লাইগার পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। টাইগন পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)বিস্তারিত পড়ুন
লাইগার
পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী।
টাইগন
পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)। মা সিংহীর কাছ থেকে পাওয়া ছোট ছোট স্পট আর বাবা বাঘের কাছ থেকে পাওয়া হালকা ডোরা কাটা দাগ এদের শরীরে দেখতে পাওয়া যায়। এক বিশেষ জিনগত কারণে টাইগন রা বাঘ বা সিংহের তুলনায় ছোট হয়।











এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়। ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয়বিস্তারিত পড়ুন
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়।

ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয় তাদের জীবদ্দশায়।
সত্যি বলতে এমন কোন পাখি নেই যারা জীবদ্দশায় শুধুমাত্র একবার ডিম দেয়।
সংক্ষেপে দেখুন