সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
প্যাঁচার সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি কোনটি?
প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller's Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত। **স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিবিস্তারিত পড়ুন
প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller’s Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত।
**স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিয়া অঞ্চলে বাস করে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৫ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার (৪৫ থেকে ৪৭ ইঞ্চি), এবং পাখিটির ডানা প্রসারিত হয়ে ২.৪ থেকে ২.৫ মিটার (৮ থেকে ৮.৫ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে। এর ওজন প্রায় ৭-৯ কেজি (১৫-২০ পাউন্ড)।
স্টেলারস্ সিজার প্যাঁচাটি তার শক্তিশালী পা, বড় ও ধারালো ঠোঁট, এবং মাছ, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী, ছোট পশু এবং পাখি শিকার করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এটি অতি দুর্লভ এবং বিশ্বে তার সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে, ফলে এটি এখন একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত।
সংক্ষেপে দেখুনজল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয় কোনটি?
জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**। কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষবিস্তারিত পড়ুন
জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**।
কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষ করে ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, কলম্বিয়া এবং ইথিওপিয়া সহ অনেক দেশ কফি উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফিস, ক্যাফে থেকে বাড়ি—কফি প্রায় সবখানেই পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব কতটা আমরা সেটি সবাই জানি, কিন্তু জানেন কি এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে?
শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে। **ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮বিস্তারিত পড়ুন
শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে।
**ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮-৬৫৮ খ্রিস্টাব্দ) ভারতীয় গণিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, শূন্যকে একটি পূর্ণসংখ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং এর জন্য বিশেষ গণনা বিধি তৈরি করেছিলেন। তিনি শূন্যকে শুধু একটি ‘সংখ্যা’ হিসেবে না, বরং একটি গাণিতিক অপারেশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। ব্রাহ্মগুপ্তের লেখা “ব্রাহ্মগুপ্ত সূত্র” গ্রন্থে শূন্যের বিভিন্ন গাণিতিক ব্যবহার ও নীতি বর্ণিত আছে, যেমন শূন্যের সাথে যোগ এবং গুণের নিয়ম।
তবে, শূন্যের ধারণার উন্নতি অনেক আগে থেকেই ভারতীয় গণিতজ্ঞদের মধ্যে চলে আসছিল। ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ শূন্যের ধারণা গাণিতিক বিশ্লেষণ ও গণনা পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটায়।
এছাড়া, **অ্যারাবিয়ান গণিতবিদদের (যেমন আল-খাওয়ারিজমি)** মাধ্যমে শূন্যের ধারণা পাশ্চাত্যে পৌঁছায়, এবং পরে এটি আধুনিক গণিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অতএব, শূন্যের আবিষ্কার এককভাবে কোনো এক ব্যক্তির কাজ নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক এবং গাণিতিক উন্নতির অংশ ছিল, যেখানে ভারতীয় গণিতবিদেরা প্রথম শূন্যের প্রকৃত গাণিতিক ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুনটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এর নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত, অন্য কোন দল বিশ্বকাপ জিততে পারছে না কেন?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন অন্য কোনো দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারছে না? এর কারণ খুঁজতে হলে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং অন্য দলগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ভারতের আধিপত্য এবং নতুন রেকর্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ আসরে ভারতের ধারাবাহিবিস্তারিত পড়ুন
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন অন্য কোনো দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারছে না? এর কারণ খুঁজতে হলে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং অন্য দলগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
ভারতের আধিপত্য এবং নতুন রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ আসরে ভারতের ধারাবাহিকতা ও শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ দলটিকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে। সদ্য টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে ২০০ বা তার বেশি রান সর্বোচ্চ ৮ বার করার রেকর্ড গড়ে ভারত দেখিয়েছে তাদের ব্যাটিং কতটা ভয়ঙ্কর। সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা, ও শুভমান গিলের মতো ব্যাটসম্যানরা এই ফরম্যাটে দুর্দান্ত পারফর্ম করছে।
অন্য দলগুলোর সীমাবদ্ধতা
১. দলগত ভারসাম্যের অভাব: বেশিরভাগ দলেই ভারতের মতো ভারসাম্যপূর্ণ ব্যাটিং ও বোলিং কম্বিনেশন দেখা যায় না।
২. চাপ সামলানোর ব্যর্থতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর মতো বড় মঞ্চে দলগুলোর মধ্যে চাপ সামলানোর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
৩. বড় স্কোর তাড়া করার সমস্যা: ভারতের বিপক্ষে ২০০-এর বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে দলগুলো ব্যর্থ হচ্ছে, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে হয়েছে।
৪. চোট সমস্যা: কয়েকটি বড় দল যেমন ইংল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ড তাদের মূল খেলোয়াড়দের ইনজুরির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর সম্ভাবনা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর সময়সূচী অনুযায়ী, ভারত ফেভারিট হিসেবে টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে অন্য দলগুলোর জন্য সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। যদি তারা চাপ সামলে নিজেদের সেরা পারফর্ম করতে পারে, তাহলে হয়তো ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।
ভারতের জয় রোধে কী করা উচিত?
১. ফিল্ডিংয়ে উন্নতি: ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের দ্রুত আউট করার জন্য ফিল্ডিংকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
২. ডেথ বোলিং: ভারতের বিপক্ষে শেষের ওভারগুলোতে রান কম দেওয়ার কৌশল বের করতে হবে।
৩. মনোবল ধরে রাখা: চাপের মুহূর্তে দলের মধ্যে মানসিক দৃঢ়তা রাখতে হবে।
ভারত যেমন ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে, তেমনই অন্য দলগুলোর উচিত নিজেদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এ এরকম চমক এখনো সত্যিই প্রশংসনীয়!
সংক্ষেপে দেখুনMasud Rana pdf ডাউনলোড করার জন্য কোন নির্ভরযোগ্য সাইট আছে কি?
মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অনেক পাঠকই এগুলো PDF ফরম্যাটে খুঁজে থাকেন। "masud rana pdf" বা "মাসুদ রানা সিরিজ pdf" সহজলভ্য করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে এই বইগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যায়। যদিও এই ধরনের ই-বুক ফাইলগুলো সাধারণত বিভিন্ন ববিস্তারিত পড়ুন
মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অনেক পাঠকই এগুলো PDF ফরম্যাটে খুঁজে থাকেন। “masud rana pdf” বা “মাসুদ রানা সিরিজ pdf” সহজলভ্য করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে এই বইগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যায়। যদিও এই ধরনের ই-বুক ফাইলগুলো সাধারণত বিভিন্ন বাংলা ই-বুক সাইট, বইয়ের ফোরাম, অথবা ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করা হয়, তবে এগুলো ডাউনলোড করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
কপিরাইট সংক্রান্ত আইন মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলো কপিরাইটেড, এবং এর লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন ও তার প্রকাশনা সংস্থা এই কপিরাইটের অধিকারী। সুতরাং, masud rana pdf ডাউনলোড করার জন্য নির্ভরযোগ্য এবং আইনসম্মত উৎস ব্যবহার করাই ভালো। কিছু পাবলিক ডোমেইন সাইটে হয়তো এই সিরিজের কিছু পুরনো সংস্করণ পাওয়া যেতে পারে, তবে তা বৈধ কিনা তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
মাসুদ রানা সিরিজের পিডিএফ ডাউনলোড করতে গেলে পাঠকদের এই বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকা উচিত এবং যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অবৈধ উৎস থেকে এড়িয়ে চলা উচিত।
সংক্ষেপে দেখুনইকাপ ৪০০ তেল টা কি সরাসরি মুখে লাগানো যাবে
রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন? নিচের প্রতিটা টিপসের জন্যই ক্যাপসুল ফুটো করে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় সেটা আমরা ব্যবহার করব। যেহেতু একটা ক্যাপসুল ফুটো করলে প্রায় আধা চা চামচ তেল পাওয়া যায় আর ভিটামিন ই তেল খুবই ভারী হয় সুতরাং আপনারা একটা ক্যাপসুলের তেল দিয়ে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে যেবিস্তারিত পড়ুন
রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন?
নিচের প্রতিটা টিপসের জন্যই ক্যাপসুল ফুটো করে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় সেটা আমরা ব্যবহার করব। যেহেতু একটা ক্যাপসুল ফুটো করলে প্রায় আধা চা চামচ তেল পাওয়া যায় আর ভিটামিন ই তেল খুবই ভারী হয় সুতরাং আপনারা একটা ক্যাপসুলের তেল দিয়ে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে যেখানে যতটুকু লাগে ব্যবহার করবেন। ড্রাই, আর নরমাল স্কিনের কিন্তু পোয়া বার! আপনাদের জন্য এই ভারী ভিটামিন ই তেল কম খরচেই লাক্সারিয়াস বিউটি ট্রিটমেন্টের রেজাল্ট দেবে… so, go crazy!
(১) ভিটামিন ই স্কিন সিরাম-
দি বডি শপ এর একটা ভিটামিন ই ফেসিয়াল সিরাম আছে। বাজি রেখে বলতে পারি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যদি আপনি ত্বকে ব্যবহার করেন তবে বডি শপের সিরামের মতই রেজাল্ট পাবেন। ড্রাই আর নরমাল স্কিনের অধিকারীরা ভিটামিন ই তেল ত্বকে ফোঁটা ফোঁটা লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে বসিয়ে দিন। আর তৈলাক্ত ত্বকের পাঠকরা, আপনাদের জন্য তেলটা খুবই ভারী হবে। তাই মাত্র এক ফোঁটা তেল প্রথমে দুই হাতে নিয়ে ঘষুন, এরপর হাত দুটো মুখে ৫ সেকেন্ড চেপে ধরুন। হয়ে গেল আপনার সিরাম লাগানো। এভাবে ভিটামিন ই ব্যবহার করলে আপনার আর অন্য কোন নাইট ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারের দরকার পড়বে না। আর এই টিপসে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন একটু বয়স্করা। কারণ আপনাদের ত্বকের ফাইন লাইন দূর করতে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে।
(২) ভিটামিন ই হেয়ার সিরাম-
চুল পড়ে যাওয়া বন্ধ করতে আর রিবনডেড বা কালারড চুলের যত্নে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে। বেশি উপকার পেতে ২-৩ টি ক্যাপসুল ভেঙ্গে ভারী তেলটা একটা পাত্রে নিয়ে স্ক্যাল্প আর চুলে লাগিয়ে নিন। সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার মনে হয় এই ট্রিটমেন্টটা আপনার জন্য বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে, শ্যাম্পু করলে যাচ্ছে না তবে এক টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে ১ টা ক্যাপসুল ভেঙ্গে ব্যবহার করুন। খুব সহজে শ্যাম্পু করতে পারবেন।
(৩) ভিটামিন ই নাইট ক্রিম-
জানি ১ম টিপস টা ট্রাই করতে অনেকেই ভয় পাবেন। কারণ ফেসিয়াল অয়েল জিনিসটা এখনও এদেশে তেমন জনপ্রিয় না। তাদের জন্য এই টিপস। আপনার পছন্দের নাইট ক্রিম বা হালকা বেবি ক্রিম নিন। এবার এই কৌটায় ১-২ টি ক্যাপসুলের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই ক্রিম রেগুলার ব্যবহারে আপনি এক্সট্রা ভিটামিন ইর গুণটা পাবেন। একই ভাবে আপনার প্রিয় বডি লোশনেও ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
(৪) কনুই আর হাঁটুর জেদি কালো দাগ দূর করতে-
দীর্ঘদিনের পুরনো স্কিন ড্যামেজের দাগ দূর করতে ভিটামিন ইর কোন তুলনা নেই। আপনার কনুই আর হাঁটুতে যদি এমন দাগ থাকে তবে রেগুলার ১ টা ক্যাপসুলের তেল নিয়ে বা মুখে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত যে তেলটুকু বাকি থাকে তা কনুই আর হাঁটুতে লাগান। ২-৩ সপ্তাহের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন!
(৫) মসৃণ, গোলাপি ঠোঁট পেতে-
মুখে, হাতে পায়ে লাগিয়ে যেটুকু তেল থাকবে সেই তেলের ফোঁটাটা ঠোঁটে ভালো ভাবে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কালো , ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। আপনার পছন্দের লিপবাম বা ভ্যাস্লিনের সাথে ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে সেটাও রেগুলার ব্যবহার করতে পারেন।
(৬) চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে-
অনেকেই আছেন যারা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে খাটি বাদাম তেল ব্যবহার করেন। তার সাথে যদি ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে নেন তবে খুবই কম সময়ে ভালো ফল পাবেন। সাজগোজে এর আগে ভিটামিন ই তেল দিয়ে অ্যান্টি ডার্ক সার্কেল সিরাম রেসিপি দিয়েছিলাম। সেটাও ফলো করতে পারেন।
(৭) অনেক পুরনো কাটা দাগ অথবা ব্রনের দাগ দূর করতে-
আপনার ত্বকে যদি অনেক পুরনো কাটা দাগ, ব্রনের দাগ বা পক্সের দাগ থাকে তবে রেগুলার সেই দাগে এক-দুই ফোঁটা করে ভিটামিন ই তেল লাগিয়ে রাখুন। ধীরে ধীরে একটু হলেও দাগটা হালকা হবে। এধরনের দাগ হালকা করতে ভিটামিন ই তেল খুবই কার্যকরী।
এগুলো স্কিন আর হেয়ার কেয়ারে তথা রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহারের কিছু ফুলপ্রুফ ওয়ে । এতে করে কিছু না বুঝে শুনে ক্যাপসুল না খেয়ে ভিটামিন ই এর উপকার আপনি পাবেন। আর যদি খেতেই চান তবে ক্যাপসুল না খেয়ে ভালো সুষম খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ই শরীরে দেয়ার চেষ্টা করুণ। শাক সবজি, বাদাম, ডিম ইত্যাদি বেশি করে খান। ত্বক আর চুল তো ভালো থাকবেই আর কোন এক্সট্রা ঝুঁকিও নিতে হবে না।
সংক্ষেপে দেখুনCircle ftp থেকে Movie ডাউনলোড করতে কোন Server ব্যবহার করবো?
এই উত্তরে আমি circle ftp থেকে মুভি ডাউনলোড অথবা live tv দেখার জন্য আপনাদের সাথে এমন একটি App টি নিয়ে কথা বলবো যার মাধ্যমে আপনারা Proxy server ব্যবহার করতে পারবেন অনেক সহজে এবং আরো অনেক ফিচারস তো থাকছেই। App Name : Adguard (Version : 4.0.79) আগেই বলে রাখি এই ভার্সনটিই Install করবেন অন্যটি না। অবশ্যইবিস্তারিত পড়ুন
এই উত্তরে আমি circle ftp থেকে মুভি ডাউনলোড অথবা live tv দেখার জন্য আপনাদের সাথে এমন একটি App টি নিয়ে কথা বলবো যার মাধ্যমে আপনারা Proxy server ব্যবহার করতে পারবেন অনেক সহজে এবং আরো অনেক ফিচারস তো থাকছেই।
App Name : Adguard (Version : 4.0.79)
আগেই বলে রাখি এই ভার্সনটিই Install করবেন অন্যটি না। অবশ্যই Mod version টি Install করবেন তা না হলে Unlimited Access পাবেন না।
এবার আমি Step By Step বলে দিচ্ছি কিভাবে যেকোনো Proxy Set up করবেন এবং কিভাবে Circleftp তে Access পাবেন।
(১) App টি Open করুন।
(২) VPN টি On করুন। Protection disable করা থাকবে আপনি enable করুন।
(৩) বাম দিকে টান দিন। অথবা উপরে বাম দিকের Menu Icon এ ক্লিক করুন।
(৪) এরপর Settings এ ক্লিক করুন।
(৫) এরপর Network এ ক্লিক করুন।
(৬) এরপর Proxy তে ক্লিক করুন।
(৭) এরপর Add Proxy Server এ ক্লিক করুন।
(৮) এরপর প্রথমেই Profile Name দিন আপনার ইচ্ছামতো। আমি Circleftp ই দিলাম।
(৯) এরপর Proxy Type দিন Socks4। উল্লেখ্যঃ এখানে আপনি যেকোনো Proxy Set up করতে পারবেন যেমনঃ HTTP, Socks4, socks5, HTTP_CONNECT।
(১০) এবার আপনি যে proxy তে connect করতে চান সেই ip টা দিন proxy host এ। আপনি যে proxy তে কানেক্ট করবেন সেটার ip address টাই এখানে দিবেন।
আমি circleftp এর ip টা দিয়ে দিচ্ছিঃ 202.136.88.68
এটা আপনারা কপি করে Paste করে দিন।
(১১) এরপর Port দিন 1080। উল্লেখ্যঃ সবসময় port এক হবে না। মানে আপনি অন্য কোনো server এ কানেক্ট করলে আপনি সেই Port টাই দিবেন।
(১২) এরপর Save and Select এ ক্লিক করুন। ব্যাস এবার আপনি
Circleftp.com এখানে যান এবং দেখতে পাবেন সেখানে আপনি Access পেয়ে গিয়েছেন।
আমি আপনাকে Screenshot এর মাধ্যমে প্রমান দিয়ে দিচ্ছিঃ
যখন Proxy Enable করে Connect করে ঢুকেছি তখনঃ
যখন Proxy/Adguard Disconnect করা ছিল (Notification Pannel এ দেখুন Connect করা নেই)
এছাড়াও এটি যেহেতু একটি Adblocker App তাই আপনি চাইলে এটি সবসময় Enable করে রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার Browser এবং অন্য যেকোনো 3rd party app গুলোর Ads এই App Block করে রাখবে।
এছাড়াও আপনি চাইলে যেকোনো Individual App এর Ads Block করে রাখতে পারবেন। এর জন্যে আপনি Menu Option এ ঢুকে App Management এ ক্লিক করুন। এবং সেই app এর সকল data traffic এর statistics আপনি দেখতে পাবেন। firewall এ গিয়ে আপনি App টির Cellular Data, Wifi Connection, Off screen এ Data/Wifi Connection, Firewall notifications সবকিছুই বন্ধ করে দিতে পারবেন।
এক কথায় App টির internet access আপনার হাতের মুঠোয়। এর মানে আপনি যেকোনো App এরই Internet Access বন্ধ করে দিতে পারবেন আপনার ইচ্ছামতো।
এছাড়াও আপনি যদি Menu তে গিয়ে Filtering Log এ ঢুকেন তবে আপনি দেখতে পারবেন অদ্ভুত কিছু কর্মকান্ড। এটি আপনার ডিভাইসে থাকা web traffic দেখাবে বিভিন্ন colour এর মাধ্যমে।
green colour অর্থাৎ সবুজ রঙের মানে হচ্ছে whitelisted events গুলো, red colour অর্থাৎ লাল রঙের মানে হচ্ছে ঐসব কাজ যেগুলো Adguard এর মাধ্যমে করা হচ্ছে মানে যে Traffic গুলো adguard ব্লক করেছে। আর yellow অর্থাৎ হলুদ রঙের মানে হচ্ছে যে কাজগুলো adguard নিজে Modify করেছে।
এছাড়াও আপনি চাইলে আরো অনেক কিছুই করতে পারবেন। Block & Unblock ও করতে পারবেন সেগুলো।
এরপর আপনি চাইলে Content Blocking ও করতে পারবেন। Youtube Vanced এ থাকা Promotion, Self promotion, Sponsored Ads সহ ইত্যাদি Ads যেগুলো Block করার Option রয়েছে এর মাধ্যমে আপনি সেগুলোই করতে পারবেন।
এখানে রয়েছে Adguard DNS filter, Adguard Experimental Filter, Filter Unblocking search ads and self promotion। এছাড়াও আছে Custom Filter, cookies blocking থেকে শুরু করে আরো ১২ ধরনের Blocking System।
এছাড়াও Privacy এবং Social এ আলাদা ভাবে আছে ১০ টি Filter। এছাড়াও আছে Stealth Mode যার মাধ্যমে আপনি Ultimate Tracking protection পাবেন যেকোনো Browser এ।
তাছাড়া DNS Filtering তো আছেই। এবং আছে Malware Protection। এছাড়াও আপনি চাইলে আরো Extensions Add করতে পারবেন।
অনেকেই আছেন যারা Adguard কে চিনেন বা নাম শুনেছেন কিন্তু এত কিছু করতে পারে জানতেন না। তারা অবশ্যই এই App টিকে Try করে দেখবেন।
আশা করছি ট্রিকটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। এই Same Trick Follow করে আপনারা যেকোনো HTTP, socks4, socks5 ip connect করতে পারবেন।
যদি পোস্টটি ভালো লেগে থাকে তবে আমাকে অবশ্যই জানাবেন। যারা জানতেন না তাদের কাজে লাগলে একটি ধন্যবাদ তো Must!
সংক্ষেপে দেখুনNeed Sonar Tori Kobita MCQ for HSC in PDF Format
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি। সোনার তরী কবিতার mcq pdf ১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল? ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা ২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গবিস্তারিত পড়ুন
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ
আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি।
সোনার তরী কবিতার mcq pdf
১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল?
ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা
২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গর্জন করার কথা বলা হয়েছে?
ক. পূর্বাকাশে, খ. পশ্চিমাকাশে, গ. আকাশ জুড়ে, ঘ. হিংস্র হয়ে
৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?
ক. ৫টি, খ. ৩টি, গ. ২টি, ঘ. ৪টি
৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কূলে একা কে বসে আছে?
ক. কৃষক, খ. শ্রমিক, গ. জমিদার, ঘ. ভিক্ষুক
৮। ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?
ক. ব্যবচ্ছেদ করে, খ. সুবিন্যস্ত করে, গ. এলোমেলো করে, ঘ. বিচ্ছিন্ন করে
৯। সোনার ধান নিয়ে তরী কোথায় চলে যায়?
ক. নদীতে, খ. সাগরে, গ. মোহনায়, ঘ. অজানা দেশে
১০। ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. তীব্র ভ্রকুটি, খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা, গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত, ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো
১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?
ক. বীরবল, খ. যাযাবর, গ. জগৎশেঠ, ঘ. ভানুসিংহ
১২। ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা, খ. গাছ হতে প্রস্তুতকৃত কলমের কালি, গ. গাছগুলোতে মেঘের যে ছায়া পড়েছে, ঘ. নদীতীরের অনিদ্য সুন্দর বৃক্ষরাজি
১৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?
ক. কৃষক, খ. মাঝি, গ. তরী, ঘ. ছোট খেত
১৪। কোন পঙক্তিতে মাঝির অপরিচয়ের নির্বিকারত্ব ও নিরাসক্তি ফুটে উঠেছে?
ক. ভরা পালে চলে যায়, খ. কোনো দিকে নাহি চায়, গ. দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে, ঘ. গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে
১৫। সোনার তরীতে কেন কৃষকের ঠাঁই হলো না?
ক. তরীটা ছিল অত্যন্ত ছোট, খ. মাঝিটি ছিল খুব নিষ্ঠুর, গ. কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল, ঘ. সোনার তরীতে স্থান করে নেয়ার ব্যাপারে কৃষক উদাসীন ছিল
১৬। মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
ক. ক্ষুরধারা, খ. খরপরশা, গ. মেঘ, ঘ. কূল
১৭। কৃষক কিংবা কবির নি:সঙ্গ অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটির মাধ্যমে?
ক. আমি, খ. আমি একেলা, গ. খরপরা, ঘ. থরে বিথরে
১৮। মাঝি মূলেতে তরী ভিড়ালো কেন?
ক. ফসলের জন্য, খ. কবির জন্য, গ. বৃষ্টি নামানোর জন্য, ঘ. স্রোতের জন্য
১৯। কৃষক সোনার ফসল মহাকালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে চায় –
ক. কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য, খ. মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য, গ. মাঝিকে ভালো লাগার জন্য, ঘ. ইহকালে শান্তিতে বসবাসের জন্য
২০। নির্বিকার মাঝিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃষক চেষ্টা করেছেন –
ক. তার সাথে পরিচয় পাওয়ার জন্য, খ. তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য, গ. তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য, ঘ. তাকে নদী পার করার জন্য
এবার উত্তরগুলি মিলিয়ে নাও…

সংক্ষেপে দেখুন12th English Poem Appreciation pdf Free Download
12th english poem appreciation pdf When appreciating poems in the 12th-grade English curriculum, it is essential to delve into the intricate details that make each piece unique. Understanding the nuances of language, themes, and literary devices employed by the poets can enrich your experience and iবিস্তারিত পড়ুন
12th english poem appreciation pdf
When appreciating poems in the 12th-grade English curriculum, it is essential to delve into the intricate details that make each piece unique. Understanding the nuances of language, themes, and literary devices employed by the poets can enrich your experience and interpretation of the poems. In this article, we will explore the appreciation of poems in the 12th-grade English syllabus, providing insights and analysis to help you grasp the depth and beauty of these literary works.
The 12th-grade English curriculum includes a diverse selection of poems that cover a wide range of themes and styles. From classic poets to contemporary voices, each poem offers a glimpse into different aspects of the human experience. By delving into the appreciation of these poems, students can develop a deeper understanding of language, imagery, and symbolism.
One of the key aspects of poem appreciation is analyzing the poet’s use of language. Paying attention to the choice of words, the rhythm of the lines, and the overall structure of the poem can reveal the poet’s intentions and emotions. By closely examining the language used in each poem, students can uncover layers of meaning and appreciate the artistry behind the words.
Another important element of poem appreciation is identifying and interpreting literary devices. Poets often use techniques such as metaphor, simile, personification, and symbolism to convey complex ideas and emotions. By recognizing these devices and understanding how they contribute to the overall meaning of the poem, students can gain a deeper appreciation for the craft of poetry.
In addition to language and literary devices, themes play a crucial role in poem appreciation. Exploring the themes present in each poem can provide valuable insights into the human condition, society, nature, and more. By reflecting on the themes explored by different poets, students can broaden their perspectives and deepen their appreciation for the diversity of human experiences.
Overall, the appreciation of poems in the 12th-grade English curriculum offers students a rich and rewarding opportunity to engage with the beauty and complexity of poetry. By analyzing language, literary devices, and themes, students can develop critical thinking skills, enhance their understanding of literature, and cultivate a lifelong love for poetry.
In conclusion, the 12th-grade English curriculum presents a treasure trove of poems waiting to be explored and appreciated. By immersing yourself in the language, imagery, and themes of these poems, you can unlock new insights, emotions, and perspectives that will enrich your literary journey. So, dive into the world of 12th-grade English poems and discover the magic and power of poetry.
সংক্ষেপে দেখুনWrite An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points
Here is the appropriate answer for the question: Write An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points Answer: Appreciation of the Poem "Cherry Tree" by Ruskin Bond About the poem, poet, and title: Showing a lot of reflection in author Ruskin Bond’s poem called "Cherry Tree," the titleবিস্তারিত পড়ুন
Here is the appropriate answer for the question: Write An Appreciation Of The Poem Considering The Following Points
Answer:
Appreciation of the Poem “Cherry Tree” by Ruskin Bond
About the poem, poet, and title:
Showing a lot of reflection in author Ruskin Bond’s poem called “Cherry Tree,” the title indicates how it deals with natural world, especially life cycle of cherry tree.
Theme/summary/gist of the poem:
Due to the fact that it is written by a poet, it can be understood as a poem about nature. As a cherry seed grows into an adult tree and overcomes challenges, the narrator tells his or her story of how he or she did the same. It signifies life’s beauty and growth through patience.
Poetic style/language, poetic devices used in the poem:
Bond’s language is plain but powerful, giving peaceful miracles of nature. He uses visual descriptions to make the tree germination visible and images that symbolize staying alive in adverse circumstances.
Special features/novelties/focusing elements:
The poem brings out the beauty of life and development starting from small beginnings. As it blossoms despite the odds, the cherry tree represents hope and passage of time.
Message/values/morals in the poem:
In other words, the poem inculcates patience and also points out that nurturing life is beautiful. Furthermore, it teaches how joyful it can be to witness something growing from nothing. Also, it prompts us to realize the importance of appreciating small miracles within nature which are often neglected.
Your opinion about the poem:
Whether one is a nature lover or not, Ruskin Bond’s “Cherry Tree” is a poem whose beauty and inspiration can resonate with anyone. This makes it worth reading, as Ruskin Bond’s mastery in imparting profound life lessons through common everyday incidents makes the poem unforgettable.
সংক্ষেপে দেখুনমানুষ কখন ও কেন কথা বলতে শিখলো? কী বলেছিল প্রথমে?
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
সংক্ষেপে দেখুনতুরস্ক দেশের নাম পরিবর্তন করে তুর্কিয়ে কেন করা হয়েছে ?
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ 'তুর্কিয়ে' নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে 'তুর্কিয়ে' রাখার প্রচারণা শুরুবিস্তারিত পড়ুন
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ‘তুর্কিয়ে‘ নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে ‘তুর্কিয়ে‘ রাখার প্রচারণা শুরু করেন।
সংক্ষেপে দেখুনখ্রিস্টান ধর্ম কখন এবং কেন খতনা প্রথা ত্যাগ করেছে?
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা ভাষায় এত ফারসি শব্দ কীভাবে এলো?
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
সংক্ষেপে দেখুনআরব বিশ্বের বাইরে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে ?
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি - যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি – যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
সংক্ষেপে দেখুনজানেন কি যে বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। রহস্য কি ?
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
সংক্ষেপে দেখুন৩০শে ফেব্রুয়ারি – যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল কবে?
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার '৩০ ফেব্রুয়ারি' এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে '৩০ ফেব্রুয়ারি' দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনইতালিতে কমলা দিয়ে লড়াইয়ের উৎসবের ইতিহাস কি ?
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ' বা `ফুড ফাইট', যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ’ বা `ফুড ফাইট’, যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
সংক্ষেপে দেখুনপারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে কত বছর সময় লেগেছিল ?
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
সংক্ষেপে দেখুনকবে থেকে বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দের আধিপত্য শুরু হয় ?
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
সংক্ষেপে দেখুন