শেয়ার করুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, "১" (এক) সংখ্যাটি "০" (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে। আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে '০', যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্বিস্তারিত পড়ুন
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, “১” (এক) সংখ্যাটি “০” (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে।
আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ‘০’, যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্রিস্টাব্দ ৫ম থেকে ৭ম শতকের মধ্যে) ‘০’-কে একটি পূর্ণ সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
অক্সফোর্ডের বখশালি পান্ডুলিপির কার্বন ডেটিং অনুসারে, খ্রিস্টাব্দ ৩য় বা ৪র্থ শতকের দিকেও শূন্যের (বিন্দুর মতো) ব্যবহার দেখা গেছে।
সুতরাং, মানুষ প্রথমে “আছে” (১) এই ধারণাটি চিহ্নিত করতে শেখে, এবং এর অনেক পরে “কিছু নেই” (০) এই ধারণাটিকে একটি গাণিতিক সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
সংক্ষেপে দেখুন