সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক/Page 2
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ভালো অভিভাবকত্ব সম্পর্কিত কিছু টিপস কি ধরনের হতে পারে ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    অভিভাবকত্ব একটি জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ, কিন্তু সঠিক পদ্ধতির সাথে, আপনি আপনার সন্তানদের জন্য একটি প্রেমময় এবং সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারেন। এখানে ভাল পিতামাতার জন্য কিছু টিপস আছে: নিঃশর্ত ভালবাসা এবং গ্রহণযোগ্যতাঃ আপনার সন্তানদের তাদের কর্ম বা অর্জন নির্বিশেষে তাদের ভালবাসা এবং গ্রহণযোগ্যতা দেখাবিস্তারিত পড়ুন

    অভিভাবকত্ব একটি জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ, কিন্তু সঠিক পদ্ধতির সাথে, আপনি আপনার সন্তানদের জন্য একটি প্রেমময় এবং সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারেন। এখানে ভাল পিতামাতার জন্য কিছু টিপস আছে:

    নিঃশর্ত ভালবাসা এবং গ্রহণযোগ্যতাঃ

    আপনার সন্তানদের তাদের কর্ম বা অর্জন নির্বিশেষে তাদের ভালবাসা এবং গ্রহণযোগ্যতা দেখান।

    কার্যকর যোগাযোগঃ

    আপনার বাচ্চাদের সাথে খোলামেলা এবং সৎ যোগাযোগ গড়ে তুলুন।

    স্পষ্ট এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ সীমানা সেট করুনঃ

    আচরণের জন্য স্পষ্ট নিয়ম এবং প্রত্যাশা স্থাপন করুন। সামঞ্জস্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

    ইতিবাচক রোল মডেল হোনঃ

    শিশুরা তাদের পিতামাতার আচরণ পর্যবেক্ষণ করে শেখে। আপনার ক্রিয়াকলাপ এবং মনোভাব সম্পর্কে সচেতন থাকুন, কারণ তা আপনার সন্তানের বিকাশকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।

    স্বাধীনতা এবং স্বায়ত্তশাসনকে উত্সাহিত করুনঃ 

    আপনার বাচ্চাদের বয়স-উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে এবং তাদের কাজের জন্য দায়িত্ব নিতে দিন।

    একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলুনঃ

    বাড়িতে একটি পুষ্টিকর এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরি করুন। উৎসাহ প্রদান করুন, তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করুন

    একসাথে মানসম্পন্ন সময় কাটানঃ

    প্রতিটি শিশুর সাথে নিয়মিত এক সময় উত্সর্গ করুন। ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত হন যা তারা উপভোগ করে, সক্রিয়ভাবে তাদের কথা শোনেন এবং তাদের আগ্রহগুলিতে অংশ নেন।

    সমস্যা-সমাধানের দক্ষতা শেখানঃ

    আপনার বাচ্চাদের কীভাবে চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয় তা শিখিয়ে তাদের স্থিতিস্থাপকতা বিকাশে সহায়তা করুন।

    স্ব-যত্নকে অগ্রাধিকার দিনঃ

    কার্যকর অভিভাবকত্বের জন্য নিজের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। আপনার বিশ্রাম, শিথিলকরণ এবং ব্যক্তিগত আগ্রহের জন্য সময় আছে তা নিশ্চিত করুন।

    প্রয়োজনে সমর্থন খোঁজুনঃ

    পিতামাতার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার সময় বন্ধু, পরিবার বা পেশাদারদের কাছ থেকে সমর্থন চাইতে দ্বিধা করবেন না।

    মনে রাখবেন যে, প্রতিটি শিশু অনন্য, এবং তাদের ব্যক্তিগত চাহিদার উপর নির্ভর করে পিতামাতার কৌশলগুলি পরিবর্তিত হতে পারে। আপনার সন্তানের মেজাজ এবং বিকাশের স্তর অনুসারে এই টিপসগুলিকে মানিয়ে নিন। আমরা কেউ অনন্য নই, আমাদের অনেক ভুল হয় এবং ভুলগুলো শুধরানোর চেষ্টা করা উচিত।

    পরিশেষে, একজন ভালো বাবা-মা হওয়ার জন্য ভালোবাসা, ধৈর্য এবং আপনার সন্তানের ভালো থাকার প্রতিশ্রুতি জড়িত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 52 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সবকিছু বুঝেও কেন আমরা পিছুটানেই পড়ে থাকি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 33 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ভালোবাসার সম্পর্কে ঈর্ষা দূর করার উপায় কি হতে পারে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

শঙ্খের ভেতর সমুদ্রের গর্জন শোনা যায় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 17 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

গসিপে বেশি মেতে ওঠেন মহিলারাই, কেনো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পুরুষের চেয়ে নারীর মাথা বেশি গরম, কারণ কী?

  1. কাসেম খান
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি? আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা 'গরম হওয়া' বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না। তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে? মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসবিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি?

    আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা ‘গরম হওয়া’ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না।

    তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে?

    • মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসাথে দশটা কাজ করতে পারে! ঘর সামলানো, বাচ্চা সামলানো, অফিস করা, রান্নাবান্না, শপিং—সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে ব্রেইনটা একটু বেশিই খাটে। এত খাটাখাটনির পর ব্রেইন তো একটু হিট হবেই, তাই না? যেন একটা হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসর, যা সারাক্ষণ ওভারটাইম করছে!
    • হরমোনের খেল: নারীদের শরীরে হরমোনগুলো তো রোলার কোস্টারের মতো ওঠানামা করে। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন—এরা সারাক্ষণ ডিউটিতে থাকে। এই হরমোনগুলোর আনাগোনা ব্রেইনের থার্মোস্টেটকে একটু নড়বড়ে করে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল হালকা গরম! পুরুষদের হরমোন তো মোটামুটি একই লাইনে চলে, তাই ব্রেইনে এত আপ-ডাউন হয় না।
    • পৃথিবীর বোঝা: আচ্ছা, সব সমস্যা, সব চিন্তা, সব দায়িত্বের বোঝাটা যেন নারীরাই বেশি নিজেদের কাঁধে নিয়ে নেয়। পরিবার, সমাজ, ভবিষ্যৎ—সবকিছু নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করতে করতে ব্রেইন তো এমনিতেই গরম হবে! যেন ব্রেইনের ভেতর ২৪/৭ একটা টেনশন-ফ্যাক্টরি চলছে।
    • আবেগপ্রবণতা: নারীরা সাধারণত একটু বেশি আবেগপ্রবণ হন। অল্পতেই খুশি, অল্পতেই দুঃখী, অল্পতেই রেগে যান, আবার দ্রুতই নরম হয়ে যান। এই যে এত আবেগের ঢেউ ব্রেইনের ভেতর দিয়ে যায়, তাতে তো একটু তাপ উৎপন্ন হবেই! পুরুষরা তো সব ইমোশন ভেতরে চাপা দিয়ে রাখে, তাই তাদের ব্রেইন ততটা ওয়ার্কআউট পায় না।

    তো ভাই, ব্যাপারটা আসলে সিরিয়াস কিছু না। নারীদের ব্রেইনের এই সামান্য বেশি তাপমাত্রা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি ‘মাথা গরম’ বলতে রাগকে বোঝান, তাহলে বলতে হয়, এত দায়িত্ব আর চাপ সামলাতে গিয়ে একটু গরম তো হতেই পারে, তাই না? বরং এটা তাদের ক্ষমতারই একটা অংশ! 😉

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

স্পুনারিজম কথা বলার মাঝখানে একটি অত্যান্ত প্রচলিত টার্ম। স্পুনারিজম কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মেয়েরা এত রেগে যায় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তাজমহল তৈরী করতে কত টাকা খরচ হয়েছিলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 10 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মহিলাদের জন্য সেরা পরামর্শটি কী হতে পারে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন। আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট কবিস্তারিত পড়ুন

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন।

    আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই এই ব্যাপারটি সবসময় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং কেন অভিশপ্ত ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত পেইন্টিং দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিংটি জিওভান ব্রাগোলিন নামে একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী দ্বারা আঁকা হয়েছিল; যা ছিল তার স্প্যানিশ ছদ্মনাম। তার আসল নাম ব্রুনো আমাডিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ৭০/৮০ এর দশক পর্যন্ত এই পেইন্টিং গুলো খুবই জনপ্রিয় উঠেছিল। কমবেশি সবার ঘরেই এই পেইন্টবিস্তারিত পড়ুন

    You are currently viewing দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত  পেইন্টিং

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিং: অভিশপ্ত পেইন্টিং

    দ্য ক্রাইং বয় পেইন্টিংটি জিওভান ব্রাগোলিন নামে একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী দ্বারা আঁকা হয়েছিল; যা ছিল তার স্প্যানিশ ছদ্মনাম। তার আসল নাম ব্রুনো আমাডিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ৭০/৮০ এর দশক পর্যন্ত এই পেইন্টিং গুলো খুবই জনপ্রিয় উঠেছিল। কমবেশি সবার ঘরেই এই পেইন্টিং থাকতো।


    ৮০ এর দশকে এসে এই পেন্টিং অভিশপ্ত হওয়ার কুখ্যাতি লাভ করে। ৮০ এর দশকে বেশকিছু বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়, কিন্তু সেসব বাড়িতে থাকা এই পেইন্টিং অক্ষত থেকে যায়। দমকল বাহিনী সেসময় একটি তথ্য দেয় যে তারা এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ টি পুড়ে যাওয়া বাড়িতে এই চিত্রকর্মটি পেয়েছে। সেসব বাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও ছবিটি অক্ষত ছিল। আর তখন মানুষজনের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মে যে এই চিত্রটি অভিশপ্ত।



    কান্নারত ছবির স্কেচ করছেন চিত্রশিল্পী 
    ক্রাইং বয় পেইন্টিংগুলি ১৯৫০-৮০ এর দশকে ব্যাপকভাবে ছাপা হচ্ছিল, এবং সমগ্র যুক্তরাজ্য জুড়ে ব্যাপকভাবে বিক্রি ও হয়েছিল।

    ৪ সেপ্টেম্বর,১৯৮৫

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য সান’ একটি সংবাদ প্রকাশ করে, রন এবং মে হল নামের এক দম্পতি সম্পর্কে, এই দম্পতির বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল এবং তারা এরজন্য ক্রাইং ভয় পেইন্টিং কে দায়ী করছিল। কারণ ঐ বাড়িতে পেইন্টিং টি ছাড়া আর বাকি সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।


    পেইন্টিং এর ছেলেটি কে?

    জিওভানও এই রকম ক্রাইং বয় নিয়ে অসংখ্য পেইন্টিং তৈরি করেছিলেন। কিছু পত্রিকা প্রচার কে যে তিনি একটি স্প্যানিশ এতিমখানার শিশুদের ছবি আঁকছিলেন যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    আরেকটি গল্প প্রচলিত আছে যে জর্জ ম্যালরি নামে একজন স্কুল শিক্ষক এই ছবির চিত্রশিল্পী কে খুঁজে বের করেছিলেন এবং তাকে পেইন্টিং করা ছেলেটির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাকে জিওভানও বলেছিলেন,যে ছেলেটি ‘ডন বনিলো’ নামে একটি স্প্যানিশ পথশিশু ছিল।

    জিওভানওর বাচ্চাটির সাথে ১৯৪৯ সালে মাদ্রিদে তার সাথে দেখা হয়েছিল। বিশ্বযুদ্ধের শেষের পরে ইতালি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরে যার বাবা-মা রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে মারা গিয়েছিল এবং তাই লোকেরা তাকে ‘এল ডায়াবলো’ নামে ডাকতে শুরু করেছিল, এর মানে ছিল শয়তান। তাই এজন্য কেউ তাকে দত্তক নিতে চায়নি। সে নাকি যেখানে যেতো সেখানেই আগুন লেগে যেত।

    ছেলেটিকে একজন পুরোহিতের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জিওভান দত্তক নিয়েছিলেন এবং তার চিত্রকর্ম এঁকে তাকে অপব্যবহার করতে শুরু করেন। ছোট্ট দুঃখি অনাথের চিত্রগুলি তাকে ধনী করে তোলে। কিন্তু একদিন হঠাৎই তার স্টুডিওটি রহস্যজনকভাবে পুড়ে যায় এবং জিওভান এই অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী করে সেই ছেলেটিকে, এবং ছেলেটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এর কয়েক বছর পর, বার্সেলোনায় একটি গাড়ি বিস্ফোরণে সেই ছেলেটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক নামের এক সাংবাদিক এই রহস্য সম্পর্কে গবেষণা করেছিলেন, তিনি বলেন যে তিনি কোনো প্রমাণ খুঁজে পাননি; যে জর্জ ম্যালরির, জিওভানির সঙ্গে কখনো দেখা হয়েছিল। হয়তো এগুলো তিনি বানিয়ে বলেছিলেন, খবরে আসার জন্য।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক আরও বলেন যে জিওভান হয়ত ২০-৩০ জন কান্নাকাটিকারী ছেলেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভেনিসে দেখার পর এঁকেছিলেন। যার প্রিন্ট ১৯৭৯ এর দশকে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলিতে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়েছিল।

    ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ সালে, ‘দ্য সান’ পত্রিকায় ক্রাইং বয় পেইন্টিং নিয়ে ‘ক্রাইং বয় জলন্ত অভিশাপ’ শিরোনামটি পাঠকদের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি করেছিল। যেটি ছিল রণ ও মে হল দম্পতির বাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা।

    এই ঘটনা শুনে ‘ডোরা মানা’ নামে এক পাঠক বলেন,

    ছবিটি কেনার ছয় মাস পর তার বাড়ি পুড়ে যায় এবং তিনি আরও বলেন, কান্নারত ছেলেটির ছবি ছাড়া বাড়ির বাকি সবকিছুই পুড়ে গিয়েছিল।

    ‘দ্য সান’ এই নিউজ প্রকাশ করে তখন জনপ্রিয়তার একদম তুঙ্গে। তখন তারা পাঠকদেরকে তাদের বাড়িতে থাকা এই অভিশপ্ত পেইন্টিং টি সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দেয়। ক্রাইং বয় এর প্রায় ২৫০০ টি প্রিন্ট ’সান’ এর অফিসে পাঠানো হয়েছিল। যার ফলে নিউজ রুমে ১২ ফুট উঁচু একটি স্তুপের সৃষ্টি হয়েছিল।

    এর এক সপ্তাহ পরে ‘দ্য সান’, ‘ক্রয়িং-বয় কার্স স্ট্রাইকস এগেইন’ শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে তারা একটি তরুণের পরিবারের বাড়ি আগুনে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছিল, কিন্তু সেই বাড়িতে শুধুমাত্র পেইন্টিংটি অক্ষত ছিল।



    ‘দ্য সান’ এই বিষয়ে তাদের শেষ নিউজ কাভার করেছিল ‘Crying Flame’ শিরোনামে। যা হ্যালোউইনে প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে তারা দাবি করেছিল যে তারা টেমস নদীর কাছে, তাদের সংগ্রহিত করা সকল পেইন্টিং তারা একটি বিশাল বনফায়ারে পুড়িয়ে দিয়েছে।


    এই পেইন্টিং গুলো পুড়িয়ে দেয়ার সময় সেখানে উপস্থিত থাকা ‘ব্যারি ডেভিস’ নামের এক ফায়ার অফিসার বলেন যে

    আমি মনে করি, এমন অনেক লোক আছে যারা এখন থেকে একটু সহজে শ্বাস নিতে পারবে।

    বাড়িগুলোতে আগুন কেনো লাগতো?

    বেশ কিছু তদন্তের পর দেখা গেছে যে এই আগুন লাগার বেশিরভাগেরই স্বাভাবিক কারণ ছিল। যেমনঃ- সিগারেট, ত্রুটিপূর্ণ তারের বা অপ্রত্যাশিত ডিপ-ফ্রাইং প্যান।

    বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা

    প্রিন্টগুলি অগ্নি-প্রতিরোধী বার্নিশ দিয়ে প্রলেপিত ছিল। ফলে এটি সহজেই পুড়ে যাওয়া বাড়িতে অক্ষত ছিল।

    ডঃ ডেভিড ক্লার্ক আরও আবিষ্কার করেছিলেন যে পেইন্টিংটি একটি সংকুচিত বোর্ডে মুদ্রিত হয়েছিল যা এটি পোড়াতে অসুবিধা করে।
    চিত্রকর্মটি কি সত্যিই অভিশপ্ত ছিল?

    যেহেতু পেইন্টিংগুলিতে কেন আগুন ধরে না তার একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে, তাই এটিকে অভিশপ্ত বলা চলে না। তবুও অনেকে বিশ্বাস করে যে চিত্রটি অভিশপ্ত এবং তারা এই জাতীয় চিত্রগুলি বাড়ির দেয়ালে ঝুলিয়ে না রাখার পরামর্শ দেয়।

    জিওভান ব্রাগোলিন ১৯৮১ সালে মারা যান এবং এই গল্পের সত্যটিও তার সাথে চলে গেছে এবং এটি একটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা যে সমস্ত ঘর পুড়ে গেছে তাদের দেয়ালে এই চিত্রগুলি সাজানো ছিল এবং তাই লোকেরা ভেবেছিল যে চিত্রটি অভিশপ্ত। আর রন ও মে দম্পতির ঘটনার এমন রসালো হেডলাইন সান পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর চিত্রটি দ্রুত হয়ে ওঠে গল্প করার জন্য একটি মুখরোচক বিষয়। যা সম্পর্কে এখনো মানুষের আগ্রহের শেষ হয়নি।

    আচ্ছা আপনি কি আপনার বাড়িতে এই পেইন্টিং টাঙানোর সাহস করবেন?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 69 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

রাতে গল্প বা গান শোনালে ঘুম পায় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 18 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক ফল কোনটি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 16 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমাদের দেশের মানুষ সারাজীবন পেঁয়াজের যেকোন ধরনের সংর্স্পশে আসামাত্র কাদেন কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে চান? কি উপায়

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মানুষের মস্তিস্ক কি খারাপ স্মৃতি নিজ থেকেই মুছে ফেলে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

প্রতিবাদ জানাতে ডিম ছোড়া হয় কেনো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন রংয়ের টাই কেমন ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    একটি গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। কিছুদিন আগে একজন চাকুরিপ্রার্থী বিসিএস ভাইভা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই প্রস্তুতি শুধু পড়ালেখার নয়, পোশাক-পরিচ্ছদেরও। ভাইভার জন্য সহজভাবেই সাদা রংয়ের শার্টের অর্ডার দিলেন। প্যান্টেও সমস্যা হলো না। সাদা শার্টের সঙ্গে কালোকেই বেছে নেয়া হলো। কিন্তু বিপদে পড়তে হলো টবিস্তারিত পড়ুন

    একটি গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। কিছুদিন আগে একজন চাকুরিপ্রার্থী বিসিএস ভাইভা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই প্রস্তুতি শুধু পড়ালেখার নয়, পোশাক-পরিচ্ছদেরও। ভাইভার জন্য সহজভাবেই সাদা রংয়ের শার্টের অর্ডার দিলেন। প্যান্টেও সমস্যা হলো না। সাদা শার্টের সঙ্গে কালোকেই বেছে নেয়া হলো। কিন্তু বিপদে পড়তে হলো টাই কিনতে গিয়ে। সেখানে রং শুধু সাদা-কালোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রং যেমন বিভিন্ন, আছে বিভিন্ন ডিজাইনও। আর বিপদটা এখানেই।

    অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন, টাই একটা হলেই হয়, রং কোনো বিষয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইয়ের রং আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। একই স্যুটের সাথে বিভিন্ন রংয়ের টাই একজন মানুষ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা পাঠায় দর্শকদের কাছে। তাই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য টাইয়ের রং বাছাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর সেটা যদি হয় চাকরির সাক্ষাৎকার বা কোনো সন্ধি-আলোচনার ক্ষেত্রে (নেগোসিয়েশন), তাহলে তো কোনো কথাই নেই।

    দর্শক যিনিই হোন না কেন, তার সামনে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে সবাই চান। আর এজন্য রংয়ের রসায়নটা ভালোভাবেই জানা উচিত। এ বিষয় ‘Color Your Style’ বইয়ের লেখক ডেভিড জিলা বলেছেন, “রং নির্দিষ্ট সংকেত পাঠায়।” নিউইয়র্কভিত্তিক এই লেখক আরো বলেছেন, “একই স্যুটে ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের টাই, ভিন্ন ভিন্ন বার্তা বয়ে বেড়ায় ও ভিন্ন ফল নিয়ে আসে।”

    এবার তাহলে দেখা যাক কোন রংয়ের টাই কোন ধরনের বার্তা নিয়ে আসে আর কেমন ব্যক্তিত্বই বা প্রকাশ করে।

    সব ক্ষমতাবানের রং লাল

    একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, বিশ্বের অনেক রাজনীতিবিদই হালকা রংয়ের শার্ট ও গাঢ় স্যুটের সঙ্গে লাল রংয়ের টাই পরেন। আসলে ব্যাপারটা কাকতালীয় নয়। “ক্ষমতার টাইয়ের রং লাল”-কথাটি বলেছেন ফ্যাশন বিশ্লেষক মার্ক উডম্যান।

    যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের লরেলে ‘রং’ নিয়ে গবেষণা করা এই বিশ্লেষক আরো বলেছেন, “লাল এর মধ্যে এমন কিছু আছে, যা সব সময় ক্ষমতা ও অধীর আগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।”

    জনসমক্ষে কথা বলার সময় জেপি মর্গানের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমন লাল রংয়ের টাই পরিধান করেন। ছবি: Getty Images

    তবে লালের মাত্রাটা পার্থক্য সৃষ্টি করে। গাঢ় লাল বা টকটকে লাল টাই বিশ্বাস স্থাপন করাতে সাহায্য করে। আর হালকা লাল বা গোলাপি রং নিজের ব্যক্তিগত স্টাইল প্রকাশ করে, যা সৃজনশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে। তবে গত দশক থেকে গোলাপি টাই মাঝে মাঝে নারীর প্রতি সংহতি প্রকাশেরও সংকেত বহন করে।

    আপনি যখন কোনো প্রকল্পে নেতৃত্ব দিতে চান অথবা কোনো উচ্চাশা প্রকাশ করতে চান, তখন গাঢ় চকচকে লাল রংয়ের টাই বেছে নেয়াটা উত্তম। আর ক্ষমতা প্রকাশের সূক্ষ্ম মাধ্যম হিসেবে অনুজ্জ্বল অথবা ছাপার লাল রংয়ের টাই বেছে নিতে পারেন।

    রাজকীয় রং বেগুনি

    নিউইয়র্কে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের একজন নির্বাহী হিসেবে চাকরি করেন রস নাভর। যখন তিনি কোনো ব্যবসায়িক মিটিং করেন, তখন লাল টাই না পরে বেগুনি রংয়ের টাই পরেন। কারণ এই রং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে এবং প্রথম ইমপ্রেশনটা দীর্ঘায়িত করতে সাহায্য করে।

    তবে ঐতিহ্যবাহী রংয়ের টাই পরার আগে সচেতন হওয়া উচিত। আপনার ক্লায়েন্টের সামনে কথা বলার সময় অথবা কারো সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে তার সামনে কম ঐতিহ্যবাহী রংয়ের টাই পরিধান করা উচিত। এটা প্রকাশ করে আপনি তার গায়ের বরণ নিয়ে ততটা ভাবেন না।

    বেগুনি রংয়ের টাইয়ে আত্মবিশ্বাসী আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার। ছবি: Getty Images

    হংকংয়ে ‘ইমেজ কনসাল্টেন্ট’ হিসেবে কাজ করা ইভ রোথ লিন্ডসে বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে রাজকীয়তা ও অর্থ-প্রতিপত্তির পরিচায়ক বেগুনি রং। সাধারণত কর্মক্ষেত্রে এই রংয়ের টাই বেশি গ্রহণযোগ্য।

    তার মতে, পুরুষরা সাধারণত হালকা বেগুনি রংয়ের শেডের শার্ট এবং গাঢ় বেগুনি রংয়ের শেডের টাই পরিধান করে। হাজার মানুষের মধ্যে নিজেকে কিছুটা সাহসী হিসেবে প্রকাশ করার জন্য এর যেকোনো একটি বেছে নেয়াটা মন্দ হবে না।

    কালো রংয়ের ব্যাপারটাই আলাদা

    কোনো এক্সিকিউটিভ মিটিংয়ে আপনি কালো রংয়ের টাই নিয়মিত না পরলেও কোনো পার্টিতে বা বিশেষ কোনো ডিনারে কালো টাই পরতে পারেন। এটি আপনাকে আধুনিকতার অনুভূতি দেবে-কথাগুলো বলেছেন ‘Color Your Style’ বইয়ের লেখক ডেভিড জিলা।

    কালো রংয়ের টাই পরা অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

    তিনি কালো টাই পরার ক্ষেত্রে সতর্কও করেছেন। কারণ ফরমাল কালো টাই অনেক সময় উদ্ধত ভাব প্রকাশ করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতি বেশভূষাও মনে হয়। জিলা বলেছেন, “যদি কর্মক্ষেত্রে এখনও অনেক উপরে উঠার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে কালো রংয়ের টাই এড়িয়ে চলুন।”

    এদিকে বিশ্লেষক উডম্যান বলেছেন, ধূসর শেডের টাই তুলনামূলক বেশি মানানসই। এমন টাইয়ে দাম্ভিক ভাব প্রকাশ করা না, তবে ঠিকই আধুনিকতার ছোঁয়ায় পরিপাটি মনে হয়।

    সবুজ টাইয়ে কেমন লাগে

    সবুজ রং অনেক কিছুই বোঝায়। এটি দ্বারা একদিকে পুনর্জন্ম বোঝায়। আবার অন্য দিকে কোনো কোনো দেশে টাকার রং বোঝায়। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, এটা অতি মাত্রায় দৃষ্টি-আকর্ষণকারী হয়ে যায়।

    কখনো কখনো পরা যায় সবুজ টাই।

    আপনি যদি চান, টাইয়ের রংয়ের কারণে কেউ আপনাকে স্মরণ করুক, তাহলে ঠিক সবুজ রং বেছে নেয়াটা ঠিক হবে না। উডম্যানের মতে, উজ্জ্বল সবুজ যেমন বিরক্তিকর লাগে, তেমনি এর সঙ্গে মিলিয়ে স্যুট বা শার্ট পাওয়াও কঠিন। তবে হালকা সবুজের সঙ্গে সূক্ষ্ম ছাপার টাই অন্য কোনো রংয়ের শার্টের সঙ্গে পরিধান করতে পারেন।

    হলুদের কদর কম না

    ইংল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে ঐতিহ্যবাহী টাইয়ের রং হলুদ। এটি দীপ্তি ও জীবনীশক্তির সঙ্গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে। সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার সময় হলুদ রংয়ের টাই পরতে পারেন।

    এ বিষয় রোথ লিন্ডসে বলেছেন, জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করে হলুদ রংয়ের টাই।

    তবে বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে দেশভেদে টাইয়ের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। কারণ ভারতে হলুদ রংয়ের টাই পরলে তাকে বণিক মনে করা হয়। আর চীনে শোকের সময় সাদা রংয়ের টাই পরা হয়।

    নিরাপদ রং নীল

    টাইয়ের রংয়ে ভুল বার্তা পাঠানোর ভয়ে পড়ে গেলেন? তাহলে সব চিন্তা বাদ দেন। যে বার্তাই পাঠাতে চান না কেন, নীল রংয়ের টাই বেছে নেন।

    “নীল রং মানুষকে আকাশ ও সমুদ্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ফলে মানুষের মনকে শান্ত করে দেয়।” – বলেছেন ‘ইমেজ কনসাল্টেন্ট’ রোথ লিন্ডসে। তার মতে, “নীল রং পরিধান করাই সবচেয়ে নিরাপদ।”

    নীল রংয়ে টাই পরিহিত বিশ্ব নেতারা।

    ডিজাইন করা নীল টাই আপনার মধ্যে প্রফেশনাল অনুভূতি যোগাবে। বৈশ্বিক ব্যবসার ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের ভুল বার্তা দিবে না। লিন্ডসে বলেছেন, “সূক্ষ্ম নীল টাই বোঝায় আপনি কোমল ও অন্তর্বীক্ষণপ্রবণ (যে নিজের চিন্তা ও অনুভূতি পরীক্ষা করে)। অন্যদিকে গাঢ় নীল বোঝায় আপনি অসাধারণ একজন।”

    তার মতে, নেভি ব্লু আপনার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগায় আর গাঢ় নীল স্মরণ করিয়ে দেয় অতি সম্মানের পাইলট-ইউনিফর্মের কথা।

    মিশে যান প্রকৃতির সঙ্গে

    লিন্ডসের মতে, বিক্রয়কর্মী, শিক্ষক, সেবা প্রতিষ্ঠানের মানুষের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে তাম্র, বাদামি, মাটি, গোলাপি-কমলা বা হলুদ রং বেছে নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, বাদামি রংয়ের টাই যদি একেবারে মিহি মনে না হয়, তাহলে সেটা নিষ্প্রভ ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে।

    বাদামী রংয়ের টাইয়ে অভিনেতা নিকোলাস কোস্টার ওয়ালদাউ’র মতো বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে আপনাকেও।

    তিনি আরো বলেন, ধূসর রংয়ের টাই অনেক সময় অতি মাত্রায় নিরুদ্বেগ ভাব প্রকাশ করে। আর মাটি রংয়ের শার্টের সঙ্গে মাটি রংয়ের টাই সবসময় এড়িয়ে চলা উচিত। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির আশা থাকলে এটা একেবারেই পরিহার করা উচিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 66 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

নিদ্রাহীনতা সমাধানের ভিন্নধর্মী পন্থা ক্যানাবিস কি সত্যিই কাজ করে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর আমাদের মন আর শরীর দুটোই ক্লান্ত থাকে, প্রয়োজন হয় বিশ্রামের। বাসায় ফেরার পর সবচেয়ে আপন করে নিতে ইচ্ছা হয় পরিপাটি করে গোছানো বিছানাটাকেই। খাওয়া-দাওয়া করে এরপর ঘুমের রাজ্যে আমাদের প্রবেশ ঘটে। দৈনন্দিন জীবনে পরিশ্রমের পর আমাদের প্রত্যেকেরই একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমের প্রয়োজন হয়।বিস্তারিত পড়ুন

    সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর আমাদের মন আর শরীর দুটোই ক্লান্ত থাকে, প্রয়োজন হয় বিশ্রামের। বাসায় ফেরার পর সবচেয়ে আপন করে নিতে ইচ্ছা হয় পরিপাটি করে গোছানো বিছানাটাকেই। খাওয়া-দাওয়া করে এরপর ঘুমের রাজ্যে আমাদের প্রবেশ ঘটে। দৈনন্দিন জীবনে পরিশ্রমের পর আমাদের প্রত্যেকেরই একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমের প্রয়োজন হয়। যখন এই গুরুত্বপূর্ণ ঘুমেরই সমস্যা হয়, তখন তো আমাদের নড়েচড়ে বসতেই হয়। তবে সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সবসময়ই কি যৌক্তিক কিছু করি অথবা যা করি তা কি আদৌ চিরস্থায়ী সুফল বয়ে আনে?

    ঘুমের সমস্যা বলতে সাধারণত ঘুমের স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হওয়াকেই বোঝানো হয়। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে প্রচলিত সমস্যাটি হল ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা। স্লিপ অ্যাপনিয়াতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘুমের সময় সঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারেন না। কেউ কেউ আবার ঘুমের মাঝে পা এক জায়গায় স্থির রাখতে পারেন না। একে রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (RLS) বলে। পায়ে এক ধরনের অস্বস্তি বা মৃদু খোঁচা খাওয়ার অনুভূতির কারণে এমন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু সমস্যাটা পায়ে না, স্নায়ুতন্ত্রে। স্নায়ুতন্ত্রের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে বিশৃঙ্খলার কারণে এই সমস্যার উদ্ভব হয়। আবার অনেকের নার্কোলেপসির কারণে দিনের বেলায় হুট করেই অস্বাভাবিক রকমের ঘুম পায়।

    এতসব ঘুমের সমস্যার সাথে মাদকের সম্পর্কটা ঠিক কেমন? সেটা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

    কর্মব্যস্ত দিনের পর দরকার পরিমিত ঘুম; Source: renkligaste.com

    প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে নিদ্রাহীনতায় ভুগছেন এমন অনেকের সাথে কথা বলে দেখা গেছে যে, তাদের অনেকেই সমাধানের পথ হিসেবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিস (গাঁজা) সেবনকে বেছে নিচ্ছেন। এই চর্চাটা এখন প্রতিফলিত হচ্ছে বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে। ক্যানাবিসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন ওষুধ যেমন ন্যাবিলোন, ড্রোনাবিনল এবং ম্যারিনল ইত্যাদি প্রস্তুত হচ্ছে। এছাড়াও ক্যানাবিস সেবনকারীদের অনেকেই মেডিক্যাল মারিজুয়ানা কার্ড নিয়ে থাকেন।

    ক্যানাবিস পাতা; Source: commons.wikimedia.org

    প্রশ্ন হলো- ঘুমের সমস্যা সমাধানে ক্যানাবিস কতটা কার্যকরী? বিভিন্ন রোগীর মাঝে এর ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত ফলাফল কখনোই ঢালাওভাবে কোনো উত্তরকে সরাসরি সমর্থন করে না। অর্থাৎ নিদ্রাহীনতার সমাধান হিসেবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিসের ব্যবহার বহুলাংশেই স্বতন্ত্র। ঘুমের সমস্যা সমাধানে মারিজুয়ানা সেবন করা কতটা কার্যকর হবে সেটা নির্ভর করে ব্যক্তি বিশেষের উপর, মারিজুয়ানার পরিমাণ এবং এর সেবনের মাত্রার উপর।

    সমস্যা সমাধানে ক্যানাবিস বা মারিজুয়ানা

    কিছু কিছু গবেষণায় দেখে গেছে, ক্যানাবিস আক্ষরিক অর্থেই ঘুমে সাহায্য করে। নিদ্রাহীনতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপর এর প্রভাব বিভিন্ন রকম। কারও কারও ক্ষেত্রে এর ব্যবহার যথেষ্ট কার্যকরী। কার্যকরী এই অর্থে যে তারা খুব দ্রুতই ঘুমিয়ে পড়তে পারছেন এবং ভাল ঘুমও হচ্ছে। আবার কেউ কেউ হয়তো খুব দ্রুত ঘুমাতে পারছেন না, কিন্তু তাদের ঘুমের গভীর পর্যায়টা বেশ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। তবে যখনই ক্যানাবিস সেবন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন স্পষ্টতই ঘুম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    বিভিন্ন গবেষণা থেকে এটা প্রমাণিত যে, ক্যানাবিস ঘুমের মান এবং সময়কাল নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। ক্যানাবিস থেকে প্রাপ্ত ক্যানাবিনয়েডসমূহের মাঝে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (THC), যা নিদ্রাহীনতা দূর করতে দারুণ কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে, টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল সেবনকারীদের মাঝে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার হার, যারা সেবন করছেন না তাদের চেয়ে অনেকংশেই বেশি। এছাড়াও গভীর রাতে হঠাৎ ঘুমে ভেঙে দীর্ঘ সময় ধরে জেগে থাকার সমস্যাটাও টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এর মাধ্যমে দূর করা যায়।

    Tetrahydrocannabinol; Source: Wikimedia Commons

    প্রাণীদের উপর চালানো এক গবেষণায় (অ্যানিমেল ট্রায়াল) সংশ্লেষিত একটি ক্যানাবিনয়েডের (টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনলের অনুরূপ) ব্যবহার, সেরোটোনিন- প্রণোদিত অ্যাপনিয়ার সমাধানে আশাব্যঞ্জক ফলাফল এনে দিয়েছে। ক্যানাবিনয়ডের ব্যবহারের ফলে চিবুক এবং মুখের কিছু পেশীর শিথিলতা আসে এবং এর মাধ্যমেই অ্যাপনিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে (PTSD) আক্রান্ত সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের দুঃস্বপ্নের চিকিৎসায় ক্যনাবিনয়েডসমূহ বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    ঘুম এবং ক্যানাবিস; Source: semprequestione.com

    টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যনাবিনয়েডের সমন্বয়ে গঠিত একটি ওষুধ হচ্ছে ক্যানাবিডাইঅল (CBD), যেটি ঘুমের সমস্যা সমাধানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়াও তীব্র ক্যানাবিডাইঅল ব্যবহারের মাধ্যমে সার্বিকভাবে ঘুমের সময় বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

    Cannabidiol; Source: chicagonow.com

    ঢালাওভাবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিস নামগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হলেও ঘুমের সমস্যা সমাধানে এদের কাজ করার পদ্ধতি  কিন্তু এক নয়। ক্যানাবিসের অসংখ্য প্রজাতিগুলোর মাঝে পার্থক্যের কারণ টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এবং ক্যানাবিডাইঅলের পরিমাণ। ক্যানাবিসের কিছু প্রজাতি আছে যেগুলোতে টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনলের উপস্থিতি অত্যন্ত বেশি। মারিজুয়ানারও এরকম কিছু প্রজাতিতে ক্যানাবিডাইঅলের পরিমাণ কম, আবার অন্যগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি।

    ঘুম চক্রে ক্যানাবিসের প্রভাব

    ঘুমের মাঝে র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট (REM ) নামক একটি পর্যায় আছে। ঘুমের এই চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা স্বপ্ন দেখি। ঘুমের আগে ক্যানাবিস সেবনের ফলে REM পর্যায়ে ব্যায়িত সময়ের পরিমাণ কমে আসে। ফলে ঘন ঘন স্বপ্ন দেখা অনেকটাই কমে যায়। তবে দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততার পর হুট করে ক্যানাবিস সেবন বন্ধ করে দিলে REM এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার বেশ ভাল রকমের ঝুঁকি থেকে যায়।

    ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়; Source: quora.com

    কিছু সতর্কতা

    ক্যানাবিস গ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, দীর্ঘকাল সেবনের পর হুট করে ক্যানাবিসকে বিদায় জানানো যাবে না। বেশ লম্বা একটা সময় ধরে ক্যানাবিস সেবনের ফলে একজন মানুষের ঘুমের অভ্যাস বা ধরণ পরিবর্তিত হয়, এক ধরণের নির্ভরতা তৈরী হয়। হঠাৎ করেই যদি অভ্যস্ততায় ব্যাঘাত ঘটে, তখন এর প্রতিক্রিয়াস্বরূপ বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভব হয়। দেখা যায় যে, একজন ব্যক্তি হয়তো সারাদিনই ক্লান্ত অনুভব করছেন অথবা ঘুম থেকে উঠার পরও তার মনে হচ্ছে যে ঘুম ঠিকভাবে হয় নি। এছাড়াও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে কখনোই ক্যানাবিস ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করা উচিত নয়। সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ১৫ বছর বয়সের আগে ক্যানাবিস অনেক সময় তারুণ্যের পুরোটা জুড়েই নিদ্রাহীনতা ডেকে আনে।

    মেডিক্যাল মারিজুয়ানার বিশেষত্ব

    মজার ব্যপার হচ্ছে, ঘুমের সমস্যা ছাড়াও আরও অনেক অসুখের চিকিৎসা হিসেবে মেডিক্যাল মারিজুয়ানা বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেমন-·

    •  অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার
    • অ্যানোরেক্সিয়া
    • দুশ্চিন্তা
    • আর্থ্রাইটিস
    • অ্যাজমা
    • ক্যান্সার
    • বিষণ্ণতা
    • মৃগীরোগ
    • গ্লুকোমা
    • মাইগ্রেন
    • পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার ইত্যাদি।

    এখন পর্যন্ত সমগ্র বিশ্বে ক্যানাবিস বা মারিজুয়ানার এসব উপকারী দিক সর্বজন স্বীকৃত নয়। হ্যাঁ, এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে চিকিৎসাক্ষেত্রে মেডিক্যাল মারিজুয়ায়ানা ব্যবহারের সাফল্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তবে মানুষের উপর এর প্রভাব তেমন ভাল নয়। তাই এখনও বিস্তর গবেষণা চলছে এর ভূমিকা নিয়ে। এতসব অসুখের সমাধান হিসেবে যদি একটি প্রাকৃতিক উপাদান সাফল্যের পথ দেখাতে পারে, সেটা নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা বয়ে আনবে রোগী ও তার স্বজনদের জন্য।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

টুইন বেবি বা জমজ সন্তান একজন মার খেলে অন্য জন একই জাগায় ব্যথা পায়, তা কি সত্যি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • jahanur
    jahanur একটি উত্তর দিয়েছেন You can definitely use Instagram downloaders on both your phone… জুলাই 26, 2026, সময়ঃ 1:11 অপরাহ্ন
  • ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… জুলাই 22, 2026, সময়ঃ 12:58 অপরাহ্ন
  • Fist Name
    Fist Name একটি উত্তর দিয়েছেন https://jojoji.com এই লিংক থেকে পোস্ট বা প্রশ্ন উত্তর করে সহজেই… জুলাই 13, 2026, সময়ঃ 1:50 পূর্বাহ্ন
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 113 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 162 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 122 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,177 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 82 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Harridoyle

Harridoyle

  • 2 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 93979 USDC 6xz

www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 93979 USDC 6xz

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Dolgushin

Dolgushin

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন