সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠালে কি ফেরত আসে?
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর। পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম পরিস্থিতি টাকা ফেরত আসে? কত সময়ে লেনদেন ব্যর্থ (Failed) হলে ✅ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর।
পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম
পরিস্থিতি ১: লেনদেন ব্যর্থ হলে (সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর যদি লেনদেন “Failed” দেখায়, তাহলে কাটা টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই ক্ষেত্রে আলাদাভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার নেই, শুধু অপেক্ষা করুন।
পরিস্থিতি ২: টাকা পাঠানো হয়েছে কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছায়নি
বিকাশ থেকে SMS কনফার্মেশন এলেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে টাকা সাধারণত ৩ কার্যদিবসের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকাশে ফেরত চলে আসে। এরপরেও না আসলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ কল করুন এবং TrxID নম্বর জানান।
পরিস্থিতি ৩: ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হলে
এটি সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতি। ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা গেলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত আসে না। এই ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ ফোন করুন এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও যোগাযোগ করুন। লেনদেনের TrxID, তারিখ, সময় ও পরিমাণ জানান। বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রাপকের সাথে যোগাযোগ করে অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করবে।
সার্ভিস চার্জ কি ফেরত পাওয়া যায়?
লেনদেন ব্যর্থ হলে কাটা সার্ভিস চার্জও সম্পূর্ণ ফেরত আসে। তবে লেনদেন সফল হওয়ার পর কোনো কারণে টাকা ফেরতের প্রয়োজন হলে সার্ভিস চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না।
ভবিষ্যতে এই সমস্যা এড়ানোর উপায়
টাকা পাঠানোর আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দুইবার যাচাই করুন। বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক লিংক করার সময় অ্যাকাউন্ট নম্বর সংরক্ষিত থাকে, তাই পরবর্তীতে সেখান থেকে সিলেক্ট করলে ভুলের সম্ভাবনা কমে। লেনদেনের পর কনফার্মেশন SMS সংরক্ষণ করুন। সমস্যা হলে TrxID নম্বরটি কাজে আসবে।
জরুরি যোগাযোগ
সমস্যা হলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ (সকাল ৮টা — রাত ১১টা) অথবা নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
বিকাশ সম্পর্কিত আমার আরও কিছু উত্তর যা আপনার কাজে আসতে পারে:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি কত সময় লাগে স্বাভাবিক অবস্থায় তাৎক্ষণিক — ১ থেকে ৫ মিনিট নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ব্যাংকের সবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. রাত-দিন সব সময় পাঠানো যায় — বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে। তাই রাত ১২টায় পাঠালেও সাধারণত কয়েক মিনিটেই পৌঁছে যায়।
২. সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করে — বিকাশ থেকে ব্যাংকে ট্রান্সফার ব্যাংকের সাধারণ কার্যঘণ্টার বাইরেও হয়, কারণ এটি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল সিস্টেমে পরিচালিত হয়।
৩. কনফার্মেশন SMS আসে — টাকা সফলভাবে পাঠানো হলে বিকাশ থেকে আপনার মোবাইলে সঙ্গে সঙ্গে একটি নিশ্চিতকরণ SMS আসবে। এই SMS আসা মানেই টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সফল হয়েছে।
টাকা দেরি হওয়ার সাধারণ কারণগুলো:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা দেরিতে পৌঁছানোর পেছনে সাধারণত তিনটি কারণ থাকে। প্রথমত, ব্যাংকের নিজস্ব সার্ভার সাময়িকভাবে ব্যস্ত বা বন্ধ থাকলে প্রক্রিয়াকরণে দেরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, BEFTN (Bangladesh Electronic Funds Transfer Network) সিস্টেমে অতিরিক্ত লোড থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগে। তৃতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল থাকলে লেনদেনের নিশ্চিতকরণে বিলম্ব হতে পারে।
টাকা না পৌঁছালে কী করবেন:
বিকাশ থেকে SMS আসার পরেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের “Transaction History” থেকে লেনদেনের স্ট্যাটাস চেক করুন। সেখানে “সফল” দেখালে ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। আর “ব্যর্থ” দেখালে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসবে — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
সমস্যা সমাধান না হলে বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন এবং লেনদেনের TrxID নম্বরটি জানান। বিকাশ সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেয়।
ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে কী হবে:
ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭-এ ফোন করুন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও অবহিত করুন। এক্ষেত্রে টাকা ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে এবং ব্যাংকের সহযোগিতার উপর নির্ভর করে।
সংক্ষেপে মনে রাখুন:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর কনফার্মেশন SMS পেলে নিশ্চিন্তে থাকুন — স্বাভাবিক অবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যায়। ৩ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে তখন বিকাশকে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর "ট্রান্সফার মানি" অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো। প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য) বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে এবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর “ট্রান্সফার মানি” অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো।
প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে একবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হয়। এটি শুধু প্রথমবার করলেই চলে।
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন ও লগইন করুন
২. হোম স্ক্রিনে “ট্রান্সফার মানি” বা “বিকাশ টু ব্যাংক” আইকনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. “অ্যাড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট” বাটনে ট্যাপ করুন
৫. আপনার পূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন ও “এগিয়ে যান” চাপুন
৬. বিকাশ আপনার রেজিস্টার্ড নম্বরে OTP পাঠাবে — সেটি দিয়ে ভেরিফাই করুন
৭. সফল হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিকাশের সাথে লিংক হয়ে যাবে
⚠️ জরুরি শর্ত: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের নাম একই হতে হবে এবং উভয়ে একই NID দিয়ে খোলা হতে হবে। ব্যাংকের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বরও বিকাশের নম্বরের সাথে মিলতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ: টাকা পাঠানো (প্রতিবার)
ব্যাংক লিংক হয়ে গেলে পরবর্তীতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই টাকা পাঠানো যাবে:
১. বিকাশ অ্যাপে “ট্রান্সফার মানি” অপশনে যান
২. লিংক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি সিলেক্ট করুন
৩. পাঠানোর পরিমাণ লিখুন
৪. চার্জসহ মোট কাটার পরিমাণ দেখে নিশ্চিত করুন
৫. বিকাশ পিন দিন — টাকা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে
লেনদেনের সীমা (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী):
দৈনিক সর্বোচ্চ= ৫০,০০০ টাকা
মাসিক সর্বোচ্চ= ৩,০০,০০০ টাকা
একক লেনদেনের সর্বনিম্ন= ১ টাকা
কোন কোন ব্যাংকে পাঠানো যায়:
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে সরাসরি টাকা পাঠানো যায়: অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL (ইস্টার্ন ব্যাংক), IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান:
সমস্যা ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক হচ্ছে না
সমাধান: ব্যাংকে গিয়ে আপনার NID ও মোবাইল নম্বর আপডেট করুন, তারপর আবার চেষ্টা করুন।
সমস্যা ২: OTP আসছে না
সমাধান: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে কোন নম্বর রেজিস্টার্ড আছে তা ব্যাংকে জিজ্ঞেস করুন।
সমস্যা ৩: টাকা পাঠানো হয়ে গেছে কিন্তু ব্যাংকে যাচ্ছে না
সমাধান: বিকাশের ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান হয়।
বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের সুবিধা:
বিকাশ থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠালে ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) দিতে হয় না, বরং মাত্র ১% থেকে ১.২৫% চার্জ দিলেই হয়। সেবাটি ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে এবং টাকা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত। বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। ব্যাংকের নাম চার্জ (%) ১,০০০ টাকায় চার্জ অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ১% ১০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ১% ১০ টাকা AB ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত।
বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
দৈনিক ও মাসিক লিমিট:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা পাঠানো যায়।
কীভাবে টাকা পাঠাবেন — ধাপে ধাপে:
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন
২. “ট্রান্সফার মানি” অপশনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পরিমাণ দিন
৫. পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন — টাকা সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যাবে
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
– বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) থেকে কম, তাই এটি তুলনামূলক সাশ্রয়ী পদ্ধতি।
– বেশিরভাগ ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপনার বিকাশে নিবন্ধিত নাম ও ব্যাংকের নাম মিলতে হবে।
– ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন এই সেবা চালু থাকে।
– টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ হয়।
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায়:
অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL, IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, Bangladesh Development Bank সহ আরও অনেক ব্যাংক।
সংক্ষেপে দেখুনএমন কী আছে, যা হাত দিয়ে ধরতে পারবেন না কিন্তু সবসময় আপনার সঙ্গে থাকে?
খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে "ছায়া"।
খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে “ছায়া”।
সংক্ষেপে দেখুনমধু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম ও সময় এবং খাঁটি মধু চেনার উপায় কি?
মধু: স্বাস্থ্যগত উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং সতর্কতাসহ বিস্তারিত আলোচনা মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধুর সঠিক ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, কিন্তু এর অপব্যবহার কিছু ক্ষতির কারণও হতে পারে। আজ আমরা মধুরবিস্তারিত পড়ুন
মধু: স্বাস্থ্যগত উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং সতর্কতাসহ বিস্তারিত আলোচনা
মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধুর সঠিক ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, কিন্তু এর অপব্যবহার কিছু ক্ষতির কারণও হতে পারে। আজ আমরা মধুর উপকারিতা, খাওয়ার সঠিক নিয়ম, এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
মধুর গঠন ও পুষ্টিগুণ
মধুতে প্রাকৃতিক চিনির (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) পাশাপাশি ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম মধুতে গড়ে প্রায় ৩০৪ ক্যালোরি থাকে। এতে ৮২% কার্বোহাইড্রেট, ১৭% পানি এবং সামান্য পরিমাণ প্রোটিন ও ফাইবার থাকে।
মধুর উপকারিতা
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
২. সর্দি-কাশি উপশম
বিশেষ করে শীতকালে মধু ও আদা মিশিয়ে খেলে গলা ব্যথা ও কাশি কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে শোবার আগে এক চামচ মধু খাওয়া কাশির সমস্যা কমাতে কার্যকর।
৩. হজম শক্তি বৃদ্ধি
মধু হজমে সহায়ক এনজাইমের উৎপাদন বাড়ায়। সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ
ওজন কমাতে মধু অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ওজন কমানো সহজ হয়।
৫. ত্বকের যত্ন
মধুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। মুখে মধু লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
মধু খাওয়ার নিয়ম ও সময়
১. সকালে খালি পেটে:
খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করা পেট পরিষ্কার রাখতে এবং হজমে সহায়তা করে।
২. রাতে শোবার আগে:
রাতে ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু খেলে ভালো ঘুম হয় এবং সকালে কর্মশক্তি বৃদ্ধি পায়।
৩. রোগ প্রতিরোধে:
সর্দি-কাশি হলে দিনে ২-৩ বার এক চামচ মধু খাওয়া যেতে পারে।
মধুর অপকারিতা
১. অতিরিক্ত সেবনে ক্ষতি:
অতিরিক্ত মধু খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
২. শিশুদের জন্য ঝুঁকি:
১ বছরের নিচে শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়, কারণ এতে বোটুলিজম নামক রোগের ঝুঁকি থাকে।
৩. অ্যালার্জি সমস্যা:
যাদের ফুল বা মধুতে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা মধু খাওয়ার আগে সতর্ক থাকুন।
খাঁটি মধু চেনার উপায়
বাজারে অনেক ভেজাল মধু পাওয়া যায়। খাঁটি মধু চেনার কয়েকটি প্রচলিত পদ্ধতি হলো:
১. পানি পরীক্ষা: মধু পানিতে দিলে যদি সরাসরি তলিয়ে যায়, তবে তা খাঁটি হতে পারে।
২. আগুন পরীক্ষা: তুলোয় মধু মাখিয়ে আগুন দিলে যদি তা সহজে জ্বলে, তবে তা খাঁটি।
তবে এ পদ্ধতিগুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বিশ্বস্ত উৎস থেকে মধু সংগ্রহ করাই শ্রেয়।
মধু এবং যষ্টিমধু: বিশেষ তুলনা
যষ্টিমধুর উপকারিতা:
যষ্টিমধু একটি ভেষজ উদ্ভিদ, যা কাশি ও গলা ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি মধুর বিকল্প হিসেবে সর্দি-কাশি ও গলায় অস্বস্তি দূর করতে কার্যকর।
দ্রষ্টব্যঃ মধু একটি পুষ্টিকর খাদ্য, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত সেবন বা ভুল পদ্ধতিতে খাওয়া ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই মধু খাওয়ার আগে সঠিক নিয়ম মেনে চলুন এবং যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রতিদিন এক চামচ মধু খেলে কি হয়?
প্রতিদিন এক চামচ মধু খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হজমশক্তি উন্নত হয়, এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হতে সাহায্য করে। মধুতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। এছাড়া এটি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও সহায়তা করে।
সকালে খালি পেটে মধু খেলে কী হয়?
সকালে খালি পেটে মধু খাওয়া হজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে। মধুতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে। এছাড়া কুসুম গরম পানির সঙ্গে মধু খেলে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে কার্যকর।
সবচেয়ে ভালো মধু কোনটি?
সবচেয়ে ভালো মধু হলো খাঁটি ও প্রাকৃতিক মধু। খাঁটি মধু চিনতে চাইলে বিশ্বস্ত এবং পরিচিত উৎস থেকে সংগ্রহ করা উচিত। সুন্দরবনের মধু (যেমন: মৌচাক থেকে সংগৃহীত বনমধু) বাংলাদেশের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় এবং গুণগত মানে উত্তম। বাজারে অনেক ভেজাল মধু পাওয়া যায়, তাই কেনার সময় সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষেপে দেখুনলোভ জিনিসটা একজন মানুষের জন্য কতোটা খারাপ হতে পারে?
এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যায়। যেমন মরক্কান ফুটবলার আকারাফ হাকিমির (Achraf Hakimi) প্রাক্তন স্পানিস স্ত্রী আবুক (Hiba Abouk) ডিভোর্সের সময় আইনত তার স্বামীর অর্ধেক সম্পদ পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২০২০ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল। এর কিছুদিন আগে আবুক তার ফুটবলার স্বামী হাকিমির বিরুদ্ধে ডিভোর্স মামলা করেন এববিস্তারিত পড়ুন
এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যায়। যেমন মরক্কান ফুটবলার আকারাফ হাকিমির (Achraf Hakimi) প্রাক্তন স্পানিস স্ত্রী আবুক (Hiba Abouk) ডিভোর্সের সময় আইনত তার স্বামীর অর্ধেক সম্পদ পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২০২০ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল। এর কিছুদিন আগে আবুক তার ফুটবলার স্বামী হাকিমির বিরুদ্ধে ডিভোর্স মামলা করেন এবং আইন অনুযায়ী স্বামীর অর্ধেক সম্পত্তি দাবি করেন। কিন্তু তিনি কিছুই পাননি। কারণ হাকিমির নিজ নামে কোন সম্পদ নেই। হাকিমির আয়ের অর্থে কেনা সব সম্পত্তি তার মায়ের নামে রয়েছে।

এমনকি হাকিমি ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আয়কারী আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে সপ্তাহে যে ২ লক্ষ ১৫ হাজার ডলার আয় করেন সেটাও তার মায়ের নামে জমা হয়। এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়ে হাকিমির প্রাক্তন স্ত্রী আবুক দারুণ হতাশায় ভেঙে পড়েছেন।
একজন লোভী মানুষের জন্য এর চেয়ে খারাপ আর কি হতে পারে?
সংক্ষেপে দেখুনসোমবার হার্ট অ্যাটাক বেশি হয় কেন?
কিছু সমীক্ষায় এটা উঠে এসেছে যে হার্ট অ্যাটাক এর প্রবণতা, বিশেষ করে যাঁরা কর্মজীবনে রয়েছেন, তাঁদের মাঝে সোমবারেই দেখা যায়। এর কারণ হিসাবে যেটা বলা হয়, রবিবার ছুটির দিন হওয়াতে স্ট্রেস লেভেল খুব কম থাকে এবং সোমবার সপ্তাহের কাজের দিন হিসাবে প্রথম দিন হওয়াতে, হঠাৎ করেই মানসিক স্ট্রেস লেভেল বেড়ে যাবিস্তারিত পড়ুন
কিছু সমীক্ষায় এটা উঠে এসেছে যে হার্ট অ্যাটাক এর প্রবণতা, বিশেষ করে যাঁরা কর্মজীবনে রয়েছেন, তাঁদের মাঝে সোমবারেই দেখা যায়।
এর কারণ হিসাবে যেটা বলা হয়, রবিবার ছুটির দিন হওয়াতে স্ট্রেস লেভেল খুব কম থাকে এবং সোমবার সপ্তাহের কাজের দিন হিসাবে প্রথম দিন হওয়াতে, হঠাৎ করেই মানসিক স্ট্রেস লেভেল বেড়ে যায়।
রোববার এবং সোমবার, এই দুদিনের মাঝে, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে স্ট্রেস লেভেলের শার্প ভ্যারিয়েশন এর জন্য হঠাৎ করেই প্যানিক এ্যাটাক সৃষ্টি হয়,
রোববার রাত থেকেই, সোমবারে অফিস/কাজে যেতে হবে ভেবে শুরু হয় টেনশন এবং এটা সোমবারে কাজের সময় পিক পয়েন্টে পৌঁছে যেতে পারে,
এই অত্যধিক টেনশনের কারণে, অফিসের চেয়ারে বসতে গিয়ে, হার্টের কোনো সমস্যা ছাড়াই বন্ধ হয়ে যেতে পারে, অক্সিজেন সরবরাহ।
সূত্রঃ
- https://m.timesofindia.com/life-style/health-fitness/health-news/the-day-of-the-week-when-you-are-most-likely-to-have-a-heart-attack-study/amp_etphotostory/69055716.cms
- https://timesofindia.indiatimes.com/life-style/health-fitness/health-news/a-monday-can-give-you-a-heart-attack/articleshow/3665394.cms
- https://www.11alive.com/article/news/why-are-there-more-heart-attacks-on-monday/85-60c3c62d-bd3f-481f-ad8b-0b5079176c0a
সংক্ষেপে দেখুনকিছু বিখ্যাত শিল্পীদের নামের আগে উস্তাদ বা ওস্তাদ বলা হয় কেন? যেমন ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খান, ইত্যাদি।
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধি দেওয়ার রেওয়াজ চলে আসছে বহুকাল আগে থেকেই। যে সময় থেকে নবাবদের দরবারে, রাজাদের রাজসভায়, শাস্ত্রীয় সংগীতের পৃষ্ঠ পোষকতা শুরু হলো, তখন থেকেই, অসাধারণ প্রতিভা তথা দক্ষতা সম্পন্ন শিল্পীদের স্বীকৃতি এবং সম্মাননা স্বরূপ, নবাব বা রাজা বা অন্যান্য গুণীজন কর্তৃক, ওস্তাদবিস্তারিত পড়ুন
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধি দেওয়ার রেওয়াজ চলে আসছে বহুকাল আগে থেকেই।
যে সময় থেকে নবাবদের দরবারে, রাজাদের রাজসভায়, শাস্ত্রীয় সংগীতের পৃষ্ঠ পোষকতা শুরু হলো, তখন থেকেই, অসাধারণ প্রতিভা তথা দক্ষতা সম্পন্ন শিল্পীদের স্বীকৃতি এবং সম্মাননা স্বরূপ, নবাব বা রাজা বা অন্যান্য গুণীজন কর্তৃক, ওস্তাদ বা পন্ডিত উপাধিতে ভূষিত করা হতো।
সময়ের সাথে সাথে, রাজন্যপ্রথা উঠে গেলেও, যোগ্য শিল্পীকে সম্মান প্রদর্শনার্থে, এই ওস্তাদ বা পন্ডিত উপাধি প্রদানের ধারা অব্যাহত থেকে যায় এবং বিভিন্ন সংগীতনুরাগী সংস্থা বা শিল্পীমহল এই প্রথাকে বাঁচিয়ে রাখে। এই উপাধির মাধ্যমে, সংগীতের ক্ষেত্রে, শিল্পীর দক্ষতার পরিচয়ই জড়িয়ে থাকে।
এই উপাধি দেয়ার জন্য স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান নেই, ফলে আবেদন করার কোনো পদ্ধতিও নেই।
কোনো শিল্পী গুণীমহল কর্তৃক ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধিতে ভূষিত হয়ে, সেই মহলটিকেই কৃতার্থ করেন আবার কোনো শিল্পী, নিজের জানাশোনা কোনো সংস্থা, ক্লাব-টাব ইত্যাদিকে বলে, কয়ে, একটু ম্যানেজ করে, পন্ডিত উপাধি জুটিয়ে নিয়ে, নিজে ধন্য হন।
আর সেরকম সুবিধা না থাকলেও অসুবিধে নেই, আজকাল অনেক শিল্পী, নিজেই, নিজের নামের সামনে পণ্ডিত উপাধি বসিয়ে দেন। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে, উচ্চারণ আর অনুচ্চারণের মাঝামাঝি স্থানে থেকে, কিছু একটা বলেন, যা দুর্বোধ্য।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন