সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • প্রোফাইল
  • প্রোফাইল এডিট করুন
  • মেসেজ
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • গ্রুপ
  • রেফারেল
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পয়েন্ট
  • একটিভিটি
  • ব্লক লিস্ট
  • আর্থিক বিবরণী
  • টাকা উত্তোলন
  • লগ আউট
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Adnan bin zaman

পণ্ডিত...................................
প্রশ্ন করুন Adnan bin zaman
262 বার প্রদর্শিত
0 ফলোয়ার
68 প্রশ্ন
হোমপেজ/ Adnan bin zaman/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট জায়গার নাম কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম কি ? কোথায় অবস্থিত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

     Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।  

     Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ফেব্রুয়ারি মাস কেন ২৮ দিনের হয়

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন? আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ানবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন?

    আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মোট দিন ছিল ৩০৪ দিন, যাকে মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব করা হতো। কিন্তু ৩০৪ দিনের ক্যালেন্ডারে ঋতুর হিসাব রাখা ছিল মুশকিল। তাই গ্রীক রাজা পম্পিলিয়াস ঋতুর হিসাব ঠিক রাখার জন্য আরও ৬১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৫ দিনের বছর করেন, বছরের শুরুতে যোগ করা হয় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক ২টি নতুন মাস। জানুয়ারি মাসে ছিল ৩১ দিন, আর ফেব্রুয়ারিতে ৩০ দিন।

    কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিড়ম্বনা। রোমের রাজা “জুলিয়াস” ক্যালেন্ডারে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “কুইন্টিলিস” নামক মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখেন “জুলিয়াস”; যা পরবর্তীতে হয় “জুলাই”। এমনকি ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন নিয়ে জুলাই মাসকে ৩১ দিনের করে দেন জুলিয়াস। একইভাবে জুলিয়ানের ভাইয়ের ছেলে “আগাস্টাস” সম্রাট হওয়ার পর নিজের নামকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “আগস্ট” মাসের নামকরণ করেন এবং ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন দিয়ে আগস্টকেও ৩১ দিনের করে দেন। এভাবেই জুলাই ও আগস্ট হয়ে যায় ৩১ দিনের আর ফেব্রুয়ারি হয়ে যায় ২৮ দিনের।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মৌমাছিরা কীভাবে মধু তৈরি করে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যইবিস্তারিত পড়ুন

    মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যই আলাদা একটি অঙ্গ থাকে যাকে বলা হয় “হানি স্টোমাক”। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করার পর তা সেই হানি স্টোমাকে জমা করে। মৌচাকে ফিরে আসার সময় হানি স্টোমাকের বিভিন্ন এনজাইমের প্রভাবে ফুলের মধুর ধীরে ধীরে ঘন হতে থাকে, অর্থাৎ পানির পরিমাণ কমতে থাকে। মৌচাকে ফিরে আসার পর উদ্গিরন-এর মাধ্যমে মধু এক মৌমাছি থেকে আরেক মৌমাছিতে স্থানান্তরিত হয় এবং প্রতিটি মৌমাছির হানি স্টোমাকের এনজাইমের প্রভাবে মধুর ঘনত্ব বাড়তেই থাকে। শেষপর্যায়ে মৌমাছিরা তাদের ডানা দিয়ে বাতাস করে মধুর ঘনত্ব একদম কমিয়ে আনে যেন তা অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

    মধু তৈরি হয়ে গেলে মৌমাছিরা তা অতি যত্ন সহকারে মৌচাকের বিশেষ কুঠুরিতে সংগ্রহ করে। একটি কর্মী মৌমাছি তার পুরো জীবনে এক চা চামচের ১২ ভাগের ১ ভাগ মধু উৎপাদন করতে পারে। ১ পাউন্ড মধু উৎপাদন করতে ১০০০০ মৌমাছিকে প্রায় ৭৫০০০ মাইল উড়তে হয় এবং প্রায় ৮০ লক্ষ ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    একজন মানুষ বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি কীভাবে হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীবিস্তারিত পড়ুন

    মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীরা এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি। অনেকের ধারণা, বাঁহাতি হওয়ার মূল কারণ আসলে জেনেটিকাল। বাবা-মা দুজনই ডানহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ৯%। বাবা-মায়ের যেকোন একজন বাঁহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা ১৯% এবং বাবা ও মা দুজনই যদি বাঁহাতি হয় তাহলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬% এ।

    তবে বাঁহাতি হওয়া কিন্তু মোটেও খারাপ লক্ষণ না, এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে ক্রিকেট ও বেসবলের মত খেলায় বাঁহাতিদের সফলতার হার ডানহাতিদের চেয়ে বেশি। মজার ব্যাপার হলো মানুষ ছাড়া অন্য সকল জন্তুতে বাঁহাতি ও ডানহাতি হওয়ার হার

    সমান, অর্থাৎ ৫০%।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ইগলু/বরফের ঘর আমাদের কীভাবে উষ্ণ রাখে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে! তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মাবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে!

    তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মানুষ তুষার দিয়েই এক ধরনের ঘর তৈরি করে যাকে বলা হয় ইগলু। মূলত আশেপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা আমাদের দেহের তুলনায় অনেক কম থাকলে আমাদের দেহ থেকে উষ্ণতা পরিবেশে বেরিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যায় এবং আমরা ঠাণ্ডা অনুভব করি। তুষারের ভেতর বিভিন্ন ফাঁকে ফাঁকে অনেক বায়ুকণা আটকে থাকে।

    বাতাস তাপ কুপরিবাহী, তাই তুষারের তৈরি ইগলু থেকে ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বেরোতে পারে না। একটি ইগলু তার ভেতরে বসে থাকা মানুষের দেহ থেকে বিকিরণ হওয়া মোট তাপের প্রায় ৯৫% ধরে রাখতে পারে। ফলে ইগলুর ভেতরের পরিবেশ সহজে ঠাণ্ডা হতে পারে না। এভাবেই বরফের তৈরি একটি ঘর প্রতিকুল পরিবেশে তোমাকে প্রচন্ড ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ‘Thanks’ এবং ‘Thank you’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটিবিস্তারিত পড়ুন

    ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটি ব্যবহার করবেন।

    Thanks এর ব্যবহার :

    যখন আপনার কোনো কিছুর প্ৰয়োজন নেই, তারপরেও কোনো ব্যাক্তি আপনাকে আদর করে যত্নের সহিত কোনো জিনিস আপনকে অফার করছে। তখন সেই ব্যাক্তিকে সম্মানের খ্যাতির আপনি তাকে Thanks বলবেন।

    একটি উদাহরণ আপনি আপনার বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছেন, আপনার জল পিপাসা লাগে নাই। কিন্তু তার পরেও আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য আপনার বন্ধু আপনাকে এক গ্লাস জল অফার করলো। তখন কৃতজ্ঞতা রাখার জন্য আপনি তাকে Thanks বলবেন।

    তো আপনি Thanks তখনি ব্যবহার করবেন যখন কোনো জিনিসের প্রয়োজন না থাকার সত্ত্বেও আপনি পেয়ে যাচ্ছেন।

    Thank You এর ব্যবহার :

    যখন আপনার কোনো জিনিসের প্রয়োজন হবে এবং কোনো এক ব্যাক্তির কাছ থেকে তা পেয়ে যাবেন তখন আপনি Thank You ব্যবহার করবেন।

    আগের উদাহরনেই ফিরে আসেন, আপনি বাড়ির বাইরে আছেন, আপনার খুব জল পিপাসা পেয়েছে। আপনার এখন জলের প্রয়োজন, পাশেই আপনার বন্ধুর বাড়ি সেখানে গেলেন এবং বন্ধু আপনাকে জল অফার করলো। এই কন্ডিশনে আপনি তাকে Thank You বলবেন।

    দুই অবস্থাতেই বন্ধুটি আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য জল অফার করেছে , কিন্তু Thanks এবং Thank You ব্যবহার করবেন আপনি কোন কন্ডিশনে আছেন তার উপর ভিত করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    @ এর জনক কে? @ এর বাংলা কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি  1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য "@" চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান

    রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি  1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য “@” চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

    মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে।

    প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে।

    দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে, বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং তা থেকে প্রসূত অপরাধবোধ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই নিবটি ভেঙে ফেলা হয়। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

    তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, বিচারক যাতে কোনোভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

    শেষ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের। কিন্তু কখনো কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মানুষের মৃত্যু সর্ব অবস্থাতেই একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    “ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০বিস্তারিত পড়ুন

    “ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০ মিলিয়ন বছর ধরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে।

    প্রায় ২৩০ মিলিয়ন বছর পূর্বে প্রথম ডাইনোসর আলোর মুখ দেখে বলে জানা যায়। এখন থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগেই কোন এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ধ্বংস করে দিয়েছিল ডাইনোসরদের প্রভাব। বর্তমানে ধারণা করা হয়, থেরোপোড প্রজাতির ডাইনোসররাই আধুনিক পাখিদের পূর্বপুরুষ।

    অতিকায় এই প্রাণী কিভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল সেটি নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে প্রথমবারের মত ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়। বিভিন্ন শিলা ও পর্বতের অভ্যন্তরে আটকে থাকা ডাইনোসরের অস্থি সমাবেশ এদের দৈহিক গঠন জানান দেয়। কেউ কেউ ডাইনোসরদের সরীসৃপ ভাবতেও পছন্দ করেন, যদিও সেগুলোর পক্ষে যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়না।

    গবেষকরা বহুদিন যাবৎ তত্ব দিয়ে আসছেন যে, বড় ধরণের একটি গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীতে ডাইনোসর অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু এধরণের মারাত্নক বিপর্যয় হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মতভেদ থাকায় সেসব তত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। অবশেষে মার্কিন এবং ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত একদল গবেষক সম্প্রতি প্রকাশিত একটি থিসিসে গ্রহাণু বিপর্যয়ের পক্ষে বেশ কিছু ধারণা প্রকাশ করেছেন।

    বছরের পর বছর গবেষণার ফলে ভূতাত্বিক গ্লেন পেনফিল্ড মেক্সিকোর খিক্সিলওব শহরের কাছাকাছি স্থানে একটি বড় ধরণের আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখের সন্ধান পান, যা ১১০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত। এটি কথিত মহাজাগতিক বিপর্যয়ের অনুকূলে স্বাক্ষী দেয়। তিনি বর্ণনা করেন, উক্ত আগ্নেয়গিরির বিষ্ফোরণ হিরোশিমা-নাগাসাকির বোমার তুলনায় এক বিলিয়ন গুণ শক্তিশালী।

    একই বিষয়ের ওপর অতীতের বিশ্লেষণসমূহ দাবী করত খিক্সিউলব আগ্নেয়গিরিটি ডাইনোসরদের তিরোধানের প্রায় ৩০০,০০০ বছর আগেই শান্ত হয়ে গিয়েছিল, যা পুরো বিষয়টি আরও অস্পষ্ট করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি এর নিকটস্থ ধ্বংসাবশেষের নমুনা নিয়ে অত্যাধুনিক রেডিওমেট্রিক পদ্ধতিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটাই বলতে চাইছেন যে, ডাইনোসর বিলুপ্তির পেছনে মূলত গ্রাহাণুর প্রচণ্ড আঘাত এবং তা থেকে সৃষ্ট দুর্যোগই দায়ী। সেই সাথে পৃথিবীর জলবায়ুগত প্রতিকূলতাকেও দায়ী করেছেন তারা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    রেইকি ( Reiki ) কি? এটি কেন করা হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    রেইকি (REIKI) একটি জাপানী শব্দবন্ধ। ‘রেই’ ও ‘কি’ এই দুটি শব্দের সহ যোগে জাপানি শব্দযুগল রেই-কি তৈরি। ইংরেজী হরফে REI-KI. REI-শব্দের ইংরেজী অর্থ হলো ইউনিভার্সাল বা কসমিক। বাংলায় মহাজাগতিক, আধ্যাত্মিক, সর্বোচ্চশক্তি। আর KI- শব্দের অর্থ ভাইটাল লাইফ ফোর্স এনার্জি বা সঞ্জীবনী প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তি।বিস্তারিত পড়ুন

    রেইকি (REIKI) একটি জাপানী শব্দবন্ধ। ‘রেই’ ও ‘কি’ এই দুটি শব্দের সহ যোগে জাপানি শব্দযুগল রেই-কি তৈরি। ইংরেজী হরফে REI-KI. REI-শব্দের ইংরেজী অর্থ হলো ইউনিভার্সাল বা কসমিক। বাংলায় মহাজাগতিক, আধ্যাত্মিক, সর্বোচ্চশক্তি। আর KI- শব্দের অর্থ ভাইটাল লাইফ ফোর্স এনার্জি বা সঞ্জীবনী প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তি। সব মিলিয়ে মানে দাঁড়ায় কসমিক এনার্জি বা মহাজাগতিক প্রাণশক্তি বা আধ্যাত্মিক শক্তি। এক কথায় সর্বব্যাপী প্রাণশক্তি।
    কোন প্রকার ওষুধ, যন্ত্রপাতি, প্যাথলজিকাল টেষ্ট বা অপারেশান ছাড়াই রেইকি চিকিৎসা আপনাকে সুস্থ করে তোলে। হাজার বছর আগে আমাদের উপমহাদেশে ঋকবেদ ও অথর্ববেদে যাকে প্রাণশক্তি বলা হয়েছে। রেইকি হলো সর্বব্যাপি জীব প্রাণশক্তি যার উপর জীবজড় নির্বিশেষে জন্মা অধিকার বিদ্যমান। এই সর্বব্যাপি শক্তি বা এনার্জি প্রয়োগ করার পদ্ধতি ইহলো রেইকি চিকিৎসা। একে বলা যায় প্রথাবিরুদ্ধ প্রচীনতম চিকিৎসা পদ্ধতির একটি আধুনিকতম সমাধান। যা বহুকাল আগে এ উপমহাদেশে চালু ছিল।
    স্বয়ংসম্পূর্ন চিকিৎসা পদ্ধতি রেইকিকে মুসলিম দেশ সমূহে বলা হয় ‘নুর-এ-ইলাহী’ বা মহা প্রভূ আল্লাহর নূর/ জ্যোতিঃ/ আলো, কোথাও কোথাও বার্ক বা বর্ক। ভারতীয়রা একে মহাজাগতিক প্রাণশক্তি বা প্রাণ বলে থাকে। আমেরিকায় ইউনিভার্সাল লাইফফোর্স এনার্জি বাকসমিক এনার্জি, রাশিয়ায় বায়ো প্লাজমিক এনার্জি, চীনে তাইচি সংক্ষেপে চি। আর জাপানে রেইকি, আধুনিক বিজ্ঞানের শাখা কসমো লজির ভাষায় ঈশ্বরকণা বা হিগস-বোসান বলা হয়।
    উন্নত বিশ্বে রেইকি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ জাপানী বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির নাম। যাকে এক কথায় বলাহয় স্পর্শচিকিৎসা (Touch healing) । কেবলমাত্র দু-হাতের তালুর স্পর্শেই সকল রোগ সেরে যায়- সাধারণ ঠান্ডা লাগা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত যে কোন রোগ। সেটা দৈহিক বা মানসিক, আত্মিক, সাধারণ বা জটিল যাই হোক না কেন। কোন রকম ওষুধ বা রক্তক্ষরণ ছাড়াই রেইকি চিকিৎসা আপনাকে সুস্থ করে তোলে। শুধুমাত্র হাতের ছোয়ায় সহজ থেকে দূরারোগ্য সকল ব্যাধির আরোগ্য সাধন করে- মানুষের, গাছ-পালার, পশু-পাখীর, জীব-জন্তুর কিম্বা জড়বস্তুর।
    অদৃশ্য অনন্ত যে প্রাণশক্তি সৃষ্টির মূলে কৃয়াশীল রয়েছে, তারই সংহত বিশেষ প্রয়োগ স্পর্শের মাধ্যমে বা দূর থেকে রোগ নিরাময়ের প্রয়োজনে বিচ্ছুরিত করা হয়, তাই হল রেইকি চিকিৎসা। প্রবল মানসিক শক্তি, আত্মিক বশ ও শরীর স্থানের জ্ঞান রেইকি চর্চাকারীদের বিশেষ অবস্থানে উন্নীত করে।
    শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি সব ধরনের মানসিক সমস্যা থেকে আরোগ্যের ক্ষেত্রেও রেইকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আত্মবিশ্বাসহীনতা, দুশ্চিন্তা, ভয়, জড়তা বা সংকোচ ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরোগ্যের ক্ষেত্রেও রেইকি সুন্দর কাজ করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও রেইকির ফলাফল চমকপ্রদ।
    কীভাবে করা হয় রেইকি চিকিৎসা:
    রেইকিতে দুই ধরনের পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। রেইকি প্রথম ডিগ্রি কোর্স সম্পন্ন করার পর যে কেউ স্পর্শ করে অন্যকে নিরাময় করতে পারেন। রেইকি দ্বিতীয় ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর দূরবর্তী যেকোনো স্থানের রোগীর আরোগ্য লাভের জন্য হিলিং করা যায়। এক্ষেত্রে স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না।
    রেইকি প্রথম ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন রেইকি চ্যানেল পরিচিত যে কারো শরীরের অসুস্থ স্থানে রেইকি দিতে পারেন। এতে করে অসুস্থ ব্যক্তি শারীরিক ও মানসিকভাবে আরাম অনুভব করেন। প্রথম ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন রেইকি চ্যানেল নিজের ও অন্যের রোগ নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। নিজের পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের যেমন বাবা মা, ভাই বোন, স্ত্রী ও সন্তানের যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে রেইকি ব্যবহার করে সাফল্য পেতে পারেন।
    রেইকি সেকেন্ড ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর দূরবর্তী যে কাউকে রেইকি দেওয়া যায়। নিয়মিত কয়েকদিন রেইকি দেওয়া হলে রোগী দূরবর্তী যেখানেই থাকুন না কেন তার শরীরে রেইকির শক্তিপ্রবাহের সঙ্গে সাড়া প্রদান করে। ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে রোগযন্ত্রণা উপশম হয়।
    আমাদের এখানে ব্যাকপেইন, অ্যাজমা, আথ্রাইটিস, গ্যাংগ্রিনসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে লোকজন আসেন। আমরা শিখিয়ে দিই কিভাবে নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা শক্তিপ্রবাহকে সক্রিয় করে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায়। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যকে ভালো রাখা যায়।
    যে কেউ চাইলে রেইকি শিখতে পারেন ও চর্চা করতে পারেন। এজন্য বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। দরকার একান্ত বিশ্বাস ও নিয়মিত অনুশীলন। এটি হচ্ছে এক ধরনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
    কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনায় রেইকি হতে পারে ফার্স্ট এইড। সাধারণ অসুখের ক্ষেত্রে ৩ দিনের রেইকি চিকিৎসা যথেষ্ট। কঠিন রোগে চিকিৎসা করতে হয় ৪১ দিন।
    একজন রেইকি মাস্টার নিজের শরীরে কসমিক এনার্জি এবজর্ব করেন তার শরীরের বিভিন্ন এন্ডোক্রিন গ্রন্থির মাধ্যমে। এই এনার্জি হাতের মাধ্যমে বাহিত হয় অন্যের শরীরে বা বস্তুতে। রেইকি এনার্জি আপন গতিতে চলে। হয়ত শরীরের যে সমস্যার জন্য রেইকি করা হচ্ছে, তারচে’ বড় সমস্যা ঐ শরীরে আছে। তখন কসমিক এনার্জি বড় সমস্যার স্থানেই চলে যায়। বড় সমস্যার সমাধান শেষে অন্যান্য ছোট সমস্যার সমাধান করে। এ কারণে রেইকিকে বলা হয় স্বয়ংসম্পূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি।
    রেইকি হলো স্লো বাট স্টেডি চিকিৎসা পদ্ধতি; এটি কোনো ম্যাজিক নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি রেইকি করলে রোগীর মানসিক ও শারীরিক কষ্ট দূর হয়। তাছাড়া এতে শরীর রেসপন্সও করে বেশি। অর্থাৎ রেইকি পরোক্ষভাবে চিকিৎসা পন্থার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এজন্যই বর্তমানে রেইকি মাস্টাররা হাসপাতালের আইসিইউতেও প্রবেশের অনুমতি পেয়ে থাকে। মানবদেহের এনার্জি চক্র থেকে এন্ডোক্রিন গ্ল্যান্ড পর্যন্ত যোগাযোগে যখন বিঘ্ন ঘটে, তখনই শরীরে সমস্যা দেখা দেয়। আর এই বিঘ্নতার কারণ আমাদের নেগেটিভ এটিচিউড, নেগেটিভ ফিলিংস এবং কনফিউশন এগুলোই বাধা তৈরি করে। এগুলো থেকেই খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাপনে নেগেটিভ এনার্জি চলে আসে, দেখা দেয় রোগ-শোক। সাধারণত রোগের লক্ষণ শরীরে থাকলেও এর মূল উৎস মনে। যেমন আর্থ্রাইটিসের কারণ মনের মধ্যে ভালোবাসা না পাওয়ার যন্ত্রণা, এজমার কারণ মনের মধ্যে বদ্ধতা ইত্যাদি। রেইকি মনের এই নেগেটিভ কারণগুলো দূর করে, ফলে রোগ সেরে যায়।
    রেইকির প্রধান সূত্র হল কুচিন্তা ত্যাগ করে নিরন্তর শুভচিন্তা নিয়ে জীবন যাপন। দীর্ঘদিনের নেগেটিভ চিন্তা আমাদের শরীরে এনার্জি গ্রহণের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়। নেগেটিভ চিন্তার বদলে পজিটিভ এনার্জির প্রতিনিয়ত ব্যবহারই খুলে দিতে পারে শরীরে কসমিক এনার্জি গ্রহণের সবক’টি দ্বার। রেইকি পজিটিভ এনার্জি হওয়ায় মনের ওপর এর প্রভাব অপরিসীম। এতে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যায়। সে সবকিছু পজিটিভ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে।
    রেইকি চিকিৎসায় শেখানো হয়
    ১। আজকের জন্য আমি এই বিশ্বের কাছ থেকে যা পেয়েছি, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব;
    ২। আজকের জন্য আমি কোনো দুঃশ্চিন্তা করব না;
    ৩। আজকের জন্য আমি মোটেই রাগ করব না;
    ৪। আজকের জন্য আমি প্রতিটি কাজ সৎভাবে করব;
    ৫। আজকের জন্য আমি প্রতিটি প্রাণির প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা প্রদর্শন করব।
    রেইকি চিকিৎসা নিতে শারীরিক কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তবে মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, কারণ এতে মাইন্ড কনসেনট্রেশন করতে হয়। রেইকি মাস্টারের মাধ্যমে সোলার এনার্জি গ্রহণের আস্থা বা বিশ্বাস ও এখানে জরুরি বিষয়।
    যেকোনো এডিকশন বা আসক্তি ছাড়াতে, বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে, সম্পর্ক উন্নয়নে, ওজন কমাতে রেইকি চমৎকার ফল দেয়। রেইকি মন ও শরীরের মধ্যে সমন্বয় সাধন তথা ভারসাম্য রক্ষা করে। শরীর ও মনের ভারসাম্য থাকলে শরীরে অসুখ বাসা বাঁধতে পারে না। খাবারের ওপরও রেইকি করা যায়। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়ে। রেইকির শক্তি খাবারের ক্ষতিকর উপাদান মুছে ফেলে। তাই রেইকি করলে খাবার হজম হয় ভালো।
    রেইকি চিকিৎসা গ্রহণের সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত নয়, যা খেলে শরীরে টক্সিন জমে। যেমন চা, কফি, সিগারেট, এলকোহল প্রভৃতি। বরং কাঁচা বা সেদ্ধ সব্জি ও ফল খাওয়া উচিত। কারণ এগুলোর ‘র’ এনজাইম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। তাছাড়া এ সময় প্রচুর জল পান করা উচিত।
    কি কি রোগের চিকিৎসা হয়:
    ‘রেইকি’ মহাজাগতিক প্রাণ শক্তি’র প্রয়োগের ফলে শরীরের বহুরকম ব্যাধির আরোগ্যলাভ সম্ভব হয়। যে কোনও রোগের উপর নূরে ইলাহি তখা রেইকি চিকিৎসা চালিয়ে রোগীকে আরোগ্যের পথে নিয়ে আসা যায়। রেইকি শক্তির প্রয়োগ দ্বারা যে কোন অবস্থায় যে কোনও সময়ে যে কোন পরিবেশে আশ্চর্য্যজনক ফললাভ করা সম্ভব হয়। যে কোনও ব্যথা এবং আকস্মিক দুর্ঘটনাতে রেইকি শক্তি অকল্পনীয়রূপে কার্য্যকরী হতে দেখা যায়।
    রেইকি মোটামুটি সমস্ত জ্ঞাত রোগাদির চিকিৎসায় সহায়ক বিধি হিসাবে খ্যাত এবং স্বীকৃত। যেমন সাধারণ জ্বর, সকল মাথাব্যাথা থেকে আরম্ভ করে লিভারের সমস্যা, কিডনীর সমস্যা, ব্লাডপ্রেসার, শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট (হাঁপানী), টাইফয়েড, রিউমেটিক ও আর্থারাইটিস বেদনা, হার্টের রোগ, পেরালাইসিস, স্পন্ডিলাইটিস, কোমরের বেদনা ইত্যাদি। সন্ধি-শোথ, ধমনী কাঠিন্য, হৃদরোগ, রক্তচাপ, গোপন আঘাত, পিঠের ব্যথা, পেটের রোগ, গলার রোগ, পিত্ত পাথরি, অনিদ্রা, এলার্জি, ডায়াবেটিস বা মধুমেহ, ক্লান্তি, ব্রণ, হার্ট, স্নায়ু, লিভার, ফুসফুস, রক্তনালী, ইত্যাদির চিকিৎসায় রেইকি খুব ফলপ্রদ বিধি।
    সকল জটিল ও কঠিন রোগে তথা পলিও, অর্টিজম, মৃগীরোগ, আলজেইমার, পার্কিনসন, এইডস, বাক আরষ্টতা, তোথলামি, হাঁপানি, আগুনে পুড়ে যাওয়া, স্ট্রোক, সকল ধরনের বাত-ব্যথা, মাইগ্রেণ, টিউমার, সকল প্রকার ক্যান্সার, গ্যাংগ্রিন, একশিরা, হার্নিয়া, চোখের বিভিন্ন অসুখ, নাকডাকা, মুখের দুর্গন্ধ, শ্বেতি বা ধবল, একিউট ডিজিজ, ইনফেকশন ইত্যাদি রেইকিতে ভাল হয়। রেইকি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার নিরাময়ে রেইকি কার্যকর। জটিল ও কঠিন অবস্থায়ও ঈশ্বরের আশীর্বাদে আরোগ্য সম্ভব, তবে রোগীর ক্যান্সার জনিত কষ্ট বা উপসর্গ অচিন্তনীয়ভাবে কমে যায়। মৃত্যুর মুখোমুখি অবস্থায় রোগীর মৃত্যু আরামের সাথে হয়ে থাকে।
    সারা শরীর, মন ও আত্মার সকল রোগ, পুরুষ ও নারীর ইনফার্টিলিটি বা বন্ধাত্ব, ডিম্বাশয়ের টিউমার, জ্বরায়ু ক্যান্সার, মাসিক ঋতুজনিত অসুস্থতা, শ্বেতস্রাব, নপুংসতা, সকল যৌন রোগ, সকল স্ত্রী রোগ, লোয়ারব্যাক পেইন, সিস্ট, ভার্টিগো, বিছনায় প্রস্রাব করা, নারী ও পুরুষদের সকল ব্যক্তিগত সমস্যা এবং গর্ভাবস্থায় রেইকি করা ভাল। গর্ভবতী মহিলারা রেইকি করলে গর্ভস্থ বাচ্চার স্বাস্থ্য ভাল হয়। প্রসব ব্যাথাহীন হয়, বাচ্চা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায় না।
    মস্তিস্কের নানা প্রকার ব্যাধি, উত্তেজনা, চাপ যাকে আমরা টেনশন, হাইপারটেনশন ইত্যাদি বলে থাকি। মানসিক উত্তেজনা থেকে অনিদ্রার সৃষ্টি হয়, এসব রোগী’র রেইকি শক্তি প্রয়োগ দ্বারা আরোগ্য লাভ হয়। আত্ম বিশ্বাসের অভাব, উদ্বেগ, রাগ, বদমেজাজ, সকল মানসিক উৎপীড়নকে আয়ত্বে আনা সম্ভব হয়। সকল মানসিক সমস্যা তথা বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সকল ধরণের ভয়-ভীত, টেনশন, শুচিবায়ু, অনিদ্রা, সকল ধরনের নেশা মুক্তি, সকল ব্যথা, বাক আরষ্টতা, খিঁচুনি, হিস্টিরিয়িা, ম্যানিয়া, সন্দেহ প্রবনতা, সকল মানসকি রোগ, ক্ষুধামন্দা, বদরাগ, ইরিটেবিলিটি বা খিটখিটেপনা, ডিপ্রেসান বা অবসাদ, সকল মানসকি চাপ কমাত, স্নায়ু দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য রেইকি কার্যকর।
    রেইকি শুধু রোগ-ব্যাধিই সারায় না, মানসিক শক্তি বৃদ্ধি ও মননিয়ন্ত্রণে অব্যর্থ। ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশে ও স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং পড়াশোনায় অমনযোগীতা দূর করে। মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, ছাত্র-ছাত্রীদের অমনোযোগিতা দূর, ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও আত্মউন্নয়নরে পথকে সুগম করে। ভূলে যাওয়া টেলিফোন নম্বর মনে করতে রেইকি করুন। রেইকি কেরিয়ার বিল্ডিং-এ সাহায্য করে। যে কোন রকম আসক্তি বা অ্যাডিকশন ছাড়াতে রেইকি সাহায্য করে।
    রেইকি মাস্টার বা রেইকি থেরাপিষ্টগণ রোগ ভেদে চিকিৎসার সময় নির্ধারণ করেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রেইকি চিকিৎসায় রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন হয়না। তবে স্কেনিং এর মাধ্যামে রোগের অবস্থান ও তীব্রতা নির্ণয় করা যায় সহজেই। রেইকি যেমন মানব দেহের উপর আরোগ্যলাভের পথ সুগম করে এবং জীবনকে মধুময় আনন্দে ভরে তোলে। রেইকি প্রযোগে জীব-জন্তুকে সবল ও নীরোগ রাখা সম্ভব হয়। শষ্য ক্ষেত্রে, ফুলের বাগানে রেইকি প্রয়োগদ্বারা বাগান বাড়ী ফলে ফুলে ভরে উঠতে পারে। মোটকথা গাছপালা, গরু-ছাগল, কুকুর-বিড়াল, হাঁস-মুরগির উপরও রেইকি করে অত্যন্ত সুফল পাওয়া যায়।
    সবার ও সবকিছুর জন্য রেইকি:
    রেইকি সকলের জন্য। নিজে নিজেকে রেইকি করা যায়। সুস্থ অবস্থাতেই রেইকি করুন অসুস্থতা এড়াবার জন্য। আর অসুস্থ ব্যক্তিরা রেইকি করুন সুস্থ থাকার জন্যে। অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুরবেদি, ইউনানিসহ সকল ওষুধের সঙ্গে রেইকি ব্যবহার করা যায়। রেইকি অন্য চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে চলতে পারে। এতে চলমান পদ্ধতির কোন ক্ষতি হয়না, বরং ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রেইকি করলে কেউ হঠাৎ বিপদে পড়বেন না। রেইকি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক উন্নত করতে সাহায্য করে। গাছপালা হাঁস-মুরগির উপরও রেইকি করে ভাল ফল পাওয়া যায়। মৃতের উদ্দেশ্যেও রেইকি প্রেরণ করা যায়। রেইকি বন্ধু বাড়ায়। রেইকি দ্বারা আমাদের ইমিউন সিষ্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তথা জীবনীশক্তি বেড়ে যায়। জীবনী শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে কঠিন ব্যাধির আশঙ্কা থেকে নিজেকে মুক্ত করা সম্ভব।
    রেইকি চিকিৎসার ফলাফল:
    যখনই রোগীর শরীর রেইকি চিকিৎসায় সাড়া দেবে, রোগীর কষ্ট লাঘব হবে, কিন্তু কারনের সন্ধান রোজই করতে হবে, তাহলেই ফল পাওয়া যাবে ও আরোগ্য সাধনের পথ সহজ হবে। সমস্ত শরীরে এই চিকিৎসার সময় ‘রেইকি চ্যানেল’ অর্থাৎ যার মাধ্যমে রোগীর দেহে এই প্রাণ শক্তি যাচ্ছে তার সিজেন হাত দ্বারা রোগীর দেহের রোগের সন্ধান পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে অনুসন্ধান করে। তার হাত তখন ভীষণ ভাবেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠে। রোগীর শরীরের সামান্য পুঞ্জিত রোগের কারণও সে টের পায়- সেটা দৈহিক বা মানসিক, সাধারণ বা জটিল যাই হোক না কেন, কোনরকম ওষুধ বা রক্তক্ষরণ ছাড়াই ‘রেইকি চিকিৎসা’ দেহকে সুস্ত করে তোলে।
    চারদিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে রোগীর দেহের অভ্যন্তরে পরিবর্তণ লক্ষিত হয়। প্রতিটি আভ্যন্তরীন গ্রন্থি বা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সঠিক ভাবে কার্য্য নির্বাহ শুরু করে, দেহ প্রাণশক্তিতে সক্রিয় হয়ে উঠে।
    প্রতিটি পরিপাক বা হজমকারী উৎসেচক বা পাচকরস, জারকরস সঠিক মাত্রায় প্রবাহিত হয়ে পাচনতন্ত্রকে স্বাভাবিক করে। পীড়িত স্নায়ুকে স্বাভাবিক করে। শরীরের অভ্যন্তরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে নিজ নিজ কার্য্য সম্পন্ন করে, বর্জ্য পদার্থ দেহের বাহিরে নিক্ষেপ করে। বহু বছরের পুঞ্জীভূত টক্সিন শরীর থেকে বের হয়ে আসে। এটা একরকম আঠালো ঘামের মতোই দেহের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। মল গাঢ় রঙের দুর্ঘন্ধযুক্ত হয়। মূত্র বা প্রস্রাব গাঢ় চায়ের বর্ণ ধারণ করে। আবার কখনো মনে হয় ময়দা গোলা জল। এই অবস্থা চার থেকে ছয় দিন থাকে। আবার অনেক রোগীর ক্ষেত্রে মাত্র এক দিনের চিকিৎসাতেই সাড়া দিতে দেখা যায়।
    সাধারণ মাথাব্যাথা, মাইগ্রেন বা যে কোন ধরণের বাত-ব্যাথা, আর্থাইটিস, এলার্জি, আলসার, হৃদরোগ, পুড়ে যাওয়া, পিঠের ব্যাথা, পেটের রোগ, কিডনির রোগ, পিত্তের রোগ, লিভার সমস্যা, অনিদ্রা, ইত্যাদি সকল সাধারণ ও জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব। পলিও আক্রান্ত, অংগ বিকৃত রোগীদের জটিল অবস্থায়ও রেইকিতে সুফল পাওয়া যায়। রেইকি রোগের উৎপত্তিস্থলে গিয়ে সম্পূর্ণ আরোগ্য করে।
    রেইকি কখন কাজ করেনা:
    1. ক্লায়েন্টের প্রত্যাশা খুব বেশি হলে অর্থাৎ যদি তিনি এটা আশা করেন যে রেইকি কোনো জাদু বা চমৎকার করে ত্‌ৎক্ষণাত রোগ নিরাময় করবে।
    2. ক্লায়েন্টের সন্দেহজনক মানসিকতা অর্থাৎ যদি তিনি অনুশীলনকারীর উপর নির্ভর না করেন, রেইকিকে বিশ্বাস না করেন এবং তাদের জীবন ও পরিস্থিতি সুষ্ঠু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে না চান।
    3. পর্যাপ্ত ট্রিটমেন্ট না নেওয়া বা অনুশীলন না করা: অন্য সবকিছু মত অনুশীলন কোনো কিছুকে নিখুঁত করে তোলে এবং কার্যকারিতাকে বাড়িয়ে দেয়।
    4. রোগী যদি একটি নির্দিষ্ট ফলাফল চান তাহলে হতাশ হবেন। কারন রেইকিতে রোগীর সর্বাপেক্ষা ভালই হবে,যেটা হয়তো সেই সময় সবারই অজানা।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ খেলাধুলা

    মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়েবিস্তারিত পড়ুন

    মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়ে কথা বললে অপর দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা তাদের কৌশল বুঝে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন । এজন্যই মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    PHP কেন শিখবো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পিএইচপি (PHP : hypertext preprocessor ) একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বা প্রোগ্রামিং ভাষা ।  পিএইচপি মূলত সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং এর জন্য ব্যবহার করা হয় । স্ক্রিপটিং হচ্ছে প্রোগ্রামের আরেকটি সমার্থক শব্দ । আর server-side হচ্ছে এই স্ক্রিপটিং গুলোকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার থেকে নিয়ন্ত্রণ এর বদলে সারবিস্তারিত পড়ুন

    পিএইচপি (PHP : hypertext preprocessor ) একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বা প্রোগ্রামিং ভাষা ।  পিএইচপি মূলত সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং এর জন্য ব্যবহার করা হয় ।

    স্ক্রিপটিং হচ্ছে প্রোগ্রামের আরেকটি সমার্থক শব্দ । আর server-side হচ্ছে এই স্ক্রিপটিং গুলোকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার থেকে নিয়ন্ত্রণ এর বদলে সার্ভার থেকে হ্যান্ডেল করা ।

    যখন কেউ পিএইচপি ওয়েব পেইজ ভিজিট করবেন তখন ওয়েব সার্ভার পিএইচপি কোড গুলোকে প্রসেস করে যেটা দেখানো দরকার সেটা দেখাবে এবং যেটা দেখানোর দরকার নেই বা লুকানোর দরকার সেটা লুকাবে ।

    এই প্রসেস গুলো হয়ে গেলে কোডগুলোকে  এইচটিএমএল (HTML) এ রুপান্তর করে ইউজারের ওয়েবপেজ ব্রাউজারে এ পাঠিয়ে দেয় ।

    পিএইচপি একটা স্ক্রিপ্টিং ভাষা যা চলমান ওয়েব পেজের জন্য তৈরি করা হয়েছে । এটা মূলত ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় । পিএইচপি কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে এবং গ্রাফিক্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে ব্যবহার করতে পারে

    ১৯৯৫ সালে রাস্মুস লারডরফ সর্বপ্রথম পিএইচপি উদ্ভাবন করেন । তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পিএইচপির প্রয়োগ পিএইচপি গ্রুপ এবং সার্ভার এর মাধ্যমে হয়ে আসছে । পিএইচপি একটি বিষয়ের মধ্যে সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয় ।

    পিএইচপি “পিএইচপি লাইসেন্স” এর অধীনে একটি ফ্রি সফটওয়্যার যা পিএইচপি ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা থাকলেও জি এন ইউ জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স এর সাহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ ।

    পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত স্ক্রিপ্টিং ভাষা । এটা web-development দের জন্য বিশেষ উপযোগী এবং এইচটিএমএল এর ভাষায় প্রকাশ করা যায় ।

    পিএইচপি সাধারণত একটি ওয়েব সার্ভার পরিচালিত হয় যা পিএইচপি কোড কে নির্দেশনা আকারে ব্যবহার করে এবং ওয়েব পাতা তৈরি করে ফলাফল প্রদর্শন করে থাকে । বেশিরভাগ ওয়েব সার্ভারে এটি ব্যবহার করা যায় এবং প্রায় সকল অপারেটিং সিস্টেমই বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় ।

    ১৯৯৮ সালে পিএইচপি তৈরি  শুরু হয়েছিল  । তখন এর নাম ছিল   PHP : personal home page । যখন রাসমুস লের্ডর্ফ “কমন গেটওয় ইন্টারফেস” নামে একটি বই লিখে “পার্ল ” প্রোগ্রামিং ভাষা  । এটার কাজ ছিল পার্সোনাল ওয়েবসাইট মেইনটেইন করা ।

    তারপরে তিনি এই একই স্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং ” সি ”  ভাষায় পুনরায় আবার লেখেন । এর সাথে তিনি ওয়েব ফর্ম এবং ডেটাবেজে যুক্ত হওয়ার সুবিধা যোগ করে । তারপরে তিনি এর নাম দেন Personal Home Page সংক্ষিপ্তভাবে PHP । এটি সাধারণত ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরিতে ব্যবহার করা হতো ।

    ১৯৯৫ সালে পিএইচপি (PHP) তে এইচটিএমএল (HTML) এমবেডেড করে দেওয়া হয় । পিএইচপি র ভার্সন এবং তৈরি কাল সময় গুলো হল ,

    ১৯৯৮ সালে পিএইচপি ভার্সন ৩

    ২০০৪ সালে পিএইচপি ভার্সন ৫

    ২০১৯ সালে পিএইচপি বর্তমান সর্বশেষ ভার্সনটি হচ্ছে ৭.৩.৩

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মরুভূমির বালু খুবই মসৃণ থাকে এবং অনেকটাই রাউন্ড শেপ হয়, যার ফলে, সিমেন্ট থাকা সত্ত্বেও, জয়েন্ট শক্ত হয় না। এর বালি দিয়ে নির্মিত বাড়িঘর মজবুত হয় না বিধায় নির্মাণ কাজে তা ব্যবহার করা হয় না। স্ট্রং জয়েন্ট এর জন্য রাফ সারফেজ (rough surface) দরকার এবং কোণ থাকা দরকার। যাতে, পারস্পরিকভাবে দুটো তলবিস্তারিত পড়ুন

    মরুভূমির বালু খুবই মসৃণ থাকে এবং অনেকটাই রাউন্ড শেপ হয়, যার ফলে, সিমেন্ট থাকা সত্ত্বেও, জয়েন্ট শক্ত হয় না। এর বালি দিয়ে নির্মিত বাড়িঘর মজবুত হয় না বিধায় নির্মাণ কাজে তা ব্যবহার করা হয় না। স্ট্রং জয়েন্ট এর জন্য রাফ সারফেজ (rough surface) দরকার এবং কোণ থাকা দরকার। যাতে, পারস্পরিকভাবে দুটো তল মিশে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ফারাও বা ফেরাউন দের মৃতদেহকে কেন পিরামিডের মধ্যে রাখা হত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রাচীন কালে মিশরের ফ্যারাও এবং সম্ত্রান্তদের মৃতদেহের সমাধিস্থলে নির্মিত স্মৃতিসৌধকে বলা হত পিরামিড। মিশরের পিরামিডগুলি তৈরি করা হয়েছিল নানা কারণে। মিশরবাসী বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও মানুষের আর-একটা জীবন রয়েছে। তাই তারা মৃতদেহকে মমি করে কাঠের বাক্সে ভরে সমাধিস্থ করত। প্রাচীন মিশরে কেবলমাত্র ফ্যারাবিস্তারিত পড়ুন

    প্রাচীন কালে মিশরের ফ্যারাও এবং সম্ত্রান্তদের মৃতদেহের সমাধিস্থলে নির্মিত স্মৃতিসৌধকে বলা হত পিরামিড। মিশরের পিরামিডগুলি তৈরি করা হয়েছিল নানা কারণে।

    মিশরবাসী বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও মানুষের আর-একটা জীবন রয়েছে। তাই তারা মৃতদেহকে মমি করে কাঠের বাক্সে ভরে সমাধিস্থ করত। প্রাচীন মিশরে কেবলমাত্র ফ্যারাও এবং ধনী অভিজাত শ্রেণির লােকেরাই মৃত্যুর পর মৃতদেহকে সংরক্ষণের অধিকারী ছিল। ধনী পুরােহিত শ্রেণির তত্ত্বাবধানে তৈরি হত পিরামিডগুলি।

     মিশরবাসী বিশ্বাস করত যে‌ মৃত্যুর পর আত্মা দেহের মধ্যেই অনন্তকাল ধরে বেঁচে থাকে। তাই আত্মাকে ইহলােকের দেহেই বাস করার সুযােগ দেওয়া উচিত। যাতে বিশেষ পরিস্থিতিতে মৃতদেহটি পুনরুজ্জীবিত হয়। এই ধারণা থেকেই মৃতদেহগুলিকে মমি হিসেবে সংরক্ষণ করা হত। আর সেই সমাধিস্থলে পিরামিড নির্মিত হত।

     মিশরের ফ্যারাওগণ পিরামিড তৈরির মধ্যে দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নিজেদের মহিমা প্রচার করতে চেয়েছিলেন। মেনেস, খুফু, তুতেনখামেন, দ্বিতীয় রামেসিস, নেফরা- সহ বিভিন্ন ফ্যারাও এই লক্ষ্য নিয়েই বড়াে বড়াে পিরামিড তৈরি করে গেছেন।

     মিশরের অধিবাসীরা ছিল রক্ষণশীল মনােভাবাপন্ন| তারা মনে করত মানুষের দেহ থেকে শুরু করে সব কিছুই প্রকৃতির দান, যা কখনোই নষ্ট করা উচিত নয়। এই মনােভাব থেকেই তারা মৃতদেহকে রক্ষার জন্য মমি বানাত। প্রথমদিকে তারা এই মমিকে সাধারণভাবেই সমাহিত করত। মাটির নীচে শায়িত মমির পাশে তারা বহু ধনরত্ন এবং তার ব্যবহার্য জিনিসপত্র রাখত। কিন্তু অচিরেই সেগুলি লুঠ হয়ে যেত। তাই মমির সুরক্ষার প্রয়ােজনীয়তা থেকেই তৈরি হল পিরামিড।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ১ বিলিয়ন সমান বাংলাদেশের কত টাকা

    Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ১ বিলিয়ন সমান কত টাকা ১ বিলিয়ন সমান ১০০ কোটি । ১ বিলিয়ন বাংলাদেশী টাকা সমান ১০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা । ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান কত টাকা? ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান ৯৬০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা (যদিও বাংলাদেশী টাকা এবং ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৯ হাজাবিস্তারিত পড়ুন

    ১ বিলিয়ন সমান কত টাকা

    ১ বিলিয়ন সমান ১০০ কোটি । ১ বিলিয়ন বাংলাদেশী টাকা সমান ১০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা ।

    ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান কত টাকা?

    ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান ৯৬০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা (যদিও বাংলাদেশী টাকা এবং ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৯ হাজার ৬ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন usd (মার্কিন ডলার ) ।

    ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান ৭৮০০ কোটি ভারতীয় টাকা (যদিও ভারতীয় টাকা এবং ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৭ হাজার ৮ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন usd (মার্কিন ডলার ) ।

    ১ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার সমান কত টাকা?

    ১ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার সমান ৭২০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা (যদিও বাংলাদেশী টাকা এবং কানাডিয়ান ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৭ হাজার ২ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন Canadian Dollar (কানাডিয়ান ডলার ) ।

    ১ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার সমান ৬১০০ কোটি ভারতীয় টাকা (যদিও ভারতীয় টাকা এবং কানাডিয়ান ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৬ হাজার ১ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন Canadian Dollar (কানাডিয়ান ডলার ) ।

    ১ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সমান কত টাকা?

    ১ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সমান ৬৫০০ কোটি বাংলাদেশী টাকা (যদিও বাংলাদেশী টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৬ হাজার ৫ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন Australian Dollar (অস্ট্রেলিয়ান ডলার ) ।

    ১ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সমান ৫৪০০ কোটি ভারতীয় টাকা (যদিও ভারতীয় টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার এর মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ের হিসেবে ৫ হাজার ৪ শত কোটি টাকার সমান হবে ১ বিলিয়ন Australian Dollar (অস্ট্রেলিয়ান ডলার ) ।

    Billionaire কাদের বলা হয়?

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে কোটিপতি শব্দটি বেশ প্রচলিত । অর্থাৎ যেসব বাক্তির কাছে ১ কোটির বেশি টাকা থাকে তাদের কোটিপতি বলা হয়ে থাকে ।

    পশ্চিমী দেশগুলিতে কোটি একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়না । পরিবর্তে মিলিয়ন, বিলিয়ন ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

    যদি কোনো বাক্তির কাছে ১ বিলিয়ন ডলার (১০০ কোটি ডলার) থাকে তাহলে ঐ বাক্তিতে Billionaire বলা হয়ে থাকে ।

    Billionaire কি millionaire?

    ১০ লাখ হলো এক মিলিয়ন এবং ১০০ কোটি হলো বিলিয়ন অর্থাৎ একজন Billionaire এর কাছে millionaire এর থেকে প্রচুর বেশি টাকা আছে ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বিজ্ঞানীরা বলছেন, শূন্য থেকে “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর মাধ্যমে আমাদের মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। এটা কী করে সম্ভব? শূন্য থেকে হুট করে আমাদের এ মহাবিশ্ব তৈরি হয়ে গেল।

    Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জ্বি, স্রেফ "শুন্য" থেকেই আমাদের এই আশ্চর্যরকম সুন্দর মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু তা কী করে সম্ভব? চলুন দেখা যাক। তবে প্রথমেই বলে রাখি, আপনার হাতে যদি মিনিমাম ১০ মিনিট সময় ও অসাধারণ এ বিষয়টি নিয়ে মোটামুটি ধারণা নেওয়ার আগ্রহ থাকে তাহলেই কেবল পড়বেন। এখানে মূল পড়া খুব বেশি নয়। কিন্তু সকলের বোঝার উবিস্তারিত পড়ুন

    জ্বি, স্রেফ “শুন্য” থেকেই আমাদের এই আশ্চর্যরকম সুন্দর মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু তা কী করে সম্ভব? চলুন দেখা যাক।

    তবে প্রথমেই বলে রাখি, আপনার হাতে যদি মিনিমাম ১০ মিনিট সময় ও অসাধারণ এ বিষয়টি নিয়ে মোটামুটি ধারণা নেওয়ার আগ্রহ থাকে তাহলেই কেবল পড়বেন। এখানে মূল পড়া খুব বেশি নয়। কিন্তু সকলের বোঝার উপযোগী ও একটুখানি “রস” দ্বারা লিখতে গিয়ে একে দীর্ঘায়িত করে রীতিমতো একটা “প্রবন্ধ” বানিয়ে ফেলেছি!! পাঠকরা তাই একে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    উত্তরটিতে যা যা আলোচনা করেছি –

    1. প্রথমে ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি হিসেবে “শুন্যতা” ও “কণা-প্রতিকণার” ধারণা।
    2. তারপর “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর ধারণা।
    3. অতঃপর “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর বিখ্যাত দুটো প্রমান।
    4. এবং পরিশেষে একটি অমীমাংসিত প্রশ্নের উল্লেখ।

    যথেষ্ট আগ্রহ ও শেখার মানসিকতা নিয়ে মনোযোগ সহকারে পড়লে “বোরিং” লাগবেনা আশা করি। শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ।

     imgbox

    ছবি ১ঃ “শূন্য” থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস

    মানুষের হাজার হাজার বছরের ঐতিহাসিক প্রশ্ন –

    আমরা কে? আমাদের চারপাশে যে গাছপালা আর পশুপাখি, দূর আকাশে জ্বলন্ত ওই নক্ষত্র আর তারকারাজি, মহাকাশে ছুটে চলা ধূমকেতু আর উল্কারাজি-কোথা থেকে এলো এতকিছু? কেনই বা আমরা এখানে অবস্থান করছি?

    এমন কোনো মানুষ এই ধরণীর বুকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যাকে এ প্রশ্নগুলো একটিবারও ভাবায়নি।ছোট্ট খোকা একটুখানি বড় হতেই প্রশ্ন করে- মাগো! বলোনা,এলাম আমি কোথা থেকে? মা তখন ছেলেকে বুকে তুলে নিয়ে রূপকথার গল্প শোনায়। সে গল্প শুনতে শুনতে খোকার চোখ ঝিমিয়ে আসে।সেই সাথে খোকা হারিয়ে যেতে থাকে স্বপ্নের অতল গহ্বরে।

    আদিম মানুষরা যখন ঐ দূর আকাশটার পানে তাকিয়ে তাকিয়ে নির্বাক হয়ে ভাবতো, কল্পনা তখন তাদেরও তীব্রভাবে আচ্ছন্ন করে রাখতো। আর সেই কল্পদেশেই তারা বুনে বেড়াতো অসাধারণ সব রূপকথার মায়া ছড়ানো কল্পজাল।

    কিন্তু বিজ্ঞান কি আর কল্পলোকের এরূপ দাসত্ব করতে পারে? বিজ্ঞান তো এমন এক বিদ্রোহী সত্ত্বা যার “এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আরেক হাতে রণতুর্য”। সত্যকে সে যেমন করে অভিনন্দিত করতে জানে,মিথ্যেকেও সে তেমনিভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে জানে।তাইতো বিজ্ঞান শত সহস্র বছরের রুপকথাকে এক তুড়িতে ছিটকে ফেলে উন্মোচন করেছে আসল সত্যের,যে সত্য দিয়েছে সকল প্রশ্নের সমাধান,করেছে সকল চিন্তার অবসান।

    কিন্তু কী সেই সত্য জানতে চাও? শুনে নাও তবে জগত কাঁপানো সেই নির্ভেজাল সত্যঃ-

    “চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারকা

    কোথা হতে সব সৃষ্ট,

    শুন্য হইতে আসিয়াছে এ

    নিরন্তর মহাবিশ্ব।“

    কথাটি দেখে হয়তো অনেকে ভুরু কুঁচকে ভাবছে-এ আবার কেমন কথা? জিরো মানে তো অ্যাবসলিউট জিরো। সেখানে আবার অন্য কিছু আসবে কী করে? ০=১ কি হয় কখনো?জ্বি না,তা হয়না।তবে নির্মম হলেও সত্য যে স্রেফ শুন্য থেকেই এসেছে এ জগত সংসারের সবকিছু । কিন্তু কেমন করে তা সম্ভব?

    চলুন,ব্যাপারটা আরেকটু খোলাসা করা যাক।

    “শুন্যতা” আসলে কীঃ
    প্রথমেই যে শব্দ আমাদের সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলে সেটি হলো “শুন্য” কথাটি। আচ্ছা “শুন্য” শব্দটার মানে কি? অথবা শূন্যতা বলতেই বা কি বুঝায়? সাধারণভাবে আমরা বুঝি যে কোন কিছু না থাকার অর্থই শুন্যতা। পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেখানে কোন প্রকার বাহ্যিক কনিকা থাকতে পারবে না। যেমন টরিসেলির পরীক্ষায় নলের ভেতরে পারদের উপরতলে সৃষ্টি হওয়া খালি জায়গাটিই হচ্ছে শূন্যস্থান। অথবা কোন একটি খালি কাচপাত্র থেকে পাম্পের মাধ্যমে এর ভেতরের সমস্ত বায়ু বের করে নেয়া হলে কাচপাত্রের ভেতরটাকে বলা হবে শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়াম। কিন্তু এই শুন্যস্থানে কোনো কণিকা না থাকলেও সর্বদা শক্তি উপস্থিত থাকে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে যেটাকে বলা হয় “কোয়ান্টাম শূন্যতা”।

    আমাদের এই মহাবিশ্বের অধিকাংশ স্থানই শূন্যস্থান। একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% অংশই হলো এই শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়াম। এছাড়া আমাদের চারপাশে কী পরিমান শূন্যস্থান আছে,একটা উদাহরনে তা বোঝা যাবে। যেমন আমরা যদি পৃথিবীর সকল পরমাণুর ভেতর হতে সমস্ত শূন্যস্থান বের করে বাকি অংশগুলোকে একত্র করি তাহলে পুরো পৃথিবী একটি আপেলের মত আকার ধারন করবে। যদিও তার ভর থাকবে অপরিবর্তিত।

    আচ্ছা পাঠক তাহলে কেন শুধু শুধু এত “জায়গা” অপচয়? কেন একটা হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% অংশই শূন্যস্থান দখল করে আছে? শুন্যতা না থাকলেই বা ক্ষতি কি ছিলো?

    জি,শুন্যতা না থাকলে যেটা হত সেটা সম্ভবত হত মহাকালের সবচেয়ে বড় ক্ষতি! আর আমাদের জন্য হত সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য! কারন শূন্যতা না থাকলে হয়ত আমাদের সুন্দর-সুশীতল মায়া-জড়ানো এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হতোনা। আর এখানেই লুকিয়ে আছে আসল রহস্য! শূন্যতাকে আমরা যতটা সাধারণ ভাবে চিন্তা করি বাস্তবে কিন্তু এতটা সাধারণ সে নয়। শূন্যতাকে বাইরে থেকে দেখতে যতটা “ইনোসেন্ট” আর ভদ্র মনে হোক না কেন, সে কিন্তু ভিতরে ভিতরে তার চেয়েও বেশি অভদ্র। কারণ তার প্রতিটা সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম স্তরে সবসময়ই ঘটে চলেছে নানান প্রক্রিয়া। কিন্তু কী সেই নানান কর্মকান্ড যা কিনা শূন্যতাকে প্রতিনিয়ত এতটা অশান্ত করে রেখেছে?

    ব্যাপারটা বোঝার জন্য প্রথমে প্রতিকণার বিষয়টি ক্লিয়ার করা যাক।

    কণা-প্রতিকণার ধারণাঃ
    সময়টা গত শতকের তৃতীয় দশকের দিকে। বিজ্ঞানীরা তখন অতি ক্ষুদ্র কিন্তু আলোর বেগের কাছাকাছি গতিশীল কনার আচরণ ব্যাখ্যা করতে মরিয়া। তাদের হাতে ছিল দুটি জনপ্রিয় তত্ত্ব। একটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব আর অন্যটি প্লাঙ্কের বিখ্যাত কোয়ান্টাম তত্ত্ব। কিন্তু বিজ্ঞানীরা কিছুতেই এ দুটোকে এক করে সেই কণাগুলোর আচরণ ব্যাখ্যা করতে পারছিলেন না। এমন সময় অসাধারণ এক সমাধান নিয়ে হাজির হন পল ডিরাক নামক এক বিজ্ঞানী যেটা কিনা তেমনি একটি কণা ইলেকট্রনের আচরণ সম্পূর্ণ রূপে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। সমীকরণ টি দেখতে এরকম-
    imgbox
    কিম্ভূতকিমাকার এই সমীকরণটি দেখে আঁতকে ওঠার কিছু নেই। শুধু কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকুন।

    এ এমন এক রহস্যময় সমীকরণ যেটি কিনা এমন এক কণার ভবিষ্যৎবানী করে যা তখনকার কোনো মানুষের কল্পনাতেও ছিল না।এই সমীকরণটি বলছে যে প্রকৃতিতে এমন এক কণার অস্তিত্ব আছে যা আমাদের পরিচিত কণা ইলেকট্রনের সম্পূর্ণ বিপরীত।আর একটি কনাকে আমরা অন্য একটি কণার বিপরীত তখনই বলি যখন তাদের মধ্যকার ভর সমান কিন্তু চার্জ পরস্পরের বিপরীত। অর্থাৎ ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে এর বিপরীত কণিকাটি হবে ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট। তাহলে কি সেটি প্রোটন? না। প্রোটন আর ইলেকট্রনের ভর তো সমান নয়।তাহলে কী সেই কণিকা?

    পল ডিরাক যদিও বেশ একটা আমলে নেন নি বিষয়টি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এর গুরুত্ব বুঝে উঠে পড়ে লাগলেন সেই কনিকার খোঁজে।

    অতঃপর 1932 সালের দিকে কার্ল দি এন্ডারসন নামের এক বিজ্ঞানী সন্ধান দিলেন সেই রহস্যময় কণিকার তথা প্রতি-ইলেকট্রনের। [এখানে বাংলায় “প্রতি” উপসর্গটি ব্যবহার করা হয় কোন কিছুর বিপরীত বুঝানোর জন্য। যেমন কারো নাম যদি কুদ্দুস হয় তাহলে তার বিপরীত মানুষটির নাম হবে “প্রতি-কুদ্দুস”।] বিজ্ঞানীরা এই প্রতি-ইলেকট্রনের নাম রাখলেন পজিট্রন। এই পজিট্রন এর ভর ইলেক্ট্রন এর একদম হুবহু সমান কিন্তু চার্জ বিপরীত তথা ধনাত্মক। এই মহান কাজের জন্য নোবেল কমিটি 1936 সালে তাকে নোবেল পুরুস্কারের জন্য মনোনীত করে।

    কিন্তু এই পজিট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর আরও একটি বিষয় বিজ্ঞানীদের সামনে চলে আসে।এই যে ইলেক্ট্রন কে আমরা দেখি পরমানুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরতে, তাহলে প্রতি-ইলেকট্রন তথা পজিট্রন ঘুরে কার চারদিকে? নিশ্চয়ই তার ঘোরার জন্যও অন্য কিছু থাকবে।

    বিজ্ঞানীরা তখন ধারণা করে নিলেন যে ইলেকট্রনের ঘুরার জন্য যেমন পরমাণু আছে, ঠিক তেমনি প্রতি-ইলেক্ট্রনের ঘুরার জন্যও নিশ্চয়ই প্রতিপরমানু বা প্রতিকণা আছে। যেই প্রতিকণার কেন্দ্রে থাকবে প্রতি-প্রোটন ও প্রতি-নিউট্রনের সমন্বয়ে গঠিত প্রতি-নিউক্লিয়াস এবং এর চারপাশে ঘুরবে প্রতি-ইলেক্ট্রন তথা পজিট্রন। কিন্তু এই অনুমান নিয়ে বিজ্ঞানীদের বেশিদিন থাকতে হলোনা। কারন পজিট্রন আবিষ্কার হওয়ার কয়েক দশকের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা প্রতি-প্রোটন ও প্রতি-নিউট্রন আবিষ্কার করে ফেলেন যারা মিলিতভাবে জন্ম দেয় প্রতিকণার।
    imgbox
    এই প্রতিকণার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে,একে যদি কোনো কণার সংস্পর্শে নিয়ে আসা হয় তাহলে এটি সেই কণার সাথে মিলিত হয়ে উভয়কে ধ্বংস করে দেয় এবং বিনিময়ে তাদের ভরের সমতুল্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে।(আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ E=mc^2 অনুসারে)

    [ প্রক্রিয়াটি নিচের ছবিতে দেখুন। ]
    imgbox
    ছবিঃ কণা-প্রতিকণার পারস্পরিক ধ্বংস ও বিনিময়ে শক্তি উৎপাদন । [ কণা = (+),প্রতিকণা = (-) ]

    তাই ল্যাবরেটরিতে প্রতিকণা উৎপাদন ও সংরক্ষণ বেশ কষ্টসাধ্য কাজ। কারণ আমাদের ল্যাবরেটরির সবকিছুই কণা দিয়ে তৈরি। ফলে উৎপন্ন প্রতিকণা যদি কোনোভাবে ল্যাবরেটরির কোনো কিছুর সংস্পর্শে আসে তাহলে মুহূর্তেই তা কণার সাথে বিক্রিয়া করে শক্তিতে পরিণত হয়ে যাবে।

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন কীঃ
    এবার চলুন আবার সেই শুন্যস্থানের কাছে ফিরে যাই। আমরা জেনেছিলাম,শুন্যস্থানে কোনো কণিকা না থাকলেও সর্বদা শক্তি উপস্থিত থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন,শুন্যস্থানের সূক্ষ্মস্তরে প্রতিনিয়ত সেই শক্তি ও ভরের অদল-বদল ঘটছে। এবং এর ফলে সেখানে প্রতি মুহূর্তে শক্তি রুপান্তরিত হচ্ছে ভরে তথা কণায়।
    imgbox
    ছবি ৪ঃ “শূন্য” থেকেই কণা-প্রতিকণা সৃষ্টি

    পদার্থবিজ্ঞানে শূন্যস্থান হতে কণা সৃষ্টির এই বিষয়টাকে বলা হয় “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” বা “ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন”। বাংলায় বললে “শূন্যতার অস্থিরতা”। কিন্তু এই কণা স্থায়ী হতে পারে না,সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে গিয়ে আবার শক্তিতে পরিণত হয় ও শুন্যতার সাথে মিশে যায়। কারণ শূন্যস্থান থেকে যখন কণা সৃষ্টি হয় তখন সে কখনোই একলা একলা উৎপন্ন হতে পারে না। তার সাথে প্রতিকণাও যুগপৎ ভাবে উৎপন্ন হয়।

    অর্থাৎ তাদের মধ্যে সম্পর্কটা হচ্ছে “বাঁচা-মরা একই সাথে” সম্পর্ক। তারা উৎপন্ন হবে একসাথে আবার পরস্পর মিলে ধ্বংসও হবে একইসাথে। 0 থেকে যেমন +x ও -x হয় আবার এরা মিলে (-x)+x=0 হয়ে যায়,কণা-প্রতিকনার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঠিক সেরকম। কণা যদি হয় +x তবে প্রতিকণা হবে –x।একইভাবে উল্টোটিও সঠিক।
    imgbox
    imgbox
    কিন্তু এ যে কেবল তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব তা কিন্তু নয়। বিজ্ঞানীরা হাতে কলমেই এর ব্যবহারিক প্রমান দেখিয়েছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি প্রমাণ হল “ল্যাম্ব শিফট ” এবং বিখ্যাত “কাসিমিরের প্রভাব”।

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন এর প্রমান-১ঃ
    ল্যাম্ব শিফটঃ
    আমরা আগেই জেনেছি যে, পরমাণুর অধিকাংশ স্থানই ফাঁকা, উদাহরণস্বরূপ আমরা দেখেছি,হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% স্থানই হল শূন্যস্থান।আচ্ছা যদি সেখানে এত শূন্যস্থান থাকে তাহলে তো সেখানে অবশ্যই কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার কথা, আর যদি তা ঘটেই থাকে তাহলে কি এর ফলে নতুনভাবে সৃষ্ট কণা-প্রতিকণা গুলো নিউক্লিয়াসের চারদিকে গতিশীল ইলেকট্রনের গতিপথে খানিকটা হলেও বিঘ্নতা সৃষ্টি করবে না? এর ফলে কি ইলেকট্রনগুলো তাদের কক্ষপথ হতে খানিকটা হলেও বিচ্যুত হবে না? হবে এবং হয়ও।আমেরিকান বিজ্ঞানী উইলিয়ামস ল্যাম্বস এই বিষয়টিই প্রমাণ করে দেখান।আর এই বিচ্যুতিই প্রমান করে যে, শূন্যস্থনে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটে আর সেই সাথে সৃষ্টি হয় নতুন কনা-প্রতিকনা ।এ হলো একদম সরলীকৃত ভাষায় ল্যাম্ব শিফটের ধারনা।
    imgbox
    ছবি ৫ ঃ লাম্ব শিফটের ফলে ইলেকট্রনের শক্তিস্তরে খানিকটা পার্থক্য সৃষ্টি হয়

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন এর প্রমান-২ঃ
    কাসিমিরের প্রভাবঃ
    সবচেয়ে বড় যে প্রমাণ পাওয়া যায় সেটি হল বিখ্যাত “কাসিমিরের প্রভাব” থেকে।১৯৪৮ সালে ডাচ পদার্থবিদ হেনরিখ কাসিমির বলেন যে, যদি কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন সত্যি হয়ে থাকে তাহলে দুটো ধাতব পাত খুব কাছাকাছি আনা হলে তারা একে অপরকে ধীরে ধীরে আকর্ষণ করবে। কারণ তখন ধাতবদ্বয়ের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ স্থানটিতে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার ফলে এক প্রকার উচ্চ কম্পাংকের তড়িৎ চুম্বকীয় “মোড” এর উৎপত্তি ঘটে। আর উদ্ভুত সেই “মোড” ই পাতদ্বয়কে পরস্পরের দিকে আকর্ষণে বাধ্য করে। এই অসাধারণ বিষয়টিই পরবর্তীতে মার্কস স্পারনে,স্টিভ লেমোরাক্স প্রমুখ বিজ্ঞানীরা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন। এবং এর মাধ্যমে ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন সবচেয়ে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    imgbox
    অতএব আমরা বুঝলাম যে শূন্যস্থানে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার ফলে স্রেফ শূন্য হতেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা-প্রতিকণা সৃষ্টি হয়। গবেষকদের ধারণা,সৃষ্টির আদিতে মহাজাগতিক শূন্যতায় কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের ফলে যেসকল কণার সৃষ্টি হয়েছিল,সেগুলিই গঠন করেছে আমাদের আজকের এই মহাবিশ্ব।

    পরিশেষে একটি “অমীমাংসিত” প্রশ্নঃ

    আচ্ছা সুপ্রিয় পাঠক, একটা বিষয় কি লক্ষ্য করেছেন? শূন্য থেকে সমপরিমাণ কনা ও প্রতিকনা সৃষ্টি হয়ে যদি আবার তারা পরস্পরকে ধ্বংস করে দিয়ে শূন্য হয়ে যায় তাহলে তো কোনো কণা অবশিষ্ট থাকার কথা নয়! তাহলে এতকিছু এলো কোত্থেকে? কেন আমরা আজ চারপাশে এত কিছু দেখছি? এখানে তো থাকার কথা ছিল নিরব নিস্তব্ধ এক প্রগাঢ় শূন্যতা! কিন্তু সেই শূন্যতা না থেকে বরং কেন এত কিছু আছে?

    গবেষকরা বলছেন,প্রকৃতি কখনোই শূন্যতাকে পছন্দ করে না। শূন্যতা হলো প্রকৃতির জন্য একটি অস্থির অবস্থা। শুধু প্রকৃতি কেন, এই মহাবিশ্বের কোনকিছুই শূন্যতাকে পছন্দ করো না। কোন বিজ্ঞানী,গবেষক,দার্শনিক,কবি-সাহিত্যিক,মুনি-ঋষি হতে বর্তমান আধুনিক কালের আইয়ুব বাচ্চু পর্যন্ত কারোই শূন্যতা কাম্য নয়। আইয়ুব বাচ্চুর কন্ঠেই তা স্পষ্ট-

    “শূন্যতায় ডুবে গেছি আমি ,আমাকে তুমি ফিরিয়ে নাও”

    শূন্যতা থেকে মুক্তি পাবার সে কি ব্যাকুল আকাঙ্ক্ষা! একটুখানি ভালবাসা পাবার সে কি আকুল প্রার্থনা! সৃষ্টির আদিতে প্রকৃতি বোধ হয় এমন করেই মহাজাগতিক শূন্যতা হতে মুক্তি প্রার্থনায় বিভোর ছিল।

    মিঃ আইয়ুব বাচ্চু সেই ভালোবাসা পেয়েছেন কিনা জানি না। তবে প্রকৃতি কিন্তু ঠিকই পেয়েছিল। কারণ গবেষকরা বলছেন, প্রকৃতিকে কেউ শূন্য থাকতে দেয়নি, সৃষ্টির আদি মুহূর্তে অতি ক্ষুদ্র অনুপাতে কিছু (প্রায় 1 বিলিয়নে মাত্র 1 টি) কনা “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে” স্লোগান দিয়ে টিকে থাকতে পেরেছিল এবং সেই বিপ্লবী কনা গুলোই প্রকৃতির সঙ্গী হয়ে আমাদের আজকের মহাবিশ্ব তৈরি করেছে।

    কিন্তু সেটি কীভাবে সম্ভব হয়েছিল? কে তাদের শিখিয়ে দিয়েছিল এমন বিপ্লবী স্লোগান? কে-ই বা তাদের বুলিয়ে দিয়েছিল সেই এক্টুখানি ভালবাসার পরশ?
    imgbox
    ছবি ৬ঃ মহাজাগতিক শূন্যতায় কণা-প্রতিকণার অসমতা।

    এই প্রশ্নের উত্তর কনা পদার্থবিদদের কাছে এখনো প্রায় অজানা। তবে বিজ্ঞানীরা এখনো গবেষণা করে যাচ্ছেন এবং ইতোমধ্যে সমাধানের অনেক ইঙ্গিতও আসতে শুরু করেছে।তবে সেগুলোর কোনোটিই এখনও পর্যন্ত পরীক্ষালব্ধ ফলাফল দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত নয় এবং সর্বজন স্বীকৃতও নয়।

    এখনও এই প্রশ্নটি তাই উইকিপিডিয়ায় পদার্থবিজ্ঞান এর অমীমাংসিত প্রশ্ন গুলোর তালিকায় অতি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে।।

    সূত্রঃ সরাসরি কোরা থেকে কপি পেস্ট
    লেখকঃ মোহাম্মদ সাহিদুল ইসলাম

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    লিনাক্স একটি ওপেনসোর্স বা ফ্রি অপারেটিং সিস্টেম হলেও বেশিরভাগ মানুষ কেন উইন্ডোজ ব্যবহার করে? যেখানে উইন্ডোজের কোন কিছুই ফ্রি তে পাওয়া যায়না!

    Mahmudul
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রথমেই বলে রাখি প্রশ্নটি সঠিক নয়। দিন দিন লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বললে, গত ৪-৫ বছরে (২০১৫-২০২০) আমার ল্যাপটপে লিনাক্স দেখেও ১০বিস্তারিত পড়ুন

    প্রথমেই বলে রাখি প্রশ্নটি সঠিক নয়। দিন দিন লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বললে, গত ৪-৫ বছরে (২০১৫-২০২০) আমার ল্যাপটপে লিনাক্স দেখেও ১০-১২ জন উইন্ডোজ বাদ দিয়েছে। যাকগে, প্রশ্নের উত্তরে আসা যাক। ব্যবহারকারী বলতে সাধারণ ব্যবহারকারী বোঝাতে চেয়েছেন তাই বুঝে নিয়ে উত্তর লিখলাম।

    ফ্রী এবং নিরাপদ হওয়া সত্ত্বেও ব্যবহারকারীরা লিনাক্স ব্যবহার না করে উইন্ডোজ ব্যবহার করে কেন?

    অনেকগুলো কারণ রয়েছে। প্রধান চারটি কারণ নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। আরো কিছু কারণ অবশ্য আলোচনার মধ্যেই এসে যাবে।

    ১. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উইন্ডোজ।
    ২. অফিস আদালতে উইন্ডোজ।
    ৩. গ্রাফিক ডিজাইন এ উইন্ডোজ।
    ৪. গেমসের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ।

    ১. স্কুল-কলেজে উইন্ডোজ:

    লক্ষ্য করে দেখুন আমাদের স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পরিধিতে যেখানে ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে ধারি যুবকদের পড়ানো হয়, সব ক্ষেত্রে সে শিক্ষাটা আসে উইন্ডোজের মাধ্যমে। দেখবেন ছাত্র ছাত্রীদের জন্য উইন্ডোজ সব সময়ই বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় উইন্ডোজের পক্ষ থেকে আমরা তাদের একটি ইমেইল এবং ক্লাউড স্টোরেজে এক টেরা বাইট পেয়েছিলাম। এরপর বিভিন্ন সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থী দের জন্য বিশেষ সুবিধা বরাদ্দ থাকে। এবং উইন্ডোজ ব্যবহারকারী শিক্ষকগণও তাদের শিক্ষার্থীদের এটা ব্যবহারে অনুপ্রাণিত করেন। তো শিক্ষা জীবনের এত বছর একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার পর অন্য অপারেটিং সিস্টেমে স্থানান্তরিত হবার মানসিকতা খুব কম মানুষেরই থাকে। এটা যে কতটা ক্ষতিকর তা আস্তে আস্তে মানুষ বুঝতে পারছে। স্কুল কলেজে কোন সফটওয়্যারে যখন কেউ আসক্ত হয়ে যায়, যেমন মাইক্রোসফট অফিস, তো এটা ছাড়া সে কাজই করতে পারে না। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে টাকা দিয়ে কিনে হলেও তাকে এটা ব্যবহার করতে হয়।

    [আমাদের দেশে যদিও টাকা দিয়ে সফটওয়্যার কেনার কথা কেউ চিন্তাই করি না, কিন্তু দেশটা আর একটু উন্নত হলেই দেখা যাবে সব কিনতে হবে। উইন্ডোজে ফ্রি বলে কিছু নেই বললেই চলে। ]

    ২. অফিস আদালতে উইন্ডোজ:

    স্কুল কলেজ থেকে উইন্ডোজের উপর দক্ষতা নিয়ে বের হয়ে যখন চাকরির দিগন্তে কেউ পা রাখে তখনও উইন্ডোজ এসে সামনে দাঁড়ায়। বিভিন্ন অফিস তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বেশ কিছু উইন্ডোজ সফটওয়্যারের ব্যবহার করে, তো সাধারণ চাকুরিজীবী রা কীভাবে আর অন্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবে? উইন্ডোজ কেনার নাম করে সরকারি আমলারা কোটি কোটি টাকা লোপাটের সুযোগ তো আর লিনাক্স ব্যবহার করলে পাবে না। এটিও একটি কারণ।

    ৩. গ্রাফিক ডিজাইন এ উইন্ডোজ:

    ফটোশপ এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য এডোবির বিভিন্ন সফটওয়্যার রয়েছে, যা উইন্ডোজে জন্য বিখ্যাত। এবং ফ্রি ল্যান্সিং এর জগতে অনেক ক্রেতা উল্লেখ করে দেয় তার কাজটি কোন সফটওয়্যার দিয়ে করতে হবে, সেক্ষেত্রে দেখা যায় উইন্ডোজ ব্যবহার করা টা বেশ প্রয়োজনীয় হয়ে যায়!

    ৪. গেমসের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ

    বহুল প্রচলিত বিষয়, উইন্ডোজ হল গেমারদের স্বর্গরাজ্য। যদিও সম্পূর্ণ সঠিক নয়, তবে খুব বেশি মিথ্যাও নয়। বিভিন্ন ডেভেলাপেরা উইন্ডোজের কথা চিন্তা করেই গেম বানায়। তো গেমারদের উইন্ডোজ ব্যবহার করাটা অনস্বীকার্য হয়ে যায়!

    উপসংহার: উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, যাই বলিনা কেন। অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুধু হার্ডওয়ার বা কম্পিউটারের মূল সত্তাকে অপারেট করা এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার কে পরিচালনা করা। আর যাবতীয় কাজ করে থাকে সফটওয়্যার। যেমন ধরুন “শেয়ার ইট”, এটা দিয়ে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ফাইল আদান প্রদান করা হয়। তো উইন্ডোজে এই শেয়ারইট সফটওয়্যারটি পেয়ে যাবেন অবলীয়ায়, কিন্তু লিনাক্সে পাবেন না। হ্যাঁ, একই কাজের জন্য অন্য নামে অন্য কোন সফটওয়্যার অবশ্যই পাবেন।

    আর সাধারণ ব্যবহারকারীরা এ ঝামেলা পছন্দ করে না। তারা সবাই যা ব্যবহার করে তাই ব্যবহার করতে চায়। তাই তারা উইন্ডোজে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    আবার কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে উইন্ডোজ ইনস্টল করে দেয়। আবার যেহেতু লিনাক্সের অনেক আগে থেকেই উইন্ডোজ প্রচলিত এবং জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তাই অধিকাংশ পিসিতে উইন্ডোজ দেখা যায়, আর এটাতে কোন সমস্যা হলে অনেক বেশি পরিমাণে সহায়তা পাওয়া যায় বন্ধুদের কাছ থেকে, যা লিনাক্সে পাওয়া যায় না। সমস্যা হলে ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করে নিজেকেই সমাধান করতে হয়। আর এই সমস্যা সমাধানের মানসিকতাই অনেকের মধ্যে থাকে না। তাদের উইন্ডোজ ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোন উপায়ও নেই!

    সূত্রঃ ইন্টারনেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হিজড়া কেন হয়? ভারতের হিজড়া সমাজ pdf ডাউনলোড

    Mahmudul
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মানবদেহে মোট 46 টি বা 23 জোড়া ক্রোমোজম থাকে।এর মধ্যে 22 জোড়া ক্রোমোজমকে অটোজম বলে আর বাকি এক জোড়া ক্রোমোজমকে সেক্স ক্রোমোজম বলে। এই সেক্স ক্রোমোজম দুটি এক্স(X) এবং এয়াই(Y) নামে পরিচিত। লিঙ্গ নির্ধারনে এরা মূখ্য ভূমিকা পালন করে। নারীদের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজমই X ক্রোমোজম অর্থাৎ XX, কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন

    মানবদেহে মোট 46 টি বা 23 জোড়া ক্রোমোজম থাকে।এর মধ্যে 22 জোড়া ক্রোমোজমকে অটোজম বলে আর বাকি এক জোড়া ক্রোমোজমকে সেক্স ক্রোমোজম বলে।

    এই সেক্স ক্রোমোজম দুটি এক্স(X) এবং এয়াই(Y) নামে পরিচিত। লিঙ্গ নির্ধারনে এরা মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

    নারীদের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজমই X ক্রোমোজম অর্থাৎ XX, কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY।

    এখন মিয়োসিস কোষ বিভাজন যদি ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে সন্তান হয় ছেলে নয়তো মেয়ে হয়।

    কিন্তু মাঝে মধ্যে কোষ সঠিকভাবে বিভাজন না হওয়াই সেক্স ক্রোমোজম XX বা XY এর বদলে XXX বা XXY এইরকম অস্বাভাবিক কোষের সৃষ্টি হয়, যার ফলস্বরূপ বাচ্ছা হিজড়া হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোথায়?

    Mahmudul
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর। এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ। মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে ।

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর। এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ। মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 24 25 26 27

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন Bangla QR দিয়ে payment এর a to z বিস্তারিত জানতে… অক্টোবর 16, 2026, সময়ঃ 7:17 পূর্বাহ্ন
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 117 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,248 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 165 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 92 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
এডিটর
Bat Cats

Bat Cats

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
roloffrobert986

roloffrobert986

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
CarsonDUpton

CarsonDUpton

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
geraldlevenson

geraldlevenson

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন