সময় পরিবারের বা খুব কাছের বন্ধুদের সাথেও কাটান।

    আপনি যেমন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজেকে জোর করে মিশুক (Extrovert) বানানোর দরকার নেই। আপনার নীরবতাও অনেক শক্তিশালী।

    আপনার এই স্বভাব কোনো সমস্যা নয়, বরং এটা একটা উপহার। এই উপহার ব্যবহার করে আপনি যেমন নিজের ভেতরটা চিনতে পারবেন, তেমনি খেয়াল রাখতে হবে এই ভাবনার স্রোতে যেন আপনি হারিয়ে না যান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 25 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

শূন্য একটি রহস্যময় সংখ্যা কেবলই অনুভব করা যায় কেনো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 25 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,246 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 164 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 212 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন