সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

সুমনা

নতুন
প্রশ্ন করুন সুমনা
113 বার প্রদর্শিত
5 ফলোয়ার
19 প্রশ্ন
হোমপেজ/ সুমনা/প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 1 দিন আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

আর্টেমিস ২ মিশন: কেন ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদে যাচ্ছে?

  1. SA Samim
    SA Samim এডিটর Sa samim
    উত্তর দিয়েছেন 20 ঘন্টা আগে

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন? প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাবিস্তারিত পড়ুন

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন?
    প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাশে ঘোরা নয়, বরং মানুষের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ ভ্রমণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা। ভবিষ্যতে Mars-এ মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাঁদে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে কি আমরা সত্যিই মঙ্গলের পথে এগোচ্ছি, নাকি এটি কেবল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা?
    দ্বিতীয়ত, Artemis II নতুন প্রযুক্তি, মহাকাশযান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরীক্ষা করবে, যা ভবিষ্যতের আরও জটিল মিশনের জন্য প্রয়োজন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই উন্নত প্রযুক্তি কি মানব জীবনের ঝুঁকি পুরোপুরি কমাতে পারবে, নাকি মহাকাশ ভ্রমণ এখনো একই রকম বিপজ্জনক?
    তৃতীয়ত, চাঁদকে ভবিষ্যতের “স্পেস বেস” হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে আরও দূরের গ্রহে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু এই পরিকল্পনা কি বাস্তবসম্মত, নাকি শুধু একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কল্পনা?
    সব মিলিয়ে, Artemis II শুধু অতীতের গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা নয়—এটি ভবিষ্যতের মহাকাশ রাজনীতিরও অংশ। তাহলে কি আমরা নতুন এক “স্পেস রেস”-এর দিকে এগোচ্ছি, যেখানে চাঁদ আবার বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 3 সপ্তাহ আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

লাইলাতুল কদর কোন রাতে? ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ ও আমল

  1. ঝুমুর হাসান
    সেরা উত্তর
    ঝুমুর হাসান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 সপ্তাহ আগে

    লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। রমজানের রাত ইংরেজি তারিখ সম্ভাবনা ২১তম রাত ১০ মার্চ (মঙ্গলবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব ২৩তম রাত ১২ মার্চ (বৃবিস্তারিত পড়ুন

    লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে।

    রমজানের রাত ইংরেজি তারিখ সম্ভাবনা
    ২১তম রাত ১০ মার্চ (মঙ্গলবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব
    ২৩তম রাত ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব
    ২৫তম রাত ১৪ মার্চ (শনিবার দিবাগত) ⭐⭐ বেশি সম্ভব
    ২৭তম রাত ✨ ১৬ মার্চ (সোমবার দিবাগত) ⭐⭐⭐ সর্বোচ্চ সম্ভাবনা
    ২৯তম রাত ১৮ মার্চ (বুধবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব

    কুরআনে লাইলাতুল কদরের বর্ণনা:

    আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন — “নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি কদর রজনিতে। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত কদর রজনি কী? কদর রজনি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা জিবরাইল (আ.)-সহ অবতরণ করেন — সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে, এ শান্তির ধারা অব্যাহত থাকে উষার উদয় পর্যন্ত।” (সূরা কদর, আয়াত: ১-৫)

    হাদিসের দলিল:

    রাসুল (সা.) বলেছেন — “তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০১৭)

    সাহাবি উবাই ইবনে কাব (রা.) কসম খেয়ে বলতেন, ২৭তম রাতটি লাইলাতুল কদর। (মুসলিম: ২৬৬৮)

    শবে কদর বা লাইলাতুল কদর কোন রাতের সম্ভাবনা কতটুকু — আলেমদের মত:

    অধিকতর সম্ভাবনার দিক দিয়ে প্রথম হলো ২৭ রমজান, দ্বিতীয় ২৫ রমজান, তৃতীয় ২৯ রমজান, চতুর্থ ২১ রমজান এবং পঞ্চম ২৩ রমজান।

    ইমাম মালিক, আহমদ, ইসহাক, সুফিয়ান সাওরি, ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম নববি, ইবনু হাজার, ইবনু উসাইমিন (রহ.) সহ বড় ইমামদের মত হলো – লাইলাতুল কদর শেষ দশ রাতের যেকোনো রাতে হতে পারে, তবে তা প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, বিভিন্ন বছরে ভিন্ন ভিন্ন দিনে হয়।

    লাইলাতুল কদর চেনার আলামত:

    হাদিস শরিফে কদরের রাত চেনার কিছু আলামতের কথা বলা হয়েছে। রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না। রাতটি নাতিশীতোষ্ণ – অধিক ঠান্ডা বা গরম নয়। মৃদু বাতাস প্রবাহিত থাকবে। সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত বেশি তৃপ্তিবোধ করবে। এছাড়া পরদিন সকালে সূর্য অধিক উজ্জ্বল হয়ে উদয় হবে।

    শবে কদরের রাতে কী আমল করবেন:

    কদরের রাতে নির্দিষ্ট কোনো ওয়াজিব বা সুন্নত নামাজ নেই। মানুষ ইচ্ছামতো নফল নামাজ পড়তে পারবে। তবে নামাজ পড়াকে আবশ্যকীয় মনে করা যাবে না।

    এই রাতে যা করবেন:

    ১. বিশেষ দোয়া পড়ুন: হযরত আয়েশা (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কদরের রাতে কী দোয়া পড়ব? তিনি বললেন এই দোয়া পড়তে:

    আরবি: اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
    উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফাফু আন্নি।
    অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো — অতএব আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তিরমিযি)

    ২. নফল নামাজ পড়ুন — তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ

    ৩. কুরআন তিলাওয়াত করুন — বিশেষত সূরা কদর বারবার পড়ুন

    ৪. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন — “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়তে থাকুন

    ৫. পরিবারকে জাগান — হাদিসে বর্ণিত, লাইলাতুল কদরের রজনীতে যে আল্লাহর আরাধনায় মুহ্যমান থাকবে, আল্লাহ তার ওপর থেকে দোজখের আগুন হারাম করে দেবেন।

    সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ কোনটি:

    শবে কদর রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। তাই একজন প্রকৃত মুসলিমের উচিত শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই ইবাদত করা। শুধু ২৭ রমজানের রাত ধরে বসে না থেকে প্রতিটি বিজোড় রাতেই পূর্ণ ইবাদত করুন, এটাই নবীজি (সা.)-এর আদর্শ ছিল।

    সংক্ষেপেঃ

    ✅ ২০২৬ সালে সরকারিভাবে শবে কদর: ১৬ মার্চ (২৭ রমজান)

    ✅ সম্ভাব্য সব রাত: ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮ মার্চ (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান)

    ✅ সেরা আমল: আয়েশা (রা.)-এর শেখানো দোয়া, নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত

    ✅ সবচেয়ে জরুরি কথা: শুধু একটি রাত নয়, শেষ দশকের সব বিজোড় রাতেই ইবাদত করুন

    ভালোলাগলে আপভোট দিন। কোন মতামত থাকলে এখানে মন্তব্য করে ফেলুন, আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ✌️

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 21 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

জ্ঞান কি বই পুস্তকের ভিতরে সীমাবদ্ধ?

  1. rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে: নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়। আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয়বিস্তারিত পড়ুন

    না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে:

    • নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়।
    • আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয় দৃষ্টি। বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, মেন্টর, যার সঙ্গে কথা, হোক না কেন তা থেকে নতুন আইডিয়া পাওয়া যায়।
    • পডকাস্ট, ইউটিউব, অনলাইন কোর্সের এই ডিজিটাল দুনিয়ায় শেখার কোন শেষ নেই। রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছি, সাইকেল চালাচ্ছি, সবক্ষেত্রে মাইন্ড ফুল থাকা যায়।
    • মনে-টাকে খাটিয়ে ভাবলে বইয়ের কথা মিশে যায় জীবনের সাথে। প্রশ্ন করো, ভুল হওয়ার পর তা থেকে শিক্ষা নাও, সেগুলোই আসল ইনসাইট।

    সুতরাং জ্ঞান কোথাও আটকে নেই। বই হলো স্টার্টিং পয়েন্ট, পুরো গল্পটা শেখা যায় তোমার চোখ, কান আর মন খোলা রাখলে।

    এবার আমাকে বলো, নতুন কিছু শেখার জন্য তুমি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করো?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 29 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

Grameenphone All Service Off Code গুলো কি? বিরক্তিকর GP sms service বন্ধ করতে চাই

  1. Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    গ্রামীনফোনের যে সকল সার্ভিস আপনার ব্যালান্স থেকে টাকা কেটে নেয় বলে আমরা জানি সে সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড গুলা দিলাম। সাথে welcome tune off GP Code গুলো দিলাম। আশা করি সবারই উপকার হবে। Grameenphone all service off code free given bellow: 1. Grameenphone All Service type “Stop all” and send to2332 2.বিস্তারিত পড়ুন

    গ্রামীনফোনের যে সকল সার্ভিস আপনার ব্যালান্স থেকে টাকা কেটে নেয় বলে আমরা জানি সে সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড গুলা দিলাম। সাথে welcome tune off GP Code গুলো দিলাম। আশা করি সবারই উপকার হবে।

    Grameenphone all service off code free given bellow:

    1. Grameenphone All Service type “Stop all” and send to2332

    2. Grameenphone Welcome tune : Type “Stop” and sendto 4000

    3. Grameenphone Internet off *500*40#

    4. Grameenphone Facebook Type “Stop” and send to32665

    5. Grameenphone Facebook USSD dial *325*22#

    6. Grameenphone Mobile Twitting Type “Stop” and send to 9594

    7. Grameenphone Call Block : Type “Stop CB” and send to 5678

    8. Grameenphone Missed Call Alert write “STOP MCA” and send to 6222

    9. Grameenphone Cricket Alert Service “Stop Cric” and send to 2002.

    10. Grameenphone Sports service Type “STOP SN” and SMS to 2002.

    11. Grameenphone Cricket service, type “STOP CR” and SMS to 2002.

    12. Grameenphone Mobile Backup Write “Stop MB” and send to 6000

    12. Grameenphone Buddy Tracker Type “Stop” and send to 3020

    13. Grameenphone Music News Type “Stop BD ” and send to 4001.

    14. Grameenphone Voice Chat dial 2828 and press 8.

    15. Grameenphone Entertainment Box Type “Stop” and send to 1234.

    16. Grameenphone Ebill type “Ebill cancel” and send to 2000.

    17. Grameenphone Job News type “STOPJOB CATEGORY” to 3003.

    18. Grameenphone Namaz timings: SMS “STOP N” to 2200.

    20. Grameenphone Hadith sharif SMS “STOP H” to 2200.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 57 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কার্যকরী কাশির ট্যাবলেট এর নাম কি? এই গরমেও প্রচণ্ড কাশি হচ্ছে।

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

জিরো ওয়াটের বাল্ব কি সত্যি কোন বিদ্যুৎ ব্যবহার করেনা? কেন জিরো ওয়াট লেখা হয়?

জিরো ওয়াটের বাল্ব কি সত্যি কোন বিদ্যুৎ ব্যবহার করেনা? কেন জিরো ওয়াট লেখা হয়?
  1. bissoy
    সেরা উত্তর
    bissoy নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন

    ‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!

    তাহলে যুক্তিটা কি?

    image host

    প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।

    এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।

    সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)

    বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।

    তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)

    = ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)

    মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)

    তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।

    চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।

    বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-

    image host

    এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।

    এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :

    ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)

    তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক

    এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।

    এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-

    image host

    এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।

    তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।

    একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!

    মূলঃ কোরা

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 98 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আমাদের দেশে দর্জিকে খলিফা বলা হয় কেন?

  1. sumi
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ইংরেজ ডাকাতের দল যখন ভারত লুট করতে আসলো তখন তারা ক্ষমতা দখল করে মুসলিম শাসকদের থেকে। তখন স্বভাবতই মুসলিমরা হয় তাদের প্রধান শত্রু। সেই শত্রুতা থেকে তারা মুসলিমদের নানা ভাবে হেয় করার চেষ্টা করতে লাগল। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র প্রধানকে বলা হত খলিফা। ইংরেজরা মুসলিমদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দর্জিদেবিস্তারিত পড়ুন

    ইংরেজ ডাকাতের দল যখন ভারত লুট করতে আসলো তখন তারা ক্ষমতা দখল করে মুসলিম শাসকদের থেকে। তখন স্বভাবতই মুসলিমরা হয় তাদের প্রধান শত্রু। সেই শত্রুতা থেকে তারা মুসলিমদের নানা ভাবে হেয় করার চেষ্টা করতে লাগল। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র প্রধানকে বলা হত খলিফা। ইংরেজরা মুসলিমদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দর্জিদের উপহাস করে বলত `খলিফা` আর ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি `কাজী` শব্দটি তারা প্রয়োগ করা শুরু করল বিবাহ রেজিস্ট্রারের ক্ষেত্রে।

    এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, শুধু মুসলিম দর্জিদের খলিফা ডাকলে হিন্দু দর্জিদের কি ডাকত! এইখানে এসে আমরা জানতে পারি, উপমহাদেশে সেলাই করা কাপড় পরিধান করার প্রচলন শুরু হয় মুসলিম শাসনামল থেকে। আর হিন্দুদের মধ্যে এ রকম ধারণা ছিল যে, সেলাই করা কাপড় পরলে পাপ হয়। যেহেতু হিন্দু ধর্মের মানুষ সেলাই করা কাপড় পরত না, তাই তাদের থেকে তেমন কেউ দর্জি পেশায় আসেনি।

    বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প হচ্ছে সৈয়দ মুজতবা আলীর `পাদটীকা` গল্পটিতে আমরা পণ্ডিত মশাইয়ের চরিত্রে দেখতে পাই, নিষ্ঠাবান পণ্ডিত কখনো সেলাই করা কাপড় পরিধান করেননি। আর যখনই গেঞ্জি পরিধান করলেন তখনই শুরু হলো চুলকানি। এ থেকে বুঝা যায়, আগে হিন্দুরা কেউ সেলাই করা কাপড় পরত না।

    এখন আমরা যদি রবীন্দ্রনাথের লেখার দিকে তাকাই সেখানে দেখি মুসলিম দর্জি। বিভিন্ন সিনেমা নাটকেও দেখেছি দাড়ি পাকা বয়স্ক দর্জি। একটা ধারণাই এমন যে, দর্জি মানে দাড়ি পাকা টুপিওয়ালা মুরুব্বি। যার গলায় ফিতা ঝুলানো।

    আপনারা যদি অক্ষয় কুমারের Jolly LLB 2 ছবিটা দেখেন সেখানেও দাড়ি পাকা মাথায় টুপিওয়ালা দর্জি দেখতে পাবেন।

    খলিফা শব্দটা ইংরেজ চালু করলেও মুসলিমরা কিভাবে ব্যবহার করা শুরু করছে তা জানা নেই। আমার ধারণা, ইংরেজরা ব্যবহার করা শুরু করলে হিন্দু এবং মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ই ব্যবহার শুরু করে।

    ইবনে খালদুন বলেছেন, বিজয়ীর আচার-ব্যবহার বিজিত অনুসরণ করে।

    সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 177 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

Sonali, Meghna, Rupali, Green Delta, Pragati, Fareast Islami, Prime Islami ইত্যাদি life insurance গুলোর মধ্যে পার্থক্য কি, আর কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 27 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?

কম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
  1. রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান। কম্পিউটারের জনক কে পৃথিবীর উন্নয়নে যেবিস্তারিত পড়ুন

    আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে

    আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান।

    কম্পিউটারের জনক কে

    পৃথিবীর উন্নয়নে যে যন্ত্রটি অবদান সবচাইতে বেশি সেটি হচ্ছে গাণিতিক স্বাস্থ্য আর গাণিতিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হচ্ছে কম্পিউটার আর এই কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।

    সুপার কম্পিউটারের জনক কে

    সুপার মাইক্রো কম্পিউটার ল্যাপটপ কম্পিউটার আবার দুই ভাগে … আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? Computer কম্পিউটারের জনক কে আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে আমরা বিজ্ঞানের পুজারি ..সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবক কে? উত্তর : সেসুর ক্রে।

    পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক কে

    আধুনিক পার্সোনাল কম্পিউটার বা ছোট কম্পিউটারের জনক বলা হয় জন ভন নিউম্যান কে। জন ভন নিউম্যান কম্পিউটারকে মানুষের ব্যবহারের জন্য একেবারে পারছনা মিনি কম্পিউটার এ পরিণত করেছে আমরা এখন যে ল্যাপটপ বা মিনি কম্পিউটার গুলো দেখতে পাই এগুলোকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়ে থাকে।

    মিনি কম্পিউটারের জনক কে

    এটির উদ্ভাবক ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেড হফ, স্ট্যান মেজর, ফেডরিকো ফ্যাগিন এবং জাপানের মাসাতোশি শিমা। মিনি কম্পিউটার সংজ্ঞাটি ব্যবহার করা হত এমন একটি মেশিনকে বোঝাতে যা কম্পিউটার জগতে মধ্যম সারির, যা মাইক্রোকম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাঝে রয়েছে।

    🥰🤩 ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 55 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

amit 10 mg এর কাজ কি এবং এটি কিসের ঔষধ?

  1. mokbul
    সেরা উত্তর
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Amit 10 mg কাজ এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রবিস্তারিত পড়ুন

    Amit 10 mg কাজ

    এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌছায়। এ্যামিট্রিপটাইলিন প্রধানত মেটাবােলাইট হিসেবে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসৃত হয়।

    মাত্রা ও সেবনবিধি

    বিষণ্ণতায়: প্রাথমিক অবস্থায় ৭৫ মিঃগ্রাঃ (বয়োঃবৃদ্ধ ও কৈশোর-এ ৩০-৭৫ মিঃগ্রাঃ) প্রতিদিন বিভাজিত মাত্রায় অথবা একক মাত্রায় ঘুমানোর সময়। প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা ধীরে ধীরে ১৫০-২০০ মিঃগ্রাঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। ১৬ বছরের নীচে শিশুদের বিষণ্ণতা রোগে এটি নির্দেশিত নয়।

    শিশুদের রাত্রিতে বিছানায় মূত্রত্যাগে: ৭-১০ বছরের শিশুদের: ১০-২০ মিঃগ্রাঃ, ১১-১৬ বছরের শিশুদের: ২৫-৫০ মিঃগ্রাঃ ট্যাবলেট রাতে সেবন করতে হবে। চিকিৎসার সর্বোচ্চ সময়সীমা (ধীরে ধীরে মাত্রা কমানো সহ) ৩ মাস, পুনরায় চিকিৎসা করানোর পূর্বে সম্পূর্ণ দৈহিক পরীক্ষা করাতে হবে।

    মাইগ্রেন প্রতিরোধে: প্রতিদিন ১০০ মিঃ গ্রাঃ।

    দুঃশ্চিন্তা জনিত মাথা ব্যাথায়: ১০-২৫ মিঃ গ্রাঃ করে প্রতিদিন ৩ বার।

    * চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 1,049 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

মোবাইল দিয়ে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবো কিভাবে, আর ইউটিউব চ্যানেলের সুন্দর নাম দিন

  1. রিমা
    সেরা উত্তর
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম বর্তমানে ছোট বড় সকলের সংগ্রহে রয়েছে একটি ব্যক্তিগত এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে, নিজেকে একটি স্বনামধন্য ইউটিউবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার, তাহলে আপনি ঘরে বসেই আপনার ব্যবহৃত ফোনটি দিয়ে খুলতে পারবেন ইউটিউবে একাউন্ট। তা কিভাবে? চলুন জেনে নেই মোবাইলে ইউটিউববিস্তারিত পড়ুন

    মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

    বর্তমানে ছোট বড় সকলের সংগ্রহে রয়েছে একটি ব্যক্তিগত এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে, নিজেকে একটি স্বনামধন্য ইউটিউবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার, তাহলে আপনি ঘরে বসেই আপনার ব্যবহৃত ফোনটি দিয়ে খুলতে পারবেন ইউটিউবে একাউন্ট। তা কিভাবে? চলুন জেনে নেই মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম সম্পর্কে :

    মোবাইলের মাধ্যমে ইউটিউব এ চ্যানেল খুলতে হলে আপনার মোবাইলে ইউটিউব অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে –

    ডাউনলোড লিংক- https://play.google.com/st

    এপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনি এপ্লিকেশনটি ওপেন করে নিন। ওপেন করে ডান দিকের কর্নারে একাউন্টে একটি জিমেইল আইডি যুক্ত করে দিতে হবে। যেকোনো ইউটিউবে একাউন্ট খোলার জন্য জিমেইল আইডি খোলা খুবই প্রয়োজন।

    জিমেইল আইডি এড করার পর আপনাকে ইউটিউব এ একাউন্টে খোলার জন্য সাইন ইন করতে হবে। সাইন ইন অপশনে আপনার নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, মোবাইল নাম্বারসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে পূরণ করতে হবে।

    তথ্যাদি পূরণ করার পর দেখবেন ইউটিউবে চ্যানেল নামে একটি অপশন রয়েছে। খুব ভালো করে লক্ষ্য করবেন আপনি ইমেইলে যে নামটা ব্যবহার করেছেন সে নাম আপনার ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়ে গেছে।

    আপনি সেই অপশনে গিয়ে আপনার পছন্দমতো নাম সেট করতে পারেন ইউটিউব চ্যানেলের জন্য।

    ইউটিউবে চ্যানেলের খুলতে হলে আপনাকে পরবর্তীতে আপনি কি ধরণের ভিডিও আপলোড করবে তা সিলেক্ট করতে হবে। সেই সাথে আপনার লোকেশানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে পারবেন।

    ধন্যবাদ!

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

চাকরির পরীক্ষায় ক্লাসের ভালো শিক্ষার্থীরা অনেক সময় পাস করতে পারে না কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

নতুন মুভির টরেন্ট ( torrent ) ফাইল ডাউনলোড করবো কিভাবে? Torrent downloader ফ্রি কোথায় পাবো?

  1. Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Torrent মুভি দেখার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। নাম uTorrent । অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। uTorrent app download free এবার নিচের ছবিতে দেয়া ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে। এবার যে মুভি টি দেখতে চান সেটিতে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে Torrent Download এ ক্লিক করে Torrent ফাবিস্তারিত পড়ুন

    Torrent মুভি দেখার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। নাম uTorrent । অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

    uTorrent app download free

    এবার নিচের ছবিতে দেয়া ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে।

    image host

    এবার যে মুভি টি দেখতে চান সেটিতে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে Torrent Download এ ক্লিক করে Torrent ফাইলটি ডাউনলোড করে নিতে হবে।

    image host

    এবার uTorrent অ্যাপটি ওপেন করে এই Torrent ফাইলটি সিলেক্ট করে দিলেই ডিকোড হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপরই আপনি পছন্দের মুভিটি দেখতে পারবেন।

    ধন্যবাদ!

    torrent movie downloader, crazy hd, 1337×, 1337x torrent magnet, radhe torrent magnet, xxxxx torrent manager, 1337x.to torrent magnet, 13377x, pirate bаy, yts.mx torrent magnet, xxxx torrent manager, the pirate bаy, crazy hd torrent magnet

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 282 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

মারজুক রাসেলের সেরা বিখ্যাত কবিতা

  1. jahanur
    সেরা উত্তর
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    তার অনেকগুলো বিখ্যাত কবিতা আছে। তার মধ্যে আমার কাছে যে কবিতা টা সেরা মনে হয় সেটা নিচে দিলাম। আব্বা মইরা ভূত, মা পেত্নী হয়ে আছে জয় স্বাধীনতার জয় – স্বাধীনতা নিয়ে এখনো পক্ষ-বিপক্ষ,তর্ক-বিতর্ক, মিছিল-মিটিং,সভা- সমাবেশ,হাতা-হাতি, মারামারি, খুনোখুনি, থানা-পুলিশ,জেল-হাজত ,সাজা মওকুফ, কুচকাওয়াজ,সমরাস্ত্র পবিস্তারিত পড়ুন

    তার অনেকগুলো বিখ্যাত কবিতা আছে। তার মধ্যে আমার কাছে যে কবিতা টা সেরা মনে হয় সেটা নিচে দিলাম।

    আব্বা মইরা ভূত, মা পেত্নী হয়ে আছে

    জয় স্বাধীনতার জয় –
    স্বাধীনতা নিয়ে এখনো পক্ষ-বিপক্ষ,তর্ক-বিতর্ক,
    মিছিল-মিটিং,সভা- সমাবেশ,হাতা-হাতি, মারামারি,
    খুনোখুনি, থানা-পুলিশ,জেল-হাজত ,সাজা মওকুফ,
    কুচকাওয়াজ,সমরাস্ত্র প্রদর্শনী,পার্টি-মদ্যপান,
    দেশাত্মবোধক গান, ঘোষক- ঘোষক না, ছুটিছাটা,
    মিলাদ মাহফিল, পতাকা বিক্রয়,ক্রীড়ানুষ্ঠান,
    কনসার্ট,সংবাদ,পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা,
    রেডিও –টিভির বিশেষ আয়োজন,ছবি অংকন, পাঠ্যপুস্তকে
    ইতিহাস নবায়ন, প্রবন্ধ,কলাম,কবিতা, গল্প,
    উপন্যাস, নাটক,থিয়েটার,সিনেমা ,গবেষনা…
    কত না কিছুই হয় –
    জয় স্বাধীনতার জয় –

    স্বাধীনতায় আব্বা সরকারি মা বিরোধীদলে
    স্বাধীনতায় মা সরকারি আব্বা বিরোধীদলে –
    আমাদের জীবনযাপন দারিদ্র্যসীমার তলে –
    … ‘দাতা গাছে তোতা পাখি’-
    আর অন্যান্য আন্তর্জাতিক, স্থানীয় গাছে –
    আব্বা মইরা ভুত,
    মা পেত্নি হয়ে আছে ।
    বাংলা কবিতা, আব্বা মইরা ভূত, মা পেত্নী হয়ে আছে কবিতা, কবি মারজুক রাসেল - কবিতা অঞ্চল

    • কবিতা: আব্বা মইরা ভূত, মা পেত্নী হয়ে আছে
    • কবি: মারজুক রাসেল
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 403 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়?

  1. নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায় মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন 'ভালো মানুষ' হয়ে ওঠা। অর্থাৎবিস্তারিত পড়ুন

    কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়

    মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে ওঠা। অর্থাৎ এমন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, যার নিজের ব্যাপারে মনে কোনো খেদ থাকবে না, আবার অন্যরাও নির্দ্বিধায় বলে দেবে, “হ্যাঁ, তুমি একজন ভালো মানুষ।”

    কিন্তু কীভাবে হওয়া যায় একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ? কিংবা সত্যিকারের ভালো মানুষ হওয়া কি আদৌ সম্ভব? অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, না, আজকের দিনে আর পরিপূর্ণ ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, ভালো মানুষ হয়ে এই সমাজ সংসারে টিকে থাকা অসম্ভব। কিন্তু না, ভালো মানুষ হওয়া অতটাও কঠিন কিছু নয়। চাইলেই হয়ে ওঠা যায় একজন ভালো মানুষ। কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করলে একজন ভালো মানুষ, কিংবা নিদেনপক্ষে পূর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর একজন মানুষে পরিণত করা যায় নিজেকে, সেগুলোই তুলে ধরা হবে আজ।

    ভালোবাসতে হবে নিজেকে

    প্রথম পয়েন্টটি দেখেই হয়তো চমকে উঠছেন অনেকে। ভাবছেন, এ-ও কী সম্ভব! কারণ এতদিন জেনে এসেছেন, ভালো মানুষেরা নিজেকে নিয়ে ভাবে না। তারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে পরের তরে। সে কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, সবসময় পরোপকার করতে হবে মানে এই নয় যে নিজেকে অবহেলা করতে হবে। বরং নিজেকে ভালোবাসতে পারাই হলো ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম সোপান।

    মানুষ হিসেবে আমরা সবসময়ই চাই, অন্যরা যেন আমাদের ভালোবাসে, আমাদের প্রশংসা করে। কিন্তু অনেক সময় এরকম চাইতে চাইতে আমরা অন্যের অনুমোদনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠি। যখনই আমরা আমাদের কাজের প্রাপ্য সম্মান পাই না, লোকের ভালোবাসা পাই না, তখন আমরা হতোদ্যম হয়ে যাই। ফলে হারিয়ে ফেলি কাজ চালিয়ে যাওয়া কিংবা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মতো দৃঢ় মনোভাব।

    ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অধিকাংশ অপরাধীই অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে শৈশবে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অবহেলা কিংবা ভালোবাসাহীনতার শিকার হয়ে। তাই তারা চেয়েছে অন্যদের জীবনও একইভাবে বিষিয়ে দিতে। তারা যেহেতু তাদের জীবনে সুখ-আনন্দের স্বাদ পায়নি, অন্য কেউও যেন তা না পায়।

    অথচ ভেবে দেখুন, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে সর্বোচ্চ ভালোবাসত, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে এই উপলব্ধিটাও জন্মাত যে আশেপাশের মানুষদের ভালোবাসা বা সম্মানও তেমন একটা জরুরি নয়, যদি নিজের কাছে নিজে ভালো থাকা যায়, সবচেয়ে ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া যায়। তাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো, নিজেদেরকে ভালোবাসা। যেকোনো ভালো কাজের পর নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেয়া, প্রশংসা করা, এবং ভবিষ্যতেও একই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হওয়া।

    নিজের দুর্বলতাগুলোকে স্বীকার করতে হবে

    কথায় আছে, যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটি শনাক্ত করা, এবং সেটি যে আসলেই একটি সমস্যা, তা স্বীকার করে নেয়া। কারণ আমরা যতই কোনো সমস্যার কারণে কষ্ট পাই না কেন, ওই সমস্যার মূলটা যদি খুঁজে না পাই, কিংবা খুঁজে পাওয়ার পরও মন থেকে তা মানতে না চাই, তাহলে তো সমাধানের পথ বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    ঠিক একই কথা প্রযোজ্য কোনো মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও। এ কথা অনস্বীকার্য যে মানুষ হিসেবে আমরা কেউই শতভাগ পারফেক্ট নই। আমাদের সকলের মাঝেই অনেক দুর্বলতা আছে, খামতি আছে। এখন আমরা যদি চাই সেগুলো কাটিয়ে উঠতে, তাহলে সেগুলোকে অস্বীকার করে বা গোপন করে তো কোনো লাভ নেই। একটি অঙ্কের হিসাব যদি না মেলে, তাহলে খাতা খুলে বারবার হিসাব মেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। বইখাতা বন্ধ করে ফেলে রাখলে হিসাব জীবনেও মেলে না। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিজীবনের দুর্বলতাগুলোকেও আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করতে হবে।

    হয়তো আমরা কেউ কথায় কথায় মিথ্যা বলে ফেলি। কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য অসৎ পন্থা অবলম্বন করি। সবসময় নীতি-নৈতিকতার বুলি আওড়ালেও, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ঠিকই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হই। অন্যের ক্ষতি করে বসতেও দ্বিধা করি না। এরকম আসলে কমবেশি সকলেই করে। এতে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। অস্বাভাবিকতার শুরু তখন, যখন আমরা এগুলো করেও দাবি করতে থাকি যে আমরা এগুলো করি না। এতে করে আমাদের নিজেদেরকে শুধরানো আর হয় না। তাই নিজেদের চারিত্রিক দুর্বলতাগুলোকে অস্বীকার না করে, নিজে নিজে কিংবা আশেপাশের কারো সহায়তায় এগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

    করতে হবে ইতিবাচকতার চর্চা

    মন থেকে ইতিবাচক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মনে মনে সবসময় নেতিবাচকতাকে ধারণ করি, যেকোনো ক্ষেত্রে কেবল নেতিবাচকতাই খুঁজে বেড়াই, অর্থাৎ ছিদ্রান্বেষী হয়ে উঠি, তাতে মনে মনে কষ্ট পাব নিজেরাই।

    ধরুন, আমার সাথে এমন কোনো একটি ঘটনা ঘটল, যে কারণে আমার উচিত খুশি হওয়া, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা। অথচ তা না করে আমি যদি জোর করে ওই ভালো ঘটনার মাঝেও মন্দ কিছু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই, এবং কোনো মন্দ একটি দিক অনেক কষ্টে পেয়েও যাই, তাতে ক্ষতিটা আসলে কার হবে? আমারই হবে। কারণ ভালো একটি ঘটনা ঘটায় আমার আনন্দলাভের কথা ছিল। তার বদলে আমাকে এখন কষ্ট পেতে হবে, প্রবল মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে হবে।

    সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে ইতিবাচক হতে হবে। তার মানে এই নয় যে খারাপ কাজের মাঝেও ইতিবাচকতা খুঁজতে হবে। যেটি খারাপ, সেটি তো সবসময়ই খারাপ ও নিন্দনীয়। সেরকম কাজকে অবশ্যই ধিক্কার জানাতে হবে, সেগুলোকে বর্জন করতে হবে। এটুকুই শুধু মাথায় রাখতে হবে যে, যেখানে কোনো খারাপের চিহ্ন নেই, জোর করে যেন তার ভিতরেও খারাপ খুঁজতে না যাই।

    এবং এই ইতিবাচকতার বহিঃপ্রকাশ দৈনন্দিন জীবনে আমাদের আচার-আচরণেও ঘটাতে হবে। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে যার জন্য সে প্রশংসার দাবিদার, একটু প্রশংসা তার প্রাপ্য, তাহলে অবশ্যই মন খুলে তার প্রশংসা করতে হবে, তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে হবে। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে তার আরো উন্নতির জায়গা আছে, সেগুলোও তাকে ধরিয়ে দিতে হবে।

    রাগ দমন করতে হবে

    রাগ একটি খুবই বাজে জিনিস, যা একটু একটু করে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়। যখন আমাদের সাথে খুব খারাপ কিছু ঘটে, যা আমাদের প্রত্যাশা ছিল না, কিংবা যখন আমরা কারো কাছ থেকে খুব বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হই, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনেক রেগে যাই, ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ি। রাগের মাথায় এমন কিছু একটা করে বসি, যাতে মানুষ হিসেবে নিজেরাই অনেক ছোট হয়ে যাই, এবং অনেক অনর্থক বিপদও ডেকে আনি। তাই রাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

    খুবই নেতিবাচক এই মানসিক অনুভূতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো ক্ষমাশীল হয়ে ওঠা। আমার সাথে কেউ খুব বাজে কাজ করেছে? তাই আমি তার উপর মনে মনে রাগ পুষে রাখব? সুযোগ খুঁজব তার কাজের প্রতিশোধ নেয়ার, তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার? এ ধরনের মানসিকতা যদি আমি পোষণ করি, তাতে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করব। কেননা প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে, মনের যাবতীয় ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে অকেজো করে দেবে। তাই আমার জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত কাজ হবে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা না করে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া, এবং এর মাধ্যমে নিজের মনকে কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করা।

    তবে এটিও খুবই সত্যি যে এ ধরনের কথা বলা যতটা সহজ, নিজেদের জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো ঠিক ততটাই কঠিন। কিন্তু তাই বলে তো আর আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। নিজেদের মনের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারি না। সেটি হবে মানুষ হিসেবে আমাদের নিজেদের পরাজয়। তাই যত কষ্টকরই হোক না কেন, আমাদেরকে মনের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনকে ধীর-স্থির-শান্ত করে তুলতে হবে। দরকারে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে।

    পরমতসহিষ্ণু হতে হবে

    আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা বিপক্ষ মতকে একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গা থাকে, এবং আমরা সবসময় সেগুলোকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই। এতে কোনোই সমস্যা ছিল না, যদি না আমরা আমাদের আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার বিরোধী কারো উপর অকারণে আগ্রাসী হয়ে না উঠতাম।

    খুব সহজ একটি উদাহরণই দেয়া যাক। ফুটবল খেলায় আমি এক দলকে পছন্দ করি। অন্য কেউ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে। এটি তো হতেই পারে, তাই না? প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ভালো লাগা-মন্দ লাগা, পছন্দ-অপছন্দের জায়গা থাকবে। তার ওই ভীষণ ব্যক্তিগত জায়গাগুলোকে আমাদের অবশ্যই উচিত সম্মান করা। তা না করে আমরা যদি মারমুখী হয়ে যাই যে কেন সে-ও আমার মতো একই দলকে সমর্থন করে না, কেন সে ‘ভুল’ দলকে সমর্থন করে, সেটি হবে আমার তরফ থেকে খুবই অযৌক্তিক আচরণ।

    সঠিক-ভুল এগুলো তো খুবই আপেক্ষিক বিষয়। আমার কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল লাগতেই পারে। আবার অন্যের সঠিককেও আমার কাছে ভুল মনে হতে পারে। এর কারণ, তার আর আমার মানসিকতার পার্থক্য। এখন আমি তো চাইলেই তাকে আমার মতো মানসিকতার অধিকারী করে তুলতে পারি না। তাই সেটি নিয়ে আমার বাড়াবাড়িও করাও উচিত না। আমি সর্বোচ্চ যেটি পারি, তা হলো একটি গঠনমূলক বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন একটি আবহ তৈরি করা, যেখানে আমিও আমার মতটা তুলে ধরতে পারব, আবার সে-ও তার মতটা তুলে ধরতে পারবে।

    নিজেদের অবস্থানকে এভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু কখনো বিষয়টা এমন হওয়া যাবে না যে শুধু আমি একাই কথা বলে যাব, অপর পক্ষকে শুধু শুনে যেতে হবে। নিজের কথা বলার পাশাপাশি আরো বেশি মনোযোগ দিয়ে আমাদেরকে অন্যের কথা শুনতে হবে। আবার এমনটিও নয় যে বিতর্ক শেষে কোনো একটি পক্ষকে হার মানতেই হবে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় না পৌঁছেও বিতর্ক করা যেতে পারে, যা সবাইকে সমান সুযোগ দেয় নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করার। এই সুযোগটি আমাদের অবশ্যই সবাইকে দিতে হবে, এবং একটি মত যতই আমাদের অপছন্দ হোক না কেন, সেটিকে প্রকাশ করতে দিতেই হবে।

    হতে হবে বিনয়ী ও মার্জিত

    আমরা অন্যকে যা বলি বা অন্যের সাথে যা করি, সেগুলো আসলে আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বেরই প্রতিনিধিত্ব করে। ধরুন কেউ আমার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি যথাসম্ভব বিনয়ের সাথে তার কথার প্রত্যুত্তর দিলাম। এতে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে ওই মানুষটির অবস্থান আমার চেয়ে অনেক উপরে, তাই আমি ভয় পেয়ে তাকে অনেক সম্মান দেখাচ্ছি। ভয় থেকেই যে সবসময় সম্মান উৎসারিত হয়, এ আমাদের খুবই ভুল ধারণা। আমি অন্যের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে পারি, বিনয়ী হতে পারি এ কারণেও যে, আমি নিজে একজন ভালো মনের মানুষ, তাই অন্য কেউ আমাকে সম্মান না করলেও আমি তাকে ঠিকই সম্মান করি।

    অনেকে আবার এমনটিও মনে করে যে, বিনয় কিংবা মার্জিত আচরণ বোধহয় মানুষের দুর্বলতা। যদি একজন মানুষ সবল হতো, তাহলে তার সবসময় এত বিনয়ী হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। এটিও আসলে একটি ভুল ধারণা। আমি যদি সবসময় কারো প্রতি বিনয়ী থাকি, মার্জিত আচরণ করি, সেটিই বরং আমার সবচেয়ে বড় শক্তিমত্তার জায়গা। শক্তিমত্তা এ কারণে যে, আমার আচরণ অন্যের দ্বারা প্রভাবিত নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

    একজন আমাকে একটি গালি দিলে আমি তাকে উল্টো দুটি গালি যদি দিই, তাতে আমি আসলে জিতব না। বরং এটিই প্রমাণিত হবে যে আমার ব্যক্তিত্ব একদমই ভঙ্গুর ও পলকা, আমাকে খুব সহজেই প্ররোচিত করা যায়। অথচ আমাকে একজন দশটি গালি দিলেও যদি আমি তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি, এটি দিনের আলোর মতো প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি আসলেই একজন ভালো মানুষ, আমার ভালোমানুষি কোনো আপেক্ষিক বিষয় নয়।

    অন্যের সাহায্য করতে হবে

    আমি যদি একা একাই সফলতার সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাই, আমার আশেপাশের সবাইকে অনেক পেছনে ফেলে দিই, তাতে কি খুব বেশি লাভ আছে? নেই। কারণ তখন আমি হয়তো অনেক খ্যাতি-সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক হবো ঠিকই, কিন্তু আমার আপনজনদের সাথে আমার অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে না আমি পারব তাদের কাছে ফিরে যেতে, না তারা পারবে আমার কাছে পৌঁছাতে। তাই দিনশেষে দেখা যাবে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও আমি বড্ড একা, নিঃসঙ্গ, নির্বান্ধব। সাফল্যমণ্ডিত ওই জীবনও খুব হতাশার, অবসাদের।

    এ কারণেই, শুধু নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আশেপাশের সবার দিকে। এমন নয় যে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবার জন্যই কিছু না কিছু করা। কারণ মানুষ হিসেবে অবশ্যই আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা তো অন্তত করতে পারি। দশজন যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, এবং তার মধ্যে একজনকেও সাহায্য করতে পারি, সেটি নেহাত কম কিছু নয়। আর যে বাকি নয়জনকে সাহায্য করতে পারলাম না নিজেদের সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার কারণে, তাদেরকেও আমরা মুখে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারি, সুন্দর ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা দিতে পারি।

    তাছাড়া আরেকটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি যে আমরা কাউকে সাহায্য করছি মানে তার খুব নিঃস্বার্থ উপকার করে ফেলছি তা কিন্তু নয়। আজ আমরা যাকে সাহায্য করছি, সে হয়তো আমাদের সাহায্যের কথা মনে রাখবে। এবং ভবিষ্যতে কোনোদিন যদি আমাদেরও কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, সে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। এ কথা অবশ্যই সত্য যে ঢালাওভাবে সবাইকে কৃতজ্ঞ বলা যায় না। কেউ কেউ হয়তো আমাদের উপকারের কথা মনে রাখবে না, আমাদেরকে ভুলে যাবে। তবু কিছু মানুষকে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রয়োজনে পাশে পাব। সেটিই বা কম কী!

    কাটিয়ে উঠতে হবে পরশ্রীকাতরতা

    অন্যের উন্নতি বা ভালো দেখলে স্বভাবতই আমাদের অনেকের মনে একধরনের হাহাকার জেগে ওঠে। কেউ কেউ আবার সূক্ষ্ম ঈর্ষাবোধও করি। কিংবা ভাবি, “আমি যা করতে পারিনি বা হতে পারিনি, ও কীভাবে তা পারল!” অর্থাৎ নিজেদের সাথে তুলনা করে যখন আমরা উপলব্ধি করি যে কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা মানসিক যাতনায় ভুগি, অস্থির হয়ে পড়ি।

    অথচ এই ধরনের হিংসা কখনোই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। অন্য কারো ভালো দেখলেই যদি আমরা মনে মনে জ্বলেপুড়ে মরতে থাকি, তাতে করে আমাদের শুভবুদ্ধি লোপ পায়। অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি নিজেরাও হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি। নিজেদের কাছেই নিজেরা অনেক বেশি ছোট ও তুচ্ছ হয়ে যাই। নিজেদের জীবনকে অনেক অর্থহীন মনে হয়।

    কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যের অবস্থা থেকে মনে নেতিবাচক শক্তি উৎপাদনের পরিবর্তে আমরা যদি নিজেদের যা যা ভালো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতাম, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতাম, তাহলে কি আমাদের মনে শান্তি ফিরে আসত না? আবার অন্য কেউ অনেক উন্নতি করেছে মানে তো আর এমন নয় যে আমরা কোনোদিন ওই ধরনের উন্নতি করতে পারব না। আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যারা উন্নতি করে, তারা সেই সম্ভাবনাগুলোর সদ্ব্যবহার করে। আমরাও যদি তা করতে পারি, তাহলে আমরাও পারব উন্নতির শীর্ষাসনে আরোহণ করতে। আর যদি আমাদের মনে হয় আমরা যাবতীয় চেষ্টা-চরিত্র করে যাচ্ছি তবু এখনো সফল হতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে কোথাও নিশ্চয়ই কোনো খামতি থেকে যাচ্ছে।

    সুতরাং আমাদের উচিত হবে অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার বদলে, নিজেদের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগানো নিজেদের খামতিগুলোকে খুঁজে বের করার পেছনে। পাশাপাশি কীভাবে, কোন কোন জায়গায় আমাদের আরো বেশি শ্রম দেয়ার অবকাশ রয়েছে, সেগুলোও আমরা ভাবতে পারি। সর্বোপরি, অন্যের উন্নতি দেখে যদি আমরা ঈর্ষান্বিত বা হতাশ না হয়ে বরং নিজেরাও সেগুলো থেকে অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি, তাহলে আখেরে লাভটা হবে আমাদেরই।

    হতে হবে সহানুভূতিশীল

    আমরা অনেকেই হয়তো কেবল নিজেদের দুঃখ-কষ্টগুলোকেই বড় করে দেখি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই যে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে, তা আমরা ভাবি না। কারণ আমরা মনে করি, “আরে, ও আর এমন কী খারাপ আছে! ওর চেয়ে তো আমি বেশি খারাপ দিন কাটাচ্ছি!”

    এখানে দুটি বিষয় খেয়াল করা দরকার। প্রথমত, আপনি-আমি খুব খারাপ আছি বলে কিন্তু অন্য কোনো মানুষের খারাপ থাকাটা মিথ্যা হয়ে যায় না। সব জায়গায় এমন তুলনা করাও উচিত না। হ্যাঁ, হতেই পারে যে আমরা অনেক বেশি খারাপ আছি। তারপরও, অন্য কেউ খারাপ থাকলে, তার খারাপ থাকাটাও সমান স্বীকৃতির দাবিদার। আপনি-আমি বেশি খারাপ আছি বলে অন্য কারো খারাপ থাকাকে উড়িয়ে দেয়া, অস্বীকার করা খুবই বাজে কাজ। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেককে কষ্ট দিয়ে ফেলি। আর দ্বিতীয় কথাটি হলো, অন্য কারো খারাপ থাকাকে যদি আমরা গুরুত্ব দিই, এতে করে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকাটাও মিথ্যা হয়ে যায় না। কিংবা বিষয়টি এমনও দাঁড়ায় না যে আমরা অন্যের খারাপ থাকাকে স্বীকার করে নিচ্ছি বলে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে এরপরও যদি আমরা নিজেদের খারাপ থাকার প্রসঙ্গ কখনো তুলি, সেটি ধোপে টিকবে না!

    আসলে বর্তমান সমাজটাই কেমন যেন প্রতিযোগিতানির্ভর হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পদে পদেই প্রতিযোগিতা। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি খারাপ আছে, এ নিয়েও প্রতিযোগিতা! ভাবখানা এমন যেন সব জায়গায় নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে পারলেই জীবনটা সার্থক হয়ে যাবে। আমাদেরকে এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যদের আবেগ-অনুভূতির দিকে অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে তাদের অবস্থা-পরিস্থিতি-পারিপার্শ্বিকতা থেকেই উপলব্ধি করার চেষ্টা হবে। সব জায়গায় শুধু নিজেদের উদাহরণ বা তুলনা টানলে চলবে না। কেবল তাহলেই আমরা সত্যিকারের সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারব। অন্য কারো দুঃখ-কষ্টকে তখন আমাদের তুচ্ছ বা সামান্য বলেও মনে হবে না। বরং তাদেরকে সঠিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের মন কিছুটা হলেও ভালো করতে পারব।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে

    প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অনেকের দ্বারাই উপকৃত হই। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই আমরা এই কৃতজ্ঞতাটা প্রকাশ করি। যেমন: গ্রীষ্মকালে প্রখর রোদের ভিতরও হয়তো রিকশাওয়ালা আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিলেন। কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ওয়েটার আমাদেরকে একটি ভালো টেবিলে নিয়ে বসালেন। আমরা ভাবি, রিকশাওয়ালা তো এই কাজ করছেন ভাড়ার জন্য। আবার ওয়েটার এমন করছেন কিছু বাড়তি টিপসের জন্য। এভাবেই সব জায়গায় আমরা টাকা-পয়সার প্রসঙ্গ টেনে আনি। অথচ ভেবে দেখি না, কোনো কাজের উদ্দেশ্য কেবল টাকা-পয়সাই নয়। কিংবা তা যদি হয়ও, আমরা নিজেরা যে উপকৃত হচ্ছি, সেটি কখনোই মিথ্যা হয়ে যায় না।

    আমাদের উচিত জীবনে চলার পথে সকল ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ হওয়া, এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। কেউ যদি এমন সামান্যতম কোনো কাজও করে থাকে, যার ফলে আমরা কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছি, তাহলে অবশ্যই আমাদের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া। আমাদের মনোভাব এমন হওয়া যাবে না যে কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হলে বা কাউকে একটু সম্মান দিলে আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব হ্রাস পাবে। কৃতজ্ঞতাবশত কাউকে সম্মান দেখালে কখনোই আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব খাটো হয়ে যায় না, বরং এটিই প্রমাণ হয় যে আমরা উপকারীর উপকারকে কখনো ভুলি না, তাদের উপকার আমাদের স্মরণে থাকে।

    অজুহাত দেয়া যাবে না

    কোনো কাজ যদি ভুল হয়ে যায়, আমরা সবার আগে যা করি তা হলো অজুহাত দেয়া। অর্থাৎ কীভাবে অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনার উপর আমাদের ভুলের দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায়। এই প্রবণতা বর্জন করতে হবে। অজুহাত দেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিতে হবে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

    আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ভুলগুলো সবসময়ই দৃশ্যমান, কিন্তু অজুহাত সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয়। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো ভুল করে বসি, সেটি সকলের নজরে পড়বে ঠিকই। অথচ আমরা যদি কোনো অজুহাত দিই, তাতে খুব কম মানুষই কর্ণপাত করবে, আরো অনেক কম মানুষ সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে। মাঝখান থেকে আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। লোকে ধরে নেবে, আমরা এমনই দুর্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয়ার মতো মানসিক শক্তি আমাদের নেই।

    তাই এখন থেকে আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কোনো কাজে যদি ভুল হয়েই যায়, চোখে পড়া মাত্র সেই ভুল স্বীকার করে নেয়া। পাশাপাশি কী কারণে ভুলটি হলো, তা-ও নিজে নিজেই খতিয়ে দেখতে হবে, এবং সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।

    ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে

    শুরুটা করেছিলাম ভালোবাসার কথা দিয়ে। শেষটাও করব ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু শুরুর সেই ভালোবাসা নিজের প্রতি হলেও, এবারের ভালোবাসা সকলের প্রতি।

    ‘ভালোবাসা’ কথাটিকে নেহাত রোমান্টিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, একে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার অনুশীলন করতে হবে। নিজেকে তো ভালোবাসতে হবেই, পাশাপাশি ভালোবাসতে হবে আশেপাশের প্রতিটি মানুষকে। আর শুধু মানুষই বা কেন, ভালোবাসতে হবে সকল জীবকে। প্রাণ আছে এমন প্রত্যেককে ভালোবাসতে হবে, তাদেরকে ভালো রাখতে হবে।

    যখন আমরা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ বা বিশ্বের সকলকে ভালোবাসব, তখন আশেপাশের সবার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে। আগে হয়তো আমরা সবকিছুতেই কেবল সমস্যা খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখন আমরা ভালোবাসার চোখ দিয়ে আমাদের পরিপার্শ্বকে দেখব, তখন তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধও আরো বেড়ে যাবে, এবং তাদের প্রতি মনের নেতিবাচকতাও দূর হবে। আশেপাশের যারা ভালো, তাদেরকে আগলে রাখতে চাইব, এবং যারা হয়তো আমাদের দৃষ্টিতে খারাপ, তাদেরকেও ঘৃণা করার বদলে, সংশোধনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাব, তাদেরকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাইব।

    সূত্রঃ রোর মিডিয়া

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 54 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট এর নাম

মাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট এর নাম
  1. rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    বিঃদ্রঃ যেকোন ঔষধ গ্রহনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। যে উত্তরটি আমি দিচ্ছি সেটা বিভিন্ন ইন্টার্নেট সোর্স থেকে সংগ্রহ করা। তাই চিকিৎসা বিষয়ক জটিলতায় সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণীয়। মাসিক নিয়মিত হওয়ার জন্য ( Renata Limited)  কোম্পানির নাম প্রচলিত একটি মেডিসিন নাম হলো  Normens 5MG এই টবিস্তারিত পড়ুন

    বিঃদ্রঃ যেকোন ঔষধ গ্রহনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। যে উত্তরটি আমি দিচ্ছি সেটা বিভিন্ন ইন্টার্নেট সোর্স থেকে সংগ্রহ করা। তাই চিকিৎসা বিষয়ক জটিলতায় সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণীয়।

    মাসিক নিয়মিত হওয়ার জন্য ( Renata Limited)  কোম্পানির নাম প্রচলিত একটি মেডিসিন নাম হলো  Normens 5MG এই ট্যাবলেটগুলো  আমাদের  শরীরের ন্যাচারাল হরমোনের ওপর কাজ করে থাকে এবং যাদের মাসিকের সমস্যা আছে তাদের  অনিয়মিত মাসিক থেকে মুক্তি করে দেয় ।

    কোন কোন ক্ষেত্রে Normens ট্যাবলেট কাজ করে?

    •   অনিয়মিত মাসিক হলে
    •  আবার খুব বেশি রক্তপাত হলে
    •  ব্রেস্ট পেইন, মাথা ব্যাথা বা মুড স্যুইং হলেও
    • ব্রেস্ট ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও হতে পারে

    চিকিৎসকরা এই ট্যাবলেট প্রতিদিন ১ টি করে এবং  ৩ বেলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে।  আবার কারো  কারো ক্ষেত্রে ৫ দিন করে  আবার কারো ক্ষেত্রে  ১ সপ্তাহ পর্যন্ত এটি খাওয়ার পরামর্শ  দিয়ে থাকে। তবে জেনো  এটি খাওয়ার আগে অবশ্যই একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

    ট্যাবলেট কখন খাবেন?

    আপনি কিন্তু অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে  পরামর্শ নিয়ে তবেই  কিন্তু এই ঔষুধ কিনবেন। আর  যারা প্রতিদিন হরমোন, থাইরয়েডের ওষুধ খেয়ে থাকেন,  তাদের ক্ষেত্রে এই পিল কতটা কাজ করবে তাও চিকিৎসকের কাছ থেকে  জেনে নিবেন।  তাই সাধারণত মাসিকের নির্ধারিত দিনের তিনদিন আগে এবং তিনবার এই ট্যাবলেট খেতে হবে।  একটি সকালে, একটি   দুপুরে এবং অপরটি রাতে খাওয়ার পর খেতে হবে । তবে  কিন্তু এক সাথে  দুইটা  ট্যাবলেট কখনই খাওয়া যাবে  না । আবার যদি  কোনও ট্যাবলেট সকালে খেতে  ভুলে গেলে তা আবার  পরে বা বিকেলে খাওয়া যাবে না।

    তথ্যসংগ্রহঃ https://www.panchmishali.com/2021/06/Period-howar-tablet-er-.html?m=1

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 6,003 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আজ দেশের কোন মার্কেট বন্ধ আর রাজধানীর কোন মার্কেট খোলা?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    সেরা উত্তর
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়। শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়বিস্তারিত পড়ুন

    ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়।

    শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিন-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালী থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঙ্খারপুল, গুলিস্থানের দক্ষিণ অংশ।

    মার্কেটের নাম: বাংলাবাজার বইয়ের দোকানগুলো, ফরাশগঞ্জ কাঠের আড়ত, শ্যামবাজার কাঁচামালের পাইকারি বাজার, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, আলম সুপার মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, কাপ্তান বাজার, ঠাটারিবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, চকবাজার, মৌলভীবাজার, ইমামগঞ্জ মার্কেট, বাবুবাজার, নয়াবাজার, ইসলামপুরের কাপড়ের বাজার, পাটুয়াটুলী ইলেকট্রনিকস ও অপটিক্যাল মার্কেট, নয়ামাটি এক্সেসরিস মার্কেট, শরিফ ম্যানশন, ছোট ও বড় কাটরা পাইকারি মার্কেট, বেগমবাজার, তাঁতীবাজার, নবাবপুর রোড ও নর্থসাউথ রোডের দোকানপাট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট ও সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেট।

    রোববার পূর্ণ ও সোমবার অর্ধ দিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: আগারগাঁ, তালতলা, শেরে বাংলা নগর, শ্যাওড়া পাড়া, কাজী পাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুখেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএসএইচ, ওল্ড ডিওএসএইচ, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলসান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁ, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ, সানারপাড়।

    মার্কেটের নাম: এসকল এলাকার মার্কেটগুলো রোববার পুরোদিন ও সোমবার অর্ধেক দিন বন্ধ থাকে। উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিসিএস কম্পিউটার সিটি, পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ ও ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

    মঙ্গলবার পূর্ণ ও বুধবার  অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কাওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

    মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতান: হাতিরপুল বাজার, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, গ্রিন সুপার মার্কেট, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, সৌদিয়া সুপার মার্কেট, সেজান পয়েন্ট, লায়ন শপিং সেন্টার, নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট,

    নিউ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক, নূর ম্যানশন, বাকুশাহ মার্কেট, ইসলামিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, ইস্টার্ন মল্লিকা, গ্লোব শপিং, বদরুদ্দোজা মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আযম মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, রাইফেল স্কয়ার, এআরএ শপিং সেন্টার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মমতাজ প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, অর্কিড প্লাজা, কেয়ারি প্লাজা, আনাম র্যাংগস প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, কাব্যকস সুপার মার্কেট ও কিচেন মার্কেট।

    বুধবার পূর্ণ দিবস ও বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলখেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।

    মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো: লুত্ফন শপিং টাওয়ার, হাকিম টাওয়ার, হল্যান্ড সেন্টার, নুরুন্নবী সুপার মার্কেট, সুবাস্তু নজরভ্যালি, যমুনা ফিউচার পার্ক, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, রাজউক সেন্টার, একতা প্লাজা, মান্নান প্লাজা, বন্ধন প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমীর কমপ্লেক্স, মাসকাট প্লাজা, এস আর টাওয়ার, পুলিশ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও রাজউক কসমো।

    বৃহস্পতিবার পূর্ণ ও শুক্রবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরেরপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

    মার্কেটের নাম: মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআড়টিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কর্পোরেট মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইং টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মারকেত-১, এবং ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খাদ্দার মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মুকাররম মার্কেট, আজিজ কোওপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।

     

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 152 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি কি?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    শিশুর যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই।শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,বুদ্ধি- বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য মায়ের দুধ হচ্ছে শিশুর শ্রেষ্ঠ খাদ্য।তাছাড়া বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মধ্যে গড়ে উঠে এক স্বর্গীয় নিবিড় সম্পর্ক। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপবিস্তারিত পড়ুন

    শিশুর যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই।শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,বুদ্ধি- বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য মায়ের দুধ হচ্ছে শিশুর শ্রেষ্ঠ খাদ্য।তাছাড়া বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মধ্যে গড়ে উঠে এক স্বর্গীয় নিবিড় সম্পর্ক। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপভোগ করেন।

    শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য দুধ পানের সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা একান্ত জরুরি। মা শিশুকে নিয়ে কীভাবে বসেছেন, কী পদ্ধতিতে খাওয়াচ্ছেন তা সঠিক হওয়া দরকার।

    শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সঠিক পদ্ধতি

    শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য চাই মাতৃদুগ্ধ। শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য দুধ পানের সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা একান্ত দরকার। যেসব পদ্ধতি সমূহ অবলম্বন করা উচিত:

    ১. মায়ের আরামদায়ক অবস্থান

    বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে কোন আরামদায়ক স্থানে বসা উচিত। ঘরে যদি কোনো  সোফা-কুশন না থাকে, তবে কোনো চৌকি বা  ইজি চেয়ারে বসেও মা দুধ শিশুকে দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। এছাড়া দেয়ালে বা বালিশে হেলান দিয়ে বসে অথবা শুয়ে বুকের দুধ খাওয়ানো যেতে পারে।যদি মা বসা অবস্থায় থাকেন, তাহলে  পিঠ সোজা রাখতে হবে, কাঁধ উঁচু করে রাখা যাবে না। মায়ের আরাম নিশ্চিত হলে এক ধরনের শিথিলতা আসে যাতে দুধ নিঃসরণে সুবিধা হয়।

    ২. বসে দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়মঃ

    মা যদি বসে শিশুকে দুধ খাওয়াতে চান, তাহলে মাকে সোজা হয়ে পিঠের পেছনে একটি বালিশ দিয়ে বসলে ভালো হয় যাতে কোমর বাঁকা না হয় । হাতের নিচে একটি বালিশ দিলে হাত ঝুলে থাকবে না। যদি বালিশ পিছনে না রাখা হয়, তাহলে মা বেশিক্ষণ সঠিকভাবে বসে থাকতে পারবেন না, তাতে দুধ দেওয়া বাধা প্রাপ্ত হতে পারে। সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে শিশু সম্পূর্ণ দুধ খেতে পারে। কারণ দুধ থেকে গেলে পরবর্তী দুধ জমতে বাধা প্রাপ্ত হয়।

    ৩. দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রাখা:

    মা শিশুকে যে পদ্ধতিতে বা ভঙ্গিতে দুধ খাওয়ান না কেন, সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন শিশুর দৃষ্টি মায়ের মুখের দিকে থাকে। শিশুর ঘাড় যেন গুঁজে না থাকে।  মায়ের দিকে শিশুকে এমনভাবে রাখতে হবে যেন স্তনের বোঁটার দিকে শিশুর মুখ থাকে। শিশুর মাথাটি থাকতে হবে মায়ের হাতের ভাঁজের উপর। শিশুর শরীর ও মায়ের বুকের মাঝে কোনো ফাঁক যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। শিশুর শরীর যেন মায়ের বুকের সঙ্গে মিশে থাকে । শিশু সবসময় যেন মায়ের শরীরের  ঘনিষ্ঠ ছোঁয়া পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।  শিশু যদি খাওয়ার সময় ঘনিষ্ঠ ছোঁয়া পায়, তাহলে মা-শিশু দু-জনেরই খুব আরাম ও আনন্দ হয়। শিশু নিজেকে খুব নিরাপদ মনে করতে থাকে।

    ৪. পর্যায় ক্রম অনুসরণ করা

    দু’দিকের স্তন থেকেই শিশুকে পর্যায়ক্রমে দুধ খাওয়ানো দরকার। কোন কোন মায়েদের যে কোন একদিকের (ডান বা বাম) দুধ খাওয়াতে সুবিধা মনে হয়। তাই একদিকের দুধ বেশি খাওয়ান। অপরদিকে স্তন থেকে কম খাওয়ানোর ফলে সেটিতে দুধ তৈরি ও সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং শিশুটিও একদিকের দুধ খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে প্রতিবারে দু’দিকের স্তন থেকে দুধ খাওয়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। একদিকের স্তন থেকে শিশুর পেট ভরে গেলে অপরটি পরবর্তী সময়ে খাওয়াতে হয়। শিশুর পেট ভরেছে কিনা বোঝার উপায় হলো : পেট ভরে গেলে শিশু আপনা আপনি দুধ খাওয়া ছেড়ে দেয়, তাছাড়া অপর বুকে দেয়ার পরেও শিশু আর খেতে চায় না।

    ৫. শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের পোশাক যেমন হওয়া উচিত:

    শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে তার পোশাকের ব্যাপারে বিশেষ দৃষ্টি রাখা উচিত। টাইট, ভারি পোশাক এড়িয়ে চলাই উচিত। এসময়টা শিশুকে বুকের দুধ খওয়ানোর বিষয়টা মাথায় রেখে মাকে হালকা, কম ঘাম হয়,আরামদায়ক কাপড় (যেমন: নাইট গাউন, বোতাম দেয়া শার্ট,সুতির গ্যাঞ্জি, নার্সিং ব্রা ইত্যাদি) পোশাক পড়া উচিত।  মায়ের এমন পোশাক পড়া উচিত নয় যাতে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে কষ্ট হয়। সামনে খোলা রাখা যায় এমন জামা পরলে দুধ খাওয়াতে মায়ের সুবিধা হয় সে কথা মাথায় রেখেই জামা কাপড় পছন্দ করা উচিত।

    ৬ . কর্মজীবী মায়েদের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো:

    কর্মজীবী মাকে সন্তান প্রসবের কিছুদিন পরেই কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে হয়। সেসব মায়েদের পক্ষে সময়মত বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব হয়ে উঠে না। তারা ব্রেস্ট পাম্পের সাহায্যে বুকের দুধ সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। পরবর্তীতে বাড়ির অন্য কোন সদস্য ফিডারের সাহায্যে বাচ্চাকে সেই দুধ খাওয়াতে পারেন।এই দুধ ৬-৮ ঘণ্টা ভাল থাকে আর যদি ফ্রীজে রাখেন তবে ২৪ ঘণ্টা ভাল থাকবে। যদি বিশেষ সুবিধা থাকে তবে কর্মক্ষেত্রে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারেন।

    ৭ . প্রচুর পানি পান করা:

    বাচ্চাকে বুকের খাওয়ালে মায়ের ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য মাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত।এতে বুকের দুধের পরিমান বাড়ে এবং দুধের সরবরাহ নিয়মিত থাকে। এছাড়া ও মাকে পানি বা তরল জাতীয় জিনিস, ঝোল জাতীয় জিনিস, দুধ ইত্যাদি ও বেশি পরিমানে খেতে হবে। ফলে বাচ্চা অনায়াসে বুকে দুধ পাবে।

    ৮. ঘড়ির দিকে না তাকিয়ে বাচ্চার দিকে নজর দিনঃ

    অসংখ্য  তথ্যের ভিড়ে আজকাল অনেক মা-ই ভুল করেন। অনেকেই মনে করেন যে ঘড়ি ধরে মেপে মেপে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালেই বাচ্চা ছোট বেলা থেকেই একটা নিয়মের মাঝে গেঁথে যাবে-যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ঘড়ির দিকে নজর না দিয়ে বাচ্চার সুবিধা-অসুবিধার প্রতি যত্নবান হন।সময় ও পরিস্থিতিই আপনার ও বাচ্চার জীবনের ছন্দ তৈরি করে দিবে।

    ৯। ধৈর্য রাখুনঃ

    শিশু যদি মায়ের দুধ খেতে অনীহা দেখায় তবে জোরাজুরি করবেন না, নিরিবিলিতে শিশুকে নিয়ে বসে বাচ্চাকে গান শুনাতে শুনাতে মাথায় হাত বুলিয়ে খাওয়াতে চেষ্টা করুন।অনেক সময় মায়ের বুকে দুধ বেশি জমে গেলে স্তন ভারী হয়ে শক্ত হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে চেপে দুধ বের করতে হবে এবং নরম হয়ে আসলে বাচ্চাকে দুধ দিতে চেষ্টা করতে হবে। এছাড়া ঠাণ্ডা বা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেক নিলেও উপকার পাওয়া যাবে।

    ১০। পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবার:

    মায়ের পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবার শিশুর পর্যাপ্ত বুকের দুধ পেতে সাহায্য করে। প্রচুর খাওয়ার দরকার নেই। আপনার শরীরের চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখুন এবং খিদে লাগলে খান। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল, মাছ (সামুদ্রিক মাছ নয়), এবং উপকারি চর্বিযুক্ত খাবার খান। আপনার শিশু ঘন ঘন বুকের দুধ খেলেও আপনি বাড়তি ক্যালরির চাহিদা একটা কলা বা আপেল অথবা পিনাট বাটার দিয়ে এক স্লাইস রুটি খেয়েও মেটাতে পারেন।

    পরিশিষ্ট:

    বুকের দুধ খাওয়াতে চাইলেই যে সব মা প্রথমেই সহজে সফলভাবে তা করতে পারবেন সেটা নাও হতে পারে। এ ব্যাপারে প্রয়োজন মায়ের যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস, বুকের দুধ খাওয়ানোর ইচ্ছা, কখন কী করতে হবে তা জানা।

    মায়ের দুধে রয়েছে শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মাঝে গড়ে ওঠে নিবিড় সম্পর্ক। অতএব শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 179 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
সুমনা
সুমনানতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

গভীর ভালোবাসার এসএমএস এর ৫০০ টি কালেকশন

  1. এনি আহমেদ
    এনি আহমেদ নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    এত এসএমএসের কালেকশন নেই । তবে অনলাইনে গুগলে দেখতে পারেন । আর ইয়উটিউবে এইধরনের ভিডিও হাজার হাজার রয়েছে । যেমন - Bulk SMS লিখে সার্চ করে দেখতে পারেন ।

    এত এসএমএসের কালেকশন নেই । তবে অনলাইনে গুগলে দেখতে পারেন । আর ইয়উটিউবে এইধরনের ভিডিও হাজার হাজার রয়েছে । যেমন – Bulk SMS লিখে সার্চ করে দেখতে পারেন ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 127 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 5:46 অপরাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সফল মানব ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছিল গরু… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 11:09 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপ্লব। এটি… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 10:57 পূর্বাহ্ন
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 8:28 পূর্বাহ্ন
  • rana
    rana একটি উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রত্যেক করযোগ্য নাগরিকের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আয়কর… মার্চ 30, 2026, সময়ঃ 3:23 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 104 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,003 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 74 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 10 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
নতুন
srity

srity

  • 21 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
পণ্ডিত
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন