সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বাংলাদেশে পাসপোর্ট তৈরি করার পুরো প্রক্রিয়া নিম্নরূপ: ### ১. **প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ** পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন: - **জাতীয় পরিচয়পত্র** (NID) বা জন্ম সনদ। - **পাসপোর্টের জন্য ছবি** (সাধারণত ৩.৫ × ৪.৫ সেমি সাইজ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ২টি ছবি)। - **অতিরিক্ত কোনোবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে পাসপোর্ট তৈরি করার পুরো প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:
### ১. **প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ**
পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন:
– **জাতীয় পরিচয়পত্র** (NID) বা জন্ম সনদ।
– **পাসপোর্টের জন্য ছবি** (সাধারণত ৩.৫ × ৪.৫ সেমি সাইজ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ২টি ছবি)।
– **অতিরিক্ত কোনো ডকুমেন্ট** (যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, এনরোলমেন্ট/পত্রিকা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট)।
– **বয়স প্রমাণের সনদ** (যদি বয়স ১৮ এর নিচে থাকে)।
– **ভোটার আইডি** (যদি কোনো ব্যক্তি ভোটার আইডি নম্বর প্রদান করেন, তাও দাখিল করা যাবে)।
### ২. **অনলাইন নিবন্ধন**
পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে **বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরের** (www.psa.gov.bd) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে।
– ওয়েবসাইটে গিয়ে পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম পূরণ করুন।
– ফর্ম পূরণ শেষে ছবি আপলোড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করুন।
### ৩. **আবেদন ফি প্রদান**
অনলাইনে আবেদন করার পর পাসপোর্টের ফি জমা দিতে হবে। ফি পরিশোধের দুটি মাধ্যম:
– **অনলাইন ব্যাংকিং** (ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং)
– **টাকা প্রদান সিস্টেম** (যেমন পেটিএম/বিকাশ)
### ৪. **নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গমন**
ফি পরিশোধ এবং আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনাকে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত ঢাকার পাসপোর্ট অফিস (পূর্বপাশের ধানমন্ডি) বা আপনার নিকটস্থ জেলা অফিসে যেতে হবে।
– **এখানে আপনাকে আপনার ছবি, এনআইডি এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস যাচাই করা হবে।**
– **ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন** সম্পন্ন হবে।
### ৫. **পাসপোর্ট সংগ্রহ**
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। পাসপোর্ট সাধারণত ৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যায়, তবে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পাসপোর্টও পাওয়া যেতে পারে (যদি যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়)।
### ৬. **জরুরি পাসপোর্ট**
যদি কোনো জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন হয় (যেমন বিদেশ যাত্রার জন্য হঠাৎ প্রয়োজন), তাহলে **জরুরি পাসপোর্ট** আবেদন করা যেতে পারে। এর জন্য আপনাকে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেয়ে অতিরিক্ত ফি প্রদান করতে হবে।
### পাসপোর্টের ধরণ
১. **মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট** (MRP): সাধারণ পাসপোর্ট।
২. **ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট** (e-passport): আধুনিক নিরাপত্তা ফিচারসহ পাসপোর্ট।
### ৭. **পাসপোর্টের সময়সীমা**
– সাধারণত পাসপোর্টের মেয়াদ **৫ বছর** থাকে, তবে পরবর্তীতে সেটি **১০ বছর** মেয়াদী হতে পারে।
এভাবে পাসপোর্ট আবেদন ও সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সংক্ষেপে দেখুন