সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ক্রিকেট মাঠের কোন পজিশনকে কি নামে ডাকা হয়?
CRICKET FILD POSITION
CRICKET FILD POSITION
সংক্ষেপে দেখুনঅপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসলে কিভাবে তার পরিচয় বের করতে পারি? আর অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসা বন্ধ করার কোন উপায় আছে কি?
ধান ৩টি উপায়ের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, বিভিন্ন এপস বা ওয়েবসাইট থেকে অচেনা মোবাইল নাম্বারের পরিচয় বের করার মাধ্যম। এপস বা ওয়েবসাইট দিয়ে পরিচয় বের করতে চাইলে, সেক্ষেত্রে True Caller খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। আপনারা হয়তো অনেকে এটার নাম জানেন। তবুও যারা জানেন না, তাদের জন্য আবার বলব আজ। True Caller ছাড়াও আরওবিস্তারিত পড়ুন
ধান ৩টি উপায়ের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, বিভিন্ন এপস বা ওয়েবসাইট থেকে অচেনা মোবাইল নাম্বারের পরিচয় বের করার মাধ্যম। এপস বা ওয়েবসাইট দিয়ে পরিচয় বের করতে চাইলে, সেক্ষেত্রে True Caller খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। আপনারা হয়তো অনেকে এটার নাম জানেন। তবুও যারা জানেন না, তাদের জন্য আবার বলব আজ।
True Caller ছাড়াও আরও ৫টি এপস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মোবাইল নাম্বার দিয়ে পরিচয় বের করতে পারবেন। ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে একদম ফ্রিতেই পরিচয় বের করা সম্ভব। আসুন এপস/ওয়েবসাইটগুলোর নাম ও কাজ সম্পর্কে জানা যাক।
ট্রু কলার এপ (True Caller)
True Caller হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল নাম্বার ট্রাকিং এপসগুলোর মধ্যে একটি। এই এপসটি কেনো এত জনপ্রিয়? আসুন সংক্ষেপে জানা যাক।
ধরুন, আপনি কারো মোবাইল নাম্বার জানার জন্য এপসটি ডাউনলোড করলেন। তারা আপনাকে ফ্রি সার্ভিসের মাধ্যমে মোবাইল নাম্বার থেকে অচেনা লোকটির নাম জানিয়ে দিল। কিন্তু দুনিয়ায় কি কেউ ফ্রি ফ্রি কাজ করে দেয়? নিশ্চয়ই না। তাহলে ট্রু-কলার কেনো দিল? কারণ, তারা আপনাকে মোবাইল নাম্বার থেকে পরিচয় জানানোর বিনিময়ে, আপনার ফোনের সব মোবাইল নাম্বার তাদের সার্ভারে সেইভ করে নিয়েছে।
আসল রহস্য আসা করি বুঝেছেন। বর্তমানে তাদের ৮৮+ মিলিয়ন ব্যবহারকারী আছে। তাহলে তাদের কাছে কতগুলো মোবাইল নাম্বার সেইভ করা আছে, একটু ভাবুন।
যাই হোক, আপনি True Caller দিয়ে অচেনা নাম্বার সহজে বের করতে পারবেন। এটা ছাড়াও আরও কিছু এপসের কথা নিচে বলছি, তবে একটা কথা। ট্রু-কলার নামানোর আগে, বন্ধু-বান্ধবির নাম্বারগুলো সুন্দরভাবে সেভ করে নিন। নইলে সবার নাম্বার কুত্তা-বিলাই নামে অটোমেটিক সেইভ হয়ে যাবে তাদের সার্ভারে। গুগল প্লে স্টোরে এপসটি সহজেই পেয়ে যাবেন।
মোবাইল নাম্বার লোকেটর (Mobile Number Locator)
Mobile Number Locator হচ্ছে মোবাইল নাম্বার জানার ও তার অবস্থান জানার একটি এপস। বিশেষ করে ট্রাকিং এর জন্য এটির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এই এপসটি Incoming & Outgoing Call এর সময়, মোবাইল নাম্বারের পরিচয় জানিয়ে দিতে পারে অনেকসময়। অর্থাৎ, অচেনা কেউ কল দিলেই তারনাম স্ক্রিনে ভেসে উঠতে পারে।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এটি চালাতে প্রায়ই সময় ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়না। তবে Google MAP এর মাধ্যমে এই এপস থেকে মোবাইল নাম্বারের লোকেশন জানতে অবশ্যই ডাটা কানেকশন লাগবে
হুসকল (Whoscall)
Whoscall হচ্ছে True Caller এর মত ২য় এপস। ২০১৯ সালে মার্কেটে এসেও, এদের বর্তমান ব্যবহারকারী প্রায় ৭০+ মিলিয়ন। অর্থাৎ খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। এটি আপনারা গুগল প্লে-স্টোরে পেয়ে যাবেন।এই Whoscall এপসটি Spam Call কে সহজেই Block করে দিতে পারে। এছাড়াও এর আলাদা কিছু ফিচার আছে। এপস নামালেই বুঝতে পারবেন।
ফাইন্ড এড ট্রেস (Find And Trace)
Find and Trace একটি ওয়েবসাইট, এটি কোন App নয়। এই ওয়েবসাইটটি শুধু মোবাইল নাম্বারই নয়; পাশাপাশি গাড়ি, ল্যান্ডলাইন, STD, ISD Code সহ ইত্যাদি খুব সহজেই খুঁজে দিতে পারে।
এই ওয়েবসাইটে ঢুকে আপনাকে বিরক্ত করা অচেনা মোবাইল নাম্বারটি লিখে সার্চ করলেই কাংখিত তথ্য পেয়ে যেতে পারেন। তবে এটি আগের দুটি এপস এর মত জনপ্রিয় না। তাই অনেকসময় অচেনা নাম্বারের তথ্য নাও পেতে পারেন।
এই এপস বা ওয়েবসাইটগুলো ছাড়াও আরো কিছু এপস এর মধ্যে রয়েছে Call App, Eyecon, Sync ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশি অনেকে Eyecon ব্যবহার করে থাকেন।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচয় বের করু
অনেকসময় সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমেও খুব সহজেই পরিচয় বের করা যায়। কারণ, এসবে একাউন্ত খুলতে মোবাইল নাম্বারের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য এপসগুলো হচ্ছে – Facebook, IMO, Vibre, Telegram, Whatsapp ইত্যাদি।
Facebook এর মাধ্যমে পরিচয় তেমন জানা যায়না, তবুও সার্চ করে দেখতে পারেন। অনেকসময় অনেকে নাম্বার হাইড করে রাখেনা। সেক্ষেত্রে আপনি সহজেই তাকে প্রোফাইলসহ গ্রেফতার করতে পারবেন, মানে পরিচয় জানতে পারবেন।
IMO তে পরিচয় জানা খুবই সহজ।
কারণ, বিশ্বের প্রায় ৪ (চার) কোটি মানুষ ইমো ব্যবহার করেন। তার মানে পৃথিবীর ৪ কোটি মানুষের নাম্বার ইমোতে সেভ করা আছে। তাও আবার ছবিসহ। আপনি যে নাম্বারটির পরিচয় জানতে চান, সেটিকে ইমোতে সার্চ করুন এবং পরিচয় ছবিসহ জেনে নিন।
Vibre, Telegram, Whatsapp এ মোবাইল নাম্বার জানতে হলে, অচেনা মোবাইল নাম্বারটি যেকোনো নামে মোবাইলে সেইভ করুন। সেই অচেনা নাম্বারে যদি সেসব একাউন্ট থাকে, তাহলে আপনি তার পরিচয় জেনে নিতে পারবেন।
ডিবি পুলিশ এর সরনাপন্ন হোন অথবা থানায় যান
যদি আপনাকে কেউ অতিরিক্ত বিরক্ত করে, তাহলে সোজা পুলিশের কাছে চলে যান। দেশের মধ্যে একমাত্র পুলিশই মোবাইল নাম্বারের পরিচয়সহ লোকেশন বের করতে ১০০% সক্ষম। তাই থানায় গিয়ে তাদেরকে আপনার সমস্যার কথা বলুন। তারা সর্বোচ্চ ৩ দিনের মধ্যেই অপরিচিত ব্যাক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
আর আপনাকে যদি ফোনে কেউ হুমকি দেয়, তাহলেও আপনি থানায় গিয়ে জিডি করতে পারেন। জিডি খরচ একদম ‘ফ্রি’।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের সৌরজগৎ কিভাবে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি পরিভ্রমণ করে?
আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘বিস্তারিত পড়ুন
আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘রাক্ষসের’ মত বলে মনে করেন অনেক বিজ্ঞানী। কেননা মিল্কিওয়ে গঠনের সময় এটি অনেক ছোট ছোট গ্যালাক্সি গ্রাস করে ফেলেছিল। এভাবে মিল্কিওয়ে বিস্তৃত হয়ে আজকের আকারে এসেছে। ১০০-৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্রের মিল্কিওয়ে সৃষ্টির ইতিহাস কেমন? কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই গ্যালাক্সির? চলুন জেনে নেই আমাদের সৌরজগতের আশ্রয়স্থল এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সম্পর্কে।
শিল্পীর তুলিতে চিত্রিত মিল্কিওয়ে।
লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের মতে, অ্যারিস্টটলের সময়ে ধারণা করা হত “Milkyway is such a spot where the celestial spheres came into contact with the terrestrial spheres.” অর্থাৎ ‘মিল্কিওয়ে এমন একটি জায়গা যেখানে মহাজাগতিক বস্তুরা পার্থিব বস্তুর সংস্পর্শে এসে মিলিত হয়।’ কিন্তু মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গার আসল পরিচয় উদঘাটন করতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ২০ শতক পর্যন্ত সময় লেগে যায় এবং তারা খুঁজে পান আকাশের অসংখ্য গ্যালাক্সির মধ্যে আকাশগঙ্গাও একটি! মহাবিশ্বের একদম শুরুর দিকে কোনো গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র ছিল না। বিগ ব্যাঙের পর মহাবিশ্ব ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত – তখন ছিল না কোনো পদার্থের অস্তিত্ব। ধীরে ধীরে মহাবিশ্ব শীতল হতে থাকে ও চারদিকে গ্যাস বিস্তৃত হতে থাকে। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় গ্যাস বেশি পরিমাণে সমবেত হতে থাকে এবং গ্যাসের গোলা তৈরি করতে থাকে। এক পর্যায়ে নক্ষত্রের উদ্ভব হয় ও নক্ষত্রগুলো একে অপরকে মহাকর্ষীয় বলে আকর্ষণ করে প্রকাণ্ড গুচ্ছের মত গঠন করে। এভাবে সৃষ্টি হয় একেকটি গ্যালাক্সি। শুরুর দিকের এমন নক্ষত্রের গুচ্ছকে বলা হয় Globular cluster (বর্তুলাকার স্তবক বা গ্লোবুলার স্তবক)। ধারণা করা হয়, মিল্কিওয়ের কিছু কিছু ক্লাস্টার একদম প্রাথমিক মহাবিশ্বে গঠিত হয়েছিল। অনেকগুলো ক্লাস্টার গ্যালাক্সির কোর গঠন করার পরেই মিল্কিওয়ে গঠিত হয়েছিল। এগুলোর দ্রুত ঘূর্ণনগতির ফলে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি একটি চ্যাপ্টা ডিস্কের মত আকৃতি ধারণ করে। অর্থাৎ সময়ের সাথে সাথে দুটি কাঠামোর উদ্ভব হয় – প্রথমত গোলাকার ‘হ্যালো’ ও পরবর্তীতে ঘন, উজ্জ্বল ডিস্ক। আমাদের সৌরজগতের অবস্থান এই ডিস্কের ভেতর। রাতের আকাশে মিল্কিওয়ের প্রান্তে যে দুধের মত সাদা ব্যান্ডটি দেখা যায় তা আসলে অসংখ্য অগণিত তারার সমষ্টি। আমাদের এই গ্যালাক্সিকে রোমানরা ‘Via Lactea’ বলতো যার অর্থ ‘The road of milk’। এমনকি দুধের গ্রীক পারিভাষিক শব্দ থেকে গ্যালাক্সি শব্দের উদ্ভব। যদিও এর পেছনে কোনো জোরালো প্রমাণ নেই যে ঠিক এই কারণেই মিল্কিওয়ের এমন নামকরণ করা হয়েছিল।
মিল্কিওয়ের সবচেয়ে পুরোনো নক্ষত্রগুলির অবস্থান হল গ্যালাকটিক হ্যালোর ভেতরে এবং তুলনামূলক নতুন নক্ষত্রগুলোর অবস্থান ডিস্কের মধ্যে। এটি প্রমাণ করে যে মিল্কিওয়ে যখন ভর অর্জন করতে থাকে তখন নক্ষত্রগুলোর এই দুই ধরণের অবস্থানের কারণে পারস্পারিক কক্ষপথের সৃষ্টি হয় এবং গ্যালাক্সির ঘূর্ণনের ওপর তা প্রভাব ফেলে। ফলে মিল্কিওয়ে একটি সর্পিল আকৃতি লাভ করে। এজন্য মিল্কিওয়েকে ‘Barred Spiral Galaxy’ বলা হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ৪টি মুখ্য স্পাইরাল বাহু রয়েছে – নরমা এবং সিগন্যাস, সাজিটারিয়াস, স্কিউটাম-ক্রাক্স, পারসিয়াস। স্পাইরাল বাহু এটি গ্যালাক্সির নতুন নক্ষত্র উৎপাদনের প্রধান জায়গা। স্পাইরাল বাহু নতুন, নীলাভ, উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নেবুলা দ্বারা সজ্জিত থাকায় স্পষ্টত দৃশ্যমান। এই গ্যালাক্সিতে বছরে ৭টার বেশি নক্ষত্রের জন্ম হয়। এর কেন্দ্রে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল Sagittarius A* বিদ্যমান।
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাস প্রায় ১০০০০০ আলোকবর্ষ এবং সূর্য এর কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৬০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। সূর্য তার পরিবারসহ গ্যালাক্সির দুটো মুখ্য স্পাইরাল বাহু পারসিয়াস ও সাজিটারিয়াস বাহুর মধ্যবর্তী গৌণ অরিয়ন-সিগন্যাস বাহুর ভেতরের প্রান্তে অবস্থিত। সূর্যের প্রায় ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর লাগে গ্যালাক্সির চারদিকে একবার ঘুরে আসতে। ধারণা করা হয়, প্রোটোস্টার (খুব অল্প বয়সী তারকা) অবস্থা থেকে অর্থাৎ সূর্যের জন্মলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০ বার এই গ্যালাক্সি ভ্রমণ করেছে। তাই কসমিক ইয়ার অনুযায়ী সূর্যের বয়স মাত্র ২০ বছর!
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বহু বছর পূর্বে একটি বড়সড় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, যার ফলে এতে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। এটি ‘Gaia Sausage’ নামে পরিচিত। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮-১০ বিলিয়ন বছর আগে মিল্কিওয়ের সাথে একটি বামন গ্যালাক্সির সংঘর্ষ হয় এবং বামন গ্যালাক্সিটি এই সংঘর্ষে টিকে থাকতে পারে নি। ফলে এর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে পুরো মিল্কিওয়ের মধ্যে। সসেজ আকৃতির হওয়ায় এটিকে বলা হয় ‘Sausage’ গ্যালাক্সি যার সর্বমোট ভর ছিল সূর্যের ভরের ১০ বিলিয়ন গুণেরও বেশি। বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় অন্তত ৮টি বৃহদাকার ক্লাস্টার মিল্কিওয়েতে এসেছে Sausage গ্যালাক্সি থেকে। মনে করা হয়, Sausage গ্যালাক্সি থেকে যেসব অবজেক্ট মিল্কিওয়েতে এসেছে সেগুলো মিল্কিওয়ের ভর ১০% বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংঘর্ষের ফলে মিল্কিওয়ের ডিস্কের ব্যাপক পরিবর্তন হয়। এর ফলে গ্যালাকটিক ডিস্কটির দুটি অংশ সৃষ্টি হয়। একটি পাতলা ডিস্ক ও আরেকটি পুরু ডিস্ক। পুরু ডিস্কের নক্ষত্রগুলো গ্যালাকটিক সমতলের সাপেক্ষে পাতলা ডিস্কের নক্ষত্রগুলোর চেয়ে গড়ে ২০ কিলোমিটার/সেকেন্ড বেশি গতিসম্পন্ন। প্রায় ১০ বিলিয়ন বছরের পুরনো নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পুরু ডিস্কে, অন্যদিকে তুলনামূলক কম বয়সী নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পাতলা ডিস্কে।
European Space Agency-র একটি স্পেস অবজারভেটরি হল ‘Gaia satellite’ যা মিল্কিওয়ের নক্ষত্রগুলোর ম্যাপিং ও খুঁটিনাটি বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও এর আদি অবস্থা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা অনেক তথ্যই দিয়েছেন। তবে মিল্কিওয়ের অনেক অজানা ঘটনা ও ১৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে ঠিক কীভাবে শুরু হয়েছিল মিল্কিওয়ের যাত্রা সেসব রহস্য উদ্ধার করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। এখন পর্যন্ত সেই ‘কসমিক ডার্ক এইজ’- যখন মহাবিশ্বে কোনো স্টার বা গ্যালাক্সি ছিল না, তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ও বিজ্ঞানের আরও অগ্রযাত্রার সাথে সাথে আমরা হয়ত ভবিষ্যতে মিল্কিওয়ের একদম শুরুর দিকের অবস্থা জানতে পারব!
সংক্ষেপে দেখুন