সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
100, 000 Stars, Faces of Facebook, Sneeze the Dragon, Eelslap, Omg! Laser Guns!, Pew Pew Pew, A Soft MurMur, Omfgdogs, Zoomquilt, Pixel Thoughts, Giphy এগুলো কি?
আপনি যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলো সবই ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ হিসেবে পরিচিত কিছু ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, বা অনলাইন প্রজেক্ট। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ভিজ্যুয়াল বা ইন্টারেক্টিভ প্রজেক্ট, কিছু মিম বা সাইটের নাম, এবং কিছু সৃজনশীল ডিজিটাল এক্সপেরিমেন্ট হতে পারে। চলুন, একে একে এগুলোর ব্যাপারে কিছু তথ্যবিস্তারিত পড়ুন
আপনি যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলো সবই ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ হিসেবে পরিচিত কিছু ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, বা অনলাইন প্রজেক্ট। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ভিজ্যুয়াল বা ইন্টারেক্টিভ প্রজেক্ট, কিছু মিম বা সাইটের নাম, এবং কিছু সৃজনশীল ডিজিটাল এক্সপেরিমেন্ট হতে পারে। চলুন, একে একে এগুলোর ব্যাপারে কিছু তথ্য দেওয়া যাক:
1. **100,000 Stars**: এটি একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবসাইট যা মহাবিশ্বের মডেল প্রদর্শন করে। এখানে আপনি বিভিন্ন তারার অবস্থান, তাদের আকার এবং দূরত্ব দেখতে পারেন। এটি NASA বা অন্যান্য মহাকাশ সম্পর্কিত প্রকল্পের মতো জ্ঞানমূলক উপাদান দিয়ে তৈরি।
2. **Faces of Facebook**: এটি একটি সাইট যেখানে ফেসবুকের ইউজারদের ছবি এবং তাদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য প্রদর্শিত হয়। সাধারণত এটি ফেসবুকের তথ্য নিয়ে কাজ করা একটি প্রজেক্ট, যা ফেসবুকের অ্যাকাউন্টগুলোর ছবি বা প্রোফাইল প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
3. **Sneeze the Dragon**: এটি একটি হালকা মজার ইন্টারেক্টিভ ওয়েবসাইট বা গেম যেখানে আপনি একটি ড্রাগনকে স্নিজ (হাঁচি) করাতে পারবেন।
4. **Eelslap**: এটি একটি ইন্টারনেট মিম বা গেম যেখানে আপনি একটি ভার্চুয়াল চরিত্রকে একটি তেলাপিয়া মাছ দিয়ে স্ল্যাপ (থাপ্পড়) করতে পারবেন। এটা সাধারণত হাস্যকর এবং মজার কারণে জনপ্রিয়।
5. **Omg! Laser Guns!**: এটি একটি মজার এবং অকারণ হাস্যকর ওয়েবসাইট যা আপনাকে ভয়েস বা মাউস ক্লিকের মাধ্যমে লেজার গান দিয়ে শুটিং করতে দেয়। মজা এবং অদ্ভুততার জন্য এটি জনপ্রিয়।
6. **Pew Pew Pew**: এটি একটি ওয়েবসাইট বা সাউন্ড ইফেক্ট, যেখানে ক্লিক করলে “Pew Pew Pew” আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। এটি মূলত এক ধরনের মিম এবং গেমিং সংস্কৃতির অংশ।
7. **A Soft MurMur**: এটি একটি ওয়েবসাইট যা শান্ত এবং প্রশান্তির জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আপনি নানা ধরনের সাউন্ড (যেমন বৃষ্টির শব্দ, ঝরনার শব্দ, পাখির ডাক) শুনতে পারেন। এটি মনোযোগ বা মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিসের জন্য ভালো।
8. **Omfgdogs**: এটি একটি ওয়েবসাইট যা বিশাল সংখ্যক কিউট এবং হাস্যকর কুকুরের ছবি এবং অ্যানিমেশন দেখানোর জন্য পরিচিত। সাধারণত এটি একটি টাইম-পাস সাইট।
9. **Zoomquilt**: এটি একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ জুমিং অ্যানিমেশন প্রজেক্ট যেখানে আপনি একটি বিশাল ডিজিটাল চিত্রের মধ্যে জুম ইন করতে পারেন এবং প্রতিটি পর্যায়ে নতুন নতুন দৃশ্য দেখতে পান।
10. **Pixel Thoughts**: এটি একটি সাইট যা সাইট ভিজিটরদের জন্য একটি ধ্যানের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। একটি ব্ল্যাক স্ক্রীনে একে একে ছোট ছোট পিক্সেল দৃশ্য প্রদর্শিত হয় যা ধ্যান বা মননশীলতার জন্য সাহায্যকারী হতে পারে।
11. **Giphy**: Giphy একটি জনপ্রিয় গিফ (GIF) প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা শর্ট অ্যানিমেটেড ইমেজ বা মুভি ক্লিপ শেয়ার করতে পারেন। এটি সামাজিক মাধ্যম এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
এই সমস্ত সাইটগুলো সাধারণত বিনোদনমূলক, কিছু সৃজনশীল এবং অন্যরা হাস্যকর বা চিন্তা-উদ্রেককারী অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা কে?
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং।বিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।
গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং। তিনি **গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড**, **American Music Awards**, **Billboard Music Awards** সহ আরও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রেকর্ড করা হয়েছে সর্বাধিক অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হিসেবে।
তবে, যদি “সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড” বলতে সম্মাননা বা পুরস্কারের মোট সংখ্যা বুঝানো হয়, তবে **মাইকেল জ্যাকসন**ও (Michael Jackson) একটি উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি একাধিক বার গ্র্যামি, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি “কিং অফ পপ” নামে পরিচিত, এবং তাঁর মোট পুরস্কারের সংখ্যা ৮০০ এরও বেশি।
তবে, **গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস** অনুযায়ী, গ্যার্থ ব্রুকসকে সবচেয়ে বেশি পুরস্কৃত সংগীত শিল্পী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করে কেন?
ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে: ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব** অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তবিস্তারিত পড়ুন
ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে:
### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব**
অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তারা পড়াশোনা করতে পারেননি বা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলে তারা পরীক্ষায় চিটিং করে নিজের ফলাফল ভালো করার চেষ্টা করে।
### ২. **অতিরিক্ত চাপ বা দুশ্চিন্তা**
বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য ছাত্রদের ওপর অনেক চাপ থাকে। কিছু ছাত্র এই চাপ সামলাতে না পেরে, বা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে চিটিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল উন্নত করতে চায়।
### ৩. **অধ্যয়ন পদ্ধতির সমস্যা**
যে ছাত্ররা নিয়মিত পড়াশোনা করে না বা ভুল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে, তারা পরীক্ষার আগে চাপ অনুভব করে এবং মনে করে যে, পড়াশোনা ছাড়া তারা কোনোভাবে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। এই ধরনের ছাত্রেরা চিটিং করার পন্থা খুঁজে নেন।
### ৪. **প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ**
অনেক সময় ছাত্ররা বন্ধুদের বা সহপাঠীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ার ভয় পেয়ে চিটিং করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলে, ছাত্ররা মনে করে যে, পরীক্ষায় ভালো ফল না করলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
### ৫. **অনুশীলন বা মনোযোগের অভাব**
কিছু ছাত্র পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু তারা পর্যাপ্ত সময় বা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। ফলে তারা টুকলি বা চিটিংয়ের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর চেষ্টা করে।
### ৬. **শিক্ষকের বা পরীক্ষার পরিবেশের দুর্বলতা**
যদি পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অবহেলা থাকে, যেমন শিক্ষক বা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা যথাযথভাবে নজরদারি না করেন, তখন ছাত্ররা চিটিংয়ের সুযোগ পেয়ে যায়। কিছু পরীক্ষায় এমন পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ছাত্রদের চিটিং করা সহজ হয়ে যায়।
### ৭. **নৈতিক মূল্যবোধের অভাব**
কিছু ছাত্রের নৈতিক মূল্যবোধ বা শৃঙ্খলা কম হতে পারে। তারা মনে করে যে, চিটিং করে যদি ভালো ফল পাওয়া যায়, তবে এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে না। এই ধরনের ছাত্রদের মধ্যে নিজেদের কর্তব্য বা সঠিক পথ অনুসরণের প্রতি আগ্রহ কম হতে পারে।
### ৮. **বিশ্বস্ততার অভাব**
অন্য একটি কারণ হতে পারে শিক্ষাপদ্ধতিতে আস্থা বা বিশ্বাসের অভাব। ছাত্ররা যদি মনে করেন যে, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল শুধুমাত্র সঠিকভাবে পড়াশোনা করলেই পাওয়া যায় না, বা মূল্যায়ন পদ্ধতি যথাযথ নয়, তবে তারা মনে করে যে চিটিং করলেই ফলাফল ভালো হবে।
### ৯. **অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত উৎসের অভাব**
কিছু ছাত্রের কাছে প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণ বা গাইড বই না থাকলে, তারা হয়তো বাইরে থেকে কপি বা টুকলি করে নিজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে চায়।
### সমাধান:
পরীক্ষায় চিটিংয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উচিত:
– শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব পোষণ করা এবং তাদের সমস্যা বুঝে সমাধান করা।
– সঠিক পড়াশোনার পদ্ধতি শেখানো এবং চাপ কমানোর জন্য মানসিক সহায়তা প্রদান।
– পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ রাখা।
– নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিক গাইডলাইন এবং অভ্যন্তরীণ সহায়তার মাধ্যমে চিটিংয়ের প্রবণতা কমানো সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা কোথায় অবস্থিত?
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা **পৃথিবী-বাংলাদেশে অবস্থিত**, যা **"দ্য হুইট স্যান্ড ড্রাইভ" (The Highway 10)** নামে পরিচিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তৃত ও প্রাচীন সোজা রাস্তা যা **হুইট স্যান্ড ড্রাইভ** নামে পরিচিত।
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা **পৃথিবী-বাংলাদেশে অবস্থিত**, যা **”দ্য হুইট স্যান্ড ড্রাইভ” (The Highway 10)** নামে পরিচিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তৃত ও প্রাচীন সোজা রাস্তা যা **হুইট স্যান্ড ড্রাইভ** নামে পরিচিত।
সংক্ষেপে দেখুনপ্যাঁচার সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি কোনটি?
প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller's Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত। **স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিবিস্তারিত পড়ুন
প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller’s Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত।
**স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিয়া অঞ্চলে বাস করে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৫ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার (৪৫ থেকে ৪৭ ইঞ্চি), এবং পাখিটির ডানা প্রসারিত হয়ে ২.৪ থেকে ২.৫ মিটার (৮ থেকে ৮.৫ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে। এর ওজন প্রায় ৭-৯ কেজি (১৫-২০ পাউন্ড)।
স্টেলারস্ সিজার প্যাঁচাটি তার শক্তিশালী পা, বড় ও ধারালো ঠোঁট, এবং মাছ, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী, ছোট পশু এবং পাখি শিকার করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এটি অতি দুর্লভ এবং বিশ্বে তার সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে, ফলে এটি এখন একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত।
সংক্ষেপে দেখুনজল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয় কোনটি?
জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**। কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষবিস্তারিত পড়ুন
জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**।
কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষ করে ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, কলম্বিয়া এবং ইথিওপিয়া সহ অনেক দেশ কফি উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফিস, ক্যাফে থেকে বাড়ি—কফি প্রায় সবখানেই পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব কতটা আমরা সেটি সবাই জানি, কিন্তু জানেন কি এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে?
শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে। **ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮বিস্তারিত পড়ুন
শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে।
**ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮-৬৫৮ খ্রিস্টাব্দ) ভারতীয় গণিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, শূন্যকে একটি পূর্ণসংখ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং এর জন্য বিশেষ গণনা বিধি তৈরি করেছিলেন। তিনি শূন্যকে শুধু একটি ‘সংখ্যা’ হিসেবে না, বরং একটি গাণিতিক অপারেশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। ব্রাহ্মগুপ্তের লেখা “ব্রাহ্মগুপ্ত সূত্র” গ্রন্থে শূন্যের বিভিন্ন গাণিতিক ব্যবহার ও নীতি বর্ণিত আছে, যেমন শূন্যের সাথে যোগ এবং গুণের নিয়ম।
তবে, শূন্যের ধারণার উন্নতি অনেক আগে থেকেই ভারতীয় গণিতজ্ঞদের মধ্যে চলে আসছিল। ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ শূন্যের ধারণা গাণিতিক বিশ্লেষণ ও গণনা পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটায়।
এছাড়া, **অ্যারাবিয়ান গণিতবিদদের (যেমন আল-খাওয়ারিজমি)** মাধ্যমে শূন্যের ধারণা পাশ্চাত্যে পৌঁছায়, এবং পরে এটি আধুনিক গণিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অতএব, শূন্যের আবিষ্কার এককভাবে কোনো এক ব্যক্তির কাজ নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক এবং গাণিতিক উন্নতির অংশ ছিল, যেখানে ভারতীয় গণিতবিদেরা প্রথম শূন্যের প্রকৃত গাণিতিক ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুনমানুষ কখন ও কেন কথা বলতে শিখলো? কী বলেছিল প্রথমে?
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
সংক্ষেপে দেখুনতুরস্ক দেশের নাম পরিবর্তন করে তুর্কিয়ে কেন করা হয়েছে ?
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ 'তুর্কিয়ে' নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে 'তুর্কিয়ে' রাখার প্রচারণা শুরুবিস্তারিত পড়ুন
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ‘তুর্কিয়ে‘ নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে ‘তুর্কিয়ে‘ রাখার প্রচারণা শুরু করেন।
সংক্ষেপে দেখুনখ্রিস্টান ধর্ম কখন এবং কেন খতনা প্রথা ত্যাগ করেছে?
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা ভাষায় এত ফারসি শব্দ কীভাবে এলো?
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
সংক্ষেপে দেখুনআরব বিশ্বের বাইরে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে ?
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি - যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি – যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
সংক্ষেপে দেখুনজানেন কি যে বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। রহস্য কি ?
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
সংক্ষেপে দেখুন৩০শে ফেব্রুয়ারি – যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল কবে?
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার '৩০ ফেব্রুয়ারি' এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে '৩০ ফেব্রুয়ারি' দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনইতালিতে কমলা দিয়ে লড়াইয়ের উৎসবের ইতিহাস কি ?
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ' বা `ফুড ফাইট', যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ’ বা `ফুড ফাইট’, যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
সংক্ষেপে দেখুনপারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে কত বছর সময় লেগেছিল ?
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
সংক্ষেপে দেখুনকবে থেকে বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দের আধিপত্য শুরু হয় ?
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
সংক্ষেপে দেখুনকীভাবে হয় লিপ ইয়ার ? এর ইতিহাস কী, ফেব্রুয়ারিতেই কেন লিপ ইয়ার?
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়। কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক- ১. লিপ ইয়বিস্তারিত পড়ুন
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়।
কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক-
১. লিপ ইয়ারের অতিরিক্ত দিনটা জরুরি আমাদের সৌরজগতের ‘বিশৃঙ্খল’ অবস্থার জন্যই। কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
২. জুলিয়াস সিজার রোমের ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত ৩৫৫ দিনে বছর, এমন ক্যালেন্ডারই সবাই মেনে চলত – যেখানে প্রতি ২ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত ২২ দিনের মাস যুক্ত হতো। কিন্তু এটা আসলে সমস্যার একটা জটিল সমাধান ছিল এবং উৎসবের দিনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে যেতে শুরু করে। তাই সিজার তার জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে বিষয়টি সহজ করার নির্দেশ দেন।
সোসিজেনেস তখন ৩৬৫ দিনে বছর করে যে অতিরিক্ত ৬ ঘণ্টার মতো থেকে যায় সেটা মিলিয়ে নিতে ৪ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত দিন ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেন। আর এভাবেই ২৯শে ফেব্রুয়ারির জন্ম। যা পরবর্তীতে পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি সূক্ষ্ম পরিমার্জন করেন।
৩. আঙুলের হিসেবে প্রতি ৪ বছর পরপর আসে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ। কিন্তু কথা এখানেই শেষ না। যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
৪. ফেব্রুয়ারির ২৯ই কেন? অন্য সব মাসেই আছে ৩০ বা ৩১ দিন করে, কিন্তু ইয়ান স্টুয়ার্ট জানাচ্ছেন রোমান সম্রাট সিজার অগাস্টাসের ব্যক্তিগত ইচ্ছের কাছে বলি হয়েছে ফেব্রুয়ারি।
জুলিয়াস সিজারের অধীনে কিন্তু ফেব্রুয়ারি ৩০ দিনের মাস ছিল। কিন্তু সিজার অগাস্টাস যখন সম্রাট হন, তখন তিনি তার নিজের নামাঙ্কিত মাস আগস্ট ২৯ দিনের হওয়ায় খানিকটা বিরক্ত হন। কারণ তার আগের সম্রাট জুলিয়াসের নামাঙ্কিত মাস – জুলাই – ছিল ৩১ দিনের।
৫. লিপ ইয়ারের রাজধানী বলে স্বীকৃত টেক্সাসের অ্যান্থনি শহর। ১৯৮৮ সালে এই শহরের বাসিন্দা ও লিপ ইয়ারে জন্ম নেয়া ম্যারি অ্যান ব্রাউন চেম্বার অফ কমার্সের কাছে যান শহরে একটা লিপ ইয়ার উৎসবের আবেদন নিয়ে। তার সেই আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং অ্যান্থনিকে ঘোষণা দেয়া হয় বিশ্বের লিপ ইয়ার রাজধানী হিসেবে। তার পর থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বের লিপাররা টেক্সাসের এই শহরে জড়ো হয়ে প্যারেডে অংশ নেন, একসাথে বার্থডে ডিনার, নাচানাচি এবং হট এয়ার বেলুনে চড়েন সবাই।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ কোনটি?
'বাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ ফারসির'ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' বইতে প্রথমবারের মতো দাবি করেন যে বাংলায় সবচেয়ে বেশি আছে ফারসি ভাষার শব্দ।
‘বাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ ফারসির’ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বইতে প্রথমবারের মতো দাবি করেন যে বাংলায় সবচেয়ে বেশি আছে ফারসি ভাষার শব্দ।
সংক্ষেপে দেখুনসুপারম্যান বা স্পাইডারম্যান- কীভাবে এলো এই সুপার হিরোরা?
সুপার পাওয়ার বা অতি মানবীয় শক্তি অর্জনের স্বপ্ন কি কেউ দেখেনি? আসলে এমন ইচ্ছা মানুষের একেবারে শুরু থেকেই রয়ে গেছে। সুপারহিরো বলতে সবাই হয়তো সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান বা ওয়ান্ডারওম্যানের মত জনপ্রিয়, পরিচিত চরিত্রদেরই বোঝেন। কিন্তু হাজার বছর আগে গ্রীক, রোমান ও নরওয়েজিয়ান মানুষেরা তাদের নিজস্ববিস্তারিত পড়ুন
সুপার পাওয়ার বা অতি মানবীয় শক্তি অর্জনের স্বপ্ন কি কেউ দেখেনি? আসলে এমন ইচ্ছা মানুষের একেবারে শুরু থেকেই রয়ে গেছে।
সুপারহিরো বলতে সবাই হয়তো সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান বা ওয়ান্ডারওম্যানের মত জনপ্রিয়, পরিচিত চরিত্রদেরই বোঝেন।
কিন্তু হাজার বছর আগে গ্রীক, রোমান ও নরওয়েজিয়ান মানুষেরা তাদের নিজস্ব সুপারহিরোদের তৈরি করেছিল অতিমানবীয় শক্তি দিয়ে।
এই পৌরাণিক মহাশক্তিধরদের এখনকার মার্ভেল এবং ডিসি ফুটিয়ে তুলেছে মানুষের সামনে
সংক্ষেপে দেখুন