সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক/Page 3
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মানুষ সবসময় সবজান্তা সমীপেষু সাজার চেষ্টা করে কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে চান? কি উপায়

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লিপস্টিক এর একটি মজাদার থিউরি আছে ? আমরা কজন জানি সেটা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন কারনে ৯০ শতাংশ মানুষই ডানহাতি ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 17 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করে কেন?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে: ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব** অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তবিস্তারিত পড়ুন

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে:

    ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব**
    অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তারা পড়াশোনা করতে পারেননি বা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলে তারা পরীক্ষায় চিটিং করে নিজের ফলাফল ভালো করার চেষ্টা করে।

    ### ২. **অতিরিক্ত চাপ বা দুশ্চিন্তা**
    বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য ছাত্রদের ওপর অনেক চাপ থাকে। কিছু ছাত্র এই চাপ সামলাতে না পেরে, বা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে চিটিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল উন্নত করতে চায়।

    ### ৩. **অধ্যয়ন পদ্ধতির সমস্যা**
    যে ছাত্ররা নিয়মিত পড়াশোনা করে না বা ভুল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে, তারা পরীক্ষার আগে চাপ অনুভব করে এবং মনে করে যে, পড়াশোনা ছাড়া তারা কোনোভাবে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। এই ধরনের ছাত্রেরা চিটিং করার পন্থা খুঁজে নেন।

    ### ৪. **প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ**
    অনেক সময় ছাত্ররা বন্ধুদের বা সহপাঠীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ার ভয় পেয়ে চিটিং করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলে, ছাত্ররা মনে করে যে, পরীক্ষায় ভালো ফল না করলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

    ### ৫. **অনুশীলন বা মনোযোগের অভাব**
    কিছু ছাত্র পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু তারা পর্যাপ্ত সময় বা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। ফলে তারা টুকলি বা চিটিংয়ের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর চেষ্টা করে।

    ### ৬. **শিক্ষকের বা পরীক্ষার পরিবেশের দুর্বলতা**
    যদি পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অবহেলা থাকে, যেমন শিক্ষক বা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা যথাযথভাবে নজরদারি না করেন, তখন ছাত্ররা চিটিংয়ের সুযোগ পেয়ে যায়। কিছু পরীক্ষায় এমন পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ছাত্রদের চিটিং করা সহজ হয়ে যায়।

    ### ৭. **নৈতিক মূল্যবোধের অভাব**
    কিছু ছাত্রের নৈতিক মূল্যবোধ বা শৃঙ্খলা কম হতে পারে। তারা মনে করে যে, চিটিং করে যদি ভালো ফল পাওয়া যায়, তবে এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে না। এই ধরনের ছাত্রদের মধ্যে নিজেদের কর্তব্য বা সঠিক পথ অনুসরণের প্রতি আগ্রহ কম হতে পারে।

    ### ৮. **বিশ্বস্ততার অভাব**
    অন্য একটি কারণ হতে পারে শিক্ষাপদ্ধতিতে আস্থা বা বিশ্বাসের অভাব। ছাত্ররা যদি মনে করেন যে, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল শুধুমাত্র সঠিকভাবে পড়াশোনা করলেই পাওয়া যায় না, বা মূল্যায়ন পদ্ধতি যথাযথ নয়, তবে তারা মনে করে যে চিটিং করলেই ফলাফল ভালো হবে।

    ### ৯. **অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত উৎসের অভাব**
    কিছু ছাত্রের কাছে প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণ বা গাইড বই না থাকলে, তারা হয়তো বাইরে থেকে কপি বা টুকলি করে নিজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে চায়।

    ### সমাধান:
    পরীক্ষায় চিটিংয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উচিত:
    – শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব পোষণ করা এবং তাদের সমস্যা বুঝে সমাধান করা।
    – সঠিক পড়াশোনার পদ্ধতি শেখানো এবং চাপ কমানোর জন্য মানসিক সহায়তা প্রদান।
    – পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ রাখা।
    – নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

    বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিক গাইডলাইন এবং অভ্যন্তরীণ সহায়তার মাধ্যমে চিটিংয়ের প্রবণতা কমানো সম্ভব।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন রংয়ের টাই কেমন ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    একটি গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। কিছুদিন আগে একজন চাকুরিপ্রার্থী বিসিএস ভাইভা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই প্রস্তুতি শুধু পড়ালেখার নয়, পোশাক-পরিচ্ছদেরও। ভাইভার জন্য সহজভাবেই সাদা রংয়ের শার্টের অর্ডার দিলেন। প্যান্টেও সমস্যা হলো না। সাদা শার্টের সঙ্গে কালোকেই বেছে নেয়া হলো। কিন্তু বিপদে পড়তে হলো টবিস্তারিত পড়ুন

    একটি গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। কিছুদিন আগে একজন চাকুরিপ্রার্থী বিসিএস ভাইভা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই প্রস্তুতি শুধু পড়ালেখার নয়, পোশাক-পরিচ্ছদেরও। ভাইভার জন্য সহজভাবেই সাদা রংয়ের শার্টের অর্ডার দিলেন। প্যান্টেও সমস্যা হলো না। সাদা শার্টের সঙ্গে কালোকেই বেছে নেয়া হলো। কিন্তু বিপদে পড়তে হলো টাই কিনতে গিয়ে। সেখানে রং শুধু সাদা-কালোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রং যেমন বিভিন্ন, আছে বিভিন্ন ডিজাইনও। আর বিপদটা এখানেই।

    অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন, টাই একটা হলেই হয়, রং কোনো বিষয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইয়ের রং আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। একই স্যুটের সাথে বিভিন্ন রংয়ের টাই একজন মানুষ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা পাঠায় দর্শকদের কাছে। তাই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য টাইয়ের রং বাছাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর সেটা যদি হয় চাকরির সাক্ষাৎকার বা কোনো সন্ধি-আলোচনার ক্ষেত্রে (নেগোসিয়েশন), তাহলে তো কোনো কথাই নেই।

    দর্শক যিনিই হোন না কেন, তার সামনে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে সবাই চান। আর এজন্য রংয়ের রসায়নটা ভালোভাবেই জানা উচিত। এ বিষয় ‘Color Your Style’ বইয়ের লেখক ডেভিড জিলা বলেছেন, “রং নির্দিষ্ট সংকেত পাঠায়।” নিউইয়র্কভিত্তিক এই লেখক আরো বলেছেন, “একই স্যুটে ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের টাই, ভিন্ন ভিন্ন বার্তা বয়ে বেড়ায় ও ভিন্ন ফল নিয়ে আসে।”

    এবার তাহলে দেখা যাক কোন রংয়ের টাই কোন ধরনের বার্তা নিয়ে আসে আর কেমন ব্যক্তিত্বই বা প্রকাশ করে।

    সব ক্ষমতাবানের রং লাল

    একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, বিশ্বের অনেক রাজনীতিবিদই হালকা রংয়ের শার্ট ও গাঢ় স্যুটের সঙ্গে লাল রংয়ের টাই পরেন। আসলে ব্যাপারটা কাকতালীয় নয়। “ক্ষমতার টাইয়ের রং লাল”-কথাটি বলেছেন ফ্যাশন বিশ্লেষক মার্ক উডম্যান।

    যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের লরেলে ‘রং’ নিয়ে গবেষণা করা এই বিশ্লেষক আরো বলেছেন, “লাল এর মধ্যে এমন কিছু আছে, যা সব সময় ক্ষমতা ও অধীর আগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।”

    জনসমক্ষে কথা বলার সময় জেপি মর্গানের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমন লাল রংয়ের টাই পরিধান করেন। ছবি: Getty Images

    তবে লালের মাত্রাটা পার্থক্য সৃষ্টি করে। গাঢ় লাল বা টকটকে লাল টাই বিশ্বাস স্থাপন করাতে সাহায্য করে। আর হালকা লাল বা গোলাপি রং নিজের ব্যক্তিগত স্টাইল প্রকাশ করে, যা সৃজনশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে। তবে গত দশক থেকে গোলাপি টাই মাঝে মাঝে নারীর প্রতি সংহতি প্রকাশেরও সংকেত বহন করে।

    আপনি যখন কোনো প্রকল্পে নেতৃত্ব দিতে চান অথবা কোনো উচ্চাশা প্রকাশ করতে চান, তখন গাঢ় চকচকে লাল রংয়ের টাই বেছে নেয়াটা উত্তম। আর ক্ষমতা প্রকাশের সূক্ষ্ম মাধ্যম হিসেবে অনুজ্জ্বল অথবা ছাপার লাল রংয়ের টাই বেছে নিতে পারেন।

    রাজকীয় রং বেগুনি

    নিউইয়র্কে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের একজন নির্বাহী হিসেবে চাকরি করেন রস নাভর। যখন তিনি কোনো ব্যবসায়িক মিটিং করেন, তখন লাল টাই না পরে বেগুনি রংয়ের টাই পরেন। কারণ এই রং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে এবং প্রথম ইমপ্রেশনটা দীর্ঘায়িত করতে সাহায্য করে।

    তবে ঐতিহ্যবাহী রংয়ের টাই পরার আগে সচেতন হওয়া উচিত। আপনার ক্লায়েন্টের সামনে কথা বলার সময় অথবা কারো সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে তার সামনে কম ঐতিহ্যবাহী রংয়ের টাই পরিধান করা উচিত। এটা প্রকাশ করে আপনি তার গায়ের বরণ নিয়ে ততটা ভাবেন না।

    বেগুনি রংয়ের টাইয়ে আত্মবিশ্বাসী আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার। ছবি: Getty Images

    হংকংয়ে ‘ইমেজ কনসাল্টেন্ট’ হিসেবে কাজ করা ইভ রোথ লিন্ডসে বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে রাজকীয়তা ও অর্থ-প্রতিপত্তির পরিচায়ক বেগুনি রং। সাধারণত কর্মক্ষেত্রে এই রংয়ের টাই বেশি গ্রহণযোগ্য।

    তার মতে, পুরুষরা সাধারণত হালকা বেগুনি রংয়ের শেডের শার্ট এবং গাঢ় বেগুনি রংয়ের শেডের টাই পরিধান করে। হাজার মানুষের মধ্যে নিজেকে কিছুটা সাহসী হিসেবে প্রকাশ করার জন্য এর যেকোনো একটি বেছে নেয়াটা মন্দ হবে না।

    কালো রংয়ের ব্যাপারটাই আলাদা

    কোনো এক্সিকিউটিভ মিটিংয়ে আপনি কালো রংয়ের টাই নিয়মিত না পরলেও কোনো পার্টিতে বা বিশেষ কোনো ডিনারে কালো টাই পরতে পারেন। এটি আপনাকে আধুনিকতার অনুভূতি দেবে-কথাগুলো বলেছেন ‘Color Your Style’ বইয়ের লেখক ডেভিড জিলা।

    কালো রংয়ের টাই পরা অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

    তিনি কালো টাই পরার ক্ষেত্রে সতর্কও করেছেন। কারণ ফরমাল কালো টাই অনেক সময় উদ্ধত ভাব প্রকাশ করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতি বেশভূষাও মনে হয়। জিলা বলেছেন, “যদি কর্মক্ষেত্রে এখনও অনেক উপরে উঠার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে কালো রংয়ের টাই এড়িয়ে চলুন।”

    এদিকে বিশ্লেষক উডম্যান বলেছেন, ধূসর শেডের টাই তুলনামূলক বেশি মানানসই। এমন টাইয়ে দাম্ভিক ভাব প্রকাশ করা না, তবে ঠিকই আধুনিকতার ছোঁয়ায় পরিপাটি মনে হয়।

    সবুজ টাইয়ে কেমন লাগে

    সবুজ রং অনেক কিছুই বোঝায়। এটি দ্বারা একদিকে পুনর্জন্ম বোঝায়। আবার অন্য দিকে কোনো কোনো দেশে টাকার রং বোঝায়। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, এটা অতি মাত্রায় দৃষ্টি-আকর্ষণকারী হয়ে যায়।

    কখনো কখনো পরা যায় সবুজ টাই।

    আপনি যদি চান, টাইয়ের রংয়ের কারণে কেউ আপনাকে স্মরণ করুক, তাহলে ঠিক সবুজ রং বেছে নেয়াটা ঠিক হবে না। উডম্যানের মতে, উজ্জ্বল সবুজ যেমন বিরক্তিকর লাগে, তেমনি এর সঙ্গে মিলিয়ে স্যুট বা শার্ট পাওয়াও কঠিন। তবে হালকা সবুজের সঙ্গে সূক্ষ্ম ছাপার টাই অন্য কোনো রংয়ের শার্টের সঙ্গে পরিধান করতে পারেন।

    হলুদের কদর কম না

    ইংল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে ঐতিহ্যবাহী টাইয়ের রং হলুদ। এটি দীপ্তি ও জীবনীশক্তির সঙ্গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে। সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার সময় হলুদ রংয়ের টাই পরতে পারেন।

    এ বিষয় রোথ লিন্ডসে বলেছেন, জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করে হলুদ রংয়ের টাই।

    তবে বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে দেশভেদে টাইয়ের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। কারণ ভারতে হলুদ রংয়ের টাই পরলে তাকে বণিক মনে করা হয়। আর চীনে শোকের সময় সাদা রংয়ের টাই পরা হয়।

    নিরাপদ রং নীল

    টাইয়ের রংয়ে ভুল বার্তা পাঠানোর ভয়ে পড়ে গেলেন? তাহলে সব চিন্তা বাদ দেন। যে বার্তাই পাঠাতে চান না কেন, নীল রংয়ের টাই বেছে নেন।

    “নীল রং মানুষকে আকাশ ও সমুদ্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ফলে মানুষের মনকে শান্ত করে দেয়।” – বলেছেন ‘ইমেজ কনসাল্টেন্ট’ রোথ লিন্ডসে। তার মতে, “নীল রং পরিধান করাই সবচেয়ে নিরাপদ।”

    নীল রংয়ে টাই পরিহিত বিশ্ব নেতারা।

    ডিজাইন করা নীল টাই আপনার মধ্যে প্রফেশনাল অনুভূতি যোগাবে। বৈশ্বিক ব্যবসার ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের ভুল বার্তা দিবে না। লিন্ডসে বলেছেন, “সূক্ষ্ম নীল টাই বোঝায় আপনি কোমল ও অন্তর্বীক্ষণপ্রবণ (যে নিজের চিন্তা ও অনুভূতি পরীক্ষা করে)। অন্যদিকে গাঢ় নীল বোঝায় আপনি অসাধারণ একজন।”

    তার মতে, নেভি ব্লু আপনার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগায় আর গাঢ় নীল স্মরণ করিয়ে দেয় অতি সম্মানের পাইলট-ইউনিফর্মের কথা।

    মিশে যান প্রকৃতির সঙ্গে

    লিন্ডসের মতে, বিক্রয়কর্মী, শিক্ষক, সেবা প্রতিষ্ঠানের মানুষের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে তাম্র, বাদামি, মাটি, গোলাপি-কমলা বা হলুদ রং বেছে নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, বাদামি রংয়ের টাই যদি একেবারে মিহি মনে না হয়, তাহলে সেটা নিষ্প্রভ ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে।

    বাদামী রংয়ের টাইয়ে অভিনেতা নিকোলাস কোস্টার ওয়ালদাউ’র মতো বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে আপনাকেও।

    তিনি আরো বলেন, ধূসর রংয়ের টাই অনেক সময় অতি মাত্রায় নিরুদ্বেগ ভাব প্রকাশ করে। আর মাটি রংয়ের শার্টের সঙ্গে মাটি রংয়ের টাই সবসময় এড়িয়ে চলা উচিত। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির আশা থাকলে এটা একেবারেই পরিহার করা উচিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 55 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ভালোবাসার সম্পর্কে ঈর্ষা দূর করার উপায় কি হতে পারে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

টার্কোফোবিয়া বা তুর্কি-ভীতি কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বউ-শ্বাশুড়ি সম্পর্ক সবসময় তিতাই কেন হতে হবে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 10 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

একটি পাখীকে আমরা পাখি নামে ডাকিনা অন্য নামে ডাকি। সেই পাখির নাম কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কাক এর সাথে আকার যোগ করলে কাকা হয়, তাহলে কি বিয়োগ করলে গরু হয়?

  1. নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ইংলিশে Crow, মানে কাক। তাহলে Crow থেকে "r" কে বাদ দিলে হয় Cow, মানে গরু। তাহলে এখানে কাকের থেকে "r" বাদ দিলে গরু হবে।

    ইংলিশে Crow, মানে কাক। তাহলে Crow থেকে “r” কে বাদ দিলে হয় Cow, মানে গরু। তাহলে এখানে কাকের থেকে “r” বাদ দিলে গরু হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

লিফটে আয়না কেন থাকে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 2 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মহিলাদের জন্য সেরা পরামর্শটি কী হতে পারে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন। আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট কবিস্তারিত পড়ুন

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন।

    আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই এই ব্যাপারটি সবসময় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বৃষ্টিতে ভেজা মাটির মনমাতানো গন্ধের উৎস কোথায়?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    “তখনও এই রকম কালবৈশাখী নামবে, এই রকম মেঘান্ধকার আকাশ নিয়ে, ভিজে মাটির গন্ধ নিয়ে, ঝড় নিয়ে, বৃষ্টির শীকরসিক্ত ঠাণ্ডা জোলো হাওয়া নিয়ে, তীক্ষ্ম বিদ্যুৎ চমক নিয়ে-তিন হাজার বছর পরের বৈশাখ-অপরাহ্নের উপর । তখন কি কেউ ভাববে তিন হাজার বৎসর পূর্বের প্রাচীন যুগের এক বিস্মৃতি কালবৈশাখীর সন্ধ্যায় এক বিস্মবিস্তারিত পড়ুন

    “তখনও এই রকম কালবৈশাখী নামবে, এই রকম মেঘান্ধকার আকাশ নিয়ে, ভিজে মাটির গন্ধ নিয়ে, ঝড় নিয়ে, বৃষ্টির শীকরসিক্ত ঠাণ্ডা জোলো হাওয়া নিয়ে, তীক্ষ্ম বিদ্যুৎ চমক নিয়ে-তিন হাজার বছর পরের বৈশাখ-অপরাহ্নের উপর । তখন কি কেউ ভাববে তিন হাজার বৎসর পূর্বের প্রাচীন যুগের এক বিস্মৃতি কালবৈশাখীর সন্ধ্যায় এক বিস্মৃত গ্ৰাম্য বালকের ক্ষুদ্র জগৎটি এই রকম বৃষ্টির গন্ধে, ঝোড়ো হাওয়ায় কি অপূৰ্ব আনন্দে দুলে উঠতো? এই মেঘান্ধকার আকাশের বিদ্যুৎ চমক-সকলের চেয়ে এই বৃষ্টির ভিজে সোঁদা সোঁদা গন্ধটা কি আশা উদ্দাম আকাঙ্ক্ষা দূর দেশের, দূরের উত্তাল মহাসমুদ্রের, ঘটনাবহুল অস্থির জীবনযাত্রার কি মায়া-ছবি তার শৈশব-মনে ফুটিয়ে তুলতো?”

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “অপ্রকাশিত দিনলিপি” থেকে নেওয়া কথাগুলো পড়তে পড়তে গ্রামের সদ্য বৃষ্টিতে ভেজা মাটির অন্যরকম গন্ধটা বুক ভরে নিতে ইচ্ছে করছে না? হ্যাঁ! প্রকৃতপক্ষে আমরা প্রায় সবাই বৃষ্টির এই দারুণ গন্ধকে ভীষণ পছন্দ করি। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, এই ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধের উৎস কোথায় আর কীভাবেই বা এই গন্ধের সৃষ্টি হয়? চলুন আজ সেই কথাই জেনে নেই।

    বৃষ্টিতে ভেজা মাটির গন্ধের খুব সুন্দর একটি ইংরেজি শব্দ রয়েছে। ইংরেজিতে এই গন্ধটিকে ডাকা হয় পেট্রিকোর (Petrichor) নামে। বৃষ্টির ফোঁটা যখন শুকনো মাটিতে পড়ে, তখন এই পেট্রিকোরের সৃষ্টি হয়। পেট্রিকোর কথাটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার আভিধানিক অর্থ পাথরের শোণিতধারা (The blood of stones)।

    অস্ট্রেলিয়ান কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (CSIRO) এর দুই বিজ্ঞানী ইসাবেল জয় বিয়ার এবং রিচার্ড থমাস এই শব্দটি প্রথম প্রস্তাব করেন। ১৯৬৪ সালে নেচারে প্রকাশিত তাদের গবেষণা প্রবন্ধে তারা এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। সাধারণত বৃষ্টির আগে শুকনো মাটি বিভিন্ন উদ্ভিদ থেকে একধরনের তেল পরিশোষণ করে থাকে। এই দুই গবেষক সেই পরিশোষিত তেলকে আবার সংশ্লেষ করতে সক্ষম হন। তারা দেখান, যখন বৃষ্টি হয়, তখন এই পরিশোষিত তেল জিওস্মিন নামে আরেক ধরনের যৌগের সাথে মিশ্রিত হয়ে বায়ুতে ব্যাপিত হয়। মূলত এই দুই যৌগের বায়ুতে ব্যাপনের ফলেই বৃষ্টিতে ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধের সৃষ্টি হয়।

    বাঁয়ে বিজ্ঞানী রিচার্ড থমাস, ডানে বিজ্ঞানী ইসাবেল জয় বিয়ার; 
    শুকনো মাটি উদ্ভিদ থেকে যে তেল পরিশোষণ করে থাকে, সেই তেলে মূলত মিশে থাকে পামিটিক এসিড, স্টিয়ারিক এসিড এবং আরও নানা প্রকার রাসায়নিক পদার্থ, যার সবগুলোকে বিজ্ঞানীরা এখনো নির্দিষ্ট করতে পারেননি। তবে মাটিতে মিশে থাকা পামিটিক এসিড ও স্টিয়ারিক এসিডের এই বৃহৎ অণু বৃষ্টির সময় বিশ্লিষ্ট হয়ে বিভিন্ন ক্ষুদ্র অণু, যেমন- কিটোন, অ্যালডিহাইড প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

    পামিটিক এসিড ও স্টিয়ারিক এসিডের বৃহৎ অণু;
    অন্যদিকে জিওস্মিন পদার্থটি মাটিতে বাস করতে থাকা এক্টিনোব্যাক্টেরিয়া পর্বভুক্ত অণুজীবদের দ্বারা সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের সায়ানোব্যাক্টেরিয়া এবং স্ট্রেপ্টোমাইসিস গণের ব্যাকটেরিয়ার মৃত কোষ থেকে মূলত জিওস্মিন সৃষ্টি হয়। ২০০৬ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথম স্ট্রেপটোমাইসিস কোয়েলিকালার (Streptomyces coelicolor) ব্যাকটেরিয়ায় থাকা উৎসেচক থেকে জিওস্মিনের জৈব সংশ্লেষের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন।

    Actinobacteri
    ফার্নেসাইল ডাইফসফেট থেকে দুই ধাপে সম্পন্ন হওয়া একটি বিক্রিয়ার মাধ্যমে জিওস্মিন সিন্থেজ নামর একটি উৎসেচকের প্রভাবে জিওস্মিন উৎপাদিত হয়।

    জিওস্মিন উৎপাদী বিক্রিয়া
    ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধের পেছনের জীববৈজ্ঞানিক কারণ তো জানা গেল। কিন্তু এরপর বিজ্ঞানীরা চিন্তা করতে লাগলেন, এই গন্ধ আমাদের নাকে এসে পৌঁছায় কী করে। অর্থাৎ এর পেছনে থাকা পদার্থবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা ঠিক কীরূপ?

    তাই এই গন্ধের উৎস এবং প্রক্রিয়া সম্বন্ধে আরও জানতে ২০১৫ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির একদল গবেষক ১৮ ধরনের মাটির সংস্পর্শে বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে দিয়ে প্রায় ৬০০টি পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এই ভিডিওটিতে পরীক্ষাটির বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

    খালি চোখে না দেখা গেলেও আমরা সকলেই জানি, যেকোনো মাটির সমতল থাকে অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। বৃষ্টির ফোঁটা যখন এই মাটির তলে এসে পড়ে, তখন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্রে আটকে থাকা বাতাস থেকে বুদবুদের সৃষ্টি হয়। এই বুদবুদ যখন মাটির সমতল থেকে বায়ুর সংস্পর্শে এসে ফেটে যায়, তখন এই বুদবুদে আটকে থাকা বিভিন্ন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র রাসায়নিক অণু বাতাসে মিশে এই সোঁদা গন্ধের জন্ম দেয়।

    বিজ্ঞানীদের উচ্চ শক্তিসম্পন্ন ক্যামেরায় ধরা পড়া ছিদ্রযুক্ত তল থেকে উৎপন্ন হওয়া বুদবুদের বাতাসে মেশার দৃশ্য ( বাতাসের সংস্পর্শে মিশে যেতে থাকা দুটি বুদবুদকে লাল বৃত্ত দ্বারা চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে)
    শুধু জিওস্মিন কিংবা উদ্ভিজ তেলকণা নয়, মাটিতে থাকা অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা অন্যান্য রাসায়নিক অণুও এই বুদবুদে মিশে থাকতে পারে। যত ধীরে বৃষ্টিকণা মাটিতে পড়ে, তত বেশি বুদবুদ বাতাসে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। আর তাই খুব হালকা এক পশলা বৃষ্টির পরে ভেজা মাটির গন্ধ অপেক্ষাকৃত তীব্রতর বলে মনে হয়।

    আমাদের নাসারন্ধ্রে থাকা ঘ্রাণ সংবেদকগুলো জিওস্মিনের গন্ধের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। তাই বাতাসে এর পরিমাণ প্রতি ট্রিলিয়নে ৫ ভাগ, অর্থাৎ প্রতি কেজি বাতাসে মাত্র ৫ ন্যানোগ্রাম (৫ × ১০-৯ গ্রাম) থাকলেই মানুষের নাক তা শনাক্ত করতে পারে। এই সোঁদা গন্ধকে কাজে লাগিয়ে নানা সুগন্ধি তৈরি করার সম্ভাবনা নিয়েও তাই মানুষ অনেক সময় চিন্তা করেছে। স্বাধীনতার বেশ কিছু আগে ভারতীয় উপমহাদেশের নানা স্থানে দেশীয় সুগন্ধি দ্রব্য তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছিল। শ্রমিকেরা গরমকালে মাটি শুকিয়ে তারপর বর্ষার আগে বাষ্প-পাতন করে সেই বাষ্প চন্দনের তেলে মিশিয়ে নিত। তারপর সেই তেল বিক্রি করতো বাজারে। উত্তর প্রদেশে এর জনপ্রিয় নাম ছিল মিট্টি আতর। এই মিট্টি আতর এখনও বেশ জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত বিক্রি হয়।

    মিট্টি আতর; Source: kazima perfume
    শুধু মাটির সোঁদা গন্ধ নয়, জলের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব কিংবা মাটির নিচে হওয়া সবজিগুলোর মেটে স্বাদও এই জিওস্মিনের জন্যই হয়ে থাকে। জিওস্মিনের এমন নানা ধরনের উপকারী দিকের পাশাপাশি কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। যেমন- মাটির বিভিন্ন স্তরের ব্যাকটেরিয়ার মৃত কোষ থেকে যেহেতু এই গন্ধের সৃষ্টি হয়, সেহেতু অনেক সময় কোনো স্থানে নলকূপ খননের পর সেই স্থানের পানীয় জলে এই ঘ্রাণ মিশে থাকে। এতে ঐ স্থানের পানি সুপেয় হয় না। অবশ্য বিজ্ঞানীরা এই ঘ্রাণকে কীভাবে দূর করা যায় সেই বিষয়েও বিস্তারিত গবেষণা করছেন।

    সোঁদা মাটির গন্ধের পেছনের বিজ্ঞান সম্বন্ধে জানলেন তো? এরপর থেকে যখন বৃষ্টি দেখে রোমান্টিকতায় আক্রান্ত হবেন আর ভেজা গন্ধে নস্টালজিয়া অনুভব করবেন, অবশ্যই সেই কাব্যময়তার মধ্যেও বিজ্ঞানের সৌন্দর্যের কথা স্মরণে রাখতে একদম ভুলবেন না যেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মাকড়শাকে আমরা ভয় পাই কেন? স্পাইডার সিল্ক কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    অ্যারাকনোফোবিয়া বা মাকড়শার ভয়। এই ভয়ে ভুগে থাকেন পৃথিবীর প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে একজন। কিন্তু কেন? আমাদের চারপাশের পরিচিত মাকড়শাগুলোর কোনোটাই কামড়ে দিচ্ছে না, বিষাক্তও না। তাহলে তাদের দেখলেই কেন শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত নেমে যায় আমাদের? মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখবিস্তারিত পড়ুন

    অ্যারাকনোফোবিয়া বা মাকড়শার ভয়। এই ভয়ে ভুগে থাকেন পৃথিবীর প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে একজন। কিন্তু কেন? আমাদের চারপাশের পরিচিত মাকড়শাগুলোর কোনোটাই কামড়ে দিচ্ছে না, বিষাক্তও না। তাহলে তাদের দেখলেই কেন শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত নেমে যায় আমাদের?

    মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখেছে প্রকৃতি

    এমন ভয়ই বা কেন জন্ম নিচ্ছে আমাদের মধ্যে মাকড়শাকে দেখলেই?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়টা শুধু মাকড়শা নিয়েই নয়, পোকামাকড় ও এর কাছাকাছি প্রাণী, যেমন– সাপ, বাদুড় ইত্যাদি সবকিছু ঘিরেই এমন ভয় কাজ করে মানুষের মধ্যে। আর আমাদের মধ্যে যারা উপরের তালিকার যেকোনো একটি প্রাণীকে ভয় পান, তারা অন্যান্য পোকা, সরীসৃপ ইত্যাদি দেখেও ভয় পান। চলুন, আজ অ্যারাকনোফোবিয়া নিয়েই বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    মাকড়শা থেকে শুরু করে মাকড়শাল জাল: ভয়টা কোথায়?

    মাকড়শাকে ভয় পাওয়া আর মাকড়শার জালকে ভয় পাওয়া, দুটোই একই ফোবিয়ার মধ্যে পড়ে। ঠিক ধরেছেন। অ্যারাকনোফোবিয়ার কথাই বলছি। অন্যান্য অনেক ফোবিয়ার চেয়ে অনেক বেশি এককেন্দ্রীক ভীতি এটা, যা তৈরি হতে পারে যে কারো মধ্যেই। এখানে আসল মাকড়শাও যে থাকতে হবে তা না, অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগী হিসেবে শুধু জাল দেখেই মাকড়শা আশেপাশে থাকতে পারে সেই ভীতিতে পড়তেই পারেন।

    ‘অ্যারাকনে’ আর ‘ফোবোস’ নামের দুটো গ্রিক শব্দকে জুড়ে এই ভয়ের জন্ম। কালের পরিক্রমায় নানারকম ক্ষতিকর প্রাণীর প্রতি সহজাতভাবেই ভয় তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। এই যেমন সাপ, যা আগেও বিষাক্ত ছিল, এখনও তা-ই। কিন্তু বিষ নেই এমন একটা সাপকেও আশেপাশে দেখলে আপনার শরীর ভয়ে কেঁপে উঠবে। এমন কেন? কারণ, আপনি জানেন, আপনার শরীরের ডিএনএ জানে যে সাপ বিষাক্ত। অনেকটা সহজাত প্রতিক্রিয়া চলে আসে তাই আপনার মধ্যে।

    মাকড়শাকে ভয় পাওয়ার জন্য আপনাকে মাকড়শার কামড় খেতে হবে এমনটা কিন্তু না; 
    একই ঘটনা ঘটে মাকড়শার বেলায়ও। মাকড়শা থেকে বিষ, বিষ থেকে অসুস্থতা- এই চিন্তা থেকেই শুরু হয় অ্যারাকনোফোবিয়া। অনেকটা প্রাকৃতিকভাবেই। কাজেই, মাকড়শাকে ভয় পাওয়ার জন্য আপনাকে মাকড়শার কামড় খেতে হবে এমনটা কিন্তু না। মাকড়শা যে ভয়ের, সেটা আপনার মাথায় এমনিতেই গেঁথে রেখেছে প্রকৃতি। সেখান থেকেই আপনি হয়ে যাচ্ছে অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগী।

    এই থিওরিকে সামনে ধরেই জার্মানিতে একটি গবেষণা চালানো হয়। শিশুদের মাছ, ফুল, সাপ, মাকড়শা ইত্যাদি দেখানো হয়। আর তাতে দেখা যায় যে, মাকড়শা আর সাপের বেলাতেই বাচ্চাদের চোখের মণির আকৃতি বদলাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে তারা। এই ভয় কিন্তু মাকড়শাকে আগে থেকে না দেখেই ওদের মধ্যে তৈরি হয়েছে।

    অবশ্য, ভয় ছাড়াও বিরক্তি আর অস্বস্তিও হতে পারে অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণ। আপনি শুধু মাকড়শাকে ভয় পেয়ে ওই জায়গা থেকে সরে যান বা মাকড়শাটাকে তাড়িয়ে দেন? এই ভীতির কবলে পড়ে অনেকে নিজের বাসাও ছাড়তে বাধ্য হন কখনো কখনো। মজার ব্যাপার হলো, আজ এই সময়ে এসে ব্যাপারটাকে শুধু একটা ভীতি মনে হলেও এই ভয়ই কিন্তু একটা সময় মানবজাতিকে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। বর্তমানে অনেক মাকড়শার মধ্যেই মানুষকে আক্রান্ত করার মতো বিষাক্ত তরল থাকলেও সেটা মানুষের শরীরে প্রবেশ করানোর মতো ধারালো আর লম্বা হুল থাকে না। পৃথিবীর ৬৩,০০০ প্রজাতির মাকড়শার মধ্যেও শুধু ২ শতাংশই মানুষের জন্য বিষাক্ত।

    ভয় ছাড়াও বিরক্তি আর অস্বস্তিও হতে পারে অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণ
    আর হ্যাঁ, এসব বাদেও আপনার পরিবেশটাও আপনার মধ্যে অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি করতে পারে। বাবা-মা, চারপাশের মানুষ যেটাকে ভয় পাচ্ছে, সেটাকে আপনি কেন ভয় পাবেন না? নিজে নিজেই তাই আগে থেকে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকলেও মানুষ হয়ে পড়তে পারেন এই আদিম ফোবিয়ার ভুক্তভোগী!

    আপনার অ্যারাকনোফোবিয়া আছে কি?

    মাকড়শাকে টুকটাক ভয় পাওয়া কিন্তু যায়ই। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি সেটা। কিন্তু সেই ভয় যে প্রচন্ড ফোবিয়া হয়ে আপনাকে আক্রমণ করেছে, তার লক্ষণ স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব।

    অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি হলে একজন মানুষ এই ভয়কে মোকাবেলা করতে মাকড়শা আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলেন
    শারীরিকভাবে অ্যারাকনোফোবিয়ার ক্ষেত্রে ভয় বৃদ্ধি পেলে আপনি:

    • মাথা ঘোরা
    • হজমে সমস্যা
    • বমিভাব
    • গা ঘেমে যাওয়া
    • হাত-পা কাঁপুনি
    • শ্বাসকষ্ট
    • হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি
    • কান্না

    ইত্যাদি দেখতে পারেন নিজের মধ্যে। শুধু তা-ই না, অ্যারাকনোফোবিয়া তৈরি হলে একজন মানুষ এই ভয়কে মোকাবেলা করতে মাকড়শা আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলেন। কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। সামাজিক নানা ব্যাপার থেকে অনেকটা দূরে চলে যেতে একপ্রকার বাধ্য হন।

    ভয় কমাবেন কীভাবে?

    মাকড়শার প্রতি এই প্রচন্ড ভীতি কমাতে কিছু ব্যাপার খুব ইতিবাচকভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। টুকটাক সমস্যার পাশাপাশি আপনি যদি দেখতে পান অ্যারাকনোফোবিয়ার কারণে আপনি বাইরে যেতেই ভয় পাচ্ছেন, কাজ করতে পারছেন না, রাতে জেগে থাকছেন বা কিছুক্ষণ পর পর চিন্তায় ডুবে যাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনার উচিৎ হবে-

    ১) চিকিৎসকের সাথে কথা বলা। চিকিৎসকেরা এই ভীতির কারণে কোনো ওষুধ দিতে চান না। তবে কাউন্সেলিং করে ভয়কে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসেন।

    বারবার মাকড়শাকে সামনে থেকে দেখাটাও অ্যারাকনোফোবিয়া কমিয়ে আনে
    ২) অন্য অনেক ফোবিয়ার মতো থেরাপি নেওয়ার মাধ্যমেও ধীরে ধীরে ভয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন আপনি। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি থেরাপি এক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে। বার বার মাকড়শাকে সামনে থেকে দেখাও অ্যারাকনোফোবিয়া কমিয়ে আনে।

    মজার ব্যাপার হলো, স্পাইডারম্যান মুভিও অনেক অ্যারাকনোফোবিয়ার ভুক্তভোগীকে মাকড়শার ভয় কাটাতে সাহায্য করেছে। তাই আপনার মধ্যে বাস করা মাকড়শাকে নিয়ে ভীতিটা ঠিক কোন উপায়ে চলে যাবে সেটা বলা কঠিন। তবে পুরো ব্যাপারটাই যেহেতু আপনি মাকড়শাকে কেমন চোখে দেখছেন তার উপরে নির্ভর করছে, কাউন্সেলিং বা থেরাপি বা অন্য যেকোনো উপায়ে, সেটাকেই যে আপনার বদলাতে হবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই!

    সিল্কের কথা বললেই একটি উপকথার গল্প চলে আসে মনে। চীনের সম্রাট হুয়াং তাই বা ইয়েলো এমপেরর-এর স্ত্রী সম্রাজ্ঞী লেই জু যখন বাগানে বসে চা পান করছিলেন তখন উপরের তুঁত গাছ থেকে একটি রেশম পোকার কোকুন এসে পড়ে সম্রাজ্ঞীর চায়ের পেয়ালায়। সম্রাজ্ঞী যখন এটি ধরে বের করে আনতে চাইলেন তখনই ঘটলো আসল ঘটনা। যতই টানেন ততই কোকুন থেকে একনাগাড়ে বেরিয়ে আসতে থাকে সুতা।

    ধারণা করা হয়, সম্রাজ্ঞী লেই জু দুর্ঘটনাক্রমে সিল্ক আবিষ্কার করেন

    নব্য প্রস্তর যুগের শেষ দিকের ঘটনা। অন্তত ইতিহাস আর ঐতিহাসিকগণ এমনটাই বলেন। তবে কাহিনীটি সত্য না উপকথা এ নিয়েও মতভেদ আছে। তারপরও চীন সিল্ককে নিজেদের একচেটিয়া অধিকারে রাখে প্রায় তিন হাজার বছর। সেই সিল্ক চীনকে এনে দিয়েছিল অনন্য সম্ভাবনার সুযোগ। যদিও পরে নানাভাবে নানা উপায়ে সিল্ক ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায়।

    সিল্কের কথা সকলেই কমবেশ জানে। প্রাকৃতিক এই সুতাই একমাত্র সুতা যা পুরো কোকুন জুড়েই অবিচ্ছিন্ন থাকে। কোকুনের কথায় চলে আসে রেশম পোকা আর তুঁত গাছের কথা। কারণ রেশম পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়েই একসময় কোকুন তৈরী করে এবং এরপর সেখান থেকেই আসে সিল্ক সুতা।

    সিল্ক মূলত প্রোটিন ভিত্তিক প্রাকৃতিক তন্তু যা বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়ার পর সুতা হিসেবে পাওয়া যায়। তবে শুনে অবাক লাগতে পারে, সিল্কের মতো এমন সুতা মাকড়সা থেকেও পাওয়া যেতে পারে। কিছুটা অবাস্তব আর আষাঢ়ে গল্পের মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটি সত্য যে, মাকড়সা থেকে প্রাপ্ত সুতা স্টিলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়। চলুন জানা যাক মাকড়সার সিল্ক সম্পর্কে দারুণ কিছু তথ্য।

    মাকড়সার সুতাও হতে পারে সিল্কের অন্যতম উৎস

    রেশম পোকা ছাড়াও সিল্ক উৎপাদন করা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সঠিকতা আর পূর্ণাঙ্গতার অভাব রয়ে গেছে এখনও। সব প্রজাতির মাকড়সা থেকে সিল্ক প্রস্তুত করা যাবে এমনটা নয়। বিশেষ প্রজাতির মাকড়সাই এক্ষেত্রে শক্তিশালী সিল্ক তৈরী করতে পারে। মাকড়সার বিশেষত্ব হলো অবিরত সুতা তৈরীর কৌশল ও অসাধারণ জ্যামিতিক জ্ঞান সম্বলিত জাল বোনার ক্ষমতা। এই সূত্রক একইসাথে প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত অন্যান্য ফাইবারের থেকে অনেকগুণ বেশি শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক। এমনকি কেভলার নামক কৃত্রিম সুতা, যা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরীতে কাজে লাগে, তার থেকেও স্পাইডার সিল্ক বেশি দৃঢ়।

    আসুন জানা যাক কীভাবে মাকড়সা জাল বোনার জন্য সুতা তৈরী করে। মাকড়সার সুতা কীভাবে উৎপাদিত হয় সেটি নিয়ে গবেষকগণ অনেক গবেষণা করেছেন এ পর্যন্ত। মূলত মাকড়সার উদরের বিশেষ একপ্রকার গ্রন্থি থেকে এই সুতার জন্ম হয়। মাকড়সা সবসময় কেবল একই ধরনের সুতাই তৈরী করে না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকার সুতা তৈরী করে থাকে। উদরে উৎপন্ন এই সুতা মূলত প্রাথমিকভাবে তরল অবস্থায় থাকে এবং স্পিনারেট নামক অঙ্গাণুর সূক্ষ্ম মুখনলের মধ্যে দিয়ে বের হয়ে আসে।

    স্পিনারেট সাধারণত উদরের পেছনের দিকে অবস্থান করে এবং দেখতে কোণাকার অথবা হাতের আঙুলের মতো। অধিকাংশ মাকড়সার পশ্চাৎদেশে প্রায় দুই জোড়া অর্থাৎ ৪টির মতো (প্রজাতিভেদে ২ থেকে ৮টি পর্যন্ত) স্পিনারেট থাকে। প্রতিটি স্পিনারেটে থাকে স্পিগট নামক অংশ যার মধ্যে দিয়ে এই সূত্রক বের হয়। কিন্তু তরল প্রোটিনের সুতা দিয়ে তো আর জাল বোনা সম্ভব নয়। তাই এদের স্পিনারেটে পরবর্তীতে এমন একটি পালিশ করার ব্যবস্থা থাকে, যার ফলে এই তরল প্রোটিনের আণবিক গঠনের পরিবর্তন ঘটে ও নতুন করে বিন্যস্ত হয়। এই পরিবর্তনের ফলেই বেরিয়ে আসে কঠিন সূত্রক।

    এ অংশে যখন তরল প্রোটিন প্রবেশ করে তখন এ অংশের কোষগুলো প্রোটিন থেকে পানি বের করে ফেলে এবং হাইড্রোজেনকে আলাদা করে ফেলে। ফলে সেটি একপ্রকার অম্লীয় মাধ্যমে পরিণত হয়। এর কারণে তরল প্রোটিন পরিণত হয় কঠিন প্রোটিনে। সাধারণত মাকড়সা নিজেদের আবাসস্থল কিংবা আহারাদির ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে জাল বুনে থাকে। কাজেই এই জাল বা জালের সুতা এমন হতে হবে যেন পোকামাকড় যখন এতে আঘাত করবে তখন সেটা সর্বোচ্চ পরিমাণ আঘাত শোষণ করতে পারে। মূলত প্রকৃতিরই এক বিশেষ আশীর্বাদ বলা যায় একে। আর এই বিশেষ গুণই একে অন্যান্য ফাইবার থেকে আলাদা করেছে।

    পাশাপাশি এর আরো একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর সূক্ষ্মতা। অর্থাৎ অন্যান্য ফাইবারের তুলনায় এটি খুবই সূক্ষ্ম এবং এর ভরও অনেক হালকা। এতটাই হালকা যে পুরো পৃথিবী একবার বেষ্টন করতে মাকড়সার যে একটানা লম্বা সূত্রকের প্রয়োজন হবে তার ভর হবে খুব বেশি হলে মাঝারি আকৃতির একটি সাবান খণ্ডের ভরের সমান!

    প্রাকৃতিক স্পাইডার সিল্ক দিয়ে তৈরী ফেব্রিক

    মাকড়সার সুতা যে শক্তিশালী এবং স্থিতিস্থাপক সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। মুশকিল হচ্ছে এই সুতা আহরণ ও উৎপাদন করার যায় কীভাবে সেটা নিয়ে। সাধারণ রেশম পোকা যেমন আমরা চাষ করতে পারি মাকড়সার চাষ করা আসলে ততটা সহজ নয়। কারণ একে তো সব প্রজাতির মাকড়সাই এই শক্তিশালী সুতা তৈরী করতে পারে না, অন্যদিকে মাকড়সা সবসময় একই প্রকার সুতা প্রদানও করতে পারে না। সবচেয়ে কঠিন সমস্যা এই যে মাকড়সা কলোনিভুক্ত প্রাণী নয়। কাজেই এদের একত্রে চাষ করা অসম্ভব।

    অন্যদিকে গবেষকগণও কৃত্রিমভাবে মাকড়সার সুতা গবেষণাগারে তৈরী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু তরল প্রোটিনকে কঠিন ও দৃঢ় করাটাই এখন তাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এটি মাকড়সার দেহে ঘটে এক বিশেষ প্রক্রিয়ায়। সেটা কৃত্রিমভাবে তৈরী করতে গেলে আমাদের এখনো অনেক গবেষণা করতে হবে এবং অপেক্ষা করতে হবে।

    এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে, আমরা তাহলে স্পাইডার সিল্ক পাবো কীভাবে। কারণ একদিকে মাকড়সা থেকে সবসময় সিল্ক পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, আবার গবেষণাগারে এখনো ঠিক সেভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এটার আসলে এখনই কোনো উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

    দুর্লভ এই সোনালী ফেব্রিক তৈরী করা হয়েছে এক মিলিয়ন মাকড়সার সুতা দিয়ে

    তবু অনেকেই এই মাকড়সার সুতা আহরণে চেষ্টা করেছেন এবং সেই সিল্ক দিয়ে ফেব্রিকও বোনা হয়েছে। ছবিতে যে সোনালী ফেব্রিক দেখানো হয়েছে সেটি প্রস্তুত করতে প্রায় ৭০ জন মানুষের সময় লেগেছে ৪ বছর। এই ফেব্রিক তৈরী করা হয়েছে প্রায় এক মিলিয়ন Golden orb প্রজাতির স্ত্রী মাকড়সা হতে প্রাপ্ত সিল্ক থেকে। ব্যাপারটা মোটেও সহজ ছিল না।

    এই ৭০ জন মানুষ প্রায় ৪ বছর ধরে মাদাগাস্কারের বিভিন্ন এলাকার টেলিফোন পোল থেকে মাকড়সা সংগ্রহ করেছেন এবং আরো প্রায় ১২ জন মানুষ এসব মাকড়সা থেকে আহরণ করেছে সিল্ক। প্রতিটি মাকড়সা থেকে আহরণ করা হয়েছে প্রায় ৮০ ফুটের মতো সুতা যা ব্যবহার করে তৈরী হয়েছে এই ১১ ফুট দৈর্ঘ্য আর ৪ ফুট প্রস্থের ফেব্রিকখানি। মূলত এটিই প্রথম ফেব্রিক যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক মাকড়সার সুতা দিয়ে তৈরী করা হয়েছে।

    এক্ষেত্রে মাকড়সা থেকে সুতা আহরণের যে যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি একসাথে ২৪টি মাকড়সার সুতা আহরণ করতে পারে। মাকড়সার কোনো ক্ষতি না করেই করা হয় এই আহরণ কর্ম। আহরিত সুতা হতে দেখা যায় যে, ১৪ হাজার মাকড়সা থেকে যে পরিমাণ সুতা পাওয়া যায় তার ভর খুব বেশি হলে এক আউন্সের মতোই হবে এবং বয়নকৃত ঐ ফেব্রিকের ভর ছিল প্রায় ২.৬ পাউন্ডের মতো। অর্থাৎ এরা অন্যান্য ফাইবার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হালকা হবে।

    মাকড়সা থেকে যেভাবে সিল্ক আহরণ করা হয়

    কিন্তু এত বিশেষ সব বৈশিষ্ট্য থাকার পরও মাকড়সা চাষ করার কোনো পদ্ধতি আবিষ্কৃত না হওয়ার কারণে কেবল প্রাকৃতিক মাকড়সার উপর নির্ভর করতে হয় আমাদের। আবার প্রাকৃতিক মাকড়সা থেকে একনাগাড়ে সুতা আহরণ করা হলেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সুতা আহরণ করার পর থেকে যে সুতা পাওয়া যায় তা আগের সুতার মতো কঠিন ও স্থিতিস্থাপক থাকে না।

    মাকড়সা আহরণের জন্যও উপযুক্ত মানুষের প্রয়োজন। কারণ মাকড়সার দংশনের ভয়ও থাকে যথেষ্ট। আবার বর্ষার মৌসুম ছাড়া এই বিশেষ প্রজাতির মাকড়সা তাদের বিশেষ ধরনের সিল্ক তৈরী করে না। একবার সিল্ক আহরণ করার পর মাকড়সা প্রায় এক সপ্তাহ সময় নেয় নতুন করে একই প্রকার শক্তিশালী সুতা তৈরী করার জন্য।

    গবেষকগণ তাই অবিরত চেষ্টা করে যাচ্ছেন কীভাবে গবেষণাগারে তৈরী করা যায় স্পাইডার সিল্ক। কিন্তু কিছু সমস্যা থেকেই যায়। কারণ এই সিল্কের প্রকৃত জীন অনুক্রম এখনো পুরোপুরি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে সমর্থ্য হননি। যদি সেটা পাওয়া যায় তবে সেটা অন্যান্য অণুজীবের শরীরে স্থাপন করে হয়তো প্রচুর পরিমাণে সিল্ক পাওয়া সম্ভব হবে যা হবে একই সাথে শক্তিশালী ও সহজলভ্য।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 46 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কাপলদের জন্য কিছু মজার শীতকালীন টিপস কি হতে পারে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এসে গেছে শীতকাল। সিঙ্গেলদের জন্য নতুন কোনো সমস্যার উদ্রেক না করলেও কাপলদের জন্য নিত্য নতুন সমস্যা নিয়ে আসার জন্য বিখ্যাত এই ঋতু। ফ্যান চালাতে না পারার কারণে ফোনে কথা বলা থেকে শুরু করে একসাথে ঘুমানো সব ক্ষেত্রেই আসে প্রতিকূলতা। তাই আজকের আয়োজনে আমাদের কাপল পাঠকদের জন্য থাকছে কিছু শীতকালীন টিপস।বিস্তারিত পড়ুন

    এসে গেছে শীতকাল। সিঙ্গেলদের জন্য নতুন কোনো সমস্যার উদ্রেক না করলেও কাপলদের জন্য নিত্য নতুন সমস্যা নিয়ে আসার জন্য বিখ্যাত এই ঋতু। ফ্যান চালাতে না পারার কারণে ফোনে কথা বলা থেকে শুরু করে একসাথে ঘুমানো সব ক্ষেত্রেই আসে প্রতিকূলতা। তাই আজকের আয়োজনে আমাদের কাপল পাঠকদের জন্য থাকছে কিছু শীতকালীন টিপস।

     

    ১) প্রথম টিপসটি সদ্য সম্পর্কে যাওয়া প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য, যারা প্রতি রাত ফুসুর ফুসুর করে কথা বলা ছাড়া থাকতেই পারেন না। প্রেমিকার বাসায় আবার জানাজানি হলেও প্যারা । তাহলে শীতকালে কী করবেন? কাজটি বেশ সহজ। বাতাস দিবে না, কিন্তু শুধু শব্দ হবে এরকম একটা নষ্ট ফ্যান কিনুন। চালু করে রাখুন কথা বলার সময়। কথা শেষ হলে বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ুন।

     

    ২) যদি নষ্ট ফ্যান কেনার টাকা না থাকে, তাহলে আপনার জন্য থাকছে আরও সহজ পদ্ধতি। লাউডস্পীকারে গান ছেড়ে আনন্দ করার দিন শেষ। এ মেথড অত্যন্ত পুরোনো। বরং আপনি যেটা করতে পারেন তা হলো, ইউটিউব থেকে ফ্যান চলার শব্দ প্লে করে লাউডস্পিকারে দিয়ে দিন।

     

    ৩) শীতকালে অনেক দম্পতির বিছানার শব্দ গুরুজন কিংবা তাদের নিজেদের কাছেও বিব্রতকর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা শীতকাল আসি আসি করা মাত্রই বিছানার নিচে স্প্রিং সেট করে নিতে পারেন। এতে করে বিছানার উপর কোনো এক্সট্রা চাপও পড়বে না, শব্দও হবে না। প্রয়োজনে ব্যাপারটি আরও প্রত্যক্ষভাবে উপলব্ধি করতে চাইলে ‘ম্যালেনা’ সিনেমাটি দেখুন।

     

    ৪) শীতকাল আসার আগেই ব্রেকাপ করে ফেলুন। অথবা সিজনাল রিলেশনশীপে চলে যেতে পারেন। অর্থাৎ গরমকাল আসলে আপনারা একসাথে থাকবেন শীতকাল আসলে আলাদা হয়ে যাবেন। আবার গরমকাল আসলে একসাথে থাকবেন। এতে ফ্যান নিয়ে বাড়তি চিন্তা যেমন করতে হবে না, শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার প্যারাও নাই।

     

    ৫) সবসময় যে খাটেই করা উত্তম এটা কেউ কোথাও কখনও বলে যাননি। তাই আপনি রুমে থাকা চেয়ার, ফ্লোরের ব্যবহার শিখুন। আওয়াজও নাই কাজও হলো।

     

    ৬) আপনি আপনার জীবনের সময়চক্র ঘুরিয়ে ফেলতে পারেন। রাতের কাজ দিনে করা শুরু করতে পারেন। দিনেরবেলা এম্নিতেও নানান আওয়াজ থাকে, এত আওয়াজ পেছনে ফেলে কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে আসবেই না।

     

    ৭) শীতের দিন ফিসফিস করে কথা বললে সবাই সন্দেহ করে। কিন্তু কাশলে কেউ সন্দেহ করে না। তাই আপনারা সাংকেতিক ভাষা হিসেবে কাশির ব্যবহার করুন। যেমন, একবার কাশলে কী করো, দুইবার কাশলে আই লাভ ইউ, তিনবার কাশলে মিস ইউ।

     

    ৮) প্রেম, বিয়ের মতো এতোসব খারাপ কাজ করারই দরকার নাই। সব ভুলে আলোর পথে চলে আসুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 58 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

জনসমক্ষে কথা বলার ভয়কে কি বলে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন পাঁচ রাশির মানুষ খুব সুন্দর হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 4 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন দেশের ক্যালেন্ডার বিশ্বের বাকী দেশগুলোর থেকে সাত বছর পেছনে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ফুটবল কেন এত জনপ্রিয় ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,045 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন