দুনিয়ার অদ্ভুত সব খাবারের উৎসব কোথায় কিভাবে পালন হয় ?
শেয়ার করুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দেন ভ্রমণপিপাসুরা। কেউ ভালোবাসেন অ্যামাজনের গহীন জঙ্গলে রোমাঞ্চকর মুহূর্তের স্বাদ নিতে, কারও আবার পাতায়া সৈকতে গা এলিয়ে সমুদ্রস্নানের মুগ্ধতায় জড়াতে ভালো লাগে। তবে পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশতে না পারলে অপূর্ণতাবিস্তারিত পড়ুন
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দেন ভ্রমণপিপাসুরা। কেউ ভালোবাসেন অ্যামাজনের গহীন জঙ্গলে রোমাঞ্চকর মুহূর্তের স্বাদ নিতে, কারও আবার পাতায়া সৈকতে গা এলিয়ে সমুদ্রস্নানের মুগ্ধতায় জড়াতে ভালো লাগে।
তবে পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশতে না পারলে অপূর্ণতা থেকে যায়। আর ভিন্ন দেশের ভিন্ন গোত্রে সংস্কৃতির পার্থক্যটা সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে খাবারে। বিশ্বজুড়ে কিছু কিছু খাবারের উৎসব আছে, যেগুলো দেখলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! বেড়ানোর ফাঁকে এসব আয়োজন উপভোগ্য লাগে সবার কাছে।
ধরুন– সড়কপথে বেরিয়েছেন, টাইমিংয়ে মিলে গেলে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার পথেই দেখে নিতে পারেন বিচিত্র সব খাবারের উৎসব। কয়েকটিকে মনে হতে পারে বেশ উদ্ভট। কিছু কিছু দেখলে তো বিশ্বাসই হবে না! বানরের জন্য বিশাল ফলের স্তূপ, হাজার হাজার ডিম ভেঙে বানানো অমলেট; এমনকি পোঁকা খাওয়ার মতো অদ্ভুত আয়োজন আছে এর মধ্যে!
ওয়ার্ল্ড টেস্টিকেল ইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ
উৎসবটি খাওয়া-দাওয়া, মজা ও উত্তেজনায় ভরপুর। বিচিত্র এই আয়োজন উপভোগের সুযোগ মিস করা ঠিক হবে না কারও! এমন খাবারের উৎসব দেখার সুযোগ মেলা ভার। উৎসবটা কীসের জানেন? প্রাণীর অণ্ডকোষ দিয়ে বানানো খাবারের! রাঁধুনিদের খাবার প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দর্শকরা জড়ো হয়। রন্ধনশিল্পীরা অণ্ডকোষ দিয়ে বানানো পিৎজা ও গোলাস বানাতে প্রতিযোগিতায় নামেন। তাদের তৈরি করা খাবারের স্বাদের ওপর ভিত্তি করে বিচারক বিজয়ীকে দেন ‘দ্য বলিয়েস্ট ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর খেতাব।
স্থানীয়দের মতে, ১৪৪৫ সাল থেকে হয়ে আসছে প্যানকেক রেস। এই উৎসবে অংশ নিতে পারেন কেবল ১৮-ঊর্ধ্ব মেয়েরা। আর অবশ্যই তাদের প্রত্যেককে অন্তত তিন মাস থাকতে হবে ওনি শহরে। সুতরাং চাইলেই প্রতিযোগিতায় নাম লেখানো যাবে না।
খাবার নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব মেয়েদের অবশ্যই স্কার্ট, অ্যাপ্রন ও মাথায় কাপড় পরতে হবে। একইসঙ্গে দৌড়ানোর সময় নিজের বানানো প্যানকেক নিতে ভুললে চলবে না। এই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ওনি মার্কেট পালেস থেকে প্যারিশ চার্চ পর্যন্ত ৪১৫ গজ পথ দৌড়াতে হয়।
এখন পর্যন্ত বেসিয়েরেস সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ইস্টার সানডেতে তারা ১৫ হাজার ডিম দিয়ে বানায় বিশাল আকৃতির অমলেট। কয়েকশ’ মানুষ এই উৎসবে রান্নায় দায়িত্বে থাকেন। আর উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষেরা বিশাল অমলেটের খানিকটা অংশ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন।
ফ্রান্সের আরও কয়েকটি শহরে নিজ উদ্যোগে অনেকেই অমলেট ফেস্টিভ্যাল করে থাকে। যার মধ্যে অন্যতম লুইসিয়ানা ও আবেভিল। প্রতি বছরের অক্টোবরে ৫ হাজার ডিম দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি নেয় তারা।
ফেলসমেয়ার ফগ লেগ ফেস্টিভ্যালবিশ্বের সবচেয়ে বড় ফগ লেগ ফেস্টিভ্যাল হিসেবে বিবেচি ব্যাঙ নিয়ে ফ্লোরিডার ফেলসমেয়ার এই অদ্ভুত আয়োজন। চার দিনের উৎসবটিতে অংশ নিয়ে ব্যাঙের পা খাওয়ার জন্য পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষকে স্বাগত জানানো হয়। তাদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণে ফেলসমেয়ারকে এখন বলা হয় ‘ফগ লেগ ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। শিশুদের কথা ভেবে ছোট্ট পরিসরে শুরু হয়েছিল অদ্ভুত এই খাবারের উৎসব। এই আয়োজনের সুবাদে ফেলসমেয়ার এখন বিচিত্র খাবারের সন্ধানকারীদের তীর্থস্থান।
সংক্ষেপে দেখুন