সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
চাঁদে যদি বাতাস না থাকে তাহলে আমেরিকার পতাকা দুলছিল কেন?
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো। আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো।
আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে বসে থেকে বা পৃথিবীর বাইরে না গিয়ে আমি কিভাবে বুঝবো পৃথিবী গোলাকার?
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো।
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন ছায়া রাউন্ড শেপের হয় কেন? তাহলে নিচের ছবিটি থেকে ধারণা নিতে পারেন।
উপরের যুক্তি খুবই পুরনো। এরকম পুরনো আরও একটি যুক্তি হলো সাগরের দূর থেকে ভেসে আসা কোন জাহাজকে দূরবীন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমে মাস্তুল এরপর ধীরে ধীরে পুরো জাহাজটিকে দেখা যায়। পৃথিবীর বক্রতাজনিত কারণে এমন হয়। যদি পৃথিবী সমতল হত তাহলে একবারে পুরো জাহাজকেই দেখা যেত।
এগুলো ছিলো প্রাথমিক প্রমাণ পৃথিবী গোলাকার বোঝাতে। এরপরও বিশ্বাস না হলে আপনি নাসা’র সাথে যোগাযোগ করে রকেটে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশন থেকে পৃথিবীকে দেখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুনআয়নার রং কি?
আয়নার রঙ সবুজ আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
আয়নার রঙ সবুজ
আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি মহাকাশে একটি বন্দুক দিয়ে ফায়ার করতে পারেন?
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে। ১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে। অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অকবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে।
১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে।
অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অক্সিডাইজার পদার্থ দেয়া থাকে। তাই, মহাকাশে গুলি ছোড়ার ব্যাপারে কোন প্রযুক্তিগত সমস্যা নেই।
২. বিস্ফোরণের ধোঁয়াও গোলক হয়ে ভেসে থাকবে বন্দুকের নলের সামনে।
৩. বন্দুক থেকে গুলি বের হওয়ার বিপরীতি প্রতিক্রিয়ায়, যিনি গুলি ছুড়েছেন তিনি ঠিক উল্টো দিকে ছিটকে যাবেন। এখন প্রশ্ন করা যেতে পারে, এই ছিটকে যাওয়ার গতি কতটা হতে পারে? এক্ষেত্রে যে বন্দুক থেকে গুলি করা হচ্ছে সেই গুলির গতিবেগ জানতে হবে। একে-৪৭ থেকে বের হওয়া গুলির গতি থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৬শ মাইল। তাই মহাশূন্যে একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার পর, যিনি গুলি ছুড়বেন তাকে ঘণ্টায় প্রায় শূন্য দশমিক ০৬৮ মাইল গতিবেগে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।অন্যদিকে পয়েন্ট ফাইভ জিরো ক্যালিবার পিস্তল থেকে বের হওয়া বন্দুকের গুলির গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৩০ মাইল। অর্থাৎ, এর গুলির গতিবেগ একে-৪৭ এর গুলির বেগের চেয়ে কম। কিন্তু স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের বুলেটের ওজন একে-৪৭ এর বুলেটের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ। এর ফলে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন পিস্তল থেকে গুলি ছুড়লে, একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার দ্বিগুণ গতিতে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।
৪. মহাকাশে যেহেতু বায়ুমণ্ডল নেই, তাই গুলির আওয়াজ শোনার সৌভাগ্য হবেনা আপনার।
৫. হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও এসইটিআই ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাতিজা কুকের মতে, মহাবিশ্ব যেহেতু ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। তাই, নক্ষত্র সিস্টেমের বাইরে গিয়ে গুলি করলে, গুলি চলার পথে কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণে বাঁধা পড়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। গ্রহ বা নক্ষত্রের মতো মহাজাগতিক বস্তুর মহাকর্ষ ক্ষেত্রে না পড়া পর্যন্ত গুলির সরল রৈখিক গতি বজায় থাকবে।
তবে যদি কোন গ্রহের কক্ষপথ থেকে গুলি করা হয়, তাহলে কক্ষপথ ঘুরে যিনি গুলি ছুড়েছেন তার পিঠেই গুলিটি বিদ্ধ হতে খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না। তাই, মহাকাশে দেখে, বুঝে গুলি করুন।
ধন্যবাদ! উত্তরটি ভালো লাগলে সেরা উত্তর করে দিতে ভুলবেন না কিন্তু!
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের মুখের ভাষা কেমন করে বদলেছিলো ?
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
সংক্ষেপে দেখুনমরিচ কেন ঝাল লাগে?
মরিচের ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তার নাম ক্যাপসাইসিন (Capsaicin)। এই উপাদানটি জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থিতে উদ্দীপনা জাগায়। ক্যাপসাইসিনের জন্যই মরিচে ঝাল লাগে। যে মরিচে এর পরিমান যত বেশি, সেই মরিচে ঝালের পরিমানও বেশি হয়ে থাকে।
মরিচের ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তার নাম ক্যাপসাইসিন (Capsaicin)।
এই উপাদানটি জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থিতে উদ্দীপনা জাগায়। ক্যাপসাইসিনের জন্যই মরিচে ঝাল লাগে। যে মরিচে এর পরিমান যত বেশি, সেই মরিচে ঝালের পরিমানও বেশি হয়ে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনএকজন শেফের টুপিতে কয়টি ভাঁজ থাকে?
১০০ টি ভাঁজ থাকে। এগুলোকে প্লীট বলা হয়।
১০০ টি ভাঁজ থাকে। এগুলোকে প্লীট বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুননিউজিল্যান্ডের নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত কত লম্বা?
নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত (সরকারি নাম Te-Oneroa-a-Tōhē/Ninety Mile Beach)। নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডের সুদূর উত্তরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত। এই সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ৮৮ কিলোমিটার (৫৫ মাইল)।
নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত (সরকারি নাম Te-Oneroa-a-Tōhē/Ninety Mile Beach)। নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডের সুদূর উত্তরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত।
এই সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ৮৮ কিলোমিটার (৫৫ মাইল)।
সংক্ষেপে দেখুনজিরাফের জিভের রং কি?
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন! ধন্যবাদ!
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন!
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবোতলজাত পানির মেয়াদ কেন শেষ হয়?
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন“ম্যানহোল” কেন গোলাকার?
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন? ১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব। ২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকারবিস্তারিত পড়ুন
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন?
১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুন২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকার টিউব ম্যানহোলের জন্য সবচেয়ে ঘাতসহিষ্ণু এবং এর তৈরিতে উপাদানও তুলনামূলক কম লাগে।
৩. গোলাকার ম্যানহোল বসানোর সময় কোন নির্দিষ্ট দিকে বসানো লাগে না, একভাবে বসিয়ে দিলেই হয় ।
৪. গোলাকার ম্যানহোলের মত এর কভারও গোলাকার হওয়ার কারনে তৈরিতে তুলনামূলক কম মেটাল লাগে মানে তৈরি খরচ কম।
পশ্চিমে যাওয়ার আগে আপনি কতদূর পূর্বে যেতে পারবেন?
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
সংক্ষেপে দেখুনবিপরীতের বিপরীত কি একই নাকি বিপরীত?
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ সমার্থক, সমান, সম, এক বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক। ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ: সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)। ইংরেজি ভাষায়বিস্তারিত পড়ুন
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ
সমার্থক, সমান, সম, এক
বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক।
ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)।
ইংরেজি ভাষায় বিপরীতার্থক শব্দের অর্থ অ্যান্টনীম (antonym)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সিনোনীম (synonym), পইসিলোনিম (poecilonym)।
সংক্ষেপে দেখুনসময় শুরু হয়েছিল কোন সময়ে?
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিবিস্তারিত পড়ুন
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে
সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিন হচ্ছে তারপর রাত। যেহেতু একটি নির্দিষ্ট ইন্টারভেলে এই প্রসেসটি হচ্ছে তাই তারা এগুলোকে অনেকগুলো ভাগে ভাগ করে গণনার কথা ভাবে। সেই সময়ে তারা কোনো কিছু গণনা করার সময় হাতের আঙ্গুলের ব্যবহার করতেন। হাতের ১০টি আঙ্গুল গুণে সব কিছু হিসাব করা হতো।
ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড
প্রাচীন মিশরীয়রা এক দিনকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করে। যেমন ১২ ভাগ দিনের ও ১২ ভাগ রাতের। এই দুই ভাগ মিলিয়ে হয় ২৪ আর এভাবেই আসে ২৪ ঘন্টার কনসেপ্টটি। তারা আঙ্গুলের মাঝে থাকা জয়েন্ট গুলো দিয়ে গণনা করতেন। একটি আঙ্গুলে তিনটি করে জয়েন্ট থাকে। এভাবে বুড়ো আঙুল বাদ দিয়ে ৪টি আঙুলের মোট ১২টি জয়েন্ট থাকে। এই কারণে তারা দিনের ভাগগুলোকে গননা করার জন্য ১২ই বেছে নেয়। আর রাতের ভাগগুলোকে ১২ ভাগে ভাগ করেন।
মিশরীয়রা যেখানে গণনার ক্ষেত্রে ১২ কে বেজ হিসেবে ধরতেন, উল্টো দিকে প্রাচীন মিশরীর অন্য সভ্যতারা ১২র বদলে ১০কে বেজ হিসেবে ধরতেন। আবার অন্যদিকে, আরো একটি প্রাচীন সভ্যতা ছিল যারা ৬০কে গণনার কাজে বেজ হিসেবে ব্যবহার করতেন। যা তারা ম্যাথমেটিক্স ও আস্ট্রোনমিতেও ব্যবহার করতেন। তাদের অনুসারে,৩৬০ ডিগ্রিতে একটি পূর্ণ বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়। আর ৬০কে ছয় বার যোগ করলে ৩৬০ হয়। আবার যেহেতু পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে সেক্ষেত্রে যদি পৃথিবী দিনে ১ ডিগ্রী ঘোরে তবে সূর্যের চারদিকে সম্পূর্ণ এক চক্কর ঘুরতে লাগবে ৩৬০ দিন যা আনুমানিক ৩৬৫ দিনের সমান। ৬০ এমন একটি সংখ্যা যেটি ১, ২, ৩, ৪, সব ধরনের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়। মূলত এইসব দিক বিচার করেই তারা গণনার সব ক্ষেত্রেই ১২ আর ১২ ঘণ্টার প্রতিটি ভাগকে ৬০ দ্বারা ভাগ করে।
সময়কে প্রপারলি যখন ডিফাইন করা হয় তখন প্রাচীন যুগের তৈরি করা এই নীতিগুলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। এজন্যই এক দিনে ২৪ ঘণ্টা, এক ঘণ্টায় ৬০ মিনিট এবং ১ মিনিটে ৬০ সেকেন্ড হিসাব করা হয়।
তথ্যসূত্রঃ somoynews.tv
সংক্ষেপে দেখুনবরফ পিচ্ছিল হয় কেন?
বরফ পিচ্ছিল নয় যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
বরফ পিচ্ছিল নয়
যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
সংক্ষেপে দেখুনগাছ কিভাবে পৃথিবীকে তার সমস্ত অক্সিজেন দেয়?
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতেবিস্তারিত পড়ুন
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না
বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ”প্রকলোরোক্কাস” নামক একটি বিশেষ প্রজাতি রয়েছে যারা পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব। কিন্তু এই ছোট্ট ব্যাকটেরিয়া স্থলভাগের সমস্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্টের তুলনায় বেশি অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
সমুদ্রে কী পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদিত হয়
সমুদ্রে উৎপন্ন অক্সিজেনের সঠিক শতাংশ গণনা করা কঠিন কারণ পরিমাণ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সালোকসংশ্লেষণকারী প্ল্যাঙ্কটন ট্র্যাক করতে এবং সাগরে সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ অনুমান করতে উপগ্রহ চিত্র ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু উপগ্রহ চিত্র পুরো গল্প বলতে পারে না। প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণ ঋতু অনুসারে পরিবর্তিত হয় এবং জলের পুষ্টি, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট স্থানে অক্সিজেনের পরিমাণ দিনের সময় এবং জোয়ারের সাথে পরিবর্তিত হয়।
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের ৫০-৮০% সমুদ্র থেকে আসে। যেমনটা ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে; এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব “প্রকলোরোক্কাস” আমাদের সমগ্র জীবজগতের ২০% পর্যন্ত অক্সিজেন তৈরি করে। নিউজ২৪ টিভি’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী যা আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের তিন গুণ। যদিও আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের পরিমান নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।
শৈবালের (প্ল্যাঙ্কটন) অক্সিজেন উৎপাদন
পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ জলভূমি, আর মহাসাগরগুলো পৃথিবীর সমস্ত জলের প্রায় ৯৬.৫ শতাংশ ধারণ করে। তাই এটি যুক্তিসঙ্গত যে সূর্য জমির চেয়ে পানিতে বেশি কিরণ ছড়ায়। সমুদ্রের উপরের ২০০ মিটার বা প্রায় ৬৫০ ফুটকে বলে এপিপিলেজিক অঞ্চল। ‘এপি’ যার অর্থ ‘উপরের’, এবং পেলেজিক, যার অর্থ ‘সমুদ্রের পৃষ্ঠ’। সমুদ্রের এই শীর্ষ অঞ্চলটি বেশিরভাগ সূর্যের আলোকে শোষণ করে- এবং ওই অঞ্চলে থাকা শৈবাল, এককোষী উদ্ভিদকে সালোক সংশ্লেষণে সাহায্য করে।
সমুদ্রের এই শেওলাগুলো প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন করে, কারণ সমুদ্রের অনেক অংশ জুড়ে এর প্রচুর পরিমাণে এই শৈবাল ছড়িয়ে থাকে। সমুদ্র শৈবাল অবশ্য সমুদ্রের প্রাণীর এক বিরাট অংশের জীবনের প্রাথমিক খাদ্য উৎস হিসেবেও কাজ করে।
আমাজন থেকে কতভাগ অক্সিজেন আসে
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাজন বনটি “পৃথিবীর ফুসফুস” উপাধি পেয়েছে – যা অত্যধিক মূল্যায়ন। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী উল্লেখ করেছেন, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তাতে অ্যামাজনের মোট অবদান শূন্যের কাছাকাছি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কার্বন ডাই অক্সাইড অণুর প্রতিটি ব্যাচ গ্রহণের জন্য গাছ তুলনামূলক (সমান) সংখ্যক অক্সিজেন অণু বাতাসে ছাড়ে । বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশ কম, কিন্তু অক্সিজেন রয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। তাই অ্যামাজনের পক্ষে এত অক্সিজেন তৈরি করা সম্ভব নয়।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ ইনস্টিটিউটের ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট ইয়াদবিন্দর মালহি ২০১০ সালের একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে তার গণনার ভিত্তি করে যে অনুমান করে যে ক্রান্তীয় বনভূমি পৃথিবীর (স্থলভাগের) প্রায় ৩৪ শতাংশ সালোকসংশ্লেষণের জন্য দায়ী। আকারের উপর ভিত্তি করে, আমাজন কর্তৃক সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হবে। এর অর্থ হলো আমাজন ভূমি্র ১৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে, মালহি ব্যাখ্যা করেছেন, যিনি একটি সাম্প্রতিক ব্লগ পোস্টে তার গণনার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন।
যদিও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর ভিন্ন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পৃথিবীর অক্সিজেনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (২৮%) জন্য রেইনফরেস্ট দায়ী কিন্তু বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের বেশিরভাগ (৭০%) সামুদ্রিক উদ্ভিদ দ্বারা উত্পাদিত হয়। পৃথিবীর বাকি ২ শতাংশ অক্সিজেন আসে অন্যান্য উৎস থেকে।
সাগরের ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের তুলনায় আমাজন মাত্র ৯ শতাংশে অক্সিজেন উৎপন্ন করে। জলবায়ু বিজ্ঞানী জোনাথন ফোলি; যিনি অলাভজনক প্রকল্প ড্রডাউন পরিচালনা করেন যা জলবায়ু পরিবর্তন সমাধান নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি দাবি করেছেন আমাজন মাত্র ৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
আমাজনে উৎপাদিত অক্সিজেন কী আমরা ব্যবহার করি
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাছগুলি কেবল অক্সিজেন ত্যাগ করে না – তারা এটি “সেলুলার শ্বসন” নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে গ্রহণ-ও করে। দিনের বেলা তারা যে শর্করা জমা করে তা পরে শক্তিতে রূপান্তর করে, অক্সিজেন ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়াটিতে শক্তি দেয়। তাই রাতের বেলা যখন সালোকসংশ্লেষণের জন্য আশেপাশে কোন সূর্য (আলো) থাকে না, তখন গাছ অক্সিজেনের শোষণ করে। মালহির গবেষণা দল মনে করে যে গাছগুলি এইভাবে উৎপন্ন অক্সিজেনের অর্ধেকের কিছু বেশি গ্রহণ করে। বাকিটা সম্ভবত আমাজনে বসবাসকারী অগণিত জীবাণু দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যারা অক্সিজেন শ্বাস গ্রহণ করে বনের মৃত জৈব পদার্থকে ভেঙে দেয়।
সমুদ্রে উৎপাদিত অক্সিজেন থেকেই কি আমরা অক্সিজেন গ্রহণ করি
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে যদিও মহাসাগর পৃথিবীর অন্তত ৫০% অক্সিজেন উৎপন্ন করে, আবার মোটামুটি একই পরিমাণ সামুদ্রিক প্রাণীরা ব্যবহার করে। স্থলভাগের প্রাণীদের মতো, সামুদ্রিক প্রাণীরা শ্বাস নিতে অক্সিজেন ব্যবহার করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই কোষীয় শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন ব্যবহার করে।
ওয়াশিংটনপোস্ট এর এক প্রতিবেদনে স্মিথসোনিয়ান এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ সেন্টারের একজন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী্র বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তার প্রায় ৫০ শতাংশ ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে”।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্সিজেন উৎপাদন এবং খরচের মধ্যে এই ভারসাম্যের কারণে, আধুনিক বাস্তুতন্ত্রগুলি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। পরিবর্তে, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তা হল সমুদ্রের (মৃত) ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের উত্তরাধিকার যা কোটি কোটি বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন জমা করে যা বায়ুমণ্ডলকে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপযোগী করে তুলেছে, ব্যাখ্যা করেছেন কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী স্কট ডেনিং।
এই অক্সিজেনটি কেবল জমা হতে পারে কারণ প্ল্যাঙ্কটন পচে যাওয়ার আগে সমুদ্রের তলদেশে আটকে পড়েছিল – অন্যথায়, অন্যান্য জীবাণু দ্বারা তাদের পচন সেই অক্সিজেনটি ব্যবহার করত।
আমাজন থেকে উৎপাদিত অক্সিজেনের প্রভাব সম্পর্কে ভুল ধারণার উৎপত্তি
আমাজন সম্পর্কে প্রচলিত রয়েছে যে, আমাজন পৃথিবীর অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উত্পাদন করে। ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে তথ্যটি সঠিক নয়।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক অনুযায়ী, ২০ শতাংশ শীর্ষক পৌরাণিক কাহিনী কয়েক দশক ধরে ঘুরছে, যদিও এটির উৎপত্তি কোথায় তা স্পষ্ট নয়। ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট মালহি এবং কোই মনে করেন এটি এই তথ্য থেকে উদ্ভূত যে অ্যামাজন ভূমিতে সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
সুতরাং, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি (৫০-৮০%) শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে। তারা আরও মনে করেন যে অ্যামাজন “ভূমিতে” সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” অনুদান হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
ক্রেডিটঃ রিউমারস্ক্যানার
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমি কিভাবে ইগো বা অহংকার কমাতে পারি?
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই, কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন। তার প্রমাণ ? যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না, এবং বলতেন, নিজের ত্রুটি,বিস্তারিত পড়ুন
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই,
কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন।
তার প্রমাণ ?
যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না,
এবং বলতেন,
নিজের ত্রুটি, বিচ্যুতি, যিনি বুঝে ফেলতে সক্ষম হন, উত্তরণের পথটি, নিজে থেকেই তাঁকে স্বাগত জানায়, পরামর্শের অপেক্ষায় থাকে না,
ঘটতেই থাকে, আত্ম-উত্তরণ।
অহংভাবটি ত্যাগ করার ক্ষেত্রে, আত্মউপলব্ধি ভিন্ন, অন্য কোনো পরামর্শ, তেমন কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা দেখি না।
এবং, সে আত্মউপলব্ধি, আপনার প্রশ্নে, দ্বিধাহীন ভাবেই, স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
“আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার
চরণ-ধূলার তলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে।
নিজেরে করিতে গৌরব দান,
নিজেরে কেবলি করি অপমান,
আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া
ঘুরে মরি পলে পলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে”।
ধন্যবাদ।
লেখকঃ শুভেন্দু পুরকায়স্থ
সংক্ষেপে দেখুনপ্লাটফর্মঃ কোরা
সকালের নাস্তায় আপনি কখনই খেতে পারবেন না এমন দুটি জিনিস কী?
সকালের নাস্তার সাথে "দুপুরের খাবার" আর "রাতের খাবার" কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সকালের নাস্তার সাথে “দুপুরের খাবার” আর “রাতের খাবার” কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সংক্ষেপে দেখুনকুকুর কেন ‘গোল’ হয়ে ঘুমায়?
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়! কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে? প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে। কলোরবিস্তারিত পড়ুন
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়!
কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে?
প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেসলি ইরভিন তার ‘ইফ ইউ টেম মি: আন্ডারস্ট্যান্ডিং আওয়ার কানেকশন উইথ অ্যানিম্যালস’ গ্রন্থে লিখেছেন, কুকুররা মূলত নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করার জন্য ঘুমানের আগে অদ্ভুত আচরণ করে। পোকামাকড়, সাপ ইত্যাদির থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য এই কাজ করে তারা। শোওয়ার আগে চারপাশটা সরেজমিনে পরীক্ষা করে নেয়া আর কি! তাছাড়া ঘুমানোর সময়ও গোল হয়ে ঘুমায়।
ঘুমানোর আগে কুকুর একই জায়গা বারবার পরিদর্শন করে। সে বিষয়ে লেসলি ইরভিন বলেন, জঙ্গলে থাকা কুকুরদের জন্য তো আর কেউ সুন্দর বিছানা-বালিশ তৈরি করে দেয় না। তাই ঘুমানোর জন্য তারা চার পা দিয়ে লম্বা ঘাস ও ঝোপকে চাপড়িয়ে ও মাড়িয়ে তাদের বিছানা তৈরি করে ফেলে। এছাড়া কুকুরটি অন্য কুকুরদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়, সে শোয়ার জন্য এই জায়গাটি বেছে নিয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু মর্মস্পর্শী ছবি বা ঘটনা জানাবেন কি?
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো। দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও 'চীনের পম্পেই' হিসাবে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত পড়ুন
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো।

দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও ‘চীনের পম্পেই’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন