সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Emon Khan

নতুন
প্রশ্ন করুন Emon Khan
35 বার প্রদর্শিত
0 ফলোয়ার
0 প্রশ্ন
হোমপেজ/ Emon Khan/ফলোয়ারদের প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ভবের হাট 🤘
ভবের হাট 🤘পণ্ডিত
সময়ঃ 1 সপ্তাহ আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

22 ক্যারেট সোনার দাম আজকে কত?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 3 সপ্তাহ আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

আর্টেমিস ২ মিশন: কেন ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদে যাচ্ছে?

  1. SA Samim
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 3 সপ্তাহ আগে

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন? প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাবিস্তারিত পড়ুন

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন?
    প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাশে ঘোরা নয়, বরং মানুষের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ ভ্রমণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা। ভবিষ্যতে Mars-এ মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাঁদে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে কি আমরা সত্যিই মঙ্গলের পথে এগোচ্ছি, নাকি এটি কেবল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা?
    দ্বিতীয়ত, Artemis II নতুন প্রযুক্তি, মহাকাশযান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরীক্ষা করবে, যা ভবিষ্যতের আরও জটিল মিশনের জন্য প্রয়োজন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই উন্নত প্রযুক্তি কি মানব জীবনের ঝুঁকি পুরোপুরি কমাতে পারবে, নাকি মহাকাশ ভ্রমণ এখনো একই রকম বিপজ্জনক?
    তৃতীয়ত, চাঁদকে ভবিষ্যতের “স্পেস বেস” হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে আরও দূরের গ্রহে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু এই পরিকল্পনা কি বাস্তবসম্মত, নাকি শুধু একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কল্পনা?
    সব মিলিয়ে, Artemis II শুধু অতীতের গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা নয়—এটি ভবিষ্যতের মহাকাশ রাজনীতিরও অংশ। তাহলে কি আমরা নতুন এক “স্পেস রেস”-এর দিকে এগোচ্ছি, যেখানে চাঁদ আবার বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 সপ্তাহ আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: ২০২৬ সালেও আমাদের ফেরি সার্ভিস কেন আধুনিক হতে পারল না?

  1. SA Samim
    সেরা উত্তর
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 3 সপ্তাহ আগে

    দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বাস ট্র্যাজেডি আমাদের সামনে আবারও একটি পুরনো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—বাংলাদেশের ফেরি সার্ভিস এখনো কেন আধুনিক হয়ে উঠতে পারল না? এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবংবিস্তারিত পড়ুন

    দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বাস ট্র্যাজেডি আমাদের সামনে আবারও একটি পুরনো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—বাংলাদেশের ফেরি সার্ভিস এখনো কেন আধুনিক হয়ে উঠতে পারল না? এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনার ঘাটতির প্রতিফলন।

    ১. পুরোনো অবকাঠামো ও নিরাপত্তাহীন ঘাট

    বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফেরি ঘাট এখনো পুরোনো কাঠামোর উপর নির্ভরশীল। পন্টুন, ঢালু র‍্যাম্প এবং যানবাহন ওঠানামার জায়গাগুলো আধুনিক মানের নয়। অনেক ক্ষেত্রে সুরক্ষা ব্যারিয়ার দুর্বল বা অপ্রতুল, যার ফলে সামান্য অসতর্কতা বড় দুর্ঘটনায় রূপ নেয়। এই ট্র্যাজেডিতেও দেখা গেছে একটি বাস সরাসরি নদীতে পড়ে গেছে, যা স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

    ২. দুর্বল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা

    ফেরি ঘাটে যানবাহন ওঠানো-নামানোর সময় কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি। কিন্তু বাস্তবে সেখানে দেখা যায় বিশৃঙ্খলা, হুড়োহুড়ি এবং নিয়ম না মানার প্রবণতা। অনেক সময় কোনো প্রশিক্ষিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থাকে না, ফলে চালকরা নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেয়। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায়।

    ৩. প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জ ও প্রযুক্তির অভাব

    দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রায়ই কুয়াশা, স্রোত এবং পানির উচ্চতার পরিবর্তন দেখা যায়। উন্নত দেশগুলোতে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাডার, জিপিএস এবং স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো এসব প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত, ফলে ঝুঁকি অনেক বেশি থেকে যায়।

    ৪. রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিকল্পনার দুর্বলতা

    ফেরি ঘাটগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, নদীভাঙন বা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এর ফলে কিছু ঘাট বন্ধ হয়ে গেলে অন্য ঘাটে চাপ বেড়ে যায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

    ৫. নিরাপত্তা সচেতনতার অভাব

    আমাদের দেশে নিরাপত্তা সংস্কৃতি এখনো তেমন শক্তিশালী নয়। অনেক সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা হয় না, জরুরি পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তা মানুষ জানে না। এই অবহেলা এবং অজ্ঞতা বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ৬. আধুনিকায়নে ধীরগতি

    ফেরি সার্ভিস আধুনিক করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। কিন্তু নানা প্রশাসনিক জটিলতা, ধীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কখনো কখনো দুর্নীতির কারণে এই উন্নয়ন কার্যক্রম এগোতে পারে না। ফলে বছরের পর বছর একই সমস্যাগুলো থেকেই যায়।

    সমাধানের পথ কী?

    এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। যেমন:

    • আধুনিক নিরাপত্তা ব্যারিয়ার ও স্মার্ট সিগন্যাল সিস্টেম স্থাপন
    • ফেরি ঘাটে প্রশিক্ষিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
    • রাডার ও জিপিএস প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি
    • নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত সংস্কার ব্যবস্থা
    • সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 4 সপ্তাহ আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

স্মার্টফোনের পর পরবর্তী বড় প্রযুক্তি কী হতে পারে?

  1. SA Samim
    সেরা উত্তর
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 4 সপ্তাহ আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    স্মার্টফোনের পর কী আসবে—এর এক লাইনের উত্তর দেওয়া মুশকিল। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এমন হবে, যেখানে আমাদের হাতে ফোন ধরে থাকতে হবে না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু সেটা হবে আরও স্বাভাবিক, সহজ আর চোখে কম পড়বে। প্রথম বড় পরিবর্তনটা আসতে পারে স্মার্ট চশমা থেকে। সাধারণ চশমার মতোই দেখতে, কিন্তবিস্তারিত পড়ুন

    স্মার্টফোনের পর কী আসবে—এর এক লাইনের উত্তর দেওয়া মুশকিল। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এমন হবে, যেখানে আমাদের হাতে ফোন ধরে থাকতে হবে না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু সেটা হবে আরও স্বাভাবিক, সহজ আর চোখে কম পড়বে।

    প্রথম বড় পরিবর্তনটা আসতে পারে স্মার্ট চশমা থেকে। সাধারণ চশমার মতোই দেখতে, কিন্তু এর মাধ্যমে সামনে তথ্য ভেসে উঠবে—মেসেজ, দিক নির্দেশনা, এমনকি ভিডিওও। তখন আলাদা করে ফোন বের করার দরকার হবে না।

    আরেকটা বড় পরিবর্তন হচ্ছে AI। এখন আমরা অ্যাপ খুলে কাজ করি, কিন্তু সামনে এমন সময় আসতে পারে যখন AI নিজে থেকেই বুঝে কাজ করে দেবে। ধরো, তুমি কিছু বলতে যাচ্ছো—তার আগেই সেটা সাজিয়ে দেবে, বা দরকারি তথ্য এনে দেবে।

    এর পাশাপাশি, প্রযুক্তি ধীরে ধীরে চারপাশের জিনিসের মধ্যে মিশে যাবে। ঘর, গাড়ি, ডিভাইস—সব কিছুই স্মার্ট হবে। আলাদা একটা “ডিভাইস” ব্যবহার করার ধারণাটাই কমে যেতে পারে।

    আরও সামনে গেলে, এমন প্রযুক্তিও আসতে পারে যেখানে মস্তিষ্ক দিয়েই ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। যদিও এটা এখনো পুরোপুরি বাস্তব না, তবে কাজ চলছে।

    সব মিলিয়ে, স্মার্টফোন একদিন হঠাৎ করে হারিয়ে যাবে না। বরং ধীরে ধীরে তার জায়গা নেবে এমন প্রযুক্তি, যেগুলো ব্যবহার করতে আলাদা করে কিছু ধরতে হবে না—সবকিছু আরও স্বাভাবিকভাবে আমাদের জীবনের অংশ হয়ে যাবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 16 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Admin
Admin
সময়ঃ 1 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আপনার প্রশ্নটি এখন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে! 📢

  1. SA Samim
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 1 মাস আগে

    মাননীয় এডমিন মহোদয়,অর্জিত পয়েন্ট দিয়ে যদি স্টিকি প্রশ্ন করার কোনো উপায় থাকতো তাহলে খুব ভালো হতো, আমাদের জন্যে। ধন্যবাদ।

    মাননীয় এডমিন মহোদয়,অর্জিত পয়েন্ট দিয়ে যদি স্টিকি প্রশ্ন করার কোনো উপায় থাকতো তাহলে খুব ভালো হতো, আমাদের জন্যে।

    ধন্যবাদ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 2
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 4 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
mokbul
mokbulপণ্ডিত
সময়ঃ 1 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ফিতরা কত টাকা ২০২৬?

  1. sumi
    সেরা উত্তর
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 মাস আগে

    ২০২৬ সালে (১৪৪৭ হিজরি) বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খাদ্যপণ্য পরিমাণ ফিতরার হার গম বা আটা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (আধা সা') ১১০ টাবিস্তারিত পড়ুন

    ২০২৬ সালে (১৪৪৭ হিজরি) বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    খাদ্যপণ্য পরিমাণ ফিতরার হার
    গম বা আটা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (আধা সা’) ১১০ টাকা
    যব ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) ৫৯৫ টাকা
    খেজুর ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) ২,৪৭৫ টাকা
    কিসমিস ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) ২,৬৪০ টাকা
    পনির ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) ২,৮০৫ টাকা

    মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত যেকোনো একটি পণ্য বা তার বাজারমূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।

    ফিতরা কার উপর ওয়াজিব:

    সদকাতুল ফিতর প্রত্যেক এমন মুসলমানের ওপর ওয়াজিব, যিনি ঈদুল ফিতরের দিন অর্থাৎ ১ শাওয়াল ভোরে নিজের মৌলিক প্রয়োজন ও ব্যবহার্য জিনিসপত্রের বাইরে এমন পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, যার মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার দামের সমান বা তার বেশি।

    সহজ কথায় – নিজের ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানোর পর ঈদের দিন যার কাছে অতিরিক্ত সম্পদ আছে, তার উপর ফিতরা ওয়াজিব। এই সম্পদ নগদ টাকা, সোনা, রুপা বা যেকোনো ধরনের হতে পারে।

    পরিবারের ফিতরা হিসাব করার নিয়ম:

    পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য আলাদাভাবে ফিতরা আদায় করতে হয়। পরিবারের কর্তা নিজের এবং নাবালক সন্তানদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করবেন। পরিবারের সকলের পক্ষ থেকে যদি একই পণ্যের মূল্যে ফিতরা দেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে কারো পক্ষ থেকে খেজুরের মূল্যে এবং কারো পক্ষ থেকে আটার মূল্যে দিলেও আদায় হয়ে যাবে।

    উদাহরণ: ৫ সদস্যের পরিবারে আটার হিসাবে ফিতরা দিলে → ১১০ × ৫ = ৫৫০ টাকা।

    ফিতরা কখন দিতে হবে:

    ঈদের নামাজের পূর্বেই ফিতরার টাকা পরিশোধ করতে হয়। তবে রমজানের শেষ দিকে আদায় করলে দরিদ্ররা ঈদের আগেই টাকা পেয়ে যান, যা ইসলামের মূল উদ্দেশ্য। ঈদের নামাজের পর দিলে ফিতরা হিসেবে গণ্য হয় না, সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হয়।

    ফিতরা কাকে দেওয়া যাবে:

    ফিতরা ওই সব মানুষকে দেওয়া যাবে যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নন। addabuzz গরিব আত্মীয়, প্রতিবেশী, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন যারা নিসাবের মালিক নন — তাদের দেওয়া যাবে। সম্পদশালী ব্যক্তি, মা-বাবা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রীকে ফিতরা দেওয়া যাবে না।

    স্থানীয় বাজারমূল্যে দিলেও চলবে:

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যগুলোর খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য থাকতে পারে। আপনার স্থানীয় বাজারের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী হিসাব করে ফিতরা দিলেও তা আদায় হয়ে যাবে। CEIC

    সংক্ষেপে মনে রাখুন:

    ✅ সর্বনিম্ন ফিতরা: ১১০ টাকা (আটা হিসাবে)
    ✅ সর্বোচ্চ ফিতরা: ২,৮০৫ টাকা (পনির হিসাবে)
    ✅ ৫ সদস্যের পরিবারে সর্বনিম্ন: ১১০ × ৫ = ৫৫০ টাকা
    ✅ আদায়ের সময়: ঈদের নামাজের আগেই দিতে হবে
    ✅ সামর্থ্য অনুযায়ী: যেকোনো একটি পণ্যের হিসাবে দিলেই আদায় হবে

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 1 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

লাইলাতুল কদর কোন রাতে? ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ ও আমল

  1. ঝুমুর হাসান
    সেরা উত্তর
    ঝুমুর হাসান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 মাস আগে

    লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। রমজানের রাত ইংরেজি তারিখ সম্ভাবনা ২১তম রাত ১০ মার্চ (মঙ্গলবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব ২৩তম রাত ১২ মার্চ (বৃবিস্তারিত পড়ুন

    লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে।

    রমজানের রাত ইংরেজি তারিখ সম্ভাবনা
    ২১তম রাত ১০ মার্চ (মঙ্গলবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব
    ২৩তম রাত ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব
    ২৫তম রাত ১৪ মার্চ (শনিবার দিবাগত) ⭐⭐ বেশি সম্ভব
    ২৭তম রাত ✨ ১৬ মার্চ (সোমবার দিবাগত) ⭐⭐⭐ সর্বোচ্চ সম্ভাবনা
    ২৯তম রাত ১৮ মার্চ (বুধবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব

    কুরআনে লাইলাতুল কদরের বর্ণনা:

    আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন — “নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি কদর রজনিতে। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত কদর রজনি কী? কদর রজনি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা জিবরাইল (আ.)-সহ অবতরণ করেন — সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে, এ শান্তির ধারা অব্যাহত থাকে উষার উদয় পর্যন্ত।” (সূরা কদর, আয়াত: ১-৫)

    হাদিসের দলিল:

    রাসুল (সা.) বলেছেন — “তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০১৭)

    সাহাবি উবাই ইবনে কাব (রা.) কসম খেয়ে বলতেন, ২৭তম রাতটি লাইলাতুল কদর। (মুসলিম: ২৬৬৮)

    শবে কদর বা লাইলাতুল কদর কোন রাতের সম্ভাবনা কতটুকু — আলেমদের মত:

    অধিকতর সম্ভাবনার দিক দিয়ে প্রথম হলো ২৭ রমজান, দ্বিতীয় ২৫ রমজান, তৃতীয় ২৯ রমজান, চতুর্থ ২১ রমজান এবং পঞ্চম ২৩ রমজান।

    ইমাম মালিক, আহমদ, ইসহাক, সুফিয়ান সাওরি, ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম নববি, ইবনু হাজার, ইবনু উসাইমিন (রহ.) সহ বড় ইমামদের মত হলো – লাইলাতুল কদর শেষ দশ রাতের যেকোনো রাতে হতে পারে, তবে তা প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, বিভিন্ন বছরে ভিন্ন ভিন্ন দিনে হয়।

    লাইলাতুল কদর চেনার আলামত:

    হাদিস শরিফে কদরের রাত চেনার কিছু আলামতের কথা বলা হয়েছে। রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না। রাতটি নাতিশীতোষ্ণ – অধিক ঠান্ডা বা গরম নয়। মৃদু বাতাস প্রবাহিত থাকবে। সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত বেশি তৃপ্তিবোধ করবে। এছাড়া পরদিন সকালে সূর্য অধিক উজ্জ্বল হয়ে উদয় হবে।

    শবে কদরের রাতে কী আমল করবেন:

    কদরের রাতে নির্দিষ্ট কোনো ওয়াজিব বা সুন্নত নামাজ নেই। মানুষ ইচ্ছামতো নফল নামাজ পড়তে পারবে। তবে নামাজ পড়াকে আবশ্যকীয় মনে করা যাবে না।

    এই রাতে যা করবেন:

    ১. বিশেষ দোয়া পড়ুন: হযরত আয়েশা (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কদরের রাতে কী দোয়া পড়ব? তিনি বললেন এই দোয়া পড়তে:

    আরবি: اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
    উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফাফু আন্নি।
    অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো — অতএব আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তিরমিযি)

    ২. নফল নামাজ পড়ুন — তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ

    ৩. কুরআন তিলাওয়াত করুন — বিশেষত সূরা কদর বারবার পড়ুন

    ৪. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন — “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়তে থাকুন

    ৫. পরিবারকে জাগান — হাদিসে বর্ণিত, লাইলাতুল কদরের রজনীতে যে আল্লাহর আরাধনায় মুহ্যমান থাকবে, আল্লাহ তার ওপর থেকে দোজখের আগুন হারাম করে দেবেন।

    সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ কোনটি:

    শবে কদর রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। তাই একজন প্রকৃত মুসলিমের উচিত শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই ইবাদত করা। শুধু ২৭ রমজানের রাত ধরে বসে না থেকে প্রতিটি বিজোড় রাতেই পূর্ণ ইবাদত করুন, এটাই নবীজি (সা.)-এর আদর্শ ছিল।

    সংক্ষেপেঃ

    ✅ ২০২৬ সালে সরকারিভাবে শবে কদর: ১৬ মার্চ (২৭ রমজান)

    ✅ সম্ভাব্য সব রাত: ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮ মার্চ (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান)

    ✅ সেরা আমল: আয়েশা (রা.)-এর শেখানো দোয়া, নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত

    ✅ সবচেয়ে জরুরি কথা: শুধু একটি রাত নয়, শেষ দশকের সব বিজোড় রাতেই ইবাদত করুন

    ভালোলাগলে আপভোট দিন। কোন মতামত থাকলে এখানে মন্তব্য করে ফেলুন, আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ✌️

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 2 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের কোটিং কি বিষাক্ত হতে পারে?

  1. পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 2 মাস আগে

    হ্যাঁ, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিং বিষাক্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি PTFE (টেফলন) বা PFAS-যুক্ত হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় অতিরিক্ত গরম করা হয় বা কোটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোটিংয়ের ধরন অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)বিস্তারিত পড়ুন

    হ্যাঁ, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিং বিষাক্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি PTFE (টেফলন) বা PFAS-যুক্ত হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় অতিরিক্ত গরম করা হয় বা কোটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    কোটিংয়ের ধরন

    অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)। এগুলো নিয়মিত ব্যবহারে নিরাপদ বলে বিবেচিত, কারণ এরা খাবারের সাথে মিশে যায় না। তবে ২৬০°সে উপরে গরম হলে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে পারে, যা ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ সৃষ্টি করে।

    ঝুঁকির কারণ

    – অতিরিক্ত গরম করা: খালি অবস্থায় ৩৬০°সে উপরে গরম করলে পলিমার ভেঙে বিষাক্ত পদার্থ নির্গত হয়।
    – ক্ষতি বা খসে যাওয়া: স্ক্র্যাচ বা খসে যাওয়া কোটিং খাবারে মিশলে শরীরে শোষিত না হলেও দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি (লিভার, থাইরয়েড সমস্যা)।
    – PFAS (‘ফরএভার কেমিক্যাল’): কিছু কোটিংয়ে থাকে, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

    নিরাপদ ব্যবহার

    – PTFE/PFOA/PFAS-মুক্ত (সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিল) এয়ার ফ্রায়ার কিনুন।
    – নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করুন, ধাতব নয়; খালি গরম করবেন না; সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মেনে চলুন।
    – কোটিং খসলে ফেলে দিন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rakib
rakibনতুন
সময়ঃ 2 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

রোজায় সেহরিতে কী খেলে সারাদিন শক্তি থাকে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rakib
rakibনতুন
সময়ঃ 2 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

রোজা রেখে ইনজেকশন নিলে কি রোজা ভাঙে?

  1. নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 মাস আগে

    বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে। ইনজেকশনের ধরন রোজা ভাঙে? বিধান চিকিৎবিস্তারিত পড়ুন

    বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে।

    ইনজেকশনের ধরন রোজা ভাঙে? বিধান
    চিকিৎসার ইনজেকশন (পেনিসিলিন, অ্যান্টিবায়োটিক) ❌ ভাঙে না জায়েজ, রোজা সহিহ থাকবে
    ইনসুলিন (ডায়াবেটিস রোগীর জন্য) ❌ ভাঙে না জায়েজ, রোজা সহিহ থাকবে
    করোনা বা অন্য রোগের টিকা (ভ্যাকসিন) ❌ ভাঙে না জায়েজ, রোজা সহিহ থাকবে
    ব্যথানাশক / ঘুমের ইনজেকশন ❌ ভাঙে না জায়েজ, রোজা সহিহ থাকবে
    গ্লুকোজ / শক্তিবর্ধক স্যালাইন ইনজেকশন ✅ ভাঙে না খাওয়ার বিকল্প হওয়ায় নাজায়েজ
    খাবারের বিকল্প হিসেবে পুষ্টিকর ইনজেকশন (IV Nutrition) ✅ ভাঙে পানাহারের বিকল্প হওয়ায় নাজায়েজ

    কেন বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না — ইসলামিক ব্যাখ্যা

    শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যে কোনো কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না। চাই তা মাংসে নেওয়া হোক বা রগে নেওয়া হোক। কারণ, ইনজেকশনের সাহায্যে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশকৃত ওষুধ মাংস বা রগের মাধ্যমেই প্রবেশ করানো হয়ে থাকে, যা অস্বাভাবিক প্রবেশপথ। তাই এটি রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।

    ইসলামি ফিকহের মূলনীতি হলো — রোজা ভাঙে তখনই, যখন স্বাভাবিক পথে (মুখ, নাক) কিছু শরীরে প্রবেশ করে পাকস্থলীতে পৌঁছায়। ইনজেকশন যেহেতু খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না এবং স্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের পথ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে না ও পাকস্থলীতে পৌঁছায় না, ফলে রোজা নষ্ট হওয়ার কোনো কারণ সৃষ্টি হয় না।

    ডায়াবেটিস রোগীর ইনসুলিন — বিশেষ মাসআলা

    শরিয়তের দৃষ্টিতে ইনসুলিন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। কারণ, ইনসুলিনও ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং তা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না। তবে ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি — কারণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকলে ইসলামে রোজা না রাখার অনুমতি আছে।

    যে ইনজেকশনে রোজা ভাঙে — কেন?

    খাবারের বিকল্প হিসেবে ইনজেকশন পুশ করলে রোজা ভাঙে। কারণ, এমন ইনজেকশন নিলে পানাহারের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ গ্লুকোজ বা পুষ্টিকর স্যালাইন যেগুলো শরীরে শক্তি ও খাদ্যের কাজ করে, সেগুলো নিলে রোজা ভেঙে যাবে।

    সতর্কতামূলক পরামর্শ

    বাড়তি সাবধানতা হিসেবে চিকিৎসার ইনজেকশনগুলো রাতে নেওয়াই উত্তম। অর্থাৎ যদি সুযোগ থাকে, ইফতারের পর বা সেহরির আগে ইনজেকশন নিন। তবে জরুরি প্রয়োজনে দিনের বেলাতেও নিলে রোজা নষ্ট হবে না।

    সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম

    চিকিৎসার ইনজেকশন → রোজা ভাঙে না, নিশ্চিন্তে নিন।
    ইনসুলিন / টিকা / অ্যান্টিবায়োটিক → রোজা ভাঙে না।
    গ্লুকোজ / শক্তিবর্ধক স্যালাইন → রোজা ভাঙে, এড়িয়ে চলুন।
    সন্দেহ হলে → স্থানীয় আলেম বা মুফতির কাছ থেকে পরামর্শ নিন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 37 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তুমি কি একজন খুব সফল কিন্তু সবার অপছন্দের মানুষ হতে চাও, নাকি একজন সাধারণ কিন্তু সবার অসম্ভব প্রিয় মানুষ হতে চাও?

  1. তানি রহমান
    তানি রহমান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 মাস আগে

    প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।

    প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 29 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 4 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আমার নিজের নামে কয়টি মোবাইল আছে?

  1. Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 মাস আগে

    এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে? NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে। কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরবিস্তারিত পড়ুন

    এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।

    ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে?

    NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে।

    কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন বন্ধ করা, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি রোধ করা এবং মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমানো এর প্রধান উদ্দেশ্য।

    ২. আমার মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না তা কীভাবে যাচাই করব?

    আপনি নতুন বা পুরাতন ফোন কেনার আগে এটি পরীক্ষা করতে পারেন:

    নতুন ফোনের জন্য: ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন KYD <স্পেস> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর (যেমন: KYD 123456789012345) এবং পাঠিয়ে দিন ১৬০০২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ফোনের বৈধতা জানতে পারবেন।

    ব্যবহৃত ফোনের জন্য: ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে *১৬১৬১# ডায়াল করে অথবা neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।

    ৩. আমার এনআইডি (NID)-র অধীনে অনেকগুলো ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে কেন? এতে কি কোনো ভয় আছে?

    অনেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখছেন তাদের নামে ৩০-৪০টি বা তারও বেশি ফোন নিবন্ধিত।

    কারণ: এটি মূলত একটি কারিগরি বিষয়। আপনি অতীতে আপনার এনআইডি দিয়ে কেনা সিম যেসব ফোনে ব্যবহার করেছেন, সিস্টেম সেই সব ফোনের তথ্য আপনার নামে দেখাচ্ছে।

    করণীয়: বিটিআরসি জানিয়েছে এতে ভয়ের কিছু নেই। তারা বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনগুলো রেখে বাকি পুরোনো তথ্যগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।

    ৪. বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া ফোনের ক্ষেত্রে নিয়ম কী?

    বিদেশ থেকে নিজে সাথে করে ফোন আনলে বা কেউ পাঠালে সেটি বৈধ করতে হবে:

    neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে হবে। এজন্য পাসপোর্টের কপি, ভিসার তথ্য বা ক্রয়ের রসিদ আপলোড করতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক ফোন ফ্রিতে বা ট্যাক্স দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।

    ৫. বর্তমানে আমি যে ‘আন-অফিশিয়াল’ ফোনটি ব্যবহার করছি, সেটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?

    ১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে থেকে নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব ফোন (অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান ফোনটি যদি সচল থাকে, তবে এটি বন্ধ হবে না। তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো অবৈধ বা স্মাগলিং করা ফোন কিনলে সেটি সিম ঢোকানোর পর আর চলবে না।

    ৬. ফোন চুরি হয়ে গেলে NEIR দিয়ে কী সুবিধা পাব?

    যদি আপনার ফোনটি নিবন্ধিত থাকে এবং চুরি হয়ে যায়, তবে আপনি বিটিআরসি-র মাধ্যমে ফোনটি ব্লক করে দিতে পারবেন। এর ফলে চোর বা অন্য কেউ ওই ফোনে কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবে না, যা ফোন চুরির প্রবণতা কমিয়ে দেবে।

    কিছু পরামর্শ: এখন থেকে যেকোনো ফোন কেনার আগে অবশ্যই বক্সের গায়ে থাকা IMEI নম্বর দিয়ে ১৬০০২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে যাচাই করে নিন। অবৈধ ফোন কিনে টাকা নষ্ট করবেন না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 30 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

২৫ ডিসেম্বরে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?

  1. Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 মাস আগে

    ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো: নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে।বিস্তারিত পড়ুন

    ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো:

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিশৃঙ্খলা করতে না পারে। এয়ারপোর্টের ভেতরে শুধু যাত্রী ও জরুরি লোক ছাড়া বাকিদের প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনাও আছে।

    বিএনপির প্রস্তুতি

    বিএনপি বলছে, তারা জোর করে রাস্তা দখল করবে না। তবে নেতাকে দেখতে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে, এটা মাথায় রেখে তারা কয়েক হাজার নিজস্ব ‘ভলান্টিয়ার’ বা স্বেচ্ছাসেবক ঠিক করেছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ হবে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেন সমস্যা না হয় সেটা দেখা এবং ট্রাফিক পুলিশকে সাহায্য করা। দলীয়ভাবে তারা এটাকে ‘শান্তিপূর্ণ গণ-সংবর্ধনা’ হিসেবে পালন করতে চায়।

    নির্বাচন ও রাজনীতি

    তারেক রহমানের ফেরা মানেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ গতিতে শুরু হওয়া। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর দেশে থাকাটা দলের কর্মীদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আসার পর দলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঠিক করার কাজ আরও গতি পাবে।

    কূটনীতি

    তারেক রহমানের ফেরাকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন দেশ বেশ পর্যবেক্ষণে রাখছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলো দেখছে তাঁর ফেরার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল থাকে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে।

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

    সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর মতো বড় সংবাদপত্রের ওপর হামলা নিয়ে দেশ-বিদেশে উদ্বেগ আছে। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তাঁর দল এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই হামলার ব্যাপারে কী শক্ত অবস্থান নেয়, সেটাই দেখার বিষয়। মুক্তভাবে কথা বলা বা সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে মানুষ অনেক আশাবাদী হতে চায়।

    সহজ কথায় বলতে গেলে, তারেক রহমানের আসাটা শুধু একটি দলের নেতার ফেরা নয়, বরং আগামী দিনের রাজনীতি কোন দিকে যাবে, তার একটা বড় ইঙ্গিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Jesmin
Jesminনতুন
সময়ঃ 4 মাস আগেক্যাটাগরিঃ Download

NID server copy download free pdf 2025 tricks

  1. Jesmin
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 মাস আগে

    নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো। অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইবিস্তারিত পড়ুন

    নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো।

    অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন।


    NID সার্ভার কপি বা অনলাইন কপি কী?

    সহজ কথায়, নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেসে আপনার যে তথ্য ও ছবি সংরক্ষিত আছে, তার ডিজিটাল রূপই হলো সার্ভার কপি। এটি দেখতে অবিকল অরিজিনাল এনআইডি কার্ডের মতো। ব্যাংক একাউন্ট খোলা, সিম রেজিস্ট্রেশন বা পাসপোর্টের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়।


    বিনামূল্যে NID কপি ডাউনলোড করার নিয়ম (ধাপে ধাপে)

    নিচে নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোডের পদ্ধতি দেওয়া হলো। আপনার হাতে শুধু একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই চলবে।

    ধাপ ১: ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও রেজিস্ট্রেশন

    ১. প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ব্রাউজার ওপেন করুন।

    ২. ভিজিট করুন: services.nidw.gov.bd

    ৩. ওয়েবসাইটের হোমপেজে “রেজিস্টার করুন” বা “Register” বাটনে ক্লিক করুন।

    ধাপ ২: তথ্য পূরণ

    ১. একটি ফর্ম আসবে। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অথবা ফর্ম নম্বর (নতুন ভোটার হলে) লিখুন।

    ২. আপনার জন্ম তারিখ (দিন, মাস, বছর) সঠিকভাবে দিন।

    ৩. ছবিতে দেখানো ক্যাপচা কোডটি (অক্ষর বা সংখ্যা) পাশের বক্সে লিখুন এবং ‘সাবমিট’ করুন।

    ধাপ ৩: ঠিকানা যাচাই

    ১. এখন আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে।

    ২. ড্রপডাউন মেনু থেকে আপনার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা সিলেক্ট করুন (এনআইডি করার সময় যা দিয়েছিলেন)।

    ৩. ‘পরবর্তী’ বাটনে ক্লিক করুন।

    ধাপ ৪: মোবাইল ভেরিফিকেশন

    ১. আপনার এনআইডি ডাটাবেসে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি স্ক্রিনে দেখাবে।

    ২. যদি নম্বরটি আপনার কাছে থাকে তবে “বার্তা পাঠান” এ ক্লিক করুন।

    ৩. যদি নম্বরটি হারিয়ে গিয়ে থাকে, তবে “মোবাইল পরিবর্তন” অপশন ব্যবহার করে নতুন নম্বর দিতে পারেন।

    ৪. আপনার মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি কোড (OTP) যাবে। সেটি ওয়েবসাইটে বসিয়ে ‘বহাল’ বাটনে ক্লিক করুন।

    ধাপ ৫: ফেস ভেরিফিকেশন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ)

    এই ধাপটি নিরাপত্তার জন্য খুব জরুরি। এর জন্য আপনার স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ লাগবে।

    ১. গুগল প্লে স্টোর থেকে “NID Wallet” নামক অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।

    ২. ওয়েবসাইটে একটি QR Code দেখাবে।

    ৩. NID Wallet অ্যাপটি ওপেন করে সেই QR Code টি স্ক্যান করুন।

    ৪. এরপর ফোনের ক্যামেরা চালু হবে। নিজের মুখের ছবি স্ক্যান করুন:

    * প্রথমে সোজাসুজি তাকান।

    * একবার মাথা বাম দিকে ঘোরান।

    * একবার মাথা ডান দিকে ঘোরান।

    ৫. ফেস ভেরিফিকেশন সফল হলে ওয়েবসাইটে অটোমেটিক পরবর্তী পেজ চলে আসবে।

    ধাপ ৬: পাসওয়ার্ড সেট ও ডাউনলোড

    ১. ভেরিফিকেশন শেষে আপনি চাইলে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন (ভবিষ্যতে সহজে লগইন করার জন্য) অথবা ‘এড়িয়ে যান’ বাটনে ক্লিক করতে পারেন।

    ২. এখন আপনি আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবেন।

    ৩. নিচের দিকে “Download” (ডাউনলোড) নামক একটি বাটন দেখবেন।

    ৪. সেখানে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের পিডিএফ (PDF) কপি বিনামূল্যে ডাউনলোড হয়ে যাবে।


    ⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

    ইন্টারনেটে বা ফেসবুকে অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন দেখবেন যারা টাকার বিনিময়ে বা “এক ক্লিকে” সার্ভার কপি দেওয়ার দাবি করে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন:

    • ব্যক্তিগত তথ্য চুরি: অননুমোদিত ওয়েবসাইটে নিজের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।

    • Telegram Bot পরিহার করুন: টেলিগ্রামের মাধ্যমে অনেকে সার্ভার কপি বের করে দেয়, এটি অফিশিয়াল পদ্ধতি নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অনিরাপদ।

    • সর্বদা অফিশিয়াল সাইট ব্যবহার করুন: একমাত্র nidw.gov.bd বা services.nidw.gov.bd হলো নিরাপদ ও সরকারি মাধ্যম।


    সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর

    প্রশ্ন: আমার এনআইডি নম্বর নেই, শুধু স্লিপ আছে। আমি কি পারব?

    উত্তর: হ্যাঁ, রেজিস্ট্রেশনের সময় ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর’-এর জায়গায় ফর্ম নম্বর (স্লিপ নম্বর) ব্যবহার করে একইভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে ফর্ম নম্বরের আগে NIDFN লেখা লাগতে পারে যদি সরাসরি কাজ না করে।

    প্রশ্ন: ফেস ভেরিফিকেশন ফেইল করলে কী করব?

    উত্তর: পর্যাপ্ত আলোতে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করুন। চশমা থাকলে খুলে ফেলুন। যদি বারবার সমস্যা হয়, তবে ব্রাউজারের ক্যাশ ক্লিয়ার করে আবার চেষ্টা করুন।


    এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি কোনো টাকা খরচ না করেই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বা সার্ভার কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

    আপনার কি NID Wallet অ্যাপটি ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে বা নির্দিষ্ট কোনো এরর কোড দেখালে কমেন্টে জানান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rana
ranaপণ্ডিত
সময়ঃ 5 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

তফসিল কি এবং এটি বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি? এবং বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়, বর্তমানে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও তাদের নাম কি কি?

  1. sumi
    সেরা উত্তর
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 মাস আগে

    তফসিল কি? সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে 'তফসিল' বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নিবিস্তারিত পড়ুন

    তফসিল কি?

    সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘তফসিল’ বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নির্দিষ্ট তালিকা হিসেবে কাজ করে।

    সংবিধানের তফসিল: বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি?

    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও নিয়মাবলি রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি—এর উত্তর হলো ৭টি। অর্থাৎ, সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযুক্ত আছে, যেখানে বিভিন্ন ক্রান্তিকালীন বিধান, শপথনামা এবং ঐতিহাসিক ভাষণ (যেমন ৭ই মার্চের ভাষণ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    তফসিলি ব্যাংক: সংজ্ঞা ও সংখ্যা

    তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়?

    সহজ কথায়, তফসিলি ব্যাংক হলো সেই সব ব্যাংক, যেগুলো ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২’-এর ৩৭(২) (পি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত। এই ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ (CRR ও SLR) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। যারা এই তালিকায় নেই, তাদের ‘নন-শিডিউলড’ বা অতফসিলি ব্যাংক বলা হয়।

    তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি—এর উত্তর হলো ৬১টি। এই তফসিলি ব্যাংকগুলোকে মালিকানা ও কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রধানত ৪টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। নিচে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি তার ধারণা দেওয়া হলো:

    ১. রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬টি):

    সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)।

    ২. বিশেষায়িত ব্যাংক (৩টি):

    বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

    ৩. বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৯টি):

    স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি (HSBC), সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, উরি ব্যাংক, ব্যাংক আল-ফালাহ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

    ৪. বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৪৩টি):

    এটি সবচেয়ে বড় খাত। এর মধ্যে প্রচলিত ধারার এবং ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংক রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

    • ইসলামী ধারার: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।

    • প্রচলিত ধারার (কনভেনশনাল): পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি, ইউসিবি, ইস্টার্ন ব্যাংক (EBL), এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ওয়ান ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং কমিউনিটি ব্যাংক।

    (দ্রষ্টব্য: অর্থনৈতিক সংস্কার ও একীভূতকরণ (Merger) প্রক্রিয়ার কারণে ব্যাংকের সংখ্যা ভবিষ্যতে পরিবর্তিত হতে পারে, তবে বর্তমানে ৬১টি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।)

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rana
ranaপণ্ডিত
সময়ঃ 5 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

তফসিল অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে?

  1. sumi
    সেরা উত্তর
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়? সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলোবিস্তারিত পড়ুন

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে।

    গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়?

    সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলো রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, সংবিধান পরিবর্তন বা বিশেষ কোনো নীতিমালার বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত যাচাই করার একটি পদ্ধতি। সাধারণ নির্বাচনে জনগণ যেমন তাদের প্রতিনিধি বা নেতা নির্বাচন করেন, গণভোটে তেমনি কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেন। অর্থাৎ, এটি হলো কোনো বিষয়ে জনগণের রায় নেওয়ার প্রক্রিয়া।

    গণভোট কিভাবে হয়?

    এখন প্রশ্ন হলো, গণভোট কিভাবে হয়? এটি মূলত সাধারণ নির্বাচনের মতোই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।

    ১. প্রথমে সরকার বা সংসদ একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব বা প্রশ্ন ঠিক করে।

    ২. এরপর নির্বাচন কমিশন সারা দেশে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে।

    ৩. ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে ব্যালট পেপারে বা ইভিএমে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানান।

    ৪. সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত (অর্ধেকের বেশি ভোট) যেদিকে যায়, রাষ্ট্র সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

    বাংলাদেশে কতবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ পর্যন্ত মোট তিনবার জাতীয় পর্যায়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

    ১. ১৯৭৭ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় (আস্থা যাচাইয়ের জন্য)।

    ২. ১৯৮৫ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সময় (তার শাসনের পক্ষে জনমত যাচাইয়ের জন্য)।

    ৩. ১৯৯১ সালে: দ্বাদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার প্রশ্নে (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের সময়)।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 34 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ভবের হাট 🤘
ভবের হাট 🤘পণ্ডিত
সময়ঃ 5 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

বাংলাদেশের মানুষদের মধ্যে কমন কিছু মানুষিক সমস্যা কি?

  1. কাসেম খান
    সেরা উত্তর
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও, এখনো বহু মানুষ নীরবে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তবে মনে রাখতে হবে, মানসিক সমস্যার সঠিক নির্ণয় শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক (Psychiatrist) বা মনোবিজ্ঞানীর (Clinical Psychologist) দ্বারাই সমবিস্তারিত পড়ুন

    এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও, এখনো বহু মানুষ নীরবে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।

    তবে মনে রাখতে হবে, মানসিক সমস্যার সঠিক নির্ণয় শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক (Psychiatrist) বা মনোবিজ্ঞানীর (Clinical Psychologist) দ্বারাই সম্ভব।

    বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে মানসিক সমস্যাগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

    ১. বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন (Depression)

    এটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত মানসিক সমস্যাগুলির মধ্যে একটি। আর্থ-সামাজিক চাপ, ব্যক্তিগত ক্ষতি, বা সম্পর্কজনিত কারণে এটি সৃষ্টি হতে পারে।

    • সাধারণ লক্ষণ: দীর্ঘদিন মন খারাপ থাকা, কোনো কিছুতে আনন্দ না পাওয়া, ঘুম বা খাবারের অভ্যাসে পরিবর্তন আসা, খুব ক্লান্তি বোধ করা।

    ২. উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার (Anxiety Disorder)

    ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, ভয় বা আতঙ্কের মধ্যে থাকা হলো অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগজনিত সমস্যা।

    • সাধারণ লক্ষণ: বুক ধড়ফড় করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, হাত-পা কাঁপা, অস্থিরতা, ছোটখাটো বিষয় নিয়েও মাত্রাতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা। পরীক্ষার চাপ, চাকরির অনিশ্চয়তা বা আর্থিক দুশ্চিন্তা থেকে এটি তৈরি হতে পারে।

    ৩. মানসিক চাপ ও স্ট্রেস (Stress-Related Issues)

    যদিও এটি একটি রোগ নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ বিভিন্ন মানসিক রোগের জন্ম দিতে পারে। বাংলাদেশে পারিবারিক কলহ, পড়াশোনার চাপ (বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে) এবং আর্থিক সংকট এর মূল কারণ।

    ৪. শারীরিক উপসর্গ হিসেবে মানসিক কষ্ট

    অনেক সময় সামাজিক কলঙ্ক (Stigma)-এর ভয়ে মানুষজন তাদের মানসিক কষ্ট প্রকাশ করতে চান না। এর ফলে সেই কষ্টগুলি মাথাব্যথা, পেট ব্যথা, পিঠের ব্যথার মতো বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা (Somatoform Symptoms) হিসেবে প্রকাশ পায়।

    ৫. সিজোফ্রেনিয়া ও অন্যান্য সাইকোসিস

    এটি একটি গুরুতর মানসিক রোগ, যেখানে মানুষ বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি সব সমাজেই কম-বেশি দেখা যায়।

    • সাধারণ লক্ষণ: ভুল বিশ্বাস পোষণ করা (যেমন: কেউ ক্ষতি করতে চাইছে), এমন কিছু শোনা বা দেখা যা বাস্তবে নেই (ভ্রম), এবং এলোমেলো কথা বলা বা আচরণ করা।

    এই সমস্যাগুলো কেন বেশি দেখা যায়?

    • সামাজিক কলঙ্ক (Stigma): মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে এখনো বাংলাদেশে অনেকে দুর্বলতা বা পাগলামি হিসেবে দেখেন, তাই রোগীরা সাহায্য চাইতে দ্বিধা করেন।
    • পরিবারের চাপ: পারিবারিক বা সামাজিক প্রত্যাশা পূরণের চাপ (যেমন: দ্রুত বিয়ে বা ভালো চাকরি) অনেক সময় মানসিক সমস্যার কারণ হয়।
    • চিকিৎসার অভাব: দেশের তুলনায় মনোবিজ্ঞানী ও মনোচিকিৎসকের সংখ্যা অত্যন্ত কম।

    আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন, তবে একজন বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক বা মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ থাকার জন্য এটি একটি সাহসিকতার কাজ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 24 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 5 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কি আমাদের ভেতরের সত্য বা আত্মার কাছাকাছি যেতে সাহায্য করে? নাকি এই বেশি ভাবনার প্রবণতা কখনো কখনো কেবলই মানসিক জটিলতা তৈরি করে?

  1. সীমা চৌধুরী
    সেরা উত্তর
    সীমা চৌধুরী নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 মাস আগে

    Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ। প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে 'আত্মার কাছাকাছি' যেতে সাহায্য করে? আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিবিস্তারিত পড়ুন

    Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ।

    প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।

    ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে ‘আত্মার কাছাকাছি’ যেতে সাহায্য করে?

    আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাবার অনেক সময় পান। এই গভীর ভাবনাই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে আপনি আসলে কী চান, আপনার কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। একেই ‘ভেতরের সত্য’ বা ‘আত্মার খোঁজ’ বলা যেতে পারে। এটাকে এক ধরণের Self-Reflection বলা যায়।

    অন্তর্মুখীরা সাধারণত কথা কম বলেন এবং শোনেন বেশি। এর ফলে তারা অন্যদের এবং চারপাশের পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন।

    অনেক লেখক, শিল্পী বা বিজ্ঞানী অন্তর্মুখী হন। কারণ তাদের এই একাকীত্ব এবং গভীর চিন্তা নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করে।

    ইন্ট্রোভার্ট স্বভাব কীভাবে ‘মানসিক জটিলতা’ তৈরি করে?

    যে গভীর চিন্তা ভালো, সেই চিন্তাই যখন বেশি হয়ে যায়, তখন তা ‘ওভারথিংকিং’-এ পরিণত হয়। একটা ছোট ঘটনা নিয়ে আপনি হয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাবতে থাকলেন, যা বাস্তবে অতটা বড় ছিলই না।

    অতিরিক্ত ভাবনার ফলে সহজেই দুশ্চিন্তা (Anxiety) আসতে পারে। “ও কী ভাবলো?”, “ভবিষ্যতে কী হবে?”, “অতীতে কেন এমন হলো?” এই ধরনের চিন্তাগুলো মানসিক চাপ তৈরি করে এবং অনেক সময় তা বিষণ্ণতার (Depression) দিকে ঠেলে দেয়।

    যদিও আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামাজিক মেলামেশা একেবারে বন্ধ করে দিলে আপনি নিজেকে খুব একা এবং বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারেন। মানুষ সামাজিক জীব, আমাদের সবারই কিছু ভালো সম্পর্ক দরকার হয়।

    সমাধান কী?

    যখনই বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত ভাবছেন (ওভারথিংকিং করছেন), নিজেকে থামান। দরকার হলে ডায়েরি লিখুন বা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথাটা বলে ফেলুন।

    নিজের জন্য সময় রাখুন (যেমন বই পড়া, গান শোনা)। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত কিছু সময় পরিবারের বা খুব কাছের বন্ধুদের সাথেও কাটান।

    আপনি যেমন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজেকে জোর করে মিশুক (Extrovert) বানানোর দরকার নেই। আপনার নীরবতাও অনেক শক্তিশালী।

    আপনার এই স্বভাব কোনো সমস্যা নয়, বরং এটা একটা উপহার। এই উপহার ব্যবহার করে আপনি যেমন নিজের ভেতরটা চিনতে পারবেন, তেমনি খেয়াল রাখতে হবে এই ভাবনার স্রোতে যেন আপনি হারিয়ে না যান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

এমন কোন সার্চ ইঞ্জিন কি আছে যেটা AI ব্যবহার করে না?

  1. jahanur
    সেরা উত্তর
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 9 মাস আগে

    আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে। তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়বিস্তারিত পড়ুন

    আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

    Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে।

    তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা খুঁজে বের করা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 34 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

শাকিব খান একটি ছবিতে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন?

  1. Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে "প্রিয়তমা" ও "তুফান" এর মতবিস্তারিত পড়ুন

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস

    image host

    ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে “প্রিয়তমা” ও “তুফান” এর মতো ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর তার পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    শাকিব খানের চলচ্চিত্র প্রতি পারিশ্রমিক:

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক ছবির বাজেট, প্রযোজনা সংস্থা এবং তার চরিত্রের গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। জানা গেছে, “প্রিয়তমা” সিনেমার জন্য তিনি ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও, এর ব্যাপক সাফল্যের পর “রাজকুমার”-এর জন্য ৬৫ লাখ, “দরদ”-এর জন্য ৭০ লাখ এবং “তুফান”-এর জন্য ৮০ লাখ টাকা নেন। সর্বশেষ “বরবাদ” সিনেমায় তিনি প্রাথমিকভাবে ৮০ লাখ টাকা চুক্তি করলেও, ঈদের মুক্তির চুক্তিতে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা নেন। বর্তমানে “তাণ্ডব” সিনেমার জন্য তিনি ৯০ থেকে ৯৫ লাখের মধ্যে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তার পরবর্তী সিনেমার জন্য তিনি ২ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক চাইতে পারেন।

    শাকিব খানের বাৎসরিক আয়:

    শাকিব খানের বাৎসরিক আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ না পেলেও, ভারতীয় গণমাধ্যম ‘টিভি নাইন বাংলা’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাকিব খানের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩৫ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। তবে এই তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই এবং শাকিব খান নিজে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সিনেমা ছাড়াও অন্যান্য খাত থেকে তার আয় ভালো অঙ্কের হয়ে থাকে।

    শাকিব খানের উপার্জনের খাতসমূহ:

    শাকিব খানের উপার্জনের প্রধান খাতগুলো হলো:

    • চলচ্চিত্রে অভিনয়: এটি তার আয়ের প্রধান উৎস। বছরে দুই থেকে তিনটি নির্বাচিত সিনেমায় কাজ করেন তিনি।
    • চলচ্চিত্র প্রযোজনা: তিনি নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা চালান এবং বেশ কিছু সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন, যার মধ্যে “হিরো: দ্য সুপারস্টার”, “পাসওয়ার্ড” এবং “বীর” উল্লেখযোগ্য।
    • বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপন এবং শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন।
    • মঞ্চ অনুষ্ঠান: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও তিনি উপার্জন করেন।
    • নিজের ব্যবসা: চলচ্চিত্রের বাইরেও তার অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যায়।
    • গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব: একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন আপনে অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে নিচের সাইটগুলিতে কাজ করতে পারেন।… এপ্রিল 13, 2026, সময়ঃ 6:55 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 105 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,024 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 75 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন