সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ
হোমপেজ/নিকোলা টেসলার
অ্যাপ ইন্সটল করুন

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

নিকোলা টেসলারের আলোর মুখ দেখতে না পাওয়া আবিষ্কার কোনগুলো?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    নিকোলা টেসলার আবিষ্কার: আলোর মুখ দেখতে না পাওয়া  আবিষ্কার গত শতাব্দীতে মানুষ যখন বিদ্যুৎ কে রহস্য মনে করে ভয় পেতো, তিনি তখন বিদ্যুৎ কে নিয়ন্ত্রণ করেছেন হাতের তালুতে রেখে। পৃথিবীতে তিনিই প্রথম শুরু করেছিলেন সহজলভ্য বিদ্যুৎশক্তির যুগ, যাঁর উদ্ভাবিত এসি জেনারেটর ও মোটরের শক্তি দিয়ে শুরু হয় ব্যাপক শিল্পবিস্তারিত পড়ুন

    You are currently viewing নিকোলা টেসলার আবিষ্কার: আলোর মুখ দেখতে না পাওয়া ৬ টি আবিষ্কার

    নিকোলা টেসলার আবিষ্কার: আলোর মুখ দেখতে না পাওয়া  আবিষ্কার

    গত শতাব্দীতে মানুষ যখন বিদ্যুৎ কে রহস্য মনে করে ভয় পেতো, তিনি তখন বিদ্যুৎ কে নিয়ন্ত্রণ করেছেন হাতের তালুতে রেখে।

    পৃথিবীতে তিনিই প্রথম শুরু করেছিলেন সহজলভ্য বিদ্যুৎশক্তির যুগ, যাঁর উদ্ভাবিত এসি জেনারেটর ও মোটরের শক্তি দিয়ে শুরু হয় ব্যাপক শিল্পোৎপাদন। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয়েছে রোবট ও অটোমেশনের যুগ, যা মানুষের কায়িক শ্রম হ্রাস করে যন্ত্রকে মানুষের দাসে পরিণত করেছে।

    আজ কথা বলবো বিদ্যুৎ মানবের এমন কিছু প্রকল্প নিয়ে যা তিনি অর্থের অভাব ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারনে বাস্তবায়ন করতে পারেন নি।

    ভূমিকম্প যন্ত্র

    ১৮৯৩ সালে টেসলা একটি বাষ্প-চালিত যান্ত্রিক অসিলেটর পেটেন্ট করেছিলেন, যা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে উচ্চ গতিতে উপরে এবং নীচে কম্পন সৃষ্টি করবে।

    তার আবিষ্কারের পেটেন্ট করার কয়েক বছর পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে একদিন তার নিউ ইয়র্ক সিটির গবেষণাগারে থাকা বিল্ডিংয়ের কম্পনের সাথে তার যান্ত্রিক অসিলেটরটি মধ্যে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করার সময় তিনি ভূমি কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।

    Ezoic

    পরীক্ষার সময় তিনি দেখতে পান তার আশেপাশের জিনিসপত্র নড়তে শুরু করে দিয়েছে। আশেপাশের বিল্ডিং গুলোতেও ভূকম্পন অনুভূত হয়।

    ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সাথে সাথেই সেখানে পুলিশ, এম্বুলেন্স ও মানুষের হট্টগোল লেগে যায়। টেসলা তার সহকারীদের চুপ থাকতে বলেছিল এবং পুলিশকে বলেছিল যে এটি অবশ্যই একটি ভূমিকম্প ছিল।

    টেসলা পরবর্তীতে এই যন্ত্রটি হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলেন। বড় পরিসরে এই যন্ত্র ব্যবহার করে পুরো পৃথিবীতেই ভূমিকম্প সৃষ্টি করা সম্ভব হতো। কিন্তু এই আবিষ্কারে কেবল ধ্বংসই হতো। মানব জাতির ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি নিজের আবিষ্কার নিজেই ধ্বংস করেছেন।

    চিন্তা রেকডিং করা ক্যামেরা

    ১৮৯৩ সালে নিজের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষানিরীক্ষা করার সময় ‘থট ক্যামেরা’-র তৈরির কথা ভেবেছিলেন টেসলা। যদিও তার দীর্ঘকাল পরে এ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে টেসলা বলেন, ‘‘আমি নিশ্চিত যে আমাদের চিন্তা-ভাবনার ছবি চোখের মণিতে ফুটে ওঠে।’’ তর্কের খাতিরে টেসলার কথায় বিশ্বাস করা গেল। তবে সে ছবি কী ভাবে ক্যামেরাবন্দি করা যাবে? সে উত্তরও দিয়েছেন টেসলা। তাঁর কথায়, ‘‘প্রতিবর্ত ক্রিয়ার দ্বারাই আমাদের চিন্তা-ভাবনার ছবি মণিতে দেখা যায়। যথাযথ যন্ত্রের সাহায্য সেই ছবি দেখা সম্ভব।


    কী সেই যন্ত্র? এখানেই ‘থট ক্যামেরা’র প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন টেসলা। তিনি জানিয়েছেন, চোখের মণিতে ভেসে ওঠা মনের ভাবনার প্রতিচ্ছবি একটি কৃত্রিম অক্ষিপটে (রেটিনায়) ফেলে তার ছবি তোলা যায়। এবং সেই ছবি কোনও পর্দায় ভাসিয়ে দিলে ওই মানুষটির মনের কথা জেনে ফেলা সম্ভব।‘থট ক্যামেরা’ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে টেসলা বলেছেন, ‘‘যদি মনের ছবি এ ভাবে পর্দায় ভাসিয়ে তোলা যায়, তবে ওই মানুষটি কী চিন্তা-ভাবনা করছেন তা সহজেই জেনে ফেলা যাবে।’’

    অনেকের দাবি, ১৮৯৩ সালে নয়, গত শতকের তিরিশের দশকে ‘থট ক্যামেরা’-র কথা ভেবেছিলেন টেসলা। ওই ক্যামেরার সাহায্যে মানবমনের চিন্তা-ভাবনার ছবিও স্লাইডশোয়ের মতো দেখা যাবে। সাল-তারিখ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে টেসলার এই উদ্ভাবনী চিন্তা যে অভূতপূর্ব, তা নিয়ে দ্বিমত ছিল না। টেসলার কথায়, ‘‘এ ধরনের ক্যামেরার সাহায্যে প্রতিটি মানুষের মনের কথা পড়ে ফেলা যাবে। এবং তা করা গেলে আমাদের মন আক্ষরিক অর্থেই খোলা বইয়ের আকার নেবে। যা সকলেই পড়তে পারবেন।’’ যদিও টেসলার এই ভাবনা সাফল্য পায়নি।

    তারবিহীন বিদ্যুৎ

    ১৯০১ সালে টেসলা টেসলা লং আইল্যান্ডের উত্তর তীরে একটি ১৮৫ ফুট লম্বা, মাশরুম আকৃতির টাওয়ার নির্মাণের জন্য আমেরিকান অর্থলগ্নিকারী জেপি মরগানের থেকে ১,৫০,০০০ মার্কিন ডলার নেন। তার লক্ষ ছিলো বাতাসের মাধ্যমে পুরো শহরে বিদ্যুৎ সেবা দেওয়া। কিন্তু এই টাওয়ারের অর্ধেক কাজ চলার সময় মর্গান অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দেন। কারণ ছিলো সেসময় যারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সরবরাহ করতো তারা প্রচুর দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করে জনগণের কাছ থেকে বিশাল মুনাফা আয় করতো।

    টেসলার সেই টাওয়ার যা ১৯১৭ সালে ভেঙে দেওয়া হয়
    টেসলার এই প্রজেক্ট সফল হলে তাদের ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যেতো। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তারা টেসলার অর্থের যোগান বন্ধ করে দেন, যেনো সে সফল হতে না পারে।

    ১৯০৬ সালে টেসলা এই প্রজেক্টে হাত দিয়েছিলেন আর বেশকিছুদিন পরই তা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯১৭ সালে টেসলার তারবিহীন বিদ্যুৎ এর ওয়ার্ডেনক্লিফ টাওয়ার ভেঙে দেওয়া হয়।

    কৃত্রিম জোয়ার ঢেউ

    নিকোলা টেসলা বিশ্বাস করতেন যে যুদ্ধ প্রতিরোধে বিজ্ঞানের শক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ১৯০৭ সালে নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড টেসলার আরেকটি সামরিক উদ্ভাবনের বিষয়ে তথ্য দেয়, সেখানে বলা হয় ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি সমুদ্রে উচ্চ বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে যাতে এত বিশাল জোয়ারের তরঙ্গ তৈরি হয় যে তা শত্রুর সমস্ত নৌবহরকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।

    সংবাদপত্রটি আরো জানিয়েছে যে কৃত্রিম জলোচ্ছ্বাস নৌবাহিনীকে কাগজের নৌকার মতো অকেজো করে তুলতে পারার সক্ষমতা থাকবে। অনেকটা শিশুদের বাথটব বা পুকুরে কাগজের নৌকোর মতো।

    দুর্ভাগ্যক্রমে সে সময় মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষণা প্রধান ছিলেন টমাস আলভা এডিসন। তিনি ‘এটি কোনো কাজে লাগবে না’ বলে নাকচ করে দেন। ১৯৩০-এর দশকে এমিলি গিয়ারডিউ একই নীতিতে রাডার (জঅউঅজ) উদ্ভাবন করেন।

    বৈদ্যুতিক চালিত সুপারসনিক এয়ারশিপ

    নিকোলা টেসলা চিন্তা-ভাবনায় তার সময়ের থেকে কয়েক দশক এগিয়ে ছিলেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বর্তমান সময়ে আমাদের প্রজন্ম তাদের ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোনগুলো ওয়্যারলেস টেকনোলজিতে চার্জ দিতে পেরে ভাবছে এটি একটি প্রযুক্তির যুগান্তকারী ব্যবহার; কিন্তু, সেই ১৯১৯ সালে টেসলায় মাথায় খেলা করেছিল কিভাবে এমন একটি সুপারসনিক বিমান বানানো যেগুলোকে বিনা তারের বৈদ্যুতিক চার্জ দেয়া যেতে পারে।


    মোবাইলের টাওয়ারের মাধ্যমে রেডিও সিগন্যাল ব্রডকাস্টের ধাঁচে বিদ্যুৎকেও ওয়্যারলেসের মাধ্যমে ঐ বিমানগুলোকে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা – এটাই ছিল নিকোলা টেসলার পরিকল্পনা।

    বিমানগুলো ভূপৃষ্ট হতে ৪০,০০০ হাজার ফুট উপরে ঘণ্টায় ১,০০০ মাইল বেগে চলার উপযোগী করে তৈরী করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল – এই গতিতে ছুটে নিউইয়র্ক থেকে রওয়ানা দিয়ে লন্ডন পৌঁছাতে সময় লাগত ৪ ঘণ্টারও কম।

    দ্য ডেথ রে (মৃত্যুর রশ্মি)

    টেসলার সৃজনশীল মন তার জীবনের শেষের দিকে নতুন এক ভাবনা জাগিয়েছিল। তিনি তার ৭৮ তম জন্মদিনে, ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ কে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে তিনি তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি নিয়ে এসেছেন। যা “লক্ষ লক্ষ সৈন্যদলকে তাদের ট্র্যাকে মারা যেতে পারে।

    আবিষ্কারটি? একটি সামরিক অস্ত্র যা একটি ভ্যাকুয়াম চেম্বারের অভ্যন্তরে শব্দের 48 গুণ গতিতে পারদ কণাকে ত্বরান্বিত করবে এবং একটি উচ্চ-বেগের রশ্মিকে “মুক্ত বাতাসের মধ্য দিয়ে গুলি করবে, এমন প্রচণ্ড শক্তিতে যে এটি মুহূর্তে ১০,০০০ শত্রু বিমানের বহরকে নিমেষে শেষ করে দেবে।

    প্রেস মিডিয়া তাদের সংবাদপত্রে এটিকে “মৃত্যুর রশ্মি” বলে অভিহিত করেছেিল। কিন্তু টেসলা এই রশ্মির নাম দিয়েছিলেন “শান্তির রশ্মি” বা Peace Ray।

    পৃথিবী যদি গোল না হয়ে সমতল হত, তবে এই রশ্মি সক্ষমতা ছিল পৃথিবীর পরিধি ভেদ করে যেতে পারত সুদূরে; আর এর সামনে যা পড়ত, সবই ধূলিসাৎ হয়ে যেত।

    তার এই নতুন আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তিনি অনেকের দারস্ত হয়েছিলেন; এমনকি তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কোন এক গবেষণাগারে ১৯৩৯ সালে এটির পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। কিন্তু, বিধি বাম! তার এই আইডিয়াকে তিনি সফলতার মুখ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

    আধুনিক তড়িৎ বিজ্ঞানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটি তার- নিকোলা টেসলা। সমগ্র জীবনব্যাপী সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে থাকা এক মহৎ হৃদয়ের মহাপুরুষ টেসলা। তাকে ধরা হয় পৃথিবীর সর্বকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবকদের একজন। পৃথিবীর কথিত শক্তি সংকট  (Power Crisis) ধারণার অবসান ঘটিয়ে মানুষের জীবন আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে একজন টেসলাই যথেষ্ট ছিলেন; যদিও চিরন্তন পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা তা হতে দেয় নি।

    নিকোলা টেসলা, বিদ্যুতের বিস্ময়

    নিকোলা টেসলা, বিদ্যুতের বিস্ময়

    ১৮৫৬ সালের ১০ জুলাই, এক ভয়াল ঝড়বৃষ্টি আর বজ্রপাতের রাতে টেসলার জন্ম। পরিবেশের ভয়াবহতা দেখে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধাত্রী বলেছিলো, “এ বাচ্চা হবে অন্ধকারের সন্তান” কিন্তু সদ্যোজাত টেসলার ফুটফুটে মুখটার দিকে তাকিয়ে তার মা বলেছিলেন, “না, এ হবে আলোর সন্তান।” প্রকৃতই এই সন্তান পরিণতকালে গোটা বিশ্বে আলো ছড়িয়ে দিয়েছিলো।

    টেসলার জন্ম বর্তমান ক্রোয়েশিয়ার মিলজান নামক স্থানে। তার পিতা মিলুটিন টেসলা ছিলেন সার্বিয়ান প্রথাগত চার্চের যাজক ও লেখক। বাবার ইচ্ছে ছিলো ছেলেকেও যাজক হিসেবে তৈরী করা, কিন্তু টেসলার বরাবরই  বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ছিলো। টেসলার মা জুকা ম্যান্ডিক ছিলেন গৃহিনী। গৃহস্থালির কাজের সুবিধার্থে তার মায়ের ছোটখাটো উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রয়োগ পরবর্তীকালের একজন সফল উদ্ভাবক টেসলার উপরে যথেষ্ট প্রভাব রেখেছিলো।

    অস্ট্রিয়াতে গ্র্যাজ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় টেসলা তড়িৎচৌম্বকক্ষেত্র ও এসি কারেন্ট চালিত মোটর নিয়ে ভাবতে থাকেন। জীবনের পরবর্তী ছয়টি বছর তিনি এই ভাবনাতে নিমগ্ন থাকেন। ১৮৭০ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ প্রাগে পড়াশুনা শুরু করেন। এখানে প্রতিদিন টানা দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণার কাজ করতে গিয়ে তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, পড়াশোনারও ব্যাঘাত হতে থাকে। এক সময় টেসলা জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বছরে পড়াশুনার খরচ সব জুয়ায় হারিয়ে আর প্রস্তুতির অভাবে পরীক্ষা দিতে না পেরে টেসলা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পড়াশুনা শেষ না করেই ১৮৮১ সালে বুদাপেস্ট চলে যান। সেখানে সেন্ট্রাল টেলিগ্রাফ অফিসে কর্মরত অবস্থায় তার মাথায় প্রথম আবেশী মোটর (Induction Motor) এর ধারণা আসে। এখানেই তিনি ঘূর্ণায়মান তড়িৎক্ষেত্রের মূলনীতির একটি স্কেচ তৈরী করেন, যা আজও বহু বৈদ্যূতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। তার এই সাফল্য তাকে দিকপরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ বা এসি কারেন্টসহ ভবিষ্যতের আরও অনেক উদ্ভাবনের ভিত্তি গড়ে দেয়।

    ২৩ বছর বয়সী টেসলা, ১৯৭৯

    ২৩ বছর বয়সী টেসলা, ১৮৭৯

    ১৮৮৪ সালের জুনে, টেসলা টমাস আলভা এডিসনের সাথে কাজ করার জন্যে নিউ ইয়র্ক পাড়ি জমান। তার পকেটে ছিলো শুধু ৪ সেন্ট আর একটা সুপারিশপত্র। সুপারিশপত্রটি লিখেছিলেন এডিসনের প্রাক্তন নিয়োগকর্তা চার্লস ব্যাচেলর। এতে লিখা ছিলো, “প্রিয় এডিসন, আমি দুজন মহান ব্যাক্তিকে চিনি। একজন আপনি, আরেকজন এই তরুণ।”

    এডিসন ছিলেন একই সাথে একজন সফল উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ী। অপরদিকে টেসলা উদ্ভাবনে যতটা ভালো ছিলেন, ঠিক ততোটাই দুর্বল ছিলেন ব্যবসায়। ডিসি কারেন্টের ব্যবসা করে এডিসন তখন রীতিমত একজন সফল পুঁজিপতি। সঙ্গত কারণেই এডিসনের সাথে টেসলার পদ্ধতিগত ও নীতিগত বিরোধ লেগেই থাকতো। টেসলার এসি কারেন্ট প্রকৌশল নিয়ে এডিসনের সন্দেহ থাকলেও তিনি তাকে ৫০,০০০ ডলার দেবার শর্তে এই প্রকল্প শেষ করার একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। কয়েক মাসের মধ্যেই কাজ সেরে ফেলার পরে প্রাপ্য অর্থ দাবী করলে এডিসন বলেন, “ওটা তো কৌতুক ছিলো। তুমি আমেরিকান কৌতুক বোঝো না। যখন পুরোদস্তুর আমেরিকান হয়ে উঠবে, তখন ঠিক বুঝবে।” টেসলা তৎক্ষণাৎ এডিসনের চাকরী ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন। অবশ্য পারষ্পারিক বিভেদের দেয়াল ছাড়িয়ে এই দুই মহান উদ্ভাবক একে অপরের যথেষ্ট গুণগ্রাহী ছিলেন, একজন আরেকজনের কাজের প্রতি সবসময় শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।

    'টাইম' ম্যাগাজিনের কভারে এডিসন ও টেসলা

    ‘টাইম’ ম্যাগাজিনের কভারে এডিসন ও টেসলা

    এডিসনের কোম্পানি থেকে বেরিয়ে আসার পর অবশ্য তার মূল্যবান প্রকল্পে অর্থলগ্নী করার লোকের অভাব পড়ে নি। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন কোম্পানী, এডিসনের অফিসের অনতিদূরেই টেসলার জন্যে একটি ল্যাব এর ব্যবস্থা করে দেয়। সেখানে টেসলা তার অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবনা পরিচালনা করেন। এখানে তিনি এক্স-রে প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক অনুনাদ, তারবিহীন তথ্য সরবরাহ পদ্ধতিসহ আরও অনেক উদ্ভাবনা নিয়ে কাজ করেন। এখানেই টেসলা এসি মোটর আর এসি পাওয়ার সিস্টেমের উন্নতি ঘটিয়ে নিজের নামে পেটেন্ট করে দেন। এই পেটেন্ট এর ফলে তিনি ৬০,০০০ ডলার ও আরও কিছু আনুষঙ্গিক সুবিধা লাভ করেন। এডিসন ও তার মাঝে চলা “কারেন্টের যুদ্ধ” তিনি অনতিবিলম্বে জিতে যান। ডিসি কারেন্ট এর চেয়ে এসি কারেন্ট অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এসি কারেন্ট ছিলো অপেক্ষাকৃত সহজলভ্য আর সস্তা। প্রায় বিনামূল্যে এক বিশাল এলাকাজুড়ে জনসাধারণের জন্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রকল্পও তৈরি করেছিলেন তিনি, যদিও তা আর হয়ে ওঠে নি। ১৯০১ সালে এই নিমিত্তে তিনি ওয়ার্ডেনক্লিফ টাওয়ার নির্মান করেন, যা পরে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    ওয়ার্ডেনক্লিফ টাওয়ার

    ওয়ার্ডেনক্লিফ টাওয়ার

    আধুনিক উদ্ভাবনগুলোর কোনটিতে হাত নেই তার! ফ্লুরোসেন্ট বাল্ব থেকে শুরু করে এক্স-রে, লেজার, ইলেকট্রিক মোটর, রিমোট কন্ট্রোল, ওয়্যারলেস বা তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, রোবটিক্স, এমনকি আধুনিক স্মার্টফোনের প্রাথমিক ধারণাও তার দেয়া। সমগ্র পৃথিবী ভালোভাবে তারযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা লাভ করার আগেই তিনি তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার চিন্তা শুরু করে ফেলেছিলেন। নিজের সময়ের থেকে অনেক বেশি অগ্রসর ছিলেন টেসলা। এখনও তার বিভিন্ন মূলনীতি আর সূত্র অনুসরণ করে নিত্য নতুন উদ্ভাবনা চলছে। মার্কনীর অন্তত ৬ বছর আগে টেসলা বেতার সম্প্রচারে সফল হন। তার বেশিরভাগ উদ্ভাবনী ধারণাই অন্যেরা নিজের নামে চালিয়ে পেটেন্ট করে নিয়েছে। তাদের সম্পর্কে টেসলা বলেন, “তারা আমার ধারণা চুরি করুক, এতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি শুধু বলি, তাদের নিজেদের কোনো ধারণা আসে না কেন?”

    টেসলার ছিলো এক অনন্য সাধারণ ক্ষমতা। যেকোনো ডিজাইন তৈরী হবার আগে তিনি সেটির ত্রিমাত্রিক একটি প্রতিরুপ মানসচক্ষে দেখতে পেতেন। বুদাপেস্টে থাকাকালীন একদিন পার্কে বন্ধুর সাথে হাঁটছিলেন আর কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। অকস্মাৎ তার মনে একটি ছবি ভেসে উঠলো। সেখানেই কাঠি দিয়ে ধূলোর উপরে এঁকেছিলেন তার অনেক সাধনার ধন, সেই বিখ্যাত এসি মোটরের চিত্র। পরবর্তীতে এসি মোটর উদ্ভাবনের পর তিনি বলেছিলেন, তিনি আসলে নতুন কিছু করেন নি, তার সেই মানসপটের প্রতিলিপিকেই বাস্তব রুপ দান করেছেন মাত্র!

    টেসলার হাতে ছিলো এই মহাবিশ্বের গভীরতম রহস্যের চাবি। তিনি জানতেন এর গোপনীয়তার গোপনতর সূত্র। আর সে রহস্য উন্মোচনের মূলমন্ত্রও তিনি বলে গেছেন। তিনি বলেন, “যদি তুমি ৩, ৬, ৯ এই তিনটি সংখ্যার মাহাত্ম্য বোঝ, তো তোমার হাতে মহাবিশ্বের চাবি থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “যদি মহাবিশ্বের রহস্য জানতে চাও, তাহলে শক্তি, কম্পন আর কম্পাঙ্কের ব্যাপারে চিন্তা করো।”

    নিউ ইয়র্কে নিকোলা টেসলা কর্ণার

    নিউ ইয়র্কে নিকোলা টেসলা কর্ণার

    আজীবন অবিবাহিত টেসলা কখনো কোনো নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে জানা যায় নি। নারীদের তিনি সবদিক দিয়ে পুরুষের চেয়ে উচ্চতর মনে করতেন। নিজেকে কখনো কোনো নারীর যোগ্য মনে করেন নি তিনি। আর তাছাড়া তার মতো কাজপাগল মানুষের জন্যে একটি একাকী জীবন জরুরীও ছিলো। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যবিহীন টেসলা সারা জীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন শুধু মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই উদ্ভাবনে তৎকালীন সবার সেরা হলেও আর্থিক দিক দিয়ে তিনি স্বচ্ছল ছিলেন না। ১৯৪৩ সালের ৭ জানুয়ারি, ঋণবদ্ধ ও একাকী অবস্থায়, নিউ ইয়র্কার হোটেলের ৩৩২৭ নাম্বার কক্ষে টেসলা মৃত্যুবরণ করেন।

    বেলগ্রেডে রক্ষিত টেসলার দেহভস্ম

    বেলগ্রেডে রক্ষিত টেসলার দেহভস্ম

    টেসলা ছিলেন মানবতার সেবায় নিবেদিতপ্রাণ এক মহতী আত্মা। তার একমাত্র প্রচেষ্টা ছিলো প্রকৃতির নিগুঢ়তম রহস্য আবিষ্কার করে মানুষের জীবনকে সহজতর করা। কোনো ব্যবসায়িক লক্ষ্য নিয়ে তিনি কখনো চালিত হন নি। বিদ্যুতকে অপেক্ষাকৃত সহজ ব্যবহার্য বস্তুতে পরিণত করে তিনি এক জাদুকরী পরিবর্তনের সূচনা করেন। বিস্ময়কর কল্পনাশক্তি আর অমূল্য মেধার দ্বারা যুগ যুগ ধরে কল্পনাপ্রবণ ও আত্মত্যাগী মানুষদের অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন নিকোলা টেসলা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 44 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,114 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
pooja ramola

pooja ramola

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন