সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লবণ নিয়ে পৃথিবী জুড়ে কত রকম সংস্কার-কুসংস্কার রয়েছে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    লবণের এক জীবাণুনাশক ধর্ম আছে। অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীই তাদের খাদ্যে প্রয়োজনীয় ‍উপাদান হিসেবে লবণ ব্যবহার করে থাকে। অল্পমাত্রায় হলেও শরীর রক্ষার জন্য এই যৌগিক পদার্থটি গ্রহণ করা আবশ্যক। শারীরবৃত্তীয় কাজে লবণের এই গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতির জন্যই সেই প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে এসেও মানুষের মনবিস্তারিত পড়ুন

    লবণের এক জীবাণুনাশক ধর্ম আছে। অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীই তাদের খাদ্যে প্রয়োজনীয় ‍উপাদান হিসেবে লবণ ব্যবহার করে থাকে। অল্পমাত্রায় হলেও শরীর রক্ষার জন্য এই যৌগিক পদার্থটি গ্রহণ করা আবশ্যক। শারীরবৃত্তীয় কাজে লবণের এই গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতির জন্যই সেই প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে এসেও মানুষের মনে আপনা থেকে লবণ নিয়ে কিছু সংস্কার তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

    বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে লবণের প্রচলন

    প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে মানুষ আনুষ্ঠানিকভাবে লবণ ব্যবহার করতে শুরু করে। হয়তো কিছুটা  প্রতীকী ব্যাপার হিসেবেই এটা চালু হয়েছিল। তখনও লোহা এবং লবণ এই দুটো জিনিসের উৎস সম্পর্কে মানুষের তেমন কোনো ধারণা ছিল না। তারা মনে করতো কোনো আধিদৈবিক, অলৌকিক কারণে এসব উপাদান প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয়েছে। বস্তুত ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো লবণ ছাড়া চলতোই না। এখনো অনেক ধর্মীয় প্রথায় সে সংস্কার মেনে চলা হয়।

    প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে লবণ নিয়ে গড়ে ওঠে নানা সংস্কার
    দেবতাদের সন্তুষ্ট করতে একসময় যেসব প্রাণীকে ‘বলি’ দেওয়া হতো, তাতে নুন মাখিয়ে রাখা হতো। তাদের বিশ্বাস ছিল, এর ফলে সেই মাংস কখনো বাসী হতো না, তাতে পচন ধরতো না। মায়া সভ্যতায় হিংস্র ও বর্বর অ্যাজটেকরা লবণের এক দেবীকে পুজো করতো। খ্রিস্ট ধর্মে ব্যাপটিজম বা দীক্ষার সময় যে পবিত্র জলে গোসল করানো হয়, সেই জলে লবণ মেশানো থাকে। দীক্ষার পর দীক্ষিত ব্যক্তির মুখে লবণ ছোয়ানোর প্রথা রয়েছে।

    বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহ্য অনুসারে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের পর বাড়িতে প্রবেশের পূর্বে কাঁধের উপর দিয়ে লবণ ছিটিয়ে তবেই গৃহে প্রবেশ করতে হয়। কোনো অশুভ আত্মা যাতে তার ওপর ভর করতে না পারে সেজন্যই বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা এই প্রথা মেনে চলেন। শিন্টো মতালম্বীরা তাদের ধর্মীয় কোনো কাজ শুরু করার পূর্বে স্থানটিকে শুদ্ধ করা জন্য লবণপানি ছিটিয়ে দেন।

    বৌদ্ধ ধর্মে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের পর বাড়িতে প্রবেশের পূর্বে কাঁধের উপর দিয়ে লবণ ছিটানো হয়ে থাকে
    ইহুদী উপকথায় লবণের চুক্তিনামার কথা আছে। ঈশ্বর ও ইজরায়েল নামক পবিত্র ভূমির শাশ্বত বন্ধনের কথা নাকি ওই চুক্তিপত্রে বর্ণিত আছে।

    বিভিন্ন সমাজে লবণ নিয়ে যত কুসংস্কার

    বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সমাজের মানুষের মাঝে লবণ নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নানা সংস্কার। অনেক সমাজে বিয়ের সময় কনের পোশাকের পকেটে একটু লবণ রেখে দেওয়ার রীতি আছে। ওই সামান্য লবণ ভবিষ্যতে নাকি বিশাল সৌভাগ্য নিয়ে আসবে বর-কনের দাম্পত্য জীবনে। গুজরাটিরা নববর্ষে কিংবা বিয়ের কেনাকাটার শুরুতে প্রথমে লবণ কিনে থাকেন, যাতে নববর্ষের অনুষ্ঠান বা বিয়ের অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হতে পারে। দক্ষিণ ভারতীয় অনেক হিন্দুর মধ্যে নব বিবাহিত দম্পতিকে বা কোনো নতুন গৃহে প্রবেশের সময় দম্পতিকে লবণ ছিটিয়ে গৃহে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

    নব বিবাহিত দম্পতিকে লবণ ছিটিয়ে গৃহে অভ্যর্থনা জানানো হয়
    জাপানের সুমো কুস্তিগররা কুস্তির খেলার মঞ্চটিকে লবণ ছিটিয়ে শুদ্ধ করে থাকেন। জীবনে সৌভাগ্য আনয়নের জন্য যুবক জেলে বা নাবিকরা তাদের সমুদ্রযাত্রার আগে পকেটে একটু লবণ ছিটিয়ে নিতো। শুধুই যুবক জেলে বা নাবিকদের জীবনেই লবণ সৌভাগ্য আনে না, সদ্যোজাত শিশুর ক্ষেত্রেও লবণের ওরকম প্রভাব আছে বলে ভাবা হতো। কোনো সদ্যোজাত শিশুর ওপর যাতে ডাইনীর প্রভাব না পড়ে, সেজন্য উপহার হিসেবে লবণ দেয়ার প্রচলন ছিল একসময়। পরবর্তীকালে ধনী ব্যক্তিরা অনেকেই লবণের বদলে শিশুকে একটু রুপো উপহার দিতেন। ধারণা ছিল রুপোর মধ্যেও লবণের এই গুণটি আছে; ডাইনীকে দূরে সরিয়ে রাখার গুণ।

    সংস্কার হিসেবে সুমো কুস্তিগিররা খেলার মঞ্চটিকে লবণ ছিটিয়ে শুদ্ধ করে নেন
    জেলেদের মধ্যে কেউ কেউ এখনও মাছ ধরার জালে একটু লবণ ছড়িয়ে দেন। যারা নৌকো তৈরি করেন, তাদের মধ্যেও এ ধরনের একটি প্রথা আছে। নতুন নৌকোর দুটো কাঠের তক্তার মাঝে একটু লবণ ছিটিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে। তাদের অনেকেই জানেন না, কেন তারা এমন করেন। প্রাচীন সংস্কার থেকেই মূলত তারা এটি করে থাকেন। জেলেদের অনেকেই বিশ্বাস করেন, নৌকো, জাল নিরাপদে রাখার জন্য এটি তাদের এক নীরব প্রার্থনা। এই প্রার্থনা শক্তিমান সমুদ্র দেবতার প্রতি। তাকে তুষ্ট করার জন্যই  এভাবে লবণ ছিটিয়ে দেওয়া হয়।

    মিশরীয়রা তপ্ত মরুভূমির ওপর যাত্রার প্রাক্কালে লবণ পুড়িয়ে তা মরুভূমির বালির ওপর ছিটিয়ে দিতেন। প্রাচীনকালে সন্ধি স্থাপনের সময় পূর্বতন দুই বিবদমান পক্ষই একসঙ্গে মুখে একটু লবণ পুরে দিতেন। দুজনের একসঙ্গে লবণ খাওয়ার অর্থই হলো এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বের বন্ধনে বাঁধা পড়া। প্রাচীন জাদুকর ও অ্যালকেমিস্টরা ব্ল্যাক ম্যাজিক, বিভিন্ন ভূতের উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বোতল ভর্তি লবণ ব্যবহার করতেন। তাদের বিশ্বাস লবণ সেই ভূতদের অবসাদগ্রস্ত ও নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

    পাশ্চাত্যে লবণ নিয়ে যত সংস্কার

    পাশ্চাত্যের লোকদের মনেও লবণ নিয়ে নানা সংস্কার আছে। ১৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মিশরে প্রচুর পরিমাণে লবণ উৎপাদিত হতো। প্রাচীন মিশরে রাজ পরিবারের মৃত ব্যক্তিদেরকে মমি তৈরির কাজে লবণ ব্যবহৃত হতো। একসময় লবণ বেশ মূল্যবান দ্রব্য ছিল। মুদ্রা হিসেবে একসময় লবণের ব্যবহার ছিল ব্যাপক। প্রাচীন গ্রিসে দাস বেচাকেনায় লবণকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এমনকি রোমান সৈন্যদের বেতন হিসেবে লবণ প্রদান করা হতো। সেখান থেকেই লবণ নিয়ে এক অদ্ভুত ধারণা তৈরি হয়।

    প্রাচীনকালে রোমান সৈন্যদের বেতন হিসেবে লবণ প্রদানের প্রথা চালু ছিল 
    লবণের অপব্যবহার মানে অমঙ্গলকে ডেকে আনা। হঠাৎ খাওয়ার টেবিলে লবণ পড়ে যাওয়ার অর্থ শয়তান ধারেকাছেই কোথাও আছে। অদৃশ্য বাতাসে ভর করে সে কাছে চলে আসবে, কানে ফিস ফিস করে কু মন্ত্রণা দেবে। অমঙ্গল বা শয়তানের অবস্থান বাঁ কাঁধে। তাই লবণের পাত্র থেকে হঠাৎ লবণ পড়ে গেলে শয়তান যাতে কোনো সুযোগ নিতে না পারে, যাতে সে কাছে ঘেঁষতে না পারে, সেজন্য তার চোখ দুটো অন্ধ করে দেওয়ার জন্য এক চিমটি লবণ ছিটিয়ে দেওয়া হয় বাঁ কাঁধে।

    অশুভকে কাছে ঘেঁষতে না দেওয়ার জন্য বাঁ কাঁধে এক চিমটি লবণ ছিটিয়ে দেওয়া হতো 
    জার্মানি ও স্কটল্যান্ডের কিছু কিছু জায়গায় পশুপালকরা তাদের গৃহপালিত পশু থেকে উৎপাদিত মাখনের কিছু অংশে লবণ মেখে খামারের আশেপাশে ছড়িয়ে দেন। খামারের পশুদের ওপর কোনো অশুভ প্রভাব যাতে না পড়ে এবং মাখন ও দুধের উৎপাদন যাতে ব্যহত না হয় এজন্য খামার মালিকেরা কাজটি করে থাকেন।

    আইরিশদের এবং ইউক্রেনীয়দের বিভন্ন লোকগাঁথা থেকে জানা যায়, অপদেবতার পুজারী, ভয়ঙ্কর জিপসিদের দেখে ভয় পাওয়া বা তাদের দেওয়া কোনো অভিশাপ কাটানোর জন্য জিপসিদের চলে যাওয়ার পর রাস্তায় একটু লবণ ছিটিয়ে দেওয়ার প্রচলন ছিল।

    মিশরে রাজপরিবারের মৃত ব্যক্তিকে মমি করার সময় লবণ পানিতে মৃতদহেকে গোসল করানো হতো
    লবণ নিয়ে এসব সংস্কার বা কুসংস্কার সেই প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলে আসছে, যার কিছু কিছু এখনো বিভিন্ন সমাজে চালু রয়েছে। মানুষের এসব সংস্কার এক আদিম বিশ্বাস হতে জাত। এসব বিশ্বাস অধিকাংশ মানুষই না জেনেই আজও বহন করে চলেছে যুগের পর যুগ। যদিও সেই বিশ্বাসের অনেকটুকুই এখন শুধু মজার গল্প হিসেবে ঠাঁই নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 74 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করে কেন?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে: ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব** অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তবিস্তারিত পড়ুন

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে:

    ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব**
    অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তারা পড়াশোনা করতে পারেননি বা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলে তারা পরীক্ষায় চিটিং করে নিজের ফলাফল ভালো করার চেষ্টা করে।

    ### ২. **অতিরিক্ত চাপ বা দুশ্চিন্তা**
    বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য ছাত্রদের ওপর অনেক চাপ থাকে। কিছু ছাত্র এই চাপ সামলাতে না পেরে, বা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে চিটিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল উন্নত করতে চায়।

    ### ৩. **অধ্যয়ন পদ্ধতির সমস্যা**
    যে ছাত্ররা নিয়মিত পড়াশোনা করে না বা ভুল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে, তারা পরীক্ষার আগে চাপ অনুভব করে এবং মনে করে যে, পড়াশোনা ছাড়া তারা কোনোভাবে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। এই ধরনের ছাত্রেরা চিটিং করার পন্থা খুঁজে নেন।

    ### ৪. **প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ**
    অনেক সময় ছাত্ররা বন্ধুদের বা সহপাঠীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ার ভয় পেয়ে চিটিং করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলে, ছাত্ররা মনে করে যে, পরীক্ষায় ভালো ফল না করলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

    ### ৫. **অনুশীলন বা মনোযোগের অভাব**
    কিছু ছাত্র পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু তারা পর্যাপ্ত সময় বা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। ফলে তারা টুকলি বা চিটিংয়ের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর চেষ্টা করে।

    ### ৬. **শিক্ষকের বা পরীক্ষার পরিবেশের দুর্বলতা**
    যদি পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অবহেলা থাকে, যেমন শিক্ষক বা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা যথাযথভাবে নজরদারি না করেন, তখন ছাত্ররা চিটিংয়ের সুযোগ পেয়ে যায়। কিছু পরীক্ষায় এমন পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ছাত্রদের চিটিং করা সহজ হয়ে যায়।

    ### ৭. **নৈতিক মূল্যবোধের অভাব**
    কিছু ছাত্রের নৈতিক মূল্যবোধ বা শৃঙ্খলা কম হতে পারে। তারা মনে করে যে, চিটিং করে যদি ভালো ফল পাওয়া যায়, তবে এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে না। এই ধরনের ছাত্রদের মধ্যে নিজেদের কর্তব্য বা সঠিক পথ অনুসরণের প্রতি আগ্রহ কম হতে পারে।

    ### ৮. **বিশ্বস্ততার অভাব**
    অন্য একটি কারণ হতে পারে শিক্ষাপদ্ধতিতে আস্থা বা বিশ্বাসের অভাব। ছাত্ররা যদি মনে করেন যে, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল শুধুমাত্র সঠিকভাবে পড়াশোনা করলেই পাওয়া যায় না, বা মূল্যায়ন পদ্ধতি যথাযথ নয়, তবে তারা মনে করে যে চিটিং করলেই ফলাফল ভালো হবে।

    ### ৯. **অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত উৎসের অভাব**
    কিছু ছাত্রের কাছে প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণ বা গাইড বই না থাকলে, তারা হয়তো বাইরে থেকে কপি বা টুকলি করে নিজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে চায়।

    ### সমাধান:
    পরীক্ষায় চিটিংয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উচিত:
    – শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব পোষণ করা এবং তাদের সমস্যা বুঝে সমাধান করা।
    – সঠিক পড়াশোনার পদ্ধতি শেখানো এবং চাপ কমানোর জন্য মানসিক সহায়তা প্রদান।
    – পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ রাখা।
    – নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

    বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিক গাইডলাইন এবং অভ্যন্তরীণ সহায়তার মাধ্যমে চিটিংয়ের প্রবণতা কমানো সম্ভব।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন দেশের ক্যালেন্ডার বিশ্বের বাকী দেশগুলোর থেকে সাত বছর পেছনে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

অফিসের বসকে বশে আনার কৌশল কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Adnan bin zaman
Adnan bin zamanপণ্ডিত
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা (patriarchal mindset) কীভাবে পুরুষদের একাকীত্বে অবদান রাখে? এবং এটি কি আত্মহত্যার মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে?

  1. সুমনা
    সেরা উত্তর
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা বা পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা এমন একটি সামাজিক কাঠামো যা পুরুষদেরকে শক্তিশালী, নির্ভীক, এবং আবেগহীন হিসাবে উপস্থাপন করে। এই মানসিকতা পুরুষদের জন্য একদিকে ক্ষমতার প্রতীক হলেও, অন্যদিকে এটি এক ধরণের অদৃশ্য শৃঙ্খলে পরিণত হয়, যা তাদের মানসিক এবং আবেগগত বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। একাকীতবিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা বা পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা এমন একটি সামাজিক কাঠামো যা পুরুষদেরকে শক্তিশালী, নির্ভীক, এবং আবেগহীন হিসাবে উপস্থাপন করে। এই মানসিকতা পুরুষদের জন্য একদিকে ক্ষমতার প্রতীক হলেও, অন্যদিকে এটি এক ধরণের অদৃশ্য শৃঙ্খলে পরিণত হয়, যা তাদের মানসিক এবং আবেগগত বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।

    একাকীত্বে অবদান

    1. আবেগপ্রকাশে প্রতিবন্ধকতা

    পিতৃতান্ত্রিক সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশকে দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। ফলে অনেক পুরুষ তাদের দুঃখ, হতাশা, বা মানসিক যন্ত্রণা কারও সাথে শেয়ার করতে দ্বিধাবোধ করেন। এই একাকীত্ব সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়।

    2. সহানুভূতির অভাব

    পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পুরুষদের অন্যদের আবেগ অনুভব বা গ্রহণ করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে। এটি তাদের সম্পর্কগুলোকে ঠুনকো এবং অসাড় করে তোলে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের আরও একাকী করে।

    3. সমাজের চাপ

    সফলতা, অর্থ, এবং ক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত জোর দেওয়া পুরুষদের ওপর চরম মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। অনেক পুরুষ এই প্রত্যাশাগুলোর সাথে তাল মিলাতে না পেরে নিজেদের ব্যর্থ মনে করেন, যা তাদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতার দিকে ঠেলে দেয়।

    আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা

    1. মানসিক স্বাস্থ্য অবহেলা

    পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতায় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা কম হয়। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেকে চিকিৎসা নিতে অস্বস্তি বোধ করেন, যা সমস্যাকে আরও গুরুতর করে তোলে।

    2. সাহায্য চাওয়ার অনীহা

    পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সাহায্য চাওয়াকে দুর্বলতা মনে করা হয়। ফলে অনেক পুরুষ তাদের মানসিক সংগ্রাম একাই মোকাবিলা করার চেষ্টা করেন, যা হতাশা এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

    3. বিচ্ছিন্নতা

    একাকীত্ব এবং মানসিক চাপের কারণে তারা অনেক সময় নিজেদের সমাজ বা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করেন। এই বিচ্ছিন্নতাই আত্মহত্যার প্রবণতাকে উসকে দিতে পারে।

    সমাধানের পথ

    মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো: পুরুষদের আবেগপ্রকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা পরিবর্তন: পরিবার, শিক্ষা, এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে পুরুষদের প্রতি ন্যায্য এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

    সহযোগিতা বৃদ্ধি: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সহানুভূতির পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে পুরুষরা নির্দ্বিধায় সাহায্য চাইতে পারেন।

    পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা শুধু সমাজের জন্য নয়, বরং পুরুষদের জন্যও ক্ষতিকর। এটি কেবল তাদের একাকীত্ব বাড়ায় না, বরং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে নিয়ে যায়, যা আত্মহত্যার মতো চরম পদক্ষেপে শেষ হতে পারে। সমাজে এ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 57 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান কেন?

  1. Nurul Haque
    Nurul Haque নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান, তার মূল কারণ হলো যাত্রীর নিরাপত্তা (Safety) নিশ্চিত করা। এটিকে বিমান কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রোটোকল হিসেবে ধরা হয়। উঁচু হিল (High Heels), ভারী বুট, বা খুব নরম/পিছল স্যান্ডেল পরা থাকলে জরুরি স্লাইড (Inflatবিস্তারিত পড়ুন

    বিমানে ওঠার সময় এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের জুতার দিকে তাকান, তার মূল কারণ হলো যাত্রীর নিরাপত্তা (Safety) নিশ্চিত করা। এটিকে বিমান কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রোটোকল হিসেবে ধরা হয়।

    উঁচু হিল (High Heels), ভারী বুট, বা খুব নরম/পিছল স্যান্ডেল পরা থাকলে জরুরি স্লাইড (Inflatable Slide) দিয়ে দ্রুত নামার সময় পা মচকে যেতে পারে, যাত্রী পড়ে যেতে পারে এবং অন্য যাত্রীদের চলাচলের গতিও কমে যেতে পারে।

    পায়ে খুব টাইট বা আঁটসাঁট জুতা পরা থাকলে রক্ত ​​সঞ্চালনের সমস্যা (যেমন থ্রম্বোসিস বা রক্ত জমাট বাঁধা) বাড়তে পারে এবং পা ফুলে যেতে পারে। এয়ার হোস্টেসরা তাই খেয়াল করেন, কেউ খুব অস্বস্তিকর জুতা পরেছেন কি না।

    অনেক যাত্রী, বিশেষ করে যারা ফ্লিপ-ফ্লপ বা স্যান্ডেল পরেন, তারা মাঝপথে জুতা খুলে খালি পায়ে ঘোরেন। বিমানের মেঝে বা টয়লেট এলাকা সাধারণত জীবাণুযুক্ত থাকে। খালি পায়ে হাঁটলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

    তাদের এই পর্যবেক্ষণ যাত্রীকে বিচার করার জন্য নয়, বরং প্রত্যেক যাত্রী যাতে জরুরি মুহূর্তে নিজেদের এবং অন্যদের জীবন রক্ষা করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্যই এই প্রোটোকল ফলো করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

একটি পাখীকে আমরা পাখি নামে ডাকিনা অন্য নামে ডাকি। সেই পাখির নাম কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কলার খোসায় পা পিছলে যায় কেন?

  1. masudrana
    masudrana নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    কলার খোসায় পলিস্যাকারাইড ফলিকুকার জেলজাতীয় নামক পদার্থ থাকে । এজন্য মুলত কলার খোসায় পা পিছলে পরে যায়। তা ছাড়া কলার খোসায় পা দিলে ঘর্ষণ বল অনেক কমে যায়। কলার খোসায় পা পিছলে পরে গেলে ঘর্ষণ বল ও উলম্ব বল কাজ করে।

    কলার খোসায় পলিস্যাকারাইড ফলিকুকার জেলজাতীয় নামক পদার্থ থাকে । এজন্য মুলত কলার খোসায় পা পিছলে পরে যায়। তা ছাড়া কলার খোসায় পা দিলে ঘর্ষণ বল অনেক কমে যায়। কলার খোসায় পা পিছলে পরে গেলে ঘর্ষণ বল ও উলম্ব বল কাজ করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 55 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মগের মুল্লুক’ এই প্রবচনের মানে বিশৃঙ্খল অবস্থা, অরাজক দেশ, তাই তো? এতে আবার নতুন করে কী বলার আছে? কিন্তু বলুন তো এই ‘মগ’ কী জিনিস? আর মুলুকটা মগেদেরই বা কেন হলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লিপস্টিক এর একটি মজাদার থিউরি আছে ? আমরা কজন জানি সেটা?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    জর্জ ওয়াশিংটন ঠোঁটে লিপস্টিক দিতেন আর রানি ভিক্টোরিয়া মনে করতেন ঠোঁটে লিপস্টিক দেওয়া ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ। বাংলাদেশে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্প্রতি বলেছেন, তার এলাকার নারীরা দিনে তিনবার ঠোঁটে লিপস্টিক লাগান। তিনি সরকারেরও মুখপাত্র। তার এলাকার নারীরা যে সুখে আছেন (অন্যান্য এলাকায় নারীরা দিনে কবার ব্যবহারবিস্তারিত পড়ুন

    জর্জ ওয়াশিংটন ঠোঁটে লিপস্টিক দিতেন আর রানি ভিক্টোরিয়া মনে করতেন ঠোঁটে লিপস্টিক দেওয়া ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ।

    বাংলাদেশে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্প্রতি বলেছেন, তার এলাকার নারীরা দিনে তিনবার ঠোঁটে লিপস্টিক লাগান। তিনি সরকারেরও মুখপাত্র। তার এলাকার নারীরা যে সুখে আছেন (অন্যান্য এলাকায় নারীরা দিনে কবার ব্যবহার করে থাকেন এ নিয়ে কোনো সমীক্ষার ফলাফল জানা নেই), এটা তারই সূচক। সুখের প্রতিচ্ছবি!

    সুখ নিশ্চয়ই সমৃদ্ধির সাথেও কিছুটা জড়িয়ে আছে। অভুক্ত মানুষের সুখে থাকার প্রশ্নই আসে না—তার বেলায় লিপস্টিক তো অবান্তর প্রসঙ্গ। বরং সুখী মানুষের লিপস্টিক ব্যবহার নিয়েই তাত্ত্বিক আলোচনা চলতে পারে।

    সানন্দে এখন তিনবার ব্যবহার করেন মানে আগের চেয়ে বেশি ব্যবহার করেন, আগে হয়তো দু’বার কিংবা একবার ছিল কিংবা আদৗ ব্যবহার করার সামর্থ ছিল না কিংবা ব্যবহার করার কথা ভাবেনি। যে কথাটি বলা হয়েছে তার অন্তর্গত কথা হচ্ছে সে এলাকার নারীরা আগের চেয়ে বেশি লিপস্টিক কিনছেন।

    এই বেশি কেনাকাটাকে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক তত্ত্ব ইত্যাদির সাথে মিলিয়ে দেখতে গেলে একটি কৌতুহলোদ্দীপক অর্থনৈতিক তত্ত্বের উদ্ভব ঘটানো সম্ভব হবে। লিপস্টিক মার্কেটের গতিময়তার একটি তত্ত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

    আরোপিত কোনো কারণেও লিপস্টিক বাজারের পতন বা উত্থান ঘটতে পারে। ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানো নিষিদ্ধ করে দেয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্লামেন্টরিয়ান তখন মনে করতেন লিপস্টিক ব্যবহারকারী পার্লামেন্টরিয়ান তখন মনে করতেন লিপস্টিক ব্যবহারকারী নারী ছলনাময়ী পুরুষকে ফাঁদে ফেলার জন্য ঠোঁট রাঙ্গাচ্ছে। এর সাথে প্রেতচর্চার একটা যোগাযোগ থাকতে পারে।

    বৈশ্বিক কসমেটিক বাজারের আকার সমরাস্ত্র বাজারের মতো অতিকায় না হলেও উপেক্ষা করার মতো নয়। ২০২২ সালে এ বাজারের আকার ছিল ৩৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। চক্রবৃদ্ধিতে ২০৩২ সালে এর আকার দাঁড়াবে ৬৬১.১২ বিলিয়ন ডলারে প্রবৃদ্ধি বার্ষিক ৫.৮ ভাগ। এরই একটি ছোট অংশ লিপস্টিক। ২০২১ সালে লিপস্টিকের বিশ্ববাজার ছিল ৯.৫৭ বিলিয়ন ডলারের ২০২২ এ তা বেড়ে হয়েছে ১০.০৮ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৩-এ তা দাঁড়াবে ১৪.৬৮ বিলিয়ন ডলারে। প্রবৃদ্ধি বিউটি ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য আইটেমের চেয়ে একটু কম, ৫.৫ শতাংশ লিপস্টিক মার্কেটের টার্গেট মূলত: ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারী। আমাদের প্রতিবেশী ভারতে বিউটি ইন্ডাস্ট্রির আকার ২০২৩ সালে ৩০.৫৪ বিলিয়ন ডলার, এর মধ্যে লিপস্টিকের শেয়ার ১.৩৮ বিলিয়ন ডলার।

    একটি গাণিতিক হিসেব উপস্থাপন করা যেতে পারে: বিউটি ইন্ডাস্ট্রির কতো ভাগ লিপস্টিক ইন্ডাস্ট্রি? উপরে পরিসংখ্যান থেকে উঠে আসে বিশ্বের মোট বিউটি ইন্ডাস্ট্রির ০.২৬ ভাগ হচ্ছে লিপস্টিকের বাজার আর ভারতে তা .০৪৫ ভাগ। বিশ্বগড়ের দ্বিগুণের চেয়ে কিছু কম। অর্থাৎ ভারতে অর্ধমূল্যে লিপস্টিক বিক্রি অনেক বেশি। ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের একই হিসেব নিয়ে দেখেছি য্ক্তুরাষ্ট্রে লিপস্টিকের শেয়ার ভারতের চেয়ে কম এবং ব্রিটেনে তা প্রায় ভারতের এক তৃতীয়াংশ। এই পরিসংখ্যান প্রচলিত লিপস্টিক ইনডেক্স তত্ত্বের সমর্থন করে। অর্থনীতি অপেক্ষাকৃত খারাপ অবস্থায় থাকলে লিপস্টিক বিক্রি বেড়ে যায়, লিপস্টিকের বাজারের তুলনামূলক আকার বড় হতে থাকে।

    অর্থনীতির লিপস্টিক এফেক্ট: যখন অর্থনীতিতে ধস নাম থাকে, ভোক্তার হাতে ব্যয় করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ থাকে না। তখন দামি প্রসাধন সামগ্রী না কিনে কেবল লিপস্টিক কিনে বাড়ি ফেরে। এ ভাবে ভোক্তার লিপস্টিক কেনা বেড়া যায়। লিপস্টিক এফেক্ট বুঝিয়ে দেয় ভোক্তার হাতে তেমন টাকা নেই, আরো বলে দেয় দেশে মুদ্রাস্ফিতি ঘটেছে। লিপস্টিক এফেক্টের কারণে ইংরেজি R অক্ষরের শব্দ ব্যবহার বেড়ে যায়। সেই শব্দটি হচ্ছে Recession.

    লিপস্টিক ইনডেস্ক বা লিপস্টিক সূচক কথাটি নতুন সহস্রাব্দের সংযোজন। বিখ্যাত প্রসাধন সামগ্রী কোম্পানি এস্টি লাউডার-এর চেয়ারম্যান লেলার্ড লাউডার ২০০১ সালে শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন এবং অর্থনীতিবিদরা তা লুফে নেন। তিনি লক্ষ করেন ২০০১ সালের শরতে যখন এক ধরনের আর্থিক অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল সে সময় কমদামি বিউটি প্রোডাক্ট বিশেষ করে লিপস্টিক বিক্রি বেড়ে যায়। ক্রেতার আচরণ বাজারকে তেমন নিয়ন্ত্রণ করে বাজারে বিকল্প পণ্যও ক্রেতার আচরনকে প্রভাবিত করতে পারে।

    লিপস্টিক মার্কেটের গতিময়তা আমাদের সঠিকভাবে বুঝতে হবে নতুবা লিপস্টিক বিক্রি বাড়াকে যদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষণ মনে করি, ভুল হবে। তবে সকল ক্ষেত্রেই যে লিপস্টিক অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা জানান দেবে এটাও মনে না করাই।

    তবে সাধারণভাবে যখন লিপস্টিক বন্দনা শুরু হবে ধরে নিতে হবে লিপস্টিক সূচক এসে গেছে অথবা এসে গেছে বলে বন্দনাকারীর কাছে অনুভূত হয়েছে।

    তাই বলে আমরা লিপস্টিক ডে পালন করব না এমন কথা নেই। যুক্তরাষ্ট্র ২৯ জুলাই জাতীয় লিপস্টিক দিবস পালন করে যাবে। আমরাও তার সাথে যোগ দিতে পারি অথবা নিজেদের সুবিধে মতো একটা দিন ঠিক করে নিতে পারি। ন্যাশনাল লিপস্টিক ডেতে নিজের জন্য প্রিয়জনের জন্য একটা লিপস্টিক কিনুন। পিঙ্ক পিজিয়ন ব্র্যান্ড যেমন আছে, তেমনি আছে ইউনিকর্ন টিয়ার্স। আরও শত শত দেশি বিদেশি ব্র্যান্ড। বাংলাদেশে এস্টি লাউডারের জেনুইন ব্র্যান্ড তেমন পাওয়া যায় তেমনি মিলে জিঞ্জিরা ব্র্যান্ড, হালাল সাবানের কথা আমরা শুনেছি, কেমন হালাল শব্দ যোগ হওয়াতে মুসলমান ক্রেতার মহানুভূতি ও সমর্থন পেয়ে বাজার মাত করে দিয়েছিল। বাজারে হালাল লিপস্টিকও এসেছে। লাফজ হচ্ছে প্রসাধনীর হালাল ব্র্যান্ড। এতে মূকর তো নয়ই অন্য কোনো প্রাণীর চর্বি ব্যবহার করা হয়না বলে দাবি করা হয়ে থাকে।

    কানাডিয়ান একটি সমীক্ষায় (১৯৯৮-সালে) একজন নারী তার জীবদ্দশায় ৪ থেকে ৯ পাউন্ড ওজনের লিপস্টিকের প্রলেপ ঠোঁটের উপর লাগিয়ে থাকেন।

    লন্ডন এক্সপ্রেস ২০০১ সালে দাবি করেছে ব্রিটেনে একজন নারী জীবদ্দশায় গড়ে ৫.৬৫ পাউন্ড লিপস্টিক চেটে থাকেন এবং গিলেন। ডেনভারের রকি মাউন্টেন নিউজ মনে করে একজন নারীর জ্ঞাতে অজ্ঞাতে গিলে ফেলা লিপস্টিক প্রায় ৪ পাউন্ড।

    লিপস্টিক দেখেই উদ্বেলিত হওয়া সমীচীন হবে না। যারা কেজিবির কর্মকান্ডের সাথে পরিচিত তারা জানেন, কেজিবি ৪.৫ মিলিমিটার সিঙ্গেল শট লিপস্টিক পিস্তল ব্যবহার করত।

    উইলিয়াম জর্জ হিরেলস (১৯২৮-২০১২) নামের সিরিয়াল কিলার লিপস্টিক কিলার নামে পরিচিত। তিনি তিনটি খুনের কথা স্বীকার করেছেন। ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৫ ফ্রান্সিস ব্রাউনকে তার অ্যাপার্টমেন্টে খুন করার পর তার লিপস্টিক দিয়ে দেয়ালে লিখে রেখেছে: ঈশ্বরের দোহাই আর একটি খুন করার আগে আমাকে ধরে ফেলুন, আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

    পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। তারপর সুজান ভেগনানকে খুন করে। তারপর ধরা পড়েন। তার আমৃত্যু কারাদন্ড হয়। ৬৫ বছর জেলখাটার পর ৬ মার্চ ২০১২ ইলিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে মারা যান। লিপস্টিক কিলারকে নিয়ে চার্লস আইস্টাইনের একটি উপন্যাস রয়েছে, তা চলচ্চিত্রায়িত হয়। লিপস্টিক অনুভব: নোবেল বিজয়ী টনি মরিসন লিখেছেন, স্বপ্ন হচ্ছে লিপস্টিক মাখানো দুঃস্বপ্ন।

    জোয়ান কলিন্সের কথা : পৃথিবীতে যতো প্রসাধনী দ্রব্য আছে আমার কাছে লিপস্টিকই সর্বোত্তম।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হয় কেন?

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমাদের দেশে বেশির ভাগ ট্রাক রাতের বেলায় পণ্য পরিবহন করে থাকে। ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হওয়ার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক স্পষ্টভাবে ট্রাকের গতিবিধি বুঝতে পারেন। কারণ এটা দূর থেকেও নজরে পড়ে। হলুদ রঙ কে ইংরেজিতে বলে Most visible color at dark । দিনের বেলায় আমাদের চোখে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ধরবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের দেশে বেশির ভাগ ট্রাক রাতের বেলায় পণ্য পরিবহন করে থাকে। ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হওয়ার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক স্পষ্টভাবে ট্রাকের গতিবিধি বুঝতে পারেন। কারণ এটা দূর থেকেও নজরে পড়ে। হলুদ রঙ কে ইংরেজিতে বলে Most visible color at dark ।
    ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা করা হয়
    দিনের বেলায় আমাদের চোখে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ধরা দেয় সবুজ রং কিন্তু রাতের অন্ধকারে সবুজের চেয়ে হলুদ রং বেশ দ্রুত আমাদের চোখে ধরা পড়ে। কারণ সূর্যের আলোতে সবুজ আলোর ফ্রিকোয়েন্সি (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য) বেশি। অন্যদিকে রাতের কৃত্রিম আলোতে হলুদ রঙের ফ্রিকোয়েন্সি বেশি মাত্রায় ধরা দেয়। রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পৃথিবীর সবকিছু কি আগে থেকে ঠিক করা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 19 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

NORTH, EAST, WEST ,SOUTH এই চারটি শব্দ এভাবে ক্রমান্বয়ে সাজিয়ে দেখুন এবং ভাবুন এগুলোতে কি এমন বিশেষত্ব আছে যা সারা পৃথিবীর মানুষ প্রতিদিনই দেখে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 15 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কে, কী, কেন, কোথায়, কখন, কীভাবে" ছাড়াও আরও কতভাবে প্রশ্ন করা যায়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমরা স্বপ্ন রঙীন না দেখে সাদাকালো কেন দেখি?

  1. masudrana
    masudrana নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমি সাদা-কালো এবং রঙিন উভয় রঙের স্বপ্নই দেখেছি। আগে বিভিন্ন রিসার্চে পড়ে মনে বিশ্বাস জন্মেছিল যে স্বপ্নের রং সাদা-কালো। কিন্তু যখন নিজেই একদিন রঙিন স্বপ্ন দেখলাম সেদিন থেকে এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙ্গে যায়। প্রথম রঙিন স্বপ্ন দেখার পর অনেক যুক্তি দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম যে আদৌ স্বপ্নটি রঙিন ছিলো কিনা!বিস্তারিত পড়ুন

    আমি সাদা-কালো এবং রঙিন উভয় রঙের স্বপ্নই দেখেছি। আগে বিভিন্ন রিসার্চে পড়ে মনে বিশ্বাস জন্মেছিল যে স্বপ্নের রং সাদা-কালো। কিন্তু যখন নিজেই একদিন রঙিন স্বপ্ন দেখলাম সেদিন থেকে এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙ্গে যায়। প্রথম রঙিন স্বপ্ন দেখার পর অনেক যুক্তি দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম যে আদৌ স্বপ্নটি রঙিন ছিলো কিনা! এবং সব যুক্তি আমাকে মানতে বাধ্য করিয়েছিল যে স্বপ্নটি ১০০% রঙিন ছিল। আমি যদিও বিজ্ঞানকে সম্মান করি (এবং আমার বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্লগ সাইট রয়েছে যেখানে বিজ্ঞানের গবেষণা নিয়েই আমি লেখালেখি করি) তবুও যদি বিজ্ঞান আমাকে বলে স্বপ্নের রঙ সাদা-কালো অন্ততঃ আমি এটা মেনে নিতে পারবো না। কারণ আমি এর সাক্ষী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 54 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমরা কেন জ্বীন দেখিনা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কেন পৃথিবীর মানচিত্র ভূল?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

1-100 লিখতে কতবার 5 ব্যাবহার করতে হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কি মানুষের উচ্চতা কমে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 13 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিমানে শিশুরা কঁfদে কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,045 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন