সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ছবি তোলার সময় হঠাৎ করে ছবিতে ঢুকে সেটিকে নষ্ট করে দেয়াকে কি বলে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

যৌনতা বিষয়ে কোন জিনিসগুলো জেনে রাখা জরুরি ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    শারীরিক তৃপ্তিতে যৌনতার কোন বিকল্প নেই ঠিক তেমনি যৌনতা নিয়ে মানুষের জানার কোনও শেষ নেই! স্বাভাবিক শরীরবৃত্তিয় ঘটনা এটি। ফলে, না জানাটাই অপরাধ। কারণ নিত্যনতুন গবেষণায় উঠে আসে একাধিক তথ্য। আর তা অবশ্য যৌন সংক্রান্ত। যদিও এই সমস্ত তথ্যের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা জেনে রাখাটা জরুরি। আর সেই মতোবিস্তারিত পড়ুন

    শারীরিক তৃপ্তিতে যৌনতার কোন বিকল্প নেই ঠিক তেমনি যৌনতা নিয়ে মানুষের জানার কোনও শেষ নেই! স্বাভাবিক শরীরবৃত্তিয় ঘটনা এটি। ফলে, না জানাটাই অপরাধ। কারণ নিত্যনতুন গবেষণায় উঠে আসে একাধিক তথ্য। আর তা অবশ্য যৌন সংক্রান্ত। যদিও এই সমস্ত তথ্যের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা জেনে রাখাটা জরুরি। আর সেই মতো অবস্যই এই ১১ টি তথ্য জানুন-

    ১) যখন কোন যুগল এক অপরজনকে চুম্বন দেয় তখন তারা একে অপরের সঙ্গে ১০ মিলিয়ন এবং ১ মিলিয়ন ব্যক্টেরিয়া বিনিময় করে।
     
    ২) গড়ে ২০ থেকে ৭০ বছর বয়সের মাঝে একজন মানুষ ৬০০ ঘন্টা সময় যৌন মিলনের পিছনে ব্যয় করে।

    ৩) যৌন মিলন এক ধরণের ভাল ব্যায়াম। এক ঘন্টায় প্রায় ৩৬০ ক্যালরি বার্ন হয়।

    ৪) যারা অতিরিক্ত কাজের চাপ, চিন্তা এবং হতাশায় ভোগে তাদের মাঝে সেক্স আসক্তি বেশি হয়।

    ৫) গড়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতি সাত সেকেন্ডে একবার সেক্সের কথা চিন্তা করেন।

    ৬) এক চা চামচ বীর্যতে – ৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু, জিঙ্ক এবং ক্যালসিয়াম, দাঁতের ক্ষয় রোধ করে এবং সাত ক্যালরি থাকে।

    ৭) বীর্যপাতের বেগ প্রায় ২৮ মাইল প্রতি ঘন্টা।

    ৮) পুরুষের অরগ্যাসম প্রায় ৬ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ৯) ৩২ বছর বয়সে মহিলাদের ক্লিটোরিস বয়ঃসন্ধি থেকে প্রায় চার গুন বেড়ে যায়।

    ১০)।যখন মহিলারা উত্তেজিত হন তখন তাদের স্তন প্রায় ২৫% প্রশস্ত হতে পারে।

    ১১) মহিলাদেরও স্বপ্ন দোষ হতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 50 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লিফটে আয়না থাকে কেন ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

এমন কোন জিনিস যা পানি পান করার সাথে সাথে মরে যায়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল ‍স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    আমিন 🤲

    আমিন 🤲

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 45 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে কি কখনও ঠেকানো যায় ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসবিস্তারিত পড়ুন

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসের পরিচালক রোসালিন্ড কার্টরাইট ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ঠেকানোর বেশ কিছু উপায় জানিয়েছেন। তার মতে-

    ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখতে যাচ্ছেন: আপনি ঘুমাতে যাওয়ার আগে ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখবেন, এতে আপনার দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ হবে। আপনি হয়তো একবারের চেষ্টায় এতে সফল হবেন না, কিন্তু কয়েকবারের প্রচেষ্টায় দুঃস্বপ্ন বিদায় নেবে।

    দুঃস্বপ্নকে থামান: বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনি স্বপ্নকে থামাতে পারবেন। আপনি সিম্পলি এটি করতে পারেন যদি বুঝতে পারেন যে আপনি যা দেখছেন তা দুঃস্বপ্ন।

    স্বপ্নকে পরিবর্তন করুন: নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করুন। এটি করার জন্য আপনাকে জেগে ওঠতে হতে পারে, কিন্তু অবশেষে আপনি ঘুমের মধ্যে নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করতে পারবেন।

    স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন: আপনার বিছানার পাশে একটি স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন এবং প্রতি সকালে এতে আপনার দেখা সব স্বপ্ন লিপিবদ্ধ করুন, শুধুমাত্র দুঃস্বপ্ন নয়, ভালো স্বপ্নও লিখে রাখুন। তারপর নির্দিষ্ট সময় পরপর সেসব স্বপ্ন রিভিউ করুন যা আপনাকে সমস্যায় ফেলে এবং নির্ণয় করার চেষ্টা করুন তারা কেন আপনাকে আপসেট করছে। তারপর উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আপসেট দূর করার চেষ্টা করুন।

    স্ট্রেস কমান: দুঃস্বপ্নের মূল কারণের একটি নিদারুণ স্ট্রেস। বিষণ্নতা, উৎকণ্ঠা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ডেকে আনে। সুতরাং দুঃস্বপ্ন প্রতিরোধ করতে বিছানায় যাওয়ার আগে আপনার মনকে শান্ত করুন। এক্ষেত্রে আপনি শান্ত সংগীত শুনতে পারেন, বাতিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন, ধ্যান বা প্রার্থনা করতে পারেন, হালকা সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি জ্বালাতে করতে পারেন বা বই পড়তে পারেন। মূল কথা হলো, ঘুমানোর আগে আপনার মনকে প্রশান্ত করে, এমন কাজ করুন।

    কার্টরাইট তার ‘ক্রাইসিস ড্রিমিং’ বইয়ে লিখেছেন, ‘মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখাটা স্বাভাবিক। কিন্তু বারবার দেখাটা স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না।’ বারবার দুঃস্বপ্ন দেখলে কোনো ডাক্তার, সাইকিয়াট্রিস্ট কিংবা থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সৈনিকেরা প্রথমে বাঁ পা দিয়ে মার্চ শুরু করেন কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 21 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সুখী দাম্পত্য জীবন পাওয়ার সহজ উপায়গুলো কি হতে পারে ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিয়ের পর বেড়াতে যাওয়াকে হানিমুন কেন বলে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বোকা মানুষকে ‘গাধা’ বলা হয়, কিন্তু প্রাণী গাধা কি সত্যিই বোকা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 18 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে কি বুঝায়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং কেন অভিশপ্ত ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত পেইন্টিং দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিংটি জিওভান ব্রাগোলিন নামে একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী দ্বারা আঁকা হয়েছিল; যা ছিল তার স্প্যানিশ ছদ্মনাম। তার আসল নাম ব্রুনো আমাডিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ৭০/৮০ এর দশক পর্যন্ত এই পেইন্টিং গুলো খুবই জনপ্রিয় উঠেছিল। কমবেশি সবার ঘরেই এই পেইন্টবিস্তারিত পড়ুন

    You are currently viewing দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত  পেইন্টিং

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত পেইন্টিং

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিংটি জিওভান ব্রাগোলিন নামে একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী দ্বারা আঁকা হয়েছিল; যা ছিল তার স্প্যানিশ ছদ্মনাম। তার আসল নাম ব্রুনো আমাডিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ৭০/৮০ এর দশক পর্যন্ত এই পেইন্টিং গুলো খুবই জনপ্রিয় উঠেছিল। কমবেশি সবার ঘরেই এই পেইন্টিং থাকতো।


    ৮০ এর দশকে এসে এই পেন্টিং অভিশপ্ত হওয়ার কুখ্যাতি লাভ করে। ৮০ এর দশকে বেশকিছু বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়, কিন্তু সেসব বাড়িতে থাকা এই পেইন্টিং অক্ষত থেকে যায়। দমকল বাহিনী সেসময় একটি তথ্য দেয় যে তারা এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ টি পুড়ে যাওয়া বাড়িতে এই চিত্রকর্মটি পেয়েছে। সেসব বাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও ছবিটি অক্ষত ছিল। আর তখন মানুষজনের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মে যে এই চিত্রটি অভিশপ্ত।



    কান্নারত ছবির স্কেচ করছেন চিত্রশিল্পী 
    ক্রাইং বয় পেইন্টিংগুলি ১৯৫০-৮০ এর দশকে ব্যাপকভাবে ছাপা হচ্ছিল, এবং সমগ্র যুক্তরাজ্য জুড়ে ব্যাপকভাবে বিক্রি ও হয়েছিল।

    ৪ সেপ্টেম্বর,১৯৮৫

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য সান’ একটি সংবাদ প্রকাশ করে, রন এবং মে হল নামের এক দম্পতি সম্পর্কে, এই দম্পতির বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল এবং তারা এরজন্য ক্রাইং ভয় পেইন্টিং কে দায়ী করছিল। কারণ ঐ বাড়িতে পেইন্টিং টি ছাড়া আর বাকি সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।


    পেইন্টিং এর ছেলেটি কে?

    জিওভানও এই রকম ক্রাইং বয় নিয়ে অসংখ্য পেইন্টিং তৈরি করেছিলেন। কিছু পত্রিকা প্রচার কে যে তিনি একটি স্প্যানিশ এতিমখানার শিশুদের ছবি আঁকছিলেন যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    আরেকটি গল্প প্রচলিত আছে যে জর্জ ম্যালরি নামে একজন স্কুল শিক্ষক এই ছবির চিত্রশিল্পী কে খুঁজে বের করেছিলেন এবং তাকে পেইন্টিং করা ছেলেটির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাকে জিওভানও বলেছিলেন,যে ছেলেটি ‘ডন বনিলো’ নামে একটি স্প্যানিশ পথশিশু ছিল।

    জিওভানওর বাচ্চাটির সাথে ১৯৪৯ সালে মাদ্রিদে তার সাথে দেখা হয়েছিল। বিশ্বযুদ্ধের শেষের পরে ইতালি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরে যার বাবা-মা রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে মারা গিয়েছিল এবং তাই লোকেরা তাকে ‘এল ডায়াবলো’ নামে ডাকতে শুরু করেছিল, এর মানে ছিল শয়তান। তাই এজন্য কেউ তাকে দত্তক নিতে চায়নি। সে নাকি যেখানে যেতো সেখানেই আগুন লেগে যেত।

    ছেলেটিকে একজন পুরোহিতের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জিওভান দত্তক নিয়েছিলেন এবং তার চিত্রকর্ম এঁকে তাকে অপব্যবহার করতে শুরু করেন। ছোট্ট দুঃখি অনাথের চিত্রগুলি তাকে ধনী করে তোলে। কিন্তু একদিন হঠাৎই তার স্টুডিওটি রহস্যজনকভাবে পুড়ে যায় এবং জিওভান এই অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী করে সেই ছেলেটিকে, এবং ছেলেটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এর কয়েক বছর পর, বার্সেলোনায় একটি গাড়ি বিস্ফোরণে সেই ছেলেটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক নামের এক সাংবাদিক এই রহস্য সম্পর্কে গবেষণা করেছিলেন, তিনি বলেন যে তিনি কোনো প্রমাণ খুঁজে পাননি; যে জর্জ ম্যালরির, জিওভানির সঙ্গে কখনো দেখা হয়েছিল। হয়তো এগুলো তিনি বানিয়ে বলেছিলেন, খবরে আসার জন্য।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক আরও বলেন যে জিওভান হয়ত ২০-৩০ জন কান্নাকাটিকারী ছেলেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভেনিসে দেখার পর এঁকেছিলেন। যার প্রিন্ট ১৯৭৯ এর দশকে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলিতে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়েছিল।

    ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ সালে, ‘দ্য সান’ পত্রিকায় ক্রাইং বয় পেইন্টিং নিয়ে ‘ক্রাইং বয় জলন্ত অভিশাপ’ শিরোনামটি পাঠকদের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি করেছিল। যেটি ছিল রণ ও মে হল দম্পতির বাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা।

    এই ঘটনা শুনে ‘ডোরা মানা’ নামে এক পাঠক বলেন,

    ছবিটি কেনার ছয় মাস পর তার বাড়ি পুড়ে যায় এবং তিনি আরও বলেন, কান্নারত ছেলেটির ছবি ছাড়া বাড়ির বাকি সবকিছুই পুড়ে গিয়েছিল।

    ‘দ্য সান’ এই নিউজ প্রকাশ করে তখন জনপ্রিয়তার একদম তুঙ্গে। তখন তারা পাঠকদেরকে তাদের বাড়িতে থাকা এই অভিশপ্ত পেইন্টিং টি সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দেয়। ক্রাইং বয় এর প্রায় ২৫০০ টি প্রিন্ট ’সান’ এর অফিসে পাঠানো হয়েছিল। যার ফলে নিউজ রুমে ১২ ফুট উঁচু একটি স্তুপের সৃষ্টি হয়েছিল।

    এর এক সপ্তাহ পরে ‘দ্য সান’, ‘ক্রয়িং-বয় কার্স স্ট্রাইকস এগেইন’ শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে তারা একটি তরুণের পরিবারের বাড়ি আগুনে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছিল, কিন্তু সেই বাড়িতে শুধুমাত্র পেইন্টিংটি অক্ষত ছিল।



    ‘দ্য সান’ এই বিষয়ে তাদের শেষ নিউজ কাভার করেছিল ‘Crying Flame’ শিরোনামে। যা হ্যালোউইনে প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে তারা দাবি করেছিল যে তারা টেমস নদীর কাছে, তাদের সংগ্রহিত করা সকল পেইন্টিং তারা একটি বিশাল বনফায়ারে পুড়িয়ে দিয়েছে।


    এই পেইন্টিং গুলো পুড়িয়ে দেয়ার সময় সেখানে উপস্থিত থাকা ‘ব্যারি ডেভিস’ নামের এক ফায়ার অফিসার বলেন যে

    আমি মনে করি, এমন অনেক লোক আছে যারা এখন থেকে একটু সহজে শ্বাস নিতে পারবে।

    বাড়িগুলোতে আগুন কেনো লাগতো?

    বেশ কিছু তদন্তের পর দেখা গেছে যে এই আগুন লাগার বেশিরভাগেরই স্বাভাবিক কারণ ছিল। যেমনঃ- সিগারেট, ত্রুটিপূর্ণ তারের বা অপ্রত্যাশিত ডিপ-ফ্রাইং প্যান।

    বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা

    প্রিন্টগুলি অগ্নি-প্রতিরোধী বার্নিশ দিয়ে প্রলেপিত ছিল। ফলে এটি সহজেই পুড়ে যাওয়া বাড়িতে অক্ষত ছিল।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক আরও আবিষ্কার করেছিলেন যে পেইন্টিংটি একটি সংকুচিত বোর্ডে মুদ্রিত হয়েছিল যা এটি পোড়াতে অসুবিধা করে।
    চিত্রকর্মটি কি সত্যিই অভিশপ্ত ছিল?

    যেহেতু পেইন্টিংগুলিতে কেন আগুন ধরে না তার একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে, তাই এটিকে অভিশপ্ত বলা চলে না। তবুও অনেকে বিশ্বাস করে যে চিত্রটি অভিশপ্ত এবং তারা এই জাতীয় চিত্রগুলি বাড়ির দেয়ালে ঝুলিয়ে না রাখার পরামর্শ দেয়।

    জিওভান ব্রাগোলিন ১৯৮১ সালে মারা যান এবং এই গল্পের সত্যটিও তার সাথে চলে গেছে এবং এটি একটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা যে সমস্ত ঘর পুড়ে গেছে তাদের দেয়ালে এই চিত্রগুলি সাজানো ছিল এবং তাই লোকেরা ভেবেছিল যে চিত্রটি অভিশপ্ত। আর রন ও মে দম্পতির ঘটনার এমন রসালো হেডলাইন সান পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর চিত্রটি দ্রুত হয়ে ওঠে গল্প করার জন্য একটি মুখরোচক বিষয়। যা সম্পর্কে এখনো মানুষের আগ্রহের শেষ হয়নি।

    আচ্ছা আপনি কি আপনার বাড়িতে এই পেইন্টিং টাঙানোর সাহস করবেন?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 58 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 7 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

Divorce বা তালাকের মূল কারণ কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মাকড়শাকে আমরা ভয় পাই কেন? স্পাইডার সিল্ক কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    অ্যারাকনোফোবিয়া বা মাকড়শার ভয়। এই ভয়ে ভুগে থাকেন পৃথিবীর প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে একজন। কিন্তু কেন? আমাদের চারপাশের পরিচিত মাকড়শাগুলোর কোনোটাই কামড়ে দিচ্ছে না, বিষাক্তও না। তাহলে তাদের দেখলেই কেন শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত নেমে যায় আমাদের? মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখবিস্তারিত পড়ুন

    অ্যারাকনোফোবিয়া বা মাকড়শার ভয়। এই ভয়ে ভুগে থাকেন পৃথিবীর প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে একজন। কিন্তু কেন? আমাদের চারপাশের পরিচিত মাকড়শাগুলোর কোনোটাই কামড়ে দিচ্ছে না, বিষাক্তও না। তাহলে তাদের দেখলেই কেন শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত নেমে যায় আমাদের?

    মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখেছে প্রকৃতি

    এমন ভয়ই বা কেন জন্ম নিচ্ছে আমাদের মধ্যে মাকড়শাকে দেখলেই?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়টা শুধু মাকড়শা নিয়েই নয়, পোকামাকড় ও এর কাছাকাছি প্রাণী, যেমন– সাপ, বাদুড় ইত্যাদি সবকিছু ঘিরেই এমন ভয় কাজ করে মানুষের মধ্যে। আর আমাদের মধ্যে যারা উপরের তালিকার যেকোনো একটি প্রাণীকে ভয় পান, তারা অন্যান্য পোকা, সরীসৃপ ইত্যাদি দেখেও ভয় পান। চলুন, আজ অ্যারাকনোফোবিয়া নিয়েই বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    মাকড়শা থেকে শুরু করে মাকড়শাল জাল: ভয়টা কোথায়?

    মাকড়শাকে ভয় পাওয়া আর মাকড়শার জালকে ভয় পাওয়া, দুটোই একই ফোবিয়ার মধ্যে পড়ে। ঠিক ধরেছেন। অ্যারাকনোফোবিয়ার কথাই বলছি। অন্যান্য অনেক ফোবিয়ার চেয়ে অনেক বেশি এককেন্দ্রীক ভীতি এটা, যা তৈরি হতে পারে যে কারো মধ্যেই। এখানে আসল মাকড়শাও যে থাকতে হবে তা না, অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগী হিসেবে শুধু জাল দেখেই মাকড়শা আশেপাশে থাকতে পারে সেই ভীতিতে পড়তেই পারেন।

    ‘অ্যারাকনে’ আর ‘ফোবোস’ নামের দুটো গ্রিক শব্দকে জুড়ে এই ভয়ের জন্ম। কালের পরিক্রমায় নানারকম ক্ষতিকর প্রাণীর প্রতি সহজাতভাবেই ভয় তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। এই যেমন সাপ, যা আগেও বিষাক্ত ছিল, এখনও তা-ই। কিন্তু বিষ নেই এমন একটা সাপকেও আশেপাশে দেখলে আপনার শরীর ভয়ে কেঁপে উঠবে। এমন কেন? কারণ, আপনি জানেন, আপনার শরীরের ডিএনএ জানে যে সাপ বিষাক্ত। অনেকটা সহজাত প্রতিক্রিয়া চলে আসে তাই আপনার মধ্যে।

    মাকড়শাকে ভয় পাওয়ার জন্য আপনাকে মাকড়শার কামড় খেতে হবে এমনটা কিন্তু না; 
    একই ঘটনা ঘটে মাকড়শার বেলায়ও। মাকড়শা থেকে বিষ, বিষ থেকে অসুস্থতা- এই চিন্তা থেকেই শুরু হয় অ্যারাকনোফোবিয়া। অনেকটা প্রাকৃতিকভাবেই। কাজেই, মাকড়শাকে ভয় পাওয়ার জন্য আপনাকে মাকড়শার কামড় খেতে হবে এমনটা কিন্তু না। মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখেছে প্রকৃতি। সেখান থেকেই আপনি হয়ে যাচ্ছে অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগী।

    এই থিওরিকে সামনে ধরেই জার্মানিতে একটি গবেষণা চালানো হয়। শিশুদের মাছ, ফুল, সাপ, মাকড়শা ইত্যাদি দেখানো হয়। আর তাতে দেখা যায় যে, মাকড়শা আর সাপের বেলাতেই বাচ্চাদের চোখের মণির আকৃতি বদলাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে তারা। এই ভয় কিন্তু মাকড়শাকে আগে থেকে না দেখেই ওদের মধ্যে তৈরি হয়েছে।

    অবশ্য, ভয় ছাড়াও বিরক্তি আর অস্বস্তিও হতে পারে অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণ। আপনি শুধু মাকড়শাকে ভয় পেয়ে ওই জায়গা থেকে সরে যান বা মাকড়শাটাকে তাড়িয়ে দেন? এই ভীতির কবলে পড়ে অনেকে নিজের বাসাও ছাড়তে বাধ্য হন কখনো কখনো। মজার ব্যাপার হলো, আজ এই সময়ে এসে ব্যাপারটাকে শুধু একটা ভীতি মনে হলেও এই ভয়ই কিন্তু একটা সময় মানবজাতিকে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। বর্তমানে অনেক মাকড়শার মধ্যেই মানুষকে আক্রান্ত করার মতো বিষাক্ত তরল থাকলেও সেটা মানুষের শরীরে প্রবেশ করানোর মতো ধারালো আর লম্বা হুল থাকে না। পৃথিবীর ৬৩,০০০ প্রজাতির মাকড়শার মধ্যেও শুধু ২ শতাংশই মানুষের জন্য বিষাক্ত।

    ভয় ছাড়াও বিরক্তি আর অস্বস্তিও হতে পারে অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণ
    আর হ্যাঁ, এসব বাদেও আপনার পরিবেশটাও আপনার মধ্যে অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি করতে পারে। বাবা-মা, চারপাশের মানুষ যেটাকে ভয় পাচ্ছে, সেটাকে আপনি কেন ভয় পাবেন না? নিজে নিজেই তাই আগে থেকে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকলেও মানুষ হয়ে পড়তে পারেন এই আদিম ফোবিয়ার ভুক্তভোগী!

    আপনার অ্যারাকনোফোবিয়া আছে কি?

    মাকড়শাকে টুকটাক ভয় পাওয়া কিন্তু যায়ই। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি সেটা। কিন্তু সেই ভয় যে প্রচন্ড ফোবিয়া হয়ে আপনাকে আক্রমণ করেছে, তার লক্ষণ স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব।

    অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি হলে একজন মানুষ এই ভয়কে মোকাবেলা করতে মাকড়শা আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলেন
    শারীরিকভাবে অ্যারাকনোফোবিয়ার ক্ষেত্রে ভয় বৃদ্ধি পেলে আপনি:

    • মাথা ঘোরা
    • হজমে সমস্যা
    • বমিভাব
    • গা ঘেমে যাওয়া
    • হাত-পা কাঁপুনি
    • শ্বাসকষ্ট
    • হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি
    • কান্না

    ইত্যাদি দেখতে পারেন নিজের মধ্যে। শুধু তা-ই না, অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি হলে একজন মানুষ এই ভয়কে মোকাবেলা করতে মাকড়শা আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলেন। কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। সামাজিক নানা ব্যাপার থেকে অনেকটা দূরে চলে যেতে একপ্রকার বাধ্য হন।

    ভয় কমাবেন কীভাবে?

    মাকড়শার প্রতি এই প্রচন্ড ভীতি কমাতে কিছু ব্যাপার খুব ইতিবাচকভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। টুকটাক সমস্যার পাশাপাশি আপনি যদি দেখতে পান অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণে আপনি বাইরে যেতেই ভয় পাচ্ছেন, কাজ করতে পারছেন না, রাতে জেগে থাকছেন বা কিছুক্ষণ পর পর চিন্তায় ডুবে যাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনার উচিৎ হবে-

    ১) চিকিৎসকের সাথে কথা বলা। চিকিৎসকেরা এই ভীতির কারণে কোনো ওষুধ দিতে চান না। তবে কাউন্সেলিং করে ভয়কে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসেন।

    বারবার মাকড়শাকে সামনে থেকে দেখাটাও অ্যারাকনোফোবিয়া কমিয়ে আনে
    ২) অন্য অনেক ফোবিয়ার মতো থেরাপি নেওয়ার মাধ্যমেও ধীরে ধীরে ভয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন আপনি। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি থেরাপি এক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে। বার বার মাকড়শাকে সামনে থেকে দেখাও অ্যারাকনোফোবিয়া কমিয়ে আনে।

    মজার ব্যাপার হলো, স্পাইডারম্যান মুভিও অনেক অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগীকে মাকড়শার ভয় কাটাতে সাহায্য করেছে। তাই আপনার মধ্যে বাস করা মাকড়শাকে নিয়ে ভীতিটা ঠিক কোন উপায়ে চলে যাবে সেটা বলা কঠিন। তবে পুরো ব্যাপারটাই যেহেতু আপনি মাকড়শাকে কেমন চোখে দেখছেন তার উপরে নির্ভর করছে, কাউন্সেলিং বা থেরাপি বা অন্য যেকোনো উপায়ে, সেটাকেই যে আপনার বদলাতে হবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই!

    সিল্কের কথা বললেই একটি উপকথার গল্প চলে আসে মনে। চীনের সম্রাট হুয়াং তাই বা ইয়েলো এমপেরর-এর স্ত্রী সম্রাজ্ঞী লেই জু যখন বাগানে বসে চা পান করছিলেন তখন উপরের তুঁত গাছ থেকে একটি রেশম পোকার কোকুন এসে পড়ে সম্রাজ্ঞীর চায়ের পেয়ালায়। সম্রাজ্ঞী যখন এটি ধরে বের করে আনতে চাইলেন তখনই ঘটলো আসল ঘটনা। যতই টানেন ততই কোকুন থেকে একনাগাড়ে বেরিয়ে আসতে থাকে সুতা।

    ধারণা করা হয়, সম্রাজ্ঞী লেই জু দুর্ঘটনাক্রমে সিল্ক আবিষ্কার করেন

    নব্য প্রস্তর যুগের শেষ দিকের ঘটনা। অন্তত ইতিহাস আর ঐতিহাসিকগণ এমনটাই বলেন। তবে কাহিনীটি সত্য না উপকথা এ নিয়েও মতভেদ আছে। তারপরও চীন সিল্ককে নিজেদের একচেটিয়া অধিকারে রাখে প্রায় তিন হাজার বছর। সেই সিল্ক চীনকে এনে দিয়েছিল অনন্য সম্ভাবনার সুযোগ। যদিও পরে নানাভাবে নানা উপায়ে সিল্ক ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায়।

    সিল্কের কথা সকলেই কমবেশ জানে। প্রাকৃতিক এই সুতাই একমাত্র সুতা যা পুরো কোকুন জুড়েই অবিচ্ছিন্ন থাকে। কোকুনের কথায় চলে আসে রেশম পোকা আর তুঁত গাছের কথা। কারণ রেশম পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়েই একসময় কোকুন তৈরী করে এবং এরপর সেখান থেকেই আসে সিল্ক সুতা।

    সিল্ক মূলত প্রোটিন ভিত্তিক প্রাকৃতিক তন্তু যা বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়ার পর সুতা হিসেবে পাওয়া যায়। তবে শুনে অবাক লাগতে পারে, সিল্কের মতো এমন সুতা মাকড়সা থেকেও পাওয়া যেতে পারে। কিছুটা অবাস্তব আর আষাঢ়ে গল্পের মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটি সত্য যে, মাকড়সা থেকে প্রাপ্ত সুতা স্টিলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়। চলুন জানা যাক মাকড়সার সিল্ক সম্পর্কে দারুণ কিছু তথ্য।

    মাকড়সার সুতাও হতে পারে সিল্কের অন্যতম উৎস

    রেশম পোকা ছাড়াও সিল্ক উৎপাদন করা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সঠিকতা আর পূর্ণাঙ্গতার অভাব রয়ে গেছে এখনও। সব প্রজাতির মাকড়সা থেকে সিল্ক প্রস্তুত করা যাবে এমনটা নয়। বিশেষ প্রজাতির মাকড়সাই এক্ষেত্রে শক্তিশালী সিল্ক তৈরী করতে পারে। মাকড়সার বিশেষত্ব হলো অবিরত সুতা তৈরীর কৌশল ও অসাধারণ জ্যামিতিক জ্ঞান সম্বলিত জাল বোনার ক্ষমতা। এই সূত্রক একইসাথে প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত অন্যান্য ফাইবারের থেকে অনেকগুণ বেশি শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক। এমনকি কেভলার নামক কৃত্রিম সুতা, যা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরীতে কাজে লাগে, তার থেকেও স্পাইডার সিল্ক বেশি দৃঢ়।

    আসুন জানা যাক কীভাবে মাকড়সা জাল বোনার জন্য সুতা তৈরী করে। মাকড়সার সুতা কীভাবে উৎপাদিত হয় সেটি নিয়ে গবেষকগণ অনেক গবেষণা করেছেন এ পর্যন্ত। মূলত মাকড়সার উদরের বিশেষ একপ্রকার গ্রন্থি থেকে এই সুতার জন্ম হয়। মাকড়সা সবসময় কেবল একই ধরনের সুতাই তৈরী করে না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকার সুতা তৈরী করে থাকে। উদরে উৎপন্ন এই সুতা মূলত প্রাথমিকভাবে তরল অবস্থায় থাকে এবং স্পিনারেট নামক অঙ্গাণুর সূক্ষ্ম মুখনলের মধ্যে দিয়ে বের হয়ে আসে।

    স্পিনারেট সাধারণত উদরের পেছনের দিকে অবস্থান করে এবং দেখতে কোণাকার অথবা হাতের আঙুলের মতো। অধিকাংশ মাকড়সার পশ্চাৎদেশে প্রায় দুই জোড়া অর্থাৎ ৪টির মতো (প্রজাতিভেদে ২ থেকে ৮টি পর্যন্ত) স্পিনারেট থাকে। প্রতিটি স্পিনারেটে থাকে স্পিগট নামক অংশ যার মধ্যে দিয়ে এই সূত্রক বের হয়। কিন্তু তরল প্রোটিনের সুতা দিয়ে তো আর জাল বোনা সম্ভব নয়। তাই এদের স্পিনারেটে পরবর্তীতে এমন একটি পালিশ করার ব্যবস্থা থাকে, যার ফলে এই তরল প্রোটিনের আণবিক গঠনের পরিবর্তন ঘটে ও নতুন করে বিন্যস্ত হয়। এই পরিবর্তনের ফলেই বেরিয়ে আসে কঠিন সূত্রক।

    এ অংশে যখন তরল প্রোটিন প্রবেশ করে তখন এ অংশের কোষগুলো প্রোটিন থেকে পানি বের করে ফেলে এবং হাইড্রোজেনকে আলাদা করে ফেলে। ফলে সেটি একপ্রকার অম্লীয় মাধ্যমে পরিণত হয়। এর কারণে তরল প্রোটিন পরিণত হয় কঠিন প্রোটিনে। সাধারণত মাকড়সা নিজেদের আবাসস্থল কিংবা আহারাদির ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে জাল বুনে থাকে। কাজেই এই জাল বা জালের সুতা এমন হতে হবে যেন পোকামাকড় যখন এতে আঘাত করবে তখন সেটা সর্বোচ্চ পরিমাণ আঘাত শোষণ করতে পারে। মূলত প্রকৃতিরই এক বিশেষ আশীর্বাদ বলা যায় একে। আর এই বিশেষ গুণই একে অন্যান্য ফাইবার থেকে আলাদা করেছে।

    পাশাপাশি এর আরো একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর সূক্ষ্মতা। অর্থাৎ অন্যান্য ফাইবারের তুলনায় এটি খুবই সূক্ষ্ম এবং এর ভরও অনেক হালকা। এতটাই হালকা যে পুরো পৃথিবী একবার বেষ্টন করতে মাকড়সার যে একটানা লম্বা সূত্রকের প্রয়োজন হবে তার ভর হবে খুব বেশি হলে মাঝারি আকৃতির একটি সাবান খণ্ডের ভরের সমান!

    প্রাকৃতিক স্পাইডার সিল্ক দিয়ে তৈরী ফেব্রিক

    মাকড়সার সুতা যে শক্তিশালী এবং স্থিতিস্থাপক সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। মুশকিল হচ্ছে এই সুতা আহরণ ও উৎপাদন করার যায় কীভাবে সেটা নিয়ে। সাধারণ রেশম পোকা যেমন আমরা চাষ করতে পারি মাকড়সার চাষ করা আসলে ততটা সহজ নয়। কারণ একে তো সব প্রজাতির মাকড়সাই এই শক্তিশালী সুতা তৈরী করতে পারে না, অন্যদিকে মাকড়সা সবসময় একই প্রকার সুতা প্রদানও করতে পারে না। সবচেয়ে কঠিন সমস্যা এই যে মাকড়সা কলোনিভুক্ত প্রাণী নয়। কাজেই এদের একত্রে চাষ করা অসম্ভব।

    অন্যদিকে গবেষকগণও কৃত্রিমভাবে মাকড়সার সুতা গবেষণাগারে তৈরী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু তরল প্রোটিনকে কঠিন ও দৃঢ় করাটাই এখন তাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এটি মাকড়সার দেহে ঘটে এক বিশেষ প্রক্রিয়ায়। সেটা কৃত্রিমভাবে তৈরী করতে গেলে আমাদের এখনো অনেক গবেষণা করতে হবে এবং অপেক্ষা করতে হবে।

    এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে, আমরা তাহলে স্পাইডার সিল্ক পাবো কীভাবে। কারণ একদিকে মাকড়সা থেকে সবসময় সিল্ক পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, আবার গবেষণাগারে এখনো ঠিক সেভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এটার আসলে এখনই কোনো উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

    দুর্লভ এই সোনালী ফেব্রিক তৈরী করা হয়েছে এক মিলিয়ন মাকড়সার সুতা দিয়ে

    তবু অনেকেই এই মাকড়সার সুতা আহরণে চেষ্টা করেছেন এবং সেই সিল্ক দিয়ে ফেব্রিকও বোনা হয়েছে। ছবিতে যে সোনালী ফেব্রিক দেখানো হয়েছে সেটি প্রস্তুত করতে প্রায় ৭০ জন মানুষের সময় লেগেছে ৪ বছর। এই ফেব্রিক তৈরী করা হয়েছে প্রায় এক মিলিয়ন Golden orb প্রজাতির স্ত্রী মাকড়সা হতে প্রাপ্ত সিল্ক থেকে। ব্যাপারটা মোটেও সহজ ছিল না।

    এই ৭০ জন মানুষ প্রায় ৪ বছর ধরে মাদাগাস্কারের বিভিন্ন এলাকার টেলিফোন পোল থেকে মাকড়সা সংগ্রহ করেছেন এবং আরো প্রায় ১২ জন মানুষ এসব মাকড়সা থেকে আহরণ করেছে সিল্ক। প্রতিটি মাকড়সা থেকে আহরণ করা হয়েছে প্রায় ৮০ ফুটের মতো সুতা যা ব্যবহার করে তৈরী হয়েছে এই ১১ ফুট দৈর্ঘ্য আর ৪ ফুট প্রস্থের ফেব্রিকখানি। মূলত এটিই প্রথম ফেব্রিক যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক মাকড়সার সুতা দিয়ে তৈরী করা হয়েছে।

    এক্ষেত্রে মাকড়সা থেকে সুতা আহরণের যে যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি একসাথে ২৪টি মাকড়সার সুতা আহরণ করতে পারে। মাকড়সার কোনো ক্ষতি না করেই করা হয় এই আহরণ কর্ম। আহরিত সুতা হতে দেখা যায় যে, ১৪ হাজার মাকড়সা থেকে যে পরিমাণ সুতা পাওয়া যায় তার ভর খুব বেশি হলে এক আউন্সের মতোই হবে এবং বয়নকৃত ঐ ফেব্রিকের ভর ছিল প্রায় ২.৬ পাউন্ডের মতো। অর্থাৎ এরা অন্যান্য ফাইবার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হালকা হবে।

    মাকড়সা থেকে যেভাবে সিল্ক আহরণ করা হয়

    কিন্তু এত বিশেষ সব বৈশিষ্ট্য থাকার পরও মাকড়সা চাষ করার কোনো পদ্ধতি আবিষ্কৃত না হওয়ার কারণে কেবল প্রাকৃতিক মাকড়সার উপর নির্ভর করতে হয় আমাদের। আবার প্রাকৃতিক মাকড়সা থেকে একনাগাড়ে সুতা আহরণ করা হলেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সুতা আহরণ করার পর থেকে যে সুতা পাওয়া যায় তা আগের সুতার মতো কঠিন ও স্থিতিস্থাপক থাকে না।

    মাকড়সা আহরণের জন্যও উপযুক্ত মানুষের প্রয়োজন। কারণ মাকড়সার দংশনের ভয়ও থাকে যথেষ্ট। আবার বর্ষার মৌসুম ছাড়া এই বিশেষ প্রজাতির মাকড়সা তাদের বিশেষ ধরনের সিল্ক তৈরী করে না। একবার সিল্ক আহরণ করার পর মাকড়সা প্রায় এক সপ্তাহ সময় নেয় নতুন করে একই প্রকার শক্তিশালী সুতা তৈরী করার জন্য।

    গবেষকগণ তাই অবিরত চেষ্টা করে যাচ্ছেন কীভাবে গবেষণাগারে তৈরী করা যায় স্পাইডার সিল্ক। কিন্তু কিছু সমস্যা থেকেই যায়। কারণ এই সিল্কের প্রকৃত জীন অনুক্রম এখনো পুরোপুরি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে সমর্থ্য হননি। যদি সেটা পাওয়া যায় তবে সেটা অন্যান্য অণুজীবের শরীরে স্থাপন করে হয়তো প্রচুর পরিমাণে সিল্ক পাওয়া সম্ভব হবে যা হবে একই সাথে শক্তিশালী ও সহজলভ্য।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমরা কেন জ্বীন দেখিনা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 7 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কিছু কিছু মাসে 31 দিন থাকে আবার কিছু মাসে 30 দিন থাকে কিন্তু কোন মাসে 28 দিন থাকে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 14 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

অবরোধের সময় আমরা কি কি করতে পারি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    বাংলাদেশে এখন চলছে হরতাল/অবরোধ সিজন। সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছোঁয়া পাচ্ছি তাদের। তবে, শুধু ছোঁয়া পেলেই হবে না। আমাদের নিজেদেরও কিছু দায়িত্ব কর্তব্য আছে। আসুন জেনে নেই কী এই দায়িত্ব কর্তব্যগুলো। ১# বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দুই লিটার পানির বোতল নিয়ে বের হবেন। এক লিটার পানি আপনি নিজে খাবেন বাকি একবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশে এখন চলছে হরতাল/অবরোধ সিজন। সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছোঁয়া পাচ্ছি তাদের। তবে, শুধু ছোঁয়া পেলেই হবে না। আমাদের নিজেদেরও কিছু দায়িত্ব কর্তব্য আছে। আসুন জেনে নেই কী এই দায়িত্ব কর্তব্যগুলো।

    ১#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দুই লিটার পানির বোতল নিয়ে বের হবেন। এক লিটার পানি আপনি নিজে খাবেন বাকি এক লিটার আগুন লাগা বাসকে খাওয়াবেন। চাইলে আপনি এক লিটার না খেয়ে সেটাও বাসকে খাওয়াতে পারেন। কারণ আপনার থেকে তার পানির দরকার বেশি।

    ২#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ফোনের সবধরনের লক আনলক করে বের হবেন। রাস্তায় আপনাকে পুলিশ আটকাবে, আপনি লক খুলবেন, তারপর মোবাইল দেখবে। এতে অনেক সময় লস হবে। লক খোলা থাকলে ওই একই সময়ে ৩টা মোবাইল চেক করতে পারবে।

    ৩#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, কার জন্য যাচ্ছেন, আপনার পরিচয় কী, এগুলো রেকর্ড করে নিয়ে নেবেন। জায়গায় জায়গায় বলার থেকে রেকর্ড চালিয়ে ফেলা উত্তম।

    ৪#

    অবরোধ ঠিকঠাকভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য একটু পর পর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঢুঁ মেরে আসবেন। তারপর এসে ফেসবুকে পোস্ট করে জানাবেন, ‘জিগাতলায় অবরোধ নেই, আপনার এলাকার কী খবর?’

    ৫#

    আগেই ৪টা/৫টা ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দৌড়ে আসবেন। কারণ বাইরে বের হলে কখন কোন দলের ধাওয়া পালটা ধাওয়া শুরু হয়ে যায় বলা যায় না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 57 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ঘূর্ণিঝড়ের হরেক নামকরণ করা হয় কেনো?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মনে আছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ এর তাণ্ডবের কথা? ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ আঘাত হানে। সরকারি হিসেবে প্রায় ছয় হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটায় খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতায় আঘাত হানা প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়। এরপর গত ১৩ বছরে প্রায় ৬২টি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরবিস্তারিত পড়ুন

    মনে আছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ এর তাণ্ডবের কথা? ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ আঘাত হানে। সরকারি হিসেবে প্রায় ছয় হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটায় খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতায় আঘাত হানা প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়। এরপর গত ১৩ বছরে প্রায় ৬২টি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এদের প্রত্যেকের একেকটি নির্দিষ্ট নাম ছিল।

    নামকরণের ভাবনা কেন?

    ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের চর্চা কয়েকশো বছর আগেই শুরু হয়। নামকরণের কারণ হিসেবে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ওয়েবসাইট বলছে, নামকরণের ফলে ঝড়গুলো দ্রুত শনাক্ত করে সে অনুযায়ী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হয়। তাছাড়া, সবরকম ব্যবস্থাতেই সংখ্যা অথবা প্রযুক্তিগত শর্তের চেয়ে নাম মনে রাখাটাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। অনেকেই সম্মত হন যে, ঝড়ের সাথে নাম যুক্ত করায় ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের পক্ষে প্রতিবেদন করা আরও সহজ করে দেয়, সতর্কতার প্রতি আগ্রহ বাড়ায় এবং সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এটা বেশ সহায়ক।


    সাইক্লোন সিডর; Image Courtesy: Wikimedia Commons
     

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম সময়ে দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত ও স্বতন্ত্র প্রদত্ত নামগুলোর ব্যবহার পুরোনো জটিল অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ শনাক্তকরণ পদ্ধতির তুলনায় অনেকাংশেই সুবিধা দেয়। এই সুবিধাগুলো বিশেষত কয়েক শতাধিক বিস্তৃত স্টেশন, উপকূলীয় ঘাঁটি এবং সমুদ্রের জাহাজগুলোর মধ্যে বিশদ ঝড়ের তথ্য বিনিময় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, ঝড়ের নাম দেওয়া থাকলে কাছাকাছি সময়ে সৃষ্টি হওয়া একের অধিক ঝড়ের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ঝামেলা পোহাতে হয় না।

    নামকরণের ইতিহাস

    শুরুতে ঝড়ের নাম রাখায় কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হতো না। তারপরে গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ঝড়ের জন্য নারীসূচক নাম ব্যবহারের অনুশীলন শুরু হয়েছিল। ইভান রে টানেহিল তার লেখা বই দ্য হারিকেনে অস্ট্রেলিয়ান আবহাওয়াবিদ ক্লিমেন্ট রেগের নাম উল্লেখ করেন, যিনি ঊনিশ শতকের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ব্যক্তিবিশেষের নাম দেয়া শুরু করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের জন্য তিনি গ্রিক বর্ণমালা, গ্রিক এবং রোমান পৌরাণিক তত্ত্ব ও নারীসূচক নাম ব্যবহার করতেন।

    ১৯৭৭ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা হারিকেন (আটলান্টিক মহাসাগর এলাকা তথা আমেরিকার আশেপাশে ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ যখন ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটারের বেশি হয়, তখন জনগণকে এর ভয়াবহতা বোঝাতে ‘হারিকেন’ নামে অভিহিত করা হয়) কমিটি গঠন করে। এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয় ১৯৭৮ সালের মে মাসে। বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের দায়িত্ব পায় এই কমিটি।

    ১৯৭৮ সাল থেকে এই কমিটির সিদ্ধান্তে পূর্ব-উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঝড়ের তালিকায় মতো নারীদের পাশাপাশি পুরুষদের নাম ব্যবহার শুরু হয়। পরের বছর মেক্সিকো এবং আটলান্টিক উপসাগরীয় অঞ্চলেও পুরুষদের নাম ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়। বর্তমানে বার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বিশ্বব্যাপী পাঁচটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় আঞ্চলিক সংস্থা বা প্যানেল কর্তৃক ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ব জুড়ে ঘূর্ণিঝড় নামকরণে দশটি আলাদা অঞ্চলে বিভক্ত রয়েছে:

    ১. ক্যারিবিয়ান সাগর, মেক্সিকো উপসাগর এবং উত্তর আটলান্টিক
    ২. পূর্ব-উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর
    ৩. মধ্য-উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর
    ৪. পশ্চিম-উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন
    ৫. অস্ট্রেলিয়ান ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা কেন্দ্রের আওতাভুক্ত
    ৬. আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র নাদি’র আওতাভুক্ত, ওয়েলিংটন
    ৭. মরেসবি বন্দর ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা কেন্দ্রের আওতাভুক্ত, পাপুয়া নিউগিনি
    ৮. জাকার্তার ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা কেন্দ্রের আওতাভুক্ত
    ৯. উত্তর ভারত মহাসাগরের আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগর
    ১০. দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগর

    উপমহাদেশে নামকরণ

    ভারতীয় উপমহাদেশ ও এর আশপাশের অঞ্চলগুলোয় সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয় বঙ্গোপসাগর থেকে। এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রচলন শুরু হয় ২০০৪ সালে।

    ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি আঞ্চলিক সংস্থা বা প্যানেলের একটি হচ্ছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা- জাতিসংঘ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন। ২০০০ সালে ওমানে এই প্যানেলের ২৭তম বৈঠকে আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়। ২০০৪ সালে আটটি সদস্য দেশের (বাংলাদেশ,  ভারত, মালদ্বীপ,  মায়ানমার,  ওমান, পাকিস্তান,  শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড) প্যানেলের মাধ্যমে নামকরণ শুরু হয়।


    ২০০৪ সালের নামের তালিকা; Courtesy : WMO 

    সে সময় আটটি দেশ থেকে আটটি করে মোট ৬৪টি নামের তালিকা করা হয়। বাংলাদেশ যে আটটি নাম দিয়েছিল, সেগুলো হচ্ছে অনিল, অগ্নি,  নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি ও ফণী। পরবর্তী সময়ে আরও পাঁচটি দেশ এই প্যানেলের সদস্য হয়। এগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান ও ইয়েমেন। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে প্রথম নামকরণকৃত ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। সিডর নামে আঘাত হানা প্রলয়কারী সেই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।

    নামকরণের বিষয়টি সমন্বয় করে ভারতের দিল্লির ‘রিজিওনাল স্পেশালাইজড মেটেরিওলজিক্যাল সেন্টার’ (আরএসএমসি)। আরএসএমসি তার সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে নামের তালিকা চেয়ে থাকে। তালিকা পেলে দীর্ঘ সময় যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার কাছে পাঠানো হয় অনুমোদনের জন্য। এই প্যানেলের নামকরণে বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করা হয়। প্যানেল সদস্যদের তালিকা হয় ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে।

    এজন্য বাংলাদেশ এই তালিকায় প্রথমে আছে। প্রত্যেক দেশ থেকে নামের তালিকা থেকে একটি করে নাম নিয়ে কলাম তৈরি করা হয়। নামকরণ করা শুরু হয় এই কলামে থাকা ওপরের নামটি দিয়ে। এভাবে একটি কলাম শেষ হলে পরের কলাম থেকে নামকরণ করা হয়। একটি নাম শুধুমাত্র একবারই ব্যবহার করা যায়। দক্ষিণ চীন সমুদ্র থেকে যদি কোনো গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় হিসাবে বঙ্গোপসাগরে আসে, তবে আগে থেকে নাম দেয়া থাকলে নতুন করে আর নামকরণ করা হয় না।

    নতুন ১৬৯ নাম

    ২০০৪ সালে ৬৪টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা করার পর এখন পর্যন্ত আর তালিকা করার প্রয়োজন পড়েনি। তালিকার সর্বশেষে থাকা থাইল্যান্ডের দেওয়া নাম ‘আম্ফান’ ২০২০ সালের মে মাসের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে মায়ানমার ও বাংলাদেশের কক্সবাজার–চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে আঘাত হানতে পারে। তালিকায় নাম শেষ হয়ে যাওয়ায় গত এপ্রিলে সদস্য ১৩টি দেশ থেকে ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নতুন নামের তালিকা করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।


    নতুন নামের তালিকা; Courtesy: WMO 

    বাংলাদেশ যে ১৩ টি নাম দিয়েছে, সেগুলো হলো নিসর্গ, বিপর্যয়, অর্ণব, উপকূল, বর্ষণ, রজনী, নিশীথ, ঊর্মি, মেঘলা, সমীরণ, প্রতিকূল, সরোবর ও মহানিশা। আম্ফানের পর বাংলাদেশের দেওয়া নাম ‘নিসর্গ’ই হবে পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 87 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোনসব পেশার মানুষ পরকীয়ায় বেশি লিপ্ত হন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 12 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

২১ শতকে টিকে থাকলত হলে আপনার কেমন দক্ষতা থাকা প্রয়োজন ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    “ভবিষ্যতে রোবটরা আপনার চাকরিকে নিয়ে নেবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আপনার মস্তিষ্ককে হ্যাক করে ফেলবে- এবং এই ভবিষ্যতটাও খুব দূরে নয়”, বিখ্যাত ঐতিহাসিক এবং লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারি এমনটাই বলছেন তার নতুন বই ‘টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’-তে। কিন্তু আপনি কেন তাকে বিশ্বাস করবেন? কারবিস্তারিত পড়ুন

    “ভবিষ্যতে রোবটরা আপনার চাকরিকে নিয়ে নেবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আপনার মস্তিষ্ককে হ্যাক করে ফেলবে- এবং এই ভবিষ্যতটাও খুব দূরে নয়”, বিখ্যাত ঐতিহাসিক এবং লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারি এমনটাই বলছেন তার নতুন বই ‘টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’-তে।

    কিন্তু আপনি কেন তাকে বিশ্বাস করবেন? কারণ তিনি তার পুরো ক্যারিয়ারই গড়ে তুলেছেন ইতিহাসকে পড়ে, মানুষ নিয়ে গবেষণা করে। হিব্রু ইউনিভার্সিটি অফ জেরুজালেমের এই ইতিহাসের প্রফেসর ইতোমধ্যে তিন-তিনটি আন্তর্জাতিক বেস্টসেলার বই লিখে ফেলেছেন শুধু মানুষকে নিয়েই। তিনি তার প্রথম বই ‘সেপিয়েন্স’-এ দুনিয়া কাঁপিয়েছেন মানবজাতির ইতিহাসকে সহজ ভাষায় লিপিবদ্ধ করে, তার পরের বই ‘হোমো ডিউস’-এ তিনি লিখেছেন আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে, এবং তার এই বইটি কথা বলছে বর্তমান নিয়ে, কী হচ্ছে এই বর্তমানে এবং তা আমাদের জন্য কী অর্থ বহন করে।

    তার মতে, প্রযুক্তির নতুনত্ত্ব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এতটাই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে যে, এর দূরপাল্লার ফলাফল কেমন হতে পারে সেই সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই নেই। (১৫ বছর আগে ফেসবুক বলে কিছু ছিলই না, সেই ফেসবুকই এখন সরাসরি প্রভাব ফেলেছে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে, ঘটিয়ে ফেলছে আরব বসন্তের মতো ঐতিহাসিক বিপ্লব। ভেবে দেখুন, আরও ১৫ বছর পরে এই ফেসবুকের প্রভাব কোথায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।) তিনি বলছেন, অটোমেশনের মুখে আমরা আমাদের বর্তমান চাকরিকে একসময় হারিয়ে ফেলবো। তারপর যে চাকরিই নেই না কেন, অটোমেশন সেই চাকরি একসময় কেড়ে নিবেই। একসময় আমাদের জীবনের সম্পূর্ণটাই নিয়ন্ত্রণ করবে অ্যালগরিদম, আমাদের নিজস্ব ব্যক্তিত্ব বা সত্ত্বাই হারিয়ে যাবে।

    আর এসব হুমকির মুখে আমাদের কী কী দক্ষতা প্রয়োজন? দরকার এমন মানসিক নমনীয়তা এবং সংস্কারহীনতা, যাতে প্রতি দশকে আমরা নতুন করে আবিষ্কার করতে পারি নিজেদেরকে। আরও দরকার নিজেকে এমনভাবে জানা যে, প্রযুক্তি আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারে।

    লেখক ও ঐতিহাসিক ইউভাল নোয়াহ হারারি
    এসব নিয়েই ইউভাল নোয়াহ হারারি কথা বলেছিলেন ‘জিকিউ’ ম্যাগাজিনকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে।

    আপনার লেখায় আপনি বলছেন, বর্তমান পৃথিবীর ভবিষ্যত সম্পর্কে একমাত্র নিশ্চিত ব্যাপার হচ্ছে এটি অনিশ্চিত। এই অনিশ্চয়তার প্রভাব আমাদের উপর কেমন হতে পারে?

    আপনি যদি খুব বেশি বৃদ্ধ না হয়ে থাকেন, এটা খুবই সম্ভাব্য যে আপনার পরবর্তী দশকগুলোতে নিজেকে বারবার নতুন করে আবিষ্কার করতে হবে, পেশা পরিবর্তন করতে হবে বেশ কয়েকবার।

    অনেকে ভাবেন, দুনিয়া হয়তো একবারই পরিবর্তন হবে, বড়সড় বিপ্লব হয়ে যাবে কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে। ধরুন, সেটা ২০২৫, যেখানে আমরা দেখবো রোবটরা আমাদের ৬০% চাকরি নিয়ে নিয়েছে। তারপর কয়েকবছর আমাদের একটু কষ্ট করতে হবে, তারপর দেখবো আবার নতুন নতুন চাকরি তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে, একসময় অর্থনীতি একটি নতুন ধরনের সাম্যাবস্থায় চলে আসবে।

    কিন্তু এই চিন্তার সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হচ্ছে, এখানে ধরে নেয়া হচ্ছে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তার সর্বোচ্চ ক্ষমতায় পৌঁছে যাবে ২০২৫ এই। তারপরও যে পরিবর্তন হতে পারে, সেটা ভাবা হচ্ছে না। হ্যাঁ, ২০২৫ সালে গিয়ে আমরা দেখবো অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ২০৩৫ সালের পরিবর্তন হবে তার থেকেও বড়, ২০৪৫ সালেরটা তার থেকেও, আর মানুষকে এই প্রত্যেকটি পরিবর্তনের সাথে নিজেকে সমন্বিত করে নিতে হবে।

    রোবটদের হাতে চলে যেতে পারে আমাদের চাকরিগুলো
    একে মোকাবেলা করা জন্য আপনি কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?

    ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে আসলে এ ধরনের সমস্যার সামনে আমাদের ক্ষমতা খুবই সীমিত। আপনি যদি অনেক বিত্তবান হন, তখন হয়তো আপনার এসব সমস্যার প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে অনেক পুঁজি আছে, সম্পদ আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আসলে এক্ষেত্রে অনেক সাহায্যের দরকার। আমার মনে হয় এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে হচ্ছে পর্যাপ্ত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং মানসিক ভারসাম্য, কারণ সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো এক্ষেত্রে হবে মনস্তাত্ত্বিক।

    রোবটদের কাছে চাকরি হারিয়ে আপনি যদি নতুন চাকরিও পান, কিংবা সরকারই আপনাকে ভরণপোষণ করে, তখনও এ ধরনের পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে আপনার প্রচুর মানসিক শক্তি থাকতে হবে। কৈশোরে বা তারুণ্যে পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা ভালো থাকে। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর, অর্থাৎ যখন আপনার বয়স ৪০ বা ৫০, তখন কিন্তু পরিবর্তন আপনার জন্য বেশ পীড়াদায়ক হবে। এ সময় আপনার মানসিক শক্তি যদি সাথে থাকে, তবেই আপনি পারবেন ৩০, ৪০ বা ৫০ বছর বয়স পেরোবার সময় প্রতিবারই নতুন একটি পৃথিবীর মুখোমুখি হতে। এখন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ আসলে কোনো নির্দিষ্ট দক্ষতা নয়, কম্পিউটার কোডিং পারা বা ম্যান্দারিন ভাষায় দক্ষ হওয়ার চেয়ে মানসিকভাবে নমনীয় হওয়া এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে পরিবর্তনের প্রতি স্বচ্ছন্দ করে তোলা অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখন।

    কিন্তু এরকম মনস্তত্ত্ব একজন মানুষ কীভাবে তৈরি করতে পারেন?

    আমি ধ্যান করি, বিপাস্যনা (একধরনের বৌদ্ধিক ধ্যান) করি। আমি প্রতিদিন দু’ঘণ্টা করে ধ্যান করে থাকি। আমি প্রায়ই প্রশান্তির জন্য নিভৃতে চলে যাই, প্রতি বছরে ৬০ দিন আমার ধরা থাকে এর জন্য। আমার জন্য এ ব্যাপারটি কাজ করে। তবে আমার জন্য কাজ করে বলেই সবার জন্য কাজ করবে ব্যাপারটি সেরকম নয়। একেকজনের জন্য কার্যকরী হবে একেকটি প্রক্রিয়া। কেউ কেউ থেরাপি নেন, কেউ শিল্পে মনোনিবেশ করেন, কেউ খেলাধুলায়। এমনও হতে পারে আপনি এক সপ্তাহ পাহাড়ে হাইকিং করলেন এবং এতেই মনে হলো আপনার মন অনেক নমনীয় হয়েছে আগের থেকে। সুতরাং এই ব্যাপারটি পুরোই ব্যক্তিসাপেক্ষ, আমার মনে হয় না সার্বজনীন কোনো উত্তর আছে এখানে।

    মেডিটেশন আপনার মনস্তত্ত্বকে নমনীয় করে তুলতে পারে
    তবে আমাদের সবসময়ই এগুলোর মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিজেদের কাছে পরিষ্কার থাকতে হবে- আমরা আমাদেরকে নিজেদেরকে আরো ভালো করে জানার চেষ্টা করছি এবং মানসিক নমনীয়তা অর্জনের চেষ্টা করছি। এটা আমাদের কোনো শখ হিসেবে না, জীবনের অন্যতম একটি মূল কাজ হিসেবেই করা উচিত। আগামী দশকগুলোতে এই দক্ষতাই আপনার জন্য হবে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

    এখানে একটি বাস্তবিক উদাহরণ আমি যদি না দেই তবে এই কথাগুলো শুনতে খুব বেশি তাত্ত্বিক শোনাতে পারে। ধরুন, আপনি একটি ব্যাংকে কাজ করেন এবং বেশ সফল ক্যারিয়ারও গড়ে ফেলেছেন আপনি ইতোমধ্যে। কিন্তু আজ থেকে ১০ বছর পর আপনি দেখলেন আপনার কাজগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আপনার থেকে বেশি পাকা হয়ে গিয়েছে। আপনি স্টক এক্সচেঞ্জের হিসাব নিকাশ করতেন, কিন্তু অ্যালগরিদম সেই হিসাব এখনো আরো নিখুঁতভাবে কম সময়ে করতে পারে এবং তাকে কোনো বেতনও দেয়া লাগে না। সুতরাং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাার কাছে আপনি আপনার চাকরি হারিয়ে ফেললেন। তখন আপনার অন্য কোনো চাকরিতে যেতে গেলে গত ১০ বছরে যা কিছু অর্জন করেছেন সব ভুলে গিয়ে নতুন করে অনেক কিছু শিখতে হবে। শুধু দক্ষতার দিক দিয়েই না, আপনাকে পিছনে ফিরে যেতে হবে আরো অনেক অনেক দিক থেকে। এমন অবস্থাও দাঁড়াতে পারে যে আপনি যা শিখেছেন এবং অর্জন করেছেন তা ত্যাগ করলেও হচ্ছে না, আপনার নিজের প্রতি নিজের যে ধারণা ছিল, তাও বদলাতে হচ্ছে। আপনি তখন আর জানেন না আপনি আসলে কী করেন, সমাজে আপনার পরিচয় কী। তাই এসব পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য আপনার প্রচুর মানসিক নমনীয়তা এবং ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স দরকার।

    আপনার ব্যাংকের হিসাবনিকাশের কাজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আরো নিখুঁতভাবে করতে পারবে
    আপনার কাজ প্রযুক্তির সাথে আপনার সম্পর্ককে কীভাবে পরিবর্তিত করেছে?

    আমি কোনো স্মার্টফোন ব্যবহার করি না। আমার মনোযোগ আমার কাছে আমার অন্যতম বড় একটি সম্পদ এবং সেই মনোযোগকে আমার নিজের নিয়ন্ত্রণ থেকে কেড়ে নেবার জন্য এই স্মার্টফোনটি সবসময় মুখিয়ে থাকে। সবসময়ই সেখানে নতুন কিছু না কিছু আসছে।

    আমি প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি আমি নিজে ঠিক করছি নাকি প্রযুক্তিই ঠিক করে দিচ্ছে সে ব্যাপারটি সবসময় খেয়াল করি। প্রযুক্তি কিন্তু প্রায়ই ঠিক করে দেয় আমরা কী উদ্দেশ্যে তাকে ব্যবহার করছি। ধরুন, আপনার একটু অবসর আছে, ইউটিউব খুললেন, দু’ঘন্টা পর দেখা যাবে আপনি এখনো ইউটিউবেই পড়ে আছেন, দেখছেন ফানি ভিডিও বা গাড়ির এক্সিডেন্ট বা এ ধরনের কিছু। আপনি কিন্তু কখনোই সিদ্ধান্ত নেননি যে পরবর্তী দু’ঘন্টা আপনি এসব ভিডিও দেখে কাটাবেন, প্রযুক্তিই আপনার হয়ে সে সিদ্ধান্ত নিয়ে দিয়েছে। আপনার মনোযোগকে তারা এত নিপুণভাবে কেড়ে নিয়েছে যে আপনি টেরই পাননি।

    এই মনোযোগ কেড়ে নেয়া প্রযুক্তি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখাটা আপনার জীবনমানকে কীভাবে বদলে দিয়েছে?

    আমার জীবনে এখন অনেক সময়। এবং সেই সময়টা শান্তিপূর্ণও বটে। আসলে এটা তো গোপন কোনো ব্যাপার নয়। প্রযুক্তি তো কোনো শান্তিপূর্ণ আবেগ দিয়ে আপনার মনোযোগ কাড়তে পারবে না, তারা এটা করবে আপনাকে উত্তেজিত করে, আপনার মনে ভয়, ঘৃণা বা ক্রোধের উদ্রেক করার মাধ্যমে, কিংবা আপনার লোভকে ইন্ধন দেবার মাধ্যমে। ধরুন, কেউ যদি ইমিগ্র্যান্টদের মনে মনে ভয় পায় বা ঘৃণা করে, প্রযুক্তির অ্যালগরিদম ইমিগ্র্যান্টদের নেতিবাচক দিক নিয়ে একের পর এক ভিডিও দেখাতে থাকবে। আবার, কেউ ধরুন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একদমই পছন্দ করে না, তারা প্রযুক্তির বশবর্তী হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ট্রাম্পের খারাপ কাজের ভিডিও দেখবে এবং তার ক্রোধ বাড়তেই থাকবে, বাড়তেই থাকবে। এবং এই খবরগুলো যে সত্য হওয়া লাগবে এমনও না- একজন যদি হেডলাইন দেখে যে “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন পৃথিবী সমতল”, তারা সেই নিউজে বা ভিডিওতে ক্লিক করবেই।

    এসব আপনার মনোযোগ কেড়ে নিতে বাধ্য, কারণ মানুষ হিসেবে এখানেই আপনার দুর্বলতা। কিন্তু আপনি যদি আপনার দুর্বলতার কাছে হেরে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা এগুলোই পড়ে বা দেখে কাটিয়ে দেন তবে প্রকৃতপক্ষে আপনি নিজেই নিজেকে রাগান্বিত এবং ঘৃণাপূর্ণ করে তুলছেন। আর এই ব্যাপারটা আরো ভয়ংকর হয় তখনই যখন আপনি যেসব ভিডিও দেখছেন বা খবর পড়ছেন এগুলো যদি বেশিরভাগই সত্য না হয়। কিন্তু এটাই বাস্তবতা, সামাজিক মাধ্যমে যেসব খবর আপনি পাচ্ছেন তার অনেকটুকুই সত্য নয়, বানোয়াট। অথচ আপনি শুধু শুধুই কয়েক ঘন্টা ধরে নিজের মাঝে ঘৃণা এবং রাগের উদ্রেক করেছেন।

    লোভের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একইরকম। আপনি যদি খুব করে একটা কিছু চান, একটি আলিশান বাড়ি বা সুন্দর গাড়ি, তখন আপনি এগুলো নিয়ে বানানো ভিডিও দেখবেন এবং সেগুলোকে আরো বেশি করে চাবেন। কিন্তু আপনার যেহেতু সেসব থাকবে না, আপনার নিজেকে নিয়ে হীনম্মন্যতা আরো বাড়তে থাকে যে আপনার এরকম বাড়ি নেই, এরকম গাড়ি নেই। সুতরাং দেখা যাবে আপনি আপনার লোভকে এক ঘন্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে আরো বাড়ালেন, যে ব্যাপারটি আপনার জন্য মোটেও ভালো হলো না।

    আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে স্মার্টফোন
    আপনি নিজেকে যতটা ভালো করে জানবেন, প্রযুক্তির এই ভয়াল থাবা থেকে নিজেকে ততটা নিরাপদ রাখতে পারবেন আপনি। আপনি যদি জানেন যে আপনার কী কী দুর্বলতা আছে, কী কী লোভ আছে, এই রাগ ঘৃণা লোভের বশবর্তী অবশ্যই তুলনামূলকভাবে কম হবেন আপনি। অ্যালকোহলিক বা ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে যেমন নেশামুক্ত হবার প্রথম ধাপ হচ্ছে নিজের কাছে স্বীকার করা যে, “আমি ধূমপায়ী বা অ্যালকোহলিক এবং এটা আমার জন্য খারাপ”, এ ব্যাপারটিও অনেক তেমনই।

    তাহলে আপনি খবর পান কোথা থেকে?

    প্রতিদিনের নিউজ আমি খুব কমই অনুসরণ করি। আমি বরং নিজেদের পছন্দের জায়গাগুলো নিয়ে বড় বড় বই পড়ে থাকি। চীনা অর্থনীতি সম্পর্কে ১০০টা ছোট ছোট খবর পড়ার থেকে আমার কাছে চীনা অর্থনীতি সম্পর্কে লেখা একটি বড় বই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলাকে বেশি ভালো মনে হয়। সেক্ষেত্রে আমি হয়তো প্রতিদিনের খবরে থাকা অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ডিটেইল মিস করবো, কিন্তু আমি তো কোনো রাজনীতিবিদ নই, সাংবাদিকও নই, তাই অতটুকু মিস করাটা আমার কাছে তেমন বড় সমস্যা বলে মনে হয় না।

    কিন্তু আমরা কেন আমাদের নিজেদেরকে পরিবর্তন করতে এতটা অপারগ বলে আপনি মনে করেন? প্রশ্নটা করতে গিয়ে সম্প্রতি গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে প্রকাশিত হওয়া নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিনের একটি ইস্যুর কথা মনে পড়লো আমার। ১৯৮০ সালেই আমরা জানতাম আজকে পৃথিবী এই অবস্থায় আসবে, কিন্তু আমরা কোনো পদক্ষেপ নেইনি, আজ আমরাই ভুক্তভোগী হচ্ছি। আমার কাছে বর্তমান সময়টাও অনেকটা একই বলে মনে হচ্ছে, আমরা জানি প্রযুক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের জন্য অনেক সমস্যা নিয়ে আসবে, তারপরও আমরা এর থেকে নিজেদের নিরস্ত করতে পারছি না।

    একটা কারণ হচ্ছে আর্টিফিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাঝে লুকিয়ে থাকা অনেক অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা। যদি পুরো ব্যাপারটাই খারাপ হতো, তবে তো আর এর উপর গবেষণার পেছনে এত এত বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হতো না। সত্য ঘটনা হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন আমাদের মানবজাতিকে বেকার করে দিতে পারে, উদ্দেশ্যহীন করে দিতে পারে, তেমনি অনেক সুবিধাজনক ব্যাপারও নিয়ে আসতে পারে।

    যেমন ধরুন, সেলফ ড্রাইভিং গাড়ির কথা। এ ব্যাপারটি কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। বর্তমানে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং এগুলোর প্রায় পুরোটাই মানবিক ভুলের কারণে, যেসব ভুল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা করবে না। তাই এই যে লক্ষ প্রাণ বাঁচানোর সুযোগ, এ ব্যাপারটা সুন্দর। কিন্তু এটা করতে গেলে আপনার মানুষের আচার-আচরণ এবং আবেগকে হ্যাক করতে হবে। রাস্তার মাথায় নব্বই ডিগ্রি বাঁক নিতে অ্যালগরিদম সহজেই পারবে, সেটা তেমন কঠিন কিছু নয়। কিন্তু একটা বাচ্চা যদি কোনো বল ধরার জন্য হঠাৎ গাড়ির সামনে লাফ দেয়, সেক্ষেত্রে বাচ্চাটাকে বাঁচাবে কোন অ্যালগরিদম?

    সুতরাং সেলফ ড্রাইভিং গাড়ির আইডিয়াকে সম্পূর্ণ বাস্তব করতে হলে আমাদের এমন গাড়ি তৈরি করতে হবে যা একটা বাচ্চার অনুভূতি, চিন্তা-ভাবনাকে বুঝতে পারে। অর্থাৎ মানুষের আচরণকে, তার কাজকর্মের প্যাটার্নকে হ্যাক করতে হবে, তাই না? সোশ্যাল মিডিয়াই বর্তমানে এই প্রযুক্তির উদাহরণ, যেখানে তারা আমাদের আবেগকে হ্যাক করে ঘন্টার পর ঘন্টা আমাদের বসিয়ে রাখতে পারে তাদের সামনে। সুতরাং যেই প্রযুক্তি আমাদের মনোযোগকে কেড়ে নিয়ে আমাদের জীবনকে অসুখী করে তুলছে, যে প্রযুক্তিই আবার বছরে লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচাতে পারে। তাই “শুধু সমস্যাই আসবে” এরকমটা এত সহজে বলা যায় না।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আশীর্বাদ হতে পারে সেলফ ড্রাইভিং গাড়ি
    হ্যাঁ, মুদ্রার তো দুটি পিঠ থাকবেই। আচ্ছা ভবিষ্যত প্রযুক্তির শুধু ভালোগুলোকে গ্রহণ করে খারাপগুলোকে প্রতিহত করে রাখার কি কোনো উপায় আছে?

    আশা করি কার্যকর সরকারী আইন, মানুষের নিজেকে জানা, যারা অ্যালগরিদম তৈরি করছে তাদের অভিপ্রায়গুলো ঠিক থাকা, এগুলো সব মিলিয়েই ভবিষ্যত হয়তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যারা প্রযুক্তিতে কাজ করছে- প্রকৌশলীরা, বিজ্ঞানীরা- তাদের কারোরই আসলে অভিপ্রায় খারাপ নয়। হয়তো কারো কারো খারাপ থাকতে পারে, কিন্তু কেউই তো আর মানবজাতির ধ্বংস ডেকে আনতে চাচ্ছে না। কিন্তু সত্য ঘটনা হচ্ছে, বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলীরা প্রযুক্তি তৈরি করতে পটু হলেও সম্পূর্ণ মানবজাতির জন্য তাদের কাজের ফলাফল কী হতে পারে, তা বুঝতে খুবই অপটু। সুতরাং আমরা যদি প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য কেমন ভবিষ্যত আনতে পারে, তা নিয়ে আরো কথা বলি, সচেতনতা তৈরি করি, এই প্রযুক্তিগত উন্নতিকে আমরা ঠিকঠাক দিকে হয়তো রাখতে পারবো।

    আমার কাছে আমার বইটি কিন্তু কোনো ভবিষ্যদ্বাণীর বই নয় যে, হ্যাঁ, আমাদের ধ্বংস আসছেই এবং এখানে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। যদি কিছুই করার না থাকে, তবে এই বই লেখারই তো কোনো সার্থকতা নেই। আমার আইডিয়াটা হচ্ছে মানুষকে জানানো, এসব নিয়ে কথা বলতে শেখানো। প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চাকরির বাজারকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, আমাদের মনস্তত্ত্বের উপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, আমাদের সম্পর্কগুলোকে কীভাবে বদলে দিতে পারে- এসব নিয়ে অবশ্যই আমাদেরকে কথা বলতে হবে। যেমন আমেরিকায় মিডটার্ম ইলেকশন হবে কিছুদিনের মধ্যেই, আপনি যদি এমন কাউকে দেখেন যে কংগ্রেসের জন্য নির্বাচিত হতে চাচ্ছে, অবশ্যই তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জব মার্কেটের উপর কী প্রভাব ফেলতে পারে বলে আপনি মনে করেন? প্রযুক্তির তৈরি জগত শিশুদের মনস্তত্ত্বকে কীভাবে বদলে দিচ্ছে বলে আপনি মনে করেন? আপনাকে যদি আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করি, এগুলোর জন্য আপনি কী কী পদক্ষেপ নিবেন?”

    আপনার “সেপিয়েন্স” বইটাতে আপনি একটি আইডিয়া দিয়েছিলেন যে আমরা মানুষেরা আমাদের প্রয়োজনে সংঘবদ্ধভাবে অনেক কল্পনাপ্রসূত গল্পে বিশ্বাস করে আসছি, এই বইটিতেও সে কথা এসেছে। বর্তমান সময়ে আমাদের বিশ্বাস করা সবচেয়ে বিপদজনক কল্পনাপ্রসূত গল্প বলে আপনার কোনগুলোকে মনে হয়?  

    এরকম বিপদজনক গল্প এখন আছে দুটো, একটি আরেকটির বিপরীত। একটি হচ্ছে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। সব দেশেই আমরা দেখছি, অতীতকে উপজীব্য করে অনেক অনেক নেতা উঠে আসছেন। তারা ভবিষ্যত নিয়ে কথা না বলে বলছেন অতীত নিয়ে, “আমাকে যদি তোমরা ভোট দাও, আমি তোমাদের দেশে সোনালী যুগ ফিরিয়ে আনবো।” যা অসম্ভব, সব সোনালী যুগই আসলে আমাদের তৈরি ফ্যান্টাসি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলোর অবস্থান একটি নির্দিষ্ট ঘরানার ইতিহাসবিদের বইতে, অথচ আসল চিত্রটা যেখানে পুরোই আলাদা। যেখানে তাদের কথা বলার কথা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে, প্রযুক্তির সামনে আমাদের পদক্ষেপ নিয়ে, সেখানে অতীত নিয়ে কথা বলে তারা ভোট বাগিয়ে নিচ্ছে, আর আমরাও আমাদের নস্টালজিয়ার বশবর্তী হয়ে তাদের বিশ্বাস করছি।

    এটা খুবই বিপদজনক, কারণ নতুন সমস্যাগুলোর সমাধান না ভেবে অতীতকে টেনে আনতে গেলে এই নেতারা সবাই ব্যর্থ হবে। এই নেতারা সেসব ব্যর্থতার ভার কখনোই নিজেরা নিবেন না, অন্যদের উপর দোষ চাপাবেন। কিন্তু প্রযুক্তি এগোতে এগোতে আমরা হঠাৎ ভয়ংকর অর্থনৈতিক ধ্বসের সামনে পড়ব বা সম্পূর্ণ মানবজাতি উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলবে, কিন্তু তখন দেখা যাবে আমরা সেসব সমস্যা নিয়ে ভাবিইনি। ইতিহাসে এরকম হতে আমরা আগেও দেখেছি।

    আরেকটি, এর বিপরীত গল্পটি হচ্ছে, “ভবিষ্যত নিজের থেকেই ভারসাম্যে চলে আসবে। আমাদের শুধু একের পর এক নতুন প্রযুক্তি বানাতে হবে তাতেই আমরা পৃথিবীতে স্বর্গ তৈরি করতে পারবো।” এই গল্পে প্রযুক্তি কীভাবে আমাদের অসুখী করে তুলতে পারে বা চাকরিহারা করতে পারে তা ভাবা হচ্ছে না। আমাদের এসব গল্পের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 62 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,121 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Alice Moto

Alice Moto

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Better display

Better display

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.linkfree7.pages.dev - CLAIM MORE CASH SUPPORT dsz

www.linkfree7.pages.dev - CLAIM MORE CASH SUPPORT dsz

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.linkfree7.pages.dev - REVEAL YOUR MEGA SURPRISE an8

www.linkfree7.pages.dev - REVEAL YOUR MEGA SURPRISE an8

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.linkfree7.pages.dev - GRAB YOUR BONUS SURPRISE z68

www.linkfree7.pages.dev - GRAB YOUR BONUS SURPRISE z68

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন