আপনার কাছে এখনো ১০টি ডিমই অবশিষ্ট আছে। কেবল সেগুলোর অবস্থা ভিন্ন। কিন্তু যদি এই ধাঁধাটি 'মোট কতগুলো ডিম ফুরিয়ে গেল' অর্থে ধরা হয়, এবং যে দুটো সিদ্ধ করে খাওয়া হয়েছে সেগুলো মূল দশটি ডিমের সেট থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে অবশিষ্ট থাকবে: ১০ - ২ (খাওয়া হয়েছে) = ৮টি ডিম। তবে এই ধরনের মজার প্রশ্নে প্রথম উত্তরটিইবিস্তারিত পড়ুন
আপনার কাছে এখনো ১০টি ডিমই অবশিষ্ট আছে। কেবল সেগুলোর অবস্থা ভিন্ন।
কিন্তু যদি এই ধাঁধাটি ‘মোট কতগুলো ডিম ফুরিয়ে গেল’ অর্থে ধরা হয়, এবং যে দুটো সিদ্ধ করে খাওয়া হয়েছে সেগুলো মূল দশটি ডিমের সেট থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে অবশিষ্ট থাকবে:
- ১০ – ২ (খাওয়া হয়েছে) = ৮টি ডিম।
তবে এই ধরনের মজার প্রশ্নে প্রথম উত্তরটিই (১০টি ডিম) সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়, যা বোঝায় যে ডিমের অবস্থা পরিবর্তন হলেও সংখ্যা একই থাকে।
সংক্ষেপে দেখুন
Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ। প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে 'আত্মার কাছাকাছি' যেতে সাহায্য করে? আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে ‘আত্মার কাছাকাছি’ যেতে সাহায্য করে?
আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাবার অনেক সময় পান। এই গভীর ভাবনাই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে আপনি আসলে কী চান, আপনার কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। একেই ‘ভেতরের সত্য’ বা ‘আত্মার খোঁজ’ বলা যেতে পারে। এটাকে এক ধরণের Self-Reflection বলা যায়।
অন্তর্মুখীরা সাধারণত কথা কম বলেন এবং শোনেন বেশি। এর ফলে তারা অন্যদের এবং চারপাশের পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
অনেক লেখক, শিল্পী বা বিজ্ঞানী অন্তর্মুখী হন। কারণ তাদের এই একাকীত্ব এবং গভীর চিন্তা নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করে।
ইন্ট্রোভার্ট স্বভাব কীভাবে ‘মানসিক জটিলতা’ তৈরি করে?
যে গভীর চিন্তা ভালো, সেই চিন্তাই যখন বেশি হয়ে যায়, তখন তা ‘ওভারথিংকিং’-এ পরিণত হয়। একটা ছোট ঘটনা নিয়ে আপনি হয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাবতে থাকলেন, যা বাস্তবে অতটা বড় ছিলই না।
অতিরিক্ত ভাবনার ফলে সহজেই দুশ্চিন্তা (Anxiety) আসতে পারে। “ও কী ভাবলো?”, “ভবিষ্যতে কী হবে?”, “অতীতে কেন এমন হলো?” এই ধরনের চিন্তাগুলো মানসিক চাপ তৈরি করে এবং অনেক সময় তা বিষণ্ণতার (Depression) দিকে ঠেলে দেয়।
যদিও আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামাজিক মেলামেশা একেবারে বন্ধ করে দিলে আপনি নিজেকে খুব একা এবং বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারেন। মানুষ সামাজিক জীব, আমাদের সবারই কিছু ভালো সম্পর্ক দরকার হয়।
সমাধান কী?
যখনই বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত ভাবছেন (ওভারথিংকিং করছেন), নিজেকে থামান। দরকার হলে ডায়েরি লিখুন বা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথাটা বলে ফেলুন।
নিজের জন্য সময় রাখুন (যেমন বই পড়া, গান শোনা)। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত কিছু সময় পরিবারের বা খুব কাছের বন্ধুদের সাথেও কাটান।
আপনি যেমন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজেকে জোর করে মিশুক (Extrovert) বানানোর দরকার নেই। আপনার নীরবতাও অনেক শক্তিশালী।
সংক্ষেপে দেখুন