RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
সংক্ষেপে দেখুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
সংক্ষেপে দেখুনএইটা খুব মজার প্রশ্ন! পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে: ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্বিস্তারিত পড়ুন
এইটা খুব মজার প্রশ্ন!
পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে।
মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে:
মোটকথা, পাইলট একা একা রাস্তা খোঁজেন না। তারা কম্পিউটার, জিপিএস, এবং মাটির ট্র্যাফিক পুলিশের (ATC) নির্দেশ—এই তিনের ওপর ভরসা করে নিরাপদে প্লেন চালান। আকাশটা আসলে অনেকগুলো অদৃশ্য ‘হাইওয়ে’-তে ভাগ করা থাকে, আর পাইলটরা ওই হাইওয়ে ধরেই চলে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন!
সংক্ষেপে দেখুনহাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন
হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।
ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।
থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবাইবেলের 'আদম' এবং আল কোরআনের 'আদম (আঃ)' উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরবিস্তারিত পড়ুন
বাইবেলের ‘আদম’ এবং আল কোরআনের ‘আদম (আঃ)’ উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
| আল কোরআনের আদম (আঃ) | বাইবেলের আদম (Adam) |
| প্রথম মানব এবং প্রথম নবী (পয়গম্বর)। তিনি আল্লাহর বার্তা বহনকারী। | প্রথম মানব। তাঁকে কেবল একজন সৃষ্ট মানুষ হিসেবে দেখা হয়, কোনো নবী বা বার্তা বহনকারী হিসেবে নয়। |
| পৃথিবীতে প্রেরিত হওয়ার আগেই আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান (বস্তুসমূহের নাম) এবং প্রতিনিধির (খলিফা) মর্যাদা দান করেন। | আদমকে জ্ঞানার্জনের জন্য নয়, বরং বাগানের কৃষিকাজ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল। |
| আল কোরআনের আদম (আঃ) | বাইবেলের আদম (Adam) |
| ভুল (Zallah) বা সামান্য ত্রুটি: নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ ছিল আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন। এটা ছিল শয়তানের (ইবলিশ) প্ররোচনায় ভুলবশত বা ‘ভুলে যাওয়া’। | মহাপাপ (Original Sin): ফল ভক্ষণকে একটি ইচ্ছাকৃত পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মানবতার নৈতিক পতন ঘটায়। |
| দায়িত্ব: ভুলটির জন্য আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) উভয়ই সমানভাবে দায়ী এবং উভয়েই অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। | দায়িত্ব: মূলত হাওয়াকে (Eve) প্ররোচনার জন্য এবং আদমকে তার কথা শুনে ভুল করার জন্য দায়ী করা হয়। |
| তাওবা ও ক্ষমা (Repentance): নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার পর আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) তাৎক্ষণিক অনুতাপ করেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আল্লাহ তাঁদের ক্ষমা করে দেন। | তাওবা ও ক্ষমা: আদম বাইবেলের বর্ণনায় কোনো অনুতাপ করেন না, বরং দোষ হাওয়ার উপর চাপান। এই পাপের ফলস্বরূপ ক্ষমা নেই। |
| আল কোরআনের আদম (আঃ) | বাইবেলের আদম (Adam) |
| আদি পাপ নেই (No Original Sin): যেহেতু আদম (আঃ) ক্ষমা পেয়েছিলেন, তাই ইসলামের বিশ্বাস অনুসারে কোনো মানুষই আদি পাপ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। প্রত্যেকেই নিষ্পাপ হয়ে জন্মায়। | আদি পাপ (Original Sin): আদমের এই পাপের কারণে মানবতার পতন ঘটে এবং পরবর্তী প্রজন্মরা সকলেই জন্মগতভাবে এই পাপের বোঝা বহন করে। এই পাপ মোচনের জন্যই পরিত্রাতার (যীশু/ঈসা আঃ) প্রয়োজন। |
| আল কোরআনের আদম (আঃ) | বাইবেলের আদম (Adam) |
| পৃথিবীতে আগমন আল্লাহর আদি পরিকল্পনার অংশ ছিল (তিনি পৃথিবীতে খলিফা বা প্রতিনিধি হবেন)। ভুল করার কারণে তাঁর জান্নাত থেকে প্রস্থানের সময়টা এগিয়ে আসে, কিন্তু পৃথিবীতে আসাই তাঁর চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল। | জান্নাত থেকে বহিষ্কার ছিল পাপের সরাসরি শাস্তি। পৃথিবীতে আগমনকে একপ্রকার অভিশাপ বা শাস্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। |
এই পার্থক্যগুলোই দুটি ধর্মের মধ্যে মানব প্রকৃতি, পাপের ধারণা, এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক ভিন্নতা তৈরি করেছে।
সংক্ষেপে দেখুন
ইবলিশ (যা পরে শয়তান নামে পরিচিত হয়) মানুষের জন্মের আগেই সৃষ্টি হয়েছিল। তার সৃষ্টি এবং শয়তান হওয়ার ঘটনাটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো: ১. ইবলিশের সৃষ্টি ও পরিচয় উপাদান: আল্লাহ ইবলিশকে 'আগুন' বা 'ধোঁয়াবিহীন অগ্নি' থেকে সৃষ্টি করেছেন। (অন্যদিকে, ফেরেশতাদের নূর বা আলো থেকে এবং মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টবিস্তারিত পড়ুন
ইবলিশ (যা পরে শয়তান নামে পরিচিত হয়) মানুষের জন্মের আগেই সৃষ্টি হয়েছিল।
তার সৃষ্টি এবং শয়তান হওয়ার ঘটনাটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:
১. ইবলিশের সৃষ্টি ও পরিচয়
২. ইবলিশের পতন ও ‘শয়তান’ হয়ে ওঠার ঘটনা
ইবলিশের জন্ম কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা ঘটনা দিয়ে চিহ্নিত নয়, বরং তার পতন বা অভিশাপপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনাই তাকে ‘শয়তান’ বানিয়েছে। এই ঘটনাটি মানবজাতির আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টির পরে ঘটেছিল:
ক. আল্লাহর আদেশ
আল্লাহ যখন নিজ হাতে মানুষ বা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন এবং তাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তখন আল্লাহ সকল ফেরেশতা ও ইবলিশকে নির্দেশ দিলেন—আদম (আ.)-কে সিজদা বা মাথা নত করতে।
খ. অহংকার ও অস্বীকার
গ. অভিশাপ
ইবলিশের এই অহংকার ও সরাসরি আল্লাহর আদেশ অমান্য করার কারণে, আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিলেন এবং তাকে চিরতরে বেহেশত (জান্নাত) থেকে বের করে দিলেন। এই সময় থেকেই ইবলিশ ‘শয়তান’ বা পথভ্রষ্টকারী হিসেবে পরিচিত হয়।
সংক্ষেপে, ইবলিশের জন্ম হয়েছিল আগুন থেকে এবং সে তার অহংকার এবং আল্লাহর আদেশ অমান্য করার ফলে শয়তানে পরিণত হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুন