সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

পড়াশোনা

Education related questions here!

শেয়ার করুন
  • Facebook
10 ফলোয়ার
75 উত্তর
177 প্রশ্ন
হোমপেজ/পড়াশোনা/Page 2
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো
  1. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    দৈনিক শিক্ষা পাঠদানের মাধ্যমে কিভাবে সন্তানের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে পারবো?

    Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    চলুন একটা গল্প শোনাই... জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"  সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।  শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!! হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।। বাঁবিস্তারিত পড়ুন

    চলুন একটা গল্প শোনাই…

    জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো – “কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।” 

    সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।। 

    শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!

    হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।। 

    শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।। 

    “ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট” হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।। 

    – “কোন সাবজেক্টে ফেল ??” হাতি এসে প্রশ্ন করে।। 

    — “গাছে ওঠা” সাবজেক্টে ফেল করেছে।।” 

    হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।

    শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।। 

    হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! “গাছে ওঠা’ সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।। 

    ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো – হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।। বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।। 

    প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।। 

    চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!! 

    তারা মেনে নিতে পারলো না।। 

    — “ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।” 

    ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র “সাঁতার” কাটা ছাড়া।। 

    প্রিন্সিপাল বললো — “আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ  মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।” 

    মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।। 

    বাচ্চা বলে –” মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??”

    মাছ বলে — “চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।” 

    হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।। 

    শিয়াল বলে — “কি হয়েছে সেটা তো বলো ??” 

    হাতি বলে — “এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।” 

    শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।

    শিয়াল বলো — “তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।”

    — “উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।” 

    — “বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।” 

    মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*

     প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।

    আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।

    আশাকরি আমার উত্তরটি বুঝতে পেরেছেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    গণিত কী কখনও একটি পূর্ণ ভাষা হতে পারে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    গণিতকে বলা হয় বিজ্ঞানের ভাষা। আমরা ভাষা বলতে যা বুঝি, গণিত কি তেমনই বাংলা, ইংরেজি কিংবা ম্যান্দারিনের মতো কোনো ভাষা? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের দেখতে হবে গণিতের শব্দ ও ব্যাকরণ কীভাবে এক একটি বাক্য রচনা করে। ভাষা কী? ভাষার বহুরকম সংজ্ঞায়ন হতে পারে। ভাষা হতে পারে কিছু শব্দ বা সংকেত, যেগুলো কিছুবিস্তারিত পড়ুন

    গণিতকে বলা হয় বিজ্ঞানের ভাষা। আমরা ভাষা বলতে যা বুঝি, গণিত কি তেমনই বাংলা, ইংরেজি কিংবা ম্যান্দারিনের মতো কোনো ভাষা? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের দেখতে হবে গণিতের শব্দ ও ব্যাকরণ কীভাবে এক একটি বাক্য রচনা করে।

    ভাষা কী?

    ভাষার বহুরকম সংজ্ঞায়ন হতে পারে। ভাষা হতে পারে কিছু শব্দ বা সংকেত, যেগুলো কিছু নিয়মের অধীনে থাকে। আবার বলা যেতে পারে, শব্দ কিংবা প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। বিশ্ববিখ্যাত ভাষাবিদ নোয়াম চমস্কি ভাষাকে সংজ্ঞায়ন করেন সসীম সংখ্যক উপাদান দিয়ে গঠিত বাক্যসমগ্র বলে।

    যেভাবেই সংজ্ঞায়ন করা হোক, আমরা সার্বিক বিবেচনায় কিছু উপাদানকে ভাষার বৈশিষ্ট্যের সূচক বলে ধরতে পারি।

    • অবশ্যই শব্দ বা প্রতীক সমূহের একটি অভিধান বা তালিকা থাকবে।
    • সেসব শব্দ বা প্রতীকের অবশ্যই অর্থ থাকতে হবে।
    • ভাষায় ব্যাকরণের প্রয়োগ থাকবে। অর্থাৎ কিছু নির্ধারিত নিয়ম থাকবে যা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলো ব্যবহারের সীমারেখা বলে দিবে।
    • প্রতীকগুলো দিয়ে বাক্য গঠনের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ বা উপস্থাপন করা যাবে। বাক্য গঠনের মাধ্যমে ভাব উপস্থাপন করে তার ধারাবাহিক বর্ণনা সম্ভব হতে হবে।
    • আর অবশ্যই একদল মানুষ থাকতে হবে যারা সে ভাষা বুঝবে এবং ব্যবহার করবে।

    ভাষা চর্চিত হবে একদল মানুষের মাঝে, আর ভাষাটি তাদের পারস্পরিক বোধ্যগম্যও হতে হবে; Source: Journal of Speech, Language, and Hearing Research – ASHA

    এই শর্তগুলো হাতে নিয়ে গণিতের দিকে তাকালে দেখা যায়, গণিত সবগুলো শর্তই পূরণ করে বসে আছে। বিশ্বব্যাপী গণিতের প্রতীক, তার অর্থ, ব্যবহার আর ব্যাকরণ একই। গণিতবিদ, বিজ্ঞানী এবং অন্যান্যরা ধারণার আদান-প্রদানে গণিতকে ব্যবহার করেন। গণিত যেমন একদিকে বাস্তব ঘটনাকে বর্ণনা করতে পারে, তেমনই বিমূর্ত ধারণাকেও বর্ণনা করতে পারে। এমনকি গণিতের এমন একটি শাখা আছে, যেখানে নিজেই নিজেকে বর্ণনা করতে পারে। ঐ শাখাটি হলো মেটা-ম্যাথমেটিকস।

    অভিধান, ব্যাকরণ ও পদবিন্যাস

    গণিতের অভিধান সাজানো হয়েছে বিভিন্ন বর্ণমালা থেকে। পাশাপাশি এতে আছে বিভিন্ন চিহ্ন, যেমন যোগ কিংবা বিয়োগ। একটি গাণিতিক সমীকরণকে বলা যায় শব্দের সমাহারে তৈরি বাক্য। একটি সরল গাণিতিক সমীকরণ বিবেচনা করি।

    3 + 5 = 8

    একে পড়া যায়- তিন এর সাথে পাঁচ যোগ করলে আট এর সমান হয়। নিঃসন্দেহে এটি একটি পরিপূর্ণ বাক্য।

    গণিতের ভাষায় বিশেষ্য পদ হলো এগুলো

    সংখ্যা ও অংক (0, 2, 5, 9, 17 ইত্যাদি)

    ভগ্নাংশ (1⁄4, 5⁄9, 2 1⁄3)

    চলক (a, b, c, x, y, z ইত্যাদি)

    রাশি (3x, x^2, 4+x ইত্যাদি)

    রেখাচিত্র বা দৃশ্যমান উপাদান (বৃত্ত, কোণ, ত্রিভুজ, টেন্সর, ম্যাট্রিক্স ইত্যাদি)

    অসীম সংখ্যা (∞)

    পাই (π)

    কাল্পনিক সংখ্যা (i, -i)

    আলোর বেগ (C)

    গণিতে ব্যবহৃত প্রতীক দিয়ে তৈরি করা যেতে পারে বাক্য; Source: Westend61 / Getty Images

    গণিতের ক্রিয়াপদগুলো

    সমান ও অসমতা চিহ্ন (=, <, >)

    গাণিতিক ক্রিয়া, যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, বর্গমূল করা। (+, ­, ×, ÷)

    অন্যান্য ক্রিয়া (sin, cos, tan, sec ইত্যাদি)

    গণিতের ব্যাকরণ এবং বাক্যগঠন অভিধানের মতোই আন্তর্জাতিক। কেউ যে দেশেরই লোক হোক, যে ভাষাতেই কথা বলুক, গাণিতিক ভাষার গঠন সকল দেশে একই। গাণিতিক সার্বজনীনতা সকলের জন্য সমান।

    • গাণিতিক সূত্র বা বিধিগুলো লেখা হয় বাম থেকে ডান দিকে।
    • পরিমাপ এবং চলকের জন্য ল্যাটিন বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়। কিছু গ্রিক বর্ণও ব্যবহার করা হয়। পূর্ণসংখ্যাগুলো বোঝাতে নেয়া হয়েছে i, j, k, l, m, n। বাস্তব সংখ্যাকে প্রকাশ করা হয় a, b, c, α, β, γ দিয়ে। জটিল সংখ্যাকে নির্দেশ করতে ব্যবহার করা হয় w এবং z প্রতীক। অজানা চলকের জন্য x, y, z এবং ফাংশনের নামের জন্য f, g, h।
    • বিবিধ বিশেষ সংজ্ঞার জন্য গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়। যেমন, λ দিয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য আর ρ দিয়ে বোঝায় ঘনত্ব।
    • বন্ধনী চিহ্নগুলো নির্দেশ করে প্রতীকগুলো কোন ক্রম অনুসরণ করবে।

    গণিতের রাশিমালা সবসময় লিখতে হয় বাম দিক থেকে; Source: Emilija Manevska

    ভাষা একটি শিক্ষা উপকরণ

    কীভাবে গাণিতিক বাক্যগুলো কাজ করে তা জানলে গণিত শেখা ও শেখানো উভয় পক্ষের জন্যই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। সংখ্যা এবং প্রতীক প্রায়ই শিক্ষার্থীদের আতঙ্কগ্রস্ত করে তোলে। তাই কোনো পরিচিত ভাষায় সমীকরণকে বর্ণনা করলে তা সহজে শিক্ষার্থীর কাছে গ্রহণীয় হয়। মূলত, এটা অনেকটা কোনো বিদেশী ভাষাকে নিজের ভাষায় রূপান্তরের মতো।

    যেহেতু পৃথিবীব্যাপী গণিত একই, তাই স্বভাবতই গণিত একটি বিশ্বজনীন ভাষা। গণিতের কোনো সংজ্ঞা কিংবা সূত্রের অর্থ বিভিন্ন ভাষায় একই। দুজন মানুষের মধ্যে কথ্য ভাষায় ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু গণিত সেই যোগাযোগ বাধা উৎরে গিয়েও কাজ করতে পারে।

    গণিত শুধু সংখ্যা আর সমীকরণ নয়

    গণিত বলতে শুরুতেই মোটাদাগে সংখ্যা আর সংখ্যাদের দিয়ে কিছু ক্রিয়া (যেমন, যোগ, বিয়োগ, ভাগ, বর্গমূল ইত্যাদি) বোঝায় না। বিমূর্ততা, ভাবমূলক বর্ণনা, বস্তুনিরপেক্ষ সংজ্ঞায়ন গণিতের চিরন্তন বৈশিষ্ট্য। জ্যামিতির কথাই বিবেচনা করি। একটি বস্তু কেমন হতে পারে তা গণিতের আওতাধীন। এমনকি কোনো বস্তু কেমন হওয়া অসম্ভব তা-ও গণিত শাস্ত্রের আওতাধীন।

    সার্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যাবে, মানুষের দ্বারা যত ভাষা সৃষ্টি হয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে আদিম কিন্তু এই গণিতই। যুক্তি ও যাচাইয়ের ভিত্তি হিসেবে সবসময় কাজ করেছে এই গণিত। ধর্ম, সংস্কৃতি, লিঙ্গ, কাল ইত্যাদি কোনোকিছুই এ ধারণার পরিবর্তন করতে পারেনি।

    গণিতকে ভাষা না বলার যুক্তি

    গণিতকে ভাষা বলার যুক্তি যেমন আছে, তেমনই একে নিয়ে আছে বিপরীত মত কিংবা ভিন্ন মত। অনেক ভাষাবিদ একে ভাষা হিসেবে স্বীকার করতে নারাজ। কারণ ‘ভাষা’র কোনো কোনো সংজ্ঞায় যোগাযোগকে কথ্যরূপ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। গণিত মূলত যোগাযোগের একটি লিখিত মাধ্যম; যেখানে খুব সরল একটি সমীকরণ সহজেই পড়ে ফেলা সম্ভব (যেমন- 1 + 1 = 2), কিন্তু জটিল কোনো সমীকরণ যেমন, ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ পড়তে গেলে বক্তার মাতৃভাষার সহায়তা নিতেই হবে- যে কারণে গণিত তাদের মতে ভাষা হিসেবে বিশ্বজনীনতা হারায়।

    একই যুক্তিতে ইশারা বা সাংকেতিক ভাষার (Sign language) স্বীকৃতিও কেড়ে নেয়া যায়। কিন্তু অধিকাংশ ভাষাতাত্ত্বিকেরা সাংকেতিক ভাষাকে সত্যিকার ভাষা হিসেবে স্বীকার করেন।

    ভাষা মাত্রই ভাবের আদান প্রদান জরুরী; Source: Dictaview.com

    গণিত দিয়ে আমরা বিশাল মহাবিশ্বের বিবিধ রহস্য থেকে শুরু করে কোষের ক্ষুদ্র জটিল জগত এমনকি ডিএনএ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারি। শুধু তা-ই নয়, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণুকেও ব্যাখ্যা করতে পারি। গ্রহদের গতি, জটিল রোগের প্রতিকার এমনকি ঘরের দরজা থেকে বেরিয়ে কর্মস্থল বা শিক্ষাঙ্গন, পার্ক যেখানেই যাই না কেন গণিতের অস্তিত্বকে ঝেড়ে ফেলার কোনো উপায় নেই। কম্পিউটার আর তথ্য বিনিময়ের অতিকায় বিপ্লবের বিস্তারিত কথা না-ই বললাম।

    দৈনন্দিন জীবনে গণিত আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে আমরা তার খানিকটাও দেখতে পাই না। অনেকটা বাতাসের সমুদ্রে থেকে বাতাসকে না দেখার মতো। আমাদের সহজাত প্রবৃত্তির কারণে আমরা হয়তো অভ্যাসের ভেতর থেকে ছেঁকে এনে ততটা খেয়াল করি না গণিতকে, কিন্তু যদি বলা হয় শুধুমাত্র সংখ্যা ছাড়া একটা দিন চলতে, তাহলে কি কেউ পারবে?

    আধুনিক পৃথিবীর কোনো কল্পনায় আপনাকে নাহয় না ভাসালাম। আদিম সমাজের গুহাবাসী কোনো পরিবারের কর্তাকে যদি কেউ বলতো, তোমার কয় ছেলেমেয়ে গো?

    কর্তাকে ছেলেমেয়েদের বের করে এনে দেখাতে হতো এই যে এরা! সংখ্যা না থাকলে এছাড়া আর কী উপায় আছে বলার? কর্তা যদি প্রতিকী দাগ দিয়ে, পাথর কিংবা কাঠি দিয়েও ছেলেমেয়ের সংখ্যা বোঝাতে যায় তাহলেও কিন্তু বিপদ! গণিত ঢুকে যাবে এতে!

    আমাদের সকল ক্ষেত্রে আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে বিজড়িত একটি বিষয়কে ভাষা না বললেও, এর গুরুত্ব ভাষার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    অক্সফোর্ড-এর ২০২৩ সালের বর্ষসেরা শব্দ ”রিজ” মানে কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ধারণা করা হয়, ইংরেজি ‘কারিজমা’-এর সংক্ষিপ্ত রূপই এই ‘রিজ’। মূলত অনলাইন দুনিয়াতেই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করা হয়। অভিনেতা টম হল্যান্ড দাবি করেছেন, তার কোনো 'রিজ নেই'। সম্ভাব্য প্রেমিকার সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যেতে কি আপনি পাকা? অথবা আপনার দারুণ 'ফ্লার্টিং' দক্ষতা আছে? তাহলে হয়তো আপনার মধ্যে 'রিজ' আছে, হয়বিস্তারিত পড়ুন

    ধারণা করা হয়, ইংরেজি ‘কারিজমা’-এর সংক্ষিপ্ত রূপই এই ‘রিজ’। মূলত অনলাইন দুনিয়াতেই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করা হয়।

    অভিনেতা টম হল্যান্ড দাবি করেছেন, তার কোনো ‘রিজ নেই’।

    সম্ভাব্য প্রেমিকার সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যেতে কি আপনি পাকা? অথবা আপনার দারুণ ‘ফ্লার্টিং’ দক্ষতা আছে? তাহলে হয়তো আপনার মধ্যে ‘রিজ’ আছে, হয়তো আপনি জানেনই না।

    এ বছরের অক্সফোর্ড-এর বর্ষসেরা শব্দের খেতাব জিতেছে রিজ। ইন্টারনেট দুনিয়ার প্রচলিত এ শব্দটির অর্থ রোমান্টিক আবেদন বা চার্ম। মূলত তরুণেরাই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করেন।

    এ বছর বর্ষসেরা শব্দের তালিকার সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে মোট আটটি শব্দ। পাবলিক ভোটের পর চূড়ান্ত শব্দটি নির্বাচন করেছেন অক্সফোর্ড-এর অভিধানকারেরা।

    প্রতিযোগিতায় অন্য শব্দগুলোর মধ্যে ছিল সুইফটি, বিজ ফ্ল্যাগ, সিচুয়েশনশিপ ইত্যাদি।

    তবে জেন জি (জেনারেশন জেড) না হলে রিজ-এর আপনার কাছে কোনো অর্থ নাও থাকতে পারে।

    মূলত অনলাইন দুনিয়াতেই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করা হয়। টিকটক-এ ‘রিজ’ হ্যাশট্যাগ-এর কয়েক বিলিয়ন ভিউ রয়েছে।

    অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি’র প্রকাশক অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস-এর দেওয়া রিজ-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি মানুষের স্টাইল, চার্ম বা চটক এবং রোমান্টিক বা সেক্সুয়াল পার্টনার আকর্ষণের সক্ষমতাকে বোঝায়।

    ধারণা করা হয়, ইংরেজি ‘কারিজমা’-এর সংক্ষিপ্ত রূপই এই ‘রিজ’। এটি ক্রিয়াপদ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    শূন্য (০) সংখ্যা টি জোড়, নাকি বিজোড়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    শুন্য একটি জোড় সংখ্যা। আসুন জেনে নেই কেনো শুন্য জোড় সংখ্যা। যেসব সংখ্যার একক স্থানে, ২,৪,৬,৮ বা ০(!) থাকে সেগুলো হল জোড় সংখ্যা । আর বাকিগুলো বিজোড়। একক স্থানে শূন্য (০) থাকলে, কেন জোড় হবে? ধরি, ১০; এর একক স্থানে রয়েছে শূন্য (০), এবং ১০ একটি জোড় সংখ্যা। কারণ, একে জোড়া হিসেবে সাজানো যায়। আমরা ১০ কে ৫বিস্তারিত পড়ুন

    শুন্য একটি জোড় সংখ্যা। আসুন জেনে নেই কেনো শুন্য জোড় সংখ্যা।

    যেসব সংখ্যার

    একক স্থানে, ২,৪,৬,৮ বা ০(!)

    থাকে সেগুলো হল জোড় সংখ্যা ।

    আর

    বাকিগুলো বিজোড়।

    একক স্থানে শূন্য (০) থাকলে, কেন

    জোড়

    হবে? ধরি, ১০; এর একক

    স্থানে রয়েছে শূন্য

    (০), এবং ১০ একটি জোড় সংখ্যা।

    কারণ,

    একে জোড়া হিসেবে সাজানো যায়।

    আমরা ১০ কে ৫ জোড়ায়

    সাজাতে পারি।

    তাই ১০ হল জোড়। তাই একক

    স্থানে শুন্য(০)

    থাকলে, জোড় হয়।

    কিন্তু, শূন্য (০) এর আগে,

    যদি কোনো সংখ্যা না থাকে,

    শুধুমাত্র শূন্য

    (০) কি জোড় না বিজোড়?

    সত্যি বলতে, শূন্য (০) আসলেই জোড়

    সংখ্যা।

    একটি জোড় সংখ্যা হওয়ার জন্য সকল

    শর্তই

    শূন্য (০) পালন করে।

    জোড় সংখ্যা, হল সেসব সংখ্যা,

    যেগুলো ২

    দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হয়।

    যেমনঃ ৪/২ = ২; ৬/২ = ৩; অতএব, ৪,৬

    এগুলো জোড় সংখ্যা। কিন্তু

    আমরা যদি ৩

    নেই, তাহলে কি পাব। ৩/২ = ১.৫;

    এটি নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। এখন

    আমরা যদি, শূন্য (০) নেই,

    তাহলে কি পাব?

    ০/২ = ০; এটি নিঃশেষে বিভাজ্য।

    তাই

    এটি জোড়!

    ব্যাপারটা আরেকটু সহজ করি,

    আমরা ২কে যেকোনো কিছু

    দিয়ে গুন

    দিলে যা পাব তাই জোড়।

    যেমনঃ ২X১=২,

    ২x২=৪, ৩x২=৬, ৪x২=৮; ২,৪,৬,৮

    এগুলো জোড়

    সংখ্যা। এখন আমরা, ২ কে যদি শূন্য (০)

    দিয়ে গুন দেই তাহলে কি পাব?

    ২x০=০;

    অর্থাৎ, শূন্য (০) জোড়।

    ২/ শূন্য সংখ্যাটি জোড় সংখ্যা। কোন পূর্ণসংখ্যা জোড় হওয়া বলতে কী বোঝায়, তা ব্যাখ্যা করার বেশ কিছু উপায় আছে এবং শূন্য সংখ্যাটি এরকম সমস্ত সংজ্ঞাই সিদ্ধ করে: শুন্য ২ এর গুণিতক, ২ দিয়ে বিভাজ্য এবং নিজের সাথে একটি পূর্ণসংখ্যার যোগফলের সমান। এই সংজ্ঞাগুলি কেবল শূন্যের জন্যই ব্যতিক্রমীভাবে প্রযোজ্য নয়, বরং এগুলি জোড় সংখ্যার যোগফল ও গুণফলের সাধারণ নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। জোড় সংখ্যাগুলির মধ্যে শূন্য কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। শূন্য জোড় পূর্ণসংখ্যার পরিচয়সূচক উপাদান, এবং এটি পর্যায়ক্রমে আসা সকল উপাদানের ভিত্তি কেস। শূন্যের জোড় হবার প্রবণতার সরাসরি প্রয়োগের প্রমাণ আছে এবং এর কাঠামো জোড় সংখ্যার অনুরুপ। সাধারণভাবে, ০ সকল পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, যার মধ্যে দুই এর সকল ঘাত আছে। ফলে, শূন্য সকল সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জোড়।

    ৩/শূণ্য (০) একটি জোড় সংখ্যা। কারন, জোড়+জোড়=জোড়, বিজোড়+বিজোড়=জোড় অনুরুপভাবে, ০+০=০ অর্থাৎ একই ধরনের সংখ্যা যোগ করলে ঐ ধরনের সংখ্যা পাওয়া যায় একমাত্র জোড় সংখ্যার ক্ষেত্রে। অনুরুপভাবে বিয়োগের ক্ষেত্রে ও একই কথা প্রযোজ্য। জোড়-জোড়=জোড়, বিজোড়-বিজোড়=জোড় অনুরুপভাবে, ০-০=০ ।বাস্তব সংখ্যার ধারাবাহিকতায় দেখাযায় ৬,৪,২,০,-২,-৪,-৬ ইত্যাদি আবার ৭,৫,৩,১,-১,-৩,-৫,-৭ এখান থেকে দেখাযায় যে, শূণ্য (০) জোড় সংখ্যার দলভুক্ত। তাই শূণ্য অবশ্যই জোড় সংখ্যা হবে

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    এ পর্যন্ত পৃথিবীতে কয়টি মৌলিক উপাদান পাওয়া গেছে ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২০টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়। সাধারণত, একটি মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা নির্দিষ্ট বা একই মৌলের প্রতিটি পরমাণুতে সমান সংখ্যা প্রোটন থাকে (অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেকের পারমাণবিক সংখ্যা একই এবং ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পারমাণবিবিস্তারিত পড়ুন

    এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২০টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়। সাধারণত, একটি মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা নির্দিষ্ট বা একই মৌলের প্রতিটি পরমাণুতে সমান সংখ্যা প্রোটন থাকে (অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেকের পারমাণবিক সংখ্যা একই এবং ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন)।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ইংরেজি এ "পড়াশোনা" এর অনুবাদ

    ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ইংরেজি তে “পড়াশোনা” এর অনুবাদ Study. তবে আপনি এরকম প্রশ্ন এখানে না করলেও পারতেন। কারণ ডিকশনারি তে অথবা গুগল ট্রান্সলেটরে দেখে নিলেই হতো।

    ইংরেজি তে “পড়াশোনা” এর অনুবাদ Study.

    তবে আপনি এরকম প্রশ্ন এখানে না করলেও পারতেন। কারণ ডিকশনারি তে অথবা গুগল ট্রান্সলেটরে দেখে নিলেই হতো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপ কত?

    ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    গণিতে কেন XYZ  ব্যাবহার করা হয়?

    ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পতাকার ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড মাপ এর নির্দেশনা দেয়া আছে। ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো ১০ বাই ৬ ফুট (৩.০ বাই ১.৮ মিটার) ৫ বাই ৩ ফুট (১.৫২ বাই ০.৯১ মিটার) ২.৫ বাই ১.৫ ফুট (৭৬০ বাই ৪৬০ মিলিমিটার) মোটরগাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো 1. ১৫ বাইবিস্তারিত পড়ুন

    ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পতাকার ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড মাপ এর নির্দেশনা দেয়া আছে।

    • ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো
    1. ১০ বাই ৬ ফুট (৩.০ বাই ১.৮ মিটার)
    2. ৫ বাই ৩ ফুট (১.৫২ বাই ০.৯১ মিটার)
    3. ২.৫ বাই ১.৫ ফুট (৭৬০ বাই ৪৬০ মিলিমিটার)
    • মোটরগাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো
    1. ১৫ বাই ৯ ইঞ্চি (৩৮০ বাই ২৩০ মিলিমিটার) (বড় গাড়ীর জন্য)
    2. ১০ বাই ৬ ইঞ্চি (২৫০ বাই ১৫০ মিলিমিটার) (ছোট এবং মাঝারি আকারের গাড়ীর জন্য)
    • আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য টেবিল পতাকার মাপ হল ১০ বাই ৬ ইঞ্চি (২৫০ বাই ১৫০ মিলিমিটার)

    ব্যাখ্যা: পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট, লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট, পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে ৪ ফুট ওপরে প্রস্থের মাঝ বরাবর অঙ্কিত আনুপাতিক রেখার ছেদ বিন্দু হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ACT এবং SAT কি?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ACT এবং SAT উভয় স্কোরই কলেজে ভর্তির সিদ্ধান্ত এবং মেধা-ভিত্তিক বৃত্তি প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। SAT = স্কলাস্টিক এসেসমেন্ট টেস্ট ACT = আমেরিকান কলেজ টেস্টিং যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা গণিতে পারদর্শী এবং প্রশ্নের উত্তর দিতে আরও সময় চায় তাদের জন্য SAT সহজ হতে পারে। আপনি যদি নিজেকে একজন বিজ্ঞানপ্রেমী হবিস্তারিত পড়ুন

    ACT এবং SAT উভয় স্কোরই কলেজে ভর্তির সিদ্ধান্ত এবং মেধা-ভিত্তিক বৃত্তি প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    SAT = স্কলাস্টিক এসেসমেন্ট টেস্ট

    ACT = আমেরিকান কলেজ টেস্টিং

    যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা গণিতে পারদর্শী এবং প্রশ্নের উত্তর দিতে আরও সময় চায় তাদের জন্য SAT সহজ হতে পারে। আপনি যদি নিজেকে একজন বিজ্ঞানপ্রেমী হিসেবে বিবেচনা করেন যিনি পড়তে ভালোবাসেন এবং সময়ের সংকটকে ভালোভাবে পরিচালনা করেন, তাহলে ACT আপনার ভালো বিকল্প হতে পারে।

    SAT এবং ACT এ দুটির মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। যদি এরকম কোন প্রশ্ন পাই তাহলে সেখানে সবিস্তারে আলোচনা করবো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বইয়ের নাম কি?

    Jesmin
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।

    বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ‘যদি একটি জাহাজে যদি ২৬টি ভেড়া আর ১০টি ছাগল থাকে, তাহলে ওই জাহাজের ক্যাপ্টেনের বয়স কতো?’

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    চীনের ক্লাস ফাইভের অঙ্ক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি করা হয়। যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপাতত নাজেহাল সোশ্যাল মিডিয়া। অনেকের দাবি, এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কারণ প্রশ্নটি ভুল। কিন্তু যারা এই প্রশ্নটি করেছেন, সেই চীনের শিক্ষা দফতর জানিয়ে দিয়েছে প্রশ্নটি ঠিক এবং এর উত্তরও আছে! বিবিসির খবর অনুযায়ী,বিস্তারিত পড়ুন

    চীনের ক্লাস ফাইভের অঙ্ক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি করা হয়। যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপাতত নাজেহাল সোশ্যাল মিডিয়া।

    অনেকের দাবি, এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কারণ প্রশ্নটি ভুল। কিন্তু যারা এই প্রশ্নটি করেছেন, সেই চীনের শিক্ষা দফতর জানিয়ে দিয়েছে প্রশ্নটি ঠিক এবং এর উত্তরও আছে!

    বিবিসির খবর অনুযায়ী, এই প্রশ্নটির সারবত্তা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে চীনের শিক্ষা দফতরের এক কর্তা বলেন, প্রশ্নটি একদম ঠিক, কোথাও ভুল নেই।

    তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের প্রাইমারি স্তরের শিশুদের বাস্তববোধের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। অঙ্কের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি। আর তাই এই ধরনের একটি ‘বাস্তব’ জ্ঞানের প্রশ্ন করা হয়েছে বলা জানান তিনি।

    ক্লাস ফাইভের ওই পরীক্ষার্থীরা তো বটেই, সোশ্যাল মিডিয়ারও নাভিশ্বাস উঠেছে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে। উত্তর খুঁজতে কি আপনিও নাজেহাল? তা হলে দেখুন চীনের শিক্ষা দফতর কী বলছে এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে।

    চীনে একটি ভেড়া এবং একটি ছাগলের গড় ওজন অনুযায়ী ২৬টি ভেড়া এবং ১০টি ছাগলের মোট ওজন কমপক্ষে সাত হাজার সাতশো কেজি। চীনে পাঁচ হাজার কেজি ওজনের বেশি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে জাহাজের ক্যাপ্টেনের অন্তত পাঁচ বছরের লাইসেন্সের প্রয়োজন। দেশটিতে জাহাজ চালানোর ন্যূনতম বয়স ২৩। সে হিসেবে এই জাহাজের ক্যাপ্টেনের বয়স ২৮ (২৩+৫) বছরের কম নয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    আপনি কি ভাল মত পড়ালেখা করতে চান ???? আপনার জন্য সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করার উপায় + পড়া মনে রাখার সহজ উপায়

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনিবিস্তারিত পড়ুন

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্য।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… void(1); িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আসসালামুয়ালিকুম।

    সসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্ন।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    বাংলা টু ইংলিশ অথবা ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেট করার ক্ষেত্রে গুগল ট্রান্সলেটর কতটা সহায়ক হবে? অন্যান্য english to bengali translation app অথবা ডিকশনারি কি গুগলের থেকেও ভাল হতে পারে?

    sumaiya.sumu
    সেরা উত্তর
    sumaiya.sumu নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    আমার কাছে গুগল ট্রান্সলেটর তত টা কাজের মনে হয় না। এটা যে কোনো শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ করে। যেটাতে কোনো রকম কাজ চলে। কিন্তু বেশিরভাগ সময় পুরো প্যারা টা সামারাইজ করলে দেখা যাবে ভুল কিছু বুঝাচ্ছে। তার চেয়ে ডিকশনারী ভালো। কিছু কঠিন শব্দের অর্থ বুঝা যায়। তাতে করে যে অংশ টুকু বোধগম্য না সেটা বোঝা যায়।

    আমার কাছে গুগল ট্রান্সলেটর তত টা কাজের মনে হয় না। এটা যে কোনো শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ করে। যেটাতে কোনো রকম কাজ চলে। কিন্তু বেশিরভাগ সময় পুরো প্যারা টা সামারাইজ করলে দেখা যাবে ভুল কিছু বুঝাচ্ছে। তার চেয়ে ডিকশনারী ভালো। কিছু কঠিন শব্দের অর্থ বুঝা যায়। তাতে করে যে অংশ টুকু বোধগম্য না সেটা বোঝা যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩, ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি যোগ্যতা

    Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্সে মেরিন একাডেমিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর (dos.gov.bd)। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (চট্টগ্রাম) সহ সরকারি-বেসরকারকারি মেরিটাবিস্তারিত পড়ুন

    মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩

    মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্সে মেরিন একাডেমিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর (dos.gov.bd)। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (চট্টগ্রাম) সহ সরকারি-বেসরকারকারি মেরিটাইম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মোট ৯টি) ভর্তির মাধ্যমে নটিক্যাল / ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেয়া যাবে।

    কোর্সের নাম : মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্স ( নটিক্যাল / ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডেট)
    মোট আসন সংখ্যা : ৫৯০টি
    কোর্সের নাম : মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্স ( নটিক্যাল / ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডেট)
    আবেদনের শেষ তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২২
    আবেদনের লিংক : http://dos.gov.bd

    মেরিন একাডেমির নাম, তালিকা ও আসন সংখ্যা

    প্রতিষ্ঠানের নাম সিট / আসন সংখ্যা
    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, চট্টগ্রাম পুরুষ ১৪০ জন ও মহিলা ২০ জন
    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, পাবনা পুরুষ ৫০ জন
    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, বরিশাল পুরুষ ৫০ জন
    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, রংপুর পুরুষ ৫০ জন
    বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, সিলেট পুরুষ ৫০ জন
    মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, চট্টগ্রাম পুরুষ ৬৫ জন ও মহিলা ৫ জন
    ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম একাডেমি, ঢাকা পুরুষ ৮০ জন
    ওয়েষ্টার্ণ মেরিটাইম একাডেমি, ঢাকা পুরুষ ৪০ জন
    মাস মেরিন একাডেমি, চট্টগ্রাম পুরুষ ৪০ জন

     

    আবেদনের যোগ্যতা

    • বয়স : ৩০ জুন ২০২২ তারিখে সর্বোচ্চ ২২ বৎসর (পুরুষ/মহিলা)।
    • শিক্ষাগত যোগ্যতা : মাধ্যমিক/সমমান (বিজ্ঞান) এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান (বিজ্ঞান) উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫০। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পদার্থ ও গণিত বিষয়ে পৃথক ভাবে জিপিএ ৩.৫০ এবং ইংরেজীতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ অথবা IELTS গড় স্কোর ৫.৫ থাকতে হবে।
    • ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী : O লেভেলে ৫টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৩টিতে A গ্রেড এবং ২টিতে B গ্রেড থাকতে হবে এবং A লেভেলের জন্য নূনতম ২ টি বিষয়ে B গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ (উভয় পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান এবং গণিতসহ) হতে হবে।
    • শারীরিক মান (নূন্যতম) : উচ্চতা ৫’-৪”; মহিলা ৫’-২”। ওজন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার BMI চার্ট মোতাবেক হতে হবে (BMI নূন্যতম মান ১৭ এবং সর্বোচ্চ ২৭; যেমন ৫’-৪”; ৪৫-৭১ কেজি; ৫’-৬”; ৪৮-৭৬ কেজি)। দৃষ্টিশক্তি: নটিক্যাল ক্যাডেটের জন্য ৬/৬; ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডেটের জন্য ৬/১২ (চশমাসহ অবশ্যই ৬/৬ হতে হবে)।
    • বৈবাহিক অবস্থা : অবিবাহিত হতে হবে।
    • নাগরিকত্ব : বাংলাদেশী পুরুষ ও মহিলা নাগরিক।

    ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি ও মানবণ্টন

    • ভর্তি পরীক্ষায় মোট নম্বর ৩০০। এর মধ্যে এমসিকিউ পরীক্ষায় ১০০, এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ১৫ গুন = ৭৫ নম্বর (সর্বোচ্চ) এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ২৫ গুন = ১২৫ নম্বর (সর্বোচ্চ)।
    • এমসিকিউ পরীক্ষা : সর্বমোট ২০০টি MCQ প্রশ্ন থাকবে পদার্থ বিজ্ঞান (২৫ নম্বর), গণিত (২৫ নম্বর), বাংলা (১০ নম্বর), ইংরেজি (২৫ নম্বর) ও সাধারণ জ্ঞান (১৫ নম্বর) বিষয়ের উপর। সময় ২ ঘণ্টা ও এমসিকিউতে মোট নম্বর ১০০। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রাথমিক শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
    • মৌখিক পরীক্ষা : প্রাথমিক শারিরীক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
      ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০%

    অনলাইনে আবেদনের ধাপ ও নিয়ম

    মেরিন একাডেমি, মেরিটাইম একাডেমি ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদনের ধাপ ও নিয়ম (নির্দেশনা) দেওয়া হয়েছে ৯ পৃষ্ঠার এই PDF ফরমেটের গাইডলাইনে : https://doscadet.solutionart.net/media/application-guideline.pdf

    ভর্তি পরীক্ষা

    লিখিত ভর্তি পরীক্ষার তারিখ আবেদন জমা দেয়া প্রার্থীদের মোবাইল নাম্বারে এসএমএস পাঠিয়ে জানিয়ে দেবে কর্তৃপক্ষ।

    মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট

    মনোনীত ক্যাডেটরা ২ বছর প্রশিক্ষণ শেষে প্রি-সি নটিক্যাল সায়েন্স অথবা প্রি-সি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদ পাবেন।

    মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি ২০২২-২০২৩ – Marine academy admission circular 2022

    মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির সুযোগ কোথায়-কেমন

    • মেরিন একাডেমি বা মেরিটাইম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্নাতক পর্যায়ে দুটি বিভাগ আছে। একটি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অন্যটি নটিক্যাল সায়েন্স।

     

    • মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং/নটিক্যাল সায়েন্স কোর্সে দুই বছর পড়াশোনা করে জাহাজের ইঞ্জিন/ডেক বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার/অফিসার হওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে শিক্ষানবিশ ইঞ্জিন ক্যাডেট/ডেক ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে এক বছর ‘সি টাইম’ অতিবাহিত করতে হবে। এরপর দেশে কিংবা বিদেশে (সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি) ‘সিওসি (সার্টিফিকেট অব কম্পটেন্সি) ক্লাস থ্রি’ পরীক্ষা দিয়ে পাস করে জাহাজে ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার (মেরিন)/থার্ড অফিসার (নটিক্যাল) হিসেবে চাকরি করা যাবে। এ ছাড়া মেরিন একাডেমিতে পড়াশোনা করলে এক বছর জাহাজের প্রশিক্ষণ শেষে আবার মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এক বছর মেয়াদি বা সপ্তম ও অষ্টম সেমিস্টার সম্পন্ন করে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদ অর্জন করা যাবে। জাহাজে ইঞ্জিন ও ডেক বিভাগের সবচেয়ে বড় পদ যথাক্রমে চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও ক্যাপ্টেন (মাস্টার)।

     

    • মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা নটিক্যাল সায়েন্সে পড়াশোনা করে জাহাজে চাকরি ছাড়াও দেশে পাওয়ার প্ল্যান্ট ও শিল্প-কলকারখানায় উচ্চ পদে চাকরি পাওয়া যায়। তবে এ ক্ষেত্রে অন্তত মাস কয়েক জাহাজে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীরা অন্য যেকোনো সরকারি-বেসরকারি চাকরির জন্যও আবেদন করতে পারবেন। টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরিতে সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কাজের অভিজ্ঞতা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়।

    মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন কেমন

    চাকরির শুরুতে একজন ইঞ্জিন ক্যাডেট বা ডেক ক্যাডেট দেশি জাহাজে ৩০০ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি জাহাজে ২৫০ থেকে ৩০০ মার্কিন ডলার বেতন পান। চাকরির শুরুতে নবীন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের বেশ কিছু অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়। কোর্স শেষ করে প্রথম দিকে (অভিজ্ঞতা না থাকায়) চাকরি পেতে কিছুটা সমস্যা হয়। জাহাজ মালিক কিংবা মেরিন এজেন্সির মালিকদের অধীনে কম বেতনে চাকরি করতে হয়। বিদেশি জাহাজে চাকরি হয়েছে কিন্তু ভিসা হয়নি, এমনও অনেক উদাহরণ আছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    অনলাইন থেকে আপনার বই কেনার অভিজ্ঞতা (ভালো বা খারাপ) সাইট-এর নাম-সহ বলবেন কি?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    স্টুডেন্টদের জন্য বিনামূল্যে অনলাইন বইয়ের সন্ধানের জন্য সেরা সাইটগুলির নাম বলবেন কি?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    আমি কিভাবে অনলাইনে বই পড়তে পারি? কোনো এ্যাপ বা ওয়েবসাইটে ফ্রিতে বই পড়ার সুযোগ আছে কি?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    N.B. কথাটির মানে কী এবং কেন মানুষ এই কথাটি ব্যবহার করেন?

    পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে জোর দেওয়ার জন্য N.B. ব্যবহৃত হয়। N.B. is An abbreviation for the Latin phrase "nota bene", meaning “note well.” It is used to emphasize an important point. বাংলায় আমরা একে বলি, "বি. দ্র." ।

    কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে জোর দেওয়ার জন্য N.B. ব্যবহৃত হয়। N.B. is An abbreviation for the Latin phrase “nota bene“, meaning “note well.” It is used to emphasize an important point. বাংলায় আমরা একে বলি, “বি. দ্র.” ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ও’ , এ-এর মাত্রা থাকে না কেন?

    পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। বাংলা ভাষায় এমন ২ টি বর্ণ রয়েছে যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে না তখন সেগুলো স্বরধ্বনি চিহ্নিত করে। আবার যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে তখন সেগুলো ব্যঞ্জনধ্বনি চিহ্নিত করে। এ দুটো বর্ণ হলো ‘এ’ এবং ‘ও’। স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। বাংলা ভাষায় এমন ২ টি বর্ণ রয়েছে যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে না তখন সেগুলো স্বরধ্বনি চিহ্নিত করে। আবার যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে তখন সেগুলো ব্যঞ্জনধ্বনি চিহ্নিত করে। এ দুটো বর্ণ হলো ‘এ’ এবং ‘ও’।

    স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দাগ নেই । তাই ‘এ’ এবং ‘ও’ হল মাত্রাহীন বর্ণ। আবার ‘এ’ এবং ‘ও’ -এর মাথায় দাগ দিয়ে দিলে (মাত্রা দিলে) তা হয়ে যায় যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ‘ত্র’ (ত+র = ত-য়ে র-ফলা) আর ‘ত্ত’ (ত+ত= ত -য়ে ত)।

    উপরের বর্ণ দুটি সহ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০ টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, এবং ঁ ।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    হাজার কথাটি বোঝাতে “k” শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    T দ্বারা Tera (টেরা) বুজায়, 1T = 1000000000000 K দ্বারা Kilo (কিলো) বুজায়, 1K = 1000 এমন আরো আছে যেমনঃ যেমন আমরা 1KG (কেজি) বলতে 1 Kilo Gram =1000 Gram 1KM (কিমি) বলতে 1 Kilo Meter = 1000 Meter এছাড়া “T” দ্বারা tesla (টেসলা) = SI unit of magnetic flux density বুজায়। তাই “T” দ্বারা থাউস্যান্ড না বুজিবিস্তারিত পড়ুন

    T দ্বারা Tera (টেরা) বুজায়, 1T = 1000000000000

    K দ্বারা Kilo (কিলো) বুজায়, 1K = 1000

    এমন আরো আছে যেমনঃ

    যেমন আমরা 1KG (কেজি) বলতে 1 Kilo Gram =1000 Gram

    1KM (কিমি) বলতে 1 Kilo Meter = 1000 Meter

    এছাড়া “T” দ্বারা tesla (টেসলা) = SI unit of magnetic flux density বুজায়।

    তাই “T” দ্বারা থাউস্যান্ড না বুজিয়ে “K” দ্বারা থাউস্যান্ড বুজানো হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ড. অ্যালেন ফ্রান্সিসের এই বইটি বহুল বিক্রিত ও আলোচিত । বইটি একটি বিশেষ কারনে ? কারনটি কি?

    হৃদয়
    হৃদয় নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ভাই, আপনার প্রশ্নটি বুঝিনি। আপনি আসলে কোন বইয়ের কথা বলছেন? বইটির নাম বলেন আগে, এরপর দেখি কিরকম বিক্রি হয়েছে।

    ভাই, আপনার প্রশ্নটি বুঝিনি। আপনি আসলে কোন বইয়ের কথা বলছেন? বইটির নাম বলেন আগে, এরপর দেখি কিরকম বিক্রি হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
Load More Answers

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 117 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,093 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwkeb.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 1.2315 BTC z

wwwkeb.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 1.2315 BTC z

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwyah.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94528 USDT 6

wwwyah.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94528 USDT 6

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন