সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?
না। এটা কেউ আমার মোবাইলে পাঠিয়েছিলেন।
না। এটা কেউ আমার মোবাইলে পাঠিয়েছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?
ছবিটি জুম করে দেখতে হবে...
ছবিটি জুম করে দেখতে হবে…
সংক্ষেপে দেখুনএকটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?
হয় একটি ফুলগাছ অথবা নারীর মুখচ্ছবি..
হয় একটি ফুলগাছ অথবা নারীর মুখচ্ছবি..
সংক্ষেপে দেখুন১০ সেকেন্ডের জন্য পৃথিবী থেকে অক্সিজেন উধাও হয়ে গেলে কি হবে?
ধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে। অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শবিস্তারিত পড়ুন
ধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে।
অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শুরু করা যাক!
কিন্তু আপনি ভয় পাবেন না! এই ঘটনাগুলোর কিছুই আপনি টের পাবেন না। কারণ মানব দেহের ৬০% হলো অক্সিজেন। আমাদের কোষ, ডিএনএ এমনকি সবখানেই অক্সিজেনের উপস্থিতি বিদ্যমান। তাই, অক্সিজেন না থাকলে সাথে সাথেই আপনি শুধু ধুসর আবর্জনায় পরিণত হবেন। শুধু ১০ সেকেন্ড কেন, এর চেয়ে কম সময়ে অক্সিজেনের অনুপস্থিতি পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিলীন করার জন্য যথেষ্ট!
এরকম প্রশ্ন আরও চাই ✌️
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
অদূর ভবিষ্যতে মানুষ কি কখনো টাইম মেশিন বানাতে পারবে?
"না", সম্ভব নয়। আমি বোধকরি আপনাকে হতাশ করলাম। আমি তেমন বিজ্ঞান বুঝি না। তবে কিছুটা সহজ যুক্তিতে সব কিছু বোঝার চেষ্টা করি। তাই আপনাকেও খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি। যদি টাইম মেশিন মানব ইতিহাসে তৈরি করা সম্ভব হতো তাহলে কি হতো? মানুষ অতীতে যেতে পারতো। তাইতো? তারমানে আমরা এতদিনে অবশ্যই ভবিষ্যৎ থেকে আসা কোনবিস্তারিত পড়ুন
“না“, সম্ভব নয়। আমি বোধকরি আপনাকে হতাশ করলাম।

আমি তেমন বিজ্ঞান বুঝি না। তবে কিছুটা সহজ যুক্তিতে সব কিছু বোঝার চেষ্টা করি। তাই আপনাকেও খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি। যদি টাইম মেশিন মানব ইতিহাসে তৈরি করা সম্ভব হতো তাহলে কি হতো? মানুষ অতীতে যেতে পারতো। তাইতো? তারমানে আমরা এতদিনে অবশ্যই ভবিষ্যৎ থেকে আসা কোন মানুষের খোঁজ পেতাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কারও হদিস পাওয়া যায়নি। আর যে ঘটনাগুলো কিছুদিন পর পর চাঙ্গা হয়ে ওঠে আদতে সেগুলো ভুয়া, মিথ্যা, বানোয়াট।
তারমানে মানুষের পক্ষে কোনদিন টাইম মেশিন বানানো বা টাইম ট্রাভেল সম্ভব হবে না। আপনি যদি বেসিক বিজ্ঞান বুঝে থাকেন তাহলে আমার এই সহজ ব্যাখ্যা অবশ্যই বুঝবেন।
যেটা সম্ভব না সেটা নিয়ে আর বিস্তারিত লিখছি না। যদি আপনার জানার আগ্রহ থাকে তাহলে মন্তব্য করতে পারেন। মন্তব্যে সবিস্তারে বোঝানোর চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনপ্রাণীজগতে এমন কোন প্রাণী আছে কি যারা দেখতে যেমন কিন্তু বাস্তবে তার থেকেও অনন্য?
যদি কেউ পৃথিবীতে এলিয়েনের অস্তিত্বের প্রমাণ চান তাহলে সবকিছু বাদ দিয়ে শুধু অক্টোপাসকে দেখুন। আটটি শুঁড়, তিনটি হৃৎপিণ্ড, একটি ঠোঁট এবং চোখের মধ্যকার দূরত্ব আর চেপে ধরার ক্ষমতা। প্রাণীজগতে এর পালিয়ে যাওয়ার দক্ষতা অন্য কোন প্রাণীর নেই। অক্টোপাসের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা সত্যিই কিংবদন্তি তুল্য। এর নিজস্ববিস্তারিত পড়ুন
যদি কেউ পৃথিবীতে এলিয়েনের অস্তিত্বের প্রমাণ চান তাহলে সবকিছু বাদ দিয়ে শুধু অক্টোপাসকে দেখুন।
আটটি শুঁড়, তিনটি হৃৎপিণ্ড, একটি ঠোঁট এবং চোখের মধ্যকার দূরত্ব আর চেপে ধরার ক্ষমতা। প্রাণীজগতে এর পালিয়ে যাওয়ার দক্ষতা অন্য কোন প্রাণীর নেই।
অক্টোপাসের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা সত্যিই কিংবদন্তি তুল্য। এর নিজস্ব পরিবেশে, আমরা মানুষ অত্যন্ত অসহায়, এবং শুধুমাত্র আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তি দ্বারাই এদের থেকে আমরা বাঁচতে পারি। এরা যেকোন কাজ দ্রুত শেখে, আর নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যেতে পারে। অক্টোপাস সত্যি অনন্য!
সংক্ষেপে দেখুনগর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?
আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেওবিস্তারিত পড়ুন
আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেও শিশুর ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। আপনি যদি এখনও উদ্বিগ্ন হন তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারেন। ডাক্তার আপনাকে গর্ভাবস্থায় পেঁপের সুরক্ষা সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে পারে। নিশ্চিত করুন যে আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, প্রচুর বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং চাপ এড়াচ্ছেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমিশরের পিরামিড আসলে কতটা বিশাল?
ছবিতে একটি পিরামিডের সুন্দর প্রবেশদ্বার দেখা যাচ্ছে। আপনি কি মানুষগুলো দেখতে পাচ্ছেন? এবার কি ধারণা পেয়েছেন কত বিশাল হতে পারে এই গ্রেট পিড়ামিড? আপনি কি জানেন এই ছবিতে কতজন মানুষ রয়েছে? ১৫০+ মানুষ রয়েছে পিড়ামিডের এই ছবিতে। তাহলে এবার ভাবুন কত বিশাল হতে পারে মিশরের পিড়ামিড!
ছবিতে একটি পিরামিডের সুন্দর প্রবেশদ্বার দেখা যাচ্ছে। আপনি কি মানুষগুলো দেখতে পাচ্ছেন? এবার কি ধারণা পেয়েছেন কত বিশাল হতে পারে এই গ্রেট পিড়ামিড? আপনি কি জানেন এই ছবিতে কতজন মানুষ রয়েছে? ১৫০+ মানুষ রয়েছে পিড়ামিডের এই ছবিতে। তাহলে এবার ভাবুন কত বিশাল হতে পারে মিশরের পিড়ামিড!
সংক্ষেপে দেখুনসূর্য বা সূর্যের আলোর দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে হাঁচি আসে কেনো?
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স। এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনবিস্তারিত পড়ুন
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স।

এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন ভেবেছিলেন সূর্যের আলোয় যে চোখের পানি হয়, তা নাকে গিয়ে হাঁচির উদ্রেক করে। কিন্তু ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা অনুযায়ী তা সম্ভব নয়।
নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, হাঁচির স্টিমুলেশন বহন করে ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। ব্রেইনের ভেতর তা অপটিক বা চোখের নার্ভের কাছাকাছি থাকে। তীব্র আলোর অনুভূতি অপটিক নার্ভ দিয়ে বাহিত হবার সময় তা ট্রাইজেমিনাল নার্ভকেও স্টিমুলেট করে, ফলে হাঁচি হয়।
কিন্তু কোন অসুস্থতার সাথে সম্পর্ক না থাকায় এই বিষয়টি নিয়ে তেমন গবেষণা হয় নি। তবুও, ১৯৬০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় এই বৈশিষ্ট্য আমাদের জিন বা বংশগতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, এবং এটি অটোজোমাল প্রকট বৈশিষ্ট্য। তাই বাবা বা মা যে কোন একজনের থাকলে অর্ধেক সন্তানে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমের আঁটি সাদা এবং তুলনামূলক দৃঢ় কেনো হয়?
যেসব কোষে সূর্যের আলো পোঁছায় না তাদের মধ্যে লিউকোপ্লাস্ট দেখা দেয়। আলোর সংস্পর্শে আসলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোফিলে পরিনত হয়। আমের আটিতে যেহেতু সূর্যের আলো পোঁছায় না তাই আমের আঁটিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকার কারণে সাদা দেখায়। আম একটি আবৃতবিজী উদ্ভিদ। সেক্ষেত্রে আমের আটির শক্ত হবার জন্য তো ট্রাকিড দায়ী। ধন্যবিস্তারিত পড়ুন
যেসব কোষে সূর্যের আলো পোঁছায় না তাদের মধ্যে লিউকোপ্লাস্ট দেখা দেয়। আলোর সংস্পর্শে আসলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোফিলে পরিনত হয়। আমের আটিতে যেহেতু সূর্যের আলো পোঁছায় না তাই আমের আঁটিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকার কারণে সাদা দেখায়।
আম একটি আবৃতবিজী উদ্ভিদ। সেক্ষেত্রে আমের আটির শক্ত হবার জন্য তো ট্রাকিড দায়ী।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনSave ও Save As এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Save ও Save As দুটোর কাজ একই তা হলো সংরক্ষণ করা। তবে এখানে Save As একটু ভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে পূর্বে Save কৃত ফাইল ভিন্ন নামে বা ভিন্ন লোকেশনে অথবা ভিন্ন এক্সটেনশনে সংরক্ষণ করার জন্য Save As ব্যবহৃত হয়। ধন্যবাদ!
Save ও Save As দুটোর কাজ একই তা হলো সংরক্ষণ করা। তবে এখানে Save As একটু ভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে পূর্বে Save কৃত ফাইল ভিন্ন নামে বা ভিন্ন লোকেশনে অথবা ভিন্ন এক্সটেনশনে সংরক্ষণ করার জন্য Save As ব্যবহৃত হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনSoftware এবং App এর মধ্যে পার্থক্য কি?
কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি করা হলে সেটাকে সফটওয়্যার (Software) বলা হয়। আর মোবাইলের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি হলে সেটাকে অ্যাপ (App) বলা হয়। ভিন্ন ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সফটওয়্যার এক্সটেনশন আলাদা হয়ে থাকে তেমনি ভিন্ন মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপ এক্সটেনশন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সফটওয়্বিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি করা হলে সেটাকে সফটওয়্যার (Software) বলা হয়। আর মোবাইলের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি হলে সেটাকে অ্যাপ (App) বলা হয়।
ভিন্ন ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সফটওয়্যার এক্সটেনশন আলাদা হয়ে থাকে তেমনি ভিন্ন মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপ এক্সটেনশন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সফটওয়্যার ও অ্যাপের কাজ একই। এগুলো এমন প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি যা একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারগুলো পরিচালনা করে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনএন্টিভাইরাস কি? কম্পিউটার অথবা মোবাইলের জন্য এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী?
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি : এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমবিস্তারিত পড়ুন
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি :
এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ইনফরমেশন ইত্যাদি) চুরি করে, আবার সফটওয়্যার এমনকি হার্ডওয়্যার অচল করে দেয়। এরকম বিভিন্ন পন্থায় ক্ষতি করে।
জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার :
সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার উপর ভিত্তি করে কিছু এন্টিভাইরাসের রেটিং নিচে দেয়া হলো।
Rating: 9.9
Rating: 9.8
Rating: 9.1
Rating: 8.8
Rating: 8.4
Rating: 8.2
Rating: 7.9
Rating: 7.6
Rating: 7.3
এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী :
এন্টিভাইরাস অবশ্যই জরুরী তবে, যদি তা সিস্টেমের পার্ফরমেন্স দুর্বল করে তোলে তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি। আমার মতে উইন্ডোজের (Windows 10,11) নিজস্ব যে Virus & Threat Protection এবং Firewall & Network Protection আছে সেটা একটিভ রাখা আর উইন্ডোজ আপডেট রাখাই যথেষ্ট। এতে পিসি স্লো হয়ে যাবেনা।
এছাড়াও আপনি নিজেই ডেটা সুরক্ষিত রাখতে পারেন কিছু একটিভিটি নজরে রাখতে পারলে। আপনার ইমেইলে কোন অপরিচিত মেইল আসলে সেটা ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি ওপেন করেই ফেলেন তাহলে মেইলে দেয়া উষ্কানিমূলক লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত টাকা পয়সার প্রলোভন থাকে এসব মেইলে। আবার অশ্লীল ছবিসহ লিংক থাকে। প্লিজ ডাউনলোড না করে সোজা স্পাম ফোল্ডারে পাঠিয়ে দিন।
কেন আপনার এক্সট্রা এন্টিভাইরাস ইউজ করার দরকার নাই তার ব্যাখ্যা নিচে দিলাম।
এরপরও যদি আপনার মনেহয় থার্ডপার্টি এন্টিভাইরাস ইউজ করবেন, তাহলে আপনাকে ঠেকাবে কে! আপনার ইচ্ছা।
শুভকামনা
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যাস্তের পর অন্ধকার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?
৮ মিনিট
৮ মিনিট
সংক্ষেপে দেখুনIs time travel possible, and if so, how could it hypothetically be achieved?
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics. One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connectবিস্তারিত পড়ুন
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics.
One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connect distant regions of the universe. If a wormhole were to exist and remain stable, it could potentially be used as a shortcut to travel through time as well as space. However, the practicality of using wormholes for time travel is still a subject of much debate and speculation.
Another possibility is through the manipulation of the space-time fabric itself. According to Einstein’s theory of relativity, the faster an object moves through space, the slower it experiences time. This is known as time dilation, and it has been observed and confirmed through experiments with high-speed particles. It is theoretically possible that if an object were to move at or near the speed of light, time would slow down so much that it would appear to travel into the future relative to a stationary observer. However, the energy required to accelerate an object to such high speeds is currently beyond our technological capabilities.
There are also theories that propose the existence of closed time-like curves, which are hypothetical paths through space-time that allow for travel back in time. However, the existence and practicality of such curves are still subject to much debate and are not widely accepted within the scientific community.
সংক্ষেপে দেখুনঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয় কেন?
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়। ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপবিস্তারিত পড়ুন
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপারটির কথা উল্লেখ করেন। Mpemba তার পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। Mpemba effect নিয়ে বেশ কিছু থিওরি প্রচলিত ছিল। যেমন- (১)গরম পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে আয়তনে কমে গিয়ে জমে যায়;(২) ঠাণ্ডা পানির উপর বরফ কণা জমে গিয়ে একে বাইরের পরিবেশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে; (৩) পানিকে গরম করার সময় আশ-পাশের বাতাসের কিছু অংশের কার্বন-ডাইঅক্সাইড দূরে সরে যায়।
সিঙ্গাপুরের Nanyang Technological University –র একদল পদার্থবিজ্ঞানী জি ঝেং এর নেতৃত্ব এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। তারা দেখেন, Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে পানির রাসায়নিক বন্ধন। পানির একটি অণুতে একটি অক্সিজেন পরমাণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। আবার পানির অণুগুলো নিজেদের মাঝে আবার দুর্বল হাইড্রোজেন বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। গবেষক দলটির মতে Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে হচ্ছে পানিতে থাকা এই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধনগুলো। তারা বলেন, যখন পানির অণুগুলোকে পরস্পরের খুব কাছে নিয়ে আসা হয় তখন পানির অণুগুলোর মাঝে প্রাকৃতিকভাবে একধরণের বিকর্ষণ তৈরি হয়। এর ফলে পানির অণুগুলোর পরমাণুগুলোর মাঝে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা টানটান হয়ে যায় ও শক্তি সঞ্চয় করে। যখন তরল পানিকে গরম করা হয় তখন পানির হাইড্রোজেন বন্ধনগুলো আরো বেশি ছড়িয়ে যেতে থাকে, পানির ঘনত্ব কমতে থাকে ও পানির অণুগুলো পৃথক হয়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পানির অণুগুলোর হাইড্রোজেন বন্ধন টান টান হয়ে যাওয়ায় পানির পরমাণুতে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা শিথিল ও সংকুচিত হয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে এদের মাঝে সঞ্চিত হওয়া শক্তি নির্গত হতে শুরু করে। আর শক্তি নির্গত হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আর পদার্থের শীতল হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত একই। এর ফলে তাত্ত্বিকভাবে এতদিন প্রচলিত ধারণা “ ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত শীতল হয়”- প্রমাণিত হয়। গবেষকরা গাণিতিকভাবে দেখান যে, পানিতে থাকা সমযোজী বন্ধনের শিথিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানির ক্ষেত্রে কম সময়ে ঘটে, যেকারণে ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত জমে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনতোতাপাখি এবং পত্রবাহক কবুতরের সংকর করলে কী হবে?
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
সংক্ষেপে দেখুনসূর্য থেকে হঠাৎ আলো আসা বন্ধ হয়ে গেলে তা আমরা অনুভব করতে পারি কতক্ষণ পর?
৮ মিনিট পর।
৮ মিনিট পর।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা সবসময় চাঁদের শুধুমাত্র একটি পৃষ্ঠ দেখতে পাই কেন? আমরা জানি চাঁদ নিজ অক্ষে আবর্তন করে তাহলে চাঁদের অপর পৃষ্ঠা কেন দেখা যায়না?
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।
চাঁদের আবর্তন
আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।
জোয়ার ভাটা
আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।
যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনOsmosis – WordPress Theme Download for FREE
Helpful for wp developers! Thanks for sharing 👍
Helpful for wp developers!
সংক্ষেপে দেখুনThanks for sharing 👍