জরিপের ফলাফল
ভোট দেয়ার এবং ফলাফল জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগ ইন করতে হবে।
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
মনের চঞ্চলতা দূর করে মন কে শান্ত করতে নিয়মিত ভাবে ধ্যান করা একটি উপায়। কীভাবে ধ্যান করতে হবে, সেটা একজন দক্ষ গুরুর নির্দেশে অভ্যাস করা প্রয়োজন। বইপত্র ঘেঁটে বা ইউটিউবে দেখে বা কারো কাছ থেকে শুনে,ধ্যানের চেষ্টা করা যেতে পারে। কিন্তু, সেটা কতটুকু কাজে লাগবে, সেটা নিশ্চিত নয়। একটা কথা খুবই গুরুত্বপবিস্তারিত পড়ুন
মনের চঞ্চলতা দূর করে মন কে শান্ত করতে নিয়মিত ভাবে ধ্যান করা একটি উপায়।
কীভাবে ধ্যান করতে হবে, সেটা একজন দক্ষ গুরুর নির্দেশে অভ্যাস করা প্রয়োজন। বইপত্র ঘেঁটে বা ইউটিউবে দেখে বা কারো কাছ থেকে শুনে,ধ্যানের চেষ্টা করা যেতে পারে। কিন্তু, সেটা কতটুকু কাজে লাগবে, সেটা নিশ্চিত নয়।
একটা কথা খুবই গুরুত্বপূর্ন যে ধ্যানের চেষ্টা করা এবং ধ্যান করা বা ধ্যানস্থ হওয়া, এ দুটোর মাঝে আকাশ, পাতাল তফাৎ। শান্ত পরিবেশে চুপ করে বসে থাকতে ভালো লাগতে পারে, মনের আরাম হতে পারে, কিন্তু, relaxation of mind and meditation, these two can’t be mingled.
বছরের পর বছর ধ্যানের অভ্যাস করেও প্রাপ্তি কিছুই না ও হতে পারে। কতক্ষণ ধ্যান করতে হবে সে ব্যপারে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কেউ বলেন আধ ঘন্টা, কেউ বলেন একঘন্টা, ইত্যাদি। মুল কথাটি হচ্ছে ধ্যান করতে বসে, মন কে চিন্তা শুন্য করতে যদি পাঁচ মিনিট লাগে, সেই পাঁচ মিনিটই যথেষ্ঠ। Quantity নয়, Quality হচ্ছে priority।
সুতরাং, যোগ্য গুরুর অধীনেই ধ্যানের শুরুটা হওয়া চাই। কেমন গুরু ? তেমন গুরু, যিনি নিজে ধ্যানস্থ হতে জানেন আবার তিনি চাইলে, মুহুর্তেই শিষ্য কে ও ধ্যানস্থ করে রাখতে জানেন।
নদীর ধারে ধ্যান করতে বসেছেন এক শিষ্য, কিছুতেই মন কে বশে আনতে পারছেন না। স্মরণ করলেন গুরুদেব কে। মুহুর্তেই উপস্থিত গুরু। জিজ্ঞেস করলেন কী সমস্যা ? শিষ্য : “কিছুতেই মন শান্ত হচ্ছে না”। গুরু, তাঁর তর্জনী দিয়ে শিষ্যের কপাল স্পর্শ করলেন। সাতদিন হুঁশ নেই শিষ্যের, নদীর ধারেই ধ্যানস্থ হয়ে সাতদিন কেটে গেলো শিষ্যের।
সারাজীবন চেষ্টা করেও, ধ্যান না ও হতে পারে। কারণ, Meditation is a blissful chapter of life. Meditation can’t be made up, it happens by chance।
সুতরাং, ধ্যানের বিষয়ে একজন যোগ্য গুরুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করাই একমাত্র পথ।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি উপদেশ ? উপদেশ দেয়ার ধৃষ্টতা রাখি না ভাই। পরামর্শ হিসাবে... নিজের চাইতে ভালো অবস্থানে থাকা কারোর সাথে নিজের অবস্থা তুলনা করা থেকে বিরত থেকে, নিজের চাইতে খারাপ অবস্থানে থাকা কারোর সাথে নিজের তুলনা করা উচিৎ। তাতে, জীবনের অনেক দুঃখ লাঘব হয়ে যাবে। নিজের অবস্থানটি সর্বোত্তম মনে হবে। ধন্যবাদ।
একটি উপদেশ ?
উপদেশ দেয়ার ধৃষ্টতা রাখি না ভাই। পরামর্শ হিসাবে…
নিজের চাইতে ভালো অবস্থানে থাকা কারোর সাথে নিজের অবস্থা তুলনা করা থেকে বিরত থেকে, নিজের চাইতে খারাপ অবস্থানে থাকা কারোর সাথে নিজের তুলনা করা উচিৎ। তাতে, জীবনের অনেক দুঃখ লাঘব হয়ে যাবে। নিজের অবস্থানটি সর্বোত্তম মনে হবে।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়। এরকম হওয়ার কারণ: ১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকেবিস্তারিত পড়ুন
একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়।
এরকম হওয়ার কারণ:
১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকের solvency দুর্বল হতে থাকে। এইভাবে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ যখন বাড়তে থাকে এবং একটা সময়ে যদি দেখা যায় অনাদায়ী ঋণের টাকা বাদ দিয়ে, ব্যাংকের কাছে যে টাকা রয়েছে এবং অন্যান্য assets যথা shares, security এসবের total value মিলিয়েও ব্যাংকে জমা রাখা গ্রাহকের টাকা ফিরিয়ে দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য ব্যাংকের নেই সেক্ষেত্রে, ব্যাংকটি liquidation এ চলে যাবে, insolvent বা দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হবে।
সাধারণত: আজকাল এরকম হয় না। কারণ, ব্যাংকগুলো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এরকম একটা অবস্থায় যাতে ব্যাংক চলে না যায়, সেজন্য pro-active steps নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: যদি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায় সেক্ষেত্রে গ্রাহকের টাকা কী হবে?
ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকের টাকা দেশের সরকার কর্তৃক ইন্স্যুরেন্স করা থাকে এবং কোনো ব্যাংক যদি ফেইল করে যায়, তখন সরকারের তরফ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অবধি টাকা গ্রাহককে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
ভারতে DICGC (Deposit Insurance Credit Guarantee Corporation) এর নিয়মানুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা অবধি গ্রাহককে ফেরৎ দেয়া হয়।
অর্থাৎ, যিনি ওই দেউলিয়া ব্যাংকে দুই লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি দুই লক্ষ টাকা অবধি ফেরত পাবেন। কিন্তু, যিনি ওই ব্যাংকে কুড়ি লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি ওই maximum limit অর্থাৎ পাঁচ লক্ষ টাকা ফেরত পাবেন।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুনআমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি। মঙ্গলে কোন ম্যাগনেটিক ফিল্ড নেই কোন গ্রাভিটি নেই বিষাক্ত মাটি গাছপালাদের জন্য নাইট্রোজেন নেই পর্যাপ্ত বায়ুমণ্ডল নেই, যতটুকু আছে তাতে প্রয়োজনীয় গ্যাস বিদ্যমান নেই ঠান্ডা, খুবই তীব্র ঠান্ডা পানি নেই আপনবিস্তারিত পড়ুন
আমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি।
আমি জানিনা কারা এরকম কথা বলে। কিন্তু যারা বলে তারা কখনোই এটা সম্ভব করতে পারবে না।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে। অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শবিস্তারিত পড়ুন
ধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে।
অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শুরু করা যাক!
কিন্তু আপনি ভয় পাবেন না! এই ঘটনাগুলোর কিছুই আপনি টের পাবেন না। কারণ মানব দেহের ৬০% হলো অক্সিজেন। আমাদের কোষ, ডিএনএ এমনকি সবখানেই অক্সিজেনের উপস্থিতি বিদ্যমান। তাই, অক্সিজেন না থাকলে সাথে সাথেই আপনি শুধু ধুসর আবর্জনায় পরিণত হবেন। শুধু ১০ সেকেন্ড কেন, এর চেয়ে কম সময়ে অক্সিজেনের অনুপস্থিতি পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিলীন করার জন্য যথেষ্ট!
এরকম প্রশ্ন আরও চাই ✌️
ধন্যবাদ!
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্বিস্তারিত পড়ুন
চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্তুতি মহড়া। গত বছর আগস্টে যখন মার্কিন হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করেন, তখনও চীন তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এরই জের ধরে শুরু হয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র চিপ যুদ্ধ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন- চীনের তাইওয়ান আক্রমণ নিকটবর্তী তা বলা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদে হয়তো চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করতে পারে, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে চীনের কৌশলগত ও নীতিগত অবস্থান তাইওয়ানে আক্রমণের দিকে নিয়ে যেতে পারে, এমন ধারণার বিপরীত মত বিশ্লেষকদের।
চীন এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে যেখানে শুধু উন্নত দেশের নেতৃত্ব থাকবে না, বরং থাকবে উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বও। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে চীনের বন্ধুরূপে আবির্ভাব, করোনা মহামারীর সময়ে চীনের মাস্ক ডিপ্লোম্যাসির দ্বারা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানো ইত্যাদি চীনের শক্ত সফট পাওয়ার কৌশল নির্দেশ করে।
তাছাড়া চীন বোঝাতে চায় যে তার নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থায় বন্ধু দেশের সরকারব্যবস্থায় চীন নাক গলাবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন গণতন্ত্র চাপিয়ে দিতে চায়, চীনের ভাষ্যমতে তারা এটি করবে না। রাশিয়া যেমন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেয়ায় নিরাপত্তা হুমকি মনে করে আক্রমণ করে, সেদিক থেকে চীন একটু ভিন্ন। বরং চীন মনে করে- তাইওয়ান তাদের অংশ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড তারা বন্ধ করবে।
তাইওয়ান পৃথিবীর ৯০ শতাংশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন করে। চীনের তাইওয়ান আক্রমণ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করলে তা ক্রেতা দেশে চীনের সুনাম নষ্ট করবে। চীনের সাথে তাইওয়ানের বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে। তাইওয়ানের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ২৬ শতাংশ হয় চীনের সাথে। চীনের পণ্যের একটি বড় ক্রেতা তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীনও তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টরের অন্যতম ক্রেতা রাষ্ট্র। চীনের বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর ক্রয়ের পরিমাণ তেল ক্রয়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনা বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে সুপারপাওয়ারের প্রভাবমুক্ত, অর্থাৎ দেশটি হতে পারে রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আবার গণতন্ত্র। আবার চীনের নেতৃত্বের বিশ্বে এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব থাকবে না। এখন চীন যদি তাইওয়ান আক্রমণ করে, তাহলে তার জন্য ভুল সিদ্ধান্ত হবে এই কারণে, তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিক দেশ, মার্কিন প্রভাব বলয়ের একটি দেশ।
তাই বলা যায়, অদূর ভবিষ্যতে চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে চীনের তাইওয়ান আক্রমণের সম্ভাব্যতা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
সংক্ষেপে দেখুনজীবনে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে আর নিজেকে সবসময় ভালো রাখতে নিচের ৭ ধরণের মানুষকে সবসময় এড়িয়ে চলুন। যখন দেখবেন, কেউ নিজের ঢোল নিজেই পেটাচ্ছে। যখন দেখবেন, কেউ অন্যকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে নিজেই বক বক করে যাচ্ছে। যখন দেখবেন, কেউ নিজের অবস্থনকে আপনার অবস্থানের তুলনায় উচুতে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে পরেছেন। যখনবিস্তারিত পড়ুন
জীবনে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে আর নিজেকে সবসময় ভালো রাখতে নিচের ৭ ধরণের মানুষকে সবসময় এড়িয়ে চলুন।
ভালো থাকবেন!
সংক্ষেপে দেখুন'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন
‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!
তাহলে যুক্তিটা কি?
প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।
এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।
সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)
বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।
তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)
= ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)
মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)
তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।
চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।
বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-
এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।
এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :
১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)
তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক
এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।
এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-
এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।
তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।
একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!
মূলঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুনম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ত দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, s দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, জ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ন দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নবিস্তারিত পড়ুন
এটি দাদ (দাউদ) এবং চুলকানির ওষুধ। ফ্লুগাল ১৫০ ট্যাবলেট এর প্রতিটির দাম প্রায় ২২ টাকা। flugal 150 সহ যেকোন ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সাথে থাকতে হবে। বি.দ্রঃ যেকোন ওষুধ সেবন করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।
এটি দাদ (দাউদ) এবং চুলকানির ওষুধ। ফ্লুগাল ১৫০ ট্যাবলেট এর প্রতিটির দাম প্রায় ২২ টাকা। flugal 150 সহ যেকোন ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সাথে থাকতে হবে।
বি.দ্রঃ যেকোন ওষুধ সেবন করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।
সংক্ষেপে দেখুনযারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।
প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা
প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।
প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।
প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।
AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।
গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।
গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুনউত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।
আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।
আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।
যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবুর্জ খলিফা বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো। বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাবিস্তারিত পড়ুন
বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
বিল্ডিংয়ের ৩.৭-মিটার পুরু কংক্রিট ফাউন্ডেশন ১৯৪টি স্তম্ভ, কাস্ট-ইন-প্লেস পাইলিং দ্বারা নির্মিত। বুর্জ খলিফার ওয়েবসাইট অনুসারে, এই পাইলিংগুলির ব্যাস ১.৫ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৪৩ মিটার, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবহৃত স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। এরকম কাঠামোটি ৭.০ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে।
ফলস্বরূপ, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প অত্যন্ত শক্তিশালী। মনে রাখবেন এটি একটি লগারিদমিক (বেস ১০) স্কেল। একটি ১০.০ মাত্রার ভূমিকম্প ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে।
এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল ১৯৬০ সালে চিলির। এটি ৯.৫ মাত্রার ভূকম্পন ছিল। তারমানে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প কয়েকগুণ বেশি এবং আরও শক্তিশালী হবে। সুতরাং, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় অসম্ভব বলা যায়।
এরপরও যদি দুবাইতে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তবে বুর্জ খলিফা অবশ্যই ভেঙ্গে পড়বে। কারণ এটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য!
সংক্ষেপে দেখুনমহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে। এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি। একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরাবিস্তারিত পড়ুন
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে।
একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরা হলো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন
ফেসবুক আইডি এবং ফেসবুক পেজের মধ্যে পার্থক্য কী? 1. ভূমিকা: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ 1.1 ফেসবুক কি? বেসিক দিয়ে শুরু করা যাক। ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের বন্ধু, পরিবার এবং অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি ফটো এবং ভিডিবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুক আইডি এবং ফেসবুক পেজের মধ্যে পার্থক্য কী?
1. ভূমিকা: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ
1.1 ফেসবুক কি?
বেসিক দিয়ে শুরু করা যাক। ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের বন্ধু, পরিবার এবং অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি ফটো এবং ভিডিও শেয়ার করতে পারেন এবং আপনার সামাজিক বৃত্তে যা ঘটছে তার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন৷
1.2 ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির ওভারভিউ
ফেসবুকের বিশাল বলয়ের মধ্যে দুটি প্রধান সত্তা রয়েছে: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ। এই দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্য পরিবেশন করে এবং ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে। এই পোস্টে আমরা প্রতিটির বিশদ বিবরণে ডুব দেব এবং তাদের রহস্যগুলি উন্মোচন করব।
2. ফেসবুক আইডি: ব্যক্তিগত প্রোফাইল এবং বৈশিষ্ট্য
2.1 একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা
ফেসবুকের বিস্ময়কে পুরোপুরি এক্সপ্লোর করতে আপনার একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন। একটি ফেসবুক আইডি তৈরি করা অত্যন্ত সহজ। শুধু ফেসবুক ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপে যান, নিজের সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য দিন, একটি প্রোফাইল ছবি সিলেক্ট করুন। ব্যাস্, আপনি আনুষ্ঠানিকভাবে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে ফেললেন।
2.2 ব্যক্তিগত প্রোফাইল সেটআপ এবং কাস্টমাইজেশন
একবার আপনার অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গেলে, এবার এটিকে নিজের করে নেওয়ার সময়। আপনি একটি কভার ফটো যোগ করতে পারেন যা আপনার শৈল্পিক দিক (অথবা বিড়ালের প্রতি আপনার ভালবাসা) প্রদর্শন করে। আপনার লাইফস্টাইল আপডেট করুন। সাথে যুক্ত করতে পারেন আপনার প্রিয় চলচ্চিত্র, টিভি শো এবং বইগুলির তালিকা।
2.3 বন্ধুদের সাথে সংযোগ করা এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করা
এবার মজার অংশ – বন্ধুদের সাথে সংযোগ! আপনি আপনার বন্ধুদের নাম, ইমেল ঠিকানা বা ফোন নাম্বার ব্যবহার করে অনুসন্ধান করতে পারেন। বন্ধুকে অনুরোধ পাঠাতে পারেন এবং তাদের পোস্টগুলির মাধ্যমে একটি অন্তহীন স্ক্রোলিং সেশন শুরু করতে পারেন৷ এছাড়াও, আপনি তাদের পোস্টগুলো লাইক, মন্তব্য এবং শেয়ার করতে পারেন।
2.4 প্রাইভেসি সেটিংস এবং অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা
যেহেতু আপনি একজন দায়িত্বশীল ফেসবুক ব্যবহারকারী,তাই আপনি আপনার প্রাইভেসি এবং অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবেন। ফেসবুক অনেকগুলি সেটিংস অফার করে যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেয় কে আপনার পোস্টগুলি দেখতে পারে, কে আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবে ইত্যাদি আরও অনেক কিছু… মনে রাখবেন, শেয়ারিং এবং ওভারশেয়ারিং-এর মধ্যে সেই নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
3. ফেসবুক পেজ: উদ্দেশ্য এবং কাজ
3.1 ফেসবুক পেজ
ফেসবুক পেজগুলি ব্যবসা, সংস্থা, সেলিব্রিটি ইত্যদি প্রচার করার কাজে ব্যবহৃত হয়। একটি ফেসবুক পেজ আপনার ব্র্যান্ড প্রদর্শন, আপডেট শেয়ার এবং আপনার ফলোয়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
3.2 একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করা
একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করা একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার মতোই, তবে কিছু টুইস্ট আছে। আপনার একটি আকর্ষণীয় পেজর নাম, একটি ক্যাটাগরি যা আপনার পেজর উদ্দেশ্যকে সর্বোত্তমভাবে বর্ণনা করে এবং আপনার পেজটিকে ফেসবুক-এর বিশাল সমুদ্রে আলাদা করে তোলার জন্য কিছু নজরকাড়া ছবির প্রয়োজন হবে৷
3.3 পেজ ড্যাশবোর্ড নেভিগেট করা
একবার আপনার পেজটি চালু হয়ে গেলে, আপনি পেজ ড্যাশবোর্ড নামে একটি জাদুকরী জায়গায় অ্যাক্সেস পাবেন৷ এখানে, আপনি আপনার পেজর কার্যক্রম নিরীক্ষণ করতে পারবেন। মেসেজ এবং কমেন্টগুলোতে রিয়্যাকশন দিতে পারেন এবং আপনার ফলোয়ারদের আপডেট দিতে পোস্টের সময়সূচী তৈরি করতে পারেন৷ এটি পেজ সম্পর্কিত সমস্ত জিনিসের জন্য আপনার নিজস্ব কমান্ড সেন্টার থাকার মতো।
3.4 পেজর ভূমিকা এবং অনুমতি পরিচালনা করা
আপনি যদি একটি টীমের সাথে একটি পেজ চালান, তাহলে মসৃণ এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করতে ভূমিকা এবং অনুমতি অনুমতি নিশ্চিত করতে হবে। সিদ্ধান্ত আপনার! শুধু বুদ্ধির সাথে বেছে নেওয়ার কথা মনে রাখবেন। কারণ পেজে কার কি ভুমিকা এবং দায়িত্ব থাকবে তা আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে।
4. মূল পার্থক্য: অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা
4.1 মালিকানা এবং প্রোফাইলের ধরন
একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি পেজর মধ্যে প্রথম এবং প্রধান পার্থক্য হল মালিকানা। একটি অ্যাকাউন্ট একজন ব্যক্তির মালিকানাধীন। আর একটি পেজর মালিকানাধীন ব্যক্তি ঐ পেজটির প্রতিনিধিত্ব করে। সুতরাং, আপনি যদি টীম নিয়ে পেজকে কন্ট্রোল করেন তাহলে আপনি মালিক হয়েও টীম মেম্বাররা আপনার কাজ করে যেতে পারবে।
4.2 উদ্দেশ্য
ব্যক্তিগত আইডি বন্ধুদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আর ব্যক্তিগত আপডেটগুলি জনসাধারণের সাথে শেয়ার করার জন্য পেজ ব্যবহৃত হয়৷ পেজগুলি ব্যবসা, ব্র্যান্ড এবং পাবলিক প্রোফাইলের জন্য বিস্তৃত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে, তাদের পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করতে এবং তাদের অনুরাগীদের সাথে যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হয়।
4.3 বৈশিষ্ট্য এবং ক্ষমতা
বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে, অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির স্বতন্ত্র৷ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট, ব্যক্তিগত মেসেজিং, গ্রুপ এবং ইভেন্টে যোগদান করার ক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, পেজগুলিতে পোস্ট এনালাইসিস, বিজ্ঞাপনের বিকল্প এবং আরও লোকেদের কাছে পৌঁছানোর জন্য পোস্টগুলিকে উত্সাহিত করার ক্ষমতা রয়েছে।
5. ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সুবিধা: ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কিং এবং গোপনীয়তা বৈশিষ্ট্য
5.1 ব্যক্তিগত সংযোগ তৈরি করা
একটি ফেসবুক আইডি আপনাকে আপনার জীবনের প্রতিটি কোণ থেকে বন্ধু, পরিবার এবং পরিচিতদের সাথে সংযোগ করার সুবিধা দেয়৷ এটি একটি ভার্চুয়াল পুনর্মিলনের মতো যেখানে আপনি সহজেই কাউকে খুঁজে পেতে পারেন এবং আপনার পছন্দের লোকেদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন৷ পুরানো বন্ধুত্বকে পুনরুজ্জীবিত করুন, মজার মুহূর্ত শেয়ার করুন এবং তাদের অবকাশকালীন ফটোগুলিতে রিয়্যাকশন দিন।
5.2 ব্যক্তিগত আপডেট এবং মিডিয়া শেয়ার করা
একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্কের সাথে আপনার চিন্তাভাবনা, কৃতিত্ব এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলি শেয়ার করা যায়। সেটা একটি উত্তেজনাপূর্ণ জীবনের ঘটনা হোক অথবা হোক ট্র্যাফিক জ্যাম সম্পর্কে প্রতিদিনের দুর্ভোগের বর্ণনা। আপনার বন্ধুরা আপনার সাথে লাইক, মন্তব্য এবং সহানুভূতি জানাতে পারে৷ এছাড়াও, আপনি এমন ছবি, ভিডিও এবং পোস্টগুলি ভাগ করতে পারেন যা আপনাকে হাসায়, কাঁদায় বা আপনার বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে৷
5.3 গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ এবং কাস্টমাইজেশন
ফেসবুক জানে যে গোপনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ, তাই তারা আপনার পোস্ট, ফটো এবং ব্যক্তিগত তথ্য কে দেখছে তা পরিচালনা করতে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়৷ আপনি কাস্টম প্রাইভেসি সেটিংস সেটআপ করতে পারেন। আপনার বিব্রতকর নাচের ভিডিওগুলিকে অন্যদের চোখ থেকে লক লক করে রাখতে পারেন৷ এটা আপনার ঘর সাজানোর মত।
6. ফেসবুক পেজগুলির সুবিধা: ব্যবসার প্রচার এবং দর্শকদের ব্যস্ততা
6.1 একটি পেশাদার উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা
ব্যবসার জন্য, একটি ফেসবুক পেজ থাকা একটি ভার্চুয়াল স্টোরফ্রন্ট থাকার মত। এটি আপনাকে একটি পেশাদার উপস্থিতি স্থাপন করতে এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে আপনি যা অফার করেন তা প্রদর্শন করার সুবিধা দেয়৷
6.2 পণ্য, পরিষেবা এবং ব্র্যান্ড প্রদর্শন করা
একটি ফেসবুক পেজ ব্যবসাগুলিকে তাদের পণ্য, পরিষেবা এবং ব্র্যান্ডকে দৃশ্যত আকর্ষণীয় উপায়ে প্রদর্শন করতে দেয়৷ আপনি ফটো অ্যালবাম তৈরি করতে পারেন, ভিডিও পোস্ট করতে পারেন এবং নতুন অফার বা প্রচার সম্পর্কে আপডেট শেয়ার করতে পারেন৷ এটি একটি ডিজিটাল শোরুম থাকার মতো যেখানে গ্রাহকরা ব্রাউজ করতে পারেন, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন এবং আশা করি, অনুগত ভক্ত হতে পারেন৷
6.3 অনুসরণকারীদের সাথে জড়িত হওয়া এবং তাদের চাওয়া পাওয়া বিশ্লেষণ করা
একটি ফেসবুক পেজ থাকার সুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল আপনার ফলোয়ারদের সাথে জড়িত থাকার ক্ষমতা। মূল্যবান প্রতিক্রিয়া পেতে আপনি মন্তব্যের উত্তর দিতে পারেন, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন এবং পোল চালাতে পারেন৷ উপরন্তু, ফেসবুক অন্তর্দৃষ্টি এবং বিশ্লেষণ প্রদান করে যা আপনাকে আপনার পেজর কর্মক্ষমতার দেখিয়ে দেয়। আপনি দেখতে পারেন আপনার ফলোয়ার কারা, তারা কোন পোস্টের সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত এবং আপনার বিজ্ঞাপনের প্রচেষ্টার সাফল্য ট্র্যাক করতে পারেন৷ এটা আপনার নিজের গোপন বিক্রয় এজেন্ট থাকার মত।
7. একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজ
7.1 ব্যক্তিগত ব্যবহার বনাম ব্যবসায়িক ব্যবহার
একটি ফেসবুক আইডি এবং একটি ফেসবুক পেজর মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, আপনার প্রাথমিক উদ্দেশ্য বিবেচনা করুন। আপনি যদি বন্ধুদের সাথে সংযোগ করতে চান এবং ব্যক্তিগত আপডেটগুলি শেয়ার করতে চান তবে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টই যথেষ্ট৷ কিন্তু আপনার যদি এমন একটি ব্যবসা বা সংস্থা থাকে যা আপনি প্রচার করতে চান এবং গ্রাহকদের সাথে যুক্ত হতে চান, তাহলে একটি ফেসবুক পেজ আপনার সেরা বিকল্প হতে পারে।
7.2 নির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
আপনি কি অর্জন করতে চান তা নিয়ে ভাবুন। একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আদর্শ, যখন একটি ফেসবুক পেজ আপনাকে আপনার ব্যবসা বাড়াতে, ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং বৃহত্তর দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে৷ আপনার লক্ষ্যগুলি জানা আপনাকে সঠিক পছন্দ নির্ধারণ করতে গাইড করবে।
7.3 সম্পদ এবং সময় প্রতিশ্রুতি
আপনার ফেসবুক উপস্থিতি পরিচালনার জন্য আপনি একজন মোডারেটর রাখতে পারেন অর্থের বিনিময়ে। একটি ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করার বাইরে অন্য কোন কাজ নেই। কিন্তু ব্যবসার জন্য একটি ফেসবুক পেজ চালানোর সময় নিয়মিত আইটেম তৈরি, ব্যস্ততা এবং বিজ্ঞাপনও জড়িত থাকতে পারে। ব্যবসা কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য সময় এবং জনশক্তি নিশ্চিত করুন।
8. উপসংহার: ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া
একটি ফেসবুক আইডি এবং একটি ফেসবুক পেজ নির্বাচন করা শেষ পর্যন্ত আপনার উদ্দেশ্যগুলির উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা করা, পোস্ট করা অথবা আপনার স্টাইলিশ ভিডিওগুলি সৃতির পাতায় ধরে রাখতে চান তবে একটি ফেসবুক আইডি খুলে ফেলুন৷ কিন্তু আপনি যদি আপনার ব্যবসার প্রচার করতে চান, কাস্টোমারদের সাথে যুক্ত হতে চান, তাহলে একটি ফেসবুক পেজ হল উপযুক্ত মাধ্যম৷ আপনি যে পথ বেছে নিন না কেন, সৎ থাকতে ভুলবেন না। ফেসবুক-এর বিশাল জগতে নিজেকে কখনোই খুব বেশি সিরিয়াসলি নেবেন না।
উপসংহারে, এই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার জন্য একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজর মধ্যে পার্থক্য বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ আপনি বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগের জন্য বা আপনার ব্যবসার প্রচারের জন্য, উভয় বিকল্পের পার্থক্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি জেনে রাখা আপনাকে একটি স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে৷ একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বা ব্যবসায়িক পেজ আপনার জন্য সঠিক পছন্দ কিনা তা নির্ধারণ করতে আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য, সংস্থান এবং টার্গেটেড অডিয়েন্স নির্বাচন করুন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির শক্তি ব্যবহার করে, আপনি আপনার অনলাইন উপস্থিতিকে কাজে লাগাতে পারেন এবং আপনার পছন্দসই ফলাফল অর্জন করতে পারেন।
প্রশ্নোত্তর
1. আমার কি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজ উভয়ই থাকতে পারে?
হ্যাঁ, আপনার একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজ উভয়ই থাকতে পারে। একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, যেখানে আপনি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে, আপডেটগুলি শেয়ার করতে পারেন৷ অন্যদিকে, একটি ফেসবুক পেজ প্রাথমিকভাবে ব্যবসা, ব্র্যান্ড, সংস্থা এবং জনসাধারণের জন্য তাদের পণ্য, পরিষেবা বা ধারণা প্রচারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। উভয় থাকা আপনাকে ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি একটি পেশাদার অনলাইন উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করার সুবিধা দেয়।
2. আমি কি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে একটি ফেসবুক পেজে রূপান্তর করতে পারি?
হ্যাঁ, ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে ফেসবুক পেজে রূপান্তর করা সম্ভব। এটি সেই ব্যক্তিদের জন্য দরকারী হতে পারে যারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন বা যাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে যথেষ্ট ফলোয়ার রয়েছে এবং এটিকে একটি পেজে রূপান্তর করতে চান৷ ফেসবুক “প্রোফাইল টু পেজ মাইগ্রেশন” নামে একটি টুল সরবরাহ করে যা আপনার অ্যাকাউন্টকে রূপান্তর করতে, আপনার বন্ধু এবং ফলোয়ারদেরকে আপনার নতুন পেজে স্থানান্তর করার অনুমতি দেয়।
3. আমি কি একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে একাধিক ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতে পারি?
হ্যাঁ, আপনি একটি একক অ্যাকাউন্ট দিয়ে একাধিক ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতে পারেন। ফেসবুক একাধিক পেজ তৈরি এবং পরিচালনা করার অনুমতি দেয়, যা বিশেষত ব্যবসায় বা ব্যক্তিদের জন্য যাদের একাধিক ব্র্যান্ড বা প্রকল্প রয়েছে তাদের জন্য দরকারী। আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের নেভিগেশন মেনুতে “পেজ” বিভাগটি ব্যবহার করে আপনার পেজগুলির মধ্যে অ্যাক্সেস এবং পরিবর্তন করতে পারেন৷ যাইহোক, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিটি পেজ তার নিজস্ব সেটিংস, অডিয়েন্স এবং বিষয়বস্তু সহ স্বতন্ত্র এবং অনন্য।
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুন