এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে? NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে। কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরবিস্তারিত পড়ুন
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে?
NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে।
কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন বন্ধ করা, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি রোধ করা এবং মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমানো এর প্রধান উদ্দেশ্য।
২. আমার মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না তা কীভাবে যাচাই করব?
আপনি নতুন বা পুরাতন ফোন কেনার আগে এটি পরীক্ষা করতে পারেন:
নতুন ফোনের জন্য: ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন KYD <স্পেস> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর (যেমন: KYD 123456789012345) এবং পাঠিয়ে দিন ১৬০০২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ফোনের বৈধতা জানতে পারবেন।
ব্যবহৃত ফোনের জন্য: ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে *১৬১৬১# ডায়াল করে অথবা neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।
৩. আমার এনআইডি (NID)-র অধীনে অনেকগুলো ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে কেন? এতে কি কোনো ভয় আছে?
অনেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখছেন তাদের নামে ৩০-৪০টি বা তারও বেশি ফোন নিবন্ধিত।
কারণ: এটি মূলত একটি কারিগরি বিষয়। আপনি অতীতে আপনার এনআইডি দিয়ে কেনা সিম যেসব ফোনে ব্যবহার করেছেন, সিস্টেম সেই সব ফোনের তথ্য আপনার নামে দেখাচ্ছে।
করণীয়: বিটিআরসি জানিয়েছে এতে ভয়ের কিছু নেই। তারা বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনগুলো রেখে বাকি পুরোনো তথ্যগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
৪. বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া ফোনের ক্ষেত্রে নিয়ম কী?
বিদেশ থেকে নিজে সাথে করে ফোন আনলে বা কেউ পাঠালে সেটি বৈধ করতে হবে:
neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে হবে। এজন্য পাসপোর্টের কপি, ভিসার তথ্য বা ক্রয়ের রসিদ আপলোড করতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক ফোন ফ্রিতে বা ট্যাক্স দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
৫. বর্তমানে আমি যে ‘আন-অফিশিয়াল’ ফোনটি ব্যবহার করছি, সেটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে থেকে নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব ফোন (অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান ফোনটি যদি সচল থাকে, তবে এটি বন্ধ হবে না। তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো অবৈধ বা স্মাগলিং করা ফোন কিনলে সেটি সিম ঢোকানোর পর আর চলবে না।
৬. ফোন চুরি হয়ে গেলে NEIR দিয়ে কী সুবিধা পাব?
যদি আপনার ফোনটি নিবন্ধিত থাকে এবং চুরি হয়ে যায়, তবে আপনি বিটিআরসি-র মাধ্যমে ফোনটি ব্লক করে দিতে পারবেন। এর ফলে চোর বা অন্য কেউ ওই ফোনে কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবে না, যা ফোন চুরির প্রবণতা কমিয়ে দেবে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু পরামর্শ: এখন থেকে যেকোনো ফোন কেনার আগে অবশ্যই বক্সের গায়ে থাকা IMEI নম্বর দিয়ে ১৬০০২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে যাচাই করে নিন। অবৈধ ফোন কিনে টাকা নষ্ট করবেন না।


প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
সংক্ষেপে দেখুন