সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপ কত?
ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পতাকার ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড মাপ এর নির্দেশনা দেয়া আছে। ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো ১০ বাই ৬ ফুট (৩.০ বাই ১.৮ মিটার) ৫ বাই ৩ ফুট (১.৫২ বাই ০.৯১ মিটার) ২.৫ বাই ১.৫ ফুট (৭৬০ বাই ৪৬০ মিলিমিটার) মোটরগাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো 1. ১৫ বাইবিস্তারিত পড়ুন
ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পতাকার ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড মাপ এর নির্দেশনা দেয়া আছে।
ব্যাখ্যা: পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট, লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট, পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে ৪ ফুট ওপরে প্রস্থের মাঝ বরাবর অঙ্কিত আনুপাতিক রেখার ছেদ বিন্দু হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।
সংক্ষেপে দেখুনধ্যান করলে কি মন শান্ত হয়? ধ্যান করার উত্তম পদ্ধতি কি?
"Quantity নয়, Quality হচ্ছে priority" কথাটা দারুন লাগলো। ধন্যবাদ দাদা!
“Quantity নয়, Quality হচ্ছে priority” কথাটা দারুন লাগলো। ধন্যবাদ দাদা!
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট এর সময় কত ছিলো?
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট : রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট 'সেসনা ১৭২' বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড! এবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে?বিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট :
রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট ‘সেসনা ১৭২‘ বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড!


সংক্ষেপে দেখুনএবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে? নিচের ছবিটি দেখলেই তা বুঝতে পারবেন।
জ্বালানি ফুরিয়ে যাবার আগেই বিমানটি অনেকটা নিচে নেমে আসতো এবং আকাশে থাকা অবস্থায়ই ট্রাক থেকে একটি পাইপ এবং পাম্পের মাধ্যমে বিমানে জ্বালানি সরবরাহ করা হতো।
বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন কোনটি?
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ

সংক্ষেপে দেখুনদ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
কোন কোর প্রাণীর কামড়ে ভ্যাকসিন নিতে হয়?
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীকে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়?
এরকম অনেক প্রাণী আছে। কিন্তু আমার কাছে সানফিশ (Sunfish) হলো অত্যন্ত নিরীহ, যার সাথে অন্য কোন প্রাণীর তুলনা চলেনা। সানফিশ হল সমুদ্রের বৃহত্তম মাছ। যার উচ্চতা ৪ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, ওজন ২০০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এরা ডিম্বাকৃতির হয় এবং হাঙ্গরের মতো পাখনা থাকে। এরা সম্পূর্ণ নিরীহ প্রজাতি।বিস্তারিত পড়ুন
এরকম অনেক প্রাণী আছে। কিন্তু আমার কাছে সানফিশ (Sunfish) হলো অত্যন্ত নিরীহ, যার সাথে অন্য কোন প্রাণীর তুলনা চলেনা।
সানফিশ হল সমুদ্রের বৃহত্তম মাছ। যার উচ্চতা ৪ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, ওজন ২০০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এরা ডিম্বাকৃতির হয় এবং হাঙ্গরের মতো পাখনা থাকে। এরা সম্পূর্ণ নিরীহ প্রজাতি।




সংক্ষেপে দেখুনসানফিশ সমুদ্রের সমস্ত শিকারীদের জন্য নিখুঁত শিকার। এরা ধীর গতির, অবিচক্ষণ, আকৃতিতে বড় (যার ফলে সহজে চিহ্নিত করা এবং ধরার যায়)। এদের চর্বি এবং ত্বকের স্তর পুরু (প্রায় ১৫ সে.মি পুরু)। এদের থাকে নিরীহ সেটের দাঁত (কারণ এরা শুধু প্লাঙ্কটন খেয়ে থাকে)।
এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, মহাসাগরের সানফিশগুলি সমুদ্রের সবচেয়ে গভীর, বিচ্ছিন্ন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করে। যা তাদের উপকূল এবং শিকারীদের থেকে অনেক দূরে রাখে।
দুর্ভাগ্যবশত, যদি এই প্রাণীটি একটি হাঙ্গর অথবা সী-লায়নের সংস্পর্শে আসে, তবে তার ভাগ্য অনিবার্যভাবে নিচের ছবির মত হবে।
প্লুটো গ্রহ নয় কেন?
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।
প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা
প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।
প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক
মতপার্থক্যের সূচনা
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
প্লুটো গ্রহ নয় কেন
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।
প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।
AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।
গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।
গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরে হাসির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ এক প্রকার হরমোন তৈরী হয়।যার ফলে আমরা আনন্দবোধ করি। হরমোনটির নাম কি?
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
সংক্ষেপে দেখুনবিজ্ঞান
আগুন নামের কোন লোককে ট্রেনিং দিয়ে আগুন নেভানো যেতে পারে 🤣😂
আগুন নামের কোন লোককে ট্রেনিং দিয়ে আগুন নেভানো যেতে পারে 🤣😂
সংক্ষেপে দেখুনআপনি 100 থেকে কতবার 10 বিয়োগ করতে পারেন?
১ বার। কারণ এরপর ৯০ হয়ে যাবে।
১ বার। কারণ এরপর ৯০ হয়ে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনকলাগাছ কে কেনো গাছ বলা যায়না?
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
সংক্ষেপে দেখুনএকটা গাছে একটা ফলই ধরে এবং ফল দিয়ে গাছটি মারা যায়? কোন গাছ
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত "একবার ফল ধরে" এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো। ধন্যবাদ!
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত “একবার ফল ধরে” এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
আমাদের দেশে “বাসর রাতে বিড়াল মারা” বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে এটি মানে কি?
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কিবিস্তারিত পড়ুন
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কি করে ধরাশায়ী করা যায় তার কুট-কৌশল শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
কথার ধরনে অবশ্যই অনুমান করতে পারছেন এটি যেন একপ্রকার যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা স্বরবর্ণ থেকে ৯-এর মতো দেখতে ‘লি’-কে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে? কেনই বা ছিলো?
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন: "বহূকালাবধি বর্ণমবিস্তারিত পড়ুন
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন:
“বহূকালাবধি বর্ণমালা ষোল স্বর ও চৌত্রিশ ব্যঞ্জন এই পঞ্চাশ অক্ষরে পরিগণিত ছিল। কিন্তু বাঙ্গালা ভাষায় দীর্ঘ ৠ-কার ও দীর্ঘ ৡ-কারের প্রয়োজন নাই। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ পরিত্যক্ত হইয়াছে। আর সবিশেষ অনুধাবন করিয়া দেখিলে অনুস্বার ও বিসর্গ স্বরবর্ণ মধ্যে পরিগণিত হইতে পারে না। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ মধ্যে পঠিত হইয়াছে। আর চন্দ্রবিন্দুকে ব্যঞ্জনবর্ণস্থলে এক স্বতন্ত্র বর্ণ বলিয়া গণনা করা গিয়াছে। “ড, ঢ, য এই তিন ব্যঞ্জনবর্ণ পদের মধ্যে অথবা পদের অন্তে থাকিলে, ড়, ঢ়, য় হয়।
বিদ্যাসাগরের এই মৌলিক সংস্কারের ১২৫ বছর পর স্বরবর্ণে মাত্র আর একটি সংস্কার ঘটেছে, তাহলো ঌ বর্ণটি বাদ দেওয়া। এখন স্বরবর্ণ ১১টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ছিল ৩৪টি। বিদ্যাসাগর তাতে নতুনভাবে ছয়টি বর্ণ যুক্ত করেন। অনুস্বার ও বিসর্গকে স্বরবর্ণ থেকে ব্যঞ্জনবর্ণে নিয়ে এসে চন্দ্রবিন্দুকেও যোগ করে দিলেন। ড, ঢ, য-এর দ্বিবিধ উচ্চারণের ক্ষেত্রে নিচে ফুটকি বা শুন্য দিয়ে নতুন তিনটি ব্যঞ্জন অক্ষর আবিষ্কার করলেন। তা ছাড়া বিদ্যাসাগর দেখলেন, “বাঙ্গালা ভাষায় একারের ত, ত্ এই দ্বিবিধ কলেবর প্রচলিত আছে।” তাই এটিকেও ব্যঞ্জনবর্ণে যুক্ত করেছেন। আর ক্ষ যেহেতু ক ও ষ মিলে হয় “সুতরাং উহা সংযুক্তবর্ণ, এ জন্য অসংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গণনাস্থলে পরিত্যক্ত হইয়াছে।” এভাবে তার হাতে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৪০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ঌ-এর মতই শুধু অন্তঃস্থ ‘ব’ বর্ণটি বাদ যায়। এখন ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনএকজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন, কে তিনি?
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
সংক্ষেপে দেখুননতুন কলম দিয়ে কিছু লিখতে বললে ৮০% লোক প্রথম কি লিখবে?
নিজের নাম লিখবে।
নিজের নাম লিখবে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনের সর্ব প্রথম হাফিজ কে?
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
সংক্ষেপে দেখুনবাইরে থেকে শক্ত। কিন্তু ভিতর থেকে নরম। আমার নাম ইংরেজির “c” অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে শেষ হয় ইংরেজির “t” অক্ষর দিয়ে। কে আমি বলুন দেখি?
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমি লম্বা এবং শক্ত। ভিতরে কিন্তু নরম। আর গায়ের রং হলকা সবুজ। কে আমি বলতে পারেন? উত্তর: শসা।
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
সংক্ষেপে দেখুননিরানব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গেলো । চল্লিশ টাকা খরচ হলো। হাতে কত টাকা রইলো?
এখানে যেহেতু "নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল" বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ "৫০" টাকা রইলো।
এখানে যেহেতু “নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল” বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ “৫০” টাকা রইলো।
সংক্ষেপে দেখুন