সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
মিনারেল নাকি সিনথেটিক: গাড়িতে কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল বেশি কার্যকরী?
গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলবিস্তারিত পড়ুন
গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলের বিভিন্ন রকম সুবিধা অসুবিধা থাকে। সেসব ভালোমন্দ বিবেচনা করেই গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ। তার আগে এই বিভিন্ন রকম ইঞ্জিন অয়েল সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মিনারেল অয়েল
প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন অপরিশোধিত তেলকে পরিশোধনের পর যদি গাড়ির ইঞ্জিন চালনার জন্য ব্যবহার করা হয় তাহলে সেগুলোকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল বলা হয়। মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলে কোনো ধরণের কেমিক্যাল যোগ করা হয় না। প্রাকৃতিক ভাবে যে তেল পাওয়া যায় সেটিই শুধু পরিশোধন করে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত ক্রুড অয়েল থেকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়।
সিনথেটিক অয়েল
গাড়ির ইঞ্জিনের সেরা এবং সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স নিশ্চিত করার জন্য যেসব তেল উচ্চমাত্রার পরিশোধিত এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক কেমিক্যাল যুক্ত করে তৈরি করা হয়ে থাকে সেগুলোকে সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। সিনথেটিক ওয়েলে যেসব কেমিক্যাল যুক্ত করা হয় সেগুলো ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুক্ত করা হয়ে থাকে।
সেমি সিনথেটিক অয়েল
সেমি সিনথেটিক বলতে সিনথেটিক এবং মিনারেল অয়েলের মিশ্রণকে বুঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ যেসব ইঞ্জিন অয়েলে একই সাথে প্রাকৃতিক এবং সিনথেটিক ওয়েল দুটোই থাকে সেগুলোকে সেমি সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। মূলত মিনারেল অয়েলের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য তার সাথে সিনথেটিক অয়েল যুক্ত করে সেমি সিনথেটিক অয়েল তৈরি করা হয়ে থাকে। তবে এই দুই ধরণের অয়েলের মিশ্রনের অনুপাতে সিনথেটিক অয়েলের পরিমান সর্বোচ্চ ৩০% । বাকি ৭০ ভাগ মিনারেল অয়েল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য কোন ধনের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা বেশি ভাল এবং যুক্তিযুক্ত। দাম, ব্যবহার উপযোগিতা, কার্যকরণ বিভিন্ন কারণে একেকজন একেক ধরণের তেল ব্যবহার করে থাকেন। কোন ধরণের তেলের কী কী সুবিধা-অসুবিধা, ভালোমন্দ তা যাচাই করে; তবেই গাড়ির জন্য ইঞ্জিন অয়েল নির্বাচন করা উচিৎ।
মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলের সুবিধা অসুবিধা
সুবিধা
অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েলের সুবিধা অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েল এমন এক ধরণের জ্বালানি যা গাড়ির ইঞ্জিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। ফলে গাড়িতে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। এইসকল সুবিধার জন্য অনেক গাড়ি চালকই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার দিকে ঝুকছেন।
সুবিধা
সিনথেটিক অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার সাথে সাথেই কাজ করা শুরু করে। যেখানে মিনারেল অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার পর পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও গাড়ির পার্টস ভাল রাখতে এবং ইঞ্জিনের নকিং বন্ধ করতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলের সুনাম রয়েছে। নিচে সিনথেটিক অয়েলের আরো কিছু সুবিধা দেয়া হলো
অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েলের যেমন সুবিধা আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।
কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন?
আপনার গাড়ির ব্যবহার এবং পরিবেশের উপর তেলের ব্যবহার অনেকখানি নির্ভর করে থাকে।
যাদের সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার ইচ্ছা আছে কিন্তু দামের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই তেল কিনতে পারেন না। তারা সেমি সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে কম দামেও তেল ব্যবহার করে ইঞ্জিনের যত্ন নেয়া সম্ভব। সিনথেটিক অয়েল গাড়ির কার্যকারিতা বাড়ায় তাতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও গাড়িতে ভেইকেল ট্র্যাকিং ডিভাইস প্রহরী থাকলে এর মাধ্যমে সহজেই আপনি আপনার গাড়ির ফুয়েল মনিটরিং করতে পারবেন মোবাইলের মাধ্যমেই। তাই তেল চুরির ভয় নেই। তেল অপচয় ও ঠেকানো সম্ভব। তাই দাম বেশি হলেও, সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করে তখন খরচ কিছুটা হলেও কমানো যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনজিন্স প্যান্টের পকেটের উপর ছোট্ট একটি পকেটে থাকে। জিন্স প্যান্টের এ ছোট্ট পকেটের কী কাজ?
জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ? জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী। জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এবিস্তারিত পড়ুন
জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ?
জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী।
জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এলো ব্লু জিন্স। জ্যাকব ডেভিস ও লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কোং ব্লু জিন্সের অফিশিয়াল পেটেন্ট পেলেন। তারাই মূলত এই ছোট একখানি পকেট রেখে দিলেন।
এই ছোট পকেটটি রাখার পেছনে কারণ কি থাকতে পারে? লেভি স্ট্রস কোং জানায়, চেইন ঘড়ি রাখার জন্য বিশেষায়িত এই পকেট রাখা হয়। তখন ওয়েস্টের কাউবয়রা চেইন ঘড়ি ব্যবহার করতেন। সেটা রাখতে হতো ওয়েস্টকোটে। দৌড়ঝাপে মত্ত কাউবয়দের ঘড়িটাই বেশি নষ্ট হতো। তাদের এই ঘড়ি সুরক্ষিত রাখতেই ১৮৭৯ সালে প্রথম এই পকেট চলে আসে। ব্যাস। আর চেইন ঘড়ি ভাঙে না।
এখন জিন্সের এই ছোট পকেট আছে। তবে কাউবয় নেই। তারপরও ছোট পকেটের কিছু না কিছু কাজ তো হয়।
সংক্ষেপে দেখুন১০ সেকেন্ডের জন্য পৃথিবী থেকে অক্সিজেন উধাও হয়ে গেলে কি হবে?
অধিকাংশ মানুষই ৩০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া থাকলে তাদের শারীরবৃত্তীয় কোনো সমস্যা হয় না। ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকই থাকবে। কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্যই কেবল অক্সিজেন প্রয়োজনীয় নয়। কল্পনা করুন এই পৃথিবীতে অক্সিজেন অদৃশ্য হয়ে গেল। আজীবনের জন্য এমনটি হবে বলছি না। ধরুন মাত্র ৫বিস্তারিত পড়ুন
অধিকাংশ মানুষই ৩০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া থাকলে তাদের শারীরবৃত্তীয় কোনো সমস্যা হয় না। ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকই থাকবে। কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্যই কেবল অক্সিজেন প্রয়োজনীয় নয়।
কল্পনা করুন এই পৃথিবীতে অক্সিজেন অদৃশ্য হয়ে গেল। আজীবনের জন্য এমনটি হবে বলছি না। ধরুন মাত্র ৫ সেকেন্ডের জন্য। চিন্তামুক্ত! এ আর এমনকি, ৫ সেকেন্ডের জন্য দম বন্ধ করে রাখব। আপনি না হয় ৫ সেকেন্ডের জন্য দম বন্ধ করে রাখলেন। কিন্তু পরিবেশের ওপর এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
একটি সুন্দর গভীর শ্বাস নিন। বেঁচে আছেন? নিজেকে সন্তুষ্ট মনে হচ্ছে? আপনি বেঁচে থাকার জন্য শ্বাস নিতে গিয়ে যা গ্রহণ করছেন তাই অক্সিজেন। আমাদের বায়ুমণ্ডলে ২১ শতাংশ গ্যাস হলো অক্সিজেন। কিন্তু এটিই এই সবুজ গ্রহের সর্বাধিক গ্যাস নয়। এই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন, যার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ। তবে সবচেয়ে বেশি গ্যাস না হলেও আমাদের জন্য অক্সিজেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রহে অক্সিজেন না থাকলে গাছপালা, প্রাণী, মানুষ এমনকি পানিও থাকত না। আমরা যে খাওয়ার পানি খাই, পানির অপর নাম জীবন বলি, সেই পানি কিন্তু অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মিলিত যৌগ
হোয়াটইফে প্রকাশিত প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এই ৫ সেকেন্ডে পৃথিবীর চিত্র পুরো বদলে যাবে। অক্সিজেন কংক্রিটের বাঁধাই হিসেবে কাজ করে। যদি অক্সিজেন না থাকে, তবে কংক্রিট কেবল ধুলোমাত্র। অর্থাৎ অক্সিজেন যদি উধাও হয়ে যায়, ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই পৃথিবীর সব ছোট-বড় দালানকোঠা ধসে পড়বে। রক্ষা পাবে না অ্যাম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং থেকে ব্রুজ আল আরব, এমনকি ভেঙে পড়বে সেতু, ফ্লাইওভার, মেট্রো।
আপনি ভাবছেন এ সময় যদি সমুদ্রসৈকতে থাকেন। হয়তো বেঁচে যাবেন। দালানকোঠা নেই। আসলে তাতেও রক্ষা নেই। অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। অক্সিজেন না থাকলে পৃথিবী অত্যন্ত গরম হয়ে উঠবে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করার মতো আর কিছুই থাকবে না।
রোদে পুড়ে গিয়েও রক্ষা নেই। এ সময় আমাদের কানও ফেটে যাবে। এই বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ ২১ শতাংশ। অর্থাৎ অক্সিজেন না থাকা মানে বায়ুমণ্ডল বায়ুচাপ হারাবে ২১ শতাংশ, যা তাৎক্ষণিকভাবে সমুদ্রের ২০০ মিটার গভীরের চাপের সমান এবং আমাদের কান মানিয়ে নেয়ার সময় পাবে না। ফলে ৫ সেকেন্ডেই আমাদের শ্রবণশক্তি হারাতে হবে।
আগুন ধরার ক্ষেত্রে অক্সিজেনের ভূমিকা আমরা জানি। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন নেই তো আগুন নেই। যানবাহনে জ্বলন প্রক্রিয়াও ঘটবে না। বৈদ্যুতিক যানবাহন ছাড়া সব ট্রাক, গাড়ি রাস্তায় থেমে যাবে। আকাশ থেকে পাখির মতো বিমান পড়তে থাকবে।
আকাশ হয়ে যাবে সম্পূর্ণ অন্ধকার। সূর্যের আলো পৃথিবীপৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগে বায়ুমণ্ডলে একাধিক স্থানে বাউন্স হয়ে আসে। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন না থাকলে আলো বাউন্স করার উপাদান কম পাবে। ফলে আকাশ দেখাবে অন্ধকার।
এতক্ষণ তো বললাম বায়ুমণ্ডলের কথা। ভূত্বকের কী হবে? আমরা যেই ভূপৃষ্ঠে হেঁটে বেড়াই, গাড়ি চালাই, সাইকেল চালাই তা অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম এই আটটি প্রধান উপাদান দিয়ে গঠিত। আর এই আটটি উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে অক্সিজেন, যার পরিমাণ ৪৫ শতাংশ। তার মানে ভূপৃষ্ঠে অক্সিজেন না থাকলে প্রায় অর্ধেকই থাকবে না। ফলে মাটিতে দেখা দেবে ফাটল। আমরা সব পৃথিবী পৃষ্ঠের ভেতরেই হারিয়ে যেতে থাকব। ভূত্বকের উপরিভাগের নিচেই রয়েছে উত্তপ্ত লাভা। আসলে মানুষের বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না।
ভয় লাগছে? চিন্তা হচ্ছে? বায়ুমণ্ডলের ২১ শতাংশ অক্সিজেন থেকে একটা গভীর শ্বাস গ্রহণ করুন। জেনে রাখুন এমনটা কখনই ঘটবে না।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয় কত সালে?
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামক কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশে রেলপথ স্থাপন করে। ১৮৬২ সালের ১৫ই নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল যুগে প্রবেশ করে।
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামক কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশে রেলপথ স্থাপন করে। ১৮৬২ সালের ১৫ই নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল যুগে প্রবেশ করে।
সংক্ষেপে দেখুননেপালের রাজা জ্ঞানেন্দ্র ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন কখন?
নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদের ১ জুন ২০০১ সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন ২০০১ সালের ৪ জুন ।
নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদের ১ জুন ২০০১ সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন ২০০১ সালের ৪ জুন ।
সংক্ষেপে দেখুনএভারেস্ট শৃঙ্গ প্রথম জয় করা হয় কবে?
তেনজিং নোরগে ২৯ মে, ১৯১৪ - ৯ মে, ১৯৮৬ একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।. তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
তেনজিং নোরগে ২৯ মে, ১৯১৪ – ৯ মে, ১৯৮৬ একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।. তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
সংক্ষেপে দেখুনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে নূন্যতম কতটি ইলেকট্ররাল ভোটের প্রয়োজন হয়?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না হলেও ৫৩৮ (১০০ সিনেটর + ৪৩৫ রিপ্রেজেন্টেটিভ + ৩সদস্য ডিস্ট্রিস্ট অব কলাম্বিয়া) সদস্যের ইলেক্টোরাল কলেজের পছন্দের ওপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জয় - পরাজয়ের নির্ভর করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ জন ইলেক্টোরাল প্রতিনিধিবিস্তারিত পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না হলেও ৫৩৮ (১০০ সিনেটর + ৪৩৫ রিপ্রেজেন্টেটিভ + ৩সদস্য ডিস্ট্রিস্ট অব কলাম্বিয়া) সদস্যের ইলেক্টোরাল কলেজের পছন্দের ওপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জয় – পরাজয়ের নির্ভর করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ জন ইলেক্টোরাল প্রতিনিধি রয়েছে। কোনো প্রার্থীকে পেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭২ টি ভোট পেতে হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে আর্থিক বছরের সময়কাল হিসাব করা হয় কীভাবে?
বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়ের তেমন কোন পরিবর্তন হয় নি । সেই ব্রিটিশ ও জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, আর শেষ হয় জুন মাসে। সেই জন্য প্রতি বছর জুন মাস সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়। তাই বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়কাল জুলাই-জুন।
বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়ের তেমন কোন পরিবর্তন হয় নি । সেই ব্রিটিশ ও জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, আর শেষ হয় জুন মাসে। সেই জন্য প্রতি বছর জুন মাস সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়। তাই বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়কাল জুলাই-জুন।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস কবে?
২রা জুলাই
২রা জুলাই
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর মহাসাগর কয়টি ?
5 টি
5 টি
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের একমাত্র ভাষার দেশ হচ্ছে?
উত্তর কোরিয়া।
উত্তর কোরিয়া।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর দিনরাত সমান হয় কখন?
চলমান নিয়মেই প্রতি বছরই দুটি সময় পৃথিবীর ঘুরে আসে, যখন দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।
চলমান নিয়মেই প্রতি বছরই দুটি সময় পৃথিবীর ঘুরে আসে, যখন দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
এশিয়া
এশিয়া
সংক্ষেপে দেখুনআয়তনে বিশ্বের বড় জলপ্রপাতে নাম কী?
নায়াগ্রা
নায়াগ্রা
সংক্ষেপে দেখুনস্বাধীনতার পূর্বে পূর্ব তিমুর কোন দেশের অধীনে ছিল ?
পর্তুগাল
পর্তুগাল
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর মহাসাগরগুলোর নাম কী?
প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর , উত্তর মহাসাগর , এবং দক্ষিণ মহাসাগর
প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর , উত্তর মহাসাগর , এবং দক্ষিণ মহাসাগর
সংক্ষেপে দেখুনচালের পোকা কিভাবে দূর করবো? চালের কেরি পোকা কেন হয়?
চালের পোকা তাড়াবেন কী করে? শুকনো লঙ্কা: চালের পাত্রে ৭-৮টি আস্ত শুকনো লঙ্কা রেখে দিন। এতে চাল অনেক দিন পোকা মুক্ত থাকবে। দু’সপ্তাহ পরে পুরনো লঙ্কাগুলি সরিয়ে ফেলে নতুন লঙ্কা দিন। পুরনো লঙ্কা রান্নার কাজে ব্যবহার করে নিতেও পারেন। এতে পোকা দূরে থাকবে। এয়ারটাইট পাত্র: পলিথিন বা প্লাস্টিকের পাত্রে চাল রবিস্তারিত পড়ুন
চালের পোকা তাড়াবেন কী করে?
শুকনো লঙ্কা: চালের পাত্রে ৭-৮টি আস্ত শুকনো লঙ্কা রেখে দিন। এতে চাল অনেক দিন পোকা মুক্ত থাকবে। দু’সপ্তাহ পরে পুরনো লঙ্কাগুলি সরিয়ে ফেলে নতুন লঙ্কা দিন। পুরনো লঙ্কা রান্নার কাজে ব্যবহার করে নিতেও পারেন। এতে পোকা দূরে থাকবে।
এয়ারটাইট পাত্র: পলিথিন বা প্লাস্টিকের পাত্রে চাল রাখবেন না। এতে পোকা ধরার আশঙ্কা বাড়ে। চাল এয়ারটাইট পাত্রে রাখুন। এতে চাল দীর্ঘ দিন পোকার হাত থেকে বাঁচবে।
গোলমরিচ: এর ঝাঁজও চালকে সুরক্ষিত রাখে। চালে পোকা হতে দেয় না। গোলমরিচের সুবিধা হল, এটি পাল্টেও দিতে হয় না। দীর্ঘ দিন রেখে দেওয়া যায়।
নিমপাতা: নিমপাতা পোকা তাড়াতে দারুণ কাজে লাগে। পাত্রে চাল রাখার পরে তাতে কিছুটা নিমপাতা দিয়ে দিন। এতে চাল অনেক দিন নিরাপদ থাকবে। তবে মাসে এক বার করে পাতা বদলে দেবেন।
তেজপাতা: নিমপাতা না থাকলে তেজপাতাও দিতে পারেন চালের মধ্যে। তাতেও দূরে থাকবে পোকা। এই পাতার গন্ধ চাল সুরক্ষিত রাখবে।
ফ্রিজ: অনেক সময়ে তাপের কারণেও পোকার বংশবৃদ্ধি হয়। তাই এয়ারটাইট পাত্রে ভরে চাল কয়েক দিনের জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তাতে পোকা মরে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনরাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ( vladimir putin ) কোন গাড়ি ব্যবহার করেন?
শোনা যায় তাঁর গ্যারাজে রয়েছে 700-র বেশি গাড়ি ও মোটরসাইকেল। ঝকঝকে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে শুরু করে তাঁর কালেকশনে রয়েছে দুর্দান্ত অফরোডার। দেখে নিন পুতিনের গাড়ির কালেকশন। Aurus Senat Limousine এই গাড়ির দাম প্রায় 1.2 মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় 8.61 কোটি টাকা)। Aurus Senat Limousine-তে রয়েছে 4.4 লিটার V8 ইঞবিস্তারিত পড়ুন
শোনা যায় তাঁর গ্যারাজে রয়েছে 700-র বেশি গাড়ি ও মোটরসাইকেল। ঝকঝকে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে শুরু করে তাঁর কালেকশনে রয়েছে দুর্দান্ত অফরোডার। দেখে নিন পুতিনের গাড়ির কালেকশন।
Aurus Senat Limousine
এই গাড়ির দাম প্রায় 1.2 মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় 8.61 কোটি টাকা)। Aurus Senat Limousine-তে রয়েছে 4.4 লিটার V8 ইঞ্জিন। সঙ্গে রয়েছে হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন। যদিও এই গাড়িতে কত শক্তি ও টর্ক পাওয়া যায় তা প্রকাশ্যে আসেনি। তবে গাড়িতে মাত্র 3 kmpl মাইলেজ পাওয়া যায়। সর্বোচ্চ 250 km/h বেগে ছুটতে পারে এই গাড়ি। মাত্র 5.9 সেকেন্ডে 0-100 km/h প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটতে পারে Aurus Senat Limousine।
Mercedes ML 500
এই গাড়ির দাম 46000 মার্কিন ডলার (প্রায় 50 লাখ টাকা)। এই গাড়িতে 4.4 লিটার v8 ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন। সর্বোচ্চ 275.78 bhp শক্তি ও 35.7 Nm টর্ক মিলবে এই গাড়িতে। Mercedes ML 500 তে মিলবে 10 kmpl মাইলেজ। এই গাড়ির সর্বোচ্চ গতি 225 km/h।
Gazelle Limousine
এই গাড়ির দাম 160000 মার্কিন ডলার (প্রায় 1.14 কোটি টাকা)। এই লিমোজিন একটাই তৈরি হয়েছিল। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের জন্য বিশেষভাবে এই গাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তবে এই গাড়িতে কী স্পেসিফিকেশন ব্যবহার হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসেনি।
Lada Vesta Sedan
এই গাড়ির দাম 11000 মার্কিন ডলার (প্রায় 7.87 লাখ টাকা)। Lada Vesta Sedan-এ রয়েছে 1.6 লিটার ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনে সর্বোচ্চ 106 bhp শক্তি ও 170 Nm টর্ক পাওয়া যায়। মিলবে 6.9 kmpl মাইলেজ। সর্বোচ্চ 188 km/h গতিতে ছুটবে Lada Vesta Sedan।
Lada Niva 4×4
এই গাড়ির দাম 25000 মার্কিন ডলার (প্রায় 17.9 লাখ টাকা)। এই গাড়িতে রয়েছে Fiat-এর 1.3 লিটার মাল্টিজেট ডিজেল ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনে সর্বোচ্চ 79 bhp শক্তি ও 133 Nm টর্ক পাওয়া যাবে। মিলবে 12.1 kmpl মাইলেজ।
সংক্ষেপে দেখুনকিডনির ব্যথা কোথায় হয়? কিডনি ব্যথার লক্ষণ কি কি?
কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না। আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনিবিস্তারিত পড়ুন
কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।
আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনি ব্যথা নাকি কোমর ব্যথা অন্য কোন সমস্যা । সাধারনত আমাদের শরীরের ডান পাশে , বাম পাশে বুকের পাজর এবং কোমরের হাড়েরর মাঝখানে কিডনি থাকে । তাই এই জায়গায় ব্যথা হলে ধরে নিতে পারেন কিডনি সমস্যা । কিডনি সমস্যা সন্দেহ হলে আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসক দেখানো জরুরি । চিকিৎসক যদি আপনাকে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করে , সেইক্ষেত্রে অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন । তবে কিডনি ব্যথার জন্য কোন ব্যথার ওষুধ না খেয়ে আপনি বাসায় কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই উপকার পাবেন ।
১। প্রচুর পানি খেতে হবে
কিডনি ব্যথা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া । একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত । আপনার যদি কিডনি পাথর থাকে সেইক্ষেত্রে আরো বেশি পানি পান করতে হবে , যাতে প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে যায় । কিডনি পাথর ছোট হলে , বিশেষ করে ৪ মিমি এর কম হলে পাথর প্রস্রাবের সাথে এমনিতেই বের হয়ে যায় । এছাড়া প্রস্রাব কম হলে বা প্রস্রাব থলিতে প্রস্রাব জমা হয়ে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে , তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে যাতে প্রচুর প্রস্রাব হয় । ভালভাবে প্রস্রাব হলে ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ নেই , ফলে সব জীবানু প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাচ্ছে । এছাড়া চা কফি এবং কোলা এইসব পানীয় কম খেতে হবে ।
২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে
কিডনি ব্যথা দূর করার জন্য বিশ্রাম অনেক সময় অনেক উপকারি । বিশেষ করে কিডনি পাথর বা কিডনি ইনজুরি হলে অতিরিক্ত হাঁটাচলা , কাজকর্ম এবং বেশি এক্সারসাইজ করলে ব্লিডিং বাড়তে পারে । তাই ব্যথা হলে রেস্ট নেওয়াই উত্তম । যেইভাবে শুইলে ভাল লাগে কিডনি ব্যথা কম হয় , সেইভাবে শুয়ে থাকতে হবে ।
৩। গরম সেঁক দিতে পারেন
গরম সেঁক ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ভাল একটা উপায় । ব্যথার জায়গায় হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন । গরম সেঁক দিলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় , নার্ভের সেনসেশন কমে । ফলে আরাম অনুভব হয় । তবে গরম সেঁক দেওয়ার সময় সাবধানে দিতে হবে , যাতে পুড়ে না যায় ।
৪। চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক নিতে হবে
চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক নেওয়া যেতে পারে । তবে অবশ্যই শুধু এন্টিবায়োটিকে কাজ হবে না , আপনি অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এবং বাসায় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । বাসায় ঘরোয়াভাবে প্রস্রাবে ইনফেশন দূর করার উপায়, জন্য ভিডিও দেখতে পারেন ।
৫। ভিটামিন সি কম খেতে হবে
ভিটামিন সি শরীরের জন্য অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস । বিশেষ করে ভিটামিন সি হাড়ের গঠনের জন্য এবং শরীরে ঘা বা ক্ষত শুকানোর খুবই উপকারী । কিন্তু কিডনি ব্যথার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান ভিটামিন সি খেলে সমস্যা হতে পারে , কারন অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে সেটা কিডনিতে অক্সালেটে পরিনত হয় , পরে এই অক্সালেট কিডনি পাথরে পরিনত হয় । তাই কিডনি পাথরের সমস্যা হলে , ভিটামিন সি কম খাওয়াই উত্তম ।
সংক্ষেপে দেখুনচিড়ার পোলাও রান্নার সহজ রেসিপি
বাঙালির রান্নাঘরে চিঁড়ের পোলাও বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। সকালের জলখাবার হোক বা বিকেলের টিফিন, চিঁড়ের পোলাও যেকোনও সময়েই খাওয়া যেতে পারে। এটি খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়, আর বানাতেও বেশি সময় লাগে না। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক চিঁড়ের পোলাও তৈরির রেসিপি - চিঁড়ের পোলাও তৈরির পদ্ধতি ১) সর্বপ্রথমে চিঁড়েবিস্তারিত পড়ুন
বাঙালির রান্নাঘরে চিঁড়ের পোলাও বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। সকালের জলখাবার হোক বা বিকেলের টিফিন, চিঁড়ের পোলাও যেকোনও সময়েই খাওয়া যেতে পারে। এটি খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়, আর বানাতেও বেশি সময় লাগে না। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক চিঁড়ের পোলাও তৈরির রেসিপি –
চিঁড়ের পোলাও তৈরির পদ্ধতি ১) সর্বপ্রথমে চিঁড়ে ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে বাদাম ভেজে তুলে নিন, তারপর আলু সেদ্ধ ভাজুন। ২) এবার সর্ষে, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ ও আদা কুচি দিয়ে ভাজুন। ৩) তারপর কড়াইতে আলু, কাঁচা লঙ্কা কুচি ও হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালভাবে নাড়াচাড়া করুন। ৪) এবার তাতে চিড়ে দিয়ে মেশান ভাল করে। ৫) এরপর নুন, চিনি, বাদাম দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে রান্না করুন। তারপর নামিয়ে নিন।
সংক্ষেপে দেখুন