সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
‘বায়ো গ্যাস’ এর প্রধান উপাদান কি?
বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হল মিথেন বায়োগ্যাস সাধারণত প্রায় 50-70 শতাংশ মিথেন (CH4) এবং 25-45 শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) দিয়ে তৈরি, অন্য গ্যাসগুলির মধ্যে থাকে হাইড্রোজেন (H2), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), জলীয় বাষ্প (H2O), নাইট্রোজেন (N2), অক্সিজেন (O2), অ্যামোনিয়া (NH3)।
বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হল মিথেন
বায়োগ্যাস সাধারণত প্রায় 50-70 শতাংশ মিথেন (CH4) এবং 25-45 শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) দিয়ে তৈরি, অন্য গ্যাসগুলির মধ্যে থাকে হাইড্রোজেন (H2), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), জলীয় বাষ্প (H2O), নাইট্রোজেন (N2), অক্সিজেন (O2), অ্যামোনিয়া (NH3)।
সংক্ষেপে দেখুনName the vitamin which is not found in any non-vegetarian food?
Vitamin D is absent in all vegetables.
Vitamin D is absent in all vegetables.
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীকে আপনার সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী বলে মনেহয়?
অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন। এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দুবিস্তারিত পড়ুন
অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন।
এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দু’টুকরো করে দিতে সক্ষম।
সবচেয়ে বড় ব্যপার এদের সামনে যে-ই পড়ুক না কেন মেরে ফেলবে। খাওয়ার জন্য নয়, জাস্ট মজা করার বা আনন্দ নেয়ার জন্য। শুধু পূর্ণবয়স্ক বড়সড় হাতি রেহাই পেতে পারে। এরা কতটা বদমেজাজি ভিডিওতে দেখে নিন।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদে যদি বাতাস না থাকে তাহলে আমেরিকার পতাকা দুলছিল কেন?
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো। আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো।
আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণী সারা জীবনে পানি পান করে না?
ক্যাঙ্গারু র্যাট (Kangaroo Rat) বা ক্যাঙ্গারু ইঁদুর কারণ এদের পাওয়া যায় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না! এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতোবিস্তারিত পড়ুন
ক্যাঙ্গারু র্যাট (Kangaroo Rat) বা ক্যাঙ্গারু ইঁদুর
কারণ
এদের পাওয়া যায় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না!
এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতো একটা থলেও আছে, তবে সেটা পেটে নয় মুখের বাইরে। আর তারা এটিকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত খাদ্য বহন করে বাসস্থানে বা গর্তে নিয়ে যাওয়ার কাজে।
পানি পান না করে কিভাবে এরা বেঁচে থাকে
মরু অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদের শরীরবৃত্তীয় গঠন প্রণালী এমনভাবে সৃষ্টি যে তাদের বেঁচে থাকার জন্য খুবই সামান্য পরিমাণ পানির দরকার হয়। ঠিক একই ব্যাপার ক্যাঙ্গারু ইঁদুরের বেলায়ও প্রযোজ্য। জীবন ধারণের জন্য যে অতি সামান্য পরিমাণ পানি এদের দরকার তা এরা পেয়ে যায় এদের খাবার মরু উদ্ভিদের বীজ ও তার মূল থেকে। এগুলোতে যে অল্প পরিমাণ পানি থাকে তাই ওদের বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ট।
এদের দেহে কোনো স্বেদগ্রন্থি না থাকায় ঘামের আকারে কোনো পানিকণা এদের শরীর থেকে বের হতে পারে না। নিঃশ্বাস ফেলার সময় পানিকণাকে ঠাণ্ডা করে ঘনীভূত করার মাধ্যমে দেহের মধ্যে জমা রাখা এবং একই সঙ্গে প্রায় পানিবিহীন মলত্যাগ করার মতো চমৎকার ব্যবস্থাও এদের রয়েছে। তাই পানি পান না করেই ক্যাঙ্গারু ইঁদুর তার জীবন পার করে দিতে পারে।
সাধারণত ঝোপঝাড়ের কাছে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে এরা বাস করে। নিশাচর জীবনযাপন তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। এরা সারাদিন গর্তে ঘুমিয়ে কাটায় আর রাতে খাবারের খোঁজে বের হয়।
এরা খুব বেশীদিন বাঁচে না। বন্য পরিবেশে এদের গড় আয়ু মাত্র ২ থেকে ৫ বছর। জাত ভেদে এদের আকার সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি হয়, আর গড় ওজন হয় ৩৮ গ্রাম থেকে ১৭০ গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এদের ২২টির মতো প্রজাতি রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন বিজ্ঞানকে মাঝে মাঝে ‘কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান’ বলা হয়?
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে। জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চবিস্তারিত পড়ুন
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে।
জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয় ও নিরাময় রসায়ন যুক্ত। সকল বস্তু অনু পরমাণু নামক ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। এই বস্তু নিয়ে পদার্থবিজ্ঞান কাজ করে। তাছাড়া কম্পিউটারের মেমোরি তৈরিতে সেমিকন্ডাকটর হিসেবে সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় যা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। অনু-পরমানু, পদার্থের পরিমাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ গণিতের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সকল শাখার সঙ্গে রসায়নের সম্পর্ক রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবাতাসে কোন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয়ে যায়?
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
সংক্ষেপে দেখুনটেলিভিশনে প্রথম কোন খেলনার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল?
১৯৫২ সালে টেলিভিশনে প্রথম খেলনার বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়। সেই প্লাস্টিক খেলনাটির নাম ছিল- ‘Mr. Potato Head’, তৈরি করেছিলেন নিউইয়র্কের জর্জ লার্নার। Mr. Potato Head উত্তর পছন্দ হলে লাইক দিন।
১৯৫২ সালে টেলিভিশনে প্রথম খেলনার বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়। সেই প্লাস্টিক খেলনাটির নাম ছিল- ‘Mr. Potato Head’, তৈরি করেছিলেন নিউইয়র্কের জর্জ লার্নার।
উত্তর পছন্দ হলে লাইক দিন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে বসে থেকে বা পৃথিবীর বাইরে না গিয়ে আমি কিভাবে বুঝবো পৃথিবী গোলাকার?
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো।
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন ছায়া রাউন্ড শেপের হয় কেন? তাহলে নিচের ছবিটি থেকে ধারণা নিতে পারেন।
উপরের যুক্তি খুবই পুরনো। এরকম পুরনো আরও একটি যুক্তি হলো সাগরের দূর থেকে ভেসে আসা কোন জাহাজকে দূরবীন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমে মাস্তুল এরপর ধীরে ধীরে পুরো জাহাজটিকে দেখা যায়। পৃথিবীর বক্রতাজনিত কারণে এমন হয়। যদি পৃথিবী সমতল হত তাহলে একবারে পুরো জাহাজকেই দেখা যেত।
এগুলো ছিলো প্রাথমিক প্রমাণ পৃথিবী গোলাকার বোঝাতে। এরপরও বিশ্বাস না হলে আপনি নাসা’র সাথে যোগাযোগ করে রকেটে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশন থেকে পৃথিবীকে দেখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুনআয়নার রং কি?
আয়নার রঙ সবুজ আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
আয়নার রঙ সবুজ
আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি মহাকাশে একটি বন্দুক দিয়ে ফায়ার করতে পারেন?
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে। ১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে। অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অকবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে।
১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে।
অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অক্সিডাইজার পদার্থ দেয়া থাকে। তাই, মহাকাশে গুলি ছোড়ার ব্যাপারে কোন প্রযুক্তিগত সমস্যা নেই।
২. বিস্ফোরণের ধোঁয়াও গোলক হয়ে ভেসে থাকবে বন্দুকের নলের সামনে।
৩. বন্দুক থেকে গুলি বের হওয়ার বিপরীতি প্রতিক্রিয়ায়, যিনি গুলি ছুড়েছেন তিনি ঠিক উল্টো দিকে ছিটকে যাবেন। এখন প্রশ্ন করা যেতে পারে, এই ছিটকে যাওয়ার গতি কতটা হতে পারে? এক্ষেত্রে যে বন্দুক থেকে গুলি করা হচ্ছে সেই গুলির গতিবেগ জানতে হবে। একে-৪৭ থেকে বের হওয়া গুলির গতি থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৬শ মাইল। তাই মহাশূন্যে একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার পর, যিনি গুলি ছুড়বেন তাকে ঘণ্টায় প্রায় শূন্য দশমিক ০৬৮ মাইল গতিবেগে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।অন্যদিকে পয়েন্ট ফাইভ জিরো ক্যালিবার পিস্তল থেকে বের হওয়া বন্দুকের গুলির গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৩০ মাইল। অর্থাৎ, এর গুলির গতিবেগ একে-৪৭ এর গুলির বেগের চেয়ে কম। কিন্তু স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের বুলেটের ওজন একে-৪৭ এর বুলেটের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ। এর ফলে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন পিস্তল থেকে গুলি ছুড়লে, একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার দ্বিগুণ গতিতে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।
৪. মহাকাশে যেহেতু বায়ুমণ্ডল নেই, তাই গুলির আওয়াজ শোনার সৌভাগ্য হবেনা আপনার।
৫. হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও এসইটিআই ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাতিজা কুকের মতে, মহাবিশ্ব যেহেতু ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। তাই, নক্ষত্র সিস্টেমের বাইরে গিয়ে গুলি করলে, গুলি চলার পথে কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণে বাঁধা পড়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। গ্রহ বা নক্ষত্রের মতো মহাজাগতিক বস্তুর মহাকর্ষ ক্ষেত্রে না পড়া পর্যন্ত গুলির সরল রৈখিক গতি বজায় থাকবে।
তবে যদি কোন গ্রহের কক্ষপথ থেকে গুলি করা হয়, তাহলে কক্ষপথ ঘুরে যিনি গুলি ছুড়েছেন তার পিঠেই গুলিটি বিদ্ধ হতে খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না। তাই, মহাকাশে দেখে, বুঝে গুলি করুন।
ধন্যবাদ! উত্তরটি ভালো লাগলে সেরা উত্তর করে দিতে ভুলবেন না কিন্তু!
সংক্ষেপে দেখুনজমজম বলতে কী বোঝায়?
জমজম অর্থ জমজম অর্থ সরগরম হইয়া উঠা। এখানে পানির সরগরম হইয়া উঠাকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচে পানির ফোয়ারা দেখে হাজীরা বলেছিলেন, জমজম (হিব্রু ভাষায়- থাম থাম)। অনেকের ধারণা, এ থেকেই এর নাম জমজম হয়েছে।
জমজম অর্থ
জমজম অর্থ সরগরম হইয়া উঠা। এখানে পানির সরগরম হইয়া উঠাকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচে পানির ফোয়ারা দেখে হাজীরা বলেছিলেন, জমজম (হিব্রু ভাষায়- থাম থাম)। অনেকের ধারণা, এ থেকেই এর নাম জমজম হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনএকমাত্র সাহাবা কে যার নাম কুরআনে উল্লেখ আছে?
জমজম অর্থ জমজম অর্থ সরগরম হইয়া উঠা। এখানে পানির সরগরম হয়ে উঠাকে বোঝানো যেতে পারে। শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচে পানির ফোয়ারা দেখে হাজীরা বলেছিলেন, জমজম (হিব্রু ভাষায়- থাম থাম)। অনেকের ধারণা, এ থেকেই এর নাম জমজম হয়েছে।
জমজম অর্থ
জমজম অর্থ সরগরম হইয়া উঠা। এখানে পানির সরগরম হয়ে উঠাকে বোঝানো যেতে পারে।
শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচে পানির ফোয়ারা দেখে হাজীরা বলেছিলেন, জমজম (হিব্রু ভাষায়- থাম থাম)। অনেকের ধারণা, এ থেকেই এর নাম জমজম হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনএকমাত্র সাহাবা কে যার নাম কুরআনে উল্লেখ আছে?
যায়েদ বিন হারিসা (আরবি: زيد بن حارثة), বা, যায়েদ মাওলা মুহাম্মদ (৫৮১ - ৬২৯) ছিলেন ইসলাম এর নবী মুহাম্মাদ (সা)-এর একজন সাহাবি ও তার পালিত পুত্র। তিনিই একমাত্র সাহাবি যার নাম আল-কুরআনে এসেছে।
যায়েদ বিন হারিসা (আরবি: زيد بن حارثة), বা, যায়েদ মাওলা মুহাম্মদ (৫৮১ – ৬২৯) ছিলেন ইসলাম এর নবী মুহাম্মাদ (সা)-এর একজন সাহাবি ও তার পালিত পুত্র। তিনিই একমাত্র সাহাবি যার নাম আল-কুরআনে এসেছে।
সংক্ষেপে দেখুনমহাবিশ্বের কেন্দ্র কোথায়?
দুঃক্ষিত, মহাবিশ্বের কোন কেন্দ্র নেই! কসমোলজির আদর্শ থিওরি অনুযায়ী ১৪ শত কোটি বছর আগে একটি বৃহৎ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু। তার পর থেকেই মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু তবু প্রসারণের নেই কোন কেন্দ্র।
দুঃক্ষিত, মহাবিশ্বের কোন কেন্দ্র নেই!
কসমোলজির আদর্শ থিওরি অনুযায়ী ১৪ শত কোটি বছর আগে একটি বৃহৎ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু। তার পর থেকেই মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু তবু প্রসারণের নেই কোন কেন্দ্র।
সংক্ষেপে দেখুনকুরআনের কোন সূরাটি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তেলাওয়াত করেছিলেন যখন তাঁর একজন শত্রু উতবা তা শুনে সেজদায় পড়ে গিয়েছিল?
আমি নিশ্চিত নই। তবে সূরা হা-মীম সেজদাহ্ বা সূরা ফুস্সিলাত হতে পারে। আমি কি সঠিক?
আমি নিশ্চিত নই। তবে সূরা হা-মীম সেজদাহ্ বা সূরা ফুস্সিলাত হতে পারে। আমি কি সঠিক?
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে কত টাকা আছে?
75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার Well, it’s difficult to figure out the accurate number, but that amount has a special name and divided into four categories i.e., M0, M1, M2, and M3. M0: এটি অর্থ সরবরাহের ক্ষুদ্রতম পরিমাপ যা সমষ্টিগত বিবর্তিত মুদ্রা এবং ব্যাঙ্কনোট অন্তর্ভুক্ত করে। এই পরিমাণ ৫ ট্রিলিয়ন মারবিস্তারিত পড়ুন
75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
Well, it’s difficult to figure out the accurate number, but that amount has a special name and divided into four categories i.e., M0, M1, M2, and M3.
M0: এটি অর্থ সরবরাহের ক্ষুদ্রতম পরিমাপ যা সমষ্টিগত বিবর্তিত মুদ্রা এবং ব্যাঙ্কনোট অন্তর্ভুক্ত করে। এই পরিমাণ ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য বেশি। এটি সত্যিই বিশাল, কিন্তু এটি আমাদের মানুষের খরচ করার জন্য মোট অর্থের 10 শতাংশেরও কম।
M1: এর মধ্যে রয়েছে সমস্ত ফিজিক্যাল টাকা, ডিমান্ড ডিপোজিট, চেকিং অ্যাকাউন্ট এবং NOW (উত্তোলনের আলোচনা সাপেক্ষ অর্ডার) অ্যাকাউন্ট। M1 অনুমান করা হয় 25 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।
M2: এটি একটি বিস্তৃত অর্থ শ্রেণিবিন্যাস যাতে M1 প্লাস সম্পদ রয়েছে যা দ্রুত ক্যাশ করা যায় না, উদাহরণস্বরূপ, সঞ্চয় আমানত, মানি মার্কেট মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি। M2 60 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য বলে অনুমান করা হয়।
M3: এতে M2 প্লাস প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ বাজার তহবিল, বড় সময়ের আমানত, স্বল্পমেয়াদী পুনঃক্রয় চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। M3 বিশ্বব্যাপী অর্থ সরবরাহ 75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য বলে অনুমান করা হয়।
মজার ঘটনা: 23 আগস্ট 1994-এ কে ফাউন্ডেশনের দ্বারা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পরিমাণ নগদ পোড়ানো হয়েছে এক মিলিয়ন পাউন্ড।
সংক্ষেপে দেখুনবিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়?
কি দিয় তৈরী হয় বলি নাহি
কি দিয় তৈরী হয় বলি নাহি
সংক্ষেপে দেখুনবিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়?
বিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়? কোন দেশে তৈরী হয়?
বিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়? কোন দেশে তৈরী হয়?
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের মুখের ভাষা কেমন করে বদলেছিলো ?
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
সংক্ষেপে দেখুন