ইলুমিনাতি : ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারীয় ইলুমিনাতি, একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে আডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, "অন্যায়েরবিস্তারিত পড়ুন
ইলুমিনাতি :
ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারীয় ইলুমিনাতি, একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে আডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, “অন্যায়ের প্রবর্তকদের ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটানো, তাদের উপর কর্তৃত্ব না করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা।” সমাজ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ ভেবে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ব্যাভারিয়ার তৎকালীন শাসক চার্লস থিওডোর তাঁর শাসিত অঞ্চলের সকল গুপ্ত সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। ১৭৮৫ সালের ২ মার্চ এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়। আডাম পালিয়ে যান আর ইলুমিনাতির প্রচুর গোপন নথিপত্র সরকারের হাতে এসে যায়, এবং দু’বছর বাদে সরকার সেগুলো প্রকাশ করে দেয়।



অ্যাডলফ এবং রুডলফ। কিন্তু তাদের মধ্যে সম্পর্কের লড়াই শুরু হয় বিধায় দুজন আলাদা দুটি জুতার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।



জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ? জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী। জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এবিস্তারিত পড়ুন
জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ?
জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী।
জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এলো ব্লু জিন্স। জ্যাকব ডেভিস ও লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কোং ব্লু জিন্সের অফিশিয়াল পেটেন্ট পেলেন। তারাই মূলত এই ছোট একখানি পকেট রেখে দিলেন।
এই ছোট পকেটটি রাখার পেছনে কারণ কি থাকতে পারে? লেভি স্ট্রস কোং জানায়, চেইন ঘড়ি রাখার জন্য বিশেষায়িত এই পকেট রাখা হয়। তখন ওয়েস্টের কাউবয়রা চেইন ঘড়ি ব্যবহার করতেন। সেটা রাখতে হতো ওয়েস্টকোটে। দৌড়ঝাপে মত্ত কাউবয়দের ঘড়িটাই বেশি নষ্ট হতো। তাদের এই ঘড়ি সুরক্ষিত রাখতেই ১৮৭৯ সালে প্রথম এই পকেট চলে আসে। ব্যাস। আর চেইন ঘড়ি ভাঙে না।
এখন জিন্সের এই ছোট পকেট আছে। তবে কাউবয় নেই। তারপরও ছোট পকেটের কিছু না কিছু কাজ তো হয়।
সংক্ষেপে দেখুন