মহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?
jhumur.hasanনতুন
মহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তু' বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?
শেয়ার করুন

অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে? সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে। আসল চমকটা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তুবিস্তারিত পড়ুন
অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে?
সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে।
আসল চমকটা কোথায়?
বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ (ডার্ক ম্যাটার)। এর পরিমাণ প্রায় ৮৫ শতাংশ! আমরা চোখে যা দেখি বা অনুভব করি (যেমন: গ্রহ, তারা, মানুষ) তা হলো মাত্র ১৫ শতাংশ।
এখন গবেষকরা যদি প্রথমবারের মতো সেই অদৃশ্য এবং বিশাল ‘অন্ধকার বস্তু’কে সত্যিই চিহ্নিত করতে পারেন, তবে যা ঘটবে:
আমরা এতদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা যা জেনেছি, তা ছিল মাত্র ১৫% তথ্য দিয়ে তৈরি। ৮৫% জিনিসকে চিহ্নিত করতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক পুরনো সূত্র ও ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
আমরা মহাবিশ্বের গঠন, গ্যালাক্সিগুলোর রহস্যময় গতি এবং মহাকাশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য পাবো। এটি প্রমাণ করবে যে, আমাদের চারপাশের বাস্তবতা কেবল চোখের সামনে দেখা এইটুকু নয়, বরং এর বাইরেও এক বিশাল অদৃশ্য জগৎ আছে, যা পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
এই আবিষ্কার নতুন ধরনের প্রযুক্তি ও গবেষণার জন্ম দেবে, যা হয়তো কয়েক দশক পর আমাদের জীবনযাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।
অর্থাৎ, এই আবিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবন immediately পাল্টাবে না, কিন্তু মহাবিশ্ব এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবে, যা হবে এক নতুন দিগন্ত।
সংক্ষেপে দেখুন