সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Emon Khan

নতুন
প্রশ্ন করুন Emon Khan
42 বার প্রদর্শিত
0 ফলোয়ার
0 প্রশ্ন
হোমপেজ/ Emon Khan/ফলোয়ারদের প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

mokbul
mokbulপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা হয়?

  1. maya
    সেরা উত্তর
    maya নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা। যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে 'পবিস্তারিত পড়ুন

    সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা।

    image host

    যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে ‘পাগলা রাজা’ নামে প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন তিনি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 150 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

গান্ধী এবং জিন্নাহ এদের মধ্যে কাকে আপনি সফল বলবেন? কেন সফল বলবেন?

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষবিস্তারিত পড়ুন

    প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থেকেছে এবং ১৮৫৭ সালের মহা বিদ্রোহের সময় পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দু- মুসলমান- শিখ মিলে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নিজেদের শাসক বলে ঘোষণা করে, সেই দেশে সৈয়দ আহমদ খানের উপযুক্ত শিষ্য জিন্নাহ্ নামক এক নন প্রাকটিশিং নামে মুসলমান ব্যাক্তি মাত্র ৪০ (১৯০৬—৪৭) বছরের মধ্যেই নিজের জেদ, অবিমিশ্রকারিতা আর রাজনৈতিক কূটবুদ্ধির সাহায্যে একটি নূতন দেশ বানিয়ে ছাড়লেন! সেখানকার ভূমিপুত্র বা ভাষাভাষী না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গেলেন — এটা কি কম সাফল্য! আর এক অশীতিপর বৃদ্ধ , যাকে কেউ মানে না! মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশভাগ হবে বলেছিলেন, তাও লক্ষ লক্ষ মৃতদেহ দেখে নেহেরু- প্যাটেল- জিন্নাহ দের হাতে কর্তৃত্ব ছেড়ে দিয়ে কখনো হরিজন পল্লীতে গিয়ে অস্পৃশ্যতা দূর করতে চেষ্টা করছেন, কখনো শত্রুর দেশ পূর্ব পাকিস্তানের নোয়াখালীর গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করতে আবেদন জানাচ্ছেন, কখনো স্বাধীনতা দিবসে কোলকাতার বেহালায় উপবাস করে কাটাচ্ছেন আবার সর্ব ধর্ম প্রার্থনা সভায় গুলি খেয়ে “হা রাম !” বলতে বলতে মারা যাচ্ছেন — তিনি তো চুড়ান্ত ব্যর্থ একটা মানুষ!

    তবে কি , লোকটা জীবিত থাকলে হয়তো ১৯৪৮ এই তৃতীয় তথা শেষবারের মতো মনোনীত হয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতেন! মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, নেলসন ম্যান্ডেলা আর বারাক ওবামার মতো তিন তিনজন নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক ঘোষিতভাবে গান্ধীর অনুগামী! মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা সপথ নেওয়ার মূহুর্তেও ওই মহাত্মার উল্লেখ করছিলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে আমিও দেখেছিলাম। বিশ্বের বহু দেশের বহু মানুষ অস্ত্র আর হিংসা দিয়ে নয়, অহিংসা আর প্রেম দিয়েই মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন। কিন্তু কেউ কি পাকিস্তানের বাইরে মহম্মদ আলি জিন্নাহের জয়ধ্বনি দিতে বা লড়কে লেঙ্গে ….বলে কোনো দেশের স্বাধীনতা আন্দলন করে সফল হতে বা কাউকে নিজেকে জিন্নাহ্ এঁর অনুগামী বলে সগর্বে ঘোষণা করতে (দু একজন বাংলাদেশি বাদ দিয়ে!) দেখেছেন? সুতরাং মহাকালের বিচারে কে সফল আর কে বিফল?

    আমার মতে গান্ধী!

    আপনার কাকে সফল মনেহয়?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 56 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল কোনটির সিকিউরিটি সবচেয়ে বেশি?

হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল কোনটির সিকিউরিটি সবচেয়ে বেশি?
  1. Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    টুইটারের নতুন মালিক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), এলন মাস্ক, সিগন্যালকে তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এখন দেখা যাক নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার দিক থেকে এই তিনটি অ্যাপের কী কী সুবিধা রয়েছে। সিগন্যাল ১. ফোন নম্বর ছাড়া ব্যবহারকারীর আর কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না। ২. বিজ্ঞাপনমুক্ত, বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবিস্তারিত পড়ুন

    টুইটারের নতুন মালিক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), এলন মাস্ক, সিগন্যালকে তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এখন দেখা যাক নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার দিক থেকে এই তিনটি অ্যাপের কী কী সুবিধা রয়েছে।

    সিগন্যাল

    ১. ফোন নম্বর ছাড়া ব্যবহারকারীর আর কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না।
    ২. বিজ্ঞাপনমুক্ত, বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়। অ্যাপটির নির্মাতা অলাভজনক সিগন্যাল ফাউন্ডেশন।
    ৩. সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, অর্থাৎ এর প্রোগ্রামিং সংকেত বা সোর্সকোড উন্মুক্ত।
    ৪. এনক্রিপশনে সিগন্যাল প্রোটোকল ব্যবহার করে। অর্থাৎ একক ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল ব্যবহার করে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তিতে বার্তা আদান-প্রদান করে।

    যেকোনো ব্যক্তিগত বা গ্রুপ মেসেজ, ছবি, অডিও এবং ভিডিও সিগন্যালে এনক্রিপ্ট করা হয়। অ্যাপটি ব্যবহারকারীর কোনো তথ্য সংগ্রহ না করেই ফোন নম্বর যাচাই করে। দেখা যাচ্ছে যে অন্য ব্যবহারকারীরাও ফোন নম্বর জানেন।

    এনক্রিপশন ছাড়াও, অ্যাপটিতে আরও বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মধ্যে অ্যাপটির স্ক্রিন লক বৈশিষ্ট্য অন্যতম। তাই ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কেউ অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে না। নির্দিষ্ট সময়ে প্রেরিত মেসেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার পাশাপাশি, অ্যাপটিতে ছবি অস্পষ্ট করার জন্য একটি টুলও রয়েছে।

    দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতো বিশিষ্ট সংবাদপত্রও তাদের সাংবাদিকদের নিরাপদ যোগাযোগের জন্য সিগন্যাল অ্যাপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।

    টেলিগ্রাম

    ১. ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, ফোনে থাকা নম্বর ও আইডি সংরক্ষণ করে।
    ২. বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়।
    ৩. আংশিক ওপেন সোর্স।
    ৪. এনক্রিপশনে এমটিপ্রোটো মোবাইল প্রোটোকল ব্যবহার করে।

    টেলিগ্রাম অ্যাপটি খুবই জনপ্রিয় কারণ এটি সোশ্যাল মিডিয়ার মতো অত্যন্ত ইন্টারেক্টিভ। যদিও এটি গোপনীয়তার ক্ষেত্রে মাঝামাঝি মানের।

    টেলিগ্রাম অ্যাপ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবহার করে বার্তা পাঠাতে পারে, তবে সেটিংস থেকে এটি চালু করতে হবে। টেলিগ্রামের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এটি হোয়াটসঅ্যাপের মতো ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ করে না। নেতিবাচক দিক হলো, গ্রুপ কলগুলিতে কোনও এনক্রিপশন নেই। অতএব, গ্রুপে শেয়ার করা তথ্য খুব নিরাপদ নয়।

    গোপনীয়তার দিক থেকে টেলিগ্রাম সিগন্যাল থেকে পিছিয়ে আছে, কারণ এটি ব্যবহারকারীদের আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ঠিকানা সংরক্ষণ করে। 2020 সালের মার্চ মাসে, হ্যাকাররা সাইবার আক্রমণে 42 মিলিয়ন টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীর আইডি এবং ফোন নম্বর চুরি করে। অ্যাপটিতে 2019 সালে প্রযুক্তিগত সমস্যাও ছিল।

    হোয়াটসঅ্যাপ

    ১. যন্ত্রের আইডি সংগ্রহ করার পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখেন, সেই তথ্যও সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপ। কেনাকাটার ইতিহাস, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, ব্যবহারকারীর অবস্থানসহ ফোন নম্বর, যোগাযোগের ঠিকানা, ফোনে থাকা নম্বরও সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপ।
    ২. বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় মেটার মালিকানাধীন অ্যাপটি।
    ৩. এনক্রিপশন পদ্ধতি ছাড়া কোনো কিছু ওপেন সোর্স নয়।
    ৪. এনক্রিপশনে সিগন্যাল প্রোটোকল ব্যবহার করে।

    নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা আদান-প্রদানের জন্য এনক্রিপশন ব্যবহার করে। তাই ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস মেসেজও নিরাপদে পাঠানো যাবে। ব্যবহারের সহজতার কারণে হোয়াটসঅ্যাপের বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারী রয়েছে।

    যখন নিরাপত্তার কথা আসে, WhatsApp সিগন্যালের মতো একই এনক্রিপশন ব্যবহার করে। দ্য গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের সাংবাদিকদের সিগন্যাল ছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।

    যাইহোক, অ্যাপে শেয়ার করা তথ্য যথেষ্ট নিরাপদ কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, 2020 সালে, সাইবার অপরাধীরা হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও ফাইলের মাধ্যমে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের ফোন হ্যাক করেছিল।

    ডেটা স্টোরেজ তালিকা আপনাকে বলে দেবে অ্যাপটি কতটা গোপনীয়তার সুরক্ষা দেয়।

    তথ্যসূত্রঃ সিনেট

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 50 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

যদি সমগ্র পৃথিবী একটি দেশ হতো, তাহলে বর্তমানের কোন শহরটিকে রাজধানী করা যুক্তিযুক্ত হতো বলে আপনার মনেহয়?

  1. Nusaiba
    সেরা উত্তর
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    একবাক্যে যদি বলতে হয় তাহলে বলবো লন্ডন লন্ডনে বিশ্বের 193টি জাতিসংঘের দেশের 83% কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রয়েছে (রোম এবং ওয়াশিংটন ডিসির পরে তৃতীয়)। হিথ্রো হল বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আটলান্টা এবং গুয়াংজু বেশি ব্যস্ত কিন্তু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দ্বারা প্রভাবিত) যেখানে 84টি এয়ারলাইন বিশ্ববিস্তারিত পড়ুন

    একবাক্যে যদি বলতে হয় তাহলে বলবো লন্ডন

    লন্ডনে বিশ্বের 193টি জাতিসংঘের দেশের 83% কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রয়েছে (রোম এবং ওয়াশিংটন ডিসির পরে তৃতীয়)। হিথ্রো হল বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আটলান্টা এবং গুয়াংজু বেশি ব্যস্ত কিন্তু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দ্বারা প্রভাবিত) যেখানে 84টি এয়ারলাইন বিশ্বের 43% দেশে সরাসরি উড়ে যায়।

    image host

    ইংরেজি হল আন্তর্জাতিক ভাষা। 55টি দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি দ্বিতীয় ভাষা (সর্বোচ্চ) হিসাবে রয়েছে এবং বৃহত্তম অর্থনীতি (USA), বৃহত্তম গণতন্ত্র (ভারত) এবং চীনে 100 মিলিয়নেরও বেশি ইংরেজি ভাষাভাষীর মানুষ রয়েছে।

    লন্ডন ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজধানী, যা 53টি অঞ্চল এবং সমস্ত 7টি মহাদেশ জুড়ে উপনিবেশ নিয়ন্ত্রণ করত। অন্য কোন সাম্রাজ্য আইন-শৃঙ্খলার কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা সহ অনেক দেশ পরিচালনা করতে পারেনি।

    image host

    অন্যান্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম বীমা বাজার, শীর্ষ 3টি আর্থিক রাজধানী, বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে একটি (270 স্টেশন এবং 1.3 বিলিয়ন বার্ষিক যাত্রী), সময়ের কেন্দ্র (Greenwich), জাতিসংঘের স্থায়ী পরিষদের সদস্য এবং গণতন্ত্রের শৃঙ্গ।

    আপনি যদি আমার সাথে একমত না হন তবে উদ্দেশ্যমূলক কারণগুলি উপস্থাপন করুন। আপনার কাছে সেরা শহরটিকে নিয়েও লিখতে পারেন। বাজে মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 1
  • 3 টি উত্তর
  • 96 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

Pathan full movie free download

Pathan full movie free download
  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Ekhan theke download korun https://t.me/promaxmovieshub

    Ekhan theke download korun
    https://t.me/promaxmovieshub

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 4 টি উত্তর
  • 304 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

Adobe Photoshop 7.0 free download full version with key for windows 7 and 10, 64 bit and 32 bit

Adobe Photoshop 7.0 free download full version with key for windows 7 and 10, 64 bit and 32 bit
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Jesmin
Jesminনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

টাইটানিক মুভি সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জনাবেন কি?

টাইটানিক মুভি সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জনাবেন কি?
  1. কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি! ১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো "প্লানেট আইস"। ২. লিওনার্দো'র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সতবিস্তারিত পড়ুন

    ৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি!

    ১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো “প্লানেট আইস”।

    ২. লিওনার্দো’র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।

    ৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।

    ৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সত্যিকার টাইটানিক থেকে ১৯১২ সালে বেঁচে ফিরেছিলেন।

    ৫. শুটিং সেটের পানি এতটাই ঠান্ডা রাখা হয়েছিলো যে কেট উইন্সলেটের হাইপোথার্মিয়া হয়ে গিয়েছিল।

    ৬. সত্যিকারের টাইটানিক রাত ০২:২০ এ ডুবে গেছে এবং মুভিতে, যখন জাহাজটি ডুবছিল, একটি ঘড়িতে ০২.১৫ দেখাচ্ছিল।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 106 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কোন প্রাণীকে আপনার সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী বলে মনেহয়?

  1. rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন। এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দুবিস্তারিত পড়ুন

    অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন।

    image host

    এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দু’টুকরো করে দিতে সক্ষম।

    সবচেয়ে বড় ব্যপার এদের সামনে যে-ই পড়ুক না কেন মেরে ফেলবে। খাওয়ার জন্য নয়, জাস্ট মজা করার বা আনন্দ নেয়ার জন্য। শুধু পূর্ণবয়স্ক বড়সড় হাতি রেহাই পেতে পারে। এরা কতটা বদমেজাজি ভিডিওতে দেখে নিন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 1
  • 1 টি উত্তর
  • 55 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ঝুমুর হাসান
ঝুমুর হাসানপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

পৃথিবীতে বসে থেকে বা পৃথিবীর বাইরে না গিয়ে আমি কিভাবে বুঝবো পৃথিবী গোলাকার?

  1. Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পবিস্তারিত পড়ুন

    প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো।

    image host

    চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন ছায়া রাউন্ড শেপের হয় কেন? তাহলে নিচের ছবিটি থেকে ধারণা নিতে পারেন।

    image host

    উপরের যুক্তি খুবই পুরনো। এরকম পুরনো আরও একটি যুক্তি হলো সাগরের দূর থেকে ভেসে আসা কোন জাহাজকে দূরবীন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমে মাস্তুল এরপর ধীরে ধীরে পুরো জাহাজটিকে দেখা যায়। পৃথিবীর বক্রতাজনিত কারণে এমন হয়। যদি পৃথিবী সমতল হত তাহলে একবারে পুরো জাহাজকেই দেখা যেত।

    imgbox

    এগুলো ছিলো প্রাথমিক প্রমাণ পৃথিবী গোলাকার বোঝাতে। এরপরও বিশ্বাস না হলে আপনি নাসা’র সাথে যোগাযোগ করে রকেটে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশন থেকে পৃথিবীকে দেখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

    আপনার জন্য শুভকামনা!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 44 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

নটরডেম কলেজ ভর্তি যোগ্যতা, বিজ্ঞপ্তি, আসন সংখ্যা, ২০২৩

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ঝুমুর হাসান
ঝুমুর হাসানপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কেন আমরা সমুদ্রের গভীরে যেতে পারিনা, অথচ আমরা চাঁদ পর্যন্ত গিয়েছি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 35 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Mithun
Mithunপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

মেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?

মেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
  1. নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন

    গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।

    image host

    এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 54 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Jesmin
জরিপ
Jesminনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

মেট্রোরেল কি কিছুদিন টিকটকার দের দ্বারা ভর্তি থাকবে?

জরিপের ফলাফল

ভোট দেয়ার এবং ফলাফল জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগ ইন করতে হবে।

জরিপে অংশগ্রহন করুন। উত্তর পছন্দ করুন।

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 35 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Jesmin
Jesminনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ খেলাধুলা

মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?

মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?
  1. পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বিভিন্ন কারণে প্লেয়াররা মুখে হাত দিয়ে কথা বলে। ১। খেলোয়াড়রা মাঠে যখন কথা বলে তখন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।ফ্যামিলি নিয়ে আলোচনা করে,ক্লাব নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যেগুলো মিডিয়ার কাছ থেকে এড়িয়ে চলতে চায়। ২। মাঠে খেলার সময় ট্যাকটিস আলোচনা করতে পারে। প্রতবিস্তারিত পড়ুন

    বিভিন্ন কারণে প্লেয়াররা মুখে হাত দিয়ে কথা বলে।

    ১। খেলোয়াড়রা মাঠে যখন কথা বলে তখন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।ফ্যামিলি নিয়ে আলোচনা করে,ক্লাব নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যেগুলো মিডিয়ার কাছ থেকে এড়িয়ে চলতে চায়।

    ২। মাঠে খেলার সময় ট্যাকটিস আলোচনা করতে পারে। প্রতিপক্ষ যাতে না বুঝে সেই কারণেও মুখে হাত দিয়ে আলোচনা করতে পারে।

    ৩। এটি অভ্যাসগত বা ভালো লাগার কারণেও হতে পারে।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 3 টি উত্তর
  • 85 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
rakib
rakibনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের এর ভাষণ লিখিত pdf ও এই ভাষণের গুরুত্ব লিখ

  1. পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ৭ই মার্চের ভাষণ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দেয়া এক ঐতিহাসিক ভাষণ। উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ হয়। ভাষণটি ১৮ মিনবিস্তারিত পড়ুন

    ৭ই মার্চের ভাষণ

    ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দেয়া এক ঐতিহাসিক ভাষণ। উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ হয়। ভাষণটি ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।

    ৭ মার্চের ভাষণ রচনা

    ভূমিকা

    ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ 167 আসনে বিজয়ী হয়। বাঙালিরা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও সেই সময় ক্ষমতায় আসতে পারেনি। পাকিস্তানীরা বাঙ্গালীদের উপর ক্ষমতা হস্তান্তরের অস্বীকৃতি জানালে সেই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

    পহেলা মার্চ আকস্মিকভাবে জেনারেল ইয়াহিয়া খান সমগ্র জাতিকে স্তম্ভিত করে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয়। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আক্রোশে ফেটে পড়ে বাঙালিরা। তখনই বাঙালিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দিকে তাকিয়ে থাকে। অবশেষে 7 এই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ভাষণ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান সরোয়ারদী উদ্যানে বক্তব্য দেন।

    ভাষণের বিষয়বস্তু

    7 মার্চের রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণ শোনার জন্য রেসকোর্স ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। সেদিন নিউজ উইক ম্যাগাজিনের ভাষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালীদের একটি স্বপ্নের কথা বলতে নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন এসেছিলেন নির্দেশের অপেক্ষায় রত উত্তাল বাঙালি জনসমুদ্র কে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের আহ্বান জানাতে।

    বঙ্গবন্ধু তাঁর সংক্ষিপ্ত অথচ তেজস্বী ভাষণে পাকিস্তানের ২৩ বছরের রাজনীতি ও বাঙালিদের বঞ্চনার ইতিহাসের ব্যাখ্যা, পাকিস্তান রাষ্ট্রের সঙ্গে বাঙালিদের দ্বন্দ্বের স্বরূপ উপস্থাপন, অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমি বিশ্লেষণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা, শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানে তাঁর সর্বাত্মক চেষ্টা, সারা বাংলায় প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ, প্রতিরোধ সংগ্রাম শেষাবধি মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেওয়ার ইঙ্গিত, শত্রুর মোকাবিলায় গেরিলাযুদ্ধের কৌশল অবলম্বন, যেকোনো উসকানির মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার পরামর্শদান ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরার পর ঘোষণা করেন:

    ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশা আল্লাহ।…এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’

    ৭ই মার্চের ভাষণের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

    বঙ্গবন্ধুর 7 ই মার্চের ভাষণ ছিল একজন দক্ষ কৌশলীর সুনিপুণ বক্তব্য। তিনি সেদিন মূলত কৌশলে বাঙ্গালীদের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রকৃত স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার ঘোষণাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৌশলে দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেদিন কের কৌশল ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা সংখ্যালঘিষ্ঠ পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে কেন? বরংচ সংখ্যালঘিষ্ঠ পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙ্গালীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাক।

    সেদিনের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর এই বাঙালিরা স্বাধীনতার জন্য উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে। বাঙ্গালীদের মনে সেদিন স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ নেওয়ার ইচ্ছা আরো উজ্জীবিত হয়। এর ফলশ্রুতিতে 25 শে মার্চ যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনতার ডাক দেন তখন বাঙালিরা সেই ডাকে সাড়া দিয়ে নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে।

    ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিরস্ত্র বাঙালিদের সশস্ত্র করে তোলে। তিনি বলেছিলেন তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। সেই ভাষণ এর ফলে মুক্তিযোদ্ধারা অকাতরে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিতে কোন পিছুপা হয়নি।

    বলা যায়, এই একটি ভাষণ একটি জাতিরাষ্ট্র, বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে, যা বিশ্বে নজিরবিহীন। জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেসকো এ ভাষণকে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ বিশ্ব–ঐতিহ্য সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’–এ অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    উপসংহার

    মূলত 7 মার্চ কি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বলে বিবেচনা করা হয়। কারণ এই দিন শেখ মুজিবুর রহমান পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীদের মনে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গ্রহণ করার জন্য ইচ্ছা জাগ্রত করে দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার ফলে বাঙালিরা রাতারাতি সশস্ত্র হয়ে ওঠে। সমগ্র বাংলাদেশকে একটি অগ্নি গোলায় পরিণত করে। তাই সাথে মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

    ৭ই মার্চের ভাষণ লিখিত pdf

    ৭ই মার্চের ভাষণ লিখিত pdf ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 253 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
mokbul
mokbulপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

জীবনের কিছু অলিখিত নিয়ম কী কী?

  1. Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    @mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য। আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম। ১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, "প্রেম" টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই। ২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই। ৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের "উদ্বিস্তারিত পড়ুন

    mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য।

    আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি

    এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম।

    ১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, “প্রেম” টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই।

    ২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই।

    ৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের “উদ্দেশ্য” বা “স্বপ্ন” বাস্তবায়িত হবে, নিশ্চয়তা নেই।

    ৪। নিজের ক্ষতি করে, অন্যের উপকার করলেও যে, কৃতজ্ঞতা স্বীকার হবে, নিশ্চয়তা নেই।

    ৫। দেখে শুনে, হিসাব নিকাশ করে, জীবনসঙ্গিনী নির্বাচন করলেই যে, সংসার টিকে যাবে নিশ্চয়তা নেই।

    ৬। সম্পূর্ণ সুস্থ থেকেও যে, নিজের তাৎক্ষণিক মৃত্যুকে রুখে দেয়া যাবে, নিশ্চয়তা নেই।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 57 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ঝুমুর হাসান
ঝুমুর হাসানপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

গাজীপুর গার্মেন্টস চাকরি বেতন কত?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rana
ranaপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

পদ্মা সেতু যেহেতু বাংলাদেশের নিজেদের অর্থায়নে তৈরি তাহলে টোল দিতে হয় কেন?

  1. হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে "টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?" অন্যদিকে আমবিস্তারিত পড়ুন

    পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে “টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?”

    অন্যদিকে আমাদের ভারত উপমহাদেশের দেশগুলোতে এটার উলটো প্রশ্ন করা হয়। কারণ এ অঞ্চলের মানুষেরা বিশ্বাস করে তারা যে পরিমান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর দিচ্ছে শুধু সেটা দিয়েই লাগামহীন অর্থ কেলেঙ্কারীর এ অঞ্চলগুলোতে উন্নয়ন কাজ সম্ভব।

    প্রকৃতপক্ষে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কিভাবে ভুল তা নিয়ে কোন ব্যাখা বিশ্লেষণে যাবোনা, চেষ্টা করবো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে।

    তবে এটা জানার আগে বুঝতে হবে বিভিন্য সরকারী অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো কিভাবে কাজ করে। আমাদের দেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ সংক্ষেপে পিপিপি নামে একটা অথোরিটি আছে যারা প্রাইভেট ফাইন্যান্সিং নিয়ে পাবলিক ফাইনান্সিং এর সাথে সংযুক্ত করে কোন একটা প্রকল্প শুরু করে। যেমন বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক, ২য় পদ্মা সেতু এগুলো পিপিপি’র অন্তর্ভুক্ত।

    একই রকম ভারতে যেটা হয় সেটা BOT (Build, Operate, Transfer) ম্যাকানিজম। এখানে কর্পোরেটগুলোর কাছে সরকার পুরো দায়িত্ব দিয়ে দেয়, এরপর তারা সেটা নির্মান করে সরকারকে হস্তান্তর করে সরকারের কাছ থেকে নির্মান ব্যায় তুলে নেয় এরপর নিজেরাই টোল আদায় করে পুরো অবকাঠামোর অপারেশন এবং মেইনটেনেন্স এর দায়িত্ব নিয়ে নেয়। অনেকটা আমাদের দেশের লোকাল সড়ক বা সেতুর কাজ ঠিকাদারদের দিয়ে দেয়ার মত।

    তবে এদুটোর কোনটায় ট্যাক্স পেয়ারদের টাকায় নির্মান হয়না বিধায় এখানে টোল আদায়ের ব্যাপারটাকে সম্পূর্ণ যৌক্তিক চোখে সবাই দেখতে চাইলেও, পদ্মা সেতুর মত কোন অবকাঠামো নির্মানের ক্ষেত্রে ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা নিলেও আবার কেন টোল দিতে হবে এই প্রশ্নের জাগরণ কে যৌক্তিক চোখে দেখলেও কেউ প্রশ্নটাকে অযৌক্তিক বলে মানতে চান না।

    প্রথম সরকার কেন ট্যাক্স এর টাকা ব্যবহার করে? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে খুঁজতে হবে অর্থকড়ি ছাড়া যদি সরকার দেশ চালাতে না পারে তাহলে সেই অর্থের জোগান কোথা থেকে আসে? ঋণ নিয়ে? রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিভিন্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত মুনাফা দিয়ে? না কি রাজস্ব থেকে? আসলে এই সবগুলো খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই সরকার দেশ পরিচালনা করে।

    রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রয়েছে অনেক, মাধ্যম দুইটা। একটা প্রত্যক্ষ কর অন্যটা পরোক্ষ কর। প্রত্যক্ষ কর হচ্ছে যেটা আপনি নির্দিষ্ট সম্পদ এর জন্য সরাসরি প্রদান করছেন এবং যার জন্য আয়কর বিভাগ আপনাকে একটা ছাড়পত্র দিচ্ছে। অন্যদিকে পরোক্ষ কর যেটা আপনি সরাসরি দিচ্ছেন না বরং আপনার হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান কর দিচ্ছে এবং সমপরিমান মূল্য আপনার থেকে সেই প্রতিষ্ঠান কর্তন করে নিচ্ছে। যেমন আপনি যখন এক লিটার তৈল কিনছেন বাজার থেকে সেই তৈলের মূল্য বাবদ যা দিচ্ছেন সেটা যদি ২০০ টাকা হয় তাহলে আমরা বোঝানোর সুবিধার্তে ধরে নিতে পারি ১৯০ টাকা মূল্য দাম এবং বাকী ১০ টাকা কর বাবদ কেটে নিচ্ছেন। অর্থ্যাৎ আয়কর বিভাগ সেই তৈল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি লিটারে ৫% করে শুল্ক নিচ্ছেন (যেটা প্রকৃতপক্ষে ভোক্তা প্রদান করবে) সেই ৫% শুল্ক ওই প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের কাছ থেকে আবার আদায় করে নিচ্ছেন। পুরো ব্যাপারটা হয়তো আরো সহজে ব্যাখা করা যেতে পারে বা আপনি ইতোমধ্যে আমার চেয়েও ভালোভাবে জানেন।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে এগুলোর সাথে টোলের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক বেশ নিবিড়। এই টোল ও একধরণের ট্যাক্স যাকে টোল ট্যাক্স বলা হয়। একবার চিন্তা করে দেখেন একটা সেতু বা সড়কের রক্ষনাবেক্ষন বা পরিচালন ব্যায় আছে। সরকার আপনার কাছ থেকে ট্যাক্স নিয়েছে শুধু সেটার নির্মান ব্যায় হিসেবে, রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় তো একটা চলমান প্রক্রিয়া। সেটার জন্য সরকার আপনার আমার কাছ থেকে কোন ট্যাক্স কিন্তু নিয়ে রাখেনি। কারণ এই ব্যায়টা ধ্রুবক নয়।

    ইতোমধ্যে জেনে থাকবেন সরকার বলেছেন পদ্মা সেতু ৩৫ বছর পর লাভের মুখ দেখতে শুরু করবে। অর্থ্যাৎ সরকার রাজস্ব খাত থেকে অর্থ নিয়ে সেতু নির্মান করতে যে অর্থ ব্যায় করেছে সেটা তুলতে ৩৫ বছর লাগতে পারে। এরপর যা টোল আদায় হবে তা সরকারের লাভের খাতায় প্রবেশ করবে। অনেকটা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মত। এখনও প্রশ্ন থেকেই যায় রাজস্ব থেকেই তো নির্মান হলো, সেক্ষেত্রে সরকার শুধু রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় বাবদ এত টাকা টোল কেন নেবে বা ৩৫ বছর পর কি টোল আদায় বন্ধ হয়ে যাবে? কেন নেবে এটাই তো মূল বিষয়, সেখানে যাবো। তবে তার আগে আরো কিছু জেনে নেয়া যাক। আর ৩৫ বছর পর টোল আদায় বন্ধও হয়ে যাবেনা।

    একবার চিন্তা করেন, দেশের মূল মালিক দেশের জনগণ। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলো পদ্মার উপর পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রুটে আরেকটা সেতু বানাবে। কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের সবাইতো আর খাওয়া-পরা বাদ দিয়ে সেতু নির্মানে লেগে যাবেনা! একারণে সবাই সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা সংঘের কাছে সেই দায়িত্ব দিয়ে দিলো। তারা হিসেব নিকেষ করে দেখলো এখানে সেতু বানাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা লাগবে। দেশের সবাই মিলে চাঁদা তুলে ৩০ হাজার কোটি টাকা তাদের প্রদান করলেন এবং বাকিটা ম্যানেজ করে নেয়ার জন্য বললেন। ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যায় করে সেই সংঘ সেখানে সেতু নির্মান করে আমাদের প্রত্যেকের হাতে হস্তান্তর করলেন ১৬ কোটি দলিলে প্রত্যেকের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের অংশীদারিত্ব বুঝিয়ে দিলেন।

    এরপর এরা দেখতে পেলেন সেই সেতুর লাইট জ্বালানো, রঙ করা, ধোয়া-মোছার জন্য তাদের নিজেদের সেখানে যেতে হচ্ছে। একারণে তারা আবার আগের সেই সঙ্ঘকে দায়িত্ব দিলেন এই কাজগুলো করার। সেই সঙ্ঘ আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে রক্ষনাবেক্ষন খরচ ওঠানো শুরু করলেন। এক পর্যায়ে দেখা গেলো রক্ষনাবেক্ষন খরচ বাবদ যে টাকা তারা আদায় করছেন তার কিছু অংশ অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে, এবার সেই অবশিষ্ট অংশ ১৬ কোটি মানুষের কাছে সমান ভাগ করে তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এই টাকাই আবার পরবর্তী কোন উন্নয়ন কাজে ১৬ কোটি মানুষ খরচ করছে। এভাবে চললে জগাখিচুড়ি হয়ে যাবে না? এগুলো যেন না হয় সেজন্যই জনগণ তাদের নিজেদের মধ্য থেকেই কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠীকে বেছে নেয় সমস্ত কাজগুলো ম্যানেজমেন্ট এ আনার জন্য।

    একই পরিস্থিতিকে এবার ম্যানেজমেন্ট এর আওতায় আনা যাক। জনগণ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেই গোষ্ঠী এবার সব সেতু আর সড়কের দেখভাল করার জন্য আলাদা আরেকটা শাখা খুললেন যার নাম দিলেন সড়ক ও সেতু বিভাগ। নতুন সড়ক/সেতু নির্মান, পুরাতন গুলোর দেখভাল করার দায়িত্ব এদের। এরা এসে দেখলো দেশে অনেক সড়ক আছে যেগুলোতে প্রতিবছর রক্ষনাবেক্ষন বাবদ অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। তারা অর্থ বিভাগের কাছে তার জন্য টাকা চাইলো। অর্থ বিভাগ জানিয়ে দিলো জনগন তাদের যে টাকা দিয়েছে সেখান থেকে সব বিভাগের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব না, সেকারণে সড়ক ও সেতু বিভাগকেও চাহিদা মাফিক টাকা প্রদান সম্ভব নয়। সড়ক ও সেতু বিভাগ সেই অল্প টাকা নিয়ে মাঠে নেমে পরলেও ঘাটতি টাকাটার জোগান এর ব্যবস্থা করে নিলো বড় কোন সড়ক বা সেতু থেকে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে।

    একই সাথে সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে আর কিছু টাকা অর্থ বিভাগ থেকে নিয়ে অন্য কোথাও একটা সড়ক নির্মান করলেন যার জন্য সরকার অতিরিক্ত কোন ট্যাক্স বা কর নিলেন না। অর্থ্যাৎ সড়ক/সেতু বিভাগের প্রধানতম আয়ের উৎস হচ্ছে এই টোল ট্যাক্স যার সাথে সামগ্রিক রাজস্ব খাতের কোন সম্পর্ক নেই আবার একে সম্পূরক খাতও বলা যায়না। অর্থ্যাৎ এই টোল ট্যাক্স কখনোই সরকারের রাজস্ব হিসেবে জমা থাকেনা (সহজ অর্থে রাজকোষাগারে) বরং সড়ক এবং সেতু বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্য কাজেই সেই অর্থের ব্যায় করে থাকে। মোটাদাগে টোলের থেকে আদায় করা অর্থ আবার আপনাকেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে। এবং সেসব কাজের জন্য সরকারের রাজস্ব খাত (বিশেষঃত ট্যাক্স পেয়ারদের) থেকে কোন অর্থ তারা নিচ্ছেন না।

    টোল ব্রিজের তালিকাতে সম্ভবত কানাডা শীর্ষে। যার অধিকাংশই কানাডার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত, তবুও তারা টোল নিচ্ছেন, সেখানকার জনগণ দিচ্ছেন। কারণ তারা জানেন সরকার এভাবেই তাদের কাছ থেকে পয়সা-কড়ি নিয়ে দেশ চালাবে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস মুদ্রা-বৃষ্টি হয়না, অতএব সড়ক বিভাগের চলতে হলে এই এক টোল ট্যাক্সই অন্ধের ষষ্ঠী। সড়ক বিভাগকে চলতে দিন, কেন টোল দেব প্রশ্ন না করে বরং প্রশ্ন করুন “ট্যাক্স এর টাকায় নির্মিত সড়কের রক্ষনাবেক্ষন কেন এত খারাপ? বৃষ্টি হলেই সড়কে খানা খন্দে ভড়ে যায় তার জন্য আপনাদের R&D আছে? টাকা তো আমাদের গাছে ধরেণা যে আমি ছিড়ে ছিড়ে আপনাকে দেব আর আপনি তার অপচয় করবেন?”

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 46 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ভবের হাট 🤘
ভবের হাট 🤘পণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশ থেকে নেটফ্লিক্স কত টাকা আয় করে?

  1. সুমনা
    সেরা উত্তর
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগইবিস্তারিত পড়ুন

    হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

    তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগই উন্নত কন্টেন্ট নয়। বছরে একটা ভালো কাজ দেখা যায় এবং সেটাকে পুঁজি করে মার্কেটে টিকে থাকার চেষ্টা করা হয়।

    অন্যদিকে নেটফ্লিক্স নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি সিরিজ বা মুভি একেকটা মাস্টারপিস হিসেবে তৈরি করে।

    তাই তারা যে টাকা আয় করে তা যৌক্তিক। নেটফ্লিক্স ইউজারদের সেরা এক্সপেরিয়েন্স দেয় গুনগত মানের গল্প, ছবি ও শব্দের সমন্বয়ে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 59 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কোন জায়গায় গেলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় ?

  1. Jesmin
    সেরা উত্তর
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যাবিস্তারিত পড়ুন

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না, তা নিয়ে আফসোস করা উচিত নয়। আমাদের উচিত সেসব বিষয় এড়িয়ে চলা, যা নিজেদের জীবনে আমরা গ্রহণ করব না। যেমন কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা।’

    সহজ কিছু উপায়ে আমরা আমাদের মানসিক শান্তি ধরে রাখতে পারি …

    1. কঠিন কাজটি আগে করি
    2. গ্রহণ করে নিন অপ্রাপ্তিগুলো
    3. লোকে কী ভাববে তা তাদের ভাবতে দিন
    4. এই মুহূর্তের তিনটি ভালো দিক নিয়ে চিন্তা করুন
    5. নিজের যত্ন নিন

    এবং সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখলে মানুষের সকল খারাপ চিন্তা মন থেকে দূর হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 66 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 115 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 163 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,244 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 89 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SimretSheshy

SimretSheshy

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
jackwilliamson1221

jackwilliamson1221

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
Taharim Hasan Tanim

Taharim Hasan Tanim

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
AntoninaZotova

AntoninaZotova

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
biplob

biplob

  • 27 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন