NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন? প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাবিস্তারিত পড়ুন
NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন?
প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাশে ঘোরা নয়, বরং মানুষের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ ভ্রমণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা। ভবিষ্যতে Mars-এ মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাঁদে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে কি আমরা সত্যিই মঙ্গলের পথে এগোচ্ছি, নাকি এটি কেবল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা?
দ্বিতীয়ত, Artemis II নতুন প্রযুক্তি, মহাকাশযান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরীক্ষা করবে, যা ভবিষ্যতের আরও জটিল মিশনের জন্য প্রয়োজন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই উন্নত প্রযুক্তি কি মানব জীবনের ঝুঁকি পুরোপুরি কমাতে পারবে, নাকি মহাকাশ ভ্রমণ এখনো একই রকম বিপজ্জনক?
তৃতীয়ত, চাঁদকে ভবিষ্যতের “স্পেস বেস” হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে আরও দূরের গ্রহে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু এই পরিকল্পনা কি বাস্তবসম্মত, নাকি শুধু একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কল্পনা?
সব মিলিয়ে, Artemis II শুধু অতীতের গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা নয়—এটি ভবিষ্যতের মহাকাশ রাজনীতিরও অংশ। তাহলে কি আমরা নতুন এক “স্পেস রেস”-এর দিকে এগোচ্ছি, যেখানে চাঁদ আবার বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে?

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে ৭ দিন পর হঠাৎ তীব্র জ্বর দিয়ে, যার সাথে থাকে মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং শরীরে তীব্র ব্যথা, একে অনেকে "হাড়ভাঙা জ্বর"ও বলে থাকেন। ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বাংলাদেশে সাধারণত জুন থেকে নভেম্ববিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে ৭ দিন পর হঠাৎ তীব্র জ্বর দিয়ে, যার সাথে থাকে মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং শরীরে তীব্র ব্যথা, একে অনেকে “হাড়ভাঙা জ্বর”ও বলে থাকেন।
ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বাংলাদেশে সাধারণত জুন থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে। সময়মতো ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ চিনতে পারলে জটিলতা এড়ানো অনেকটাই সম্ভব।
ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক লক্ষণসমূহ
সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায়:
এই লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকে হঠাৎ তীব্র জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা এবং চোখ নাড়ালে যে ব্যথা বাড়ে তা, পাশাপাশি মাংসপেশি ও জয়েন্টে ব্যথা এবং শরীরে র্যাশও দেখা যায়।
বিপদজনক লক্ষণ, যখন হাসপাতালে যাওয়া জরুরি
জ্বর কমে যাওয়ার পরও যদি নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
এই বিপদজনক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে পেটে ব্যথা বা কোমলতা, ২৪ ঘণ্টায় অন্তত তিনবার বমি হওয়া, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, বমি বা পায়খানায় রক্ত আসা এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি বা অস্থিরতা অনুভব করা। এই লক্ষণগুলো সাধারণত জ্বর কমে যাওয়ার পর ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দেখা দেয়, এই সময়টাকেই “ক্রিটিক্যাল ফেজ” বলা হয়, তাই জ্বর কমে গেলেই নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয়।
ডেঙ্গু জ্বর কত দিন থাকে
ডেঙ্গু জ্বর কত দিন থাকে, এই প্রশ্নটি প্রায় সবাই জিজ্ঞাসা করেন। সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া তিনটি ধাপে বিভক্ত।
মোটের ওপর, বেশিরভাগ মানুষ ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে যাদের শরীরে জটিলতা দেখা দেয় তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে, আর গুরুতর ক্ষেত্রে এটি প্রাণঘাতীও হতে পারে।
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা
ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই, ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা মূলত উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরশীল। সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে:
ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে
ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে তা নিয়ে সঠিক ধারণা থাকা রোগীর দ্রুত সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখে। নিচে সহায়ক কিছু খাবারের তালিকা দেওয়া হলো:
এড়িয়ে চলা উচিত: তেলচর্বিযুক্ত ভারী খাবার, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়।
ডেঙ্গু হলে করণীয়
ডেঙ্গু হলে করণীয় নিয়ে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়
চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ অনেক সহজ ও কার্যকর। বাসার আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত মশারি ব্যবহার করা, ফুলহাতা জামা পরা এবং দিনের বেলাতেও মশা প্রতিরোধী ব্যবহার করা, এই সহজ অভ্যাসগুলোই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
আরও জানতে পড়ুন: HSC পরীক্ষা ২০২৬-এ ভালো ফলাফল করতে হলে শেষ মুহূর্তে কোন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়া উচিত?
তথ্যসূত্র: WHO, Dengue and severe dengue
সংক্ষেপে দেখুন