সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আজ দেশের কোন মার্কেট বন্ধ আর রাজধানীর কোন মার্কেট খোলা?
ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়। শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়বিস্তারিত পড়ুন
ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়।
শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ
এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিন-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালী থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঙ্খারপুল, গুলিস্থানের দক্ষিণ অংশ।
মার্কেটের নাম: বাংলাবাজার বইয়ের দোকানগুলো, ফরাশগঞ্জ কাঠের আড়ত, শ্যামবাজার কাঁচামালের পাইকারি বাজার, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, আলম সুপার মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, কাপ্তান বাজার, ঠাটারিবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, চকবাজার, মৌলভীবাজার, ইমামগঞ্জ মার্কেট, বাবুবাজার, নয়াবাজার, ইসলামপুরের কাপড়ের বাজার, পাটুয়াটুলী ইলেকট্রনিকস ও অপটিক্যাল মার্কেট, নয়ামাটি এক্সেসরিস মার্কেট, শরিফ ম্যানশন, ছোট ও বড় কাটরা পাইকারি মার্কেট, বেগমবাজার, তাঁতীবাজার, নবাবপুর রোড ও নর্থসাউথ রোডের দোকানপাট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট ও সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেট।
রোববার পূর্ণ ও সোমবার অর্ধ দিবস বন্ধ
এলাকার নাম: আগারগাঁ, তালতলা, শেরে বাংলা নগর, শ্যাওড়া পাড়া, কাজী পাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুখেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএসএইচ, ওল্ড ডিওএসএইচ, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলসান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁ, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ, সানারপাড়।
মার্কেটের নাম: এসকল এলাকার মার্কেটগুলো রোববার পুরোদিন ও সোমবার অর্ধেক দিন বন্ধ থাকে। উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিসিএস কম্পিউটার সিটি, পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ ও ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।
মঙ্গলবার পূর্ণ ও বুধবার অর্ধদিবস বন্ধ
এলাকার নাম: কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কাওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতান: হাতিরপুল বাজার, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, গ্রিন সুপার মার্কেট, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, সৌদিয়া সুপার মার্কেট, সেজান পয়েন্ট, লায়ন শপিং সেন্টার, নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট,
নিউ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক, নূর ম্যানশন, বাকুশাহ মার্কেট, ইসলামিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, ইস্টার্ন মল্লিকা, গ্লোব শপিং, বদরুদ্দোজা মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আযম মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, রাইফেল স্কয়ার, এআরএ শপিং সেন্টার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মমতাজ প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, অর্কিড প্লাজা, কেয়ারি প্লাজা, আনাম র্যাংগস প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, কাব্যকস সুপার মার্কেট ও কিচেন মার্কেট।
বুধবার পূর্ণ দিবস ও বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস বন্ধ
এলাকার নাম: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলখেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।
মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো: লুত্ফন শপিং টাওয়ার, হাকিম টাওয়ার, হল্যান্ড সেন্টার, নুরুন্নবী সুপার মার্কেট, সুবাস্তু নজরভ্যালি, যমুনা ফিউচার পার্ক, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, রাজউক সেন্টার, একতা প্লাজা, মান্নান প্লাজা, বন্ধন প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমীর কমপ্লেক্স, মাসকাট প্লাজা, এস আর টাওয়ার, পুলিশ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও রাজউক কসমো।
বৃহস্পতিবার পূর্ণ ও শুক্রবার অর্ধদিবস বন্ধ
এলাকার নাম: মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরেরপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
মার্কেটের নাম: মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআড়টিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কর্পোরেট মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইং টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মারকেত-১, এবং ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খাদ্দার মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মুকাররম মার্কেট, আজিজ কোওপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
সংক্ষেপে দেখুনগ্রামের বাড়িকে কেন দেশের বাড়ি বলা হয়?
এটা কখনো, কখনো, শোনা যায়। গ্রাম আর দেশ এর সংজ্ঞা ভিন্ন, ভিন্ন। তথাপি, দেশের মাঝে থেকেই, নিজের গ্রামের বাড়ী কে, দেশের বাড়ী বলার একটা চল দেখা যায়। একটি বড় শহরাঞ্চলের ভৌগলিক আয়তনের তুলনায়, জনবসতির তুলনায়, গ্রামের সীমানা ছোট থাকে। জনজীবনে ও শহরের তুলনায়, গ্রামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। পরিসরগতবিস্তারিত পড়ুন
এটা কখনো, কখনো, শোনা যায়।
গ্রাম আর দেশ এর সংজ্ঞা ভিন্ন, ভিন্ন। তথাপি, দেশের মাঝে থেকেই, নিজের গ্রামের বাড়ী কে, দেশের বাড়ী বলার একটা চল দেখা যায়।
একটি বড় শহরাঞ্চলের ভৌগলিক আয়তনের তুলনায়, জনবসতির তুলনায়, গ্রামের সীমানা ছোট থাকে। জনজীবনে ও শহরের তুলনায়, গ্রামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে।
পরিসরগত কারণে, গ্রামের লোকজনের মাঝে যে সম্পর্কের নৈকট্য বা পরিচিতি সৃষ্টি হয়, সেটা খুবই সঙ্গত কারণেই শহরের মাঝে সম্ভব হয় না। কারণ, শহরের জীবনে, সারাদিনের নানাবিধ ব্যস্ততা, একটা প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
গ্রামে, প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের চেনা, জানা, নিজের গ্রামের প্রতিটা রাস্তা, প্রতিটা বাড়ী, ঘর, এমন কী প্রতিটি বাড়ীর খবর জানার সুবাদে, নিজের গ্রাম, নিজের মনের মাঝে একটা বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, তার কাছে, হারিয়েই যায় দেশের সংজ্ঞা, দেশের সীমানা,
ছোটবেলা থেকেই গ্রামের আকাশ, বাতাস, গাছগাছালি, পাখির ডাক, পুকুরঘাট, নাট মন্ডপ, যাত্রা পালা, পালা কীর্তনের আসর, এসবের সাথে শৈশব যে নিবিড় সম্পর্ক রচনা করে দেয়, সে সম্পর্কের ভিত, পাথর, সিমেন্ট, এসবের চাইতেও অনেক বেশী ক্ষমতাশালী।
ফলে, সে সম্পর্ক, দেশ সম্পর্কে আলাদা করে ভাবার সুযোগই দেয় না,
তাই, নিজের গ্রামই হয়ে উঠে, নিজের দেশ।
সংক্ষেপে দেখুনজাপানীরা দীর্ঘায়ু হয় কেন এবং কিভাবে?
জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক। একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়বিস্তারিত পড়ুন
জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক।
একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণ করে বিষয়টা এমন না। বরং তাদের জীবনযাপনের নিয়ম কানুন, অভ্যাস সব মিলিয়েই তাদের সুস্বাস্থ্য।
মোটা জাপাানী খুঁজে পাওয়া কঠিন;
জাপানের ওকিনোয়া দ্বীপের নাগরিকদের গড় আয়ু ৮৪ নয়, বরং বেশিরভাগ মানুষ এখানে শতবর্ষ পার করেছেন। এই দ্বীপকে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য ল্যান্ড অফ ইমমর্টালস’।
জাপানীরা তিনটি আদর্শ মেনে চলে। তারা প্রচুর হাঁটাহাঁটি করে, জীবনযাত্রায় সাইকেলের ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। অফিস আদালত, স্কুল কলেজে যাবার ক্ষেত্রে এই দুটি মাধ্যমকেই তারা বেছে নেয়। জেনে অবাক হতে হয়, জাপানে ৭২মিলিয়ন মানুষ বাইসাইকেল ব্যবহার করে নিয়মিত এবং বাইসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্কের পরই জাপানের নাম উঠে আসে। এছাড়া, তারা সবসময় পরিমিত পরিমাণ খাবার খায়। ছুটি উদযাপনেও পাহাড় ডিঙানো বা হাইকিং তাদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয়।
সংক্ষেপে দেখুন