https://i-onlinemedia.net/3185
AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন
-
HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। এই শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশলে পড়লে GPA-5 পাওয়া অসম্ভব নয়। চলুন জানি কোন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিলে সর্বোচ্চ ফলাফল নিশ্চিত হবে। 📅 HSC ২০২৬ পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তারিখ বিষয় তারিখ দবিস্তারিত পড়ুন
HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। এই শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশলে পড়লে GPA-5 পাওয়া অসম্ভব নয়। চলুন জানি কোন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিলে সর্বোচ্চ ফলাফল নিশ্চিত হবে।
📅 HSC ২০২৬ পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
বিষয় তারিখ দিন তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ ৮ আগস্ট ২০২৬ শনিবার ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত সকাল শিফট সকাল ১০:০০ – দুপুর ১:০০ — বিকাল শিফট দুপুর ২:০০ – বিকাল ৫:০০ — কেন্দ্রে উপস্থিতি পরীক্ষার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে বাধ্যতামূলক ⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০২৬ সালে কোনো সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নেই। সম্পূর্ণ পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা হবে।
🔬 বিজ্ঞান বিভাগের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
পদার্থবিজ্ঞান (Physics)
অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ টপিক MCQ-তে গুরুত্ব সৃজনশীলে গুরুত্ব ভৌত আলোকবিজ্ঞান প্রতিফলন, প্রতিসরণ, লেন্স ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি তড়িৎচুম্বকত্ব ফ্যারাডের সূত্র, বায়োট-স্যাভার্ট ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ফটোইলেকট্রিক প্রভাব, তেজস্ক্রিয়তা ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐ মাঝারি গতিবিদ্যা নিউটনের সূত্র, ঘর্ষণ ⭐⭐ মাঝারি ⭐⭐⭐ বেশি তাপগতিবিদ্যা কার্নো চক্র, এনট্রপি ⭐⭐ মাঝারি ⭐⭐ মাঝারি পরমাণু মডেল বোর মডেল, শক্তি স্তর ⭐⭐ মাঝারি ⭐ কম ✅ পদার্থবিজ্ঞানে সূত্র মুখস্থ না করে প্রয়োগ শেখো। প্রতিটি অধ্যায় থেকে ৫-৭টি করে বিগত বোর্ড প্রশ্ন সমাধান করো।
রসায়ন (Chemistry)
অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ টপিক MCQ-তে গুরুত্ব সৃজনশীলে গুরুত্ব জৈব রসায়ন হাইড্রোকার্বন, অ্যালকোহল, অ্যাসিড ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি তড়িৎরসায়ন ইলেক্ট্রোলাইসিস, গ্যালভানিক সেল ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি পরিবেশ রসায়ন এসিড বৃষ্টি, গ্রিনহাউস গ্যাস ⭐⭐ মাঝারি ⭐⭐ মাঝারি রাসায়নিক বন্ধন আয়নিক, সমযোজী বন্ধন ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐ মাঝারি নাইট্রোজেন যৌগ অ্যামোনিয়া, নাইট্রিক এসিড উৎপাদন ⭐⭐ মাঝারি ⭐⭐⭐ বেশি ✅ রসায়নে বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার অভ্যাস করো। ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষাগারের নিরাপত্তা নিয়মও মনে রাখো।
জীববিজ্ঞান (Biology)
অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ টপিক MCQ-তে গুরুত্ব সৃজনশীলে গুরুত্ব কোষবিভাজন মাইটোসিস, মিয়োসিস পর্যায় ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি জেনেটিক্স মেন্ডেলের সূত্র, DNA গঠন ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি বাস্তুতন্ত্র খাদ্যশৃঙ্খল, শক্তিপ্রবাহ ⭐⭐ মাঝারি ⭐⭐⭐ বেশি প্রাণিবিজ্ঞান মানব শারীরবিদ্যা, রক্ত সংবহন ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐⭐ বেশি উদ্ভিদবিজ্ঞান সালোকসংশ্লেষণ, ট্রান্সপিরেশন ⭐⭐⭐ বেশি ⭐⭐ মাঝারি ✅ জীববিজ্ঞানে ডায়াগ্রাম এঁকে পড়ো। কোষের গঠন, হৃৎপিণ্ড, বৃক্কের গঠন ছবি সহ লিখতে পারলে সৃজনশীলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
উচ্চতর গণিত (Higher Math)
অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ টপিক নম্বর বরাদ্দ ক্যালকুলাস অন্তরীকরণ, সমাকলন, লিমিট ৩০+ নম্বর জটিল সংখ্যা আর্গান্ড ডায়াগ্রাম, ডি মোয়াভ্রের উপপাদ্য ১৫+ নম্বর ভেক্টর স্কেলার ও ভেক্টর গুণ, উপাংশ ১৫+ নম্বর সম্ভাবনা তত্ত্ব বায়েসের উপপাদ্য, বিনোমিয়াল ১০+ নম্বর ত্রিকোণমিতি বিপরীত ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ১০+ নম্বর ✅ গণিতে প্রতিদিন অন্তত ৫টি সমস্যা সমাধান করো। ভুল হলে ভুলের কারণ খোঁজো — শুধু উত্তর মিলিয়ে দেখো না।
📚 মানবিক বিভাগের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
বিষয় গুরুত্বপূর্ণ টপিক পরীক্ষায় কোথায় বেশি প্রশ্ন আসে বাংলা (১ম পত্র) গল্প, কবিতার মূলভাব, চরিত্র বিশ্লেষণ সৃজনশীলে উদ্দীপক বিশ্লেষণ বাংলা (২য় পত্র) ভাবসম্প্রসারণ, সারাংশ, রচনা রচনা ও ভাবসম্প্রসারণে পূর্ণ নম্বর সুযোগ ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের সংবিধান সৃজনশীলে বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন পৌরনীতি সরকার ব্যবস্থা, নাগরিকের অধিকার MCQ ও সৃজনশীল উভয়ে সমান অর্থনীতি চাহিদা-সরবরাহ, জাতীয় আয়, মুদ্রানীতি গ্রাফভিত্তিক প্রশ্নে বেশি নম্বর ভূগোল বায়ুমণ্ডল, জলবায়ু পরিবর্তন, বাংলাদেশের ভূগোল ম্যাপ ও চিত্রভিত্তিক প্রশ্ন 💼 ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
বিষয় গুরুত্বপূর্ণ টপিক পরীক্ষায় কোথায় বেশি প্রশ্ন আসে হিসাববিজ্ঞান (১ম পত্র) জাবেদা, খতিয়ান, রেওয়ামিল গাণিতিক হিসাব ও মিলানো হিসাববিজ্ঞান (২য় পত্র) আর্থিক বিবরণী, নগদান বই সম্পূর্ণ সেট প্রশ্নে বেশি নম্বর ব্যবসায় সংগঠন কোম্পানি গঠন, ব্যবস্থাপনার নীতি সৃজনশীলে বিশ্লেষণ ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা পুঁজিবাজার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বীমার প্রকার MCQ-তে সর্বোচ্চ উৎপাদন ব্যবস্থাপনা উৎপাদন পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ সৃজনশীলে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ✅ হিসাববিজ্ঞানে সময় বাঁচাতে হিসাবের ছক (format) আগে আঁকো, তারপর পূরণ করো। T-অ্যাকাউন্ট ছকে হিসাব করলে ভুল কম হয়।
✍️ বাংলা ও ইংরেজি — সব বিভাগের জন্য যা করতেই হবে
বিষয় মনোযোগ দেওয়ার জায়গা সময় বরাদ্দ (দৈনিক) বাংলা ১ম পত্র কবিতা ও গল্পের মূলভাব, ৫টি সৃজনশীল প্রশ্নের মধ্যে ৪টির উত্তর দাও ৪৫ মিনিট বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ অংশ MCQ-তে সহজ নম্বর, রচনায় ভূমিকা-মূল অংশ-উপসংহার কাঠামো মানো ৩০ মিনিট English 1st Paper Seen ও Unseen passage, Summary writing ৪৫ মিনিট English 2nd Paper Grammar (Article, Tense, Voice, Narration), Formal letter format ৩০ মিনিট ICT সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তর, Database, Algorithm MCQ বেশি আসে ৩০ মিনিট ⏰ শেষ ৪ সপ্তাহের দৈনিক রিভিশন প্ল্যান
সময় কার্যক্রম বিস্তারিত সকাল ৬:০০ – ৭:৩০ প্রথম সেশন কঠিন বিষয় — তখন মস্তিষ্ক সবচেয়ে সতেজ থাকে সকাল ৭:৩০ – ৮:৩০ বিরতি ও নাস্তা হালকা ব্যায়াম, গোসল করলে ঘুম কাটে সকাল ৯:০০ – ১১:০০ দ্বিতীয় সেশন MCQ practice — বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন দুপুর ১২:০০ – ১:০০ হালকা রিভিশন সূত্র, সংজ্ঞা, মূলভাব দ্রুত চোখ বোলানো দুপুর ১:০০ – ৩:০০ বিশ্রাম ও খাবার ঘুম নিলে ২০-৩০ মিনিটের বেশি নয় বিকাল ৩:৩০ – ৫:৩০ তৃতীয় সেশন সৃজনশীল প্রশ্ন লেখার অভ্যাস সন্ধ্যা ৬:০০ – ৮:০০ চতুর্থ সেশন পরের দিনের পরীক্ষার বিষয়ের রিভিশন রাত ৮:৩০ – ৯:৩০ নোট পর্যালোচনা নিজের হাতে লেখা সংক্ষিপ্ত নোট পড়া রাত ১০:০০ ঘুম ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক, রাত জাগা বন্ধ করো ⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিদিন একসাথে ৩-৪ ঘণ্টার বেশি না পড়ে ৯০ মিনিটের সেশনে ভেঙে পড়লে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
🚫 যে ভুলগুলো শেষ মুহূর্তে করলে ক্ষতি হয়
ভুল কাজ সঠিক বিকল্প নতুন টপিক শুরু করা যা আগে পড়নি আগে পড়া টপিকই গভীর করো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানো ফোন অন্য ঘরে রাখো, নির্দিষ্ট সময়ে দেখো বন্ধুর কাছ থেকে “কি কি আসবে” শুনে পড়া কমানো গুজবে কান না দিয়ে পূর্ণ সিলেবাস পড়ো পরীক্ষার আগের রাতে সারারাত জেগে পড়া আগের রাতে হালকা রিভিশন করে তাড়াতাড়ি ঘুমাও শুধু পড়া, প্র্যাকটিস না করা লিখে লিখে অভ্যাস করো, বিশেষ করে গণিত ও হিসাব সব বিষয়ে সমান সময় দেওয়া দুর্বল বিষয়ে বেশি সময় দাও 📝 পরীক্ষার হলে যে কৌশলে নম্বর বাড়ে
কাজ কখন করবে কেন দরকার OMR শিট সাবধানে পূরণ করো পরীক্ষার শুরুতে OMR ভুল হলে ফলাফল pending হতে পারে প্রথমে সব প্রশ্ন পড়ো প্রথম ১০ মিনিট সহজ প্রশ্ন আগে করলে সময় বাঁচে MCQ-তে সময় নষ্ট না করা ৩০ সেকেন্ডের বেশি নয় কঠিন MCQ পরে দেখো, সময় থাকলে সৃজনশীলে ক, খ, গ, ঘ ক্রমে উত্তর দাও প্রতিটি প্রশ্নে ঘ-এর উত্তরে বেশি বিশ্লেষণ লিখলে বেশি নম্বর উত্তরপত্র ভাঁজ করবে না সারা পরীক্ষাজুড়ে ভাঁজ করলে OMR scan করতে সমস্যা হয় সময় বণ্টন ঠিক রাখো মাঝে মাঝে ঘড়ি দেখো শেষে সময় না পেয়ে প্রশ্ন বাকি রাখা মানে নম্বর হারানো 🧠 মানসিক চাপ কমানোর ৫টি প্রমাণিত উপায়
- পরীক্ষার আগের দিন নতুন কিছু পড়ার চেষ্টা করো না। শুধু আগে পড়া নোট দেখো — এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
- প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট হাঁটো বা হালকা ব্যায়াম করো। শারীরিক কার্যকলাপ মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, মনে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- বন্ধুদের সাথে তুলনা করা বন্ধ করো। সে কতক্ষণ পড়ছে তা তোমার পরীক্ষায় নম্বর বাড়াবে না।
- পানি বেশি পান করো। পানিশূন্যতায় মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
- ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে প্রস্তুতিতে মনোযোগ দাও। ভালো প্রস্তুতি = ভালো ফলাফল।
🏆 একটি GPA-5 পাওয়া শিক্ষার্থীর পরামর্শ
“আমি বিগত ৫ বছরের বোর্ড প্রশ্ন বারবার সমাধান করেছি। নতুন কিছু না পড়ে পুরনো জিনিসগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করেছি। পরীক্ষার ২ সপ্তাহ আগে থেকে রাত ১০টার পর পড়া বন্ধ করেছি। ঘুম ঠিক রেখেছি। এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় কৌশল।”
HSC পরীক্ষা তোমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ — কিন্তু শেষ কথা নয়। শেষ মুহূর্তেও যদি সঠিক কৌশলে পড়ো, সাফল্য অবশ্যই আসবে।
তোমার পরীক্ষার জন্য শুভকামনা! ❤️
এই উত্তরটি উপকারী মনে হলে আপভোট দাও এবং তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো যারা HSC ২০২৬ পরীক্ষা দিচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুন
-
টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনিবিস্তারিত পড়ুন
টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্য।
জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… void(1); িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।
৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।
পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।
কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।
টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।
৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।
তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।
যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।
মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।
দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।
কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।
তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।
বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।
এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।
. নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।
আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।
শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।
এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।
পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।
বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।
সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।
৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।
এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আসসালামুয়ালিকুম।
সসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্ন।
জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।
৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।
পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।
কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।
টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।
৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।
তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।
যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।
মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।
দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।
কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।
তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।
বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।
এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।
. নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।
আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।
শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।
এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।
পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।
বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।
সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।
৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।
এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন।
সংক্ষেপে দেখুন
-
সেরা উত্তর
Thanks এবং Thank you দুটোই ব্যক্তির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। দুটোর মধ্যে পার্থক্য ন্যূনতম হলেও কিছু পার্থক্য দেখা যায়াই বটে। Thanks কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনানুষ্ঠানিক (informal way) উপায়। এটি সাধারণত পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে ব্যবহৃত হয়। Thank you কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক প্রকাশ (formal way)। তবে Thanবিস্তারিত পড়ুন
Thanks এবং Thank you দুটোই ব্যক্তির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। দুটোর মধ্যে পার্থক্য ন্যূনতম হলেও কিছু পার্থক্য দেখা যায়াই বটে।
Thanks কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনানুষ্ঠানিক (informal way) উপায়। এটি সাধারণত পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে ব্যবহৃত হয়।
Thank you কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক প্রকাশ (formal way)। তবে Thank you আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যেতে পারে।
Thanks একটি বিশেষ্য (noun), যেমন Kindly give my thanks to the writer.
অন্যদিকে Thank একটি ক্রিয়া, “I thank you”. কিন্তু”Give her my thank-you”, লেখা ব্যকরণ সম্মত নয়। কিন্তু “Give her my thanks.”ব্যকরণ সম্মত।
সংক্ষেপে দেখুন
-
সেরা উত্তর
নিচের লিংকে কারমাইকেল কলেজ রংপুর এর সকল তথ্য, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি আর নোটিশ বোর্ড দেখতে পারবেন। লিংকঃ কারমাইকেল কলেজ নোটিশ বোর্ড, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
নিচের লিংকে কারমাইকেল কলেজ রংপুর এর সকল তথ্য, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি আর নোটিশ বোর্ড দেখতে পারবেন।
লিংকঃ কারমাইকেল কলেজ নোটিশ বোর্ড, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
সংক্ষেপে দেখুন
-
যদিও আইনত কোনো হার নেই, তবে বেশিরভাগ CBA অনুযায়ী গড়ে যে সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করা হয়, সেটা মোটামুটি: প্রতি ঘণ্টায়: €৭ থেকে €৯ ইউরোর আশেপাশে (ট্যাক্স দেওয়ার আগে)। সরকারের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় সর্বনিম্ন বেতন চালু করার জন্য জোরালো আলোচনা চলছে। সেখানে ঘণ্টা প্রতি €৯ ইউরো (গ্রস বা ট্যাক্স পূর্ব) নির্ধাবিস্তারিত পড়ুন
যদিও আইনত কোনো হার নেই, তবে বেশিরভাগ CBA অনুযায়ী গড়ে যে সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করা হয়, সেটা মোটামুটি:
- প্রতি ঘণ্টায়: €৭ থেকে €৯ ইউরোর আশেপাশে (ট্যাক্স দেওয়ার আগে)।
সরকারের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় সর্বনিম্ন বেতন চালু করার জন্য জোরালো আলোচনা চলছে। সেখানে ঘণ্টা প্রতি €৯ ইউরো (গ্রস বা ট্যাক্স পূর্ব) নির্ধারণের একটা প্রস্তাব আছে, তবে এটা এখনো আইনে পরিণত হয়নি।
মোটকথা, ইতালিতে আপনার সর্বনিম্ন বেতন নির্ভর করবে আপনি কোন ধরনের কাজ করছেন, সেই কাজের চুক্তি বা CBA-এর ওপর।
আমি একটি ভিডিও যুক্ত করেছি। ভিডিওতে ইতালিতে ন্যূনতম মজুরি নিয়ে একটা আলোচনা আছে।
সংক্ষেপে দেখুন

আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান? হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব। আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান?
হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব।
আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ ইংরেজিতে কথা বার্তা বলেন কিন্তু আমরা যারা বাংলা ভাষাভাষী তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে যারা আমরা প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পে কাজ করি তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন বিদেশি ক্লায়েন্ট থাকে যদিও অনেক ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা কোন অসুবিধা হয় না তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাষা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে। এই মুশকিল আসান করতে বাজারে রয়েছে কিছু খুবই ভালো ভালো ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps.
আজকে আমরা এমন-ই ১০ টি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ অ্যাপ সম্পর্কে বিশদে আলোচনা করব।
তো আসুন শুরু করা যাক ।
English theke bangla translation APP
১. গুগল ট্রান্সলেট
প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে গুগল ট্রান্সলেট সম্পর্কে। ইংলিশ থেকে বাংলা ট্রান্সলেশন করার করার জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত app . গুগল ট্রান্সলেট গুগলের একটি অ্যাপ আপনি সহজেই ১০০ টিরও বেশি বেশি ভাষা অনুবাদ করতে পারেন।গুগল ট্রান্সলেট কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো সেগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
GOOGLE-TRANSLATE
গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ খুবই সহজেই ডাউনলোড করার পর আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা নির্বাচন করে সেদিকে ট্রান্সলেট বা অনুবাদ করতে পারবেন।
এরপর আপনি চাইলে আপনার অনুবাদ করা অংশটি সহজেই ব্লুটুথ কিংবা আরো অন্য অ্যাপ এর মধ্যে শেয়ার করতে পারবেন। মেসেজ করতে পারবেন ও আরো অনেক কিছু।
আপনি ইচ্ছে করলে যেকোনো হাতের লেখা কেউ অনুবাদ বা ট্রান্সলেট করতে পারবেন।
তবে হাতের লেখা ট্রান্সলেশন করার ক্ষেত্রে গুগলের নিজস্ব কি সীমাবদ্ধতা রয়েছে তবে আশা করা যায় ভবিষ্যতে গুগল ট্রান্সলেট আরও উন্নত হবে এবং আরও নানান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।
২. আই ট্রান্সলেট
ট্রান্সলেট গুগল এপের মত হাই ট্রান্সলেটর আইফোনের জন্য খুবই একটি জনপ্রিয় ট্রান্সলেটর।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
আই ট্রান্সলেটর প্রায় 100 টিরও বেশি ভাষা অনুবাদ করা যেতে পারে এটিও ক্যামেরা ট্রান্সলেশন ট্রান্সলেশন অফলাইন ট্রান্সলেশন কিবোর্ড ট্রানসলেশন সমর্থন করে। যারা ব্যক্তিগত প্রাইভেসি পছন্দ করেন তাদের জন্য এই ট্রান্সলেট খুবই উপযুক্ত একটি অ্যাপ।
৩. ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট
ইয়ান্ডেক্স রাশিয়ার সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট আরেকটি জনপ্রিয় ট্রানসলেশন অ্যাপ সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা ছাড়াও আরো 90 টি ভাষায় অনুবাদ করতে পারবেন। ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট ব্যবহার করার সময় একটি বিষয় আমাদের চোখে এসেছে যে বড় বাক্য অনুবাদ করার ক্ষেত্রে ইয়ান্ডেক্স ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এ কিছু অসুবিধা হয়। এছাড়া আর কোনো সমস্যা নাই। ভবিষ্যতে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
গুগল প্লে স্টোরে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেটর রিভিউ হল ৪.৪।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট গুগল প্লে স্টোরে এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।
৪.মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনি আপনার ব্রাউজার থেকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
টেক্সট ট্রান্সলেশন এর ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি ভাষা সমর্থন করে দুটির বেশি ট্রান্সলেশন করা হয়ে গেলে আপনি সেটি সহজেই টেক্সট ইমেইল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে শেয়ার করতে পারবেন।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
তাছাড়াও ট্রান্সলেশন এরপর আপনি আপনার ট্রান্সলেশন করা অংশটি তিনটি বিভিন্ন গতিতে শুনতে পারবেন।
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর অফ লাইন টেক্সট ট্রানসলেশন সমর্থন করে একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনার উচ্চারণ কি অনেক সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ফুল অনুবাদ করে দেয়।
এন্ড্রয়েড এবং আইফোন দুটোর জন্যই মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর উপলব্ধ রয়েছে।
গুগল প্লে স্টোরে মামাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর প্রায় এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে রিভিউ ৪.৬।
৫. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এই অ্যাপটির বিশেষত্ব হলো যে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা ভাষা ট্রান্সলেশন এর জন্যই তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলি হলো শেয়ার এবং সার্চ ,ইডিয়াম , ভয়েস সার্চ ,নিউ ওয়ার্ডস ইত্যাদি।
english to bangla translator
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
কুইক সেন্টেন্স অপশনের মাধ্যমে আপনি 50 টিরও বেশী বহুল ব্যবহার হওয়া বাক্যের বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রান্সলেশন খুব সহজেই করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এটি রিভিউ 4 এটি ডাউনলোড করা হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ বার।
৬. ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর। ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এই অ্যাপটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল যে এটি থেকে বাংলা যেমন করা যায় এমনি বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ও করা যায়। অন্যান্য অ্যাপগুলির মত এটিও ইনস্ট্যান্ট সার্চ ইঞ্জিন স্টার্ট রিসেন্ট ট্রানসলেশনস ইত্যাদি সমর্থন করে।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
এখানে আপনি বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের ডেফিনেশন সহ তার অর্থ জানতে পারবেন। মূলত একটি ট্রানসলেশন অ্যাপ সাথে একটি ভালো ডিকশেনারী ও কাজ করবে।
গুগল প্লে স্টোরে থাকা এই অ্যাপটি রিভিউ ৩.৯ এবং ডাউনলোড বা সংখ্যা ১ লক্ষ বারেরও বেশি।
৭. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী
সাত নম্বর সাত নম্বরে বলতে হবেই ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী এই অ্যাপটির নাম। একটি ফ্রি ট্রানসলেশন অ্যাপ এর মাধ্যমে সহজেই বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে পারবেন।
এর মধ্যে রয়েছে সার্চ বাংলা থেকে ইংরেজি ডিকশনারি এবং আরও অনেক কিছু। আপনার প্রাইভেসি এবং গোপনীয়তাকে একশভাগ সুরক্ষিত রাখে বাংলা থেকে ইংরেজি করার সাথে সাথে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করতে সমর্থ।
ডিজাইনের কথা বলতে গেলে এর ডিজাইন ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সাবলীল। সিঙ্গেল ট্যাগ কপি পেস্ট অপশন এটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। গুগোল অ্যাপ স্টোরে প্লে স্টোরে এটি ইনস্টল সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.৬।
৮. English to Bangla Translator Free
ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রি। ইংলিশ টু বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর উল্লেখযোগ্য নাম মূল বৈশিষ্ট্য গুলি হল দ্রুত কাজ করে এটি ভয়েস কনভারসেশন সাপোর্ট করে। এটি আপনার কনভার্শন করা অংশ সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোন অ্যাপ শেয়ার করতে সাহায্য করে। গ্রাভিটি টেক্সট স্ক্যান করতেও এটি সমর্থ। গুগল প্লে স্টোরে এটির ডাউনলোড ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.২.
৯. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ
এরপর হলো ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি ডিজাইন সুন্দর এটি ইংরেজি থেকে বাংলায় খুবই দ্রুত ট্রান্সলেট করে. এটি ফাস্ট ট্রান্সলেশন সাপোর্ট করে। তাছাড়াও এটি ওয়ার্ড কপিতে সমর্থ। যদি আপনি একটি সুন্দর ,লাইটওয়েট এবং সহজ ইংরেজি থেকে বাংলা ট্রান্সলেটার খুঁজেন এটি একটি আদর্শ ট্রান্সলেটর অ্যাপ হতে পারে।
গুগল প্লে স্টোর ইন্সটল সংখ্যা ১ হাজারের উপর এবং সাইজ মাত্র ৪.৪ মেগাবাইট।
১০. ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী
ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী এই লিস্টে থাকা ১০ নম্বর ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এটি একটি অফলাইন বাংলা ডিকশনারি কাজ করে।
বাংলা ট্রান্সলেট করার সাথে সাথে এটি পুরো অফলাইন মোড এ কাজ করতে পারে আপনার কাছে যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তাহলে আপনি এই অ্যাপটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি একটি হালকা অ্যান্ড্রয়েড ইংরেজি টু বাংলা ডিকশনারী খোঁজ করেন তবে এই অ্যাপটি আপনার পক্ষে আদর্শ হতে পারে।
এই অ্যাপটিতে প্রায় পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ইংরেজি শব্দ প্রিলোডেড রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় 50 টিরও বেশি বহুল ব্যাবহৃত ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ করা রয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে এটি ইন্সটল এর সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি এবং এটি সাইজ মাত্র ৬.৩ মেগাবাইট।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন