প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষবিস্তারিত পড়ুন
প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থেকেছে এবং ১৮৫৭ সালের মহা বিদ্রোহের সময় পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দু- মুসলমান- শিখ মিলে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নিজেদের শাসক বলে ঘোষণা করে, সেই দেশে সৈয়দ আহমদ খানের উপযুক্ত শিষ্য জিন্নাহ্ নামক এক নন প্রাকটিশিং নামে মুসলমান ব্যাক্তি মাত্র ৪০ (১৯০৬—৪৭) বছরের মধ্যেই নিজের জেদ, অবিমিশ্রকারিতা আর রাজনৈতিক কূটবুদ্ধির সাহায্যে একটি নূতন দেশ বানিয়ে ছাড়লেন! সেখানকার ভূমিপুত্র বা ভাষাভাষী না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গেলেন — এটা কি কম সাফল্য! আর এক অশীতিপর বৃদ্ধ , যাকে কেউ মানে না! মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশভাগ হবে বলেছিলেন, তাও লক্ষ লক্ষ মৃতদেহ দেখে নেহেরু- প্যাটেল- জিন্নাহ দের হাতে কর্তৃত্ব ছেড়ে দিয়ে কখনো হরিজন পল্লীতে গিয়ে অস্পৃশ্যতা দূর করতে চেষ্টা করছেন, কখনো শত্রুর দেশ পূর্ব পাকিস্তানের নোয়াখালীর গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করতে আবেদন জানাচ্ছেন, কখনো স্বাধীনতা দিবসে কোলকাতার বেহালায় উপবাস করে কাটাচ্ছেন আবার সর্ব ধর্ম প্রার্থনা সভায় গুলি খেয়ে “হা রাম !” বলতে বলতে মারা যাচ্ছেন — তিনি তো চুড়ান্ত ব্যর্থ একটা মানুষ!
তবে কি , লোকটা জীবিত থাকলে হয়তো ১৯৪৮ এই তৃতীয় তথা শেষবারের মতো মনোনীত হয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতেন! মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, নেলসন ম্যান্ডেলা আর বারাক ওবামার মতো তিন তিনজন নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক ঘোষিতভাবে গান্ধীর অনুগামী! মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা সপথ নেওয়ার মূহুর্তেও ওই মহাত্মার উল্লেখ করছিলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে আমিও দেখেছিলাম। বিশ্বের বহু দেশের বহু মানুষ অস্ত্র আর হিংসা দিয়ে নয়, অহিংসা আর প্রেম দিয়েই মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন। কিন্তু কেউ কি পাকিস্তানের বাইরে মহম্মদ আলি জিন্নাহের জয়ধ্বনি দিতে বা লড়কে লেঙ্গে ….বলে কোনো দেশের স্বাধীনতা আন্দলন করে সফল হতে বা কাউকে নিজেকে জিন্নাহ্ এঁর অনুগামী বলে সগর্বে ঘোষণা করতে (দু একজন বাংলাদেশি বাদ দিয়ে!) দেখেছেন? সুতরাং মহাকালের বিচারে কে সফল আর কে বিফল?
আমার মতে গান্ধী!
আপনার কাকে সফল মনেহয়?
সংক্ষেপে দেখুন













সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা। যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে 'পবিস্তারিত পড়ুন
সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা।
যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে ‘পাগলা রাজা’ নামে প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন তিনি।
সংক্ষেপে দেখুন