সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
এমন কোনো পদার্থ কি আছে যা কখনোই ধ্বংস হতে পারে না?
সংক্ষিপ্ত উত্তরঃ না। এমন কোনো পদার্থ নেই যা একেবারে ধ্বংস হতে পারে না। তবে পদার্থের মৌলিক গঠন উপাদান, যেমন প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয় না। এটি বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সংরক্ষণ সূত্র (E=mc²) থেকে বোঝা যায়, যা বলে যে ভর এবং শক্তি ধ্বংস হযবিস্তারিত পড়ুন
সংক্ষিপ্ত উত্তরঃ না। এমন কোনো পদার্থ নেই যা একেবারে ধ্বংস হতে পারে না। তবে পদার্থের মৌলিক গঠন উপাদান, যেমন প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয় না। এটি বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সংরক্ষণ সূত্র (E=mc²) থেকে বোঝা যায়, যা বলে যে ভর এবং শক্তি ধ্বংস হয় না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ:
যদি আপনি একটি বস্তু পুড়িয়ে দেন, সেটি ধ্বংসপ্রাপ্ত মনে হলেও আসলে এটি বিভিন্ন গ্যাস এবং শক্তিতে পরিণত হয়।
এমনকি পারমাণবিক বিক্রিয়ায় (nuclear reaction), যেখানে পদার্থের ভর কমে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেখানেও এটি ধ্বংস হয় না।
তবে তাত্ত্বিকভাবে, কোয়ান্টাম ফিজিক্সে কিছু মৌলিক কণা, যেমন ফোটন বা নির্দিষ্ট ভারহীন কণাগুলো, সময়ের সীমাবদ্ধতার বাইরে থাকতে পারে। এগুলোও সরাসরি ধ্বংস না হয়ে অন্য কোনো শক্তিতে মিশে যায়।
সুতরাং, পদার্থ ধ্বংস হয় না, শুধু তার রূপ পরিবর্তন হয়।
সংক্ষেপে দেখুনটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এর নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত, অন্য কোন দল বিশ্বকাপ জিততে পারছে না কেন?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন অন্য কোনো দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারছে না? এর কারণ খুঁজতে হলে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং অন্য দলগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ভারতের আধিপত্য এবং নতুন রেকর্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ আসরে ভারতের ধারাবাহিবিস্তারিত পড়ুন
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন অন্য কোনো দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারছে না? এর কারণ খুঁজতে হলে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং অন্য দলগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
ভারতের আধিপত্য এবং নতুন রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ আসরে ভারতের ধারাবাহিকতা ও শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ দলটিকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে। সদ্য টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে ২০০ বা তার বেশি রান সর্বোচ্চ ৮ বার করার রেকর্ড গড়ে ভারত দেখিয়েছে তাদের ব্যাটিং কতটা ভয়ঙ্কর। সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা, ও শুভমান গিলের মতো ব্যাটসম্যানরা এই ফরম্যাটে দুর্দান্ত পারফর্ম করছে।
অন্য দলগুলোর সীমাবদ্ধতা
১. দলগত ভারসাম্যের অভাব: বেশিরভাগ দলেই ভারতের মতো ভারসাম্যপূর্ণ ব্যাটিং ও বোলিং কম্বিনেশন দেখা যায় না।
২. চাপ সামলানোর ব্যর্থতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর মতো বড় মঞ্চে দলগুলোর মধ্যে চাপ সামলানোর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
৩. বড় স্কোর তাড়া করার সমস্যা: ভারতের বিপক্ষে ২০০-এর বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে দলগুলো ব্যর্থ হচ্ছে, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে হয়েছে।
৪. চোট সমস্যা: কয়েকটি বড় দল যেমন ইংল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ড তাদের মূল খেলোয়াড়দের ইনজুরির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর সম্ভাবনা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর সময়সূচী অনুযায়ী, ভারত ফেভারিট হিসেবে টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে অন্য দলগুলোর জন্য সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। যদি তারা চাপ সামলে নিজেদের সেরা পারফর্ম করতে পারে, তাহলে হয়তো ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।
ভারতের জয় রোধে কী করা উচিত?
১. ফিল্ডিংয়ে উন্নতি: ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের দ্রুত আউট করার জন্য ফিল্ডিংকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
২. ডেথ বোলিং: ভারতের বিপক্ষে শেষের ওভারগুলোতে রান কম দেওয়ার কৌশল বের করতে হবে।
৩. মনোবল ধরে রাখা: চাপের মুহূর্তে দলের মধ্যে মানসিক দৃঢ়তা রাখতে হবে।
ভারত যেমন ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে, তেমনই অন্য দলগুলোর উচিত নিজেদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এ এরকম চমক এখনো সত্যিই প্রশংসনীয়!
সংক্ষেপে দেখুনMasud Rana pdf ডাউনলোড করার জন্য কোন নির্ভরযোগ্য সাইট আছে কি?
মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অনেক পাঠকই এগুলো PDF ফরম্যাটে খুঁজে থাকেন। "masud rana pdf" বা "মাসুদ রানা সিরিজ pdf" সহজলভ্য করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে এই বইগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যায়। যদিও এই ধরনের ই-বুক ফাইলগুলো সাধারণত বিভিন্ন ববিস্তারিত পড়ুন
মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অনেক পাঠকই এগুলো PDF ফরম্যাটে খুঁজে থাকেন। “masud rana pdf” বা “মাসুদ রানা সিরিজ pdf” সহজলভ্য করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে এই বইগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যায়। যদিও এই ধরনের ই-বুক ফাইলগুলো সাধারণত বিভিন্ন বাংলা ই-বুক সাইট, বইয়ের ফোরাম, অথবা ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করা হয়, তবে এগুলো ডাউনলোড করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
কপিরাইট সংক্রান্ত আইন মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো কপিরাইটেড, এবং এর লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন ও তার প্রকাশনা সংস্থা এই কপিরাইটের অধিকারী। সুতরাং, masud rana pdf ডাউনলোড করার জন্য নির্ভরযোগ্য এবং আইনসম্মত উৎস ব্যবহার করাই ভালো। কিছু পাবলিক ডোমেইন সাইটে হয়তো এই সিরিজের কিছু পুরনো সংস্করণ পাওয়া যেতে পারে, তবে তা বৈধ কিনা তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
মাসুদ রানা সিরিজের পিডিএফ ডাউনলোড করতে গেলে পাঠকদের এই বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকা উচিত এবং যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অবৈধ উৎস থেকে এড়িয়ে চলা উচিত।
সংক্ষেপে দেখুনঅনলাইনে jonmo nibondhon payment করবো কিভাবে?
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করার নিয়ম | jonmo nibondhon payment প্রসেস বিস্তারিত বাংলাদেশে বর্তমানে jonmo nibondhon payment এর সকল কার্যক্রম অনলাইনে করা হচ্ছে। আপনি যদি নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন বা আগের সনদ সংশোধন করতে চান, তাহলে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করতে পারবেন। চলুন জেনেবিস্তারিত পড়ুন
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করার নিয়ম | jonmo nibondhon payment প্রসেস বিস্তারিত
বাংলাদেশে বর্তমানে jonmo nibondhon payment এর সকল কার্যক্রম অনলাইনে করা হচ্ছে। আপনি যদি নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন বা আগের সনদ সংশোধন করতে চান, তাহলে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এই ফি পেমেন্ট করবেন।
জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্টের সুবিধা | Jonmo Nibondhon Payment Facility
জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যক্রম বর্তমানে অনলাইনে করায়, নাগরিকরা দ্রুত এবং সহজে নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করতে পারছেন। একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থাকলেই আপনি নিজে নিজে BDRIS পেমেন্ট করতে পারবেন। এতে সময় বাঁচে এবং আর্থিক জালিয়াতির শিকার হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায়।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফি পেমেন্ট করার নিয়ম | jonmo nibondhon payment process
অনলাইনে jonmo nibondhon payment পরিশোধ করার জন্য আপনাকে https://eservices.bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর ই-পেমেন্ট অপশনে গিয়ে আবেদনকারীর তথ্য দিয়ে ফি পেমেন্ট করতে পারবেন। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো:
ধাপ ১: ওয়েবসাইটে প্রবেশ
প্রথমে, আপনার ব্রাউজার থেকে https://eservices.bdris.gov.bd লিংকে যান। এখানে আপনি ‘ই-পেমেন্ট’ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর আপনাকে https://epay.bdris.gov.bd পেমেন্ট সিস্টেমে নিয়ে যাওয়া হবে।
ধাপ ২: আবেদনকারীর তথ্য প্রদান
ই-পেমেন্ট সিস্টেমে ঢোকার পরে, আবেদন আইডি ও জন্ম তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিন। এরপর, ক্যাপচা পূরণ করে ‘সার্চ’ করুন। সার্চ করার পরে আপনার আবেদন সংক্রান্ত সব তথ্য দেখা যাবে।
ধাপ ৩: তথ্য যাচাই ও পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন
সার্চ করার পরে, আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, আবেদন ফি, এবং আবেদনের অবস্থান প্রদর্শিত হবে। সব তথ্য ঠিক থাকলে, পরবর্তী ধাপে গিয়ে আপনার সুবিধামত একটি পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করুন। আপনি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ) এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
ধাপ ৪: পেমেন্ট সম্পন্ন করা
পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করার পরে, মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন। উদাহরণস্বরূপ, বিকাশ নির্বাচন করলে আপনার বিকাশ নাম্বার ও পিন নম্বর দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। পেমেন্ট সফল হলে, আপনার সামনে একটি চালানের কপি আসবে।
ধাপ ৫: চালানের কপি ডাউনলোড এবং প্রিন্ট
পেমেন্ট সম্পন্ন করার পরে, চালানের কপিটি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখুন। এটি পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হবে। চালানের কপিটি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক, তাই এটি সংরক্ষণ করে রাখুন।
২০২৪ সালে জন্ম নিবন্ধন ফি
২০২৪ সালে জন্ম নিবন্ধনের ফি নির্ধারিত রয়েছে:
– শিশুর বয়স ০-৪৫ দিন হলে: কোনো ফি নেই।
– শিশুর বয়স ৪৬ দিন থেকে ৫ বছর হলে: ২৫ টাকা।
– বয়স ৫ বছরের বেশি হলে: ৫০ টাকা।
ফি সংক্রান্ত কোনো পরিবর্তন না হওয়ায়, পূর্বের বছরগুলোর মতোই এই বছরও একই ফি প্রযোজ্য।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়
অনলাইনে jonmo nibondhon payment করার সময় কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে:
– আপনার আবেদন আইডি ও জন্ম তারিখের তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।
– ইন্টারনেট কানেকশন ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করুন, কারণ খারাপ নেটওয়ার্কের কারণে পেমেন্ট ব্যর্থ হতে পারে।
– পেমেন্টের পর চালানের কপিটি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করতে ভুলবেন না।
শেষ কথা
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন পেমেন্টের ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে, নাগরিকরা ঘরে বসেই সহজে জন্ম নিবন্ধনের ফি পরিশোধ করতে পারছেন। এতে সময় বাঁচে এবং স্থানীয় দপ্তরে বাড়তি অর্থ দাবি করার প্রবণতাও কমে গেছে। বর্তমানে অনলাইনে ফি পেমেন্ট করলে ৫০ টাকাতেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব, যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে অনেক সময় ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়।
অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা দেশব্যাপী নাগরিক সেবার মানকে আরও উন্নত করেছে, যা সবাইকে ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুন2yxa দিয়ে 2 মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবো কিভাবে?
2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়: 1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi 2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন। 3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন। এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি। 4. 'ডাউনলোড' বাবিস্তারিত পড়ুন
2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়:
1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi
2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন।
3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন।
এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি।
4. ‘ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করুন এবং ফাইলটি সংরক্ষণ করুন।
এরপর, ভিডিওটি আপনার ডিভাইসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড শুরু হবে।
সংক্ষেপে দেখুনBl Call Rate Offer বিস্তারিত এই মাসের
Discover the latest Banglalink recharge offers and enjoy great deals on internet packs, minute packs, SMS packs, and a call rate of just 69 paisa per minute. Whether you're a new or existing Banglalink user, you can unlock special offers by recharging specific amounts. In this article, we'll provideবিস্তারিত পড়ুন
Discover the latest Banglalink recharge offers and enjoy great deals on internet packs, minute packs, SMS packs, and a call rate of just 69 paisa per minute. Whether you’re a new or existing Banglalink user, you can unlock special offers by recharging specific amounts. In this article, we’ll provide the most up-to-date information on the BL recharge offer list, including details on minutes, internet, and the 69 paisa per minute call rate.
What is Banglalink Recharge offer?
The Banglalink Recharge deals allows customers to enjoy special deals by recharging a specific amount. Users do not need to use any dial codes to recharge the required amount to activate the offer of their choice. Many customers miss out on these offers because they are unaware of the specific recharge amounts. Let’s learn about all the available recharge offers in 2024.
Type of BL Recharge offer in 2024
In 2024, Banglalink will always provide special recharge offers for their customers. Now, there are many types of recharge offers available in Bangladesh.
The BL 69 paisa call rate offer is most important for all Banglalink users. If you recharge the correct amount, you can easily avail of this offer. As a result, most Banglalink users are searching for a 69 paisa per minute call rate offer list. Below is the latest recharge offer price list for the 69 paisa call rate offer.
Special Call Rate offer
Regular recharge offer
BL 1 Paisa/Second Call rate offer
If you need BL 1 paisa call rate offer then recharge;
BL Recharge Minute offer 2024
Banglalink customers can get a minute offer by recharging a specific amount. If you prefer not to buy minutes, simply find the required amount from the list below. Then, visit the nearest recharge center or use mobile banking to recharge the exact amount and enjoy the minute offer.
BL Recharge Offer Internet
If you load a certain amount, you can also get the MB/internet offer. You can get a cheap internet pack by simply recharging a fixed amount without using an app or code. Here is the top-up internet offer price list.
BL SMS offer By Recharge
If you purchase an SMS pack to recharge the exact amount, Now you can do this easily. Follow the instructions below:
Where & How to Recharge Banglalink SIM?
Banglalink recharge centers are available in every village across Bangladesh. You can visit your nearest recharge center, provide your Banglalink number accurately, and top up your account. Alternatively, you can use any mobile banking service (Bkash, Nagad, Rocket ) on your phone to recharge your account with the required amount.
The last word
Thanks for everyone to read this article. In this article we provide all latest updated BL recharge offer list. I think you can meet your need from this article. If you have any information feel free to comment below.
সংক্ষেপে দেখুনইকাপ ৪০০ তেল টা কি সরাসরি মুখে লাগানো যাবে
রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন? নিচের প্রতিটা টিপসের জন্যই ক্যাপসুল ফুটো করে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় সেটা আমরা ব্যবহার করব। যেহেতু একটা ক্যাপসুল ফুটো করলে প্রায় আধা চা চামচ তেল পাওয়া যায় আর ভিটামিন ই তেল খুবই ভারী হয় সুতরাং আপনারা একটা ক্যাপসুলের তেল দিয়ে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে যেবিস্তারিত পড়ুন
রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন?
নিচের প্রতিটা টিপসের জন্যই ক্যাপসুল ফুটো করে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় সেটা আমরা ব্যবহার করব। যেহেতু একটা ক্যাপসুল ফুটো করলে প্রায় আধা চা চামচ তেল পাওয়া যায় আর ভিটামিন ই তেল খুবই ভারী হয় সুতরাং আপনারা একটা ক্যাপসুলের তেল দিয়ে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে যেখানে যতটুকু লাগে ব্যবহার করবেন। ড্রাই, আর নরমাল স্কিনের কিন্তু পোয়া বার! আপনাদের জন্য এই ভারী ভিটামিন ই তেল কম খরচেই লাক্সারিয়াস বিউটি ট্রিটমেন্টের রেজাল্ট দেবে… so, go crazy!
(১) ভিটামিন ই স্কিন সিরাম-
দি বডি শপ এর একটা ভিটামিন ই ফেসিয়াল সিরাম আছে। বাজি রেখে বলতে পারি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যদি আপনি ত্বকে ব্যবহার করেন তবে বডি শপের সিরামের মতই রেজাল্ট পাবেন। ড্রাই আর নরমাল স্কিনের অধিকারীরা ভিটামিন ই তেল ত্বকে ফোঁটা ফোঁটা লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে বসিয়ে দিন। আর তৈলাক্ত ত্বকের পাঠকরা, আপনাদের জন্য তেলটা খুবই ভারী হবে। তাই মাত্র এক ফোঁটা তেল প্রথমে দুই হাতে নিয়ে ঘষুন, এরপর হাত দুটো মুখে ৫ সেকেন্ড চেপে ধরুন। হয়ে গেল আপনার সিরাম লাগানো। এভাবে ভিটামিন ই ব্যবহার করলে আপনার আর অন্য কোন নাইট ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারের দরকার পড়বে না। আর এই টিপসে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন একটু বয়স্করা। কারণ আপনাদের ত্বকের ফাইন লাইন দূর করতে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে।
(২) ভিটামিন ই হেয়ার সিরাম-
চুল পড়ে যাওয়া বন্ধ করতে আর রিবনডেড বা কালারড চুলের যত্নে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে। বেশি উপকার পেতে ২-৩ টি ক্যাপসুল ভেঙ্গে ভারী তেলটা একটা পাত্রে নিয়ে স্ক্যাল্প আর চুলে লাগিয়ে নিন। সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার মনে হয় এই ট্রিটমেন্টটা আপনার জন্য বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে, শ্যাম্পু করলে যাচ্ছে না তবে এক টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে ১ টা ক্যাপসুল ভেঙ্গে ব্যবহার করুন। খুব সহজে শ্যাম্পু করতে পারবেন।
(৩) ভিটামিন ই নাইট ক্রিম-
জানি ১ম টিপস টা ট্রাই করতে অনেকেই ভয় পাবেন। কারণ ফেসিয়াল অয়েল জিনিসটা এখনও এদেশে তেমন জনপ্রিয় না। তাদের জন্য এই টিপস। আপনার পছন্দের নাইট ক্রিম বা হালকা বেবি ক্রিম নিন। এবার এই কৌটায় ১-২ টি ক্যাপসুলের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই ক্রিম রেগুলার ব্যবহারে আপনি এক্সট্রা ভিটামিন ইর গুণটা পাবেন। একই ভাবে আপনার প্রিয় বডি লোশনেও ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
(৪) কনুই আর হাঁটুর জেদি কালো দাগ দূর করতে-
দীর্ঘদিনের পুরনো স্কিন ড্যামেজের দাগ দূর করতে ভিটামিন ইর কোন তুলনা নেই। আপনার কনুই আর হাঁটুতে যদি এমন দাগ থাকে তবে রেগুলার ১ টা ক্যাপসুলের তেল নিয়ে বা মুখে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত যে তেলটুকু বাকি থাকে তা কনুই আর হাঁটুতে লাগান। ২-৩ সপ্তাহের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন!
(৫) মসৃণ, গোলাপি ঠোঁট পেতে-
মুখে, হাতে পায়ে লাগিয়ে যেটুকু তেল থাকবে সেই তেলের ফোঁটাটা ঠোঁটে ভালো ভাবে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কালো , ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। আপনার পছন্দের লিপবাম বা ভ্যাস্লিনের সাথে ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে সেটাও রেগুলার ব্যবহার করতে পারেন।
(৬) চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে-
অনেকেই আছেন যারা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে খাটি বাদাম তেল ব্যবহার করেন। তার সাথে যদি ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে নেন তবে খুবই কম সময়ে ভালো ফল পাবেন। সাজগোজে এর আগে ভিটামিন ই তেল দিয়ে অ্যান্টি ডার্ক সার্কেল সিরাম রেসিপি দিয়েছিলাম। সেটাও ফলো করতে পারেন।
(৭) অনেক পুরনো কাটা দাগ অথবা ব্রনের দাগ দূর করতে-
আপনার ত্বকে যদি অনেক পুরনো কাটা দাগ, ব্রনের দাগ বা পক্সের দাগ থাকে তবে রেগুলার সেই দাগে এক-দুই ফোঁটা করে ভিটামিন ই তেল লাগিয়ে রাখুন। ধীরে ধীরে একটু হলেও দাগটা হালকা হবে। এধরনের দাগ হালকা করতে ভিটামিন ই তেল খুবই কার্যকরী।
এগুলো স্কিন আর হেয়ার কেয়ারে তথা রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহারের কিছু ফুলপ্রুফ ওয়ে । এতে করে কিছু না বুঝে শুনে ক্যাপসুল না খেয়ে ভিটামিন ই এর উপকার আপনি পাবেন। আর যদি খেতেই চান তবে ক্যাপসুল না খেয়ে ভালো সুষম খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ই শরীরে দেয়ার চেষ্টা করুণ। শাক সবজি, বাদাম, ডিম ইত্যাদি বেশি করে খান। ত্বক আর চুল তো ভালো থাকবেই আর কোন এক্সট্রা ঝুঁকিও নিতে হবে না।
সংক্ষেপে দেখুনCircle ftp থেকে Movie ডাউনলোড করতে কোন Server ব্যবহার করবো?
এই উত্তরে আমি circle ftp থেকে মুভি ডাউনলোড অথবা live tv দেখার জন্য আপনাদের সাথে এমন একটি App টি নিয়ে কথা বলবো যার মাধ্যমে আপনারা Proxy server ব্যবহার করতে পারবেন অনেক সহজে এবং আরো অনেক ফিচারস তো থাকছেই। App Name : Adguard (Version : 4.0.79) আগেই বলে রাখি এই ভার্সনটিই Install করবেন অন্যটি না। অবশ্যইবিস্তারিত পড়ুন
এই উত্তরে আমি circle ftp থেকে মুভি ডাউনলোড অথবা live tv দেখার জন্য আপনাদের সাথে এমন একটি App টি নিয়ে কথা বলবো যার মাধ্যমে আপনারা Proxy server ব্যবহার করতে পারবেন অনেক সহজে এবং আরো অনেক ফিচারস তো থাকছেই।
App Name : Adguard (Version : 4.0.79)
আগেই বলে রাখি এই ভার্সনটিই Install করবেন অন্যটি না। অবশ্যই Mod version টি Install করবেন তা না হলে Unlimited Access পাবেন না।
এবার আমি Step By Step বলে দিচ্ছি কিভাবে যেকোনো Proxy Set up করবেন এবং কিভাবে Circleftp তে Access পাবেন।
(১) App টি Open করুন।
(২) VPN টি On করুন। Protection disable করা থাকবে আপনি enable করুন।
(৩) বাম দিকে টান দিন। অথবা উপরে বাম দিকের Menu Icon এ ক্লিক করুন।
(৪) এরপর Settings এ ক্লিক করুন।
(৫) এরপর Network এ ক্লিক করুন।
(৬) এরপর Proxy তে ক্লিক করুন।
(৭) এরপর Add Proxy Server এ ক্লিক করুন।
(৮) এরপর প্রথমেই Profile Name দিন আপনার ইচ্ছামতো। আমি Circleftp ই দিলাম।
(৯) এরপর Proxy Type দিন Socks4। উল্লেখ্যঃ এখানে আপনি যেকোনো Proxy Set up করতে পারবেন যেমনঃ HTTP, Socks4, socks5, HTTP_CONNECT।
(১০) এবার আপনি যে proxy তে connect করতে চান সেই ip টা দিন proxy host এ। আপনি যে proxy তে কানেক্ট করবেন সেটার ip address টাই এখানে দিবেন।
আমি circleftp এর ip টা দিয়ে দিচ্ছিঃ 202.136.88.68
এটা আপনারা কপি করে Paste করে দিন।
(১১) এরপর Port দিন 1080। উল্লেখ্যঃ সবসময় port এক হবে না। মানে আপনি অন্য কোনো server এ কানেক্ট করলে আপনি সেই Port টাই দিবেন।
(১২) এরপর Save and Select এ ক্লিক করুন। ব্যাস এবার আপনি
Circleftp.com এখানে যান এবং দেখতে পাবেন সেখানে আপনি Access পেয়ে গিয়েছেন।
আমি আপনাকে Screenshot এর মাধ্যমে প্রমান দিয়ে দিচ্ছিঃ
যখন Proxy Enable করে Connect করে ঢুকেছি তখনঃ
যখন Proxy/Adguard Disconnect করা ছিল (Notification Pannel এ দেখুন Connect করা নেই)
এছাড়াও এটি যেহেতু একটি Adblocker App তাই আপনি চাইলে এটি সবসময় Enable করে রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার Browser এবং অন্য যেকোনো 3rd party app গুলোর Ads এই App Block করে রাখবে।
এছাড়াও আপনি চাইলে যেকোনো Individual App এর Ads Block করে রাখতে পারবেন। এর জন্যে আপনি Menu Option এ ঢুকে App Management এ ক্লিক করুন। এবং সেই app এর সকল data traffic এর statistics আপনি দেখতে পাবেন। firewall এ গিয়ে আপনি App টির Cellular Data, Wifi Connection, Off screen এ Data/Wifi Connection, Firewall notifications সবকিছুই বন্ধ করে দিতে পারবেন।
এক কথায় App টির internet access আপনার হাতের মুঠোয়। এর মানে আপনি যেকোনো App এরই Internet Access বন্ধ করে দিতে পারবেন আপনার ইচ্ছামতো।
এছাড়াও আপনি যদি Menu তে গিয়ে Filtering Log এ ঢুকেন তবে আপনি দেখতে পারবেন অদ্ভুত কিছু কর্মকান্ড। এটি আপনার ডিভাইসে থাকা web traffic দেখাবে বিভিন্ন colour এর মাধ্যমে।
green colour অর্থাৎ সবুজ রঙের মানে হচ্ছে whitelisted events গুলো, red colour অর্থাৎ লাল রঙের মানে হচ্ছে ঐসব কাজ যেগুলো Adguard এর মাধ্যমে করা হচ্ছে মানে যে Traffic গুলো adguard ব্লক করেছে। আর yellow অর্থাৎ হলুদ রঙের মানে হচ্ছে যে কাজগুলো adguard নিজে Modify করেছে।
এছাড়াও আপনি চাইলে আরো অনেক কিছুই করতে পারবেন। Block & Unblock ও করতে পারবেন সেগুলো।
এরপর আপনি চাইলে Content Blocking ও করতে পারবেন। Youtube Vanced এ থাকা Promotion, Self promotion, Sponsored Ads সহ ইত্যাদি Ads যেগুলো Block করার Option রয়েছে এর মাধ্যমে আপনি সেগুলোই করতে পারবেন।
এখানে রয়েছে Adguard DNS filter, Adguard Experimental Filter, Filter Unblocking search ads and self promotion। এছাড়াও আছে Custom Filter, cookies blocking থেকে শুরু করে আরো ১২ ধরনের Blocking System।
এছাড়াও Privacy এবং Social এ আলাদা ভাবে আছে ১০ টি Filter। এছাড়াও আছে Stealth Mode যার মাধ্যমে আপনি Ultimate Tracking protection পাবেন যেকোনো Browser এ।
তাছাড়া DNS Filtering তো আছেই। এবং আছে Malware Protection। এছাড়াও আপনি চাইলে আরো Extensions Add করতে পারবেন।
অনেকেই আছেন যারা Adguard কে চিনেন বা নাম শুনেছেন কিন্তু এত কিছু করতে পারে জানতেন না। তারা অবশ্যই এই App টিকে Try করে দেখবেন।
আশা করছি ট্রিকটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। এই Same Trick Follow করে আপনারা যেকোনো HTTP, socks4, socks5 ip connect করতে পারবেন।
যদি পোস্টটি ভালো লেগে থাকে তবে আমাকে অবশ্যই জানাবেন। যারা জানতেন না তাদের কাজে লাগলে একটি ধন্যবাদ তো Must!
সংক্ষেপে দেখুনCV Bangla Format ডাউনলোড করুন
সিভি বা Curriculum Vitae হচ্ছে একজনের জীবন বৃত্তান্তের পূর্ণাঙ্গ বা বিশদ বিবরণ। সিভিতে একজনের শিক্ষাগত বিষয়গুলো,গবেষণা,কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে লেখা থাকে। একজনের সিভি কয়েক পৃষ্ঠার হতে পারে। সিভি বা Curriculum Vitae তে সম্মানিত ব্যাক্তিদের রেফারেন্স উল্লেখ থাকে। উচ্চস্তরের চাকুরি অথবা ফেলোশীপেরবিস্তারিত পড়ুন
সিভি বা Curriculum Vitae হচ্ছে একজনের জীবন বৃত্তান্তের পূর্ণাঙ্গ বা বিশদ বিবরণ। সিভিতে একজনের শিক্ষাগত বিষয়গুলো,গবেষণা,কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে লেখা থাকে। একজনের সিভি কয়েক পৃষ্ঠার হতে পারে। সিভি বা Curriculum Vitae তে সম্মানিত ব্যাক্তিদের রেফারেন্স উল্লেখ থাকে। উচ্চস্তরের চাকুরি অথবা ফেলোশীপের জন্য সিভি লিখতে হয়।
বাংলা সিভি (Bangla CV)
আপনি কোথায় বা কীসের জন্য আপনার জীবন বৃত্তান্ত লিখবেন সেটার উপর নির্ভর করবে আপনার জীবন বৃত্তান্তটি CV হবে না Resume হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিম্নস্তরের চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত জমা দিতে হয় যাতে চাকরিদাতা একজন চাকরি প্রার্থীর সম্পর্কে বেসিক বা সাধারণ ধারণা পেতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জীবন বৃত্তান্ত বাংলায় লিখতে হয়। বাংলা সিভি (Bangla CV) লিখতে খুবই সাধারণ কিছু তথ্য দিতে হয়।
বাংলা সিভি ফরম্যাট (CV Bangla Format)
ইংরেজিতে সিভি (Curriculum Vitae) বা রেজ্যুমে (Resume) তৈরি করার অনেক ফরম্যাট ও মাধ্যম রয়েছে। CV Maker বা Resume Builder ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সহজে যে কেউ তাঁর জীবন বৃতান্ত বানাতে পারেন। কিন্তু আমাদের দেশের সাধারণ চাকরির ক্ষেত্রে প্রচলিত যে এক পৃষ্টার জীবন বৃতান্ত (Single Page Resume) প্রয়োজন হয় তা গতানুগতিক ফরম্যাটেই বানাতে হয়।
সাধারণত সরকারি চাকরি তে মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের এর ওয়েবসাইটেই নির্ধারিত সিভি ফরম্যাট দেয়া থেকে। যদি সংশ্লিষ্ট চাকরিদাতা কোন ফরম্যাট উল্লেখ না করেন তাহলে আপনাকে সাধারণ পদের জন্য গতানুগতিক বা প্রচলিত সিভি ফরম্যাট ব্যবহার করতে হবে।
বাংলা সিভি ফরম্যাট (Bangla CV Format) ডাউনলোড
Bangla Cv Format Docx
Bangla Cv Format Pdf
উপরের বাংলা সিভি ফরম্যাট (Bangla CV Format) টি আপনি চাইলে ডাউনলোড করতে পারবেন। CV Bangla ফরম্যাটটি .DOC ও PDF আকারে দেয়া আছে। .DOC ফাইলটি ডাউনলোড করে Microsoft Word এ প্রয়োজনমত এডিট করতে পারবেন। এটি অভ্র দিয়ে ইউনিকোড ফরম্যাটে লেখা। আর PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে সরাসরি প্রিন্ট দেয়া যাবে।
শেষকথাঃ
আপনার প্রয়োজন অনুসারে জীবন বৃত্তান্ত এর ফরম্যাট নির্ধারণ করুন। বাংলায় সিভি (CV Bangla) লেখার সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রদান করবেন। কারণ, চাকরিদাতা বা প্রতিষ্ঠান আপনার জীবন বৃত্তান্ত (CV) দেখেই আপনার সম্পর্কে প্রথমিক ধারণা পাবেন। সাধারণ বা বেসিক সিভিতে কী কী তথ্য উল্লেখ করবেন তা সম্পর্কে উপরে বর্ণিত ফরম্যাটে ধারণা দেয়া হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনআশাকরি বুঝতে পারছেন |
Need Sonar Tori Kobita MCQ for HSC in PDF Format
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি। সোনার তরী কবিতার mcq pdf ১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল? ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা ২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গবিস্তারিত পড়ুন
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ
আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি।
সোনার তরী কবিতার mcq pdf
১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল?
ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা
২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গর্জন করার কথা বলা হয়েছে?
ক. পূর্বাকাশে, খ. পশ্চিমাকাশে, গ. আকাশ জুড়ে, ঘ. হিংস্র হয়ে
৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?
ক. ৫টি, খ. ৩টি, গ. ২টি, ঘ. ৪টি
৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কূলে একা কে বসে আছে?
ক. কৃষক, খ. শ্রমিক, গ. জমিদার, ঘ. ভিক্ষুক
৮। ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?
ক. ব্যবচ্ছেদ করে, খ. সুবিন্যস্ত করে, গ. এলোমেলো করে, ঘ. বিচ্ছিন্ন করে
৯। সোনার ধান নিয়ে তরী কোথায় চলে যায়?
ক. নদীতে, খ. সাগরে, গ. মোহনায়, ঘ. অজানা দেশে
১০। ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. তীব্র ভ্রকুটি, খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা, গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত, ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো
১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?
ক. বীরবল, খ. যাযাবর, গ. জগৎশেঠ, ঘ. ভানুসিংহ
১২। ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা, খ. গাছ হতে প্রস্তুতকৃত কলমের কালি, গ. গাছগুলোতে মেঘের যে ছায়া পড়েছে, ঘ. নদীতীরের অনিদ্য সুন্দর বৃক্ষরাজি
১৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?
ক. কৃষক, খ. মাঝি, গ. তরী, ঘ. ছোট খেত
১৪। কোন পঙক্তিতে মাঝির অপরিচয়ের নির্বিকারত্ব ও নিরাসক্তি ফুটে উঠেছে?
ক. ভরা পালে চলে যায়, খ. কোনো দিকে নাহি চায়, গ. দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে, ঘ. গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে
১৫। সোনার তরীতে কেন কৃষকের ঠাঁই হলো না?
ক. তরীটা ছিল অত্যন্ত ছোট, খ. মাঝিটি ছিল খুব নিষ্ঠুর, গ. কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল, ঘ. সোনার তরীতে স্থান করে নেয়ার ব্যাপারে কৃষক উদাসীন ছিল
১৬। মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
ক. ক্ষুরধারা, খ. খরপরশা, গ. মেঘ, ঘ. কূল
১৭। কৃষক কিংবা কবির নি:সঙ্গ অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটির মাধ্যমে?
ক. আমি, খ. আমি একেলা, গ. খরপরা, ঘ. থরে বিথরে
১৮। মাঝি মূলেতে তরী ভিড়ালো কেন?
ক. ফসলের জন্য, খ. কবির জন্য, গ. বৃষ্টি নামানোর জন্য, ঘ. স্রোতের জন্য
১৯। কৃষক সোনার ফসল মহাকালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে চায় –
ক. কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য, খ. মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য, গ. মাঝিকে ভালো লাগার জন্য, ঘ. ইহকালে শান্তিতে বসবাসের জন্য
২০। নির্বিকার মাঝিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃষক চেষ্টা করেছেন –
ক. তার সাথে পরিচয় পাওয়ার জন্য, খ. তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য, গ. তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য, ঘ. তাকে নদী পার করার জন্য
এবার উত্তরগুলি মিলিয়ে নাও…

সংক্ষেপে দেখুন12th English Poem Appreciation pdf Free Download
12th english poem appreciation pdf When appreciating poems in the 12th-grade English curriculum, it is essential to delve into the intricate details that make each piece unique. Understanding the nuances of language, themes, and literary devices employed by the poets can enrich your experience and iবিস্তারিত পড়ুন
12th english poem appreciation pdf
When appreciating poems in the 12th-grade English curriculum, it is essential to delve into the intricate details that make each piece unique. Understanding the nuances of language, themes, and literary devices employed by the poets can enrich your experience and interpretation of the poems. In this article, we will explore the appreciation of poems in the 12th-grade English syllabus, providing insights and analysis to help you grasp the depth and beauty of these literary works.
The 12th-grade English curriculum includes a diverse selection of poems that cover a wide range of themes and styles. From classic poets to contemporary voices, each poem offers a glimpse into different aspects of the human experience. By delving into the appreciation of these poems, students can develop a deeper understanding of language, imagery, and symbolism.
One of the key aspects of poem appreciation is analyzing the poet’s use of language. Paying attention to the choice of words, the rhythm of the lines, and the overall structure of the poem can reveal the poet’s intentions and emotions. By closely examining the language used in each poem, students can uncover layers of meaning and appreciate the artistry behind the words.
Another important element of poem appreciation is identifying and interpreting literary devices. Poets often use techniques such as metaphor, simile, personification, and symbolism to convey complex ideas and emotions. By recognizing these devices and understanding how they contribute to the overall meaning of the poem, students can gain a deeper appreciation for the craft of poetry.
In addition to language and literary devices, themes play a crucial role in poem appreciation. Exploring the themes present in each poem can provide valuable insights into the human condition, society, nature, and more. By reflecting on the themes explored by different poets, students can broaden their perspectives and deepen their appreciation for the diversity of human experiences.
Overall, the appreciation of poems in the 12th-grade English curriculum offers students a rich and rewarding opportunity to engage with the beauty and complexity of poetry. By analyzing language, literary devices, and themes, students can develop critical thinking skills, enhance their understanding of literature, and cultivate a lifelong love for poetry.
In conclusion, the 12th-grade English curriculum presents a treasure trove of poems waiting to be explored and appreciated. By immersing yourself in the language, imagery, and themes of these poems, you can unlock new insights, emotions, and perspectives that will enrich your literary journey. So, dive into the world of 12th-grade English poems and discover the magic and power of poetry.
সংক্ষেপে দেখুনWrite An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points
Here is the appropriate answer for the question: Write An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points Answer: Appreciation of the Poem "Cherry Tree" by Ruskin Bond About the poem, poet, and title: Showing a lot of reflection in author Ruskin Bond’s poem called "Cherry Tree," the titleবিস্তারিত পড়ুন
Here is the appropriate answer for the question: Write An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points
Answer:
Appreciation of the Poem “Cherry Tree” by Ruskin Bond
About the poem, poet, and title:
Showing a lot of reflection in author Ruskin Bond’s poem called “Cherry Tree,” the title indicates how it deals with natural world, especially life cycle of cherry tree.
Theme/summary/gist of the poem:
Due to the fact that it is written by a poet, it can be understood as a poem about nature. As a cherry seed grows into an adult tree and overcomes challenges, the narrator tells his or her story of how he or she did the same. It signifies life’s beauty and growth through patience.
Poetic style/language, poetic devices used in the poem:
Bond’s language is plain but powerful, giving peaceful miracles of nature. He uses visual descriptions to make the tree germination visible and images that symbolize staying alive in adverse circumstances.
Special features/novelties/focusing elements:
The poem brings out the beauty of life and development starting from small beginnings. As it blossoms despite the odds, the cherry tree represents hope and passage of time.
Message/values/morals in the poem:
In other words, the poem inculcates patience and also points out that nurturing life is beautiful. Furthermore, it teaches how joyful it can be to witness something growing from nothing. Also, it prompts us to realize the importance of appreciating small miracles within nature which are often neglected.
Your opinion about the poem:
Whether one is a nature lover or not, Ruskin Bond’s “Cherry Tree” is a poem whose beauty and inspiration can resonate with anyone. This makes it worth reading, as Ruskin Bond’s mastery in imparting profound life lessons through common everyday incidents makes the poem unforgettable.
সংক্ষেপে দেখুনভেঙ্গি ভ্যালি (vengi valley) কোথায় অবস্থিত?
ভেঙ্গি ভ্যালি বা ভেঙ্গী ভ্যালি (vengi valley) রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।
ভেঙ্গি ভ্যালি বা ভেঙ্গী ভ্যালি (vengi valley) রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে ক্রিকেট কতটা জনপ্রিয়? ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে বাংলাদেশ কি কি অর্জন করেছে?
বাংলাদেশে ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করলেও, দেশের সকল বয়সের মানুষের কাছেই এর আকর্ষণ অপরিসীম। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল থেকে কলেজ, সকল স্তরের মানুষ ক্রিকেট খেলে এবং উপভোগ করে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেট পরিচালনা করে। বিসিবি'র অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রামবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করলেও, দেশের সকল বয়সের মানুষের কাছেই এর আকর্ষণ অপরিসীম। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল থেকে কলেজ, সকল স্তরের মানুষ ক্রিকেট খেলে এবং উপভোগ করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেট পরিচালনা করে। বিসিবি’র অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট – এই ছয়টি বিভাগীয় ক্রিকেট কমিটি রয়েছে। এছাড়াও, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রিকেট সংগঠন রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ২০০৭ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে দেশের অভিষেক ঘটে। এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে এবং একাধিকবার সুপার সিক্সে পৌঁছেছে। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ রানার-আপ হয়।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড় রয়েছেন যারা দেশ ও বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ – এরা এর মধ্যে অন্যতম।
বাংলাদেশ ক্রিকেট কেবল একটি খেলা নয়, বরং জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক। ক্রিকেটারদের অসাধারণ সাফল্য দেশের মানুষের মনে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্কে আরও জানতে, নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলি দেখুন:
আপনার কি ক্রিকেট পছন্দ? কোন খেলোয়াড় আপনার সবচেয়ে বেশি পছন্দ?
সংক্ষেপে দেখুনআস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিন কুলি জাম্বি ওয়াতুবু ইলাহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিয়ুল আজিম – এটি কোন সুরার আয়াত?
এটি কুরআনের কোনো আয়াত কিংবা তার অংশ নয়। এটি মানুষের বানানো ইস্তেগফার (ক্ষমা চাওয়ার বাক্য)। এর চেয়ে হাদীসে বর্ণিত ইস্তেগফারের বাক্য গুলো অর্থসহ পাঠ করা বেশী ভালো। যেমন: أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ، وَأَتُوبُ إِلَيْهِ তিরমিযি, কিতাবুত দাওয়াত, বাবিস্তারিত পড়ুন
এটি কুরআনের কোনো আয়াত কিংবা তার অংশ নয়। এটি মানুষের বানানো ইস্তেগফার (ক্ষমা চাওয়ার বাক্য)। এর চেয়ে হাদীসে বর্ণিত ইস্তেগফারের বাক্য গুলো অর্থসহ পাঠ করা বেশী ভালো। যেমন:
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ، وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
তিরমিযি, কিতাবুত দাওয়াত, বাব-হাদ্দাসানা আবূ মূসা, হাদীস নং (৩৫৭৭); ইবনু সা‘দ (৭/৬৬); তাবরানী (৫/৮৯), হাদীস নং (৪৬৭০); আবূ দাউদ, আবওয়াবুল ভিতর, বাবুল ইস্তিগফার, হাদীস নং (১৫১৯); ইবনু আবি শায়বাহ (১০/২৯৯), আলবানী, সহীহ তিরমিযি, হাদীস নং (২৮৩১); “যে এটি বলবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও সে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালায়ন করে থাকে।” এবং সহীহ আবূ দাউদ, হাদীস নং (২৮৩১)
বা, শুধু আস্তাগফিরুল্লাহ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
অথবা, শুধু আস্তাগফিরুল্লাহি ওয়া আতুবু ইলাহ। أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
সংক্ষেপে দেখুনপাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা তামিম শাহরিয়ার সুবিন pdf ডাউনলোড
আপনি আবার কে?
আপনি আবার কে?
সংক্ষেপে দেখুন৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণ লিখিত রচনা pdf download
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ ভায়েরা আমার- এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জবিস্তারিত পড়ুন
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ
ভায়েরা আমার-
এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে ৬ দফা ১১ দফার মাধ্যমে শাসনতন্ত্র করতে, একে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করার ক্ষমতা আমার নাই। আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে আমাদের, আমাদের উপরে তিনি দোষ দিলেন এখানে আসলে কসাইখানা হবে অ্যাসেম্বলি। তিনি বললেন, আমি ডাবল হোস্টেজ হতে চাই না। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে, যদি কেউ অ্যাসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। তারপরেও যদি কেউ আসে তাকে ছান-নাছার করা হবে। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে অ্যাসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হল।
ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হিসাবে অ্যাসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপরে হঠাত্ বন্ধ করে দেওয়া হল, দোষ দেওয়া হল বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হল আমাকে যে, “আমার অনমনীয় মনোভাবের জন্য তিনি তা করতে পারলেন না।” তারপরে বন্ধ করে দেওয়ার পরে এ দেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কল-কারখানা সবকিছু বন্ধ করে দ্যান। জনগণ সাড়া দিল। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞবদ্ধ হল। কী পেলাম আমরা? আমাদের যাদের অস্ত্র নাই আমাদের হাতে। যা- আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের উপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু, আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি, যখনই এ দেশের মালিক হবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তারা আমাদের ভাই, আমি বলেছি তাদের কাছে এ কথা যে, আপনারা কেন আপনার ভায়ের বুকে গুলি মারবেন? আপনাদের রাখা হয়েছে যদি বহিঃশত্রু আক্রমণ করে তা থেকে দেশটাকে রক্ষা করার জন্য।
তারপরে তিনি বললেন, যে আমার নামে বলেছেন, আমি নাকি বলে স্বীকার করেছি যে ১০ই তারিখে রাউন্ড-টেবল কনফারেন্স হবে। আমি তাকে এ কথা বলে দিবার চাই, আমি তাকে তা বলি নাই, টেলিফোনে আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, “জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান ঢাকায় আসেন কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের উপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তারপরে আপনি ঠিক করুন” আমি এই কথা বলেছিলাম।
তিনি বললেন আমি নাকি তাকে, তিনি নাকি খবর পেয়েছিলেন নাকি আমি তাকে আরটিসিতে বসব। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি কীসের আরটিসি, কার আরটিসি, কার সঙ্গে বসব? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসব? আপনি আসুন, দেখুন জাতীয় পরিষদের জন্য আমার যারা রক্ত দিয়েছে সত্য কথা কিন্তু তা কি আপনারা দেখেছেন? তারপরে তিনি আজকে, আজকে আমার দেশ অ্যাসেম্বলির- আহা বসেন আপনারা, সিট ডাউন। অ্যাসেম্বলির তিনি ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি, এরপরে আপনারা জানেন আমি গেলাম, আমি গেলাম পল্টন ময়দানে, আমি বললাম সবকিছু বন্ধ। সরকারি অফিস বন্ধ, আহা ভাইরা আপনার স্টপ প্লিজ। আমি বললাম, আমার কথা সকলে মানল, সকলে আমাকে বলল এবং আপনারা আমাকে যে সে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা, আমি বললাম কোনো সরকারি অফিস চলবে না, কোনো কিছু চলবে না। আমি কিছু কিছু জনগণের কষ্ট হয় সেটা স্লাক করলাম। যে এই এই জিনিস চলবে, ঠিক সেভাবে চলল। হঠাত্ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে বা আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে, পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন এবং যে বক্তৃতা করে অ্যাসেম্বলি করেছেন- সমস্ত দোষ তিনি আমার উপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপরে দিয়েছেন। আমরা গুলি খাই, দোষ আমাদের। তিনি বাধা দিলেন যে আসতে পারবা না, গোলমাল হল না পশ্চিম পাকিস্তানে, গুলি করে মারা হল আমার বাংলার মানুষকে। আমি পরিষ্কার মিটিংয়ে বলেছি, “এবারের সংগ্রাম আমার মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি, নন-বাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, দ্বিতীয় কথা হল এই যে, যদি আবার কোনো রকমের কোনো আঘাত আসে, আমি যদি হুকুম দেওয়ার না পারি, আমার সহকর্মীরা হুকুম দেওয়ার না পারে, মনে রাখবেন আরেকটা কথা অনুরোধ করছি রেলওয়ে চলবে সত্য কথা। কিন্তু সামরিক বাহিনীর লোকদের কোনো জায়গা থেকে, এক জাগা আরেক জাগা নেবার চেষ্টা করবেন না। তাহলে দুর্ঘটনা ঘটলে আমি দায়ী হব না। প্রোগ্রামটা বলছি আমি, শোনেন, রেডিও, টেলিভিশন, নিউজ পেপার। মনে রাখবেন রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। রেডিও যদি আমাদের নিউজ না দেওয়ার দেয় কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। টেলিভিশনে যদি আমাদের নিউজ না দেওয়া হয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশন অফিসে যাবেন না। ২ ঘণ্টার মতো ব্যাক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মাইনা-পত্র নিবার পারে। কিন্তু পূর্ববাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এই দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে-শুনে কাজ করবেন। আমার কিছু বলার থাকবে না, দরকার হয় চাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ভায়েরা আমার-
আমার কাছে, এখনই শুনলাম আমার এই বক্তৃতা রিলে করা বন্ধ করে দিয়েছে। আমি আপনারা আমার প্লেয়ার চালায়ে দেন, কারো হুকুম মানতে পারবেন না। তবে আমি অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের ভাই, আপনারা দেশকে একেবারে জাহান্নামে ধ্বংস করে দিয়েন না। জীবনে আর কোনো দিন আপনাদের মুখ দেখাদেখি হবে না। যদি আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ফায়সালা করতে পারি তাহলে অন্ততপক্ষে ভাই, ভাই হিসাবে বাস করার সম্ভাবনা আছে। সেইজন্য আপনাদের অনুরোধ করছি, আমার এই দেশে আপনারা মিলিটারি শাসন চালাবার চেষ্টা আর করবেন না। দ্বিতীয় কথা প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিবি-সনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভায়েরা আমার-
যেভাবে আপনাদের, আপনারা ঠাণ্ডা হবেন না, ঠাণ্ডা হয়ে গেলে জালেম আত্মা আরম্ভ করবে আক্রমণ করতে। আপনারা হুঁশিয়ার থাকবেন এবং প্রস্তুত থাকবেন। পজিশন চলবে, কিন্তু মনে রাখবেন, ডিসিপ্লিন সোলজার ছাড়া, ডিসিপ্লিন ছাড়া কোনো জাতি জিততে পারে না। আপনারা আমার উপরে বিশ্বাস নিশ্চয়ই রাখেন, জীবনে আমার রক্তের বিনিময়েও আপনাদের সঙ্গে বেঈমানি করি নাই। প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই, ফাঁসি-কাষ্ঠের আসামি দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই। যে রক্ত দিয়ে আপনারা একদিন আমাকে জেলে থেকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন, এই রেসকোর্স ময়দানে আমি বলেছিলাম, “আমার রক্ত দিয়ে, আমি রক্তের ঋণ শোধ করব।” মনে আছে? আমি রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, আমাদের মিটিং এখানেই শেষ। আস্-সালামো ওয়ালাই-কুম।
জয় বাংলা
সূত্র: নাসার আহমেদ চৌধুরী কর্তক ধারণকৃত ভাষণের টেপ ও ভিডিও টেপ
সংগ্রাহক: মমতাজুল ফেরদৌস জোয়ার্দার- বঙ্গবন্ধু গবেষক; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
সংক্ষেপে দেখুনঅল ইউরোপিয়ান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও জার্মান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন
মৃত্যুর পর খুলে যায় চোখ-কাজও করে, কেন এমন হয়?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘুমন্ত অবস্থায়ও মানুষ মারা যাওয়ার আগে জেগে ওঠে এবং তারপর তাদের চোখ খুলে যায়। এমতাবস্থায় মৃত্যুর পরও তার চোখ খোলা থাকে। আরেকটি কারণ হলো চোখের সাথে সংযুক্ত পেশী চোখ খোলা ও বন্ধ করার কাজ করে। মৃত্যুর ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক মারা গেলে, সেগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যদিও এটা বিশ্বাস করাবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘুমন্ত অবস্থায়ও মানুষ মারা যাওয়ার আগে জেগে ওঠে এবং তারপর তাদের চোখ খুলে যায়। এমতাবস্থায় মৃত্যুর পরও তার চোখ খোলা থাকে। আরেকটি কারণ হলো চোখের সাথে সংযুক্ত পেশী চোখ খোলা ও বন্ধ করার কাজ করে। মৃত্যুর ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক মারা গেলে, সেগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
যদিও এটা বিশ্বাস করা হয় যে মৃত্যুর পর চোখ ৫ ঘণ্টা কাজ করে। কেউ যদি চোখ দান করতে চায়, তবে এই সময়ের মধ্যেই এটি করা উচিত, অন্যথায় ধীরে ধীরে কর্নিয়া নষ্ট হতে শুরু করে এবং তারপর এটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনদিনের বেলায় তাজমহল সূর্যের আলোর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রঙের দেখায়। এর রহস্য কি?
যদি তাজমহলের উপর লাইট লাগানো হয় তাহলে সেই আলোতে তাজমহল আরো বেশি ঝলমল করবে। যার কারনে পোকামাকড় তাজমহলের দিকে আকৃষ্ট হবে এবং সাদা মার্বেলের উপর বসে ক্ষতি করবে। এমনিতেই তাজমহলের চারপাশে দূষণ আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করছে। তাই যদি এমন পরিস্থিতিতে তাজমহলে লাইট বসানো হয় তাহলে আরো ক্ষতি হবে। এছাড়া প্বিস্তারিত পড়ুন
যদি তাজমহলের উপর লাইট লাগানো হয় তাহলে সেই আলোতে তাজমহল আরো বেশি ঝলমল করবে। যার কারনে পোকামাকড় তাজমহলের দিকে আকৃষ্ট হবে এবং সাদা মার্বেলের উপর বসে ক্ষতি করবে।
এমনিতেই তাজমহলের চারপাশে দূষণ আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করছে। তাই যদি এমন পরিস্থিতিতে তাজমহলে লাইট বসানো হয় তাহলে আরো ক্ষতি হবে। এছাড়া প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করেন যে, তাজমহল বানানোর সময় ভাবা হয়েছিল যে এটি রাতে চাঁদের আলোয় ঝলমল করবে, এই কারণে বাতি লাগানোর প্রয়োজন বলে মনে হয়নি।
কিন্তু এখন যদি তাজমহলকে কৃত্রিম আলো দিয়ে আলোকিত করা যায়, তাহলে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কমে যাবে। এই কারণে পর্যটকরা পূর্ণিমার সময় তাজমহলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আসে এবং তারা এই সৌন্দর্যের প্রশংসাও করে।
সংক্ষেপে দেখুনডাইনোসর কেন এত বড় হতো ?
ডাইনোসরদের সময়ে প্রচুর লতাপাতা, গাছপালা জন্মেছিল। তাই তৃণভোজী ডাইনোসরদের খাবারের কোনো অভাব ছিল না। প্রচুর খাদ্যগ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে বড় হতো এসব প্রাণীর দেহ। এ ছাড়া আকারে বড় হওয়ায় গায়ে শক্তিও থাকত বেশি। ফলে শিকারী প্রাণীর কবলে পড়ে ঘায়েল হতো না সহজে। বেশি সময় বাঁচত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশি খাবার খেয়ে ববিস্তারিত পড়ুন
ডাইনোসরদের সময়ে প্রচুর লতাপাতা, গাছপালা জন্মেছিল। তাই তৃণভোজী ডাইনোসরদের খাবারের কোনো অভাব ছিল না। প্রচুর খাদ্যগ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে বড় হতো এসব প্রাণীর দেহ। এ ছাড়া আকারে বড় হওয়ায় গায়ে শক্তিও থাকত বেশি। ফলে শিকারী প্রাণীর কবলে পড়ে ঘায়েল হতো না সহজে। বেশি সময় বাঁচত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশি খাবার খেয়ে বড় হতো আরও।
সংক্ষেপে দেখুন