সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • প্রোফাইল
  • প্রোফাইল এডিট করুন
  • মেসেজ
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • গ্রুপ
  • রেফারেল
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পয়েন্ট
  • একটিভিটি
  • ব্লক লিস্ট
  • আর্থিক বিবরণী
  • টাকা উত্তোলন
  • লগ আউট
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক/Page 4
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সকালে সঙ্গীর ঘুম ভাঙাবেন কোন পদ্ধতিতে ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    দম্পতিদের মধ্যে সবচাইতে সুন্দর মুহূর্ত হচ্ছে সকাল। আদর সোহাগ আর কিছু দুষ্টামি সবকিছু মিলিয়ে সঙ্গীর ঘুম ভাঙানোর মুহূর্তটা সত্যি অতুলনীয়। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি যে, আপনার ঘুম ভাঙানোর পদ্ধতিতে যেন সঙ্গী বিরক্ত না হয়। উল্টো আপনার ঘুম ভাঙানোর কৌশলটি এমন হওয়া চাই, যা আপনার সঙ্গীর জন্য হবে আনন্দদায়ক আবিস্তারিত পড়ুন

    দম্পতিদের মধ্যে সবচাইতে সুন্দর মুহূর্ত হচ্ছে সকাল। আদর সোহাগ আর কিছু দুষ্টামি সবকিছু মিলিয়ে সঙ্গীর ঘুম ভাঙানোর মুহূর্তটা সত্যি অতুলনীয়। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি যে, আপনার ঘুম ভাঙানোর পদ্ধতিতে যেন সঙ্গী বিরক্ত না হয়। উল্টো আপনার ঘুম ভাঙানোর কৌশলটি এমন হওয়া চাই, যা আপনার সঙ্গীর জন্য হবে আনন্দদায়ক আর তৃপ্তির।

    স্বামী-স্ত্রী

    ভারতের জনপ্রিয় জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকালে সঙ্গীকে জাগাতে কিছু প্রচেষ্টা তো থাকতেই হবে আর তার প্রতি থাকতে হবে ভালোবাসার প্রকাশ। কিছু আদরণীয় উপায়ও বর্ণিত হয়েছে সে প্রতিবেদনে, চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই কৌশলগুলো-

    বাহুবন্ধনে রাখুন
    সকালে আপনি সঙ্গীকে জড়িয়ে ধরতে পারেন। সঙ্গীর শরীরে আলতো করে আঙুল বোলাতে পারেন। তার কপালে আলতো করে চুমু দিতে পারেন। এটা তাকে বিশেষ অনুভূতি এনে দেবে এবং তার সকালটা সুন্দর হবে। যদি রাতে আপনার সঙ্গীর ঘুম ভালো না-ও হয়, তবু এটা তার অনুভূতিকে নাড়িয়ে দেবে।

    আলতো চুমু দিন
    সঙ্গী ঘুমিয়ে আছে, এ সময় তাকে আলতো চুমু দেওয়ার চেয়ে সুন্দর মুহূর্ত আর কী হতে পারে। সঙ্গীকে সকালে জাগিয়ে তোলার অন্যতম সুন্দর উপায় এটি। আপনি তার গাল ও কপালে আলতো করে চুমু দিতে পারেন। আমরা নিশ্চিত, এতে সঙ্গী খুব খুশি হবে।

    কানে ফিসফিস করে কিছু বলুন
    সঙ্গীকে এটা অনুভব করতে দিন, তাকে পেয়ে আপনি কতটা সুখী। তার কানে ফিসফিস করে এমন কিছু বলুন, যা তার মনে রোমান্টিক অনুভব এনে দেবে। এতে জেগে উঠবে আপনার সঙ্গী আর এর পরের ভালোবাসাটুকু আপনাদের জন্য তোলা রইল।

    মধুর খুদেবার্তা পাঠান
    সঙ্গীকে মুঠোফোনে কল দিতে পারেন, বলতে পারেন আবেগময় কিছু কথা। অথবা পাঠাতে পারেন মিষ্টি খুদেবার্তা। ঘুম থেকে জেগে সঙ্গী যখন ওই বার্তা পড়বে, তখন তার হৃদয়ে সুখানুভূতি নিশ্চয়ই জাগ্রত হবে। এতে আপনাদের সম্পর্ক হবে আরও গাঢ়।

    সঙ্গীর প্রিয় নাস্তা তৈরি করুন
    আপনি জানেন, আপনার সঙ্গী সকালে কী খেতে পছন্দ করে। তো, প্রস্তুত করুন। আর কানে ফিসফিস করে বলুন- তোমার পছন্দের খাবার তৈরি। এবার ওঠো। আমরা নিশ্চিত, এতে আপনার সঙ্গী খুব খুশি হবে। জেগে উঠবে পরম তৃপ্তি নিয়ে।

    গোসলের নিমন্ত্রণ
    সকালে আপনারা চাইলে একসঙ্গে গোসল করতে পারেন। সে জন্য সঙ্গীর ঘুম ভাঙান। আর এ আমন্ত্রণে নিশ্চয়ই সঙ্গী বিরক্ত হবে না। গোসলের মুহূর্তটি আপনাদের সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করবে, প্রেমময় করবে।

    হতে পারে দুর্দান্ত মিলন
    এটা সঙ্গীর ঘুম ভাঙানোর দুর্দান্ত কৌশল। ভালোবাসা, পারস্পরিক আবেগ ও শারীরিক লিপ্ততার চাইতে সুন্দর মুহূর্ত আর কী হতে পারে যৌথ জীবনে? সকালে সঙ্গীকে সেই আবেগ দিয়ে জাগিয়ে তুলুন। দেখবেন, আপনার সঙ্গী একটুও বিরক্ত বোধ করছে না। বরং আপনার মানসিক ও শারীরিক ছোঁয়া তাকে এনে দেবে পরম পুলক-মুহূর্ত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মহিলাদের জন্য সেরা পরামর্শটি কী হতে পারে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন। আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট কবিস্তারিত পড়ুন

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন।

    আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই এই ব্যাপারটি সবসময় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ফাঁসি দেওয়ার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয় কেন?

  1. পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়বিস্তারিত পড়ুন

    ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেয়, যা তার আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেক সময় অপরাধীরা তাদের পরিবারকে বিদায় জানানো, ক্ষমা প্রার্থনা বা ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যা তাদের মানসিক শান্তি এনে দেয়।

    ২. আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব

    বিভিন্ন দেশের কারাগার নীতিমালায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া বাধ্যতামূলক। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের তিহার জেলে নির্ভয়া কেসের চার আসামিকে ফাঁসির আগে তাদের শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদিও তারা কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি ।

    ৩. আত্মসমালোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ

    শেষ ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে পারেন এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টেক্সাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের শেষ বক্তব্যে ৩৩% অপরাধী ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন, যা তাদের অনুশোচনার প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয় ।

    ৪. ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি

    অনেক অপরাধী মৃত্যুর আগে ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যেমন প্রার্থনা, ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ বা ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ। এটি তাদের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

    ৫. সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা

    শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি সামাজিক প্রথা, যা সমাজের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। এটি সমাজকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, যদিও অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত, তবুও তার প্রতি মানবিক আচরণ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

    ফাঁসির আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া অপরাধীর আত্মসম্মান রক্ষা, অনুশোচনা প্রকাশ, ধর্মীয় প্রস্তুতি এবং সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রথা নয়, বরং মানবিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

অফিস বা প্রতিষ্ঠানের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় কেন?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমরা প্রায়শই দেখে থাকবো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বা অফিসের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় আজ আমরা এই তোয়ালের রহস্য উন্মেচন করবো! প্রথমেই ইতিহাস দিয়ে শুরু করবো তোয়ালে-সংস্কৃতির সূত্রপাত ব্রিটিশ আমলে। সে সময় কলকাতার উচ্চপদস্থ বাবুরা মাথায় চুবচুবা তেল মেখে অফিসে এসে চেয়ারে বসে পেছনে মাথা এলিয়ে দিতেন। ব্রিটিশরবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা প্রায়শই দেখে থাকবো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বা অফিসের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় আজ আমরা এই তোয়ালের রহস্য উন্মেচন করবো!
    প্রথমেই ইতিহাস দিয়ে শুরু করবো তোয়ালে-সংস্কৃতির সূত্রপাত ব্রিটিশ আমলে। সে সময় কলকাতার উচ্চপদস্থ বাবুরা মাথায় চুবচুবা তেল মেখে অফিসে এসে চেয়ারে বসে পেছনে মাথা এলিয়ে দিতেন। ব্রিটিশরা দেখল, আয়েসি বাবুদের নিয়ে তো মহা বিপদ! কী করা যায়? লাগাও তোয়ালে। দামি চেয়ার নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। তোয়ালের রঙ চটে গেলে ধুয়ে নেওয়া যাবে। আরেকটি ব্যাপার ছিল। গরমে বাবুদের যে ঘাম ঝরত, তা মুছে ফেলার জন্যও তোয়ালের দরকার ছিল। বিলেতি সাহেবদের অবশ্য তার প্রয়োজন হতো না, কারণ মাথায় তেল দেওয়া তাদের রীতিবিরুদ্ধ। আর তা ছাড়া, ব্রিটিশ সাহেবদের ঘরে টানাপাখার ব্যবস্থা ছিল, তাঁদের শরীর ঘামে ভিজত না।

    ব্রিটিশ গেল, পাকিস্তান এল। পূর্ব বাংলার সাহেবরা সযত্নে তোয়ালে রক্ষা করে চললেন।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তোয়ালে অপরিহার্য হয়ে উঠল। কারণ, সদ্য স্বাধীন দেশে অফিসকক্ষের টানাটানি। স্বল্প পরিসরে অনেক সচিব, যুগ্ম সচিব, উপসচিবদের বসে কাজ করতে হয়েছে। কোনো অতিথি এলে তাঁর পক্ষে বোঝা সম্ভব হতো না কে কোন পদমর্যাদার। তাই মর্যাদা অনুযায়ী চেয়ারে তোয়ালে ঝোলানো একটি উত্তম ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পেল।

    পাকিস্তান তোয়ালের-সংস্কৃতি গ্রহণ করেনি। ভারতেও এখন সম্ভবত শুধু দক্ষিণাঞ্চলে এর চল আছে। বাংলাদেশে কমে আসছে। কোনো কোনো মন্ত্রী বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের চেয়ারে তোয়ালের ব্যবহার করেন না। শুধু তোয়ালে নয়, আমাদের দেশে বড় সাহেবরা বসেন সিংহাসনসম বড় চেয়ারে, আর টেবিলের সামনে অভ্যাগতদের জন্য থাকে ছোট চেয়ারের ব্যবস্থা। বিলেতে, আমেরিকায় কিন্তু সবার চেয়ার সমান।
    একদিন আমাদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে  চেয়ারে তোয়ালের  চলন বিদায় নেবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল ‍স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    আমিন 🤲

    আমিন 🤲

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 45 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিয়ের আগে সঙ্গীকে কোন প্রশ্নগুলো করা জরুরি ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জীবনসঙ্গী কেমন হবে, তার মনের কথা বুঝবে কি না বা সারাজীবন এক ছাদের নিচে পার করতে পারবে কি না। বিয়ের আগে এসব প্রশ্নের শেষ নেই। অবিবাহিত নারী ও পুরুষদের বিয়ে নিয়ে কতই না কৌতূহল! তবে একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ সব কিছু আগে থেকে জানা থাকলে কিন্তু বিয়ে-পরবর্তী জটিলতা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকা যায়। বিয়ের প্রস্তুতবিস্তারিত পড়ুন

    ফাইল ফটো

    জীবনসঙ্গী কেমন হবে, তার মনের কথা বুঝবে কি না বা সারাজীবন এক ছাদের নিচে পার করতে পারবে কি না। বিয়ের আগে এসব প্রশ্নের শেষ নেই। অবিবাহিত নারী ও পুরুষদের বিয়ে নিয়ে কতই না কৌতূহল!

    তবে একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ সব কিছু আগে থেকে জানা থাকলে কিন্তু বিয়ে-পরবর্তী জটিলতা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকা যায়।

    বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া মানে শুধু সাজগোজ কেমন হবে, খাবারের মেন্যু কেমন হবে বা কেমন আয়োজন হবে তা নয়। যেহেতু দীর্ঘদিনের একটি বন্ধন, তাই বিয়ের আগেই যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তার সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।

    বিশেষজ্ঞদের মতে বিয়ের আগে হবু সঙ্গীকে কিছু প্রশ্ন করা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, বিয়ের আগে কোন প্রশ্নগুলো করা জরুরি-

    তিনি কীভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করেন?

    পৃথিবীতে সবার ভালোবাসা প্রকাশের ধরন বা গ্রহণের ধরন আলাদা। সবাই একইভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করতে পছন্দ করেন না। তাই যদি আপনার হবু সঙ্গীর ভালোবাসা প্রকাশের ধরন জানতে পারেন তাহলে আপনার জন্য তাকে বুঝতে পারা সহজ হবে। ভুল বোঝাবুঝি কম হবে।

    বিয়ের আগে আপনার হবু সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জেনে নিন। আপনার আর্থিক অবস্থা সম্পর্কেও তাকে জানান। কে কতটুকু আর্থিকভাবে অবদান রাখবেন এটিও একে অপরকে জানান। তাহলে পরবর্তীতে এই নিয়ে কোনো ঝামেলা থাকবে না।

    তার পূর্বের কোনো ট্রমা আছে কি না; জেনে নিন

    আপনার হবু সঙ্গীর পূর্বে এমন কোনো অভিজ্ঞতা আছে কি না; তা জেনে নিন। মাঝে মাঝে কেউ কেউ ছোট কোনো বিষয়ে আঘাত পেয়ে যায়। অপরজন কারণ বুঝতেই পারে না। এই ধরনের ঘটনা সাধারণত তাদের পূর্বের কোনো অভিজ্ঞতার কারণে হয়ে থাকে। তাই সেই সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ব্যাপারগুলো ঘটবে না।

    নিজেদের প্রাইভেসি সম্পর্কে জেনে নিন

    এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ের আগে একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করে নেওয়া ভালো। সবার জীবনে কিছু প্রাইভেসি থাকে। সেগুলো মেনে চলতে হয়। তাহলে জীবনে বাড়তি কোনো ঝামেলা আসবে না।

    দাম্পত্য জীবনে পরিবারের কতটুকু হস্তক্ষেপ থাকবে জেনে নিন

    দাম্পত্য জীবনে এই নিয়ে বেশ কলহ দেখা যায়। তাই এটি সম্পর্কে একে ওপরের সঙ্গে সবকিছু পরিষ্কার করে নেওয়াই ভালো। নয়তো বিয়ের পরে এই নিয়ে ঝামেলা বাড়তে পারে। তাই আগেভাগে কথা বলে নেওয়াই ভালো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কথায় কথায় হাসলে কী কী উপকার মেলে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    enefits Of Smiling: হাসির রয়েছে একাধিক চমকে দেওয়া উপকার। নিয়মিত হাসলে স্ট্রেস কমে, সুগার-প্রেশার থাকে নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও হাসির কী কী গুণ রয়েছে? ​হাসলেই কেল্লাফতে​ মুন্না ভাই এমবিবিএস ছবিতে মুন্না রূপী সঞ্জয় দত্তের চাপে পড়ে খিল খিল করে হেসে উঠতেন ডা: জে সি আস্থানা বা বমন ইরানি। এবার আপনার মনে প্রশ্নবিস্তারিত পড়ুন

    ​হাসলেই কেল্লাফতে​

    enefits Of Smiling: হাসির রয়েছে একাধিক চমকে দেওয়া উপকার। নিয়মিত হাসলে স্ট্রেস কমে, সুগার-প্রেশার থাকে নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও হাসির কী কী গুণ রয়েছে?

    ​হাসলেই কেল্লাফতে​

    মুন্না ভাই এমবিবিএস ছবিতে মুন্না রূপী সঞ্জয় দত্তের চাপে পড়ে খিল খিল করে হেসে উঠতেন ডা: জে সি আস্থানা বা বমন ইরানি। এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, হঠাৎ চাপে পড়ে এমন খিলখিল করে হেসে উঠতেন কেন মানুষটি?

    কমবে স্ট্রেস​

    আসলে উচ্চ শিক্ষিত ডা: জে সি আস্থানা খুব ভালো করেই জানতেন যে চাপের মুহূর্তে হেসে উঠলে মস্তিষ্কে কিছু খুশির হরমোন নির্গত হয়। যার ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই চাপ কাটিয়ে আবার মানসিক স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই তিনি মুন্নার চাপে দন্ত বিকশিত করে হেসে উঠতেন।

    ​রয়েছে আরও উপকার​

    রয়েছে আরও উপকার​

    তবে শুধু চাপ কাটানো নয়, বরং শরীর ও স্বাস্থ্যের উপর হাসির একাধিক উপকার রয়েছে। তাই বিশ্ব হাসি দিবসের দিন এই প্রতিবেদন থেকে হাসির একাধিক উপকার সম্পর্কে জেনে নিন।

    বাড়বে আয়ু​

    আপনার কি শতায়ু হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে? তাহলে আজ থেকেই হাসিখুশি জীবন কাটানোর চেষ্টা করুন। কারণ একাধিক গবেষণায় এই বিষয়টা একদম প্রমাণিত যে হাসিখুশি জীবন কাটাতে পারলে দীর্ঘায়ু লাভ করা সম্ভব।

    ​হার্টের হাল ফিরবে​

    আজকাল হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে অল্প বয়সেই প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে। তাই সুস্থ থাকতে হৃৎপিণ্ডের যত্ন নিতেই হবে। আর এই কাজেও আপনাকে সাহায্য করতে পারে হাসি। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত হাসলে শরীরে এইচডিএল বা উপকারী কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়ে। ফলে সুস্থ থাকে হার্ট।

    প্রেশার থাকবে নিয়ন্ত্রণে​

    হাসির সময় মস্তিষ্কে ডোপিমিন, এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিনের মতো ফিল গুড নিউরোট্রান্সমিটার নির্গত হয়। আর এইসব নিউরোট্রান্সমিটার কিন্তু ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধহস্ত। তাই হাই প্রেশারের রোগীরা হাসিখুশি জীবন কাটালেই উপকার পাবেন।

    চাঙ্গা হবে ইমিউনিটি​

    ইমিউনিটি চাঙ্গা থাকলে একাধিক রোগের ফাঁদ এড়িয়ে চলা যায়। তাই যেন তেন প্রকারেণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই হবে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে হাসিখুশি জীবনযাত্রা। কারণ হাসির সময় মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে যা কিনা ইমিউনিটিকে চাঙ্গা করার কাজে সিদ্ধহস্ত।

    ​সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে​

    ​সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে​

    ডায়াবিটিসের সঙ্গে স্ট্রেসের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাই হাই ব্লাড সুগারের রোগীদের দুশ্চিন্তার ফাঁদ এড়িয়ে চলতেই হবে। আর এই কাজটি করতে চাইলে দিনে কিছুটা সময় হেসে কাটান। তাহলেই উপকার মিলবে। আপনার ব্লাড সুগার আর বিপদসীমা পেরবে না।

    মুড হবে চাঙ্গা

    কোনও কারণে খুব চাপে রয়েছেন? কিছুই ভালো লাগছে না? এই পরিস্থিতিতে খুব কাছের মানুষের সঙ্গে দু-দণ্ড হেসে কথা বলুন। হলফ করে বলতে পারি, আপনার মুডের বদল হবেই।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে বাগানের ধারণা কতটা গুরুত্ব রাখে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ছোটবেলায় ইংরেজি বিষয়ে অনুচ্ছেদ লেখায় যখন শখের কথা বলতে হতো আমাদের, তখন একটি বহুল প্রচলিয় শখের কথা শোনা যেত মুখে মুখে- বাগান করা। বাড়ির সামনে একটি ছোট্ট বাগান, সেখানে নানা রঙের ফুল আর সবজির সমারোহ। এমন ভাবনা স্বপ্নে দেখা আর সেটা সত্যি করে তোলায় আজকাল ফারাক থেকে যায় শহুরে বাস্তবতায়। কংক্রিটের নগরীতে সবিস্তারিত পড়ুন

    ছোটবেলায় ইংরেজি বিষয়ে অনুচ্ছেদ লেখায় যখন শখের কথা বলতে হতো আমাদের, তখন একটি বহুল প্রচলিয় শখের কথা শোনা যেত মুখে মুখে- বাগান করা। বাড়ির সামনে একটি ছোট্ট বাগান, সেখানে নানা রঙের ফুল আর সবজির সমারোহ। এমন ভাবনা স্বপ্নে দেখা আর সেটা সত্যি করে তোলায় আজকাল ফারাক থেকে যায় শহুরে বাস্তবতায়। কংক্রিটের নগরীতে সংকীর্ণ জায়গায় বাগান করার ধারণা বেশ চ্যালেঞ্জের ব্যাপার ঠেকে। কিন্তু পৃথিবী যখন জলবায়ু সংকটের মতো ভয়াবহ এক পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে আছে, তখন সবুজ পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তব করে তোলা বেশ জরুরি হয়ে উঠেছে। সেই ভাবনায় বাগান করা ঠিক কতটা গুরুত্ব বহন করতে পারে- এই লেখায় জানা যাক সেই ব্যাপারে।

    গাছ লাগানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    গাছের ছাউনিগুলো একটি শারীরিক ছাকঁনি হিসেবে কাজ করে। এরা ধুলো আটকায়, এবং বায়ু থেকে দূষক শোষণ করে। গাছ সৌর বিকিরণ থেকে ছায়া প্রদান করে এবং শব্দ কমায়।

    গবেষণা বলছে, আপনি যদি গাছ এবং সবুজে ঘেরা স্থানে মিনিটখানেকও অবস্থান করেন, তাহলে আপনার রক্তচাপ কমতে থাকবে, এবং হৃদস্পন্দন ধীর হবে। একইসাথে আপনাকে মানসিক প্রশান্তিও এনে দিতে সক্ষম গাছ।

    আপনি যদি গাছ এবং সবুজে ঘেরা স্থানে মিনিটখানেকও অবস্থান করেন তাহলে মানসিক প্রশান্তি পাবেন। Image Courtesy :   http://www.birstall.co.uk Caption
    বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি গাছ লাগানোর মতো উদ্যোগ জলবায়ু সংকট মোকাবেলা করার জন্য বায়ুমণ্ডল থেকে ক্ষতিকর কার্বন ডাইঅক্সাইড বের করে নেওয়ার সবচেয়ে বড়, এবং সুলভ উপায়গুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতিটি পৃথক গাছ প্রতি বছর ১.৭ কেজি পর্যন্ত কার্বন অপসারণ করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গাছ লাগানোর উদ্যোগে ফসলি জমির ক্ষতি করা যাবে না। শহুরে এলাকায় বাস্তবায়ন করতে হবে সবুজায়নের এই প্রচেষ্টা। বাগান করা তাই হতে পারে এই উদ্যোগের সহজ সমাধান।

    কার্বন ডাইঅক্সাইডকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হয়। মানুষের নানা কার্যকলাপের দরুন বায়ুমন্ডলে এর উপস্থিতি ক্রমশই বাড়ছে। একটি গাছ যত বড় হতে থাকে, এই কার্বন ডাইঅক্সাইড সঞ্চয় ও শোষণের ক্ষমতা বাড়তে থাকে তার।

    গাছ বাতাসের গতি কমিয়ে একে শীতল করে। এর পাতা সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে। এতে কমে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা। অনুমান করা হয়, গাছ একটি শহরের তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমাতে পারে।

    গাছ শহরের তাপমাত্রাও কমাতে সক্ষম; Image Courtesy : Asean Foundation

    শুধুই গাছ লাগানো বাগান করা নয়

    দেখতে যেমনই হোক, পৃথিবীর সকল বাগানই প্রায় একই ভিত্তির উপরই তৈরি। বাগান করার মূল উপাদানগুলো সেখানে থাকবেই।

    বাগান করার অর্থ শুধু চারা লাগানোই নয়। কিংবা সৌন্দর্যের ভাবনা থেকেই বাগান করা হয়- এমন ভাবনাও অমূলক। বরং এর সংজ্ঞা বেশ বিস্তৃত পরিসর জুড়ে ছড়িয়ে আছে। সংশ্লিষ্ট স্থানের মাটি, পোকামাকড়, পাখি, স্তন্যপায়ী প্রাণী, সরীসৃপ এসব কিছুই একটি বাগানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। একটি বাগান স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের উন্নতিতে দারুণ প্রভাব রাখতে পারে। একইসাথে এটি দূষণ কমাতে এবং উষ্ণায়নের বিরুদ্ধেও বেশ কার্যকর। প্রকৃতির প্রতিটি বিষয়ের সাথে নিবিড় সম্পর্কে মিশে থাকে বাগানের নাম।

    এ কারণেই যদি আপনার লক্ষ্য হয়ে থাকে শুধু গাছের বৃদ্ধি, তাহলে সেটি হবে হতাশার। কারণ সেখানে অর্থনৈতিক চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ ফুটে ওঠে। কিন্তু প্রকৃতির ভাবনায় লক্ষ্যের জায়গাতে আনতে হবে পরিবর্তন,  চিন্তার পরিধিকে করে তুলতে হবে বিস্তৃত। জীববৈচিত্র্য বাঁচাতে এবং সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নকে সত্যি করে তুলতে বাগানকে করে তুলতে হবে পরিবেশ ও প্রাণীবান্ধব।

    বাগানে গাছ লাগানো কতটা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে?

    বৈশ্বিক উষ্ণতা কার্বন ডাইঅক্সাইডের মতো অত্যধিক গ্রিনহাউজ গ্যাসের কারণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখে। সময়ের সাথে সাথে এই উষ্ণতা ব্যাপক জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে, যার ফলে বরফের টুকরো গলে যেতে পারে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পেতে পারে, এবং ক্রমবর্ধমান তীব্র ঝড় ও দাবানল হতে পারে।

    আপনার ছোট্ট জমিতে কয়েকটি গাছ, গুল্ম, ফুল এবং শাকসবজি রোপণ করা এই প্রভাবকে প্রশমিত  করতে সহায়তা করতে পারে। বাড়ির উঠোনে করা বাগানের গাছগুলো পরিমাণে কম হলেও কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণে সক্ষম। এমন ছোট্ট জায়গায় বপন করা গাছের চারা খুব একটা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে না। কিন্তু আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে আছি, সেটা আমলে নিলে প্রতিটি সামান্য পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    একটি গাছের চারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে; Image Courtesy : Billion Tree Initiative
    যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম বনভূমি সংরক্ষণ বিষয়ক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘উডল্যান্ড ট্রাস্ট’ এর উডল্যান্ড আউটরিচ ডিরেক্টর জন টাকার বলছেন, “একটি গাছের চারা হয়তো কোনো পার্থক্য তৈরি করবে না, কিন্তু যদি ১ কোটি মানুষ একটি করে গাছ লাগায় তাহলে সেটি অবশ্যই পার্থক্য গড়ে দিতে সক্ষম। ”  লোকেরা যদি মনে করে যে তারা কিছু করতে চায়, তাহলে সঠিক জায়গায় একটি গাছ লাগানো একটি ভালো কাজ বলে মত দিয়েছেন টাকার।

    আপনার নিজের জন্য খাদ্যের জোগান দেওয়া আপনার পরিবেশগত প্রভাবকেও কমিয়ে দিতে পারে, কারণ এর অর্থ হলো মুদি দোকানে কম যেতে হয়। বাজারে কিংবা সুপারশপ থেকে কেনা সবজি ও ফল প্রায়ই দূরের এলাকা থেকেই আসে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য আমদানি করা পণ্যের চেয়ে পরিবেশের জন্য সর্বদা ভাল।

    এগুলোর পরিবহনে জ্বালানী শক্তি ব্যয় হয়। এটি একইসাথে উচ্চ কার্বন ফুটপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিবেশে দূষণ ছড়াচ্ছে। কিন্তু নিজের বাগানেই যদি সেই সবজি বা ফল উৎপাদন করা সম্ভব হয়, তাহলে নিজের খাবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পরিবেশেও রাখা যাবে ইতিবাচক প্রভাব।

    জন টাকার মানুষকে আমদানির মাধ্যমে এসেছে এমন গাছ কেনা থেকে বিরত থেকে নিজ দেশ বা এলাকায় জন্মানো গাছের চারা লাগানোর উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “আমদানী করা গাছ কিনতে লোকেদের উৎসাহিত করা এড়াতে চাই। কারণ এটি রোগের ঝুঁকি নিয়ে আসে।”

    চাইলেই বাগানে সব গাছ লাগানো যায় না। আবার বাগানের আকারভেদেও চারা লাগানো নির্ভর করে। আপনি যেখানে থাকেন, সেখানে কোন প্রজাতির গাছের বৃদ্ধি ভালো হবে, এবং এটি কত বড় হতে পারে সেই সম্পর্কে আপনাকে ভাবতে হবে। জন টাকার বলছেন, “আপনার পেছনের দরজার বাইরে দুই ফুট একটি ওক গাছ লাগিয়ে কোনো লাভ নেই- এটি আপনার বাড়ির ক্ষতি করবে।”

    বাগানে কী গাছ লাগাচ্ছেন সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত; Image Courtesy :cwf-fcf 
    তার মতে, বাগান করার ক্ষেত্রে বাড়ির ভিত্তি, ভূগর্ভস্থ ড্রেন, ওভারহেড পাওয়ার লাইন সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে, এবং নিশ্চিত করতে হবে যে গাছটি এমন জায়গায় থাকবে যেখানে এটি বাড়তে পারে, এবং কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। আপনার প্রতিবেশীদের উপর প্রভাব সম্পর্কেও চিন্তা করতে হবে। ছোট প্রজাতির মধ্যে আপেল গাছ বা রোয়ান অন্তর্ভুক্ত।

    শুধু রোপণের কাজকে এই প্রক্রিয়ার শেষ হিসেবে দেখা উচিত নয়। সদ্য রোপণ করা গাছের জন্য পরিচর্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, যত্ন ছাড়াই আমরা এমন অনেক গাছ রোপণ করতে পারি যেগুলো অকালেই মারা যায়, বা এমন আকারে বাড়ে না যেখানে তারা কার্বন শোষণ করার মতো সুবিধা প্রদান করতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ফেসবুক এর প্রতি আপনি কি আসক্ত? বোঝার কিছু উপায় জেনে নিন

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ফেসবুক এর প্রতি আসক্তি বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই আসক্তি মানুষকে কখনো ভালোর দিকে নিয়ে যেতে পারে না। কেবলমাত্র নিকট মানুষ কিংবা সামাজিকভাবে মানুষটিকে দূরে নিয়ে যায়। আসক্তিকে ঠিক নেশা বললেও ভুল হবে না। কেননা, নেশা আমাদের সবারই খুব পরিচিত একটা শব্দ। আমরা হরহামেশাই শুনি, অমুক ভাইয়ের খেলা দেখারবিস্তারিত পড়ুন

    ফেসবুক এর প্রতি আসক্তি বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই আসক্তি মানুষকে কখনো ভালোর দিকে নিয়ে যেতে পারে না।

    কেবলমাত্র নিকট মানুষ কিংবা সামাজিকভাবে মানুষটিকে দূরে নিয়ে যায়। আসক্তিকে ঠিক নেশা বললেও ভুল হবে না।

    কেননা, নেশা আমাদের সবারই খুব পরিচিত একটা শব্দ। আমরা হরহামেশাই শুনি, অমুক ভাইয়ের খেলা দেখার খুব নেশা। কিংবা তমুক আপুর হিন্দী সিরিয়াল দেখার নেশা। আবার অমুকের মদের নেশা আছে, তমুকের ড্রাগস এর নেশা, এসবও আমরা শুনি।

    এই নেশার জগতে সর্বশেষ জনপ্রিয় এবং “ডিজিটাল” সংযোজন হলো “ফেসবুক” এর নেশা। যত দিন যাচ্ছে, এই নেশা ততই ব্যাপক আকারে দেখা দিচ্ছে।

    এমনকি চিকিৎসকেরাও একে “Facebook Addiction Disorder” নামে একটি রোগে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এ রোগের চিকিৎসা মূলত মানসিকভাবেই করতে হবে।

    এই নেশায় অথবা রোগে আপনি ভয়ংকরভাবে আসক্ত কিনা, কিভাবে বুঝবেন? আজ মূলত এই ব্যাপারেই আলোচনা করবো। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

    ১. সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনার সর্বপ্রথম কাজ হলো ফেসবুকে ঢুকে চেক করা। এমনকি খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়েও আগে ফেসবুকে ঢোকা। আবার ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও আপনার সর্বশেষ কাজ যদি হয় ফেসবুক চেক করা।

    ২. ফেসবুক ছাড়া আপনার কাছে বাকি সব অর্থহীন মনে হয়। আপনি কোন কিছুতে আনন্দ পান না, মজা পান না। মনে হয় সব মজা যেন ফেইসবুকেই।

    দিনের অল্প কিছু সময়ও যদি আপনি ফেসবুকে না ঢুকতে পারেন, আপনার বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- ঘুম না আসা, অস্থির লাগা, ঘাম হওয়া, অল্পতেই রেগে যাওয়া ইত্যাদি।

    ৩. ফেসবুকে সারাদিন আপনার বসে থাকতে ভালো লাগে। একারণে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে, অফিসের মিটিং এ আপনি অংশ নেন না, পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে আপনি যান না। অথচ এসবে আপনার কোন বিকার নেই। আপনি নির্বিকার।

    ৪. কয়েকদিনের জন্য হলেও যদি আপনাকে ফেসবুক থেকে দূরে থাকার জন্য জোর করা হয়, হতে পারে আপনার পরিবার থেকে, কিংবা অফিসের পিসিতে ফেসবুক ব্যবহার করা না যায়, আপনার ভিতরে চরিত্রগত কিছু অস্বাভাবিকতা আসে।

    আপনি কোন কাজেই আগ্রহ পান না। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। এমনকি ফেসবুক ব্যবহার করার জন্য যদি আপনার নিজের পিসিও না পান, আপনি দরকার হলে আপনার বন্ধুর এমনকি অপরিচিত লোকেরও মোবাইল অথবা পিসিতে ফেসবুকে ঢোকার চেষ্টা করেন। ফেসবুকের আপডেট আপনার চাই ই চাই। চিকিৎসকেরা একে সনাক্ত করেছেন “Facebook Withdrawal Syndrome” নামে।

    ৫. ফেসবুকে আপনার কোন নোটিফিকেশন নেই। ইনবক্সে কোন মেসেজ নেই। আপনি চ্যাটও করছেন না। তারপরও আপনি ঘন্টার পর ঘণ্টা ফেসবুকের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়েই থাকেন।

    ৬. বাস্তব জীবনে আপনি মোটেও সুখী নন। কিন্তু ফেসবুকে আপনি সবাইকে দেখাতে চান, আপনি অনেক মজায় আছেন, আনন্দে আছেন। একটা ফ্যান্টাসির জগৎ সৃষ্টি করতে চান আপনি।

    ৭. ফেসবুকে সারাদিন, সারারাত থাকার কারণে আপনার রাতে ঘুমও ঠিকমত হয় না। শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অথচ আপনি নির্বিকার।

    ৮. ফেসবুকে ঢুকলেই আপনি নস্টালজিয়ায় ভোগেন অথবা ভুগতে চান। পুরোন প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা বন্ধুদের ছবি দেখতে চান, তাদের প্রোফাইলে ঢুঁ মারতে চান।

    আগে আপনার জীবন কেমন ছিল, এখন কেমন আছেন এসব ভেবে উদাস হয়ে যান। আর সবচেয়ে বড় কথা, এই উদাস থাকতে বা নস্টালজিয়ায় ভুগতেই আপনার ভালো লাগে।

    ৯. ফেসবুকে আপনার হাজার হাজার বন্ধু থাকার পরও যদি আপনি নিঃসঙ্গ বোধ করেন। আপনি ভাবেন, আমার কোন ভালো বন্ধু নেই।

    পরিশেষে বলা যায়, ফেসবুকের সদব্যবহার করার মাধ্যমে অনেকেই হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছেন। তারা কিন্তু আসক্ত নয়। তারা কাজের সময় কাজ করে ফেসবুক থেকে বেরিয়ে পড়ছেন।

    আপনি যে ফেসবুক ব্যবহার করবেন না তা নয়। বর্তমানে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের খবর সর্বপ্রথম ফেসবুকেই পাওয়া যায়।

    তাই ফেসবুক আপনি অবশ্যই ব্যবহার করবেন তবে সেটা লিমিটেড। যখন আনলিমিটেড করবেন তখনই সেটা আসক্তি হিসেবে প্রকাশ পাবে।

    অনেক ছেলেমেয়েই এভাবে পড়াশোনা বাদ দিয়ে ফেসবুকে আসক্ত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। নিজের দিকে তাকান, নিজেকে প্রশ্ন করুন আর উপরে দেয়া তথ্যগুলোর সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিন। আপনি ফেসবুকের প্রতি আসক্ত কিনা বুঝতে পারবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 42 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?

ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
  1. কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা

    আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।


    কেন এমন হয়?

    ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:

    • গানের যাদু: কিছু গানই এমনভাবে তৈরি হয় যে সেগুলো সহজেই মনে গেঁথে যায়। একই সুরের বারবার আসা, সহজ ছন্দ বা আকর্ষক তাল এই ধরনের গানের বৈশিষ্ট্য।
    • সম্প্রতি শোনা গান: আপনি যদি সম্প্রতি কোনো গান বারবার শোনেন, তবে সেটি আপনার মনে বাজতে শুরু করতে পারে। ব্রেন এই সুরকে আঁকড়ে ধরে রাখে।
    • মস্তিষ্কের খেলার ছলে: আমাদের মস্তিষ্ক প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে ভালোবাসে। যখন কোনো সুরের প্যাটার্ন মস্তিষ্কের কাছে ধরা পড়ে, তখন সেটি নিজের মতো করে বাজিয়ে চলে।
    • মনোযোগের অভাব: যখন আমাদের মন কোনো নির্দিষ্ট কাজে পুরোপুরি ব্যস্ত থাকে না, তখন মস্তিষ্ক হয়তো এই গানের টুকরোগুলো বাজিয়ে নিজের মনোযোগ ধরে রাখে।
    • স্মৃতি ও আবেগ: কোনো গান যদি আপনার কোনো বিশেষ স্মৃতি বা অনুভূতির সাথে যুক্ত থাকে, তবে সেই গানটি আপনার মনে বারবার ফিরে আসতে পারে।

    এটা কি শুধু আমারই হয়?

    না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।


    বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?

    ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:

    • পুরো গানটি শুনুন: যে গানটি মনে বাজছে, সেটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুনলে অনেক সময় ব্রেন সেটি “ছেড়ে” দেয়।
    • অন্য কিছুতে মন দিন: একটি বই পড়ুন, কোনো ধাঁধার সমাধান করুন, বা এমন কোনো কাজ করুন যেখানে আপনার পুরো মনোযোগ প্রয়োজন।
    • চুইংগাম চিবান: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চুইংগাম চিবানো ইয়ারওয়ার্মস কমাতে সাহায্য করতে পারে।
    • নতুন গান শুনুন: একটি নতুন বা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের গান শুনুন। এটি আগের সুরটিকে মন থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

    আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 42 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ছয়কে না ঘুরিয়ে নয় করা যায় কি করে?

  1. biplob
    biplob নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    6+3= 9 এখানে 6 কে ঘোরানো হয়নি শুধু 3 যোগ করেছি।

    6+3= 9 এখানে 6 কে ঘোরানো হয়নি শুধু 3 যোগ করেছি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 3 টি উত্তর
  • 41 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    খুব বেশি চড়া মেকআপ পছন্দ করেন না? বিয়েবাড়ি হোক বা বড়দিন উদযাপন, হালকা মেক আপেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। নিখুঁত মেকআপে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ঠোঁটের মেকআপ ঠিকঠাক হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পছন্দের লিপস্টিকটি যদি হয় নজরকাড়া এবং পরার কায়দায় যদি থাকে নতুনত্ব, তবেই আর পাঁচজনের ভিড়েও আপনার উপস্থিতি টের পাবিস্তারিত পড়ুন

    খুব বেশি চড়া মেকআপ পছন্দ করেন না? বিয়েবাড়ি হোক বা বড়দিন উদযাপন, হালকা মেক আপেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। নিখুঁত মেকআপে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ঠোঁটের মেকআপ ঠিকঠাক হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।
    আপনার পছন্দের লিপস্টিকটি যদি হয় নজরকাড়া এবং পরার কায়দায় যদি থাকে নতুনত্ব, তবেই আর পাঁচজনের ভিড়েও আপনার উপস্থিতি টের পাবেন সকলে! তবে গায়ের রঙ উজ্জ্বল না হলে কী রঙের লিপস্টিক মানাবে, তা নিয়ে সমস্যায় পড়েন অনেকেই।
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?

    হরেক ব্র্যান্ডের লিপস্টিকের নতুন সম্ভারে ভরে ওঠে প্রসাধনের জগত। কোন তিন রঙের লিপস্টিক আপনার সম্ভারে থাকতেই হবে, রইল তার হদিস। খবর আনন্দ বাজারের।

    বাদামি
    গায়ের রঙ যেমনই হোক না কেন, এই রঙের একটা লিপস্টিক আপনার সম্ভারে রাখা ভালো।
    ১) লরিয়াল কালার রিচ সিনামন টোস্ট।
    ২) মেবেলিন নিউ ইয়র্ক চিলি নিউড।
    ৩) ল্যাকমে নাইন টু ফাইভ প্রাইমার, ম্যাট লিপ কালার এমবি-১৩ ক্যারামেল কাট।
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?

    রাস্ট
    বাদামির কাছাকাছি এই শেডও সবার মুখে ভাল মানায়। বিয়েবাড়ি হোক কিংবা অফিস পার্টি, ছিমছাম সাজে সকলের নজর কাড়তে চাইলে রাস্ট রঙের একটি লিপস্টিক নিজের সংগ্রহে রাখতেই পারেন।
    ১) মেবেলাইন নিউ ইয়র্ক সুপারস্টে ম্যাট ইঙ্ক লিকুইড লিপস্টিক।
    ২) কালার বার টেক মি অ্যাস আই এম লিপস্টিক ইন সিনফুল অরেঞ্জ।
    ৩) প্লাম ম্যাটারিফিক লিপস্টিক অন পিচ।
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
    কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?

    মেরুন
    গায়ের রঙ খুব উজ্জ্বল না হলেও মেরুর রঙের লিপস্টিক কিন্তু সব রকম সাজের সঙ্গেই ভাল যায়। সীমিত সাজে লোকের নজরে আসতে লাইলে মেরুন লিপস্টিকেই সেজে উ‌ঠতে পারেন।
    ১) ম্যাক কসমেটিকস ডিভা।
    ২) ল্যাকমে অ্যাবসিলিউট ম্যাট রেভোলিউশন লিপস্টিক বারগ্যান্ডি ব্লাস্ট।
    ৩) সুগার-৩০ মালবেরি টেল।
    facebook sharing button 7
    twitter sharing button
    linkedin sharing button
    pinterest sharing button
    sharethis sharing button
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 41 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আম খেলেই ঘুম পায় কি কারণে ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমাদের মাঝে অনেকে গরমকাল পছন্দ করেন শুধু মাত্র আমের কারণেই। এসময় আম খাওয়ার পাশাপাশি অনেকেই আম দিয়ে বানিয়ে নেন নিত্যনতুন পদও। গরমে গলা ভেজাতে আমের শরবতও বেশ জনপ্রিয়। আম খাওয়ার পর হালকা ঝিমুনি ভাব আসে। ঘুম পায়। আম খাওয়ার পর অনেকেরই এমন হয়। কিন্তু এর কারণ জানেন না বহু মানুষই। পাকা আম খেলে ঘুম পায় যে কাবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের মাঝে অনেকে গরমকাল পছন্দ করেন শুধু মাত্র আমের কারণেই। এসময় আম খাওয়ার পাশাপাশি অনেকেই আম দিয়ে বানিয়ে নেন নিত্যনতুন পদও।

    গরমে গলা ভেজাতে আমের শরবতও বেশ জনপ্রিয়। আম খাওয়ার পর হালকা ঝিমুনি ভাব আসে। ঘুম পায়। আম খাওয়ার পর অনেকেরই এমন হয়। কিন্তু এর কারণ জানেন না বহু মানুষই।

    পাকা আম খেলে ঘুম পায় যে কারণে

    পাকা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ট্রিপটোফ্যান। আম খেয়ে ঘুম পাওয়ার অন্যতম কারণ এটি।

    কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল সমৃদ্ধ আম শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই ইনসুলিন ট্রিপটোফ্যান মস্তিষ্কে পাঠায়। মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান থেকে বিভিন্ন নিউরোট্রান্সমিটার সিনথেসিস হয়। এগুলির মধ্যে অন্যতম সেরোটোনিন। মস্তিষ্ক শীতল ও ঠাণ্ডা রাখে সেরোটোনিন।

    মস্তিষ্ক ঠান্ডা হলে শরীরও নিস্তেজ হতে থাকে। ফলে ঘুম পায়। আম খাওয়ার পর ঘুম পাওয়ার কারণ এটাই।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 39 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তুমি কি একজন খুব সফল কিন্তু সবার অপছন্দের মানুষ হতে চাও, নাকি একজন সাধারণ কিন্তু সবার অসম্ভব প্রিয় মানুষ হতে চাও?

  1. তানি রহমান
    তানি রহমান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।

    প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 38 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

চুম্বন’ আদর ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ কতটা সত্যি ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ফাইল ছবি চুম্বন মানেই যে শুধু তা কোনো প্রেমিক যুগলের মধ্যে ঘটবে তা নয়। চুমু মানে আদরের স্পর্শ ও ভালোবাসার এক বহিঃপ্রকাশ। মা-বাবা ছেলেমেয়েকে চুমু দেয়, ছেলেমেয়ে বাবা-মাকে। বড়রা ছোটদের চুমু দেয়, ছোটরা বড়দের। ভালবাসার এক নরম উচ্ছ্বাসের ছোঁয়া থাকে সেই চুমুতে। চুমুর রকমফেরও রয়েছে হাজার গন্ডা। চুমুকে নানবিস্তারিত পড়ুন

    ফাইল ছবি

    ফাইল ছবি

    চুম্বন মানেই যে শুধু তা কোনো প্রেমিক যুগলের মধ্যে ঘটবে তা নয়। চুমু মানে আদরের স্পর্শ ও ভালোবাসার এক বহিঃপ্রকাশ।

    মা-বাবা ছেলেমেয়েকে চুমু দেয়, ছেলেমেয়ে বাবা-মাকে। বড়রা ছোটদের চুমু দেয়, ছোটরা বড়দের। ভালবাসার এক নরম উচ্ছ্বাসের ছোঁয়া থাকে সেই চুমুতে।

    চুমুর রকমফেরও রয়েছে হাজার গন্ডা। চুমুকে নানা প্রথা ও সম্মান জানানোর জন্যও ব্যবহার করা হয়। খ্রিস্টানরা পোপের হাঁটুতে চুমু খায়, বিশপেরা আংটিতে চুমু খান, ফাদাররা চুমু খান পবিত্র ক্রসে। জোয়ান অফ আর্ক চুমু খেতেন তার তলোয়ারে।

    বিখ্যাত লেখক লানা সিট্রন তার এ কম্পেনডিয়াম অব কিসেস বইতে চুমুর বিশাল ইতিহাস তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই কর্মটি শুধু ভালোবাসা পেতে বা দিতে নয়, বরং আজও অবধি বহু কঠিন লক্ষ্য হাসিলেরও এক মোক্ষম অস্ত্র।’ জুডাস তো চুমু খেয়েই ধরিয়ে দিয়েছিলেন যিশুকে। ইহুদিরা তাদের ধর্মগ্রন্থ পাঠের শেষে টোরাকে চুমু খান। নামাজ পড়ার পর মসজিদের মেঝেতে চুমু খাওয়া মুসলমানদের একটি প্রচলিত রেওয়াজ। আর সম্মান জানাতে হাতে চুমু খাওয়া পশ্চিম দুনিয়ার এক সুপ্রাচীন রীতি। বর্তমানে চুমুকে কুশল বিনিময় ও অভিবাদনের একটি অংশ হিসেবেও মনে করা হয়।

    আদি উৎপত্তি:

    সংস্কৃত ‘চুম্বন’ শব্দটি থেকে ‘চুমু’ শব্দের উদ্ভব হয়েছে। আবেগের বশবর্তী হয়ে মানুষ যখন প্রিয়জনকে চুম্বন করে তখন সেই প্রেরণাটি আসে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি থেকে। কিন্তু অধ্যাপক ব্রায়ান্ট এর মতে, এর সঙ্গেৃ প্রবৃত্তির সংযোগ নেই বরং এটি এমন একটি ক্রিয়া যেটি আমরা শিখি আমাদের পরিবেশ থেকে অর্থাৎ এটি একটি ‘লার্নড বিহেভিয়ার’। চুম্বনের উৎপত্তি ও বিস্তার নিয়ে ২০ বছরব্যাপী গবেষণায় তিনি নিশ্চিত হন যে, চুম্বন সার্বজনীন কোনো সংস্কৃতি নয়। তার মতে, ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চুম্বনের চর্চা সীমাবদ্ধ ছিল মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপে। মার্কিন, অস্ট্রেলিয়ান, এস্কিমো অথবা আফ্রিকানদের মাঝে এর চর্চা ছিল না।

    অধ্যাপক ব্রায়ান্ট দাবি করেন, চুম্বনের উৎপত্তি আসলে ভারতে এবং এ ছাড়াও তিনি বলেন, ‘kiss’ শব্দটিই আসলে আরেকটি প্রমাণ, কারণ তিনি ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ পেয়েছেন যে এই শব্দটির উৎসও ভারত। খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ সালের দিকে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট পাঞ্জাব জয় করার পর এটি বিস্তার লাভ শুরু করে। আলেকজান্ডারের সেনাপতিরা বাড়ি ফিরে যাবার সময় এই চর্চাটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে যায়। শুনতে অবাক লাগলেও তথ্য প্রমাণও সেই কথাই বলে। ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় লক্ষ্য করেন, হিন্দু ধর্মের মূল শাস্ত্র, বেদ এর কিছু স্থানে উল্লেখ আছে মুখ দিয়ে ‘স্পর্শ’ করার কথা। কামসুত্রের বেশ কিছু স্থানেও দেখা যায় চুম্বন এবং এর কৌশলের উল্লেখ। এই তথ্যগুলোকে ব্রায়ান্ট বিবেচনা করেন সূত্র হিসেবে যেগুলো প্রমাণ করে যে চুম্বনের উৎপত্তি ভারতেই হয়। ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় ধর্মীয় এবং প্রথাগত ক্ষেত্রে চুম্বনের ইতিহাসও অন্তর্ভুক্ত করেন। যেমন ইহুদিধর্মে ধর্মগ্রন্থ তাওরাত চুম্বনের প্রথা এবং পাশ্চাত্যে মিসেলটো লতার নিচে চুম্বনের চর্চা ইত্যাদি।

    সুমেরীয় লিপি ও হায়রোগ্লিফের প্রেমের ক‘বিতায়ও উঠে এসেছে চুম্বনের বর্ণনা। চুম্বনের ইতিহাসের সর্বপ্রাচীন আরেকটি মত পাওয়া যায়। আদিম মানুষ ভাষার ব্যবহার জানত না। সভ্য মানুষের মতো তারা জানাতে পারত না নিজস্ব অনুভূতির কথা। তাই বলে তাদের মধ্যে প্রেম ভালোবাসার ঘাটতি ছিল না। বরং নির্বাক সেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ছিল অন্যরকম। আদিম যুগে জঙ্গল থেকে শিকার করা বা সংগ্রহ করে আনা খাদ্য সকলে মিলে ভাগ করে খেত গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষ। তখন আগুনের ব্যবহারও জানা ছিল না তাদের। তারা জানত না কিভাবে শক্ত খাবারকে প্রক্রিয়াজাত করতে হয়। ছোট্ট দুধের শিশুকে শক্ত সেই খাবার খাওয়াতে সমস্যায় পড়তেন মা। অপাচ্য খাবার খাইয়ে তো আর সন্তানকে বিপদে ফেলতে পারেন না তিনি। আবার মায়ের স্তন্যপানের বাইরে অন্য খাবার না খেলে অসুস্থ হয়ে পড়বে শিশু। কি উপায়ে কাঁচা ফল, সবজি বা মাংস শিশুকে খাওয়ানো যায় তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যেতেন মায়েরা। একসময় তারা প্রকৃতি থেকে পশু পাখিদের দেখে একটি পন্থা অবলম্বন করা শুরু করলেন। সংগৃহীত খাবার প্রথমে মুখে নিয়ে ভালো করে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে নরম করে মায়েরা সেই চিবানো নরম খাবার ঠোঁট দিয়ে শিশুর মুখের মধ্যে প্রবেশ করানো শুরু করে। খাবার বিনিময়ের ছলে এভাবেই মা ও সন্তানের অধরে অধরে স্পর্শের হাত ধরে জন্ম নেয় প্রেমময় চুম্বন।

    খ্রিস্টের জন্মের ২ হাজার বছর পূর্বের ইতিহাস অবশ্য জানাচ্ছে অন্য এক চুম্বন তত্ত্বের কথা। সে সময় পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে প্রচলিত ছিল এক অদ্ভুত ধর্মীয় প্রথা। দু’জন মানুষের ঠোঁটসহ মুখাবয়ব নিবিড়ভাবে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠার মধ্য দিয়ে নাকি মানব শরীরের আত্মার একত্রীকরণের পথ সহজ হয়ে ওঠে। এই বিশ্বাসে আত্মায় আত্মায় সঙ্গম ঘটাতে ২ জন মানুষ একে অপরকে চুম্বন করতেন। সেই রীতিই কালক্রমে ভারত, রোম, রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জনগোষ্ঠীর জীবনে উৎসবে পরিণত হয়। প্রাচীন রোমানরা যেকোনো চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করত চুমুর মাধ্যমে। রোমানরা চুমুকে নানান ভাগে ভাগ করে। তারা চুমুরই তিন রকম নাম দেন- হাতে বা গালে চুমু হলো অসকুলাম, ঠোঁট বন্ধ রেখে ঠোঁটে চুমু হলো বেসিয়াম আর ফরাসী চুম্বনের ধরন হলো সুভিয়াম। বটতলা চুম্বন পদ্ধতি বা দেবতার পদচুম্বন কিন্তু অনেক পরে এসেছে। মেয়েদের চুম্বন তিন প্রকার। ‘নির্মিতক, স্ফুরিতক ও ঘট্টিতক। এই ধরনের চুম্বন মেয়েরাই প্রয়োগ করে থাকে। ১৯২০ সালে জাপানে প্রকাশ্যে চুম্বনের রীতি এতটাই অপরিচিত এবং অস্বাভাবিক মনে করা হত, যে ভাস্কর রডিন এর ভাস্কর্য ‘দ্য কিস’ প্রদর্শনী করার সময় একে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং শুধুমাত্র বিশেষ অনুমোদন পাবার পরই কাউকে এটি দেখতে দেয়া হত।

    বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উপকারিতা:

    ঊনিশ শতকে চুম্বন নিয়ে গবেষণা শুরু হয়, যাকে বলে ‘ফিলেম্যাটোলজি’। এটি চুমুবিদ্যার বৈজ্ঞানিক নাম। এই বিদ্যায় বিজ্ঞানীদের নানা গবেষণায় বেরিয়ে আসে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফিলেম্যাটোলজিস্টরা সায়েন্স ওয়ার্ল্ড পত্রিকায় জানিয়েছেন, মাত্র এক মিনিটের চুম্বনে ২৬ ক্যালরি শক্তি খরচ হয়। চুমুতে যাদের ভীতি বা অনাগ্রহ তারা ফিলেমাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত। ১৯৯৭ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন, চুম্বনের সময় মানব মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। ফলে ভালোলাগার অনুভূতিতে ভরে ওঠে শরীর মনে। ডা. আর্থার সাজবো জানিয়েছেন, যারা নিয়মিত চুমু খেয়ে দিন শুরু করেন তারা ড্রাইভিং করেন দারুণ ভালো। অন্যদিকে, চুম্বনের ফলে দু’জন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে যায় জীবাণু। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা আরো কিছু তথ্য জানিয়েছেন, মানুষের মুখের লালায় থাকে দশ মিলিয়ন থেকে এক বিলিয়ন জীবাণুগোষ্ঠী কিন্তু এ কথা শুনে চুমু খাওয়া থেকে বিরত থাকলে বিপদ আরো বাড়বে। কেননা স্বাভাবিক অবস্থায় এসব জীবাণু মুখের লালায় ঘোরাফেরা করে, ওতপেতে থাকে সুযোগের অপেক্ষায়, কি করে হানবে আক্রমণ, সৃষ্টি করবে সংক্রমণ। আর এ থেকে বাঁচতে চুমু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

    প্রসঙ্গত, এই সিঙ্গল সেল অর্গানিজমরা আসে মূলত খাবার, বাতাস, ময়লা হাতের মাধ্যমে। তবে কোটি কোটি জীবাণুর কথা শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কেননা চুমু খাওয়ার আগের মুহূর্তেই স্যালাইভাতে এমন কিছু কেমিক্যালস তৈরি হয় (অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল কেমিক্যালস) যা মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করে ফেলে শরীরের অনিষ্টকারী এসব ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়াকে। আরো এক ধরণের ভাইরাস রয়েছে সাইটোমেগালোভাইরাস, যা গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু গর্ভধারণের আগেই চুম্বনের মাধ্যমে একটু একটু করে তার শরীর যদি এই ভাইরাসে অভ্যস্ত হয়ে যায় তবে তার শরীরে গড়ে উঠবে এই ভাইরাস ঠেকানোর ব্যবস্থা। ভাইরাসটির প্রতি এই ইমিউনিটি তার সন্তানের মাঝেও সঞ্চারিত হতে পারে। চুম্বনকারীর মস্তিষ্কের চুম্বনের সময় বিশেষ কিছু নিউরো হরমোন নিঃসৃত হয়, যা সাময়িকভাবে ডিপ্রেশন, এ্যাংজাইটি, স্ট্রেস কাটাতে সাহায্য করে। চুম্বনের সময় নিঃসৃত এসব হরমোন প্রাকৃতিক এন্টিডিপ্রেসেন্ট এর কাজ করে। বাবা মায়ের ডিপ্রেশন কাটতে পারে সন্তানের চুম্বনে, সন্তানের উৎকণ্ঠা দূর হয় বাবা-মায়ের চুম্বনে। একইভাবে স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা, বন্ধুরা উপকার পেতে পারেন। চুম্বনের সময়ে মুখের ৩০টি পেশি ব্যবহৃত হয়। এতে আপনার এই পেশীগুলো সুস্থ ও সচল থাকে, গাল ও চোয়াল থাকে টানটান।

    অপকারিতা:

    চুম্বনের কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। এ থেকে শুধু যে ভালো জীবাণু ধ্বংসের এ্যান্টিডট তৈরি হয় তা না। আমস্টারডামে বিশ্বের প্রথম জীবাণু সংক্রান্ত গবেষণাগারের গবেষকদের নিয়ে একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন রেমেকো কর্ট। তারা ২১ জন যুগলের উপর সমীক্ষা চালান। চুম্বনের পদ্ধতি, কতক্ষণ গভীর চুম্বন করেন, এসব বিষয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা হয়। এরপর ওই যুগলদের বিশেষ জীবাণু মিশ্রিত মিশ্রণ খাইয়ে একে অপরকে চুম্বন করানো হয়। চুম্বনের পর করা হয় পরীক্ষা। দেখা যায় লালায় জীবাণুর খোঁজ। যা পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১০ সেকেন্ডের চুম্বনে প্রায় ৮ কোটি জীবাণু আদান-প্রদান হয়েছে। এর থেকেই এই সিদ্ধান্তে আসেন গবেষকরা। তারা আরো জানিয়েছেন, ‘যেসব যুগলরা গড়ে দিনে ৯ বার গভীর চুম্বন করেন, তাদের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ জীবাণু আদান-প্রদান হয়ে থাকে।’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 37 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

যদি পিঁপড়া খেলে সাঁতার শেখা যায় তাহলে পিঁপড়া খেলে পিঁপড়ার মতো দেওয়াল বেয়ে উঠা যায়না কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 37 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পুরুষের চেয়ে নারীর মাথা বেশি গরম, কারণ কী?

  1. কাসেম খান
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি? আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা 'গরম হওয়া' বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না। তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে? মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসবিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি?

    আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা ‘গরম হওয়া’ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না।

    তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে?

    • মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসাথে দশটা কাজ করতে পারে! ঘর সামলানো, বাচ্চা সামলানো, অফিস করা, রান্নাবান্না, শপিং—সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে ব্রেইনটা একটু বেশিই খাটে। এত খাটাখাটনির পর ব্রেইন তো একটু হিট হবেই, তাই না? যেন একটা হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসর, যা সারাক্ষণ ওভারটাইম করছে!
    • হরমোনের খেল: নারীদের শরীরে হরমোনগুলো তো রোলার কোস্টারের মতো ওঠানামা করে। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন—এরা সারাক্ষণ ডিউটিতে থাকে। এই হরমোনগুলোর আনাগোনা ব্রেইনের থার্মোস্টেটকে একটু নড়বড়ে করে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল হালকা গরম! পুরুষদের হরমোন তো মোটামুটি একই লাইনে চলে, তাই ব্রেইনে এত আপ-ডাউন হয় না।
    • পৃথিবীর বোঝা: আচ্ছা, সব সমস্যা, সব চিন্তা, সব দায়িত্বের বোঝাটা যেন নারীরাই বেশি নিজেদের কাঁধে নিয়ে নেয়। পরিবার, সমাজ, ভবিষ্যৎ—সবকিছু নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করতে করতে ব্রেইন তো এমনিতেই গরম হবে! যেন ব্রেইনের ভেতর ২৪/৭ একটা টেনশন-ফ্যাক্টরি চলছে।
    • আবেগপ্রবণতা: নারীরা সাধারণত একটু বেশি আবেগপ্রবণ হন। অল্পতেই খুশি, অল্পতেই দুঃখী, অল্পতেই রেগে যান, আবার দ্রুতই নরম হয়ে যান। এই যে এত আবেগের ঢেউ ব্রেইনের ভেতর দিয়ে যায়, তাতে তো একটু তাপ উৎপন্ন হবেই! পুরুষরা তো সব ইমোশন ভেতরে চাপা দিয়ে রাখে, তাই তাদের ব্রেইন ততটা ওয়ার্কআউট পায় না।

    তো ভাই, ব্যাপারটা আসলে সিরিয়াস কিছু না। নারীদের ব্রেইনের এই সামান্য বেশি তাপমাত্রা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি ‘মাথা গরম’ বলতে রাগকে বোঝান, তাহলে বলতে হয়, এত দায়িত্ব আর চাপ সামলাতে গিয়ে একটু গরম তো হতেই পারে, তাই না? বরং এটা তাদের ক্ষমতারই একটা অংশ! 😉

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে কি কখনও ঠেকানো যায় ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসবিস্তারিত পড়ুন

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসের পরিচালক রোসালিন্ড কার্টরাইট ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ঠেকানোর বেশ কিছু উপায় জানিয়েছেন। তার মতে-

    ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখতে যাচ্ছেন: আপনি ঘুমাতে যাওয়ার আগে ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখবেন, এতে আপনার দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ হবে। আপনি হয়তো একবারের চেষ্টায় এতে সফল হবেন না, কিন্তু কয়েকবারের প্রচেষ্টায় দুঃস্বপ্ন বিদায় নেবে।

    দুঃস্বপ্নকে থামান: বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনি স্বপ্নকে থামাতে পারবেন। আপনি সিম্পলি এটি করতে পারেন যদি বুঝতে পারেন যে আপনি যা দেখছেন তা দুঃস্বপ্ন।

    স্বপ্নকে পরিবর্তন করুন: নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করুন। এটি করার জন্য আপনাকে জেগে ওঠতে হতে পারে, কিন্তু অবশেষে আপনি ঘুমের মধ্যে নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করতে পারবেন।

    স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন: আপনার বিছানার পাশে একটি স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন এবং প্রতি সকালে এতে আপনার দেখা সব স্বপ্ন লিপিবদ্ধ করুন, শুধুমাত্র দুঃস্বপ্ন নয়, ভালো স্বপ্নও লিখে রাখুন। তারপর নির্দিষ্ট সময় পরপর সেসব স্বপ্ন রিভিউ করুন যা আপনাকে সমস্যায় ফেলে এবং নির্ণয় করার চেষ্টা করুন তারা কেন আপনাকে আপসেট করছে। তারপর উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আপসেট দূর করার চেষ্টা করুন।

    স্ট্রেস কমান: দুঃস্বপ্নের মূল কারণের একটি নিদারুণ স্ট্রেস। বিষণ্নতা, উৎকণ্ঠা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ডেকে আনে। সুতরাং দুঃস্বপ্ন প্রতিরোধ করতে বিছানায় যাওয়ার আগে আপনার মনকে শান্ত করুন। এক্ষেত্রে আপনি শান্ত সংগীত শুনতে পারেন, বাতিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন, ধ্যান বা প্রার্থনা করতে পারেন, হালকা সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি জ্বালাতে করতে পারেন বা বই পড়তে পারেন। মূল কথা হলো, ঘুমানোর আগে আপনার মনকে প্রশান্ত করে, এমন কাজ করুন।

    কার্টরাইট তার ‘ক্রাইসিস ড্রিমিং’ বইয়ে লিখেছেন, ‘মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখাটা স্বাভাবিক। কিন্তু বারবার দেখাটা স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না।’ বারবার দুঃস্বপ্ন দেখলে কোনো ডাক্তার, সাইকিয়াট্রিস্ট কিংবা থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মানুষ সবসময় সবজান্তা সমীপেষু সাজার চেষ্টা করে কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 35 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

সবকিছু বুঝেও কেন আমরা পিছুটানেই পড়ে থাকি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 33 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 164 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,246 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 90 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন