শেয়ার করুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে (বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে)। ফলে বাতাস শুষ্ক হয়। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বজায় রাখতে জামাকাপড়, ঠোঁট, খাল-বিল, নদী বা পানির উৎস যেখানে আছে সেখান থেকে বাতাস পানি শোষণ করতে থাকে। শীতকালে শীতল বাতাসের থেকে পুকুর, নদী ইত্যাদির জল উষ্ণ হওয়ায় তা বাষ্পিভূত হয়ে ববিস্তারিত পড়ুন
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে (বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে)। ফলে বাতাস শুষ্ক হয়। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বজায় রাখতে জামাকাপড়, ঠোঁট, খাল-বিল, নদী বা পানির উৎস যেখানে আছে সেখান থেকে বাতাস পানি শোষণ করতে থাকে।
শীতকালে শীতল বাতাসের থেকে পুকুর, নদী ইত্যাদির জল উষ্ণ হওয়ায় তা বাষ্পিভূত হয়ে বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশে বড় বড় কনায় পরিণত হয় যা কুয়াশার মতো দেখতে হয়। তাই শীতকালে পুকুর, নদী ইত্যাদির জল থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এভাবে পানির উৎসগুলো থেকে পানি কমে যেতে থাকে।
আবার শীতকালে বৃষ্টিপাত কম হয় বা একেবারেই হয় না। ফলে নতুন করে পানি বৃদ্ধি পায়না। একারণে পানি কমে গেলে তা আর পূরণ হয়না।
সংক্ষেপে দেখুন