সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনার প্রশ্নটি এখন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে! 📢
আপনার উৎসাহ আমাদের জন্য গর্বের। ব্যপারটা আমরাও লক্ষ্য করেছি। সত্যি বলতে প্রশ্ন করার সাথে সাথেই ব্যাকএন্ডে একসাথে অনেকগুলো কাজ শুরু হয়। আমরা এটা নিয়ে আরও কাজ করবো। আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ! আপনার জন্য শুভকামনা!
আপনার উৎসাহ আমাদের জন্য গর্বের। ব্যপারটা আমরাও লক্ষ্য করেছি। সত্যি বলতে প্রশ্ন করার সাথে সাথেই ব্যাকএন্ডে একসাথে অনেকগুলো কাজ শুরু হয়। আমরা এটা নিয়ে আরও কাজ করবো। আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ!
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুনআপনার প্রশ্নটি এখন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে! 📢
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে এ ব্যপারে আমরা অবশ্যই ভেবে দেখবো! আপনার জন্য শুভকামনা!
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে এ ব্যপারে আমরা অবশ্যই ভেবে দেখবো!
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুনআমার নিজের নামে কয়টি মোবাইল আছে?
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে? NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে। কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরবিস্তারিত পড়ুন
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে?
NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে।
কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন বন্ধ করা, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি রোধ করা এবং মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমানো এর প্রধান উদ্দেশ্য।
২. আমার মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না তা কীভাবে যাচাই করব?
আপনি নতুন বা পুরাতন ফোন কেনার আগে এটি পরীক্ষা করতে পারেন:
নতুন ফোনের জন্য: ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন KYD <স্পেস> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর (যেমন: KYD 123456789012345) এবং পাঠিয়ে দিন ১৬০০২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ফোনের বৈধতা জানতে পারবেন।
ব্যবহৃত ফোনের জন্য: ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে *১৬১৬১# ডায়াল করে অথবা neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।
৩. আমার এনআইডি (NID)-র অধীনে অনেকগুলো ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে কেন? এতে কি কোনো ভয় আছে?
অনেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখছেন তাদের নামে ৩০-৪০টি বা তারও বেশি ফোন নিবন্ধিত।
কারণ: এটি মূলত একটি কারিগরি বিষয়। আপনি অতীতে আপনার এনআইডি দিয়ে কেনা সিম যেসব ফোনে ব্যবহার করেছেন, সিস্টেম সেই সব ফোনের তথ্য আপনার নামে দেখাচ্ছে।
করণীয়: বিটিআরসি জানিয়েছে এতে ভয়ের কিছু নেই। তারা বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনগুলো রেখে বাকি পুরোনো তথ্যগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
৪. বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া ফোনের ক্ষেত্রে নিয়ম কী?
বিদেশ থেকে নিজে সাথে করে ফোন আনলে বা কেউ পাঠালে সেটি বৈধ করতে হবে:
neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে হবে। এজন্য পাসপোর্টের কপি, ভিসার তথ্য বা ক্রয়ের রসিদ আপলোড করতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক ফোন ফ্রিতে বা ট্যাক্স দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
৫. বর্তমানে আমি যে ‘আন-অফিশিয়াল’ ফোনটি ব্যবহার করছি, সেটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে থেকে নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব ফোন (অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান ফোনটি যদি সচল থাকে, তবে এটি বন্ধ হবে না। তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো অবৈধ বা স্মাগলিং করা ফোন কিনলে সেটি সিম ঢোকানোর পর আর চলবে না।
৬. ফোন চুরি হয়ে গেলে NEIR দিয়ে কী সুবিধা পাব?
যদি আপনার ফোনটি নিবন্ধিত থাকে এবং চুরি হয়ে যায়, তবে আপনি বিটিআরসি-র মাধ্যমে ফোনটি ব্লক করে দিতে পারবেন। এর ফলে চোর বা অন্য কেউ ওই ফোনে কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবে না, যা ফোন চুরির প্রবণতা কমিয়ে দেবে।
সংক্ষেপে দেখুনছয়কে না ঘুরিয়ে নয় করা যায় কি করে?
SIX-S সরালে IX হয় (রোমান নয়)
SIX-S সরালে IX হয় (রোমান নয়)
সংক্ষেপে দেখুনজুলাই ঘোষণাপত্রে কি ঘোষনা করা হয়েছে?
জুলাই ঘোষণাপত্র অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি। এতে যুক্ত করা হয়েছে ২৮টি দফা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘোষণাপত্রে স্থান পেয়েছে। ঘোষণা পত্র ববিস্তারিত পড়ুন
জুলাই ঘোষণাপত্র
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি।
এতে যুক্ত করা হয়েছে ২৮টি দফা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘোষণাপত্রে স্থান পেয়েছে।
ঘোষণা পত্র বলা হয়—
১। যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল।
২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে।
৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন করেছিল।
৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়।
৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
৬। যেহেতু দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়।
৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে।
৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।
১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে।
১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ১৬ বছর ধরে নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়।
১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে।
১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এদেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে।
১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকরি প্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়।
১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সব বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়।
১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালায়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সব স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে।
১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনরত সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সব শ্রেণি, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসংগত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়।
২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৬ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামকালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধগুলো দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সব শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে, একটি পরিবেশ জলবায়ু সহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।
সংক্ষেপে দেখুনকোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
কোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ? আমি মাছ লিখেছি গাছ না।
কোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
সংক্ষেপে দেখুনআমি মাছ লিখেছি গাছ না।
রাস্তায় মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ি মামলা ছাড়াতে কি করতে হয়?
রাস্তায় মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ির মামলা ছাড়ানোর জন্য, প্রথমে আপনাকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে দায়ের হওয়া মামলার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে। এরপর, মামলার বিবরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করে, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। জবিস্তারিত পড়ুন
রাস্তায় মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ির মামলা ছাড়ানোর জন্য, প্রথমে আপনাকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে দায়ের হওয়া মামলার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে। এরপর, মামলার বিবরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করে, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। জরিমানা পরিশোধ করে অথবা আদালতের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করে মামলা ছাড়াতে পারেন।
মামলা ছাড়ানোর জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:
মামলার কারণ ও বিবরণ জানা:
প্রথমে, যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে মামলা হয়েছে, তার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে।
সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগ অথবা আদালতের মাধ্যমে মামলার বিবরণ সংগ্রহ করুন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ:
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করুন।যেমন: ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি।যদি কোনো দুর্ঘটনার কারণে মামলা হয়ে থাকে, তবে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণও সংগ্রহ করুন।
জরিমানা পরিশোধ:
যদি মামলার কারণ জরিমানাযোগ্য হয়ে থাকে, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করুন।
ট্রাফিক বিভাগের নির্দিষ্ট করা ব্যাংক অথবা অনলাইন পোর্টালে জরিমানা পরিশোধ করা যেতে পারে।
জরিমানা পরিশোধের রশিদ বা প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে রাখুন।
আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি:
কিছু ক্ষেত্রে, মামলা নিষ্পত্তির জন্য আদালতের শরণাপন্ন হতে হতে পারে।
এক্ষেত্রে, একজন আইনজীবীর সহায়তা নিয়ে আদালতের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা পরিশোধ বা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হতে পারে।
ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ:
মামলা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি জমা দিয়ে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করুন।
প্রয়োজনে, ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে মামলার নিষ্পত্তির জন্য সহযোগিতা চাইতে পারেন।
আইন ও বিধি মেনে চলুন:
ভবিষ্যতে ট্রাফিক আইন ও বিধি মেনে চলুন, যাতে আর কোনো মামলার সম্মুখীন না হতে হয়।
হেলমেট পরিধান করা, সিগন্যাল মেনে চলা, দ্রুত গতিতে গাড়ি না চালানো ইত্যাদি বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন।
মনে রাখবেন, ট্রাফিক আইন অমান্য করা একটি গুরুতর অপরাধ এবং এর জন্য জরিমানা ও শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই, সবসময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা উচিত।
সংক্ষেপে দেখুনতাফসীর ইবনে কাসীর PDF (১-১৮ খণ্ড) অনলাইনে কিভাবে পাব?
https://i-onlinemedia.net/3185
https://i-onlinemedia.net/3185
সংক্ষেপে দেখুনসিরাতুন নবী (সাঃ) চার খন্ড অনলাইনে কিভাবে পাব?
https://www.banglabookshelf.com/Islamic/Bangla/Seerah/Sirat-Ibn-Hisham/Siratun-Nabi-Ibn-Hisham.php
https://www.banglabookshelf.com/Islamic/Bangla/Seerah/Sirat-Ibn-Hisham/Siratun-Nabi-Ibn-Hisham.php
সংক্ষেপে দেখুনজনপ্রিয় দস্যু বনহুর সিরিজের সব বইগুলো পড়ার লিংক পাওয়া যাবে কোথায়?
https://www.ebanglalibrary.com/series/%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C/
https://www.ebanglalibrary.com/series/%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C/
সংক্ষেপে দেখুনতিন গোয়েন্দা সিরিজের বইগুলো অনলাইনে পড়ার লিংক পাওয়া যাবে?
https://www.ebanglalibrary.com/series/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C/
https://www.ebanglalibrary.com/series/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C/
সংক্ষেপে দেখুনআমার আর্মি অফিসার ভালোলাগে। আর্মি অফিসারকে বিয়ে করতে চাই। আমার এই সিদ্ধান্ত নেয়া কি ঠিক হবে?
সেনাবাহিনীর সদস্যরা এমন জীবনসঙ্গিনী পছন্দ করেন যারা মানিয়ে চলতে পারেন। তাদের প্রায়ই বিভিন্ন শহরে পোস্টিং হয়, যার কারণে ঘন ঘন বাসা বদলাতে হয় এবং অনেকটা যাযাবর জীবনযাপন করতে হয়। তাই তারা এমন নারী পছন্দ করেন যারা তাদের সাথে স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারবেন। আপনাকে আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে মানিয়ে চলারবিস্তারিত পড়ুন
সেনাবাহিনীর সদস্যরা এমন জীবনসঙ্গিনী পছন্দ করেন যারা মানিয়ে চলতে পারেন। তাদের প্রায়ই বিভিন্ন শহরে পোস্টিং হয়, যার কারণে ঘন ঘন বাসা বদলাতে হয় এবং অনেকটা যাযাবর জীবনযাপন করতে হয়। তাই তারা এমন নারী পছন্দ করেন যারা তাদের সাথে স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারবেন। আপনাকে আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে মানিয়ে চলার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
তবে এর ভাল দিকও আছে! সেনাবাহিনীর স্ত্রীদের জীবন বেশ মজার হয়। সেনারা ভালো বেতন পান, অল্প বয়সেই বড় বাড়ি, গাড়ি এবং প্লটের মালিক হতে পারেন। তাদের জীবন বেশ জাঁকজমকপূর্ণ হয়। পার্টি, বিদেশ ভ্রমণ, বিলাসবহুল জীবনযাপন। সংক্ষেপে, সেখানে জীবন কখনো একঘেয়ে হয় না।
সব মিলিয়ে, যদি আপনি এই ধরনের বিষয়গুলির সাথে ঠিক থাকেন, তাহলে একজন সেনা কর্মকর্তাকে বিয়ে করা আপনার জন্য সেরা হবে। কারণ তাদের চাকরির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রয়েছে। সবচেয়ে ভালো হয় আর্মি কারো সাথে বিয়ে হয়েছে এমন কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলে ভেতরের খবরগুলো জেনে নেওয়া।
সংক্ষেপে দেখুনক্রিকেট মাঠের কোন পজিশনকে কি নামে ডাকা হয়?
CRICKET FILD POSITION
CRICKET FILD POSITION
সংক্ষেপে দেখুনPathological Laboratory Test এ ভিন্ন ভিন্ন টেষ্টের নরমাল রেন্জ কত?
লোহিত রক্তকণিকা (RBC): ৪.৩-৫.৯ মিলিয়ন/mm³ (পুরুষ), ৩.৫-৫.৫ মিলিয়ন/mm³ (মহিলা) হিমোগ্লোবিন (HGB): ১৩.৫-১৭.৫ গ্রাম/dL (পুরুষ), ১২.০-১৬.০ গ্রাম/dL (মহিলা) শ্বেত রক্তকণিকা (WBC): ৪,৫০০ থেকে ১০,০০০ কোষ/mcL Basic Metabolic Panel (BMP): o গ্লুকোজ: ৭০-১০০ মিলিগ্রাম/dL (fasting) o সোডিয়াম: ১৩৫-১৪৫ mEq/L oবিস্তারিত পড়ুন
লোহিত রক্তকণিকা (RBC): ৪.৩-৫.৯ মিলিয়ন/mm³ (পুরুষ), ৩.৫-৫.৫ মিলিয়ন/mm³ (মহিলা)
হিমোগ্লোবিন (HGB): ১৩.৫-১৭.৫ গ্রাম/dL (পুরুষ), ১২.০-১৬.০ গ্রাম/dL (মহিলা)
শ্বেত রক্তকণিকা (WBC): ৪,৫০০ থেকে ১০,০০০ কোষ/mcL
Basic Metabolic Panel (BMP):
o গ্লুকোজ: ৭০-১০০ মিলিগ্রাম/dL (fasting)
o সোডিয়াম: ১৩৫-১৪৫ mEq/L
o পটাসিয়াম: ৩.৫-৫.০ mEq/L
লিপিড প্যানেল:
o মোট কোলেস্টেরল: ২০০ মিলিগ্রাম/ডিএল এর কম
o এলডিএল কোলেস্টেরল: ১০০ মিলিগ্রাম/ডিএল এর কম
o এইচডিএল কোলেস্টেরল: ৪০ মিলিগ্রাম/ডিএল বা তার বেশি (পুরুষ), ৫০ মিলিগ্রাম/ডিএল বা তার বেশি (মহিলা)
o ট্রাইগ্লিসারাইড: ১৫০ মিলিগ্রাম/ডিএল এর কম
লিভার ফাংশন টেস্ট:
o অ্যালানাইন অ্যামিনোট্রান্সফেরেজ (ALT): ১০-৪০ ইউ/লি
o অ্যাসপার্টেট অ্যামিনোট্রান্সফেরেজ (AST): ১০-৩০ ইউ/লি
o অ্যালকালাইন ফসফেটেজ (ALP): ৩০-১২০ আইইউ/লি (প্রাপ্তবয়স্ক)
কিডনি ফাংশন টেস্ট:
o ক্রিয়েটিনিন: ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম/ডিএল (প্রাপ্তবয়স্ক)
o রক্তের ইউরিয়া নাইট্রোজেন (BUN): ৮-২৩ মিলিগ্রাম/ডিএল
থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট:
o থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH): 0.4-4.0 mIU/L
ডায়াবেটিস টেস্ট :
Below 200 mg/dl
200 mg/dl or more
Below 100 mg/dl
100 to 125 mg/dl
126 mg/dl or more
Below 140 mg/dl
140 to 199 mg/dl
200 mg/dl or more
ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য HbA1c পরীক্ষা
HbA1c পরীক্ষা সরাসরি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাপ করে না, তবে পরীক্ষার ফলাফল নির্ভর করে আপনার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ২ থেকে ৩ মাস ধরে কতটা বেশি বা কম ছিল তার উপর।
ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিসের লক্ষণ নিম্নলিখিত অবস্থার অধীনে দেওয়া হয়:
স্বাভাবিক: ৪২ mmol/mol এর নিচে (৬.০%)
প্রিডায়াবেটিস: ৪২ থেকে ৪৭ mmol/mol (৬.০ থেকে ৬.৪%)
ডায়াবেটিস: ৪৮ mmol/mol (৬.৫% বা তার বেশি)
ইলেক্ট্রোলাইট
সংক্ষেপে দেখুনইলেক্ট্রোলাইটের স্বাভাবিক পরিসরের মধ্যে রয়েছে নিম্নলিখিতগুলি
• অ্যামোনিয়া: 10-80 mCg/dL অথবা 6-47 μmol/L
• সেরুলোপ্লাজমিন: 23-50 mG/dL অথবা 230-500 mG/L
• ক্লোরাইড: 98-106 mEq/L অথবা 98-106 mmol/L
• তামা: 100-200 μg/dL, প্রস্রাবে: 0-100 μg/24 ঘন্টা
• ক্রিয়েটিনিন: 0.8-1.3 mG/dL; পুরুষ: 0.6-1.2 mG/dL অথবা 53-106 μmol/L; মহিলাদের: ০.৫-১.১ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার অথবা ৪৪-৯৭ মাইক্রোমোল/লিটার
• রক্তের ইউরিয়া নাইট্রোজেন: ১০-২০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার অথবা ৩.৬-৭.১ মিমিমোল/লিটার
• ফেরিটিন: মহিলাদের: ১০-১৫০ এনজি/ডেসিলিটার অথবা ১০-১৫০ মাইক্রোগ্রাম/লিটার; পুরুষ: ১২-৩০০ এনজি/এমএল অথবা ১২-৩০০ এমসিজি/লিটার
• গ্লুকোজ: ৭৪-১০৬ মিলিগ্রাম/ডিএল
• অজৈব ফসফরাস: ৩-৪.৫ মিলিগ্রাম/ডিএল অথবা ০.৯৭-১.৪৫ মিমিওল/লিটার (এসআই ইউনিট)
• আয়নযুক্ত ক্যালসিয়াম: ৪.৫-৫.৬ মিলিগ্রাম/ডিএল অথবা ১.০৫-১.৩ মিমিওল/লিটার
• ম্যাগনেসিয়াম: ১.৩-২.১ এমইকিউ/লিটার অথবা ০.৬৫-১.০৫ মিমিওল/লিটার
• ফসফেট: ৩-৪.৫ মিলিগ্রাম/ডিএল অথবা ০.৯৭-১.৪৫ মিমিওল/লিটার
• পটাসিয়াম: ৩.৫-৫.০ এমইকিউ/লিটার অথবা ৩.৫-৫ মিমিওল/লিটার
• পাইরুভেট: ০.০৮-০.১৬ মিমিওল/লিটার [9]
• সোডিয়াম: ১৩৬-১৪৫ mEq/L অথবা ১৩৬-১৪৫ mmol/L
• মোট ক্যালসিয়াম: ২-২.৬ mmol/L (৯-১০.৫ mg/dL) অথবা ২.২৫-২.৬২ mmol/L
• মোট আয়রন-বাঁধাই ক্ষমতা: ২৫০-৩১০ μg/dL
• মোট সিরাম আয়রন: ৫০-১৫০ μg/dL
• ট্রান্সফারিন: ২১৫-৩৬৫ mg/dL অথবা ২.১৫-৩.৬৫ g/L
• ইউরিয়া: ১.২-৩ mmol/L
• ইউরিক অ্যাসিড: রক্ত: পুরুষ: ৪-৮.৫ mg/dL অথবা ০.২৪-০.৫১ mmol/L; মহিলা: ২.৭-৭.৩ mg/dL অথবা ০.১৬-০.৪৩ mmol/L। প্রস্রাব: 250-750 মিলিগ্রাম/24 ঘন্টা অথবা 1.48-4.43 mmol/দিন
• জিঙ্ক: 75-140 μg/dL
বর্ষায় মশার উৎপাত বেড়েছে? তাড়াতে কী করবেন?
বর্ষাকালে মশার উৎপাত মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এ সময়ে মশা বংশবিস্তার করে। কোথাও বৃষ্টির জল জমে গেলে সেটা হয়ে ওঠে মশার প্রজনেনক্ষেত্র। এ সময়ে মশাবাহিত সব রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায় বহু গুণ। ঘর থেকে মশা দূর করার জন্য কেউ কয়েল ব্যবহার করেন, কেউ আবার মশার স্প্রে থেকে শুরু করে নানা রাসায়নিক। এসব মশা তাড়াতে পারলবিস্তারিত পড়ুন
বর্ষাকালে মশার উৎপাত মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এ সময়ে মশা বংশবিস্তার করে। কোথাও বৃষ্টির জল জমে গেলে সেটা হয়ে ওঠে মশার প্রজনেনক্ষেত্র। এ সময়ে মশাবাহিত সব রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায় বহু গুণ।
ঘর থেকে মশা দূর করার জন্য কেউ কয়েল ব্যবহার করেন, কেউ আবার মশার স্প্রে থেকে শুরু করে নানা রাসায়নিক। এসব মশা তাড়াতে পারলেও মানুষের শরীরের ক্ষতিও করে। এ কারণে মশার উপদ্রব কমাতে প্রাকৃতিক কিছু পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। যেমন-
লেবু ও লবঙ্গ:
টক দ্রব্য ও লবঙ্গের গন্ধ মশা সহ্য করতে পারে না। এ ধরনের গন্ধ থাকলে সেখানে মশা আসে না। ঘরে মশা তাড়াতে লবঙ্গ ও লেবু ব্যবহার করা একটি পুরাতন পদ্ধতি। লেবু দুই টুকরো করে কেটে, তাতে কয়েকটি লবঙ্গ গুঁজে দিন। এরপর বাড়ির বিভিন্ন স্থানে এগুলো রেখে দিন। এতে মশা দূরে থাকবে।
কর্পূর:
মশা দূর করতে অনেকেই কর্পূর ব্যবহার করেন। কর্পূর জ্বালিয়ে রাখলে মশা দূর করা সহজ হবে। এর গন্ধও মশা সহ্য করতে পারে না। এতে মানুষের শরীরের কোনও ক্ষতিও হয় না।
রসুন:
কেমিক্যালযুক্ত মশা তাড়ানোর স্প্রে অনেকে ব্যবহার করেন। এর বদলে ব্যবহার করতে পারেন বাড়িতে তৈরি স্প্রে। এজন্য বানান রসুনের স্প্রে। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতেলে জলে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর নামিয়ে ঠান্ডা একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে রাখুন। মশা দূর করতে এটি ঘরের বিভিন্ন স্থানে স্প্রে করুন।
পানি জমতে না দেওয়া:
বর্ষাকালে কোথাও পানি জমে থাকলে সেটি হয়ে ওঠে মশাদের প্রিয় স্থান। বাড়ির আশেপাশে এ সময় বৃষ্টির পানি জমতে পারে। এ কারণে বাড়ির ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক রাখুন। বাড়ির ভিতর কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাড়িতে গাছ থাকলে গাছের টবে যেন পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
বিশেষ কয়েকটি গাছ লাগান:
সংক্ষেপে দেখুনমশা তাড়াতে কিছু গাছ কার্যকরী। যেমন- গাঁদা, তুলসি, লেমনগ্রাস, পুদিনা ইত্যাদি। এ ধরনের গাছ শুধু মশাই নয়, দূরে রাখে অন্যান্য কীটপতঙ্গও।
এটিএমে কার্ড আটকে গেলে দ্রুত কি করবেন?
বর্তমানে কমবেশি সবাই এটিএম থেকে টাকা তোলেন। এক্ষেত্রে টাকা লেনদেনের সময় ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। হঠাৎই এমন সমস্যায় পড়ে অনেকে ভীত হয়ে পড়েন। তবে ওই মুহূর্তে ভয় না পেয়ে বরং কীভাবে কার্ডটি ফিরে পাবেন তা জানা উচিত।আসলে এটিএমে কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। আটকে যাওয়া কার্ড মেশবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমানে কমবেশি সবাই এটিএম থেকে টাকা তোলেন। এক্ষেত্রে টাকা লেনদেনের সময় ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। হঠাৎই এমন সমস্যায় পড়ে অনেকে ভীত হয়ে পড়েন। তবে ওই মুহূর্তে ভয় না পেয়ে বরং কীভাবে কার্ডটি ফিরে পাবেন তা জানা উচিত।আসলে এটিএমে কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। আটকে যাওয়া কার্ড মেশিন থেকে বের করতে কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। তবে তার আগে জানা দরকার এটিএমে কার্ড আটকে যায় কেন?
>> এটিএমে নিজেদের তথ্য দিতে দেরি করলে।
>> কার্ডটি দেওয়ার পর পিন নম্বর দিতে ভুল হলে। পিন ছাড়াও বাকি তথ্যের ক্ষেত্রে ভুল থাকলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কার্ড যদি ভাঙা থাকে সে ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
>> এটিএমে যান্ত্রিক কোনো গোলযোগ দেখা দিলে কিংবা বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও কার্ড আটকে যেতে পারে।
>> এটিএম কার্ড আটকে যাওয়ার আরও একটি কারণ হলো সার্ভার। ব্যাংকে গিয়ে টাকা তোলার ক্ষেত্রেও অনেক সময়ে সার্ভারের সমস্যা হয়।
এটিএমের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হতে পারে। সার্ভারের গতি কম থাকলেও এটিএমে আটকে যেতে পারে কার্ড।
এটিএমে কার্ড আটকে গেলে দ্রুত যা করবেন-
>> টাকা তোলার সময়ে কার্ড আটকে গেলে দ্রুত জরুরি সেবার নম্বরে কল করে এ বিষয়ে জানান ও আপনার সব লেনদেন বন্ধ করতে বলুন।
>> আপনার যে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে যদি সেই ব্যাংকেরই এটিএম হয় তাহলে খুব সহজেই ক্যাপচার করা কার্ডটি ফিরে পাবেন।
তবে অন্য ব্যাংকের এটিএমে কার্ড আটকে গেলে সেটি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। না পেলে নিজ ব্যাংক থেকে নতুন কার্ড নেওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে।
>> অনেক সময় এটিএমে সার্ভার ডাউন থাকার কারণে লেনদেন ধীর হয়। সব প্রক্রিয়া শেষ করার পর যদি কার্ড আটকে যায়, তখনই এটিএম বুথ থেকে বের হয়ে যাবেন না।
সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, এমনও হতে পারে যে কিছুক্ষণ পর ঠিকই টাকা বেরিয়ে আসছে! তাই এটিএম ছেড়ে যাওয়ার আগে আরও একবার যাচাই কর দেখে নিন যে আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়েছে কি না।
সংক্ষেপে দেখুনকোন কারণে বিমানে প্যারাসুট থাকলেও বিমান যাত্রীদের প্যারাসুট ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হয় না?
প্যারাসুটের সহায়তায় আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করা যায়। তবে অবাক করার বিষয় হলো- আকাশ পথে জীবন বাঁচানোর এই অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ বিমানের যাত্রীদের সরবরাহ করা হয় না। বিমানযাত্রীদের প্যারাসুট না দেওয়ার বেশকিছু কারণ রয়েছে। এমন ৫টি কারণ - ১. অধিকাংশ যাত্রীবাহী বিমান প্রায় ৩৫০০০ ফুট উচ্চতা দিয়ে উড়ে। এই উচ্চতা প্বিস্তারিত পড়ুন
প্যারাসুটের সহায়তায় আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করা যায়। তবে অবাক করার বিষয় হলো- আকাশ পথে জীবন বাঁচানোর এই অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ বিমানের যাত্রীদের সরবরাহ করা হয় না। বিমানযাত্রীদের প্যারাসুট না দেওয়ার বেশকিছু কারণ রয়েছে। এমন ৫টি কারণ –
১. অধিকাংশ যাত্রীবাহী বিমান প্রায় ৩৫০০০ ফুট উচ্চতা দিয়ে উড়ে। এই উচ্চতা প্যারাসুট দিয়ে স্কাইড্রাইভ করার উচ্চতার থেকে অনেক বেশি। এত উচ্চতায় বায়ুর চাপ অনেক কম থাকে। কম বায়ু চাপের কারণে বিমান থেকে লাফ দেওয়ার পর প্যারাসুট খুলবে না। এটি না খুললে সব আয়োজন বৃথা।
২. প্রতিটি প্যারাসুট ওজনে কমপক্ষে ২২ থেকে ৩০ কেজি। এক্ষেত্রে একটি বিমানের যাত্রীর আসন সংখ্যা ১০০ হলে, প্যারাস্যুটসহ তাদের গড় ওজন হবে ৭৫ কেজির বেশি।
প্যারাসুট নিলে মাথাপিছু ওজন গড়ে ২৫ কেজি বৃদ্ধি পাবে। এই অতিরিক্ত ওজন বহন করার জন্য বিমানের আকৃতি বৃদ্ধি পাবে এবং এই বিশাল আকৃতির বিমানকে উড়ানো বেশ মুশকিল হবে। বেশি ওজন বহন করার জন্য বড় আকৃতির বিমানকে উড়াতে প্রচুর জ্বালানি খরচ হবে। এতে যাত্রীদের ভাড়া ৫০% বৃদ্ধি পাবে।
৩. একটি প্যারাসুটের দাম সর্বনিম্ন ৪০,০০০ টাকা হলে, ১০০ যাত্রীর জন্য প্যারাসুটের ব্যবস্থা করতে বিমান কোম্পানিকে প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে। এই বিশাল অঙ্কের টাকা বিমান কোম্পানি যাত্রীর ভাড়ার সঙ্গে যুক্ত করলে ভাড়ার পরিমাণ দিগুণ হয়ে যাবে। এত ভাড়া দিয়ে বিমান ভ্রমণ করা সবার পক্ষে সম্ভব হবে না।
৪. ভালোভাবে প্যারাসুট ব্যবহার করা শিখতে যাত্রীদের প্রত্যেককে একজন ইন্সট্রাকটরের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। কমপক্ষে ৫ ঘণ্টা করে ৩ দিন প্রশিক্ষণ নিলে মোটামুটি প্যারাসুট চালনা শিখতে পারবেন তারা। কিন্তু সমস্যা হলো সবার জন্যে প্যারাসুট চালনা শেখার মতো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই, সব যাত্রীর ফিটনেস এক না এবং সবার পক্ষে টাকা খরচ করে প্রশিক্ষণ নেওয়াও সম্ভব না।
৫. ৩৫০০০ ফুট উচু দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় যাত্রীরা যদি প্যারাসুট নিয়ে লাফ দেন, তাহলে প্যারাসুটের সুবিধা পেলেও কম বায়ুচাপ ও স্বল্প অক্সিজেনের কারণে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তারা মারা যেতে পারেন। কারণ এই উচ্চতায় যদি ফুসফুসে বাতাস ভরে রাখার জন্য দম বন্ধ করে থাকেন তাহলে আপনার ফুসফুস ফেটে যাবে।
আবার কম অক্সিজেন ঘনত্বের কারণে এত উচ্চতায় জ্ঞান হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন যাত্রীরা। এসব কারণে বিমানে প্যারাসুট থাকলেও তা ব্যবহার করার সুযোগ নেই। তাই বিমানে প্যারাসুট থাকে না।
সংক্ষেপে দেখুনখাঁটি মধু চেনার উপায় কি?
বাজারে বিশেষ করে আজকাল অনলাইন শপগুলোতে খাঁটি মধু পাওয়া যায় বলে প্রচারণা দেখা যায়। তবে অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে এই মধু আসলেই খাঁটি তো! নকল মধুগুলোতে বেশি লাভের জন্য চিনির সিরাপ মেশানো হয়। উপকারের আশায় নকল মধু খেয়ে, উপকার তো পাই-ই না, বরং ক্ষতি হয় আমাদের। তাহলে মধু চেনার উপায়! জেনে নিন নকল মধু নকল মধুতবিস্তারিত পড়ুন
বাজারে বিশেষ করে আজকাল অনলাইন শপগুলোতে খাঁটি মধু পাওয়া যায় বলে প্রচারণা দেখা যায়। তবে অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে এই মধু আসলেই খাঁটি তো!
নকল মধুগুলোতে বেশি লাভের জন্য চিনির সিরাপ মেশানো হয়। উপকারের আশায় নকল মধু খেয়ে, উপকার তো পাই-ই না, বরং ক্ষতি হয় আমাদের।
তাহলে মধু চেনার উপায়! জেনে নিন
নকল মধু
আর খাঁটি হলে
মধুতে প্রায় ৪৫টিও বেশি খাদ্য উপাদান থাকে। তবে এতে সাধারণত কোনো চর্বি ও প্রোটিন নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম মধু থেকে অামরা ৩০৪ ক্যালরি পাই।
এছাড়াও
- মধুর সঙ্গে দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে এবং রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে
- শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে
- নিয়মিত মধু খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদানগুলো বের করে দেয় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়
- সংক্রমণ দূর করে
- ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনডিপ ফ্রিজে মাছ, মাংস কতদিন রাখতে পারেন?
বাজারে গিয়ে বেশি করে মাংস কিনে ফেললেন। ভাবলেন ফ্রিজে রেখে দিলেই হবে। অথাবা কোরবানির মাংস রেখে দিলেন। রেখে দিয়ে ভুলেই গেলেন। আবার খুঁজতে খুঁজতে পেলেন এক প্যাকেট। কিন্তু এর মাঝে অনেকটা সময় কেটে গেছে। প্যাকেটা ধরে ভাবলেন এতো দিনের মাংস খাওয়া ঠিক হবে? আচ্ছা মাংস কতদিন ডিপ ফ্রিজে রাখা যায়? যুক্তরাষ্ট্রেবিস্তারিত পড়ুন
বাজারে গিয়ে বেশি করে মাংস কিনে ফেললেন। ভাবলেন ফ্রিজে রেখে দিলেই হবে। অথাবা কোরবানির মাংস রেখে দিলেন। রেখে দিয়ে ভুলেই গেলেন।
আবার খুঁজতে খুঁজতে পেলেন এক প্যাকেট। কিন্তু এর মাঝে অনেকটা সময় কেটে গেছে। প্যাকেটা ধরে ভাবলেন এতো দিনের মাংস খাওয়া ঠিক হবে? আচ্ছা মাংস কতদিন ডিপ ফ্রিজে রাখা যায়?
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)-এর মতে ডিপ ফ্রিজে অনেক দিন মাংস রেখে খাওয়া যায়। কাঁচা মাছ, মাংস ডিপ ফ্রিজে থাকলে নষ্ট হয় না এটা ঠিক, কিন্তু স্বাদ আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়। তাই বেশি দিন ফ্রিজে না রেখে খাওয়া ভালো।
ফ্রিজে কতদিন মাছ এবং মাংস ভালো থাকে ?
মাংস
** কাঁচা মুরগি, কবুতর অথবা টার্কির মাংস ডিপ ফ্রিজে সাধারণত এক বছর থেকে নয় মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে স্বাদে ভিন্নতা আসতে পারে। কারণ সময়ের সাথে সাথে স্বাদ কমে যায়।
** গরু, খাসির মাংস ডিপ ফ্রিজে ১২মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
** অনেকে গরু, খাসি বা মুরগির কিমা ডিপে রাখেন। সেক্ষেত্রে তিন থেকে চার মাস ভালো থাকবে।
মাছ
ডিপ ফ্রিজে মাছ সংরক্ষণ সাধারণত মাছের ধরনের ওপর নির্ভর করে।
**চর্বিযুক্ত মাছ যেমন স্যামন, টুনা ডিপ ফ্রিজে দুই থেকে তিন মাস ভালো থাকবে।
**অন্যান্য মাছ ছয় থেকে আট মাস ভালো থাকে।
**সামুদ্রিক মাছও চার থেকে আট মাস ভালো থাকে।
** চিংড়ি মাছ ছয় থেকে আঠারো মাস ভালো থাকে।
মাছ বা মাংস খুব দ্রুত ফ্রিজে ঢুকাতে হয়। বাজার থেকে কিনে এনে দ্রুত ফ্রিজে ঢুকাতে হবে। একবারে সব এক প্যাকেটে ঢুকিয়ে রাখবেন না। ছোট ছোট করে প্যাকেট করে রাখুন। এতে তাড়াতাড়ি মাছ মাংস বরফ হবে। ভালো থাকবে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন ৫ রাশির জাতকই সবচেয়ে বেশী সেক্সি?
জ্যোতিষ শাস্ত্রে এমন কয়েকটি রাশির কথা বলা হয়েছে, যাঁর জাতকরা আকর্ষণীয় ও উষ্ণতায় ভরপুর। যে কোনও ব্যক্তিই এঁদের দ্বারা সহজে আকৃষ্ট হয়ে পড়তে পারে। এই রাশির জাতকরা সঙ্গী হিসেবে অত্যন্ত নির্ভরশীল। কেউ যদি এঁদের নিয়ন্ত্রণের কথা ভেবে থাকে, তা হলে তাঁরাই হয়তো নিজের অজান্তে তাঁদের বশবর্তী হয়ে পড়বে। কোন কোনবিস্তারিত পড়ুন
জ্যোতিষ শাস্ত্রে এমন কয়েকটি রাশির কথা বলা হয়েছে, যাঁর জাতকরা আকর্ষণীয় ও উষ্ণতায় ভরপুর। যে কোনও ব্যক্তিই এঁদের দ্বারা সহজে আকৃষ্ট হয়ে পড়তে পারে। এই রাশির জাতকরা সঙ্গী হিসেবে অত্যন্ত নির্ভরশীল। কেউ যদি এঁদের নিয়ন্ত্রণের কথা ভেবে থাকে, তা হলে তাঁরাই হয়তো নিজের অজান্তে তাঁদের বশবর্তী হয়ে পড়বে। কোন কোন রাশির কথা বলা হচ্ছে জেনে নিন।জ্যোতিষ শাস্ত্রে যে ১২টি রাশির কথা বলা হয় তার মধ্যে প্রত্যেকটি কোনও না-কোনও ক্ষেত্রে একে অপরের চেয়ে বেশি দৃঢ় এবং শক্তিশালী হয়। এই রাশির মাধ্যমে বিভিন্ন জাতকদের যৌনতা সম্পর্কেও জানা যেতে পারে। কারণ ১২টি রাশির মধ্যে ৫টি রাশির জাতককে সবচেয়ে বেশি সেক্সি বা আকর্ষণীয় মনে করা হয়ে থাকে। এই রাশির জাতকরা নিজের আকর্ষণের জাদুতে যে কোনও ব্যক্তিকে আকৃষ্ট করে ফেলতে পারে। তবে এঁদের জীবনে কারা প্রবেশ করবে, তার সিদ্ধান্ত নেন শুধু এই জাতকরাই। কোন কোন রাশির জাতক সবচেয়ে বেশি সেক্সি ও অপরকে আকৃষ্ট করতে পারেন জেনে নিন।
বৃষ রাশি (Taurus Zodiac)
প্রথমবার দেখলে বৃষ জাতকদের অত্যন্ত সহজ-সরল, সাদামাটা মনে হতে পারে। তবে ভালোভাবে মেলামেশা করলে এঁদের উন্মাদনা আপনার কাছে ধরা দেবে। এটি সেক্সি ও উষ্ণ রাশির মধ্যে অন্যতম। তবে খুব কম লোকই এঁদের ধারেকাছে ঘেসতে পারে ও তার চেয়েও কম সংখ্যক জাতক-জাতিকা এঁদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ পায়। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম থেকে শুরু করে বড়সড় কোনও বিষয় — যাই হোক না-কেন, বৃষ রাশির জাতকরা ভালো ভাবেই জানেন যে কখন ও কী ভাবে তাঁরা এর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান। যৌন আবেদন অনেক বেশি এঁদের মধ্যে। তবে পাহাড়, কোনও মনোরম প্রাকৃতিক স্থানে এঁরা নিজের সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চান। এঁদের মধ্যে কল্পনাপ্রবণতা ও উষ্ণতার মিশ্রণ দেখা যায়, যা এই জাতকদের সকলের থেকে পৃথক করে তোলে। অনুষ্কা শর্মার রাশিও বৃষ।
কর্কট রাশি (Cancer Zodiac)
কর্কট রাশির জাতকদের সহজে দমানো সম্ভব নয়। এঁরা অত্যন্ত মজাদার এবং একই সঙ্গে গভীর। আপনারা সহজেই এঁদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বেন। সমস্ত রাশির মধ্যে এই রাশির জাতকরা সবচেয়ে বেশি রোম্যান্টিক। তাই আপনার সঙ্গে কবে দেখা হয়েছে, কোন রঙের পোশাক পরেছিলেন, আপনার পছন্দ-অপছন্দ সমস্ত ছোটখাটো বিষয়ও এঁদের মনে থাকে। তবে এই রাশির জাতকদের অস্থির মেজাজ ও আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা যে কোনও ব্যক্তিকে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। কিন্তু তাঁদের এই স্বভাব উপেক্ষা করতে পারলে কর্কট জাতকদের মতো সঙ্গী পাওয়া মুশকিল। এঁদের সামনে কাঁদুনে মুখে, অসহায় হয়ে বসে থাকলে কর্কট জাতকরা আপনার প্রতি সহজে আকৃষ্ট হবেন। কর্কট জাতকদের মধ্যে যৌন আবেদন অনেক বেশি। তাই এঁদের সঙ্গে জড়ালে নিজের পছন্দ-অপছন্দ জানিয়ে রাখা শ্রেয়। ক্যাটরিনার জাদুতে মোহিত থাকলে জেনে নিন, তিনিও কর্কট জাতিকা।
সিংহ রাশি (Leo Zodiac)
এঁরা খোলা আকাশের পাখি। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কী ভাবে ভালো সময় কাটানো যায় তা সিংহ জাতকদের ভালোই জানা আছে। আপনি শত চেষ্টা করেও এঁদের উষ্ণতা ও ক্যারিশমার দ্বারা আকৃষ্ট না-হয়ে থাকতে পারবেন না। এই রাশির জাতকরা শৃঙ্খলাপরায়ণ, ভালো মনের মানুষ। এঁরা যাঁকে ভালোবাসেন, তাঁকে সব সময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখেন। অনেকেই এমন মনোযোগ প্রত্যাশা করে থাকেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁরা সিংহ জাতকদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বেন। শুধু তাই নয়, অন্যান্যদের থেকেও ভালো ভাবে যে কোনও কাজ করে ফেলতে পারেন এঁরা। সমস্ত রাশির মধ্যে সিংহ রাশির জাতকদের হাসিই সর্বশ্রেষ্ঠ। নিজের হাসির মাধ্যমেই আপনাকে নিজের কাছে টেনে নিতে সক্ষম এই রাশির জাতকরা। নিজের প্রতি কোনও সিংহ জাতককে আকৃষ্ট করতে চান? তা হলে তাঁদের প্রশংসা করুন ও বিশেষ অনুভব করান।
কন্যা রাশি (Virgo Zodiac)
এই রাশির জাতকরা পারফেকশানিস্ট। এ কারণে এঁদের ওপর অনেকেরই নজর থাকে। কিন্তু শুধু ওপর থেকে দেখে এঁদের অন্তরের উষ্ণতার তল খুঁজে পাওয়া কঠিন। এই রাশির জাতক বা জাতিকারা যতক্ষণ চাইবেন না আপনি এঁদের বিছানায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। এঁরা জন্ম থেকেই আধিপত্য বিস্তারের স্বভাবের অধিকারী। তাই কেউ এঁদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে চান, তা হলে ঝুঁকি নিয়ে দেখতে পারেন। এঁদের মধ্যে উষ্ণতার কোনও ঘাটতি নেই। সঙ্গী হিসেবে কন্যা রাশির জাতকরা অত্যন্ত নির্ভরশীল ও গোছানো প্রকৃতির মানুষ। এঁদের উষ্ণতার আঁচ অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। আয়ুষ্মান খুরানার প্রেমে পাগল অনেক মেয়েই। আয়ুষ্মান কিন্তু কন্যা রাশির জাতক।
বৃশ্চিক রাশি (Scorpio Zodiac)
সংক্ষেপে দেখুনএই রাশির জাতকদের মধ্যে কাউকে আকৃষ্ট করার অদম্য, অফুরন্ত ক্ষমতা রয়েছে। এমনকি এই রাশির যে জাতকরা দেখতে খুব একটা ভালো নন, তাঁরাও অন্যদের দিয়ে নিজের পছন্দের কাজ করিয়ে নিতে পারে। আপনার আজব মনে হতে পারে, কিন্তু এঁদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বললে আপনি নিজে থেকেই এঁদের বশবর্তী হয়ে পড়বেন। আপনারাও বুঝে উঠতে পারবেন না, যে ঠিক কোন কারণে বৃশ্চিক জাতকদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছেন। রহস্যঘেরা বৃশ্চিক জাতকদের মধ্যে আকর্ষণের অদম্য ক্ষমতা রয়েছে। এমনকি এঁরা আপনার মন পড়ে নিতে পারেন। এর সবের পাশাপাশি বৃশ্চিক জাতকরা সাহসী, বিশ্বস্ত। এঁরা স্থায়ীত্বে বিশ্বাস করেন। কালো পোশাকে এঁদের সামনে উপস্থিত হলে এঁরা নিজেকে আটকে রাখতে পারবেন না, এমনকি আপনারাও এঁদের আকর্ষণের বশবর্তী হয়ে পড়বেন। উল্লেখ্য ঐশ্বর্য রাই বচ্চনও বৃশ্চিক রাশির জাতিকা।