গুগল ম্যাপ শুধু রাস্তা চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাবে না, এবার থেকে গাড়ির তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে। এই সুবিধা প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে চালু হয়েছিল। এবার ভারতেও ফুয়েল-সেভিং ফিচার লঞ্চ করল গুগল ম্যাপ। এই অ্যাপে কী ভাবে তেল খরচ কমাবেন জেনে নিন। গুগল ম্যাপে নতুন সুবিধা পথ চিনিয়বিস্তারিত পড়ুন
গুগল ম্যাপ শুধু রাস্তা চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাবে না, এবার থেকে গাড়ির তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে। এই সুবিধা প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে চালু হয়েছিল। এবার ভারতেও ফুয়েল-সেভিং ফিচার লঞ্চ করল গুগল ম্যাপ। এই অ্যাপে কী ভাবে তেল খরচ কমাবেন জেনে নিন।
গুগল ম্যাপে নতুন সুবিধা
2022 সালে সেপ্টেম্বরে ফুয়েল-সেভিং ফিচারটি আনে গুগল। প্রাথমিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপ চালু করা হয় এই সুবিধা। ক্রমেই ফিচারটি ব্যবহার বাড়তে শুরু করে। এটি কাজে লাগিয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হয়। তবে ভারতে গুগল ম্যাপে অন্যান্য সুবিধা পাওয়া গেলেও এটি উপলব্ধ ছিল না।
গুগল ফুয়েল-সেভিং কী ভাবে কাজ করে?
গুগল ম্যাপ ইউজারের গাড়ির ইঞ্জিন অনুযায়ী, কোন রাস্তায় কত জ্বালানি দক্ষতার প্রয়োজন তার একটা হিসাব দেখিয়ে দেয়। পাশাপাশি মানচিত্রে লাইভ ট্রাফিক আপডেট এবং রাস্তার পরিস্থিতি কেমন সেই তথ্যও তুলে ধরে। গতি, ট্রাফিক আপডেট, উক্ত রুটে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ইত্যাদি বিষয়গুলি বিবেচনা করে কোন রুটে সবথেকে বেশি জ্বালানি বাঁচাতে পারবেন তা দেখিয়ে দেয় অ্যাপে। এমনকী রুট যদি বদলও করেন, তাহলেও বিকল্প রুট যেখানে জ্বালানি কম খরচ তার সন্ধান দেয় গুগল ম্যাপ।
গাড়ির ইঞ্জিন শনাক্ত করে কোন রুটে ভালো জ্বালানি দক্ষতা বা মাইলেজ পাবেন তা একটি সবুজ পাতার সাহায্যে দেখায় গুগল ম্যাপ। অপশনটি বন্ধ করলেও গাড়ির গতি ট্র্যাক করতে শুরু করে গুগল।
কী ভাবে ব্যবহার করবেন?
- স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপ ওপেন করুন
- তারপর প্রোফাইল পিকচার অপশনে ক্লিক করুন
- এবার সেটিংস অপশনে ট্যাপ করে নেভিগেশন অপশনে ক্লিক করুন
- নিচে স্ক্রল করে রুট অপশনে ট্যাপ করুন
- ইকো-ফ্রেন্ডলি রুটিংয়ের সুবিধা পাওয়ার জন্য ‘Prefer fuel efficient routes’ অপশনে ট্যাপ করুন
- এখানে ইঞ্জিন টাইপ অপশনে ট্যাপ করতে হবে
- এবার গন্তব্য সার্চ করতে পারেন
- বটম বার সোয়াইপ করে চেঞ্জ ইঞ্জিন সিলেক্ট করুন
- এখানে গাড়ির ইঞ্জিন টাইপ দিতে হবে
উল্লেখ্য, গাড়ির সঠিক ইঞ্জিন টাইপ দিতে হবে এখানে। কী রকম ইঞ্জিন রয়েছে তা ভুল দিলে, জ্বালানি দক্ষ এমন রুটও ভুল দেখাতে পারে গুগল। সাধারণত হাইওয়ে রাস্তায় ডিজেল গাড়ি ভালো মাইলেজ দিতে পারে। শহরের মধ্যে হাইব্রিড এবং ইলেকট্রিক গাড়ি ভালো মাইলেজ দেয়।






বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনাকে প্রমোট করেনা ইন্সটাগ্রাম। সৎ এবং ক্রিয়েটিভ উপায়ে পোস্ট করলে তবেই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার্স বাড়ানো যায় বলে মনে করে কোম্পানি। এক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা মেনে চলা দরকার। ইন্সটা অ্যাকাউন্ট/পোস্ট ভাইরাল করার জন্য এই 5 টিপস জেনে রাখুন। Instagram Folবিস্তারিত পড়ুন
বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনাকে প্রমোট করেনা ইন্সটাগ্রাম। সৎ এবং ক্রিয়েটিভ উপায়ে পোস্ট করলে তবেই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার্স বাড়ানো যায় বলে মনে করে কোম্পানি। এক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা মেনে চলা দরকার। ইন্সটা অ্যাকাউন্ট/পোস্ট ভাইরাল করার জন্য এই 5 টিপস জেনে রাখুন।
সঠিক ও ক্রিয়েটিভ উপায়ে মানুষের কাছে পৌঁছলে তবেই পোস্ট কিংবা প্রোফাইল জনপ্রিয়তা পাবে। এর জন্য কী কী টিপস মেনে চলা দরকার? জটিল বা টেকনিক্যাল কোনও বিষয়ে না গিয়েও বাড়াতে পারবেন ফলোয়ার্স। জেনে নিন ধাপে ধাপে।
ভুয়ো ফলোয়ার্স থেকে সাবধান
ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট বা ট্রিক রয়েছে যেখান থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনা যায়। কিন্তু, এই ভাবে বাড়ার থেকে উল্টে ইন্সটাগ্রামের শ্যাডো ব্যানের কোপে পড়বে অ্যাকাউন্ট। যেহেতু সংস্থা এই ধরনের কার্যকলাপে সম্মতি দেয়না, কেউ যদি ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনে তাহলে প্রোফাইলের গ্রোথ কমে যাবে। যে ভুয়ো ফলোয়ার্সগুলি কিনতে পাওয়া যায় সেগুলি আসল ইউজার হয় না। অজস্র বট ব্যবহার করা হয় এর জন্য। তাই এই ভাবে কোনওদিনই ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে ফলোয়ার্স বাড়াতে পারবেন না।
ইউজার নেম বদলান
প্রোফাইল নেম ও ইউজার নেমে যদি কিওয়ার্ড থাকে তাহলে সেটি অন্যান্য ইউজারদের কাছে পৌঁছনোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই কিওয়ার্ড সহজ এবং নির্দিষ্ট হওয়া উচিত। যা ইউজারের পেজ বা তাঁর কনটেন্টকে প্রতিফলিত করে। পাশাপাশি ইন্সটাগ্রামের সঙ্গে যুক্ত সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একই ইউজার নেম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
বায়ো-তে জোর দিন
ইনস্টাগ্রাম বায়ো আকর্ষণীয় হলে তবেই প্রোফাইলের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মানুষের। আর সেটা যদি ভালো না হয় তাহলেই মুশকিল। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলে দক্ষতা প্রতিফলিত হয় সেই ভাবে বায়ো তৈরি করুন। সাধারণ ইউজাররা নিয়মিত যেমন পোস্ট করেন সেই অনুযায়ী ঠিক করুন বায়ো। বায়ো হিট হলে তবেই গ্রোথ হবে ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল, বাড়বে ফলোয়ার্স।
অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দিন
এখন এক ছাতার তলায় সব প্ল্যাটফর্ম। মেটার নতুন ফিচারে একটা ক্লিকেই ইন্সটা থেকে ফেসবুক আবার ফেসবুক থেকে ইন্সটায় চলে আসা যায়। তাই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, থ্রেডস এবং অন্যান্য চ্যানেলে রেগুলার পোস্ট আপডেট করুন। শেয়ার করুন নিজের অ্যাকাউন্ট। এই ভাবে বাড়াতে পারবেন ফলোয়ার্স সংখ্যা।
সঠিক সময়ে পোস্ট করুন
ইনস্টাগ্রাম খুলেই পোস্ট করে দিলেন ছবি বা রিল? না, এই ভাবে হবে না। দিনক্ষণ না বুঝে পোস্ট শেয়ার করলে তা অনেকের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। যদিও এমন কোনও গোল্ডেন হাওয়ার নেই, তবুও সঠিক সময়ে পোস্ট করার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে যখন সবাই মোটামুটি অ্যাক্টিভ থাকে।