সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
কোন বিজ্ঞানকে মাঝে মাঝে ‘কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান’ বলা হয়?
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে। জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চবিস্তারিত পড়ুন
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে।
জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয় ও নিরাময় রসায়ন যুক্ত। সকল বস্তু অনু পরমাণু নামক ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। এই বস্তু নিয়ে পদার্থবিজ্ঞান কাজ করে। তাছাড়া কম্পিউটারের মেমোরি তৈরিতে সেমিকন্ডাকটর হিসেবে সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় যা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। অনু-পরমানু, পদার্থের পরিমাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ গণিতের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সকল শাখার সঙ্গে রসায়নের সম্পর্ক রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবাতাসে কোন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয়ে যায়?
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
সংক্ষেপে দেখুনমেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনদেজা ভু কী ?
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি। আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথমবিস্তারিত পড়ুন
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি।
আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথম নয় আমার জন্য, এর আগেও অনেকবার আমি এর সম্মুখীন হয়েছি।
যেমন বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পেছনের পুকুরটি দেখার পর ওই পুকুরটি আমার খুব চেনা চেনা লাগছিল। প্রথম যেদিন এই জিনিসটি আমি অনুভব করতে পারি সেদিন অনেকের সাথে কথা বলেও জানতে পারিনি এটি কী বা কেন এটি হয়।
পরে একদিন কোন একটি গল্পের বই পড়তে পড়তে জানতে পারি এই অনুভূতির নাম হচ্ছে ‘দেজা ভ্যু’, ইংরেজীতে যার অর্থ ‘already seen’, বাংলায় আমরা বলতে পারি ‘ইতিপূর্বে দেখা’। সহজ ভাষায় দেজা ভ্যু হচ্ছে কোন কিছুকে প্রথমবার দেখেই পরিচিত বলে মনে হওয়া যদিও সেটি আমাদের পরিচিত হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
এই কোন কিছুটা যে শুধু কোন জিনিস তাই নয়, হতে পারে কোন জায়গা, কোন মানুষ অথবা বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা দেয়ার কোন মুহূর্ত।
দেজা ভ্যু কেন হয়?
যেদিন জানতে পারলাম কোন কিছুকে পরিচিত মনে হওয়ার এই অনুভূতির নাম হচ্ছে দেজা ভ্যু সেদিনই বসে পড়লাম নেট ঘাঁটতে। মূল উদ্দেশ্য ছিল দেজা ভ্যু কেন হয় তা জানা। কিন্তু দেজা ভ্যুর আসল কারণ জানতে গিয়ে আরো ধাঁধায় পড়ে গেলাম।
কারণ, দেজা ভ্যু হওয়ার আসল কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো একমত হতে পারেন নি। একেকজন একেকরকম কারণ দেখিয়েছেন দেজা ভ্যু সংঘটিত হওয়ার। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি কারণ তুলে ধরছি তোমাদের জন্য:
১। স্বপ্নের খেলা
দেজা ভ্যু হওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রথম যে ধারণার কথা আমি বলবো সেটি স্বপ্ন সম্পর্কিত। কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে, মানুষের মনে যে জিনিসটি নিয়ে সন্দেহ জাগে যে সে সেটি আগে দেখেছে অর্থাৎ দেজা ভ্যু হয় যে জিনিসটি নিয়ে সেটি সে আগেই স্বপ্নে দেখে।
কিন্তু মানুষ খুব কম স্বপ্নই মনে রাখতে পারে। আর তাই সকালে উঠে সেই স্বপ্নটি আর তার মনে থাকে না কিন্তু অবচেতন মনে ঠিকই সেই স্বপ্নটি সংরক্ষিত থাকে। পরে যখন সে বাস্তবে সেই ঘটনা বা জিনিসটির সম্মুখীন হয় তখন তার অবচেতন মন সেই স্বপ্নে দেখা স্মৃতিটিকে মনে করিয়ে দেয়। তখনই তার মনে হয় যে ওই জিনিসটি সে আগেই দেখেছে বা ওই ঘটনা আগেও ঘটেছে।
আমার যখন প্রথম দেজা ভ্যু হয় তখনো আমার এমনই মনে হয়েছিল। আমার এমন একটি জায়গা দেখে মনে হয়েছিল যে আমি এখানে আগেও এসেছি যেখানে তার আগে আমার যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে জায়গাটি আমার এত পরিচিত মনে হচ্ছে কেন। পরে আমার বারবার মনে হচ্ছিল যে আমি হয়তো স্বপ্নে দেখেছি জায়গাটি।
২। স্মৃতির অন্তরালে
এখন যে ব্যাখ্যার কথা বলব সেটি স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারণায় বলা হয় যে, যেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা সম্পর্কে দেজা ভ্যু হয় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা পূর্বেও মানুষ দেখে। কিন্তু অনেক আগে তা দেখার কারণে তা স্মৃতিতে পুরোপুরিভাবে থাকে না। কিন্তু অবচেতন মনে বা স্মৃতিতে তার একটা ছাপ থাকে।
এর ফলে যখন সে পুনরায় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন স্মৃতির গভীর থেকে ওই পুরনো স্মৃতিও তার সামনে চলে আসে। তখন তার মনে হয় যে এটি আগেও ঘটেছে বা সে এটি আগেও দেখেছে।
এটি একটি ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে কিন্তু খুব বেশি শারীরিক নয়। কারণ দেজা ভ্যুর অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে তাদের মধ্য বেশিরভাগই জোর দিয়ে বলে পূর্বে ওই জিনিস বা জায়গা বা ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।
৩। সব দোষ মস্তিষ্কের
এবারের ব্যাখ্যাটি মস্তিষ্কের উপর নির্ভর করে দেয়া। আমরা সবাই জানি যে, মস্তিষ্কের এক এক অংশ এক এক কাজ করে থাকে। দেখার কাজটি মস্তিষ্কের যেই অংশটি করে থাকে সেটি মস্তিষ্কের পেছনে অবস্থিত। এটি কোন কিছু দেখে এবং সেটিকে ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে যার ফলে আমরা বুঝতে পারি আমরা কী দেখছি।
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন
কোন কিছু দেখে সেটিকে ব্যাখ্যা করতে মস্তিষ্কের এই অংশটির খুব কম সময় লাগে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যেই এই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোন কারণে কোন কিছু দেখা আর ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার এই ক্ষুদ্র সময়ে আমাদের মন সামান্য সময়ের জন্য বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় তাহলে দেজা ভ্যু হয়।
এর কারণ হচ্ছে একবার চোখ জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে, তারপর মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। পরে যখন চোখ আবার সেই জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে এবং তা ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে তখন একটু আগে দেখার ঘটনাটাও মনে পড়ে যায়। তখন মনে হয় এটি আমি আগেও দেখেছি। কিন্তু সে আগে যে একটু আগেই তা মাথায় আসে না। ফলে মনে হয় অনেক আগের ঘটনা এটি।
এই ব্যাখ্যাটি মোটামুটি চলনসই বলা চলে। এগুলো ছাড়াও আরো কিছু ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে দেজা ভ্যু সম্পর্কে। অনেকেই আবার অতিপ্রাকৃত ঘটনার সাথে দেজা ভ্যুর যোগসূত্র আছে বলে মনে করেন।
দেজা ভ্যু হওয়া কি খারাপ?
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী দেজা ভ্যু তাদেরই হয় যাদের কিছুটা মানসিক সমস্যা আছে। কিন্তু এর পক্ষে তারা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। পৃথিবীর প্রায় ৬০%-৭০% মানুষ দেজা ভ্যুর মুখোমুখি হয়। তাদের বেশিরভাগেরই কোন রকম মানসিক সমস্যা নেই।
আর যারা দেজা ভ্যু এর সাথে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্কে খুঁজে পান তারাও কোন শক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। আর তাই হলপ করে বলা যায় না যে দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু।
দেজা ভ্যুর যে সকল কারণ আমরা দেখতে পাই সেগুলো থেকে দেখা যায় যে এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ে। আর তাই এটিকে খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু হিসেবে অভিহিত করা যায় না।
দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু নয়, এটা আমার জন্য বেশ ভালো সংবাদই বলা চলে। আমার তো মাঝে মাঝে মজাই লাগে। প্রায়ই আমার এমন হয়। আগে খুব বেশি ভাবতাম, ঘাঁটাঘাঁটি করতাম দেজা ভ্যু নিয়ে। এখন এটা বেশ উপভোগ করি।
ক্রেডিটঃ 10minuteschool
সংক্ষেপে দেখুনলুডু খেলায় সাপ এবং মই খেলার জন্ম কোথায়?
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচেবিস্তারিত পড়ুন
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচে নেমে আসা- এমনই উত্তেজনা থাকতো এই খেলায়, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে খেলাটি কিন্তু আজকের নয়, ইতিহাসের অনেক পথ ঘুরে এই খেলাটি আজকের রূপ পেয়েছে। সাপ-লুডুর সেই অজানা ইতিহাস নিয়েই আজকের আয়োজন।
১৯৭৭ সালে দীপক সিংখাদা নামের এক যুবক শিকাগো শহরের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বসে নেপাল এবং তিব্বতের বিভিন্ন ছবির সংগ্রহ তালিকা প্রস্তুত করছিলেন। এ সময় মিউজিয়ামের এক কোনে পড়ে থাকা এক অদ্ভুত ছবির ওপর তার দৃষ্টি চলে যায়। জাদুঘরের রেজিস্টারে ছবিটি নিয়ে শুধু বলা হয়েছে, ‘রিলিজিয়াস ওয়ার্ক’।
ছবিটি এক ভারতীয় আর্ট ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ছবিটি দেখে দীপক বেশ অবাকই হয়। কারণ ছবির মধ্যে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের উপস্থিতি। আর জাদুঘরে এ ধরনের বিষয় নিয়ে আর কোন ছবিই চোখে পড়েনি। নানা পুথিপত্র পড়ে দীপকের কাছে বিষয়টি কেবল ধর্মীয় বিষয় বলে মনে হলো না, কেবলই তার মনে হতে লাগলো এর সাথে অন্য কোনো বিষয় জড়িয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন, ছবিটি উত্তর ভারত থেকে সংগ্রহ করা হলেও এর মূল লুকিয়ে আছে নেপালে। তার এক পরিচিত অধ্যাপক দীপককে জানালেন, এ ধরণের একটি ছবি তিনি নেপালের জাদুঘরে দেখেছেন।
এই ছবির রহস্য উন্মোচনের জন্য দীপক রওনা হলেন নেপালে। নেপালে পৌঁছেই উপস্থিত হলেন নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে। মিউজিয়ামের রেজিস্টার ঘাঁটতে শুরু করলেন যদি এই বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়। রেজিস্টারে শিকাগো মিউজিয়ামে দেখা এমনই এক ছবির কথা বলা আছে। জাদুঘর থেকে সে চিত্রকর্মটি বের করা হলো। নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে পাওয়া এই চিত্রপটের নাম ‘নাগপাশ’।
এই চিত্রকর্ম সম্পর্কে পড়াশোনা করতে গিয়ে দীপক দেখেন এটি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়। এটি একটি খেলার ছক। নেপালিরা শুদ্ধ করে এ খেলাকে ‘নাগপাশ’ বললেও মুখে তারা বলেন ‘বৈকুন্ঠ খেল’। আসলে এটি আমাদের অতি পরিচিত এক খেলা ‘সাপ লুডু’।
নেপালে পাওয়া নাগপাশের ছকেও রয়েছে এই সাপ। তবে নাগপাশে দুই ধরনের সাপ দেখতে পাওয়া যায়। লাল সাপ আর কালো সাপ। লাল শুভ-লাভ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক। কালো সাপ অশুভ এবং দুর্ভাগ্যের প্রতীক। নেপালি নাগপাশে লাল-সাপের লেজে গুটি পৌঁছতে পারলে খেলোয়াড়কে তা অনেক উঁচু জায়গায় পৌঁছে দেয়। আর কালো সাপের মাথায় গুটি পড়লে একেবারে লেজের শেষে নেমে যেতে হয়।
আমরা যে সাপ-লুডু খেলি, তাতেও সাপের ব্যবহার আছে। এখানেও গুটি সাপের মাথায় পড়লে সাপের লেজের শেষে নেমে যেতে হয়। তবে এখানে উপরে উঠার জন্য লাল সাপের পরিবর্তে মই ব্যবহার করা হয়। আর তাই লাল সাপগুলো এখানে অনুপস্থিত। তবে এখনকার সাপ-লুডুতে কোথাও মই, কোথাও তীর আবার কোথাও রকেটও ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুধু মজা পাওয়ার জন্য আমরা যেমন সাপ-লুডু খেলি, নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল অনেক গভীর এবং তার সাথে কিছুটা ধর্মেরও যোগাযোগ আছে। প্রাচীনকালে এই খেলার মাধ্যমে একজন খেলোয়াড় তার কর্মফল পরিমাপ করতেন। ভালো কাজের ফল পুণ্য, মন্দ কাজের ফল পাপ। সেকালের মানুষরা বিশ্বাস করতো, মানুষের এই পাপ-পুণ্য বা শুভাশুভ ফল ভবিষ্যৎ জীবন এবং পরজন্মের জন্য সঞ্চিত হয়ে থাকে। তারা বিশ্বাস করতো, ভালো কাজ করলে স্বর্গ আর খারাপ কাজ করলে নরক ভোগ করতে হয়।
জীবিত অবস্থায় একজন মানুষ ভাল কাজ করছে না মন্দ কাজ করছে, তা নিয়ে একটা সন্দেহ তখনকার দিনের মানুষদের মধ্যে প্রবলভাবে ছিল। এই কর্মফলে বিশ্বাসী মানুষের ভাবনা থেকেই নাগপাশ খেলার জন্ম নেয়। আর সে সময়ের মানুষদের কাছে নাগপাশ হলো কর্মফল পরিমাপ করার এক মজার উপায়।
নেপালি নাগপাশের যে দুটি চিত্রপট পাওয়া যায়, তা দুটিই শক্তপোক্ত কাপড়ের তৈরি ছক। নীচ থেকে ওপর পর্যন্ত খোপ আছে ৭২টি। তাতে লাল-কালো মিলিয়ে সাপ আছে ১৫টি। খোপগুলি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত আটটি সারির বেশিরভাগ সারিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সৃষ্টি থেকে শুরু করে মানুষের আত্মজ্ঞান লাভের অভিব্যক্তি প্রকাশ করা এমন কিছু মানুষের ছবি। নীচের সারিগুলোতে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহে জর্জরিত মানুষের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। একেবারে ওপরের সারিতে জ্ঞান, চেতনা এবং আত্মোপলব্ধি। আর একেবারে ছকের ওপরে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের ছবি।
খেলোয়াড়রা ১-২-৩- ইত্যাদি সংখ্যাবিশিষ্ট একটি ঘুঁটি চালিয়ে খেলা শুরু করতেন। যে দান উঠবে, সে অনুযায়ী তত ঘর যাওয়া যাবে। এই যাওয়ার পথে দান কোথাও লাল সাপের পায়ে পড়বে, আবার কোথাও কালো সাপের ফাঁদে পড়বে। কালো সাপের বাধা পড়লে নিচে নামতে হবে আর লাল সাপ তাকে উন্নত জায়গায় উঠিয়ে দেবে। গুটি কালো সাপের মুখে পড়লে বুঝতে হবে পূর্বের বা এই জন্মের কোন পাপের ফলে কালো সাপ আক্রমণ করেছে এবং এর ফলে তা খোলায়াড়কে নিচের কর্মভূমিতে নামিয়ে দেয়। এর মধ্য দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় এখন থেকে ভাল কাজ করলেই মুক্তি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বার বার কালো ও লাল সাপের এই ওঠা-নামা জন্মান্তরচক্রের কথা বলে।
নাগাপাশ খেলার এই যে বিস্তৃতি, তা কিন্তু শিকাগো মিউজিয়ামে পাওয়া চিত্রপটে নেই। সেটা অনেক সহজ ও সরল। মূলত এই খেলাটি নেপালে পাওয়া গেলেও তা কিন্তু ভারতবর্ষের মূল ভূখন্ডে অনেক আগে থেকেই চালু ছিল বলে বিভিন্ন পণ্ডিতদের অভিমত।
১৯৭৫ সালে হরিশ জোহারি নামের এক পণ্ডিতের লেখা বইতে দেখা যায়, নেপালের নাগপাশ খেলার প্রচলন দশম শতকে হলেও তার বহু আগে থেকেই ভারতেবর্ষে এই খেলার চল ছিল। ভারতের দিকে এর খেলার নাম ছিল ‘জ্ঞান-চৌপার’ বা ‘মোক্ষ-পতমু’, অনেকে সংক্ষেপে বলেন মোক্ষপট। আর তখন ভারত বা নেপাল বলে আলাদা কোনো দেশ ছিল না। তবে কীভাবে এই খেলা ভারত থেকে নেপালে গেল, সে সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। জ্ঞান-চৌপারের খেলার উদ্দেশ্যও নাগপাশের মতোই। এখানেও ৭২টি খোপ। তবে এখানে লাল সাপের পরিবর্তে তীর বা বাণ ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীকালে যা মই বা সিঁড়ির চেহারা নিয়েছে। সাপ-লুডুর মধ্যে যে কর্মফল, আত্মজ্ঞানের কথা রয়েছে, সেসব প্রতীকি বিষয়গুলো হারিয়ে গিয়ে আজ তা নিছক খেলায় পরিণত হয়েছে।
তবে আধুনিক সাপ লুডুতে সে সাপ ও মইয়ের ব্যবহার দেখা যায়, তা এই জ্ঞান-চৌপার থেকেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু খেলা শুরুর প্রক্রিয়া এসেছে নেপালি নাগপাশ থেকে। কারণ নেপালি নাগপাশ এবং ভারতীয় জ্ঞান-চৌপার দুটিতেই ৭২টি খোপ আছে। জ্ঞান-চৌপারে খেলা শুরু হতো ৬৮ নম্বর ঘর থেকে। খেলোয়াড় বেশিক্ষণ এখানে থাকতে পারতেন না। দান চালার পর এগোতে-এগোতে তাকে সাপের মুখে পড়তে হয়। আর এভাবে খেলতে-খেলতে তাকে আবার ফিরে আসতে হয় ৬৮ নম্বর ঘরেই। উদ্দেশ্যটা এমন যে, পরম আনন্দে তোমার জন্ম আর ফিরেও যেতে হবে সেই আনন্দে।
আর নেপালি নাগপাশ শুরু হতো ১ নম্বর ঘর থেকেই। জীবনের পথচলার মতোই শৈশব, যৌবন, জরার পথ ধরে খেলোয়াড়কে এগোতে হয় যা নিয়ন্ত্রণ করে লাল ও কালো সাপ। ৭২ ঘর অতিক্রম করতে পারলেই মোক্ষলাভ সম্পন্ন।
পরবর্তীকালে এই নাগপাশ ও জ্ঞান-চৌপারে খোপের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ হয়, যা আজও অনুসরণ করা হচ্ছে। কিন্তু শুরুতে সব খেলায় ৭২টি ঘর ছিল। তার কারণ হচ্ছে সংসার চক্রের যে বিভিন্ন স্তর রয়েছে, তার সংখ্যা ৭২। আর সে কারণেই ৭২ নম্বর ঘরটি পূর্ণ করতে পারলেই জীবনচক্রের পরিসমাপ্তি ঘটে বলে সে সময়ের মানুষেরা মনে করতেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধর্মেও সাপ-লুডু খেলার প্রচলন শুরু হতে থাকে। তবে সেখানে নিজ নিজ ধর্মের নীতিকথাই প্রাধান্য পেতে থাকে।
ইংরেজরা ভারতবর্ষ দখল করার পর এ খেলাটির প্রতি তারাও বেশ আকর্ষিত হয়ে পড়ে। এ খেলার চিন্তা-ভাবনা তাদেরকে বেশ মুগ্ধ করে। ১৯ শতকের শেষ দিকে ব্রিটিশরা এই খেলাটিকে তাদের নিজেদের উপযোগী করে তৈরি করে নেয়। সাপ-লুডোর মূল থিম ঠিক রেখে নিজেদের ধর্মীয় আদর্শ এবং নানা উপদেশমূলক বাণী এতে সংযুক্ত হয়। ইংরেজদের তৈরি সাপ-লুডু খেলাটি সে সময় ইউরোপ, আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
বিংশ শতাব্দীতে এসে সাপ-লুডু খেলাটি কোন নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারিদের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে তা সার্বজনীনতার রূপ পায়। ফলে খেলাটি বিভিন্ন বয়সী মানুষদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ে এসে ভিডিও গেমসের কল্যাণে এই ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় খেলাটি অনেকের মোবাইল ও কম্পিউটারে স্থান করে নিয়েছে। তাই কালের বিবর্তনে খেলাটিতে নানা পরিবর্তন আসলেও এর জনপ্রিয়তা আজও অমলিন।
তথ্যসূত্র ও ক্রেডিটঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনপবিত্র কোরআনে এ কমাত্র কোন সূরাহ যার মধ্যে ‘বিসমিল্লাহ’ দু’বার এসেছে
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনে কোন কোন মসজিদের নাম উল্লেখ আছে?
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
সংক্ষেপে দেখুনআঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?
সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন
সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।
আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।
তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!
সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।
সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।
বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।
সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।
দাঁত শিরশির এবং ব্যাথায় ভালো কোন ঔষধ অথবা ট্যাবলেট এর নাম বলতে পারেন কি?
দাঁত ব্যথার ঔষধ সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দাঁত ব্যথায় করণীয় ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন।বিস্তারিত পড়ুন
দাঁত ব্যথার ঔষধ
সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib
বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে
এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন।
দাঁত ব্যথায় করণীয়
১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে ৩ বার করে গুলি করুন ব্যথা কমে যায়।
এ ছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।
লবণে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য যত শিগগিরই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনআমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।
কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?
তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।
লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।
বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।
যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।
এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনতাবলীগ জামাতের ব্যাপারে আপনার মনোভাব জানাবেন কি? এর ইতিহাস কি?
সঠিক নামটি হলো তাবলীগি জামাত। তাবলীগ কথাটির অর্থ - প্রচার। তাবলীগি জামাত এর অর্থ - প্রচার এর দল। কি প্রচার করে? তারা ইসলাম প্রচার করে। ইসলাম প্রচার কাজটা ফরজে-কেফায়া। ফরজে-কেফায়া হলো সেই ধরণের ফরজ কাজ যেটা সবার করা লাগে না। সমাজের কিছু মানুষ করলে, সবাই দায়িত্ব মুক্ত হয়। যেমন জানাজা নামাজ, ইতিকাফ, ইতবিস্তারিত পড়ুন
সঠিক নামটি হলো তাবলীগি জামাত। তাবলীগ কথাটির অর্থ – প্রচার। তাবলীগি জামাত এর অর্থ – প্রচার এর দল। কি প্রচার করে? তারা ইসলাম প্রচার করে।
ইসলাম প্রচার কাজটা ফরজে-কেফায়া। ফরজে-কেফায়া হলো সেই ধরণের ফরজ কাজ যেটা সবার করা লাগে না। সমাজের কিছু মানুষ করলে, সবাই দায়িত্ব মুক্ত হয়। যেমন জানাজা নামাজ, ইতিকাফ, ইত্যাদি। ইসলাম প্রচার করা ফরজ। সমাজের কিছু মানুষ অবশ্যই সেটা করতে হবে। যদি কেউই না করে, তবে সবাই পাপী হবে।
সংক্ষেপে দেখুনকিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়?
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায় মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন 'ভালো মানুষ' হয়ে ওঠা। অর্থাৎবিস্তারিত পড়ুন
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়
মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে ওঠা। অর্থাৎ এমন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, যার নিজের ব্যাপারে মনে কোনো খেদ থাকবে না, আবার অন্যরাও নির্দ্বিধায় বলে দেবে, “হ্যাঁ, তুমি একজন ভালো মানুষ।”
কিন্তু কীভাবে হওয়া যায় একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ? কিংবা সত্যিকারের ভালো মানুষ হওয়া কি আদৌ সম্ভব? অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, না, আজকের দিনে আর পরিপূর্ণ ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, ভালো মানুষ হয়ে এই সমাজ সংসারে টিকে থাকা অসম্ভব। কিন্তু না, ভালো মানুষ হওয়া অতটাও কঠিন কিছু নয়। চাইলেই হয়ে ওঠা যায় একজন ভালো মানুষ। কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করলে একজন ভালো মানুষ, কিংবা নিদেনপক্ষে পূর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর একজন মানুষে পরিণত করা যায় নিজেকে, সেগুলোই তুলে ধরা হবে আজ।
ভালোবাসতে হবে নিজেকে
প্রথম পয়েন্টটি দেখেই হয়তো চমকে উঠছেন অনেকে। ভাবছেন, এ-ও কী সম্ভব! কারণ এতদিন জেনে এসেছেন, ভালো মানুষেরা নিজেকে নিয়ে ভাবে না। তারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে পরের তরে। সে কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, সবসময় পরোপকার করতে হবে মানে এই নয় যে নিজেকে অবহেলা করতে হবে। বরং নিজেকে ভালোবাসতে পারাই হলো ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম সোপান।
মানুষ হিসেবে আমরা সবসময়ই চাই, অন্যরা যেন আমাদের ভালোবাসে, আমাদের প্রশংসা করে। কিন্তু অনেক সময় এরকম চাইতে চাইতে আমরা অন্যের অনুমোদনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠি। যখনই আমরা আমাদের কাজের প্রাপ্য সম্মান পাই না, লোকের ভালোবাসা পাই না, তখন আমরা হতোদ্যম হয়ে যাই। ফলে হারিয়ে ফেলি কাজ চালিয়ে যাওয়া কিংবা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মতো দৃঢ় মনোভাব।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অধিকাংশ অপরাধীই অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে শৈশবে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অবহেলা কিংবা ভালোবাসাহীনতার শিকার হয়ে। তাই তারা চেয়েছে অন্যদের জীবনও একইভাবে বিষিয়ে দিতে। তারা যেহেতু তাদের জীবনে সুখ-আনন্দের স্বাদ পায়নি, অন্য কেউও যেন তা না পায়।
অথচ ভেবে দেখুন, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে সর্বোচ্চ ভালোবাসত, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে এই উপলব্ধিটাও জন্মাত যে আশেপাশের মানুষদের ভালোবাসা বা সম্মানও তেমন একটা জরুরি নয়, যদি নিজের কাছে নিজে ভালো থাকা যায়, সবচেয়ে ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া যায়। তাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো, নিজেদেরকে ভালোবাসা। যেকোনো ভালো কাজের পর নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেয়া, প্রশংসা করা, এবং ভবিষ্যতেও একই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হওয়া।
নিজের দুর্বলতাগুলোকে স্বীকার করতে হবে
কথায় আছে, যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটি শনাক্ত করা, এবং সেটি যে আসলেই একটি সমস্যা, তা স্বীকার করে নেয়া। কারণ আমরা যতই কোনো সমস্যার কারণে কষ্ট পাই না কেন, ওই সমস্যার মূলটা যদি খুঁজে না পাই, কিংবা খুঁজে পাওয়ার পরও মন থেকে তা মানতে না চাই, তাহলে তো সমাধানের পথ বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ঠিক একই কথা প্রযোজ্য কোনো মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও। এ কথা অনস্বীকার্য যে মানুষ হিসেবে আমরা কেউই শতভাগ পারফেক্ট নই। আমাদের সকলের মাঝেই অনেক দুর্বলতা আছে, খামতি আছে। এখন আমরা যদি চাই সেগুলো কাটিয়ে উঠতে, তাহলে সেগুলোকে অস্বীকার করে বা গোপন করে তো কোনো লাভ নেই। একটি অঙ্কের হিসাব যদি না মেলে, তাহলে খাতা খুলে বারবার হিসাব মেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। বইখাতা বন্ধ করে ফেলে রাখলে হিসাব জীবনেও মেলে না। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিজীবনের দুর্বলতাগুলোকেও আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করতে হবে।
হয়তো আমরা কেউ কথায় কথায় মিথ্যা বলে ফেলি। কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য অসৎ পন্থা অবলম্বন করি। সবসময় নীতি-নৈতিকতার বুলি আওড়ালেও, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ঠিকই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হই। অন্যের ক্ষতি করে বসতেও দ্বিধা করি না। এরকম আসলে কমবেশি সকলেই করে। এতে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। অস্বাভাবিকতার শুরু তখন, যখন আমরা এগুলো করেও দাবি করতে থাকি যে আমরা এগুলো করি না। এতে করে আমাদের নিজেদেরকে শুধরানো আর হয় না। তাই নিজেদের চারিত্রিক দুর্বলতাগুলোকে অস্বীকার না করে, নিজে নিজে কিংবা আশেপাশের কারো সহায়তায় এগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
করতে হবে ইতিবাচকতার চর্চা
মন থেকে ইতিবাচক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মনে মনে সবসময় নেতিবাচকতাকে ধারণ করি, যেকোনো ক্ষেত্রে কেবল নেতিবাচকতাই খুঁজে বেড়াই, অর্থাৎ ছিদ্রান্বেষী হয়ে উঠি, তাতে মনে মনে কষ্ট পাব নিজেরাই।
ধরুন, আমার সাথে এমন কোনো একটি ঘটনা ঘটল, যে কারণে আমার উচিত খুশি হওয়া, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা। অথচ তা না করে আমি যদি জোর করে ওই ভালো ঘটনার মাঝেও মন্দ কিছু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই, এবং কোনো মন্দ একটি দিক অনেক কষ্টে পেয়েও যাই, তাতে ক্ষতিটা আসলে কার হবে? আমারই হবে। কারণ ভালো একটি ঘটনা ঘটায় আমার আনন্দলাভের কথা ছিল। তার বদলে আমাকে এখন কষ্ট পেতে হবে, প্রবল মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে হবে।
সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে ইতিবাচক হতে হবে। তার মানে এই নয় যে খারাপ কাজের মাঝেও ইতিবাচকতা খুঁজতে হবে। যেটি খারাপ, সেটি তো সবসময়ই খারাপ ও নিন্দনীয়। সেরকম কাজকে অবশ্যই ধিক্কার জানাতে হবে, সেগুলোকে বর্জন করতে হবে। এটুকুই শুধু মাথায় রাখতে হবে যে, যেখানে কোনো খারাপের চিহ্ন নেই, জোর করে যেন তার ভিতরেও খারাপ খুঁজতে না যাই।
এবং এই ইতিবাচকতার বহিঃপ্রকাশ দৈনন্দিন জীবনে আমাদের আচার-আচরণেও ঘটাতে হবে। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে যার জন্য সে প্রশংসার দাবিদার, একটু প্রশংসা তার প্রাপ্য, তাহলে অবশ্যই মন খুলে তার প্রশংসা করতে হবে, তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে হবে। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে তার আরো উন্নতির জায়গা আছে, সেগুলোও তাকে ধরিয়ে দিতে হবে।
রাগ দমন করতে হবে
রাগ একটি খুবই বাজে জিনিস, যা একটু একটু করে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়। যখন আমাদের সাথে খুব খারাপ কিছু ঘটে, যা আমাদের প্রত্যাশা ছিল না, কিংবা যখন আমরা কারো কাছ থেকে খুব বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হই, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনেক রেগে যাই, ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ি। রাগের মাথায় এমন কিছু একটা করে বসি, যাতে মানুষ হিসেবে নিজেরাই অনেক ছোট হয়ে যাই, এবং অনেক অনর্থক বিপদও ডেকে আনি। তাই রাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
খুবই নেতিবাচক এই মানসিক অনুভূতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো ক্ষমাশীল হয়ে ওঠা। আমার সাথে কেউ খুব বাজে কাজ করেছে? তাই আমি তার উপর মনে মনে রাগ পুষে রাখব? সুযোগ খুঁজব তার কাজের প্রতিশোধ নেয়ার, তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার? এ ধরনের মানসিকতা যদি আমি পোষণ করি, তাতে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করব। কেননা প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে, মনের যাবতীয় ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে অকেজো করে দেবে। তাই আমার জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত কাজ হবে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা না করে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া, এবং এর মাধ্যমে নিজের মনকে কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করা।
তবে এটিও খুবই সত্যি যে এ ধরনের কথা বলা যতটা সহজ, নিজেদের জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো ঠিক ততটাই কঠিন। কিন্তু তাই বলে তো আর আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। নিজেদের মনের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারি না। সেটি হবে মানুষ হিসেবে আমাদের নিজেদের পরাজয়। তাই যত কষ্টকরই হোক না কেন, আমাদেরকে মনের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনকে ধীর-স্থির-শান্ত করে তুলতে হবে। দরকারে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে।
পরমতসহিষ্ণু হতে হবে
আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা বিপক্ষ মতকে একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গা থাকে, এবং আমরা সবসময় সেগুলোকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই। এতে কোনোই সমস্যা ছিল না, যদি না আমরা আমাদের আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার বিরোধী কারো উপর অকারণে আগ্রাসী হয়ে না উঠতাম।
খুব সহজ একটি উদাহরণই দেয়া যাক। ফুটবল খেলায় আমি এক দলকে পছন্দ করি। অন্য কেউ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে। এটি তো হতেই পারে, তাই না? প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ভালো লাগা-মন্দ লাগা, পছন্দ-অপছন্দের জায়গা থাকবে। তার ওই ভীষণ ব্যক্তিগত জায়গাগুলোকে আমাদের অবশ্যই উচিত সম্মান করা। তা না করে আমরা যদি মারমুখী হয়ে যাই যে কেন সে-ও আমার মতো একই দলকে সমর্থন করে না, কেন সে ‘ভুল’ দলকে সমর্থন করে, সেটি হবে আমার তরফ থেকে খুবই অযৌক্তিক আচরণ।
সঠিক-ভুল এগুলো তো খুবই আপেক্ষিক বিষয়। আমার কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল লাগতেই পারে। আবার অন্যের সঠিককেও আমার কাছে ভুল মনে হতে পারে। এর কারণ, তার আর আমার মানসিকতার পার্থক্য। এখন আমি তো চাইলেই তাকে আমার মতো মানসিকতার অধিকারী করে তুলতে পারি না। তাই সেটি নিয়ে আমার বাড়াবাড়িও করাও উচিত না। আমি সর্বোচ্চ যেটি পারি, তা হলো একটি গঠনমূলক বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন একটি আবহ তৈরি করা, যেখানে আমিও আমার মতটা তুলে ধরতে পারব, আবার সে-ও তার মতটা তুলে ধরতে পারবে।
নিজেদের অবস্থানকে এভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু কখনো বিষয়টা এমন হওয়া যাবে না যে শুধু আমি একাই কথা বলে যাব, অপর পক্ষকে শুধু শুনে যেতে হবে। নিজের কথা বলার পাশাপাশি আরো বেশি মনোযোগ দিয়ে আমাদেরকে অন্যের কথা শুনতে হবে। আবার এমনটিও নয় যে বিতর্ক শেষে কোনো একটি পক্ষকে হার মানতেই হবে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় না পৌঁছেও বিতর্ক করা যেতে পারে, যা সবাইকে সমান সুযোগ দেয় নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করার। এই সুযোগটি আমাদের অবশ্যই সবাইকে দিতে হবে, এবং একটি মত যতই আমাদের অপছন্দ হোক না কেন, সেটিকে প্রকাশ করতে দিতেই হবে।
হতে হবে বিনয়ী ও মার্জিত
আমরা অন্যকে যা বলি বা অন্যের সাথে যা করি, সেগুলো আসলে আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বেরই প্রতিনিধিত্ব করে। ধরুন কেউ আমার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি যথাসম্ভব বিনয়ের সাথে তার কথার প্রত্যুত্তর দিলাম। এতে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে ওই মানুষটির অবস্থান আমার চেয়ে অনেক উপরে, তাই আমি ভয় পেয়ে তাকে অনেক সম্মান দেখাচ্ছি। ভয় থেকেই যে সবসময় সম্মান উৎসারিত হয়, এ আমাদের খুবই ভুল ধারণা। আমি অন্যের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে পারি, বিনয়ী হতে পারি এ কারণেও যে, আমি নিজে একজন ভালো মনের মানুষ, তাই অন্য কেউ আমাকে সম্মান না করলেও আমি তাকে ঠিকই সম্মান করি।
অনেকে আবার এমনটিও মনে করে যে, বিনয় কিংবা মার্জিত আচরণ বোধহয় মানুষের দুর্বলতা। যদি একজন মানুষ সবল হতো, তাহলে তার সবসময় এত বিনয়ী হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। এটিও আসলে একটি ভুল ধারণা। আমি যদি সবসময় কারো প্রতি বিনয়ী থাকি, মার্জিত আচরণ করি, সেটিই বরং আমার সবচেয়ে বড় শক্তিমত্তার জায়গা। শক্তিমত্তা এ কারণে যে, আমার আচরণ অন্যের দ্বারা প্রভাবিত নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
একজন আমাকে একটি গালি দিলে আমি তাকে উল্টো দুটি গালি যদি দিই, তাতে আমি আসলে জিতব না। বরং এটিই প্রমাণিত হবে যে আমার ব্যক্তিত্ব একদমই ভঙ্গুর ও পলকা, আমাকে খুব সহজেই প্ররোচিত করা যায়। অথচ আমাকে একজন দশটি গালি দিলেও যদি আমি তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি, এটি দিনের আলোর মতো প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি আসলেই একজন ভালো মানুষ, আমার ভালোমানুষি কোনো আপেক্ষিক বিষয় নয়।
অন্যের সাহায্য করতে হবে
আমি যদি একা একাই সফলতার সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাই, আমার আশেপাশের সবাইকে অনেক পেছনে ফেলে দিই, তাতে কি খুব বেশি লাভ আছে? নেই। কারণ তখন আমি হয়তো অনেক খ্যাতি-সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক হবো ঠিকই, কিন্তু আমার আপনজনদের সাথে আমার অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে না আমি পারব তাদের কাছে ফিরে যেতে, না তারা পারবে আমার কাছে পৌঁছাতে। তাই দিনশেষে দেখা যাবে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও আমি বড্ড একা, নিঃসঙ্গ, নির্বান্ধব। সাফল্যমণ্ডিত ওই জীবনও খুব হতাশার, অবসাদের।
এ কারণেই, শুধু নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আশেপাশের সবার দিকে। এমন নয় যে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবার জন্যই কিছু না কিছু করা। কারণ মানুষ হিসেবে অবশ্যই আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা তো অন্তত করতে পারি। দশজন যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, এবং তার মধ্যে একজনকেও সাহায্য করতে পারি, সেটি নেহাত কম কিছু নয়। আর যে বাকি নয়জনকে সাহায্য করতে পারলাম না নিজেদের সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার কারণে, তাদেরকেও আমরা মুখে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারি, সুন্দর ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা দিতে পারি।
তাছাড়া আরেকটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি যে আমরা কাউকে সাহায্য করছি মানে তার খুব নিঃস্বার্থ উপকার করে ফেলছি তা কিন্তু নয়। আজ আমরা যাকে সাহায্য করছি, সে হয়তো আমাদের সাহায্যের কথা মনে রাখবে। এবং ভবিষ্যতে কোনোদিন যদি আমাদেরও কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, সে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। এ কথা অবশ্যই সত্য যে ঢালাওভাবে সবাইকে কৃতজ্ঞ বলা যায় না। কেউ কেউ হয়তো আমাদের উপকারের কথা মনে রাখবে না, আমাদেরকে ভুলে যাবে। তবু কিছু মানুষকে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রয়োজনে পাশে পাব। সেটিই বা কম কী!
কাটিয়ে উঠতে হবে পরশ্রীকাতরতা
অন্যের উন্নতি বা ভালো দেখলে স্বভাবতই আমাদের অনেকের মনে একধরনের হাহাকার জেগে ওঠে। কেউ কেউ আবার সূক্ষ্ম ঈর্ষাবোধও করি। কিংবা ভাবি, “আমি যা করতে পারিনি বা হতে পারিনি, ও কীভাবে তা পারল!” অর্থাৎ নিজেদের সাথে তুলনা করে যখন আমরা উপলব্ধি করি যে কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা মানসিক যাতনায় ভুগি, অস্থির হয়ে পড়ি।
অথচ এই ধরনের হিংসা কখনোই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। অন্য কারো ভালো দেখলেই যদি আমরা মনে মনে জ্বলেপুড়ে মরতে থাকি, তাতে করে আমাদের শুভবুদ্ধি লোপ পায়। অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি নিজেরাও হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি। নিজেদের কাছেই নিজেরা অনেক বেশি ছোট ও তুচ্ছ হয়ে যাই। নিজেদের জীবনকে অনেক অর্থহীন মনে হয়।
কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যের অবস্থা থেকে মনে নেতিবাচক শক্তি উৎপাদনের পরিবর্তে আমরা যদি নিজেদের যা যা ভালো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতাম, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতাম, তাহলে কি আমাদের মনে শান্তি ফিরে আসত না? আবার অন্য কেউ অনেক উন্নতি করেছে মানে তো আর এমন নয় যে আমরা কোনোদিন ওই ধরনের উন্নতি করতে পারব না। আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যারা উন্নতি করে, তারা সেই সম্ভাবনাগুলোর সদ্ব্যবহার করে। আমরাও যদি তা করতে পারি, তাহলে আমরাও পারব উন্নতির শীর্ষাসনে আরোহণ করতে। আর যদি আমাদের মনে হয় আমরা যাবতীয় চেষ্টা-চরিত্র করে যাচ্ছি তবু এখনো সফল হতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে কোথাও নিশ্চয়ই কোনো খামতি থেকে যাচ্ছে।
সুতরাং আমাদের উচিত হবে অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার বদলে, নিজেদের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগানো নিজেদের খামতিগুলোকে খুঁজে বের করার পেছনে। পাশাপাশি কীভাবে, কোন কোন জায়গায় আমাদের আরো বেশি শ্রম দেয়ার অবকাশ রয়েছে, সেগুলোও আমরা ভাবতে পারি। সর্বোপরি, অন্যের উন্নতি দেখে যদি আমরা ঈর্ষান্বিত বা হতাশ না হয়ে বরং নিজেরাও সেগুলো থেকে অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি, তাহলে আখেরে লাভটা হবে আমাদেরই।
হতে হবে সহানুভূতিশীল
আমরা অনেকেই হয়তো কেবল নিজেদের দুঃখ-কষ্টগুলোকেই বড় করে দেখি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই যে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে, তা আমরা ভাবি না। কারণ আমরা মনে করি, “আরে, ও আর এমন কী খারাপ আছে! ওর চেয়ে তো আমি বেশি খারাপ দিন কাটাচ্ছি!”
এখানে দুটি বিষয় খেয়াল করা দরকার। প্রথমত, আপনি-আমি খুব খারাপ আছি বলে কিন্তু অন্য কোনো মানুষের খারাপ থাকাটা মিথ্যা হয়ে যায় না। সব জায়গায় এমন তুলনা করাও উচিত না। হ্যাঁ, হতেই পারে যে আমরা অনেক বেশি খারাপ আছি। তারপরও, অন্য কেউ খারাপ থাকলে, তার খারাপ থাকাটাও সমান স্বীকৃতির দাবিদার। আপনি-আমি বেশি খারাপ আছি বলে অন্য কারো খারাপ থাকাকে উড়িয়ে দেয়া, অস্বীকার করা খুবই বাজে কাজ। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেককে কষ্ট দিয়ে ফেলি। আর দ্বিতীয় কথাটি হলো, অন্য কারো খারাপ থাকাকে যদি আমরা গুরুত্ব দিই, এতে করে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকাটাও মিথ্যা হয়ে যায় না। কিংবা বিষয়টি এমনও দাঁড়ায় না যে আমরা অন্যের খারাপ থাকাকে স্বীকার করে নিচ্ছি বলে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে এরপরও যদি আমরা নিজেদের খারাপ থাকার প্রসঙ্গ কখনো তুলি, সেটি ধোপে টিকবে না!
আসলে বর্তমান সমাজটাই কেমন যেন প্রতিযোগিতানির্ভর হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পদে পদেই প্রতিযোগিতা। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি খারাপ আছে, এ নিয়েও প্রতিযোগিতা! ভাবখানা এমন যেন সব জায়গায় নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে পারলেই জীবনটা সার্থক হয়ে যাবে। আমাদেরকে এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যদের আবেগ-অনুভূতির দিকে অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে তাদের অবস্থা-পরিস্থিতি-পারিপার্শ্বিকতা থেকেই উপলব্ধি করার চেষ্টা হবে। সব জায়গায় শুধু নিজেদের উদাহরণ বা তুলনা টানলে চলবে না। কেবল তাহলেই আমরা সত্যিকারের সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারব। অন্য কারো দুঃখ-কষ্টকে তখন আমাদের তুচ্ছ বা সামান্য বলেও মনে হবে না। বরং তাদেরকে সঠিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের মন কিছুটা হলেও ভালো করতে পারব।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে
প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অনেকের দ্বারাই উপকৃত হই। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই আমরা এই কৃতজ্ঞতাটা প্রকাশ করি। যেমন: গ্রীষ্মকালে প্রখর রোদের ভিতরও হয়তো রিকশাওয়ালা আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিলেন। কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ওয়েটার আমাদেরকে একটি ভালো টেবিলে নিয়ে বসালেন। আমরা ভাবি, রিকশাওয়ালা তো এই কাজ করছেন ভাড়ার জন্য। আবার ওয়েটার এমন করছেন কিছু বাড়তি টিপসের জন্য। এভাবেই সব জায়গায় আমরা টাকা-পয়সার প্রসঙ্গ টেনে আনি। অথচ ভেবে দেখি না, কোনো কাজের উদ্দেশ্য কেবল টাকা-পয়সাই নয়। কিংবা তা যদি হয়ও, আমরা নিজেরা যে উপকৃত হচ্ছি, সেটি কখনোই মিথ্যা হয়ে যায় না।
আমাদের উচিত জীবনে চলার পথে সকল ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ হওয়া, এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। কেউ যদি এমন সামান্যতম কোনো কাজও করে থাকে, যার ফলে আমরা কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছি, তাহলে অবশ্যই আমাদের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া। আমাদের মনোভাব এমন হওয়া যাবে না যে কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হলে বা কাউকে একটু সম্মান দিলে আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব হ্রাস পাবে। কৃতজ্ঞতাবশত কাউকে সম্মান দেখালে কখনোই আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব খাটো হয়ে যায় না, বরং এটিই প্রমাণ হয় যে আমরা উপকারীর উপকারকে কখনো ভুলি না, তাদের উপকার আমাদের স্মরণে থাকে।
অজুহাত দেয়া যাবে না
কোনো কাজ যদি ভুল হয়ে যায়, আমরা সবার আগে যা করি তা হলো অজুহাত দেয়া। অর্থাৎ কীভাবে অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনার উপর আমাদের ভুলের দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায়। এই প্রবণতা বর্জন করতে হবে। অজুহাত দেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিতে হবে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ভুলগুলো সবসময়ই দৃশ্যমান, কিন্তু অজুহাত সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয়। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো ভুল করে বসি, সেটি সকলের নজরে পড়বে ঠিকই। অথচ আমরা যদি কোনো অজুহাত দিই, তাতে খুব কম মানুষই কর্ণপাত করবে, আরো অনেক কম মানুষ সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে। মাঝখান থেকে আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। লোকে ধরে নেবে, আমরা এমনই দুর্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয়ার মতো মানসিক শক্তি আমাদের নেই।
তাই এখন থেকে আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কোনো কাজে যদি ভুল হয়েই যায়, চোখে পড়া মাত্র সেই ভুল স্বীকার করে নেয়া। পাশাপাশি কী কারণে ভুলটি হলো, তা-ও নিজে নিজেই খতিয়ে দেখতে হবে, এবং সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।
ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে
শুরুটা করেছিলাম ভালোবাসার কথা দিয়ে। শেষটাও করব ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু শুরুর সেই ভালোবাসা নিজের প্রতি হলেও, এবারের ভালোবাসা সকলের প্রতি।
‘ভালোবাসা’ কথাটিকে নেহাত রোমান্টিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, একে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার অনুশীলন করতে হবে। নিজেকে তো ভালোবাসতে হবেই, পাশাপাশি ভালোবাসতে হবে আশেপাশের প্রতিটি মানুষকে। আর শুধু মানুষই বা কেন, ভালোবাসতে হবে সকল জীবকে। প্রাণ আছে এমন প্রত্যেককে ভালোবাসতে হবে, তাদেরকে ভালো রাখতে হবে।
যখন আমরা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ বা বিশ্বের সকলকে ভালোবাসব, তখন আশেপাশের সবার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে। আগে হয়তো আমরা সবকিছুতেই কেবল সমস্যা খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখন আমরা ভালোবাসার চোখ দিয়ে আমাদের পরিপার্শ্বকে দেখব, তখন তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধও আরো বেড়ে যাবে, এবং তাদের প্রতি মনের নেতিবাচকতাও দূর হবে। আশেপাশের যারা ভালো, তাদেরকে আগলে রাখতে চাইব, এবং যারা হয়তো আমাদের দৃষ্টিতে খারাপ, তাদেরকেও ঘৃণা করার বদলে, সংশোধনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাব, তাদেরকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাইব।
সূত্রঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনকোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে চাই, কিছু গরুর ছবি দিন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন লাল এবং সাদা হলস্টেইন লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০বিস্তারিত পড়ুন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০ কেজির মত হয়ে থাকে এবং ষাঁড়ের ওজন গাভী থেকে বেশি। যেকোন পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলার দক্ষতার কারণে এই জাত বেশ জনপ্রিয়। দুধ উৎপাদনে এর পারফর্মেন্স ও বেশ সন্তোষজনক।
নওরেজিয়ান রেড
নওরেজিয়ান রেড জাতটি নরওয়ে থেকে উৎপন্ন, জনপ্রিয় ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১৩০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৬০০ কেজি। লাল, লালা-সাদা, লাল-সাদা-কালো সংকর – যেকোন রঙয়ের ই হতে পারে। এই জাতের গরুর জীবনকাল অন্য জাতের চেয়ে অনেক বেশি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং যেকোন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনায় এটি অন্যতম সেরা একটি জাত। এটি সাধারণত এক ল্যাকটেশনে ১০,০০০ লিটার এর মত দুধ দিয়ে থাকে। ফলে এক্ষেত্রেও এটি প্রণিধানযোগ্য।
নরম্যান্ডি ক্যাটল
নরম্যান্ডি ক্যাটল জাতটি উৎপন্ন হয়েছে ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হতে। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। সাদার মধ্যে বাদামি-কালো ছোপ এই ব্রিডের বৈশিষ্ট্য। বাদামি চুলের আধিক্যের কারণে অনেক সময় বাঘের ছাপের মত দেখায়। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১১০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৭০০ কেজি। এরা বেশ শান্ত প্রকৃতির গরু হওয়ায় ব্যবস্থাপনা সহজ। এই জাতের গরু থেকে এক ল্যাকটেশনে ৬০০০ লিটার পর্যন্ত দুধ পাওয়া যেতে পারে, দিনপ্রতি ২০ লিটার এর মত। দুধ প্রোটিন এবং বাটারফ্যাট এর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন একটি ট্রিপল পারপাস ব্রিড অর্থাৎ এটিকে দুধ, মাংস এবং ভারী মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিডের উৎপত্তি ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এবং আমেরিকায় আনা হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে। এটি মাংসের জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম জাতগুলোর একটি। এর গায়ের রঙ মূলত লাল, লাল এর বিভিন্ন শেড দৃশ্যমান এর গায়ের বিভিন্ন অংশে। গাভীর ওজন গড়ে ৫০০ কেজি, ষাঁড়ের ক্ষেত্রে যা ৭০০ কেজির মত হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারা, উচ্চ ফলনশীলতা, প্রজননে সহজতা – এসব কারণে এই জাতটি বেশ জনপ্রিয়। মাংসের জন্য এটি বেশ উপযোগী, ভারবহনে সক্ষম এবং দুধের ক্ষেত্রেও বেশ উৎপাদনশীল। এক ল্যাকটেশনে ৫০০০-৫৫০০ লিটার দুধ দেয়, দৈনিক প্রায় ২৩ লিটার এর মত।
মিল্কিং শর্টহর্ন
১৭৮০ সালের দিকে এই জাত প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রে। এটি লাল, সাদা হয়ে থাকে। আকারে মূলত মাঝারি হয়। ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব দিকের টিস নদীর অববাহিকায় এদের জন্মস্থান। এদের সঙ্গে মিল আছে সুইডিস রেড গরু, ইলাওরা গরু যা অস্ট্রেলিয়ার। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড কিন্তু প্রধানত দুধের জন্য ব্যবহৃত হয়। রুক্ষ প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে নিতে পারা এই মাঝারি আকৃতির গরুর ওজন ৬৪০-৬৮০ কেজির মত হয়। মূলত বাদামি লাল বর্ণের এ গরুর গায়ে সাদা সাদা ছোপ থাকতে পারে। এক ল্যাকটেশনে বছরে প্রায় ৭০০০ লিটার দুধ দিতে পারে এ গরু।
ব্রাউন সুইস
এটিই গৃহপালিত গরুর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো জাত। এরা ধূসর বাদামি বর্ণের। এদের আদি নিবাস সুইজারল্যান্ড। ডেইরি গবেষকদের মতে দুধ দেওয়া প্রজাতির মধ্যে এই জাতটিই সবচেয়ে পুরনো। এদের ব্যাপারে মজার তথ্য হলো, গ্রীষ্মের সময় এরা পাহাড়ের উঁচু দিকে চলে যেতে পারে। তাই এদের গলায় ঘণ্টা পরানো হয় যাতে কৃষকেরা তাদের খুঁজে পায়। বিশুদ্ধ বাদামি বর্ণের (অত্যন্ত গাঢ় বা হালকা) হয়ে থাকে। পিছনের অংশ ও নাকের চারপাশের অংশ অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশি গাঢ়। এটি একটি বিশাল গরু যার ওজন প্রায় ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সদ্য জন্মগ্রহণ করা বাছুরের ওজন ৪৫-৪৮ কেজি। গর্ভকাল দীর্ঘ। শান্ত ও সহজে উত্তেজিত হয়না। দৈনিক দুধ উৎপাদন প্রায় ২১-২৮ কেজি। দুধে ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬-৪.৪% ও প্রোটিন ৩.৫% প্রায়।
গারনেসি
ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের দুই দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, ইংলিশ চ্যানেলের আইল অফ গারনেসি নামক স্থানে এই জাতের উৎপত্তি। মাথা বড়, সামনের দিকে উত্থিত শিং, মাঝারি আকৃতি এই গরুতে সোনালি হলুদ ছোপ থাকে। লোমবিহীন অংশ হালকা গোলাপী রঙয়ের হয়ে থাকে। হলুদাভ দুধে৫% এর মত ফ্যাট থাকে, ৪০০০ লিটার এর মত দুধ দেয় এক ল্যাকটেশনে মানে এই পরিমাণ দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে। এক বছরে হায়েস্ট ১৩,৫০০ লিটার দুধ দেয়ার রেকর্ড আছে এক ল্যাকটেশনে । কিন্তু ডুয়াল পারপাস ব্রিড (দুধ ও মাংস) না হওয়ায় এই জাতটা প্রতিযোগিতায় পিছনে পড়ে যাচ্ছে।
আয়ারশায়ার
সাদা শরীরে লালচে বাদামি ছোপের এই গরুগুলো আকারে মাঝারি। স্কটল্যান্ডের আইর দ্বীপপুঞ্জে তাদের আদি জন্মস্থান। এদের শিং-এর জন্য এরা বিখ্যাত। এরা লম্বায় অনেক সময় কয়েক ফুট হতে পারে। বাহ্যত, এই গরু একটি অনুপাতিক শারীরিক সঙ্গে, বেশ শক্তিশালী গঠিত হয়।এই গরু খুব ভাল ঠান্ডা সহ্য, কিন্তু গরম অবস্থায় তারা ধীরে ধীরে চলন্ত। বয়ঃসন্ধিকালে গরুর ওজন 420-500 কেজি, এবং একটি ষাঁড়, 700-800 কেজি হতে পারে। বাছুর ছোট, 25-30 কেজি প্রতিটি জন্ম হয়। আয়ারশায়ার গরুর পুরো সময়কালে 4-4.3% চর্বিযুক্ত 4000-5000 কেজি দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে।
জার্সি
বড় বড় চোখ আর বাদামি রঙের জন্য জার্সি গরুগুলো বিখ্যাত। এর দুধও ঘন ননিযুক্ত। এটি কয়েক রকমের হয়ে থাকে। কোনোটি হালকা বাদামি হয়, কোনোটি আবার ধূসর থেকে কালো রঙেরও হয়ে থাকে। এগুলো আকারে খুব বড় হয় না। বড় মুখে মাঝারি চোখ, দীর্ঘ চোখের পাপড়িযুক্ত জাতের গরুগুলো সবার কাছেই প্রিয়। এদের আদিনিবাস জার্সির দ্বীপপুঞ্জে যা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত। বর্তমানে এ জাতটি ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। গায়ের রং লাল বা মেহগনি হয়। পূর্ণবয়স্ক গাভীর ওজন ৪০০-৫০০ কেজির মতো এবং ষাঁড়ের ওজন ৫৪০-৮২০ কেজি হয়ে থাকে। সদ্যোজাত বাছুরের ওজন ২৫-২৭ কেজি।
হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান
গৃহপালিত গরুর জাতের মধ্যে সাদা-কালো ছোপযুক্ত এই গরুটি সবচেয়ে পরিচিত। এরা আকারে বড় হয়। দুটো গরুর ছোপ দাগগুলো কখনো একই রকম হয় না। শীতপ্রধান অঞ্চলের এ জাতের গরুর উৎপত্তিস্থল হল্যান্ডের ফ্রিজল্যান্ড প্রদেশে। এরা দুধের জন্য বেশ বিখ্যাত। দৈনিক ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। গায়ের চামড়া ছোট-বড় কালো ছাপযুক্ত। এমনকি পুরোপুরি সাদা ও কালোও হতে পারে। গাভীর ওজন হয় প্রায় ৫৫০-৬৫০ কেজির মত এবং ষাঁড়ের ওজন হয় ৮০০-৯০০ কেজি পর্যন্ত। ১৮-২৪ মাস বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করে। সদ্যজাত বাছুরের গড় ওজন হয় ৩০-৩৬ কেজির মতো।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনসিলেটের বন্যা পরিস্থিতির জন্য কোন বিষয়গুলো দায়ী?
গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টির কারণেই এই বন্যা। তবে এর বাইরেও বেশ কিছু কারণ আছে৷ হাওরে অবকাঠামো নির্মাণ, নদীর তলদেশ পলিমাটিতে ভরে যাওয়া, অপরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন, পুকুর-খাল ময়লাবিস্তারিত পড়ুন
গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টির কারণেই এই বন্যা। তবে এর বাইরেও বেশ কিছু কারণ আছে৷
হাওরে অবকাঠামো নির্মাণ, নদীর তলদেশ পলিমাটিতে ভরে যাওয়া, অপরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন, পুকুর-খাল ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়াকেও দায়ী করছেন তারা৷ তবে কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ হাওরের অবকাঠামো এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন না৷
এবারের বন্যা এত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেল স্টেশন, এয়ারপোর্ট সবই বন্ধ করে দিতে হয়েছে৷ পুরো সিলেট শহর এখন পানির নিচে৷ এখন পর্যন্ত অন্তত ৪০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন৷ বিদ্যুৎহীন সিলেট-সুনামগঞ্জের মানুষ পুরো নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন৷ সুনামগঞ্জ পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে৷ পরিস্থিতি ভয়াবহতা এতটাই বেশি যে, সামাল দিতে সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে নামাতে হয়েছে৷
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সিলেট বিভাগে বন্যা এতটা তীব্রতা পাওয়ার কারণ, পানি নামতে বাধা পাচ্ছে৷ হাওরে নানা অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে৷ এটা পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করছে৷ কারণ এই অঞ্চলের পানি হাওর হয়ে নদী দিয়ে নেমে যায়। শুধু এই অবকাঠামো নয়, পাশাপাশি নদী নাব্যতা হারিয়েছে। এতে পানি দ্রুত সরতে পারছে না৷’’
তবে ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং পানি সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, ‘‘এটা একেবারেই স্বাভাবিক বন্যা৷ এই বন্যার সঙ্গে হাওরের অবকাঠামোর কোন দায় নেই৷ এখন যে বন্যাটি হয়েছে এটা হয়ত দুই সপ্তাহ আগে হয়েছে। এটা দুই সপ্তাহ পরে হতে পারত। অনেক সময় স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি বৃষ্টি হলেই বন্যার সৃষ্টি হয়৷ এবারও তাই হয়েছে৷ কয়েক বছর পরপরই এটা হয়ে থাকে৷ এর সঙ্গে অন্য কিছু মেলানো ঠিক না৷ তবে হ্যাঁ, জলবায়ু পরিবর্তনের দায় কিছুটা আছে৷’’
শনিবারের বৃষ্টিতে সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে অনেক উঁচু এলাকাও প্লাবিত হয়ে পড়ছে৷ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১টার মধ্যে নতুন করে শহরের অন্তত ২৫টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে৷ এর ফলে সিলেট শহরের পুরোটা কার্যত প্লাবিত হয়ে পড়ল৷ এ অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে এসব স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে৷ গত বুধবার তৃতীয় দফায় বন্যা শুরু হওয়ার পর সুরমা নদীর পানি উপচে নগরের অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছিল৷ রেল স্টেশনও বন্ধ করা হয়েছে৷
জল গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এবারের এইরকম আকস্মিক বন্যার পিছনে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে অতিবৃষ্টি একটি বড় কারণ৷ হাওরের অবকাঠামোর এক্ষেত্রে কোন ভূমিকা আছে বলে আমার মনে হয় না৷ গত তিনদিন চেরাপুঞ্জিতে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে, ২ হাজার ৪৮৭ মিলিমিটার, এখনো সেখানে বৃষ্টি হচ্ছে৷ এরকম ধারাবাহিক বৃষ্টি হয়েছে ১৯৯৫ সালে একবার, তিনদিনে ২ হাজার ৭৯৮ মিলিমিটার আর ১৯৭৪ সালে ২ হাজার ৭৬০ মিলিমিটার৷ এরকম খুব কম দেখা গিয়েছে। হাওরের অবকাঠামো যদি পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করত তাহলে ভৈরব ব্রিজটিই হতো মূল কারণ৷ সেটা তো পানি প্রবাহে কোন বাধার সৃষ্টি করছে না, তাহলে হাওরের এগুলো আসবে কেন?’’
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মনে করেন, ‘‘হঠাৎ এই বন্যার পেছনে চেরাপুঞ্জির প্রবল বৃষ্টিপাত প্রধান কারণ৷ তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে আবহাওয়া-জলবায়ু বা বৃষ্টির ধরন বদলে গিয়েছে৷ এখন বৃষ্টি হলে অনেক বেশি গভীর বৃষ্টি হয়৷ চেরাপুঞ্জিতে যখন বৃষ্টি হয়, সেটা ছয় থেকে আট ঘণ্টার ভেতরে তাহিরপুরে চলে আসে৷ কিন্তু সেখানে এসে পানি তো আর দ্রুত নামতে পারছে না৷ ফলে তখন সেটা আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে বন্যার তৈরি করছে৷ বিশেষ করে ভারতের উজানে পাথর উত্তোলনের ফলে মাটি আলগা হয়ে নদীতে চলে আসে৷ ফলে নদীর তলদেশ ভরে যায়। সেখানে নাব্যতা সংকট তৈরি হচ্ছে৷ সেখানে গাছও কেটে ফেলা হচ্ছে৷ এর পাশাপাশি নদীগুলো ঠিকমতো ড্রেজিং না হওয়া, ময়লা-আবর্জনায় নদীর তলদেশ ভরে যাওয়া, ঘরবাড়ি বা নগরায়নের ফলে জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়াও এর জন্য দায়ী৷ হাওরে বিভিন্ন জায়গায় পকেট আমরা রোধ করে ফেলেছি৷ ফলে পানি প্রবাহে বাধার তৈরি হচ্ছে৷”
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি আরও দু-তিন দিন ধরে অবনতি হতে পারে৷ উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতিরও দ্রুত অবনতি হওয়ার আশঙ্কা আছে, কারণ, উজানে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে৷ বাংলাদেশেও বৃষ্টি চলছে৷”
বন্যার পানি নামতে কী কোথাও বাধার সৃষ্টি হচ্ছে? জানতে চাইলে জনাব ভূঁইয়া বলেন, ‘‘পানি স্বাভাবিকভাবে নামছে না, এটা আমাদের মনে হয়েছে৷ কিন্তু কেন নামতে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে, সেটা আমি বলতে পারব না৷ এর কারণ নির্ধারণে মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা কমিটি করা হয়েছে৷ ওই কমিটির রিপোর্ট পেলেই জানা যাবে কোথায় এই বাধার সৃষ্টি হচ্ছে৷”
বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের মেঘালয় ও আসামে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশে উজান থেকে পানি আসা বন্ধ হবে না৷ সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির আশা নেই৷ দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে৷ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ বলছে, সিলেট বিভাগের বন্যা এর আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে৷ উজান থেকে আসা ঢলে এই বিভাগের বেশির ভাগ এলাকা এখন পানির নিচে৷ সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ নেই, সুপেয় পানি নেই, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক নেই৷ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে৷
সূত্রঃ dw.com
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক pdf, বিষয় সমূহ, মানবন্টন, রেজাল্ট এবং ভর্তি নির্দেশিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করেবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন নিন ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক (Dhaka University Gha Unit Question Bank PDF)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ
ঘ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত ইউনিট । অর্থ্যাৎ যেকোন বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এই এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন । ঘ ইউনিটে ৫৫ টি বিভাগের অধীনে মোট ১৫৬০ টি আসন রয়েছে । বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আসন বরাদ্দ রয়েছে । ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয় । ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করা হয় ।
ঘ ইউনিট এর নতুন মানবন্টন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে । ঢাবি ঘ ইউনিটে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে । যার মধ্যে ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ।
ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পূর্বে অবশ্যই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মানবন্টন সম্পর্কে জানতে হবে । কারন প্রশ্নের মান বন্টন ও বিষয়ের উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মান , ধরন ও বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখতে হবে । আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF Version” । এতে করে আপনি সহজেই প্রশ্নপত্র গুলো দেখতে পারছেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারছেন । নিচে ঢাবি ঘ ইউনিট এর ১০ বছরের প্রশ্ন পিডিএফ আকারে দেওয়া হল । আপনার চাহিদামত ডাউনলোড করে নিন ।
DU D Unit Question Bank PDF
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ admissionwar
গনোরিয়া রোগের লক্ষণ, ওষুধ, চিকিৎসা ও মুক্তির উপায়
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়। গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিরবিস্তারিত পড়ুন
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়।
গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশার ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গনোরিয়ার জীবাণু ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ দীর্ঘদিন শরীরের বাইরে টিকে থাকতে পারে না। এরা বেঁচে থাকে কেবল নিবিড় যৌন মিলনের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়ে।
পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে পুঁজ বের হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত জীবাণুবাহিত রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।
সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষরাই এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শুধু নারী ও পুরুষের মেলামেশার কারণেই এ রোগ ছড়ায়।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিসচার্জ
এই রোগের ইনফেকশনের সর্বাধিক কমন লক্ষণ হচ্ছে ডিসচার্জ। ডিসচার্জ পাতলা হতে পারে অথবা ঘন হতে পারে, এটি পুরুষভেদে নির্ভর করে। সিডিসি অনুসারে, কোনো পুরুষ ইনফেক্টেড হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তার ডিসচার্জের অভিজ্ঞতা হবে। ডিসচার্জের বর্ণ কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন কিংবা ডিসচার্জ প্রতিনিয়ত হোক বা অনিয়মিত হোক, কোনো ডিসচার্জই স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের ডিসচার্জ হলে আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
নিতম্বে চুলকানি
মায়ো ক্লিনিক অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।
গলা ব্যথা
ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না। কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।
ব্যথা বা ফোলা
গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষ, ছড়ানো শুরু করলে এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।
গর্ভাবস্থায়
গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে নারীর বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় নারীরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা
এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা
সাধারণত পেনিসিলিন ব্যবহারে সংক্রমণ সেরে যায়। পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। জটিলতাহীন গনোরিয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত একক মাত্রায় উপযুক্ত জীবাণুবিরোধী বা অ্যান্ট্রিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ বেশ ভালো কাজ দেয়। এছাড়া অবস্থা জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই উত্তম।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনবিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট, bcs syllabus আর bcs seat plan বের করার প্রকৃয়া
ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩
ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩
সংক্ষেপে দেখুনPaytm Spoof APK Mod 13.1 Download for Android | Download Spoof Paytm APK 2022 (Latest Version) 13.4 – Knowledge World
Download direct from here Download
Download direct from here Download
সংক্ষেপে দেখুনকেন ওবায়দুল কাদের মাসুদকে মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও বলেছিলেন? মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও কবিতা
মিরপুরে বিআরটিএ’র কার্যালয় পরিদর্শনকালে এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের। সংবাদে জানা যায় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন "মাসুদের সঙ্গে দেখা হলেই প্রায় আমি বলি, মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও কিন্তু সে এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি। মাসুদ হচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) একজন কর্মকর্তা। তবিস্তারিত পড়ুন
মিরপুরে বিআরটিএ’র কার্যালয় পরিদর্শনকালে এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের। সংবাদে জানা যায় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন “মাসুদের সঙ্গে দেখা হলেই প্রায় আমি বলি, মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও কিন্তু সে এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি। মাসুদ হচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) একজন কর্মকর্তা। তার পুরো নাম মাসুদুর রহমান। তিনি প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক পদে কর্মরত আছেন। মাসুদ দীর্ঘদিন বিআরটিএতে আছে। ব্যবহার ভালো, মধুর মতো। কিন্তু যা করার একটু ভেতরে ভেতরে করে। মাসুদকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মজার মজার ভিডিও তৈরি হয়েছে। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাসুদকে প্রায় চার বছর আগে ভালো হয়ে যেতে বলেছিলেন। মাসুদ কি সত্যিই ভালো হয়েছেন? মাসুদ ভালো হয়েছেন কিনা তা জানার জন্য তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভিডিওটি প্রসঙ্গে মাসুদ আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, এটি চার বছর আগের ঘটনা। আপনাকে তো ভালো হয়ে যেতে বলেছিলেন মন্ত্রী, ভালো হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তো এখন মিরপুর অফিসে বসি না, হেড অফিসে বসি। এর আগে বার বার তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেও পারা যায়নি। তিনি সবসময়ই পরে কথা বলবো,মিটিংয়ে আছি বলে এড়িয়ে যান। তিনি বার বারই হেসে বলেন,আমি এখন আর ওখানে নেই।
সূত্রঃ edu360bd.com
সংক্ষেপে দেখুনমিলনের কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করালে বোঝা যাবে যে আমি গর্ভবতী?
গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণের জন্য রক্ত পরীক্ষা আপনি যদি বাবা–মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে এটি নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সিদ্ধান্ত এবং ভালোভাবে চিন্তাভাবনার পরেই তা করা উচিত। আপনি গর্ভবতী কিনা তা নির্ধারণ করার সর্বোত্তম উপায় হল গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা করা। অভিভাবকত্বের মধ্যে দিয়ে একটি স্বাবিস্তারিত পড়ুন
গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণের জন্য রক্ত পরীক্ষা
আপনি যদি বাবা–মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে এটি নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সিদ্ধান্ত এবং ভালোভাবে চিন্তাভাবনার পরেই তা করা উচিত। আপনি গর্ভবতী কিনা তা নির্ধারণ করার সর্বোত্তম উপায় হল গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা করা। অভিভাবকত্বের মধ্যে দিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী যাত্রা নিশ্চিত করতে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে এই পরীক্ষা করা হয়।
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা কি?
কোন মহিলা গর্ভবতী কিনা তা নির্ধারণের জন্য গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা করা হয়। অভিভাবকত্বের যাত্রায় এটি হল প্রথম পদক্ষেপ।
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা বেশ কয়েকটি কারণে বিবেচিত হয়
গর্ভাবস্থার নিশ্চয়তার জন্য আপনার কেন রক্ত পরীক্ষা করা উচিত?
ঘরোয়া গর্ভাবস্থার পরীক্ষা নেওয়া সহজ যা মূত্রভিত্তিক পরীক্ষা, এটি আপনার পরবর্তী পিরিয়ডের নির্দিষ্ট সময়ের ধারণা পরিষ্কার না হওয়ার কারণে সর্বদা সঠিক হয় না। অতএব, গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি রক্ত পরীক্ষা কোন মহিলা গর্ভবতী কিনা তা তাড়াতাড়ি নিশ্চিত করে।
গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার জন্য রক্তের পরীক্ষা করার প্রকারগুলি
গর্ভাবস্থা নির্ধারণের জন্য দুই ধরণের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। কখন নেওয়া হয় তার উপর নির্ভর করে এই দুটি করা হয়। গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচক বা ইতিবাচক দুই হতে পারে।
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষার দুটি ধরণের
গুণগত রক্ত সিরাম পরীক্ষা
ভেনেপাঙ্কচার নামক একটি পদ্ধতি রয়েছে যা গুণগত রক্ত পরীক্ষার জন্য শিরা থেকে রক্তের নমুনা বের করতে ব্যবহৃত হয়। এটি তাৎক্ষণিক পরীক্ষা এবং রক্তে এইচসিজির স্তর সনাক্ত করতে একবারেই করা হয়।
পরিমাণগত রক্তের সিরাম পরীক্ষা
এই ধরণের পরীক্ষায় একটি ভেনেপাঙ্কচার ব্যবহার করা হয়, এটি গর্ভাবস্থা সনাক্ত করতে এবং পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় এইচসিজি–র মাত্রা পরীক্ষা করতে ৪৮–৭২ ঘন্টার মধ্যে দুইবার রক্ত টানা হয়। এই পরীক্ষাটি রক্তে এইচসিজি স্তর সন্ধান করে এবং আগের পরীক্ষা থেকে আরও নির্ভুল, কারণ প্রথমবার কোন মিথ্যা নেতিবাচক ফলাফল পেলে সেই ক্ষেত্রে পরবর্তী পরীক্ষার আগে ওয়েটিং উইন্ডো থাকে।
পরীক্ষাটি কীভাবে সম্পাদিত হয়?
একবার রক্তের নমুনা নেওয়া হয়ে গেলে, গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা করার পর তার ফলাফল আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা ল্যাব প্রযুক্তিবিদ ব্যাখ্যা করবেন। পরীক্ষাটি একজন প্রযুক্তিবিদ বা নার্স দ্বারা করা হয় যিনি প্রথমে শিরা থেকে রক্ত বের করেন যা সাধারণত হাত থেকে নেওয়া হয়। সিরিঞ্জ বা শিশি ব্যবহার করে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা সাধারণত একটি পৃথক ডায়াগনস্টিক ল্যাবে করা হয় এবং তারপরে আপনার ডাক্তারের কাছে প্রেরণ করা হয়, অথবা আপনাকে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে যেতে হতে পারে। পরীক্ষাটি সাধারণত রক্তে এইচসিজি বা গর্ভাবস্থার হরমোনের স্তর চিহ্নিত করে এবং নির্ধারণ করে।
পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়?
একটি পরিমাণগত এইচসিজি পরীক্ষার ফলাফল গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে এইচসিজির মাত্রা বাড়িয়ে তোলা ব্যাখ্যা করতে পারে এবং তারপরে এটি হ্রাস পেতে শুরু করে।
পরীক্ষার কয়েকটি ব্যাখ্যা হল: –
যদি এইচসিজির স্তরগুলি স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয় তবে তা নিচেরগুলিও নির্দেশ করতে পারে
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষার ফলাফল কতটা সঠিক হয়?
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা যদি ডিম্বস্ফোটনের ৭ দিন পরে নির্ধারিত পিরিয়ড হওয়ার তারিখের এক সপ্তাহ আগে করা হয় তবে তা ৯৮–৯৯% সঠিক হয়। যদিও মিথ্যা নেতিবাচক ফলাফল এবং মিথ্যা ইতিবাচক ফলাফলের সম্ভাবনাও রয়েছে।
মিথ্যা নেতিবাচক ফলাফল
এর অর্থ হল যে আপনি আসলে গর্ভবতী, তবে পরীক্ষার ফলাফলগুলি দেখায় যে আপনি নন। সাধারণত টেস্টটি খুব তাড়াতাড়ি নেওয়া হলে এটি রক্তে এইচসিজির মাত্রা সনাক্ত করা কঠিন হয়, যার ফলে এটি নেতিবাচক ফলাফল দেখায়। আপনি যদি মনে করেন এটি সঠিক ফলাফল নয় এবং আপনি নিজেকে গর্ভবতী বলে বোধ করেন, তবে আপনার উচিত ৪৮–৭২ ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষাটি পুনরাবৃত্তি করা।
মিথ্যা ইতিবাচক ফলাফল
এর অর্থ হল আপনি আসলে গর্ভবতী নন এবং পরীক্ষাটি দেখিয়েছে যে আপনি গর্ভবতী। এই ফলাফলটি আসতে পারে যদি আপনি নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ নিয়মিত খেয়ে থাকেন বা কোনও নির্দিষ্ট মেডিকেল শর্ত আছে যা উচ্চ মাত্রার এইচসিজির কারণ হয়ে থাকে।
যে ওষুধগুলি ফলাফলের যথার্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে
বেশ কয়েকটি ওষুধ রয়েছে যা গর্ভাবস্থায় নেওয়া রক্ত পরীক্ষার যথার্থতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাদের কিছু নীচে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে
রক্ত পরীক্ষা কত তাড়াতাড়ি গর্ভাবস্থা সনাক্ত করতে পারে?
আপনি যদি ভাবছেন যে রক্ত পরীক্ষা গর্ভধারণের ঠিক পরেই গর্ভাবস্থা সনাক্ত করে, বা আপনি ও আপনার সঙ্গী যদি সন্তান ধারণের চেষ্টা করছেন এবং আপনি যদি মনে করেন যে আপনি গর্ভবতী হতে পারেন তবে আপনার পিরিয়ড মিস করার ঠিক পরে গর্ভাবস্থা সনাক্ত করার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা যায়।
রক্ত ব্যবহার করে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার ঝুঁকি
আজকাল রক্ত–ভিত্তিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষা গ্রহণের সাথে জড়িত ঝুঁকিগুলি একেবারে কমে গেছে কারণ এটি যথেষ্ট নিয়ন্ত্রিত ভাবে করা হয়। এর সাথে জড়িত কিছু ঝুঁকি হল
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা কি ভুল হতে পারে?
আপনি যদি প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থায় রক্ত পরীক্ষা করান তবে সম্ভাবনা হল আপনি গর্ভবতী হলেও কখনও কখনও মিথ্যা ফলাফল দিতে পারে।
আপনি কি ঘরে বসে এই পরীক্ষাটি সম্পাদন করতে পারবেন?
গর্ভাবস্থার রক্ত পরীক্ষা আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের অফিসে বা ডায়াগনস্টিকস সেন্টারে নেওয়া দরকার এবং এটি বাড়িতে নেওয়া যায় না। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে গর্ভাবস্থায় নেওয়া রক্ত পরীক্ষার ফলাফল আসতে কত দিন সময় নেয়। এটি বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে আলাদা হয় এবং পরীক্ষাটি চালাতে আপনাকে হয়তো আগে থেকে নাম লেখাতে হতে পারে।
আপনি গর্ভবতী হতে পারেন এমন কোন অনিভুতি থাকলে প্রথমে আপনার গর্ভাবস্থার পরীক্ষা, বা প্রথমে একটি মূত্র পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ এবং তারপরে অবশ্যই গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। অভিভাবকত্বের যাত্রার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি আজীবন দায়িত্ব।
সূত্রঃ firstcry.com
সংক্ষেপে দেখুন